Law Hub Noakhali

Law Hub Noakhali Legal Consultancy Centre
Contact:01686559960

ওয়ারিশ সম্পত্তি নামজারি নিয়ে নতুন নির্দেশনা। ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে একাধিক ওয়ারিশ হলে সবাই একত্রে নামজারি আবেদ...
26/08/2025

ওয়ারিশ সম্পত্তি নামজারি নিয়ে নতুন নির্দেশনা।

ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে একাধিক ওয়ারিশ হলে সবাই একত্রে নামজারি আবেদন করলে একটি খতিয়ানে সবার নামে হিস্যানুসারে নামজারি করা যাবে।

11/06/2024
আদালতে আইনজীবী হিসেবে দেড় যুগের মতো প্র্যাকটিস করছেন। শত শত মামলায় ক্লায়েন্ট সামলেছেন। আজ ধরা পড়লো তিনি অ্যাডভোকেট না...
06/06/2024

আদালতে আইনজীবী হিসেবে দেড় যুগের মতো প্র্যাকটিস করছেন। শত শত মামলায় ক্লায়েন্ট সামলেছেন। আজ ধরা পড়লো তিনি অ্যাডভোকেট না, তিনি হলেন টাউট।
তাই মামলা বা আইনি পরামর্শ নেওয়ার পূর্বে বুঝে নিতে হবে যে, আপনার পরামর্শদাতা আইনজীবী কি না।
অনেকেই বয়স বেশি দেখলে বা কম টাকার জন্য টাউটদের কাছে যান আইনি সেবা নিতে। সুতরাং সাবধান হতে হবে...!

বিচারিক নজির আইনের অন্যতম একটি উৎস। বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভা...
03/06/2024

বিচারিক নজির আইনের অন্যতম একটি উৎস। বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধঃস্তন সকল আদালতের জন্য প্রযোজ্য।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিচারিক নজির ল’ রিপোর্ট আকারে প্রকাশ করে। আজ থাকছে বিভিন্ন ল’ রিপোর্টের পরিচিতি।

1. Dhaka Law Reports (DLR) 1949-present
2. Pakistan Law Reports (PLR, Dhaka Series) 1950-1973
3. Bangladesh Supreme Court Digest (BSCD) 1972-present
4. Bangladesh Tax Decision (BTD) 1973-2006
5. Bangladesh Supreme Court Reports (BSCR) 1976-1996
6. Bangladesh Legal Decisions (BLD) 1981-present
7. Bangladesh Case Reports (BCR) 1981-1990; 2004-2007
8. Bangladesh Law Times (BLT) 1993-present
9. Mainstream Law Reports (MLR) 1996-2014
10. Bangladesh Law Chronicles (BLC) 1996-present
11. Law Guardian (LG) 2004-2013; 2016-present
12. The Lawyers Appellate Division Cases (ADC) 2004-present
13. Ex-Files 2008-2013
14. Chancery Law Chronicles (CLC) 2008-present
15. The Law Reporters (TLR) 2011-2014
16. Apex Law Reports (ALR) 2012-present
17. Law Circle Law Reports (LCLR) 2012-2014
18. Lawyers & Jurists (L&J) 2012-present
19. Counsel Law Reports (CLR) 2013-present
20. Bangladesh Case Law 2013
21. Supreme Court Online Bulletin (SCOB) 2015-present
22. Law Messenger (LM) 2016-present

29/05/2024

মুসলিম বিবাহ সংক্রান্ত আইন:

★বিবাহ কি
মুসলিম আইন অনুসারে বিবাহ একটি দেওয়ানী চুক্তি

★বিবাহের শর্ত
* প্রস্তাব ও গ্রহণ
*সম্মতি
*দেনমোহর
*সাক্ষী ( নিম্নে দুইজন)
*বয়স 15 বছর

★মুসলিম আইনে বিবাহ কয় প্রকার

তিন প্রকার

১।বৈধ বিবাহ( আইনের অধীন বিবাহের শর্ত অনুসারে হয়)

২।অনিয়মিত বিবাহ
* শর্ত
>বিবাহের কোনো সাক্ষী না থাকে
>সংখ্যার চেয়ে বেশি স্ত্রী থাকলে
>ইদ্দত পালনের সময় বিবাহ হলে

* অনিয়মিত বিবাহের ফলাফলে সন্তান হলে তা কি বৈধ হবে।বৈধ হবে

*স্ত্রীর দেনমোহর ভরণপোষণ অধিকারী হবে *সন্তান পিতা মাতার সম্পত্তির অধিকারী হবে *স্বামী বা স্ত্রী কেউই পরস্পরের সম্পত্তি উত্তরাধিকার হবে না

৩। অবৈধ বিবাহ( আইনের অধীন বিবাহের শর্ত অনুসারে না হয়)

★ ইদ্দত পালনের নিয়ম

**যদি কোন মহিলার মাসিক চলাকালীন সময় তালাক দেয়া হয় তাহলে ইদ্দতকাল হবে ৩ মাস
** কিন্তু অন্য সময় তালাক হলে ইদ্দতকাল হবে ৩ চন্দ্রমাস
** আর মহিলা যদি গর্ভবতী হয় তাহলে সন্তানের জন্মের পর ইদ্দত শেষ হবে

** স্বামীর মৃত্যুর কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে > > ইদ্দতের সময়কাল ৪ মাস ১০ দিন এবং গর্ভবতী হলে সন্তান জন্মের তারিখ বা ইদ্দত এর সময় যে সময়টি দীর্ঘতর হয় সে সময় হবে

★দেনমোহর কত প্রকার

**টাকা নির্ধারণের ভিত্তিতে দুই প্রকার
১।নির্ধারিত দেনমোহর
২।অনির্ধারিত দেনমোহর

** সময় ভিত্তিতে দুই প্রকার
১।তাৎক্ষণিক
২।বিলম্বিত

★ সর্বনিম্ন দেনমোহর এর পরিমাণ কত >হানাফিদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দেনমোহর এর পরিমান ১০ দিরহাম
>মালিকি ইস্কুলের মতে সর্বনিম্ন দেনমোহর ৩ দেরহাম

★ দেনমোহর ছাড়া বিবাহ হলে বিবাহ কি বাতিল হবে। না

★দেনমোহরের মামলা কত দিনের মধ্যে করতে হয়
তামাদি আইনের ১০৪ অনুসারে তিন বছরের মধ্যে আদায়যোগ্য

★মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ

১। স্বামী বা স্ত্রী মৃত্যুর মাধ্যমে
২।স্বামী বা স্ত্রীর কার্যধারা
৩। উভয়পক্ষের সম্মতিতে মাধ্যমে ৪।জুডিশিয়াল প্রসেস এর মাধ্যমিক

★আদালতের ডিক্রির মাধ্যমে কি কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ হতে পারে।

> মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন 1939 এর ধারা ২ এর অধীন একজন স্ত্রী ৯ কারনে যেকোনো একটির ভিত্তিতে বিবাহবিচ্ছেদ প্রার্থনা করতে পারেন

১। স্বামীর চার বছরের অধিক সময় নিরুদ্দেশ থাকলে
২।দুই বৎসর যাবৎ স্ত্রী ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে
৩।স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লংঘন করে অতিরিক্ত স্ত্রী গ্রহণ করলে
৪। স্বামী সাত বছর বা বেশি কারাদণ্ড হলে
৫।কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালন না করলে
৬।স্বামী পুরুষত্ব হীন থাকলে
৭।স্বামী দুই বছর যাবত পাগল থাকলে
৮।নাবালক অবস্থা বিয়ে হয়ে থাকলে সাবালকত্ব অর্জনের পর । এই ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যৌন সম্পর্ক হয়ে থাকলে এ ধরনের মামলা করা যাবে না
৯। নিম্নলিখিত যে কোন কারণে অকারণে স্ত্রীর সাথে নিষ্ঠুর আচরণ করলে

★ তালাকে আহসান বা উত্তম তালাক

> দেহ পবিত্র থাকা অবস্থায় স্বামী যদি একবার তালাকের উচ্চারণ করে এবং তিন ইদ্দতকাল পর্যন্ত যৌন সম্পর্ক স্থাপন না করলে তালাক হয়ে যাবে এ প্রকার তালাক কে তালাকে আহসান বলেন

★তালাকে হাসান
এপ্রকার তালাকে পদ্ধতি হচ্ছে স্বামী পরপর ৩ তুহরের প্রত্যেক তুহরের একবার তালাক উচ্চারণ করবে এবং তুহরের সময় যৌন সম্পর্ক স্থাপন করবে না

★ তালাকের পদ্ধতি (মুসলিম পারিবারিক আইন ১৯৬১ ধারা ৭(১)

> স্বামী তালাক দেওয়ার পর তালাকের সংবাদটি একটি নোটিশের মাধ্যমে স্ত্রী এবং স্ত্রীর এলাকার চেয়ারম্যান কে জানাবে

>নোটিশ পাওয়ার পর 30 দিনের মধ্যে চেয়ারম্যান স্ত্রী ও স্বামীর মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করবে

>চেয়ারম্যান যদি ব্যর্থ হয় এবং নোটিশ দেওয়ার 90 দিনের মধ্যে যদি স্বামী নোটিশ প্রত্যাহার না করে তাহলে তালাক কার্যকর হয়ে যাবে

>চেয়ারম্যান ও স্ত্রী কে নোটিশ না পাঠালে স্বামী শাস্তি পাবে কিন্তু তালাক কার্যকর হয়ে যাবে

★ পারিবারিক আদালত হচ্ছে এক প্রকার (দেওয়ানী আদালত)

**পারিবারিক আদালত গঠন হয় (সহকারি জজ কে নিয়ে)
** সহকারী জজ পারিবারিক আদালতে বসলে তার আর্থিক এখতিয় (সীমাহীন)

**পারিবারিক আদালত কয়টি বিষয়ে বিচার করে( পাঁচটি বিষয়)
> বিবাহ বিচ্ছেদ
>দেনমোহর
>ভরণপোষণ
>সন্তানের অভিভাবকত্ব
>দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার

*পারিবারিক আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল হবে (জেলা জজের নিকট)

★কোরানিক শেয়ারর

*কোরানিক শেয়ারর কয়জন।
>12 জন

*এই 12 জনকে কি বলা হয়
>জবিউল ফুরুজ

* এই 12 জন এরপর কাদের সিরিয়াল
>আসাবা ( অবশিষ্টভোগী)

*আসাবা ও যদি না থাকে তাহলে সম্পত্তি কে পাবে
>দুরসম্পর্কের আত্মীয়দের মধ্যে বন্টন করতে হবে যা (জাবিল আরহাম) নামে পরিচিত

**ডকট্রিন অফ আউয়াল কি
> শরীয়ত অনুযায়ী অংশীদারদের অংশ প্রদানের পর তাদের আংশাবলির যোগফল যদি মূল সম্পদ হতে বেড়ে যায় বা ১এর চেয়ে বেশি হয় তাহলে যে নিয়মে তা সমাধান করা হয় তাকেই আউয়াল বলে

**ডকট্রিন অফ রাদ সম্পর্কে কি
>অনেক সময় দেখা যায় উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বন্টন করে দেওয়ার পর কিছু সম্পত্তি বেঁচে যায় বেঁচে যাওয়া সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে অতিরিক্ত হিসেবে ফিরিয়ে দেয়া কে রাদ নিতি বলে।

** কুরানিক শেয়ারার এর কথা কোথায় বলা আছে >সূরা আন নিসায়।

শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রাখতে ভুলবেন না কিন্তু... 😎কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?➥১. পর্চা বা খতিয়া...
26/05/2024

শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রাখতে ভুলবেন না কিন্তু... 😎

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।

❖প্রশ্নঃ ম্যপ তুলতে কতদিন সময় লাগে?
উত্তরঃ আবেদন করার দিন হতে, ৫-৮ কার্য দিবসের ভিতরে ম্যাপ পাবেন।

#খতিয়ান #দলিল #পর্চা #ম্যাপ

25/05/2024
24/05/2024

আপনি আইনজীবী আপনার দ্বায়বদ্ধতা থাকলে আপনি সর্বোত্তম ব্যক্তি সমাজে, না হয় সর্ব নিকৃষ্ট ঃ

কোন মানুষ ভ্রমের ঊর্ধ্বে নয়, সম্ভবত বিচারকও নয়। বিচারকের ভ্রম ধরিয়ে দিতে পারে শুধু সেই ব্যক্তি যিনি জ্ঞানে, গুণে, মর্যাদায় এবং অবস্থানে বিচারকের সমকক্ষ। সেই ব্যক্তিই আইনজীবী।

তাই আইনজীবীগন সত সাহসী হবেন, কোন মিথ্যার আশ্রয়বা প্রতারনার সাথে জড়িত হওয়া কোন ভাবেই কাম্য হতে পারে না।

দুনিয়া জুড়ে novel profession বলা হয় আইন পেশা কে। একমাত্র ‘এডভোকেট’ ও ‘বিচারক’ শব্দের পূর্বে ‘Learned’ বা ‘বিজ্ঞ’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়, তারা সমাজের সবার জন্য কাজ করেন। অন্য কোন পেশাজীবীর নামের পূর্বে এ উপাধি দেয়া হয় না। পেশায় স্বাধীন, আপন কাজে অনমনীয়, সমাজের বুদ্ধিদীপ্ত, সুশিক্ষিত, নির্ভীক এক সচেতন অংশের নাম ‘আইনজীবী’।

লর্ড ম্যাকমিলানের মতে “অন্য কোন পেশা মানবজীবনকে এত স্পর্শ করে না।”

একজন আইনজীবী তার অবস্থানের প্রেক্ষিতে আদালতে অফিসার এবং বিশেষ অধিকার প্রাপ্ত শ্রেণীর অন্তর্গত। সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তার অবদান ও তার মক্কেলকে পেশাগত উপদেশ প্রদানের জন্য জনসাধারণের ওপর তার প্রভাব অত্যন্ত প্রখর। আর এ প্রভাবের কারণেই ভালো হোক অথবা মন্দ হোক যে কোন কাজই সমাজের অন্যান্য ব্যক্তির চেয়ে একজন আইনজীবীর কর্মকাণ্ড, দৃষ্টান্ত ও আর্দশ সমাজের ওপর অনেক বেশি কার্যকর।

আইনজীবীগণ আদালতে বিনীতভাবে সততার সাথে তার মক্কেলের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছতে বিচারককে সরাসরি সহায়তা প্রদান করেন বিধায় আইনজীবীগণ আইন আদালতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।

মরহুম গাজী শামসুর রহমান বলেন, কোন মানুষ ভ্রমের ঊর্ধ্বে নয়, সম্ভবত বিচারকও নয়। বিচারকের ভ্রম ধরিয়ে দিতে পারে শুধু সেই ব্যক্তি যিনি জ্ঞানে, গুণে, মর্যাদায় এবং অবস্থানে বিচারকের সমকক্ষ। সেই ব্যক্তিই আইনজীবী।

প্রচলিত আইনে বিজ্ঞ আইনজীবীগণ আদালত অঙ্গনে যেসব বিশেষাধিকার ভোগ করেন তার একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা হলো :
(১) আদালতে আইনজীবীকে হলফনামা দিতে হয় না : আইনজীবীগণ আদালতের কর্মকর্তা বা ‘Officer of the Court’ এবং তাই যখন কোন আইনজীবীর পরিচালনাধীন কোন মোকদ্দমায় সংশ্লিষ্ট কোন বিষয়ের ওপর কোন কিছু বলার জন্য তাকে আদালত নির্দেশ দেন, তখন তাকে Affidavit (হলফনামা) করার প্রয়োজন হয় না। বরং তাদের প্রদত্ত statement’ই যথেষ্ট বিবেচিত হবে। (এ,আই, আর-১৯২৮ মাদ ৬৯০ (ডি,বি)।
(২) বিচারক কর্তৃক আইনজীবীর অবমাননা আদালত অবমাননার শামিল : আইন আইনজীবীর সম্মান ও মর্র্যাদাকে সমুন্নত রাখতে কতটুকু সচেষ্ট তা নিম্নের নজিরসমূহ থেকে পরিষ্কার ধারণা অর্জন করা যাবে। একজন এডভোকেট যখন তার মক্কেলের মামলা পরিচালনা করেন, তখন যদি আদালত অর্থাৎ বিচারক তার (এডভোকেটের) আচরণ নিয়ে মন্তব্য করেন, তবে আদালত অবমাননার (Contempt) অপরাধ হতে পারে।
(৩৫সি, ডব্লিউ, এন ১৮৯= ৫৮সি ৮৮৪=১৯৩১ ক্যাল ২৫৭=১৯৩১ ক্যাল; ১৫সি, ডব্লিউ, এন- ১৮৯=১৯১৩ ক্যাল ২৫৭= ৫৮ ক্যাল ৮৮৪)।
যদি আদালত কোন মোকদ্দমা শুনানিকালে পুলিশ গার্ড ডাকেন এবং কোন যথার্থতা ছাড়াই আইনজীবীকে আদালত কক্ষ হতে বের করে দেন তবে তা আদালত অবমাননার শামিল।
(Prag Das Advocate V.Sir P.C. Agrwal’1975
ALI .L.J.41; 1975 Cr. L. J. 659)
উচ্চ আদালতের স্থগিত আদেশের বিষয়ে এডভোকেট কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র কোন আদালতে দায়ের হলে সে আদালতের উচিত উক্ত প্রত্যয়নপত্র অনুযায়ী মোকদ্দমা স্থগিত করা। কারণ আইনজীবী আদালতের একজন অফিসার এবং ঐ প্রত্যয়নপত্রের দায়-দায়িত্ব তিনি বহন করেন। আইনজীবীর প্রত্যয়নপত্রে প্রদত্ত তথ্যের সত্যতা নিরূপণের চেষ্টা না করে তাকে অবিশ্বাস বা নাকচ করে দেয়া আদালত অবমাননার অপরাধ হবে।
(Harikishan Sing V. Chhotan Mahton) AIR 1951 Pat. 490; 1951 (Vol. 52) Cr. LJ, 638]
(৩) আইনজীবীর বিরুদ্ধে মিথ্যা দুর্নাম রটানো, অপমান করা যাবে না : আইনজীবীর বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা পরিচালনার ব্যাপারে মিথ্যা দুর্নাম রটানো যা তাকে এ মোকদ্দমা পরবর্তী পরিচালনা করতে বিব্রত করে তা আদালত অবমাননা হিসেবে চিহ্নিত হবে।
( Anantalal Singha V. Alfred Henry
Watson (1930) 58 Cal. 884.
বিচারাধীন মামলায় আইনজীবী যাতে তার দায়িত্ব পালন করতে না পারেন তজ্জন্যে আইনজীবীকে অপমান করা আদালত অবমাননা।
(Thirumalaippa V. Kumaraswami, AIR 1956
Mad. 621 (1956) I. L.R. Mad. 1239)
(৪) আইনজীবীগণ যে সকল বিচার বিভাগীয় বিশেষ সুবিধা ভোগ করার অধিকারী : মামলা চলাকালীন সময় আইনজীবীদের বিবৃতি বিশেষ সুবিধার অন্তর্গত। তার এ অধিকার নিম্নবর্ণিত নীতিমালা দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

১। কোন আইনবিদ যখন কোন মামলা পরিচালনা করেন তখন তিনি নিরংকুশ বিশেষ সুবিধা ভোগ করেন।

২। যদি কোন এডভোকেট বিশ্বস্ততার সাথে মামলা চলাকালে মানহানিকর বিবৃতি দেন তার জন্য তিনি দায়ী হবেন না।

৩। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের করা যাবে না।

৪। মামলা চলাকালে এডভোকেট যদি বাদীকে মিথ্যাবাদী ও ধাপ্পাবাজ বলেন তাহলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।

৫। যদি কোন এডভোকেট মামলা চলাকালে সাক্ষীকে বদমাশ বা লম্পট বলে, তাহলেও তার বিবৃতিটিকে বিশেষ সুবিধার অধীন বলে ধরে নেয়া হবে।
অতএব কোন আইনজীবীকে তার আইনবিষয়ক কাজে বা মামলা চলাকালে প্রাসঙ্গিকভাবে মানহানিজনক বিবৃতি প্রদানের জন্য তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না। তিনি যাই বলুন না কেন, তা প্রকৃত সত্য নাও হতে পারে বা অতিরঞ্জন হতে পারে কিন্তু এক্ষেত্রে তিনি বিশেষ সুবিধা ভোগ করবেন।
(৫) আদালতে আইনজীবীর অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করতে হবে : বিচারাধীন মামলায় একজন আইনজীবী তার মক্কেলের পক্ষে আইনের যুক্তিতর্ক পেশ করার প্রাক্কালে সম্পূর্ণভাবে আইনের স্বাধীনতা পেয়ে থাকেন এবং এজন্যে ঐ সময় যদি সংশ্লিষ্ট মামলাটির “MERIT” বা গুণাগুণের সাথে সম্পর্কহীন এমন কোন মন্তব্য করা হয় যা ঐ মামলা সংক্রান্ত নহে বরং সম্পূর্ণরূপে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর পেশাগত চরিত্র বা আচরণ সম্পর্কিত, তাহলে ঐ জাতীয় মন্তব্য আদালত প্রদত্ত রায়ের অংশ হিসেবে রেকর্ডে রাখা যাবে না এবং তা রেকর্ড হতে মুছে (Expunge) ফেলতে হবে। (১৯৭৯) ৩১ ডি, এল,আর (এ.ডি) ১৬৩।
(৬) আইনজীবীর অধিকার অলংঘনীয় : কোন মূল মোকদ্দমার বিচার কার্য (tiral) অথবা কোন আপিলের শুনানিকালে মোয়াক্কেলের নিয়োজিত আইনজীবীর নীতিমালায় অধিকার লংঘনীয় বা “indefeasible” এবং তা কোনমতেই লংঘন করা যাবে না। কারণ এটা প্রাকৃতিক বিচারের নীতিমালার একটি সার্বজনীন বিধান যা অস্বীকার করলে প্রদত্ত রায়টি অকার্যকর হয়ে যাবে।
(৬ ডি, এল, আর ৬৫ (এস, সি)
(৭) আদালতের ওপর আস্থা হারানোর প্রেক্ষাপট তুলে ধরার অধিকার : কোন মক্কেলের পক্ষে ন্যায়বিচার না পাওয়ার ব্যাপারে আদালতের ওপর আস্থা হারানোর প্রেক্ষাপট তুলে ধরার অধিকার তার নিযুক্তীয় আইনজীবীর রয়েছে।
M.H. Khondoker V. State (1960)
D.L.R. (SC) 124.
(৮) আইনজীবীর প্রতি হুমকি প্রদর্শন আদালত অবমাননা : মোকদ্দমার কোন পক্ষ অপর পক্ষের আইনজীবীর প্রতি হুমকি প্রদর্শন করলে আদালত অবমাননা হবে; কারণ এটা বিচার কার্যে বাধার শামিল।
State V. Abdul Aziz P.L.D (1962)
Lahore, 335.
(৯) পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে আইনজীবীকে দায়ী/ অভিযুক্ত করা যায় না : (1993) 13BLD (AD)152-
Supreme Court, High Court Division
জাস্টিস মুহাম্মদ আনছার আলী ও জাস্টিস কাজী এবাদুল হক এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ। মিসেস সিগমা হুদা এডভোকেট বনাম ইসফাক সামাদ এবং অন্যান্য মামলায় মহামান্য আদালত বলেন, ‘‘Imputations, if made by a lawyer in the discharge of his or professional duty on the character of any person in good faith, whether will constitute any offence of defamation- A lawyer while acting under the instructions of his or her client, whether has a qualified privilege- An Advocate whether is entitled to special protection.’’
(১০) একজন আইন উপদেষ্টা তার আইনগত অভিমতের জন্য দায়ী নহেন : এ প্রসঙ্গে মহামান্য (H.D) উচ্চ আদালতের জাস্টিস মোঃ মোজাম্মেল হক এবং জাস্টিস মোঃ নুরুল ইসলাম কর্তৃক আব্দুস সামাদ বনাম রাষ্ট্র মামলার [BLC (1996) page 63] জাজমেন্টে বলেন, “A Legal Adviser cannot be made liable for the offence of forgery and criminal breach of trust for giving his legal opinion”
(১১) আদালত ক্যাম্পাস থেকে আইনজীবী গ্রেফতার : আইনজীবী কর্তৃক মামলা পরিচালনারত অবস্থায় পুলিশ অফিসার কর্তৃক ইশারা দিয়ে ডেকে নিয়ে তাকে গ্রেফতার করা এবং হ্যান্ডকাপ দিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া গুরুতর অবমাননা। (রাজশাহী বার কাউন্সিল-বনাম-নাথুরাম, এ, আই, আর ১৯৫৬ রাজ: ১৭৯ (১৮৪): আই, এল,আর (১৯৬৬) ৬ রাজ: ৯৬৪, ১৯৫৬ সিআর,এল, জে ১৩৫০ (বিডি)। উদ্দেশ্যমূলকভাব
ে এবং বিচারকার্যে বাধা সৃষ্টির বা অন্য কোন অসৎ উদ্দেশ্যে মামলা দায়ের করার জন্য হাইকোর্র্টে উপস্থিত হওয়ার জন্য যাওয়ার সময় পুলিশ অফিসার কর্তৃক আইনজীবীকে গ্রেফতার করলে তা আদালত অবমাননার অপরাধ। শুধুমাত্র ভুলবশত এবং সততাপরায়ণ গ্রেফতার অবমাননা হবে না। (Home Rustomji V. Sub-Inspector Baig, AIR 1944 Lah 196 (199-200) 46 cr.LJI (S.😎

‘আদালত’ বলতে বিচারস্থলের সকল অংশসহ আদালতের অফিসার, কর্মচারী ও সাক্ষীদের ব্যবহৃত স্থানকেও বোঝায়। অর্থাৎ যখন কোন আইনজীবী আদালতে কোন মামলায় উপস্থিত হওয়ার জন্য অগ্রসর হন তখন যদি তাকে গ্রেফতার করা হয় তখন আদালতের স্বাভাবিক গতিকে হস্তক্ষেপের শামিল বিধায় তা আদালত অবমাননা হবে। তাছাড়া আইনজীবীর চেম্বার আদালতের অংশ বিশেষ হিসেবে বিবেচিত হয়।

যারা শিক্ষানবীস সময় পার করেন তারা এই বিষয় গুলো জানলে নিজেদের অবস্থান বুঝবেন। তার পর সনদ প্রাপ্ত হলে আপনারা নিজেদেরকে মেধা মনন দিয়ে সমাজের প্রতি দ্বায় বদ্ধতা দেখাতে পারেন। এজন্য আসুন সবাই পেশার মর্যাদা রক্ষায় আইনজীবীগন নিজের বিবেকের তাড়নায় স্ব স্ব জাগায় ভূমিকা রাখি।

Address

Judge Court Noakhali
Noakhali
NOAKHALI3800

Telephone

+8801686559960

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Law Hub Noakhali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Law Hub Noakhali:

Share