Lands Claim & Solution

Lands Claim & Solution Md. Abdul Matin, Deed Writer, Searcher & Land Surveyor. (Govt.

Approved)

All kinds of Deed Registration, Land Purchase & Sale, Land Mutation, Deed Searcher, Surveyor.

চলচ্চিত্র পর্দার  মন্দ মানুষ   এটিএম শামসুজ্জামানএটিএম শামসুজ্জামান কেবল একটি নামই নয়। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের এক দুর্দান...
15/09/2024

চলচ্চিত্র পর্দার মন্দ মানুষ
এটিএম শামসুজ্জামান
এটিএম শামসুজ্জামান কেবল একটি নামই নয়। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের এক দুর্দান্ত ইতিহাস।

এটিএম শামসুজ্জামান ছিলেন একাধারে একজন অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা, পরিচালক, কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার, সংলাপকার ও গল্পকার।

অভিনয়ের জন্য পাঁচ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন প্রবীণ এই অভিনেতা। শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০১৫ সালে পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক। তাঁর পুরো নাম আবু তাহের মোহাম্মদ শামসুজ্জামান।

জন্ম ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে মাতুলালয়ে।

গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায় হলেও তিনি বেড়ে উঠেছেন ঢাকার দেবেন্দ্রনাথ দাস লেনে।

পড়াশোনা করেছেন ঢাকার পগোজ স্কুল, কলেজিয়েট স্কুল, রাজশাহীর লোকনাথ হাই স্কুলে। পগোজ স্কুলে তাঁর সহপাঠী ও বন্ধু ছিলেন আরেক জাঁদরেল অভিনেতা প্রবীর মিত্র।

ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন ময়মনসিংহ সিটি কলেজিয়েট হাই স্কুল থেকে। তারপর জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হন।

তাঁর বাবা নূরুজ্জামান ছিলেন নামকরা উকিল। এছাড়াও তিনি শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের সঙ্গে রাজনীতি করতেন। মাতা নুরুন্নেসা বেগম। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে শামসুজ্জামান ছিলেন সবার বড়।

১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধূরীর 'বিষকন্যা' চলচ্চিত্রের সহকারি পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্র জীবনের শুরু করেন শামসুজ্জামান।

এছাড়া খান আতাউর রহমান, কাজী জহির, সুভাষ দত্তদের সহকারি পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন।

এরপর ২০০৯ সালে প্রথম পরিচালনা করেন শাবনূর-রিয়াজ অভিনীত 'এবাদত' নামের ছবিটি। প্রথম কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছেন 'জলছবি' চলচ্চিত্রের জন্য। এ ছবির মাধ্যমে অভিনেতা ফারুকের চলচ্চিত্রে অভিষেক। এ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনী লিখেছেন।

অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় শামসুজ্জামানের আগমন ১৯৬৫ সালের দিকে। তবে প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেছেন তিনি।

১৯৭৬ সালে আমজাদ হোসেনের 'নয়নমণি' চলচ্চিত্রে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি।

১৯৮৭ সালে কাজী হায়াত পরিচালিত 'দায়ী কে' চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।

রেদওয়ান রনি পরিচালিত 'চোরাবালি'তে অভিনয় করেন ও শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব-চরিত্রে অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালে প্রয়াত হন বাংলা চলচ্চিত্রের দুর্দান্ত এই অভিনেতা। শ্রদ্ধাঞ্জলি।
--সংগৃহীত--

এম.এ মতিন
দলিল লেখক ও তল্লাশি কারক
নারায়ণগঞ্জ সদর সাব রেজিস্ট্রার অফিস
নারায়ণগঞ্জ।
মোবাইল নং-০১৭১৬ ৮০৮২৮২

কথার যাদুঘর না হয়ে শিখুনঃ-১. কথা হজম করতে শিখুন, এটা অনেক বড় গুণ- আপনাকে জিততে সহায়তা করবে! কথা না বাড়িয়ে নীরবে কাজ করে ...
22/06/2024

কথার যাদুঘর না হয়ে শিখুনঃ-

১. কথা হজম করতে শিখুন, এটা অনেক বড় গুণ- আপনাকে জিততে সহায়তা করবে! কথা না বাড়িয়ে নীরবে কাজ করে যান; আপনার কাজই আপনার হয়ে কথা বলবে। মন খারাপের কারণ অতীত আর টেনশন-এর কারণ ভবিষ্যৎ। তারচেয়ে বরং বর্তমানকে উপভোগ করুন; আনন্দে বাঁচুন!

২. ঠেকতে ঠেকতে সোজা সরল ভালো মানুষটিও বুঝে যায়- কে তাকে সত্যিকারের ভালোবাসে আর কে তাকে নিজ স্বার্থে ব্যবহার করে? আপনার সামনে যিনি আপনার প্রশংসা আর অন্যের সমালোচনা করেন, একটু পরেই তিনি অন্যের কাছে আপনাকে নিয়ে একই কাজ করবেন!

৩. পরম সমালোচনাকারী হচ্ছে- যিনি প্রতিনিয়ত আপনাকে আর্শীবাদ করেন ‘একজন’ হয়ে উঠার জন্য...! সমালোকেরা নিঃসন্দেহে আপনার ভালো বন্ধু- বিনা পয়সায় ভুল ধরিয়ে দিতে সর্বদা তৎপর থাকেন... তাঁদের কখনোই অবহেলা করবেন না! আপনি বরং বিনয়ী হোন, মানুষকে সম্মান করুন ও গুরুত্ব দিন; সবকিছু বহুগুণ হয়ে আপনার কাছেই ফেরত আসবে!

৪. কেউ যদি আমায় ঈর্ষা করে, আমি খুবই খুশি হই। কারণ আমি বুঝতে পারি যে, আমি সঠিক কাজটাই করছি! আপনার কাজ বা কথা নিয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করল না, তার মানে আপনি সঠিক জায়গায় পৌঁছতে পারেননি!! মানুষের জনপ্রিয়তার মাত্রা নির্গত হওয়া উচিত তার শত্রু ও সমালোচকের সংখ্যার ভিত্তিতে!!!

৫. জিততে হলে কখনো কখনো হারতে হয়। আজকের হারই হয়ত ভবিষ্যতে বড় বিজয় এনে দেবে। কখনো বোকার সঙ্গে তর্কে জড়াবেন না- এটা সময়ের অপচয়! সম্ভব হলে আপনি অন্যদেরকে জিতিয়ে দিন, জিতে গেছে ভেবে কেউ যদি খুশি হয়, আপনিও নীরবে একটুখানি হেসে নিন। অন্যের সুখে সুখী হতে পারলে আপনিই মহাসুখী!

৬. চিতা বাঘ কখনো কুকুরের সঙ্গে দৌড় প্রতিযোগিতা করে না। আপনি যে চিতা বাঘ তা বোঝানোর জন্য শুধু সঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকুন। হয়ত অনেক কিছু পারেন; তবে দরকার নেই তা বলে বেড়ানোর। নীরবে কাজ করে যান... যার প্রয়োজন তিনি আপনাকে ঠিকই খুঁজে নেবেন। তবে অযোগ্য কাউকে টেনে উপরে তুললে সে-ই এক সময় উল্টো আপনার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রতিশোধ নেবে!

৭. আপনি দুনিয়ার কাউকে বদলাতে পারবেন না, শুধু নিজেকে ছাড়া। আপাতত সেটাই করুন- নিজেকে বদলে ফেলুন; আর অন্তত দুজন অসহায় মানুষকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করুন। সবাই এই নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে কাজ করলে চারপাশের দুনিয়া এমনিতেই বদলে যাবে!

৮. আপনার চিন্তা-ভাবনার ওপরে যারা আস্থা রাখতে পারে না, তাদেরকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়ার দরকার নেই। নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখুন- এটাই আপনাকে সবার মাঝে বিশ্বাসী ও আস্থাভাজন করে তুলবে; স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

৯. জীবনের পরীক্ষায় অনেকেই হেরে যান কারণ তারা অন্যকে copy করার চেষ্টা করেন, কিন্তু তাদের আসলে জানা নেই- প্রত্যেকের প্রশ্নপত্রটাই আলাদা! কোথায় জন্মেছেন- সেটা আপনার নিয়তি; কোথায় পৌঁছাবেন- সেটা আপনার কর্মফল!

১০. আজকে থেকে ঠিক ৯৯৯ দিন পরে আপনার অবস্থান কোথায় হবে- সবকিছুই নির্ভর করছে এখন কাদের সঙ্গে মিশছেন আর কী কী বই পড়ছেন, তার ওপর!

১১. কোনো কথা শোনামাত্রই যাচাই না করে বিশ্বাস করবেন না। কেননা মিথ্যা কথা সব সময়ই সত্যের চাইতেও তীব্রতর। প্রমাণের ঝামেলা নেই বলে মিথ্যে কথা ও গুজব দ্বিগুণ গতিতে ছোটে। কিন্তু সত্যটা প্রমাণ করতে যথেষ্ট সময়ক্ষেপণ ও বেগ পেতে হয়!

১২. জীবনটা বড্ড ক্ষণস্থায়ী, ভালো করারই সময় কম। মন্দ কাজ করার সুযোগ কই? ভালো মানুষ সাজার ভান না করে ভালো মানুষ হয়ে গেলেই তো হয়!

১৩. আপনার স্বপ্ন নিয়ে কেউ যদি হাসা-হাসিই না করে, তবে বুঝে নেবেন- লক্ষ্যটা খুব ছোট হয়ে গেছে! আবার স্বপ্ন পূরণে বেশি কালক্ষেপণ করলে অন্য কেউ সেটা বাস্তবায়ন করে নিজের বলে চালিয়ে দিতে পারে..! তবে যে স্বপ্ন বাস্তবায়নের শুরুতেই অন্যের সহযোগিতা নিতে হয় অর্থাৎ নিজে এগিয়ে নিতে পারেন না- সেই স্বপ্ন দেখবেন না।

১৪. কেউ কেউ ইতিহাস গড়েন, বাকিরা সেই ইতিহাস পড়ে পরীক্ষায় পাস করেন! বিখ্যাত মানুষের সঙ্গে সেলফি তুলে পোস্ট না দিয়ে এমন কাজ করুন, যাতে অন্যেরা আপনার সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক গণমাধ্যমে পোস্ট করে।

১৫. মানুষ মাটি দিয়ে তৈরি, মাটিজাত খাবার খেয়ে বাঁচে, মৃত্যুর পরে আবার মাটিতেই মিশে যাবে; তার কি অহংকার ও রাগ করা সাজে? মানুষের গ্রহণযোগ্যতা কখনো ফেসবুক-এ লাইক-এর সংখ্যা দিয়ে যাচাই করা যায় না; মৃত্যুর পর উনার জানাজায় ক’জন হাজির হলেন- সেটাও দেখার বিষয়!

১৬. সুস্থ দেহ+প্রশান্ত মন = উপভোগ্য জীবন। শরীরের সুস্থতার জন্য চাই পরিমিত খাদ্যাভ্যাস আর মনের প্রশান্তির জন্য চাই রুচিশীল পাঠ্যাভ্যাস।

১৭. জ্ঞানীরা বলেন কেননা তাঁদের কাছে বলার মতো কিছু কথা আছে; আর মূর্খরা বলেন কেননা তাদেরও কিছু বলতে ইচ্ছে করে! কাউকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার আগে অন্তত তাঁর সমান যোগ্যতা অর্জন করে নিতে হয়...!

১৮. যে কাজের জন্য বিবেক প্রশ্নবিদ্ধ করে, সে কাজ থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। যা কিছু পেয়েছেন, তার জন্য শুকরিয়া আদায় করুন, ধৈর্যধারণ করুন… ভবিষ্যতে আরো ভালো দিন আসবে!

১৯. প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মাঝে যে সমন্বয় ঘটাতে পারে, সে-ই প্রকৃত সুখী। হবে না, পারবো না, আমার কপালে নেই কথাগুলো প্রায়ই বলে থাকি। কিন্তু মজার ব্যাপার- নিজেকে জিজ্ঞেস করলে যে উত্তর পাওয়া যাবে, তা কিন্তু একেবারেই উল্টো। আমি পারবো, আমাকে দিয়েই হবে- এই শক্তি অন্তরে লুকিয়ে থাকে, জীবন যুদ্ধে শক্ত হাতে হাল ধরতে পারাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। নেতিবাচক ভাবনার টানুন ইতি, বেড়ে যাবে জীবনের গতি!

২০. মস্তিষ্ক কখনো অলস সময় কাটাতে পারে না, সর্বক্ষণ কিছু না কিছু চিন্তা করবেই। মজার ব্যাপার হলো- আপনি যখনি আগের চিন্তা ডাউনলোড করে ফেলবেন (অর্থাৎ কাগজ-কলম নিয়ে লিখে ফেলবেন এবং কাজে প্রয়োগ করবেন), মস্তিষ্ক কেবলমাত্র তখনি নতুন কিছু ভাববার সুযোগ পায়, নচেৎ আগের চিন্তাটাই মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে। কোনো একটা চিন্তা কাজে পরিণত না করে মাথায় নিয়ে বসে থাকলে নতুন চিন্তা মাথায় আসে না (ঢোকার জায়গা পায় না)। কোনো পরিকল্পনাই গ্রহণযোগ্য নয়, যতক্ষণ না সেটি বাস্তবায়িত হচ্ছে…! তাই মাথায় যত বুদ্ধি আসে, যত দ্রুত সম্ভব কাজে লাগান; হয় লাভ হবে নইলে অভিজ্ঞতা হবে! অর্জন হিসেবে কোনোটাই মন্দ নয়।

২১. পৃথিবীতে এমন কোনো কাজ নেই- যা করলে জীবন ব্যর্থ হয়। জীবন এতই বড় ব্যাপার যে একে ব্যর্থ করা খুবই কঠিন! যারা কোনোকালেই কিছু করবে না- তারাই কেবল বলে অসম্ভব। এ জগতে মানুষের কাছে অসম্ভব বলে কিছুই নেই- থাকতে পারে না। এ পৃথিবীতে অসম্ভব বলে যদি কিছু থাকে, সেটা আছে কেবল মূর্খ ও অলসদের অভিধানে!

সংগৃহীত পোস্ট।
এম. এ মতিন
আইন কর্মকর্তা, ঊষা ফাউন্ডেশন
রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।
মোবাইল নং-০১৭১৬-৮০৮২৮২।

আপনার সন্তানকে "অভাব"শেখান॥আপনার প্রচুর সামর্থ্য থাকলেও আপনার সন্তানকে  "অভাব" শেখান..যা চাইবে তাই যদি হাজির করেন,আপনার ...
03/04/2022

আপনার সন্তানকে "অভাব"শেখান॥

আপনার প্রচুর সামর্থ্য থাকলেও
আপনার সন্তানকে "অভাব" শেখান..

যা চাইবে তাই যদি হাজির করেন,
আপনার বাচ্চার "মানুষ" হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

ক্ষুধা নিবারন করার জন্য মানুষকে যে পরিমাণ ব্রেইন ব্যবহার করতে হয়,তাতেই একজন মানুষ যা অর্জন করে এটা দিয়ে সে জীবন পার করে দিতে পারবে।

সন্তানকে এমনভাবে প্রস্তুত করেন
যে আপনি না থাকলে সে কিভাবে চলবে তার ট্রেইনিংটা সে পায়।

তাকে কোন কিছু করতে না দিয়ে ঢেকি বানালে,
সে আপনার অবর্তমানে কষ্টতো পাবেই,
আপনাকেই সবচেয়ে বেশি দোষারোপ করবে।

অনেকেই একটা আলাপ করেন পরে এমনিতেই সব শিখে যাবে।

একটা মানুষ হঠাৎ করেই মানুষ হয় না,আস্তে আস্তে মানুষ হয়!

কারন আপনি যখন থাকবেন না
দুনিয়ার কঠিন পথ তাকে একা চলতে হবে।
সেই একা চলার ট্রেইনিংটা তাকে শক্ত করবে,আপনিও দেখবেন হাল্কা ফিল করবেন!আপনার সন্তানকে শেখান চাইলেই সব কিছু পাওয়া যায় না।

সব কিছু পাওয়ার দরকারও নাই...
কষ্টের মাধ্যমে অর্জিত জিনিসের মূল্য বোঝান...
তাকে বোঝান সবকিছু ছাড়াও জীবন চলে ,দৌড়ায় ,উড়ে।
সংগৃহীত ঃ-

এম.এ মতিন এলএলবি
আইন কর্মকর্তা, ঊষা,
রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৬৮০৮২৮২

সুস্থ দীর্ঘায়ু পেতে করণীয়:- 👉 শুরুতে ১০ মিনিট হাঁটুন। ২-৩ দিন পর সময় বৃদ্ধি করুন। এভাবে ১০-১৫-২৫ মিনিট থেকে ৩০ মিনিটে উ...
01/04/2022

সুস্থ দীর্ঘায়ু পেতে করণীয়:-

👉 শুরুতে ১০ মিনিট হাঁটুন। ২-৩ দিন পর সময় বৃদ্ধি করুন। এভাবে ১০-১৫-২৫ মিনিট থেকে ৩০ মিনিটে উন্নীত করুন।
👉 সবুজ শাকসবজি, দেশীয় ও মৌসুমি ফলমূল প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে।
👉 লাল মাংসের পরিবর্তে মুরগির মাংস ও বিভিন্ন ধরনের মাছ খেতে হবে।
👉 সপ্তাহে অন্তত ১ দিন নিরামিষ খেতে পারেন।
👉 ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিায়াজানত খাবার থেকে এড়িয়ে চলুন।
👉 যতদূর সম্ভব সোডিয়াম ও অন্যান্য লবণ এড়িয়ে চলুন।
👉 রান্নার ক্ষেত্রে পরিমিত লবণ ব্যবহার করতে হবে।
👉 খাবার সময় আলগা লবণ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
👉 খাবার সংরক্ষণে লবণ ব্যবহার না করে লেবুর রস, কাঁচা রসুন, ভিনেগার ও সমলা ব্যবহার করুন।
👉 যেকোনো খাবার কেনার ক্ষেত্রে পণ্যের প্যাকেটে সোডিয়ামের পরিমাণ দেখে অপেক্ষাকৃত কম সোডিয়ামসমৃদ্ধ খাবার কেনার চেষ্টা করতে হবে।
👉 কায়িক পরিশ্রম করতে হবে, নিজের কাজ নিজে করার অভ্যাস করুন।
👉 নিয়মিত হাঁটা, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানোর জন্য চেষ্টা করতে হবে।
👉 নিকটবর্তী গন্তব্যে বা অফিসে হেঁটে বা সাইকেল চালিয়ে যাওয়ার অভ্যাস করুন।
👉 দিনে অন্তত ১০ মিনিট সাধারণ ব্যায়াম করা উচিত।
👉 লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করতে হবে।
👉 ধুমপান ও মদ্যপান বা অ্যালকোহল একমদই গ্রহণ করা যাবে না।
👉 দিনে ঘুমাবেন না, রাতে তারাতারি শুয়ে পরুন।
👉 নুন্যতম ৬-৮ ঘন্টা দৈনিক ঘুমের প্রয়োজন।
👉 মোবাইল, টেলিভিশন এবং অন্যান্য ইলেট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার কমিয়ে ফেলুন।
👉 যেকোনো পরিস্থিতিতে সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা রাখুন।
👉 আত্বীয়তার সুসম্পর্ক বজায় রাখুন।

এম.এ মতিন এলএলবি
আইন কর্মকর্তা, ঊষা ফাউন্ডেশন।
নারায়ণগঞ্জ।
মোবাইল ০১৭১৬৮০৮২৮২

ঢাকার অতি সন্নিকটে আমুলিয়া মডেল টাউনে তিন কাঠার দুইটি প্লট বিক্রি হবে। ০১৭১৬ ৮০৮২৮২
20/04/2021

ঢাকার অতি সন্নিকটে আমুলিয়া মডেল টাউনে তিন কাঠার দুইটি প্লট বিক্রি হবে।
০১৭১৬ ৮০৮২৮২

যৌতুকঃযৌতুক বা পণ হল কন্যার বিবাহে পিতামাতার সম্পত্তির হস্তান্তর প্রক্রিয়া। 'যু' ধাতু থেকে নিষ্পন্ন 'যুত' শব্দের অর্থ য...
28/03/2021

যৌতুকঃ
যৌতুক বা পণ হল কন্যার বিবাহে পিতামাতার সম্পত্তির হস্তান্তর প্রক্রিয়া। 'যু' ধাতু থেকে নিষ্পন্ন 'যুত' শব্দের অর্থ যুক্ত; বুৎপত্তিগত অর্থ হলো, পাত্র-পাত্রীর যুক্ত হওয়ার সময়ে অর্থাৎ বিয়ের সময় পাত্রীর জন্য যা কিছু মূল্যবান সামগ্রী দেয়া হয়, তা যৌতুক।

যৌতুক প্রথার কারণঃ
যৌতুক প্রথার প্রধান কারণ হচ্ছে অর্থলোভ। অনেক সময় অর্থের লালসায় ছেলের পরিবার ছেলেকে তাড়াতাড়ি বিয়ে দিয়ে থাকে। এছাড়াও আমাদের দেশে দারিদ্র্য বা আর্থিক দূরবস্থাও যৌতুক প্রথা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। দরিদ্রতার চাপে বা অভাবে পরে অনেকে যৌতুক নিয়ে থাকে।

সামাজিক মর্যাদা বা ‘স্ট্যাটাস' বজায় রাখতে কেবল নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত নয়, উচ্চ মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারেও উপহারের নামে যৌতুক দেয়ার চল রয়েছে বাংলাদেশে৷ সমাজকে যৌতুকমুক্ত করতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পারিবারিক সচেতনতা৷

শিক্ষিত মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত পরিবারে তথাকথিত যৌতুক প্রথা সাধারণত পরিলক্ষিত হয় না৷ কিন্তু অন্যভাবে কন্যার পরিবারকে চাপের মধ্যে রাখা হয়, যেটা যৌতুকের অন্তর্ভুক্ত৷ অনেকে মনে করেন নিজের মেয়েকে সুখে থাকবে তাই ভালো করে বেশি বেশি জিনিস দিয়ে তাকে শ্বশুরবাড়ি পাঠানো হোক৷ কিন্তু তারা একটা জিনিস বুঝতে পারেন না যে, এই দেয়ার প্রবণতা অন্যপক্ষের চাওয়ার প্রবণতাকে আরো বাড়িয়ে দেয়৷ অর্থাৎ যৌতুক যে লোভ, সেই লোভকে আরো উসকে দেয়া হয়৷ কেননা আমাদের সমাজে ধরেই নেয়া হয় পুত্র সন্তান মানেই ধন-সম্পদ, পরিবারে অর্থ উপার্জন বা অর্থ আনার লক্ষ্মী৷ সুতরাং তাকে দেখেই যেন মেয়ের বাপ-মা সবকিছু উজার করে দেবেন৷ অথবা কেউ দেবেন চাকরি, কেউ দেবেন সম্পত্তি৷

যারা নিচ্ছেন তারা একবারও কি ভেবে দেখেছেন যে, এই যৌতুক চাওয়াটা একেবারে ভিক্ষার পর্যায়ে পড়ে? একটা পরিবারে একজন মেয়ে তো ঠিক ততটাই আদর যত্নে বড় হয়, যতটা একটা ছেলে৷ সেট যত্নের ধনকে আপনার হাতে যখন তুলে দেয়া হচ্ছে, আপনি তাকে আপনার পরিবারের সদস্য হিসেবে গ্রহণ করছেন, অর্থাৎ শর্তহীন ভালোবাসায় গ্রহণ করছেন তাকে৷ সেখানে ভিক্ষার দান থাকবে কেন?

নিম্ন বা মধ্যবিত্ত পরিবারের কথা৷ আর উচ্চবিত্ত পরিবারগুলো কী করছে? সমাজের ধনী ও বিত্তশালী হবার প্রতিযোগিতায় নেমেছে তারা৷ অর্থাৎ দেখানোর প্রতিযোগিতা৷ কে কত অর্থ ঢালতে পারে ছেলে-মেয়ের বিয়েতে৷ অর্থাৎ সামাজিক মর্যাদা বা স্ট্যাটাস বজায় রাখতে জাঁকজমকের সঙ্গে বিয়ের অনুষ্ঠান করা, প্রচুর মানুষ দাওয়াত করা এবং উপঢৌকন দেয়া৷ দুই পরিবারে সামাজিক পদ ভিন্ন হলে, অর্থাৎ কনের পরিবার কম সম্পদের অধিকারী হলে বরের পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে সাধ্যের বাইরে গিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান করেন৷ কিন্তু এতে কি আদৌ বরের পরিবারে কনের সম্মান বাড়ে? নাকি বাবা যে বিশাল ঋণের বোঝা নিয়ে এই আড়ম্বর অনুষ্ঠান করলেন সেই আত্মগ্লানি মেয়েটিকে কুড়ে কুড়ে খায়?

এ সব বিয়েতে মুখ্য বিষয় হয়ে ওঠে কনের পরিবার বরের পরিবারকে কী কী উপহার দিল, বাড়ি, গাড়ি নাকি ব্যবসায় অংশীদারিত্ব? এই দেখানোর চলটা ধীরে ধীরে মধ্যবিত্তের মানসিকতায় প্রবেশ করছে আজ৷ বাবা-মায়ের সামর্থ্য না থাকলেও এই দেখানোর প্রতিযোগিতায় কত পরিবার যে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে তার খবর রাখে কে? এর মাধ্যমে যে যৌতুককে উসকে দেয়া হচ্ছে, সেটাই বা মানতে চাইবে ক'জন? তাই এই ঘৃণ্য প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে আমাদেরই৷

পরিসংখ্যান কী বলছে?
নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, ২০১৫ সালে যৌতুকের জন্য নারী নির্যাতনের কারণে সারা দেশে ৬ হাজার ৬০৭টি মামলা হয়েছে৷ বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, আইন ও সালিশ কেন্দ্র এবং ‘আমরাই পারি' পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোটের-২০১৫ সালের বছরজুড়ে নারী নির্যাতনের এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে ১৯২ জনকে, যৌতুকের কারণে নির্যাতিত হয়েছেন ১৭৩, শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২৭৪ জন৷ দেশের আদালতে যেসব নালিশি মামলা দায়ের হয় তার অন্তত ৫০ শতাংশ যৌতুক নিরোধ আইনের মামলা৷
এছাড়া ‘ইউনাইটেড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম' বা ইউএনডিপি পরিচালিত ‘সিস্টেম অফ ডাওরি ইন বাংলাদেশ' বা বাংলাদেশের যৌতুক প্রথার ওপর ১০ বছরের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে শতকরা ৫০ শতাংশ বিবাহিত নারী যৌতুকের কারণে শারীরিক অথবা মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়৷ তাহলে বোঝাই যাচ্ছে সাদা চোখে আমরা হয়ত কেবল দরিদ্র পরিবার গুলোকেই যৌতুক নিতে দেখছি৷ কিন্তু অন্যান্য পরিবারগুলোও যে এই মানসিকতা থেকে বাইরে নয়, তার একটা মোটামুটি চিত্র কিন্তু এ থেকে বোঝা যায়৷

যৌতুক বন্ধে ১৯৮০ সালে ন'টি ধারা নিয়ে হয় যৌতুক নিরোধ আইন৷ এটাতে কাজ হলো না৷ এরপর ১৯৯৫ সালে হলো নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ বিধান আইন করা হলো৷ এ আইনে কঠিন শাস্তির বিধান রাখা হলো৷ শেষ পর্যন্ত এটাও ব্যর্থ হলো৷ সর্বশেষ ২০০০ সালে হলো নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন৷ এরপর এ বছর ‘যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৭'-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভায়৷ এর আওতায় কোনো নারীর স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষের অন্য যেকোনো ব্যক্তি যৌতুকের জন্য কোনো নারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন৷ যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা (প্ররোচিত করে) করলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, মারাত্মক জখমের জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড বা ন্যূনতম ১২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে৷

কী কী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন?
যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি শুধু নয়, মারণব্যধির মতো আমাদের সমাজে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রয়েছে৷ যৌতুক যে দেয় এবং যৌতুক যে নেয় দু'জনেই সমান অপরাধী-এই আইনের মূল মন্ত্র জানলেও ক'জন তা মানে? তাই শুধু আইন করে এ সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়৷ এজন্য প্রয়োজন ঘর থেকে ঘরে আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়া৷ এ ব্যাপারে সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর আরও নানা ধরনের পদক্ষেপ নেয়া উচিত৷ ধর্মীয় ও সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যৌতুক বিরোধী প্রচারণা চালানোর উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে৷ শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে৷ পাঠ্যপুস্তকে যৌতুক বিরোধী বিষয় এবং যৌতুক সংক্রান্ত আইনগুলো অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে৷ মানবাধিকার সংগঠন ও এনজিওগুলো যৌতুক বিরোধী প্রচারণা চালাতে পারে৷ গণমাধ্যমে যৌতুক বিরোধী প্রচারাভিযানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে৷

নারীরা কেন যৌতুকের বলি হবে? কেন তাকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হবে? এ সমস্যার সমাধান রয়েছে প্রতিটি পরিবারের প্রতিটি ব্যক্তির সচেতন হয়ে ওঠার মধ্যেই৷ সবার মধ্যে যদি এই বোধ জন্ম নেয় যে যৌতুক এক ধরনের ভিক্ষাবৃত্তি, এর মাধ্যমে কোন সম্মান প্রাপ্তি হয় না, বরং নিজের সম্মানহানিই ঘটে-তাহলে হয়ত আমাদের সমাজ থেকে একদিন এই ভয়াবহ অভিশাপ দূর হবে৷

যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সফলতা আসছে না৷ সামাজিক এই ব্যাধি ছড়িয়ে পড়েছে রন্ধ্রে রন্ধ্রে৷ গ্রাম থেকে শহরে, উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত–সর্বোত্রই এই ব্যাধির প্রকোপ৷ এ নিয়েই এবার ডয়চে ভেলের মুখোমুখি ডা. মালেকা বানু৷
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. মালেকা বানুর কথায়, নারীর ক্ষমতায়ন বা বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে গেলেও আগে দরকার যৌতুক প্রথা বন্ধ করা৷ তবে শুধু যারা যৌতুক দিচ্ছে, তারা নয়৷ যারা দিচ্ছে, তারাও অপরাধী৷

ডয়চে ভেলে: বাংলাদেশে যৌতুক প্রথার অবস্থাটা এখন কেমন?
ডা. মালেকা বানু: বাংলাদেশে যৌতুক প্রথা এখনো চলছে সেই আগের মতোই৷ তাই এটা আগের চেয়ে কমেছে, এটা আমরা বলতে পারব না৷
এই সংখ্যাটা কি আগের চেয়ে বেড়েছে না কমছে?
কমেনি তো বটেই৷ উলটে যৌতুক প্রথাটা দিন দিন যেন বেড়েই চলেছে৷ এক সময় এটা একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল৷ কিন্তু এখন এটা সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে৷ উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত – সবার মধ্যেই এটা ছড়িয়ে আছে৷ তাছাড়া সকল ধর্ম-বর্ণের মধ্যে এই যৌতুক প্রথা এখন আসন গেড়ে বসেছে৷

যৌতুক কি সামাজিক ব্যাধি না কি একটা প্রথা?
এটা অবশ্যই সামাজিক ব্যাধি৷ আমাদের সমাজে মেয়েদের যেভাবে দেখা হয়, সেই দৃষ্টিভঙ্গি তো বদলায়নি৷ বিয়েতে যৌতুক দেয়া এবং নেয়া আমাদের সমাজে এখনো প্রচলিত আছে৷ বাংলাদেশে কিন্তু যৌতুকবিরোধী আইন আছে৷ অথচ যারা যৌতুক দিচ্ছে এবং নিচ্ছে তারা কিন্তু এই আইনের তোয়াক্কা করছে না৷ তবে আইনের ফাঁক-ফোকর রয়েছে৷ এই যৌতুকটা একটা মেয়ের জন্য অত্যন্ত অসম্মানজনক৷ এর কারণেই মেয়েরা বাল্যবিয়ের শিকার হচ্ছে৷ মেয়ের বয়স যত বেশি হবে, তার জন্য নাকি তত বেশি যৌতুক দিতে হবে৷ উচ্চবিত্ত পরিবারেও নানা কৌশলে যৌতুক দেয়া এবং নেয়া হচ্ছে৷ আমাদের ৮৭ ভাগ মেয়ে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে৷ এর সিংহ ভাগই হচ্ছে যৌতুকের কারণে৷ এটা পরিসংখ্যান ব্যুরোর রিপোর্টে উঠে এসেছে৷ বিয়ের ১০ বছর পরও যৌতুকের কারণে মেয়েদের নির্যাতন করা হচ্ছে, তার পরিবারের উপর চাপ দেয়া হচ্ছে৷ এটা বন্ধ করা না গেলে নারীর ক্ষমতায়ন, বাল্যবিবাহ বন্ধ বা মেয়েদের সম্মানজনক একটা অবস্থায় কখনও নিয়ে যাওয়া যাবে না৷ দেশে যৌতুকের জন্য নির্যাতন এবং হত্যা চলছেই৷
যৌতুক প্রথা শহরে না গ্রামে বেশি?
আমরা বলব গ্রামে বা শহরে সব জায়গাতেই এটা চলছে৷ গ্রামেরটা দৃশ্যমান৷ সেখানে বলাই হয় যে, যৌতুক না দিলে মেয়ের বিয়ে হবে না৷ বয়স বেশি হলে যৌতুক বেশি দিতে হবে৷ কিন্তু শহরে নানান ‘ফরম্যাটে' যৌতুক দেয়া এবং নেয়া হচ্ছে৷ এখানে উচ্চবিত্তরা চাকরি, গাড়ি, বাড়ি, ব্যাংক – নানা কায়দায় এটা চালাচ্ছে৷ যারা দিচ্ছে এবং নিচ্ছে তাদের আমরা সামাজিকভাবে বয়কট করতে পারছি না৷ আমরা যদি তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে না পারি তাহলে যৌতুক প্রথা বন্ধ করতে পারব না৷

বাল্যবিবাহ যৌতুকের সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত?
খুবই সম্পর্কিত৷ এখানে দারিদ্র একটা কারণ৷ বলা হয়, কম বয়সে বিয়ে হলে কম যৌতুক দেয়া যায়৷ এ কারণে গ্রামের বাবা-মায়েরা মেয়েদের কম বয়সেই বিয়ে দিয়ে দিচ্ছেন৷
পুরুষদের মধ্যে যৌতুকের আকাঙ্খা কেন তৈরি হয়?
আমাদের সমাজে ছেলেরা একটা ভিন্ন ধরনের মানসিকতা নিয়ে বড় হচ্ছে৷ যৌতুক নেয়াটা তারা এক ধরনের অধিকারের বলে ধরে নিছে৷
এটা কি তাহলে পারিবারিক প্রথার মধ্যে ঢুকে গেছে?
শুধু পারিবারিক বা সামাজিক প্রথা নয়, এটা মানসিক চিন্তার মধ্যেও এটা ঢুকে গেছে৷ যৌতুক নেয়াটা একটা ছেলের জন্য কতটা অসম্মানজনক, সেটা আজকের ছেলেদের আমাদের বোঝাতে হবে৷
শাশুড়ি কিংবা ননদ যৌতুকে জড়িত হন কেন? তাঁরাও তো নারী?
এটা আসলে দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে ঢুকে গেছে৷ এই দৃষ্টিভঙ্গির ধারক-বাহক ছেলে এবং মেয়ে৷ এর শিকারও হচ্ছে ছেলে-মেয়ে সবাই৷ ফলে নির্যাতিত মেয়ের পাশে এই শাশুড়ি বা ননদ দাড়াঁচ্ছেন না৷ অনেক সময় তাঁরাও নির্যাতনকারীর ভূমিকায় চলে আসছেন৷
শিক্ষিত সচেতন নাগরিকরাও তো যৌতুক দিচ্ছেন এবং নিচ্ছেন৷ তাহলে আমাদের শিক্ষায় কোনো গলদ আছে কি?
আমি বলব অবশ্যই শিক্ষায় গলদ রয়েছে৷ একটা মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি, নারীর প্রতি সম্মান দেখানোর শিক্ষা – এই বিষয়গুলো আমাদের পাঠক্রমের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে৷ এটা নিয়ে আমরা আন্দোলন করছি৷ তবে এবার এটাকে পারিবারিক, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে৷

যৌতুকের জন্য প্রাণ নিয়ে নেয়ার প্রবণতা বাড়ছে না কমছে?
আমরা কমার কোনো লক্ষণ দেখছি না৷ নানানভাবে এই প্রবণতা বেড়েই চলছে৷ আমরা দেখছি শুধু প্রাণ কেড়ে নেয়া নয়, একজন নারীর চোখ তুলে নিচ্ছে বা নানাভাবে তাঁর উপর নির্যাতনও করা হচ্ছে৷ আর এ ধরনের নির্যাতনের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে৷ যাঁরা যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার তাঁরা যদি মামলা করেন, তাহলে তাঁদের কতভাগ নিজেদের পক্ষে রায় পান? আর এই ভাগ যদি কম হয়, তাহলে তার কারণ কী?
আমাদের দেশের বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কে নিশ্চয় আপনাদেরও একটা ধারণা আছে! আর দ্বিতীয় কথা হলো, এটা কিন্তু নারী বান্ধব না৷ এই বিচার ব্যবস্থা থেকে নারীরা যে ন্যায় বিচার পাবে, তার সম্ভাবনা সবক্ষেত্রেই কম৷ যৌতুকের মামলার ক্ষেত্রে তো আমরা দেখিই যে, এটা ঠিকমতো উপস্থাপনের ক্ষেত্রে অনেক ব্যতয় ঘটে৷
তাহলে কি আদালতে নারী ‘পাবলিক প্রসিকিউটার' বা সরকারি প্রতিনিধি জরুরি হয়ে পড়ছে?
নিশ্চয় প্রয়োজন৷ আমরা দেখছি যে, বিচার ব্যবস্থায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে৷ আমরা বলছি, যিনি ‘পাবলিক প্রসিকিউটার' বনা পিপি রয়েছেন, তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিটা যেন নারীবান্ধব হয়৷ নারীর প্রতি তাঁর একটা সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি যেন থাকে৷ তাছাড়া আইনেও পরিবর্তন আনতে হবে৷ আমরা চেষ্টা করছি৷ সরকারেরও একটা ‘পজেটিভ' দৃষ্টিভঙ্গি আছে৷ দেখা যায় কী হয়!

যৌতুক নির্মূলে আপনার পরামর্শ কী?
সর্বপ্রথম আমাদের আইনে সংশোধন প্রয়োজন৷ কারণ একটা আন্দোলনে নামতে হলে আগে আপনার হাতিয়ার প্রয়োজন৷ সেইভাবে আইনটা আগে ঠিক করতে হবে৷ দ্বিতীয়ত, সামাজিক আন্দোলনটা অব্যহত রাখতে হবে৷ যারা যৌতুক দিচ্ছে বা নিচ্ছে তারা সামাজিকভাবে অপরাধী৷ তাদের বয়কট করতে হবে৷ এই চর্চাটা শুরু করতে পারিনি৷ এ জন্য ব্যাপক প্রচারণা দরকার৷ আর এটা যে একটা সামাজিক ব্যাধি, সেটা তরুণ প্রজন্মকে বোঝাতে হবে৷

যৌতুক প্রতিরোধে উপায়ঃ
অতি ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলতে হয়, অভিশপ্ত যৌতুকবিরোধী আইন থাকা সত্ত্বেও দেশের শহর, নগর, গ্রাম, গঞ্জসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের এখানে-সেখানে প্রকাশ্যে, চুপিসারে যৌতুকজনিত হত্যাকাণ্ড, অত্যাচার, নির্যাতন, আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটছে। পরিণামে মা-বোন হচ্ছেন লাঞ্ছিত ও নারীকুল হচ্ছে অপমানিত।
ইসলামী দিকদর্শন ও নীতিমালায় যৌতুক লেনদেন শরিয়তের ঘোর পরিপন্থী। সেদিক দিয়ে আলেম, উলামা, ইমাম ও কাজি সাহেবদের যৌতুক প্রতিরোধে অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। এ অভিশপ্ত প্রথাটির মূলোচ্ছেদ এবং দেশকে যৌতুকবিহীন করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারেন তারা। দেশে লাখ লাখ মসজিদ-মাদ্রাসা রয়েছে এবং এতে রয়েছেন অসংখ্য আলেম। এসব আলেম, ইমাম ও কাজি সাহেব যদি মসজিদে নামাজের আগে যৌতুক থেকে বিরত থাকার তাগিদ দিতে থাকেন, তাহলে যৌতুকের অভিশপ্ত প্রথা দেশ থেকে বিলুপ্ত হতে পারে। যৌতুক প্রতিরোধে আলেম, ওলামা, পীর-মাশায়েখ, মুফতি, ইমাম, কাজি সাহেব ও সরকারের কাছে কয়েকটি সুপারিশমালা পেশ করছি।
১. যৌতুক লেনদেন একটি অভিশপ্ত প্রচলন এবং ঘৃণাজনক প্রথা। এর বিরুদ্ধে গণসচেতনতা বাড়াতে জনমত গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে ওয়াজ, নসিহত, সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, আলোচনা অনুষ্ঠান করে যৌতুক প্রতিরোধে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলা আবশ্যক। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, যৌতুকবিরোধী আইন থাকলেও তার বাস্তবায়ন নেই। তাই দেশের অসহায় নারীদের যৌতুকের নির্যাতন থেকে রক্ষা করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

২. যৌতুক দিয়ে বিয়ে সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।
৩. দেশের সব মসজিদে জুমার খুদবার আগে যৌতুক সম্পর্কে শরিয়তের বিধান ও হুকুম সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
৪. সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত বয়সের ক্লাসগুলোতে 'যৌতুক' যে অত্যন্ত জঘন্য ও অভিশপ্ত প্রথা সে বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করতে হবে।
৫. গ্রাম, গঞ্জ, পাড়া-মহল্লায় সর্বস্তরের সমাজকর্মীদের নিয়ে 'যৌতুক প্রতিরোধ কমিটি' গঠন করতে হবে। শুধু তাই নয়, এর বাস্তবায়নের জন্য মুরবি্বদের সচেতন ও শক্ত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। যৌতুক দিয়ে বিয়ে-শাদিতে যারা জড়িত তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।
৬. যৌতুক আদায়ে যেসব পাষণ্ড স্বামী স্ত্রীকে মারধর করে বা বাবার বাড়িতে টাকা বা অর্থ আনতে পাঠিয়ে দেয়, তাদের তাৎক্ষণিকভাবে পাকড়াও করে পুলিশে সোপর্দ করতে হবে।
৭. বিশেষ করে কাবিননামা ফরমে ' যৌতুকের কোনো দাবি নেই' মর্মে আদালতগ্রাহ্য হলফনামায় স্বাক্ষরদানের ধারা প্রবর্তনের দাবি সরকারের কাছে তুলে ধরতে হবে।
৮. দেশে অসংখ্য কন্যাদায়গ্রস্ত গরিব-দুঃখী, অসহায় বাবা-মার বিয়েযোগ্য কন্যাদায়গ্রস্ত পরিবার আছে, যারা অভাবের জন্য বিয়ে সুসম্পন্ন করতে পারছে না।
বিয়েযোগ্য এসব মেয়ের বিয়ের বিষয়ে দেশের ধনাঢ্য, বিত্তবান ও সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে।
৯. দেশের সব জাতীয় সংবাদপত্র, বেতার, টিভি এবং দেশি চ্যানেল মিডিয়াকে যৌতুক প্রতিরোধে যৌতুকবিরোধী টক শোর ব্যবস্থা করতে হবে। এসব টক শোতে আলেম, ওলামা, ইমাম, পীর-মাশায়েখদের দিয়ে যৌতুকের ভয়াবহ কুফল পরিণতির কথা জনসমক্ষে তুলে ধরার ব্যবস্থা করতে হবে।
১০. যৌতুকবিহীন বিয়ে সম্পন্ন করতে দেশের সর্বত্র নিজ নিজ এলাকার গণ্যমান্য মুরবি্ব, অভিভাবক মহল, ধনাঢ্য-বিত্তবান, আলেম, ওলামা, ইমাম ও কাজি সাহেবদের যৌতুক লেনদেন বন্ধ করার মনমানসিকতা তৈরি করতে হবে। মনে রাখবেন, বিয়ে-শাদি মানবজীবনের একটি পবিত্র কাজ। অতএব আসুন, যৌতুক লেনদেন চিরতরে বিলুপ্ত করে নিজ নিজ ক্ষেত্রে মানবিক কর্তব্য পালনে সচেষ্ট হই।

সংগৃহীত-
তারিখঃ- ২৭/০৩/২০২১ ইং

এম.এ. মতিন
এল.এল.বি.
দলিল লেখক ও তল্লাশী কারক এবং ল্যান্ড সার্ভেয়ার /আমিন
সদর-সাব রেজিস্ট্রি অফিস
রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স ভবন (৩য়তলা), নারায়ণগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৬ ৮০৮২৮২

তালাক কার্যকরের আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা জরুরীঃ-(১) তালাক কি(২) স্ত্রীর ক্ষমতা(৩) তালাকের নোটিশ(৪) বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অ...
16/03/2021

তালাক কার্যকরের আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা জরুরীঃ-

(১) তালাক কি
(২) স্ত্রীর ক্ষমতা
(৩) তালাকের নোটিশ
(৪) বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
(৫) ত্রিশ দিন
(৬) তালাক প্রত্যাহার
(৭) তালাক নিবন্ধন
(৮) তালাকের আগে আলোচনা
(৯) মিথ্যা যৌতুক মামলা

জীবনে চূড়ান্ত বিপর্যয় থেকে স্বামী-স্ত্রী উভয়কে রক্ষার জন্য ইসলামে তালাকের বিধান রয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যখন চরমভাবে বিরোধ দেখা দেয়, পরস্পর মিলেমিশে শান্তিপূর্ণ ও মাধুর্যমণ্ডিত জীবনযাপন যখন একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়ে, তখনই আসে তালাকের প্রশ্ন।

কোনো কারণে স্বামী বা স্ত্রী যদি তালাক দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তবে আগে কিছু বিষয় অবশ্যই জানা জরুরি। তালাক দেয়ার জন্য মধ্যে কিছু আইনগত বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।
যে কারণেই হোক না কেন তালাকের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এবং তালাক কার্যকরের আগে কিছু নিয়ম মানতে হয়। বিশেষ করে তালাকের নোটিশ পাঠানোর বেলায় কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এসব নিয়ম যথাযথ না মানলে তালাক কার্যকরে জটিলতা সৃষ্টি হবে।

(১) তালাক কিঃ

পারিবারিক জীবন অনেক ক্ষেত্রে হয়ে দাঁড়ায় তিক্ত ও বিষক্ত। একজনের মন যখন অন্যজন থেকে এমনভাবে বিমুখ হয়ে যায় যে, তাদের শুভ মিলনের আর কোনো সম্ভাবনা থাকে না। ঠিক তখনই বিয়েবিচ্ছেদের কথা বলা হয়েছে ইসলামে।

মুসলিম পারিবারিক আইনে বলা হয়েছে- ‘কোনো পুরুষ তাহার স্ত্রীকে তালাক দিতে চাহিলে তাহাকে মুসলিম আইনে অনুমোদিত যে কোনো পদ্ধতিতে ঘোষণার পরই তিনি তাহার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন, এ মর্মে চেয়ারম্যানকে লিখিতভাবে নোটিশ প্রদান করবেন এবং স্ত্রীকেও উহার নকল দিবেন’ অর্থাৎ তালাক প্রদান বা ঘোষণার ক্ষেত্রে ইসলামি শরিয়তের প্রবর্তিত পদ্ধতিই হচ্ছে মুসলিম পারিবারিক আইনের পদ্ধতি। তাই শরিয়ত প্রবর্তিত তালাকসংক্রান্ত বিধানাবলি ভালোভাবে জানা ও বোঝা খুবই জরুরি। বিশেষ করে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের এ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।

আসুন জেনে নেই তালাক কার্যকরের আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি।

(২) স্ত্রীর ক্ষমতাঃ

কোনো মুসলিম স্ত্রী যদি স্বামীকে তালাক দিতে চান তাহলে প্রথমেই দেখতে হবে তালাক দেওয়ার ক্ষমতা তার রয়েছে কি না। কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামে যদি তালাক প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া থাকে, সে ক্ষেত্রে সরাসরি তালাক প্রদান করতে পারবেন। যদি এ ক্ষমতা স্ত্রীকে দেওয়া না থাকে, তাহলে পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে তালাকের ডিক্রি নিতে হবে।
নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি

(৩) তালাকের নোটিশঃ

আইন অনুযায়ী, যেভাবেই তালাক ঘটুক না কেন, যে পক্ষ তালাক দিতে চাইবে, সে পক্ষ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অপর পক্ষের ঠিকানা সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের মেয়রের কাছে নোটিশ লিখিতভাবে পাঠাবে। ওই নোটিশের কপি অপর পক্ষের কাছেও পাঠাতে হবে। তবে আদালতের মাধ্যমে কোনো তালাকের ডিক্রি হলে সে ডিক্রির কপি চেয়ারম্যানকে প্রদান করলেই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।

(৪) বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডঃ

অনেকেই মনে করেন তালাকের নোটিশ কাজির মাধ্যমে না পাঠালে তা কার্যকর হয় না। এটি ঠিক নয়। তালাকের নোটিশ স্বামী বা স্ত্রী নিজে লিখিত আকারে পাঠিয়ে দিলেও হবে। তবে নোটিশ দেওয়ার নিয়মকানুন ঠিক রাখতে হবে। তালাকের ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম পালন না করলে এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড কিংবা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে।

(৫) ত্রিশ দিনঃ

যে পক্ষ থেকেই তালাকের নোটিশ দেওয়া হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান বা মেয়র নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষের মনোনীত প্রতিনিধি নিয়ে সালিসি পরিষদ গঠন করবেন। সালিসি পরিষদ উভয় পক্ষকে পরপর সাধারণত তিনটি লিখিত নোটিশ পাঠিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করবে। নোটিশ পৌঁছানোর তারিখ থেকে ৯০ দিন পর তালাক কার্যকর হবে। তবে স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে গর্ভকাল শেষ হওয়ার পর তালাক কার্যকর হবে।

(৬) তালাক প্রত্যাহারঃ

তালাক প্রত্যাহারতালাকের নোটিশ পাঠানো মানে হচ্ছে তালাকের ঘোষণা। নোটিশ পাঠালেই তালাক কার্যকর হয়ে যায় না। নোটিশ পাঠানোর পরে ইদ্দতকাল সময়ে তালাক প্রত্যাহার করা যায়।

(৭) তালাক নিবন্ধনঃ

যে পক্ষই তালাক প্রদান করুক না কেন, তালাক কার্যকরের পর তালাকটি নিবন্ধন করাতে হবে। তালাক নিবন্ধন করাতে হবে কাজি অফিসে। কোনো কারণে তালাক নিবন্ধন অস্বীকার করলে ৩০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রারের কাছে আপিল করা যায়। তবে তালাক নিবন্ধন নিয়ে কোনো জালিয়াতি করলে তা অপরাধ

(৮) তালাকের আগে আলোচনাঃ

স্বামী বা স্ত্রী যদি সম্মতিতে তালাক দিতে চান তাহলে দুজনে মিলে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার। বিশেষ করে স্বামী বা স্ত্রীর মধ্যে যদি কোনো দেনা-পাওনা থাকে (যেমন দেনমোহর, ভরণপোষণ প্রভৃতি), সেসব মিটমাট করে তালাকের ঘোষণা দেওয়া উচিত।

(৯) মিথ্যা যৌতুক মামলাঃ

আমাদের দেশের বেশির ভাগ নারীরা সংসারে স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হলেই যৌতুকের মামলা দিয়ে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে মিথ্যা মামলা দেয়ার কারণে পুরুষরা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন।

মিথ্যা মামলা-সংক্রান্ত শাস্তির ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অধীনে মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নেই জেনেও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহলে তিনি বা তারা অনধিক ৫ বছর মেয়াদের কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
সংগৃহীতঃ-
তারিখঃ ১৬/৩/২০২১ ইং

এম.এ. মতিন
এলএলবি
দলিল লেখক ও তল্লাশী কারক
এবং ল্যান্ড সার্ভেয়ার/আমিন
সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিস
রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স ভবন
(তৃতীয় তলা, রেকর্ড রুম),
নারায়ণগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৬ ৮০৮২৮২

তেঁতুল পছন্দ করে না এমন মানুষ পাওয়া খুব কঠিন। বিশেষ করে তরূণীদের খাবারের তালিকায় উপরের দিকেই পাওয়া যায় এর নাম। তবে অনেকে...
01/03/2021

তেঁতুল পছন্দ করে না এমন মানুষ পাওয়া খুব কঠিন। বিশেষ করে তরূণীদের খাবারের তালিকায় উপরের দিকেই পাওয়া যায় এর নাম। তবে অনেকেরই ধারণা তেঁতুল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং তেঁতুল খেলে রক্ত পানি হয়। এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বরং তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি ও ভেষজ গুণ। তেঁতুল দেহে উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরোগীদের জন্য খুব উপকারী।

তেতুলের উপকারিতা ও অপকারিতা:-

তেতুলের গুনাগুণ:

তেতুঁলে ক্যালসিয়ামের পরিমান সব ফলের চেয়ে ৫ থেকে ১৭ গুন বেশি। আয়রনের পরিমান নারিকেল ছাড়া সব ফলের চেয়ে ৫ থেকে ২০ গুন বেশি।

প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা তেতুঁলে

খনিজ পদার্থ ২.৯ গ্রাম

খাদ্যশক্তি ২৮৩ কিলোক্যালরি

আমিষ ৩.১ গ্রাম

চর্বি ০.১ গ্রাম

শর্করা ৬৬.৪ গ্রাম

ক্যালসিয়াম ১৭০ মিলিগ্রাম

আয়রন ১০.৯ মিলিগ্রাম

ক্যারোটিন ৬০ মাইক্রোগাম

ভিটামিন সি ৩ মিলিগ্রাম

তেতুলের স্বাস্থ্য উপকারিতা:

তেতুলের উপকারিতাঃ

নার্ভের কর্মক্ষমতা:

তেঁতুলে বি কমপ্লেক্স ভিটামনিটি রয়েছে প্রচুর মাত্রায়। বি কমপ্লেক্স হল এমন ভিটামিন, যা ব্রেইন ফাংশনের উন্নত করার কাজে অংশ নেয়। এই ভিটামিনটি দেহের স্নায়ুকোষের শক্তি বাড়ায়।

হজম শক্তি বাড়ায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে :

পেট ব্যথা বা কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যার সমাধান যদি চান, তেঁতুলের সাহায্য নিন।তেঁতুলের মধ্যে টার্টারিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড এবং পটাশিয়াম আছে যা কোষ্ঠন্যকাঠিন্য দূর করে।

আয়ুর্বেদে এখনও তেঁতুল পাতা ডায়েরিয়া সারাতে ব্যবহার হয়। এছাড়াও তেঁতুল গাছের ছাল এবং শিকড় পেটের ব্যথা দূর করতে ব্যবহার করা হয়।

ডায়বেটিস কন্ট্রোল করে :

তেঁতুলের বীজ ডায়বেটিস কন্টোল করতে সক্ষম। আবার রক্তে চিনির মাত্রাও ঠিক রাখে। এতে উপস্থিত এক ধরণের এনজাইম যার নাম (alpha-amylase)রক্তে চিনির মাত্রা কমায়।

ওজন কমায়ঃ

তেঁতুলে উচ্চ মাত্রায় ফাইবার আছে আবার একই সঙ্গে এটা সম্পূর্ণ ফ্যাট ফ্রি। গবেষণায় দেখা গেছে যে রোজ তেঁতুল খেলে ওজন কমে।

পেপটিক আলসার রোধ করেঃক

পেপটিক আলসার বেশির ভাগ সময় পেটে এবং ক্ষুদ্রান্ত্রে হয়। এই আলসার খুব বেদনাদায়ক। রিসার্চে দেখা গেছে তেঁতুলের বীজের গুঁড়ো নিয়মিত খেলে পেপটিক আলসার সেরে যায়।

হৃদয় ঠিক রাখে :

তেঁতুল খুবই হার্ট ফ্রেন্ডলি। এতে উপস্থিত ফ্ল্যাভরনয়েড ব্যাড কোলেস্টেরল কমায়। আবার রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড ( এক ধরণের ফ্যাট ) জমতে দেয় না। এতে উপস্থিত উচ্চ পটাশিয়াম রক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করে।

ক্যান্সার রোধ করেঃ

তেঁতুলে উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে যা কিডনি ফেলিওর এবং ক্যান্সার রোধ করতে সাহায্য করে।

ক্ষত সারিয়ে তোলেঃ

তেঁতুল গাছের পাতা এবং ছাল অ্যান্টি সেপটিক এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল। এটি ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

ত্বক উজ্জ্বল করেঃ

তেঁতুল ক্ষতিকারক আলট্রা ভায়োলেট রে-র হাত থেকে ত্বককে বাঁচাতে সাহায্য করে। যাদের অ্যাকনে আছে তাদের জন্যেও উপকারী তেঁতুল।

তেঁতুলে উপস্থিত হাইড্রক্সি অ্যাসিড ত্বকের এক্সফলিয়েশন করতেও সাহায্য করে। যার ফলে মরা কোষ উঠে যায় এবং ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।

সর্দি কাশি সারাতে সাহায্য করেঃ

তেঁতুল অ্যালার্জি প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। এছাড়া এতে উপস্থিত ভিটামিন সি শরীরের ইমিউনিটি বাড়ায়।

লিভার সুরক্ষিত রাখেঃ

তেঁতুল আমাদের লিভার বা যকৃতকেও ভালো রাখে। পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, নিয়মিত তেঁতুল পাতা ব্যবহার করে উচ্চ মাত্রায় মদ্যপানের ফলে ড্যামেজড লিভার অনেকটা সেরে উঠেছে।

রক্ত প্রবাহের উন্নতি ঘটেঃ

তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, যা শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ বাড়ায়। ফলে দেহে রক্তস্বল্পতা দূর করে। আমাদের দেশের সিংহভাগই নারীই অ্যানিমিয়ার শিকার।

তাই এদেশে তেঁতুল খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা যেন আরো অনেক বেশি। আর তেঁতুল যেহেতু নারীদের খুব পছন্দের তাই রক্তস্বল্পতা আক্রান্ত হওয়ার আগেই নিয়মিত তেঁতুল খেয়ে তা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাঃ

প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি থাকায় তেঁতুল শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৃদ্ধি করে।

ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটা শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে শুধু সংক্রমণ নয়, ছোট-বড় কোনো রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

জন্ডিস রোগে উপকারীঃ

তেঁতুল জন্ডিস রোগে উপকারী। এছাড়াও তেঁতুল গাছের ছাল, ফুল, পাতা, বিচি ও ফল সবই ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তেঁতুল বীজের শাঁস পুরনো পেটের অসুখে উপকারী। তেঁতুল পাতার রস কৃমিনাশক ও চোখ ওঠা সারায়। মুখে ঘা বা ক্ষত হলে পাতা তেঁতুল জলে কুলকুচি করলে উপকার পাওয়া যায়।

গর্ভাবস্থায় তেঁতুল খাওয়া যাবে কি?

গর্ভাবস্থায় নারীরা সাধারণত তেঁতুল খেতে পছন্দ করেন। চিকিত্‍সাগত দিক থেকেও রয়েছে এর উপকারিতা। তেঁতুলের টক উপাদান গর্ভবতী নারীদের মর্নিং সিকনেস থেকে অনেকটাই মুক্তি দেয়। গর্ভাবস্থায় তেঁতুল খাওয়া নিরাপদ বলেই প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তবে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে তেঁতুল খাওয়া উচিত।

তেঁতুলে থাকা নির্দিষ্ট কিছু প্রোটিন গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে ব্লাড প্রেসার। তেঁতুলের পটাশিয়াম এবং আয়রন ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। তেঁতুল, শরীরে অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধের কাজে বাঁধা তৈরি করে থাকে। তাই গর্ভাবস্থায় তেঁতুল খাওয়ার আগে ডাঃক্তারের সাথে আলোচনা করে খাওয়া উচিত

তেতুলের অপকারিতাঃ

রক্তপাত বৃদ্ধি করে নির্দিষ্ট ঔষধের ক্ষেত্রেঃ

তেঁতুল রক্তপাতের ঝুঁকি বৃদ্ধি করতে পারে এবং মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করতে পারে যদি নির্দিষ্ট কিছু ঔষধের সাথে গ্রহণ করা হয়। এ ধরনের ঔষধগুলো হচ্ছে

=>অ্যাসপিরিন,
=>ইবুপ্রোফেন, ন্যাপ্রোক্সিন এর মত নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টিইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAIDs),
=>রক্ত পাতলা করার ঔষধ (হেপারিন, ওয়ারফেরিন ইত্যাদি )
=>অ্যান্টি-প্লাটিলেট ড্রাগ (ক্লপিডোগ্রেল)

যদি আপনি এই ঔষধগুলো গ্রহণের সময় তেঁতুল খান তাহলে শরীরে এদের শোষণের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে।

এরা শরীরে অনেক বেশি কাজ করা শুরু করে এবং ক্রমান্বয়ে অধিক রক্তপাত শুরু হয়।

হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারেঃ

অনেক বেশি পরিমাণে তেঁতুল খেলে রক্তের সিরাম গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায় বলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয়। পুষ্টিবিদেরা প্রতিদিন ১০ গ্রাম তেঁতুল গ্রহণের পরামর্শ দেন।

যা নিয়মিত খাদ্যগ্রহণের ০.৮ % হতে হবে। এর বেশি গ্রহণ করলে শরীরে গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

তাই ডায়াবেটিসের রোগীরা যারা রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর ঔষধ গ্রহণ করেন তারা এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন।

অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারেঃ

তেঁতুলের সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হচ্ছে অ্যালার্জি বা অতিসংবেদনশীলতা। এ কারণে কিছু কিছু মানুষের মধ্যে র‍্যাশ, চুলকানি, ইনফ্লামেশন, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি হওয়া বা শ্বাসকষ্ট হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়।

দাঁতের এনামেল নষ্ট করেঃ

তেঁতুল উচ্চ মাত্রার এসিডিক প্রকৃতির। তাই নিয়মিত তেঁতুল খেলে দাঁতের এনামেল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

পিত্তপাথর গঠনে সাহায্য করেঃ

ভারতীয় গবেষক প্রমাণ করেছেন যে, ঘন ঘন প্রচুর পরিমাণে তেঁতুল খাওয়া পিত্তপাথর হতে সাহায্য করে।

এসিড রিফ্লাক্স বৃদ্ধি করেঃ

তেঁতুল এসিডিক খাবার তাই এটি বেশি খেলে আমাদের গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল নালীতে বিশেষ করে পাকস্থলীতে এসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। তাই যদি এসিড রিফ্লাক্সের সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে আপনার তেঁতুল খাওয়া থেকে দূরে থাকা উচিৎ।
সংগৃহীতঃ

এম.এ. মতিন
এল.এল.বি.
দলিল লেখক ও ল্যান্ড সার্ভেয়ার
সদর-সাব রেজিস্ট্রি অফিস
রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স ভবন (৩য়তলা), নারায়ণগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৬ ৮০৮২৮২

Address

Sadar Sub Registry Office, Registration Complex (2nd Floor Record Room), Narayangonj. New Attached Judge Court
Narayanganj

Telephone

+8801716808282

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lands Claim & Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share