17/12/2021
এক নজরে দন্ডবিধিঃ
১২১, ১৩২, ১৯৪, ৩০২, ৩০৩, ৩০৫,৩০৭, ৩২৬-ক, ৩৬৪-ক, ৩৯৬ দন্ডবিধির মোট ১০ টি ধারায় এবং আরো কয়েকটি বিশেষ আইনের ধারায়ও মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে যেমন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০, বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪, এসিড অপরাধ দমন আইন ২০০২, ইত্যাদি।
****যাবজ্জীবন কারাদন্ডের ধারাসমূহ:***
১২১, ১২১-ক, ১২২, ১২৪-ক, ১২৫, ১২৮, ১৩০, ১৩২, ১৯৪, ১৯৫, ২২২, ২২৫ (মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তিকে আইনসঙ্গত হেফাজতে বাধা দিলে), ২৩২, ২৩৮, ২৫৫, ৩০২, ৩০৪, ৩০৫, ৩০৭, ৩১১, ৩১৩, ৩২৬, ৩২৬-ক, ৩২৯, ৩৬৪, ৩৬৪-ক, ৩৭১, ৩৭৬, ৩৭৭, ৩৮৭, ৩৮৮, ৩৮৯ (সম্পত্তি আদায়ের জন্য কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত করার অস্বাভাবিক ভয় দেখালে), ৩৯৪-৩৯৬, ৪০০, ৪০৯, ৪১২, ৪১৩, ৪৩৬, ৪৩৮, ৪৪৯, ৪৫৯, ৪৬০, ৪৬৭, ৪৭২, ৪৭৪, ৪৭৫, ৪৭৭, ৪৮৯-ক, ৪৮৯খ, ৪৮৯-ঘ, ধারা। এছাড়া বিশেষ কয়েকটি আইনের ধারায়ও যাবজ্জীবন কারাদন্ডের বিধান রয়েছে।
****শুধুমাত্র বিনাশ্রম কারাদন্ডের ধারাসমূহ:***
১৬৩, ১৬৬, ১৬৮, ১৬৯, ১৭২, ১৭৩, ১৭৪, ১৭৫, ১৭৬, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০, ১৮৭, ১৮৮, ২২৩, ২২৫-ক(খ), ২২৮, ২৯১, ৩০৯, ৩৪১, ৩৫৮, ৫০৯, ৫১০ শুধুমাত্র জরিমানা দন্ডের ধারাসমূহ: ১৩৭, ১৫৪, ১৫৫, ১৫৬, ১৭১ছ, ১৭১জ, ১৭১ঝ, ২৬৩ক, ২৭৮, ২৮৩, ২৯০।
দণ্ডবিধি"(The Penal Code), ১৮৬০।
***গুরুত্বপূর্ণ ধারাসমূহ:- (প্রিলি,লিখিত, ভাইভা)
দন্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন। ইহা একটি তত্ত্বগত আইন।১৮৩৪ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আইন কমিশন গঠিত হয়। উক্ত কমিশনের চেয়ারম্যান থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকলে। অত্র আইন অপরাধের বিবরণ, অপরাধ সংঘটনের বিভিন্ন উপদান এবং অপরাধের সহায়তা, অপরাধের উদ্যোগ, অপরাধ সংঘটনের তৎ বিষয়ে শাস্তির বিধান নিয়ে আলোচনা করে। দন্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর পাস হলেও কার্যকর হয় ১৮৬২ সালের পহেলা জানুয়ারি। অত্র আইনের ৫১১ টি ধারা, ২৩ টি অধ্যায় রয়েছে।অত্র আইন সমগ্র বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য।
*সাধারণ অভিপ্রায়:- ধারা-৩৪; যৌথ অপরাধের দায়ের নীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। সর্বনিম্ন ২ জন ব্যক্তি থাকতে হবে এমনকি ৪ জনও হতে পারে তবে ৫ জনের অধিক হবে না।
*শাস্তির প্রকারভেদ:- ধারা-৫৩; ৫ প্রকারের শাস্তির বিধান রয়েছে।
*মৃত্যুদণ্ড,
*যাবজ্জীবন কারাদণ্ড,
*কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে।
*সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত,
*অর্থদণ্ড বা জরিমানা।
*মৃত্যুদন্ড হ্রাসকরণ:- ধারা-৫৪; মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ব্যতীত সরকার চাইলে মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করতে পারে।
*যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাসকরণ:- ধারা-৫৫; যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ব্যতীত সরকার চাইলে উক্ত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড রদবদল, হ্রাস করে ২০ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়েদের কারাদণ্ড দিতে পারে।
*
*রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার:- ধারা-৫৫ক;
দন্ডবিধির ৫৪,৫৫ ধারার কোন কিছু রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, দন্ড লাঘব,দন্ড বিলম্ব, দন্ড মওকুবের অধিকার খর্ব করবে না।
*দন্ডের মেয়াদসমূহের ভগ্নাংশ:- ধারা-৫৭; যাবজ্জীবন কারাবাসকে ৩০ বছরের মেয়াদে কারাদণ্ড সমতুল্য হিসেবে বিবেচিত হবে।
*কারাদন্ড সশ্রম বা বিনাশ্রম হইতে পারে:- ধারা-৬০;
*অর্থদন্ডের পরিমান:- ধারা-৬৩;যেক্ষেত্রে অর্থদণ্ডের পরিমাণ উল্লেখ থাকবে না সেক্ষেত্রে অপরাধকারী কর্তৃক প্রদেয় অর্থদণ্ডের কোন সীমা থাকবেনা, তবে এটা অতিরিক্ত ও অত্যাধিক হবে না।
*অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড:- ধারা-৬৪;
*শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইলে:- ধারা-৬৭;
*নির্জন কারাবাস:- ধারা-৭৩;
*নির্জন কারাবাসের সীমা:- ধারা -৭৪;
*ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার:- ধারা-৯৬- ১০৬ ধারা পর্যন্ত প্রতিরক্ষা ও ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার এর বিধান বর্ণিত হয়েছে।৯৬ ধারায় ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ কৃত কোন কিছু অপরাধ নয়
*শরীর ও সম্পত্তির প্রতিরক্ষার অধিকার:-ধারা-৯৭;
*ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার দুই ভাবে প্রয়োগ করা যায়
* 1 নিজের ও অন্যের দেহ রক্ষার ক্ষেত্রে,
* 2 নিজের ও অন্যের সম্পত্তি রক্ষার ক্ষেত্রে।
*যে সকল ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়:- ধারা-৯৮;
*অপ্রকৃতিস্থ, অপরিণত বোধশক্তি সম্পন্ন ব্যক্তির কার্যের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়।
*আত্মরক্ষার ব্যতিক্রম:- ধারা-৯৯;
*আত্মরক্ষার অধিকার ৯৯ ধারার বিধান সাপেক্ষে প্রয়োগ করতে হবে।
*যে সকলক্ষেত্রে দেহের প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়:- ধারা-১০০;নিজের এবং অন্যের দেহরক্ষার' ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে ৬ টি ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়।
*এমন আক্রমণ যাহা মৃত্যু ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
*এমন আক্রমণ যাহা গুরুতর আঘাত ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
*অপ্রকৃতস্থ, কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
*ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
*মনুষ্য হরণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
*অবৈধ আটকের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ, যে ক্ষেত্রে মুক্তির জন্য সরকারি কর্তৃপক্ষের আশ্রয় নিতে অসমর্থ হবে।
*যে ক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায় ১০৩;
*সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগে ৪ টি ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়।
*দস্যুতা
*রাত্রিবেলায় অপথে গৃহে প্রবেশ।
*বাসগৃহ বা সম্পত্তির সংরক্ষণের ব্যবহারের স্থানে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন।
*চুরি, অনিষ্টকারী, অনধিকার গৃহে প্রবেশ করে মৃত্যু বা গুরুত্ব আঘাতের ভয়ের সৃষ্টি করা।
*অপরাধে সহায়তা:- ধারা-১০৭;তিনটি ক্ষেত্রে অপরাধে সহায়তা করা যায়।
*প্ররোচনা দিয়ে,ষড়যন্ত্র করে, অন্যয় ভাবে কোন কার্য করা হতে বিরত রাখতে।
প্ররোচনাদাতা:- ধারা-১০৮;
*প্ররোচনার শাস্তি:- ধারা-১০৯;দুষ্কর্মে সহায়তার জন্য দণ্ডদানের কোন বিধান না থাকে, এরূপ দণ্ডিত হবে যেন সে অনুরুপ অপরাধে সহায়তা করেছে।
*অপরাধ্মুলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:- ধারা-১২০-ক;
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কার্য অথবা অবৈধ নয় এমন কোন কার্য অবৈধ উপায়ে সম্পাদন করা।
*অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের শাস্তি:- ধারা-১২০-খ;উক্ত অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের শাস্তির বিধান অত্র বিধিতে স্পষ্ট উল্লেখ না থাকলে, এরূপ দন্ডিত হবে যেন সে অনুরূপ অপরাধে সহায়তা করেছে।
*রাষ্ট্রদ্রোহিতা:- ধারা-১২৪-ক;
*বেআইনি সমাবেশ:- ধারা-১৪১;
৫ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ বেআইনি সমাবেশ বলে গণ্য হবে যদি উক্ত সমাবেশকারী সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে নিম্নোক্ত কার্যসমূহের যেকোনো একটি কার্য সম্পাদন করেন।
১.অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদান করে সরকার কিংবা আইন পরিষদ বা সরকারী কর্মকর্তাকে আইনানুগ ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে ভীতি করে তোলে।
২. কোন আইন বা আইনানুগ বাস্তবায়নে বাধা প্রদান করা।
৩.অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ বা অন্য কোনো অপরাধ সংঘটন করা।
৪.কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের ভান করে সম্পত্তি অর্জন করা।
৫.কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে উক্ত ব্যক্তি আইনত যা করতে বাধ্য নয় তা করতে বাধ্য করা।
*বেআইনি সমাবেশে যোগদান ১৪২,কোন ব্যক্তি বেআইনি সমাবেশ পরিণত হবে এরূপ জেনেও, অবহিত থাকার পরেও উক্ত সমাবেশে অংশগ্রহণ করলে, উক্ত ব্যক্তি বেআইনি সমাবেশের সদস্য বলে গণ্য হবে।
*বেআইনি সমাবেশের শাস্তি:- ধারা-১৪৩;
যে ব্যক্তি বেআইনি সমাবেশের সদস্য হবে, সে ব্যক্তি যেকোনো বর্ণনার সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড যার মেয়াদ ছয় মাস পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে।
*মারাত্নক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদানঃ১৪৪,যে ব্যক্তি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, যে ব্যক্তি যেকোনো বর্ণানার কারাদণ্ড যার মেয়াদ, ২ বৎসর পযন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
*কোন বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে জেনেও তাতে অংশগ্রহণ করাঃ ১৪৫, কোন ব্যক্তি কোন বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেনেও,অবহিত হওয়ার পরও অংশগ্রহণ করে, সে ব্যক্তি যে কোন বর্ণানার কারাদণ্ড যার মেয়াদ ২ বৎসর পযন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবে।
*
*দাঙ্গা:- ধারা-১৪৬,
কোন বেআইনী সমাবেশ কর্তৃক বা কোন বেআইনী সমাবেশের সদস্য কর্তৃক অনুরুপ সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্যে বাস্তাবায়নের লক্ষে বল বা হিংস্র পদ্ধতি প্রয়োগ করা হলে,তাহলে সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দাঙ্গার অপারাধে দোষী সাব্যস্ত হইবে।
*
*দাঙ্গার শাস্তি:- ধারা-১৪৭;
যে ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে, সে ব্যক্তি যে কোন বর্ণানার কারাদণ্ড যার মেয়াদ ২ বৎসর পযন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ড এবং উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবে।
* মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দাঙ্গা করা ১৪৮ঃ
যে ব্যক্তি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনী সমাবেশে অংশ গ্রহন করে, সে ব্যক্তি যে কোন বর্ণানার কারাদণ্ড যার মেয়াদ ৩ বৎসর পযন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ড এবং উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবে।
*সাধারণ উদ্দেশ্য:- ধারা-১৪৯;
৫ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রিত হয়ে দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় উল্লেখিত উপাদান গুলোর যেকোন একটি কার্য সম্পাদন করলে সাধারণ উদ্দেশ্যে করেছে বলে গণ্য হইবে। সাধারণ উদ্দেশ্যে বাস্তায়নের জন্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে, প্রত্যেকে বেআইনী সমাবেশ জন্য দায়ী হবে।
*মারামারি:- ধারা-১৫৯;
দুই বা ততোধিক ব্যাক্তি প্রকাশ্য স্থানে ঝগড়া করে গনশান্তি ভঙ্গ করে, তাহলে মারামারি করে বলে গন্য হইবে।
*মারামারির শাস্তি:- ধারা-১৬০;
যে ব্যাক্তি মারামারি সংঘটন করে সে ব্যাক্তি যে কোন বর্ণানার কারাদণ্ড যার মেয়াদ ১ মাস পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ড যার পরিমাণ ১০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
* মিথ্যা সাক্ষ্যদান:- ধারা-১৯১;
*মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করা:- ধারা-১৯২;
*নিন্দনীয় নরহত্যা:- ধারা-২৯৯;
*খুন:- ধারা-৩০০;
*খুনের শাস্তি:- ধারা-৩০২;
* যাবজ্জীবন দণ্ডিত ব্যক্তি কতৃক খুনের শাস্তি:-
-- ধারা-৩০৩;
*নিন্দনীয় নরহত্যার শাস্তি:- ধারা-৩০৪;
*অবহেলার কারণে মৃত্যুর শাস্তি:-ধারা-৩০৪-ক;
*বেপরোয়া যান চালানোর মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানোর শাস্তি:- ধারা-৩০৪-খ;
*আত্মহত্যায় সহায়তার শাস্তি:- ধারা-৩০৬;
*খুনের চেষ্টার শাস্তি:- ধারা-৩০৭;
*আত্মহত্যা চেষ্টার শাস্তি:- ধারা ৩০৯;
*আঘাত:- ধারা-৩১৯;
*গুরুতর আঘাত (৮টি):-- ধারা-৩২০;
*আঘাতের শাস্তি:- ধারা-৩২৩;
*গুরুতর আঘাতের শাস্তি:- ধারা-৩২৬;
*অবৈধ বাধা:- ধারা-৩৩৯;
*অবৈধ বাধাদানের শাস্তি:- ধারা-৩৪১;
*অবৈধ আটক:- ধারা-৩৪০;
*অবৈধ আটকের শাস্তি:- ধারা-৩৪২;
*অপহরণ:- ধারা-৩৫৯;
*বাংলাদেশ থেকে অপহরণ:- ধারা-৩৬০;
*আইনানুগ অভিভাবক হইতে অপহরণ:- ধারা-৩৬১;
*আপবাহন:- ধারা-৩৬২;
*মানুষ অপহরনের শাস্তি:- ধারা-৩৬৩;
*ধর্ষণ:- ধারা-৩৭৫;
*ধর্ষণের শাস্তি:- ধারা-৩৭৬;
*চুরি:- ধারা-৩৭৮;
*চুরির শাস্তি:- ধারা-৩৭৯;
*বাসগৃহ হইতে চুরি:- ধারা-৩৮০;
*কেরানি বা চাকর কতৃক চুরি:- ধারা-৩৮১;
*বলপূর্বক গ্রহণ:- ধারা-৩৮৩;
*বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি:- ধারা-৩৮৪;
*দস্যুতা:- ধারা-৩৯০;
*দস্যুতার শাস্তি:- ধারা-৩৯২;
*ডাকাতি:- ধারা-৩৯১;
*ডাকাতির শাস্তি:- ধারা-৩৯৫;
*খুনসহ ডাকাতির শাস্তি:- ধারা-৩৯৬;
*অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:- ধারা-৪০৩;
*অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- ধারা-৪০৫;
*অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি:- ধারা-৪০৬;
*প্রতারণা:- ধারা-৪১৫;
*প্রতারণার শাস্তি:- ধারা-৪১৭;
*অনিষ্ঠ:- ধারা-৪২৫;
*অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:- ধারা-৪৪১;
*মানহানি (defamation):- ধারা-৪৯৯;
*মানহানির শাস্তি:- ধারা-৫০০