07/02/2015
\\\জরুরী সাহায্যের আকুল আবেদন///
নজরপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার সহ সমাজের ক্যান্সার জাতীয় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় নবীপুরের ইয়র আলী ও তার একমাত্র পুত্র ইয়াসিন মিয়া ভূমিহীন হতে যাচ্ছে দেখার যেনো কেউ নাই!
ভূমিদসূ্যর কবলে নবীপুর গ্রামের মো:ইয়র আলী ও তার পুত্র মো: ইয়াসিন মিয়া অসহায় সুযোগে ফজলু মিয়ার দুই পুত্র ১.আমির আলী ২. কাসেম আলী তাদের সাথে পরোক্ষ সহযোগিতা করছেন রাজা মেম্বার এবং নজরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন। তাদের মৌন সমথর্নে কথিত সালিশের নামে কৌশলে ভূমি গ্রাস করার ঘটনা নতুন নয় কিন্তু নিযর্াতিত কৃষকদের দেখার যেনো কেউ নেই! প্রকাশ থাকে যে, এই সম্পত্তিটি ১৯৮২ সালে ফজলু মিয়া একই গ্রামে নূরুল ইসলাম এর নিকট সাফ বিক্রি করিয়াছিলো এর সাথে ভবিষ্যতে ফজলু মিয়া অন্যান্য সহশরিকানেরা এই জমিতে কোন প্রকার দাবী দাওয়া না করিতে পারে সেজন্য জমির ঐ সাফ কবলা দলিলের সাথে আরেকটি ক্ষতি নিস্কৃতি দলিল সৃজন করা হয়! তারপর নুরুল ইসলাম বিক্রীত জমিতে চাষাবাদ ও ভোগ দখলে রাখিয়া মৃতু্যবরন করেন পর নুরুল ইসলামের ওয়ারিশগন একই গ্রামের ইয়র আলী ও তার পুত্র ইয়াসিন এর নিকট সাফ বিক্রি করেন পর ইয়র আলী ও ইয়াসিন মিয়া জমির দখল সরেজমিন বুঝিয়া লইয়া জমিতে দীঘর্ দিন যাবত চাষাবাদ ও ভোগদখলে আছেন। বতর্মান সময়ে এসে উক্ত জমিটি ভূমিদসূ্যদের নজরে আসে সে হিসেবে ফজলু মিয়ার দুই পুত্র জমিটি তাহাদের ফুফু অথর্াৎ ফজলু মিয়ার বোন আর.এস রেকডর্ মালিক থাকাতে আমির আলী এই জমিতে ফুফুর কাছ থেকে আম মোক্তার দলিল সৃজন করিয়া জমিতে চেয়ারম্যান ও মেম্বারের পরোক্ষ সহযোগিতায় জমি দখলের পায়তারা চলছে! এক পযর্ায়ের আজ সকালে কাউকে কিছু না বলে জমি থেকে দু কোয়া মাটি কেটে নেয় আমির আলী ,কাশেম আলী সহ আরো অজ্ঞাত লোকজন। প্রত্যক্ষদশর্ীরা জানাই সকালে চেয়ারম্যান মেম্বার সহ তাদের সাংগরা জমির মাপ দিয়ে ২ শতাংশ জমি প্রকৃত জমির মালিক না থাকলেও চেয়ারম্যান মেম্বার আমির আলী কে বুঝাইয়া দেন! এমন বাকশালী কায়দায় অসহায় নিরহ সহজ সরল ইয়র আলী ও ইয়াসিন মিয়ার নিজ দখলে রাখা জমি অন্যকে বুঝাইয়া দিলো ;দেশের প্রচলিত কোন আইনে বলে অন্যায় বিচার করা হলো।প্রকাশ থাকে যে,ফজলু মিয়ার পৈত্রিক ওয়ারিশী সমস্ত সম্পত্তি ঘরোয়া মৌখিক আপোষবন্টনে সকল শরিকানদের মাঝে অনেক আগেই ছাহাম বুঝিয়া নেন যার যার ন্যায্য হিস্যা সামাজিকভাবে পূবর্েই নিয়া গেলেও ফজলু মিয়ার বোন কোন আইনের বলে আমির আলীকে আম মোক্তার দলিল করেছে? উল্লেখ্য যে বোন যতটুকু জমি বন্টনে পেয়েছিলো তা ইতিপূবর্েই বিক্রী করে গিয়াছিলেন! আজ যে জমির বিরোধটি সৃষ্ট্রি করেছে তা শুধুমাত্র নিরহ দুবর্লের উপর অন্যায় করা হইয়াছে ! আর এই সুত্রপাত হয় দুই লক্ষ টাকার জন্য তা না হলে পূবের্র বিক্রীত জমিতে কার সাহসে শুধুমাত্র আর এস রেকডর্ে থাকার কারনে জমি গ্রাস করার চিন্তা গুম হারাম করেছে ভূমিদুস্যরা দেশে কি নিরহ দূবর্ল লোকজন আর কতদিন এভাবে পথে বসবে এ জন্য কারও কি কোন দ্বায় দ্বায়িত্ব নাই! কিন্তু এমবস্থায় এ অসহায় কৃষকদ্বয় চরম বিপাকে পরে অমানবিক জীবনযাপন করছে! তারা বাপভেটা সমাজের বিভিন্ন মান্যগন্য ব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কেউ সাহায্য পাচ্ছেন না । ইয়র আলী জানান যে তিনি জমিটি অনেক কষ্ঠ করে মানুষের কাছে হাত পেতে টাকা নিয়া জমিয়ে এবং ইয়র আলী শেষ সম্ভলটুকু বিক্রী করে খেয়ে না খেয়ে কোন রকম জমিটি তিনি অতি কষ্ঠে অজর্ন করেন এসব কথা বলতে গিয়ে ইয়র আলী ইয়াসিন মিয়া নিরবে চোখের পানি ফেলছে যা দেখে কোন মানুষই সহ্য করা কঠিন! এমনকি চেয়ারম্যান ও মেম্বারের ভয়ে অন্যত্র পালিয়ে বেরাচ্ছে হা রে মানুষ জমি দিয়ে কি হবে যে কষ্ঠ নিয়া মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছে একটু সহযোগিতার জন্য!সকালে চেয়ারম্যান ও মেম্বারের পরোক্ষ সহযোগিতায় আজ আমির আলী,কাশেম আলী জমি হতে প্রায় দুই কোয়া মাটি কেটে নিয়ে যায় সেটার কোন ন্যায় বিচার পাবে না? শুধু তাই না মাটি কাটছে কেনো জিজ্ঞেস করলে ইয়র আলী ও ইয়াসিন মিয়া কে গালিগালাজ করে বিভিন্ন হুমকি দিতে থাকে! এমবস্থায় এক পযর্ায়ের অপারগ হয়ে ন্যায় বিচারের আশা এবং উভয়ের জানমাল রক্ষার জন্য নরসিংদী মডেল থানায় সাধারন ডায়েরী করতে গেলে ডিওটি অফিসার সাধারন ডায়েরী নেননি! জিজ্ঞেস করলে তারা উত্তর দেয় এ ঘটনার জন্য মামলা করতে হবে তাতে টাকা লাগবে কারন পুলিশ ঘটনার স্থল পরিদশর্ন করবে তাই হইতো টাকা লাগবে কিন্তু বিশ্বাস করুন আর নাই করুন লোক দুইটি একদম গরীব তারা দিন আনে দিনে খায় কেউ তাদেরকে অজান্তেই চোখে পানি আসবেই !প্রকাশ থাকে যে, গতকাল বিষয়টি নিয়ে নরসিংদী জেলার মানবাধিকার সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক জানতে চাইলে নজরপুর ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানাই বিষয়টি ন্যায় বিচার করা হবে বলে আশ্বাস দেন রাজা মেম্বারকে বিচারের দ্বায়িত্ব দিলেও আসলে কাজ করেছেন উল্টো ঐ গরীব কৃষকের জমি হতে আথির্কভাবে সুবিধা নেওয়াটা অনেক বর করে দেখেছে আর তার মুল লক্ষ্য ঠিক! এদিকে চেয়ারম্যান রাজা মেম্বার বিষয়টির দ্বায়িত্বের কথা জানতে চাইলে রাজা মেম্বার জানাই চেয়ারম্যান যেভাবে বলেছে উনি ঠিক ঐ কাজটা করেছে। তিনি আরো বলেন দুই কৃষকের ক্ষতি হবে এমন কাজ উনি না কি করবে। এ যদি ন্যায় বিচার তাহলে দেশের মানবতা বলে কিছু থাকবে না একটা সময়! ভূমিদুস্যদের এমন উপদ্রোপ থাকলেও প্রশাসন নিরব ভূমিকায় পালন বা থাকাটা সামাজিক অবক্ষয় হতে পারে ভবিষ্যতে সেজন্য হলেও তো অসহায় লোকদ্বয় সাহায্যে কেউ এগিয়ে যাওয়া একদম নূ্যনতম কাজটিও কেউ করলো না কে যাবে তাদেরকে সাহায্য করতে কারন তারা দুবর্ল উপরোক্ত বিষয়টি সার সংক্ষেপ এই যে ফজলু মিয়া সারে ৩৪ শতাংশ বিক্রি করার সময় এর পাশাপাশি যাতে খরিদ্দার দাতাদের সহশরিকানগনের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে জন্য একই মৌজায় ১২ শতাংশ জমিও ক্ষতি নিস্কৃতি দলিল রেজিস্ট্রী করিয়া দিয়া চিরতরে ফজলু মিয়া স্বত্ত্বের লি:স্বথর্বান হন তারপর তবুও এ জমির জন্য ফজলু মিয়া পুত্রদ্বয় আমির আলী কাশেম আলী শরিকানদের হইতে আম মোক্তার নিয়া নিরহ অশিক্ষিত গ্রামের সহজ সরল মানুষের শেষ সম্ভলটুকু কেরে নিয়ে উঠে পরে লেগেছে এর ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার সহ ঐ এলাকার কিছু প্রভাবশালীরা এটাকে ধান্ধায় রূপ দিচ্ছে ! তাই সকলের কাছে একটা অনুরোধ যে প্রকৃত জমির মালিকের হক নষ্ঠ হতে রেহায় দেওয়া অনেক পূনর্ের কাজ তাই যাই হোক ইয়র আলী ও ইয়াসিন মিয়ার পাশে দারানো সকলেরই দ্বায়িত্ব বত্তর্ায়! তাই অপরাধীদের শাস্তি দিতে এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা একান্ত জরুরী!