Datta Law Firm

Datta Law Firm Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Datta Law Firm, Legal Service, 13/5, T. N. Roy Road, Mymensingh.

Professional Income Tax & Accounting Services
✔ Income Tax Return (ITR) Filing
✔ Business Accounts Preparation
✔ e-Return & Compliance Services
Reliable • Confidential • Law-Compliant
🇧🇩 Bangladesh

বিদেশে সম্পদ আছে, কিন্তু আয়কর রিটার্নে নেই — কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?▪️ আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ২১ অনুযায়ী, বিদেশে থাকা অপ্রদর্শি...
29/05/2026

বিদেশে সম্পদ আছে, কিন্তু আয়কর রিটার্নে নেই — কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?

▪️ আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ২১ অনুযায়ী, বিদেশে থাকা অপ্রদর্শিত সম্পদ গুরুতর কর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
▪️ বিদেশে ব্যাংক ব্যালেন্স, ফ্ল্যাট, জমি, শেয়ার, নগদ অর্থ বা অন্য সম্পদ রাখা নিজে অপরাধ নয়; তবে তা রিটার্নে উল্লেখ না করলে সমস্যা হতে পারে।
▪️ “অপ্রদর্শিত বিদেশস্থ সম্পত্তি” বলতে এমন সম্পদ বোঝায়, যা আয়কর রিটার্ন বা সম্পদ বিবরণীতে দেখানো হয়নি।
▪️ করদাতা যদি সম্পদের উৎস, বৈধতা, মালিকানা, বা অর্থ বিদেশে যাওয়ার বৈধ পদ্ধতির ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে DCT ব্যবস্থা নিতে পারেন।
▪️ আইন অনুযায়ী, অপ্রদর্শিত বিদেশস্থ সম্পদের Fair Market Value (বাজারমূল্য) এর সমপরিমাণ জরিমানা আরোপ করা হতে পারে।
▪️ জরিমানার আগে করদাতাকে শুনানির সুযোগ দিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় নথি উপস্থাপনের সুযোগ থাকবে।
▪️ কর কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে ব্যাংক রেকর্ড, রেমিট্যান্স ট্রেইল, আয় উৎস ও মালিকানার তথ্য যাচাই করতে পারে।
▪️ একই ঘটনায় কর ফাঁকি, অঘোষিত আয় বা মানি লন্ডারিংয়ের প্রশ্নও উঠতে পারে।
▪️ তাই বিদেশে সম্পদ থাকলে সবসময়—
✔️ Source of Fund
✔️ Banking Trail
✔️ Remittance Trail
✔️ Ownership Proof
✔️ Return Disclosure
সঠিক ও প্রমাণযোগ্য রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

📢 সচেতন হোন, ঝামেলা এড়ান।

প্রাক-বাজেট আলোচনায় ব্যবসায়ী নেতারা সরাসরি বলেছেন—“ঘুষ ও দুর্নীতি বন্ধ করুন, আমরা কর দিতে প্রস্তুত।” এই বক্তব্য শুধু ক্ষ...
11/05/2026

প্রাক-বাজেট আলোচনায় ব্যবসায়ী নেতারা সরাসরি বলেছেন—“ঘুষ ও দুর্নীতি বন্ধ করুন, আমরা কর দিতে প্রস্তুত।”
এই বক্তব্য শুধু ক্ষোভ নয়, বরং আমাদের কর ব্যবস্থার একটি মৌলিক দুর্বলতার দিকে আঙুল তুলে দেয়।

বর্তমান বাস্তবতায় কী দেখা যাচ্ছে?
🔹 করের হার বাড়ানো হচ্ছে, কিন্তু করদাতার সংখ্যা অনুপাতে বাড়ছে না
🔹 সৎ করদাতারা হয়রানির শিকার, অসৎরা ফাঁকফোকর খুঁজে নেয়
🔹 বন্দর, কাস্টমস ও ট্যাক্স অফিসে অপ্রাতিষ্ঠানিক খরচ (ঘুষ) ব্যবসার খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে
🔹 ফলে “Ease of Doing Business” কমছে, বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হচ্ছে।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আসে—
👉 সমস্যা কি করের হার, নাকি কর ব্যবস্থাপনার বিশ্বাসযোগ্যতা?
ব্যবসায়ীরা যখন বলেন, “দুর্নীতি বন্ধ হলে কর কমানোর দাবি থাকবে না”—তখন তারা আসলে একটি “Fair System” দাবি করছেন। যেখানে:
✔ সবাই সমানভাবে কর দেবে
✔ ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়বে
✔ অডিট হবে স্বচ্ছ ও নিয়মভিত্তিক
✔ কর কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা থাকবে।

আইনি ও নীতিগত দিক থেকে কী করা জরুরি?
📌 আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী কর প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
📌 ডিজিটাল ট্যাক্স সিস্টেম (e-filing, e-audit) আরও শক্তিশালী করা
📌 NBR কর্মকর্তাদের সম্পদ বিবরণী ও লাইফস্টাইল অডিট চালু করা
📌 দুর্নীতি দমন কমিশন (ACC) এর কার্যকর নজরদারি বৃদ্ধি
📌 করদাতাদের জন্য “Taxpayer Charter” বাস্তবায়ন

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
কর আদায় জোর করে নয়, আস্থা তৈরি করে বাড়াতে হয়।
যদি করদাতা বিশ্বাস করেন যে তার দেওয়া কর রাষ্ট্রের উন্নয়নে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, এবং তাকে অযথা হয়রানি করা হবে না—তাহলে কর ফাঁকি নয়, কর দেওয়া একটি স্বাভাবিক দায়িত্ব হয়ে দাঁড়াবে।

👉 তাই কর বাড়ানোর আগে, কর ব্যবস্থার ভেতরের দুর্নীতি দূর করাই এখন সময়ের দাবি।

📢 সচেতন হোন, ঝামেলা এড়ান।

07/05/2026

📊 “আপনার রিটার্ন কি সেফ?
৮৮ হাজার ফাইল অডিটে যাচ্ছে!"

🔹 অডিটের পরিমাণ:
প্রায় ৮৮ হাজার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আয়কর রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে (করবর্ষ ২০২৩-২৪)।

🔹 দুই ধাপে নির্বাচন:
১ম ধাপ: ১৫,৪৯৪টি (দৈবচয়ন পদ্ধতি)
২য় ধাপ: ৭২,৩৪১টি (অটোমেটেড ঝুঁকিভিত্তিক পদ্ধতি)

🔹 নির্বাচনের পদ্ধতি:
সম্পূর্ণ অটোমেটেড ও ঝুঁকিভিত্তিক (Risk-based)
ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই

🔹 সার্কেলভিত্তিক বণ্টন:
প্রতি সার্কেলে সর্বোচ্চ ২০০টি
সর্বনিম্ন ২০টি রিটার্ন অডিটে নেওয়া হয়েছে

🔹 উদ্দেশ্য:
রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি
অডিট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা
করদাতা হয়রানি কমানো

🔹 গুরুত্বপূর্ণ বার্তা:
👉 এখন থেকে এলোমেলো নয়, বরং ডাটা ও ঝুঁকির ভিত্তিতে অডিট হবে
👉 সঠিক তথ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিল করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে

🔹 করদাতাদের করণীয়:
সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিয়ে রিটার্ন জমা দিন
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করুন
প্রয়োজনে কর আইনজীবী/প্র্যাকটিশনারের সহায়তা নিন।

📢 শেষ কথা: “রিটার্ন না দেওয়া ঝুঁকি, আর ভুল রিটার্ন দেওয়া আরও বড় ঝুঁকি।” ডিজিটাল নজরদারির এই যুগে কমপ্লায়েন্সই একমাত্র নিরাপদ পথ।

আইনকে পাশ কাটিয়ে নয়, আইনকে বুঝে চলাই হলো আসল বুদ্ধিমানের কাজ।

📢 সচেতন হোন, ঝামেলা এড়ান।

💡 Tax Planning vs Tax Evasion — বৈধ কর সাশ্রয় নাকি অবৈধ ঝুঁকি?🔎 Tax Planning (বৈধ কর পরিকল্পনা) কী?Tax Planning হলো আয়কর...
04/05/2026

💡 Tax Planning vs Tax Evasion — বৈধ কর সাশ্রয় নাকি অবৈধ ঝুঁকি?

🔎 Tax Planning (বৈধ কর পরিকল্পনা) কী?
Tax Planning হলো আয়কর আইন অনুযায়ী বৈধ উপায়ে করের পরিমাণ কমানো।

📚 আইনি ভিত্তি (Income Tax Act, 2023):
ধারা 78 → বিনিয়োগে কর রিবেট (Investment Tax Credit)
ধারা 44 → নির্দিষ্ট আয় করমুক্ত (Exempted Income)
Third Schedule → অনুমোদিত বিনিয়োগ খাতসমূহ

✅ Tax Planning এর বৈধ উপায়:
সঞ্চয়পত্র, DPS, জীবন বীমা, PPF-এ বিনিয়োগ করে tax rebate নেওয়া
স্ত্রী/স্বামীর নামে বৈধভাবে সম্পদ বিন্যাস (lawful tax arrangement)
ব্যবসার ক্ষেত্রে অনুমোদিত expense properly claim করা
করমুক্ত আয় (যেমন: নির্দিষ্ট allowances) সঠিকভাবে দেখানো

❌ Tax Evasion (কর ফাঁকি) কী?
Tax Evasion হলো ইচ্ছাকৃতভাবে আইন ভেঙে কর কমানো বা ফাঁকি দেওয়া।

📚 আইনি ভিত্তি (Income Tax Act, 2023):
ধারা 166 → আয়ের গোপনীয়তা/ভুল তথ্য প্রদান
ধারা 198 → শাস্তি (Penalty & Prosecution)
ধারা 221 → অতিরিক্ত কর ও জরিমানা আরোপ
❌ Tax Evasion এর উদাহরণ:
প্রকৃত আয় গোপন করা
ভুয়া খরচ দেখানো
ব্যাংক লেনদেন লুকানো
সম্পদের প্রকৃত মূল্য কম দেখানো

⚠️ পরিণতি:
উচ্চ হারে জরিমানা (penalty)
অতিরিক্ত কর আরোপ
গুরুতর ক্ষেত্রে মামলা ও শাস্তি

⚖️ Tax Planning vs Tax Evasion (মূল পার্থক্য)
🔹 Tax Planning → আইন মেনে কর কমানো ✅
🔹 Tax Evasion → আইন ভেঙে কর ফাঁকি ❌

🎯 কেন Tax Planning করবেন?
✔️ Tax liability কমানো
✔️ Cash flow ঠিক রাখা
✔️ ভবিষ্যৎ ঝুঁকি এড়ানো
✔️ Business growth নিশ্চিত করা
✔️ Audit বা Notice এ নিশ্চিন্ত থাকা

🔔 গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
👉 “Smart taxpayer” হওয়া মানে কর না দেওয়া নয়, বরং সঠিকভাবে দেওয়া।
👉 সময়মতো রিটার্ন দাখিল করুন, বৈধভাবে কর পরিকল্পনা করুন, ঝুঁকিমুক্ত থাকুন।

📌 শেষ কথা:
আইনকে পাশ কাটিয়ে নয়, আইনকে বুঝে চলাই হলো আসল বুদ্ধিমানের কাজ।

📢 সচেতন হোন, ঝামেলা এড়ান।

🔴 রিটার্ন না দেওয়া ই-টিআইএনধারী দ্রুত রিটার্ন দাখিলের বিকল্প নেই — ভুল রিটার্ন আরও বড় বিপদের কারণ!সম্প্রতি এনবিআর জানিয়ে...
03/05/2026

🔴 রিটার্ন না দেওয়া ই-টিআইএনধারী দ্রুত রিটার্ন দাখিলের বিকল্প নেই — ভুল রিটার্ন আরও বড় বিপদের কারণ!

সম্প্রতি এনবিআর জানিয়েছে, প্রায় ৮০ লাখ নন-ফাইলার (রিটার্ন না দেওয়া ই-টিআইএনধারী) শনাক্ত করে তাদের কাছে অটোমেটেড নোটিশ পাঠানো হবে। তাই এখনই সচেতন না হলে আইনি ঝুঁকি বাড়তে পারে।

📌 কেন দ্রুত রিটার্ন দাখিল জরুরি?

1️⃣ অটোমেটেড নোটিশ আসবেই ই-টিআইএন ও ই-রিটার্ন ডাটাবেজ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নন-ফাইলার শনাক্ত হচ্ছে — লুকানোর সুযোগ নেই।

2️⃣ নোটিশের পর ইন্সপেক্টর ভিজিট রিটার্ন না দিলে সরাসরি মাঠ পর্যায়ে তদন্ত (Inspection) হতে পারে।

3️⃣ আইনি বাধ্যবাধকতা (Income Tax Act, 2023) যোগ্য ব্যক্তি হয়েও রিটার্ন না দিলে জরিমানা, দণ্ড ও অন্যান্য শাস্তির ঝুঁকি।

4️⃣ রিস্ক-বেসড অডিট শুরু হয়েছে ম্যানুয়াল সিলেকশন বন্ধ — এখন সম্পূর্ণ সিস্টেম-জেনারেটেড অডিট, ফলে ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেশি।

5️⃣ ফাইন্যান্সিয়াল কার্যক্রমে বাধা রিটার্ন না থাকলে ব্যাংক লোন, ভিসা, টেন্ডারসহ অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা হয়।

⚠️ ভুল রিটার্ন কেন আরও বিপজ্জনক?

1️⃣ অপ্রদর্শিত আয় ধরা পড়লে উচ্চহারে কর + জরিমানা (ধারা ১৭৫ অনুযায়ী উৎস প্রমাণ না করতে পারলে সমস্যা)

2️⃣ মিথ্যা তথ্য দিলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ভুল তথ্য বা গোপন তথ্য দিলে জরিমানা ও প্রসিকিউশনের ঝুঁকি।

3️⃣ অডিটে ধরা পড়লে বড় অঙ্কের পেনাল্টি রিস্ক-বেসড অডিটে ছোট ভুলও বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়াতে পারে।
4️⃣ ট্যাক্স প্রোফাইল ঝুঁকিতে পড়ে একবার সন্দেহভাজন হলে ভবিষ্যতে নিয়মিত অডিট হতে পারে।

5️⃣ হুইসেল ব্লোয়ার সিস্টেম চালু হচ্ছে সাধারণ মানুষও তথ্য দিলে তদন্ত হতে পারে — গোপন রাখার সুযোগ কমছে।

✅ কি করবেন এখন?
✔️ সঠিক তথ্য দিয়ে দ্রুত রিটার্ন দাখিল করুন
✔️ আয়-ব্যয়ের ডকুমেন্ট ঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন
✔️ প্রয়োজন হলে অভিজ্ঞ ট্যাক্স পরামর্শকের সহায়তা নিন
✔️ জটিলতা বা ঝুঁকি থাকলে আয়কর আইনজীবীর সহায়তা নিন
✔️ ই-রিটার্ন সিস্টেম ব্যবহার করে নিজেই ফাইল করুন

📢 শেষ কথা: “রিটার্ন না দেওয়া ঝুঁকি, আর ভুল রিটার্ন দেওয়া আরও বড় ঝুঁকি।” ডিজিটাল নজরদারির এই যুগে কমপ্লায়েন্সই একমাত্র নিরাপদ পথ।

আইনকে পাশ কাটিয়ে নয়, আইনকে বুঝে চলাই হলো আসল বুদ্ধিমানের কাজ।

📢 সচেতন হোন, ঝামেলা এড়ান।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ওপর আয়কর দিতে হতে পারে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ...
25/04/2026

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ওপর আয়কর দিতে হতে পারে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা অনুযায়ী আলাদা আলাদা হারে এই কর আরোপের পরিকল্পনা করছে। প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে এটি কার্যকর হবে।

সম্পর্কের ভিত্তিতে করের হার:

এনবিআরের গঠিত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, সম্পদের মূল্যের ওপর ভিত্তি করে উত্তরাধিকার কর নির্ধারণ করা হবে। করের হার দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত:

১. নিকটাত্মীয় (বাবা-মা, ভাইবোন):

* ১ কোটি টাকা পর্যন্ত সম্পদ: ১% কর।

* পরবর্তী ৫ কোটি পর্যন্ত (মোট ৬ কোটি): ২% কর।

* পরবর্তী ৫ কোটি পর্যন্ত (মোট ১১ কোটি): ৩% কর।

* ১১ কোটি টাকার বেশি সম্পদ: ৫% কর।

২. দূরবর্তী আত্মীয় (দাদা-দাদি, নানা-নানি, শ্বশুর-শাশুড়ি):

* ১ কোটি টাকা পর্যন্ত সম্পদ: ৩% কর।

* পরবর্তী ৫ কোটি পর্যন্ত (মোট ৬ কোটি): ৫% কর।

* পরবর্তী ৫ কোটি পর্যন্ত (মোট ১১ কোটি): ৭% কর।

* ১১ কোটি টাকার বেশি সম্পদ: ১০% কর।

অর্থনৈতিক প্রভাব:

কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই কর আইন বাস্তবায়ন করা গেলে বর্তমানের তুলনায় আয়কর আদায় ১ থেকে ৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এতে সরকারি কোষাগারে অতিরিক্ত ১৪ থেকে ৪২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব যোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জ:

বর্তমানে কেবল উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ব্যবসায়িক মুনাফার ওপর কর দেওয়ার বিধান রয়েছে। নতুন এই কর পদ্ধতিটি বাংলাদেশের সামাজিক ও ধর্মীয় প্রেক্ষাপটে বেশ স্পর্শকাতর হওয়ায় এর পূর্ণ বাস্তবায়ন নির্ভর করছে সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর। এনবিআর সূত্র মতে, বৈষম্য দূর করতে এবং অতি ধনীদের কাছ থেকে কর আদায় বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

゚viralシfypシ゚viralシalシ
゚viralシfypシ゚

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন,আমরা কর জরিপের একটা বড় প্রজেক্ট নিতে চাই।আমি আসার পর থেকেই এই চেষ্টাটা করছি,কিন্তু এখনো অগ্রগতি হ...
25/04/2026

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন,আমরা কর জরিপের একটা বড় প্রজেক্ট নিতে চাই।আমি আসার পর থেকেই এই চেষ্টাটা করছি,কিন্তু এখনো অগ্রগতি হয়নি।এই প্রজেক্টটা নিতে হবে।

সারা বাংলাদেশে আমাদের যদি ১০ বছরও লাগে, ফেজ ওয়াইজ আমরা সারা বাংলাদেশে একদম চিরুনী অভিযান দেবো। তারপরও আমাদের এই জরিপ কার্যক্রম কমপ্লিট করতে হবে।তিনি আরও বলেন,হোল্ডিং এর বাইরেও যেমন আমাদের ডেস্কো আছে, ডিপিডিসি আছে,যেখানে ইলেকট্রিক মিটার আছে। আমরা যেটা করবো ট্যাক্স রিটার্নের সঙ্গে এগুলোকে লিঙ্ক করবো।

যখন কেউ ট্যাক্স রিটার্ন সাবমিট করতে যাবে তখন দেখা যাবে যে উনাকে জানান দেয়া হবে আপনার নামে এতটা ইলেকট্রিক মিটার আছে। অমুক অমুক জায়গায় এই প্রপার্টিগুলো আছে। এগুলোকে যদি উনি ওনার ওয়েলথ না দেখান অথবা এই প্রপার্টিগুলোর ইনকাম না দেখান।তাহলে উনাকে এটার জন্য এক্সপ্লেইন করতে হবে। নাহলে উনি রিটার্ন সাবমিট করতে পারবে না।

অনলাইন কর নিয়ে আবদুর রহমান খান বলেন, যেহেতু আমরা অনলাইনে কর রিটার্ন শতভাগ কম্পালসারি করেছি। এটা খুবই সাকসেসফুল হয়েছে।আমাদের অলমোস্ট যারা ট্যাক্স রিটার্ন দেওয়ার সবাই রিটার্ন দিয়ে দিয়েছে। কিছু ট্যাক্স পেয়ার সময় চেয়েছেন। আমি গতকালকে দেখলাম ৫ হাজারের মত করছে প্রতিদিন। ফলে কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ কিন্তু কমে যাবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ব্যাংকিং সিস্টেমের সঙ্গে ইন্টিগ্রেট করছি। ট্যাক্স পেয়ার যখন রিটার্ন সাবমিট করবে তখন ওনাকে একটা অপশন দেবে। তাকে জিজ্ঞেস করা হবে- আপনার ব্যাংকের যে চারটা ইনফরমেশন লাগে রিটার্ন সাবমিট করার জন্য একটা হচ্ছে ক্লোজিং ব্যালেন্স কত, আরেকটা হচ্ছে মুনাফা কত পেলেন, মুনাফার মধ্যে কত ট্যাক্স কাটলো এবং ব্যাংক আপনাকে কত চার্জ করলো। আপনাকে জিজ্ঞেস করা হবে যে এই তথ্যগুলো কী আপনি অটোমেটিক্যালি ব্যাংক থেকে নিতে চান?

আপনি যদি ইয়েস বলেন, তাহলে আপনার ইনফরমেশন সব রিটার্নে চলে আসবে। প্রথমে আমরা ভলেন্টিয়ারি করবো, কারণ আপনার যদি ছয়টা-সাতটা ব্যাংক একাউন্ট থাকে। ছয়-সাত জায়গায় আপনার লোক পাঠানোর দরকার তো নাই। অনেক ব্যাংক আছে স্টেটমেন্টের জন্য আবার আপনাকে চার্জ করে। কোন দরকার নাই, আপনি ক্লিক করবেন আপনার সব তথ্য চলে আসবে। আমরা আবার তখন দেখবো কতজন নিজেরা এটা নিয়ে আসছে, আর কতজন আনে নাই। যারা আনে নাই স্বাভাবিকভাবে তাদের দিকে আমাদের চোখ একটু কিলবিল করবে। আমরা একটু ভালো করে দেখার জন্য ম্যাগনিফাইং গ্লাস লাগাবো। ওনাদেরটা বোঝার জন্য।

゚viralシfypシ゚viralシalシ
゚viralシfypシ゚

আসন্ন বাজেটকে কেন্দ্র করে একটি গুরুত্বপূর্ণ করনীতির আলোচনা সামনে এসেছে। প্রস্তাবিত এই আইনের আলোকে বলা হচ্ছে—কেউ যদি উত্ত...
24/04/2026

আসন্ন বাজেটকে কেন্দ্র করে একটি গুরুত্বপূর্ণ করনীতির আলোচনা সামনে এসেছে। প্রস্তাবিত এই আইনের আলোকে বলা হচ্ছে—কেউ যদি উত্তরাধিকারসূত্রে বাবার কাছ থেকে মাত্র এক টাকা মূল্যের সম্পদও লাভ করেন, তাহলেও সেই সম্পদের ওপর কর আরোপ হতে পারে।

এই আইন কার্যকর হলে, সমাজের প্রায় সকল সম্পদ-অধিকারী ব্যক্তি এর আওতায় আসবেন। অর্থাৎ, পথের ভিখারি ও সম্পূর্ণ বাস্তুহীন ব্যক্তি ছাড়া—যে কেউ যদি কোনো সম্পদের উত্তরাধিকারী হন, তাকে কর প্রদানের বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়তে হতে পারে।

এমনকি, কোনো ভিক্ষুক ব্যক্তি যদি তার পিতার কাছ থেকে অন্তত এক টাকার বেশি মূল্যের সম্পদও উত্তরাধিকার হিসেবে পান, তাহলেও তিনি এই কর থেকে অব্যাহতি পাবেন না—তাকেও নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কর প্রদান করতে হবে।

তবে উল্লেখ্য, এই বিষয়টি এখনো প্রস্তাবনা পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত আইন কার্যকর হওয়ার আগে এর শর্তাবলী, সীমা ও বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে আরও স্পষ্ট নির্দেশনা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

আসন্ন বাজেট ২০২৬-২০২৭ থেকে📢  ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ন্যূনতম কর ১% থেকে বাড়িয়ে ২.৫% করার প্রস্তাব — সুযোগ, ঝুঁকি ও আইনি বিশ্ল...
23/04/2026

আসন্ন বাজেট ২০২৬-২০২৭ থেকে

📢 ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ন্যূনতম কর ১% থেকে বাড়িয়ে ২.৫% করার প্রস্তাব — সুযোগ, ঝুঁকি ও আইনি বিশ্লেষণ!

সাম্প্রতিক আলোচনায় উঠে এসেছে যে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের উপর Turnover ভিত্তিক ন্যূনতম কর ১% থেকে বাড়িয়ে ২.৫% করার প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। অর্থাৎ, লাভ–লোকসান নির্বিশেষে বার্ষিক লেনদেনের উপর কর আরোপ করা হতে পারে। বিষয়টি আয়কর আইন, ২০২৩ এর কাঠামোর সাথে সংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তন।

🔎 প্রস্তাবের আইনি ভিত্তি
📌 আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ন্যূনতম কর (Minimum Tax) একটি স্বীকৃত ধারণা, যা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে Turnover/Receipts এর উপর আরোপ করা হয়।
📌 আইন অনুযায়ী, সরকার প্রয়োজন মনে করলে হার (Rate) পরিবর্তন বা পুনঃনির্ধারণ করতে পারে (Finance Act/বার্ষিক বাজেটের মাধ্যমে)।

📌 এর উদ্দেশ্য হলো—যেসব প্রতিষ্ঠান কৃত্রিমভাবে লাভ কম দেখায় বা লোকসান দেখিয়ে কর ফাঁকি দেয়, তাদেরকেও করের আওতায় আনা।

✅ ইতিবাচক দিক (Advantages):

✔️ রাজস্ব বৃদ্ধি (Revenue Growth): Turnover ভিত্তিক কর বাড়ালে সরকারের নিশ্চিত রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাবে।
✔️ কর ফাঁকি প্রতিরোধ: লাভ গোপন বা কৃত্রিম লোকসান দেখিয়ে কর এড়ানোর প্রবণতা কমবে।
✔️ কর ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা: সব ব্যবসা ন্যূনতম একটি নির্দিষ্ট কর দেবে—এতে Tax Compliance বাড়বে।
✔️ বড় প্রতিষ্ঠানের উপর প্রভাব: যেসব বড় কোম্পানি উচ্চ লেনদেন করেও কম কর দেয়, তাদের উপর ন্যায্য কর চাপ আসবে।
✔️ সহজ হিসাব ব্যবস্থা: Turnover ভিত্তিক কর নির্ধারণ তুলনামূলক সহজ—কম জটিল হিসাব।

❌ নেতিবাচক দিক (Disadvantages):

⚠️ লোকসানি ব্যবসায় চাপ: লাভ না হলেও কর দিতে হবে—যা ক্ষতিগ্রস্ত বা নতুন ব্যবসার জন্য বড় বোঝা।
⚠️ SME সেক্টরে প্রভাব: ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হতে পারে।
⚠️ Cash Flow সংকট: Turnover বেশি কিন্তু লাভ কম—এমন ব্যবসায় তারল্য সংকট (Liquidity Crisis) তৈরি হতে পারে।
⚠️ দ্বৈত করের অনুভূতি: একদিকে আয়ভিত্তিক কর, অন্যদিকে Turnover ভিত্তিক ন্যূনতম কর—ব্যবসায়ীদের কাছে এটি ডাবল ট্যাক্সেশন মনে হতে পারে।
⚠️ বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হওয়ার ঝুঁকি: উচ্চ ন্যূনতম কর নতুন বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করতে পারে।

⚖️ বাস্তব প্রভাব (Practical Implication):

🔸 ব্যবসায়ীদের Tax Planning নতুনভাবে সাজাতে হবে 🔸 উচ্চ লেনদেন কিন্তু কম মার্জিন ব্যবসাগুলো সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে 🔸 কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও অডিটের গুরুত্ব বাড়বে

💬 মন্তব্য (Expert Opinion) ন্যূনতম কর বৃদ্ধি সম্পূর্ণভাবে নেতিবাচক নয়, তবে একই হার সব ধরনের ব্যবসার জন্য প্রযোজ্য করা বাস্তবসম্মত নাও হতে পারে। 👉 খাতভিত্তিক (Sector-wise) বা আকারভিত্তিক (SME vs Large) হার নির্ধারণ করলে ভারসাম্য আসতে পারে। 👉 নতুন বা ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য রেয়াত/ছাড় (Threshold/Relief) রাখা প্রয়োজন।

📌 শেষ কথা:
ন্যূনতম কর ২.৫% করার প্রস্তাবটি একদিকে রাজস্ব বৃদ্ধি ও কর শৃঙ্খলা আনতে সহায়ক হতে পারে, অন্যদিকে ব্যবসার বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা না করলে এটি উদ্যোক্তা পরিবেশের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তাই একটি সুষম ও বাস্তবমুখী নীতি গ্রহণই হবে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।

✍️ আপনার মতামত কী? এটি ব্যবসার জন্য সহায়ক হবে, নাকি চাপ বাড়াবে?

📢 সচেতন হোন, ঝামেলা এড়ান।

📢 কর ফাঁকির ভয়াবহ ১০টি কৌশল | এনবিআর-এর চোখে বাস্তব চিত্র (আইনি সতর্কতাসহ)কর ফাঁকি এখন শুধু ছোটখাটো বিষয় নয়—এটি একটি সুস...
22/04/2026

📢 কর ফাঁকির ভয়াবহ ১০টি কৌশল | এনবিআর-এর চোখে বাস্তব চিত্র (আইনি সতর্কতাসহ)

কর ফাঁকি এখন শুধু ছোটখাটো বিষয় নয়—এটি একটি সুসংগঠিত অপরাধে রূপ নিয়েছে, যা দেশের রাজস্ব ব্যবস্থাকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলছে। এনবিআর-এর বিভিন্ন অনুসন্ধানে উঠে এসেছে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য—

নিচে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১০টি কর ফাঁকির কৌশল ও আইনি সতর্কতা তুলে ধরা হলো👇

🔴 ১. সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য গোপন
কোটি টাকার জমি দলিলে কম দেখানো—এটি সরাসরি অপ্রদর্শিত আয় হিসেবে গণ্য হতে পারে।
📌 আইনি ভিত্তি: আয়কর আইন, ২০২৩ (ধারা ১৭৫)

🔴 ২. ভুয়া ভ্যাট চালান ব্যবহার
বাস্তবে লেনদেন না করেও ভ্যাট রেয়াত নেওয়া—গুরুতর অপরাধ।
📌 VAT আইন, ২০১২ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য

🔴 ৩. আয় কম দেখানো
আসল আয়ের চেয়ে কম দেখিয়ে কর কম দেওয়া।
📌 জরিমানা + কর পুনঃনির্ধারণ

🔴 ৪. ব্যক্তিগত খরচ ব্যবসার খরচ দেখানো
গাড়ি, ভ্রমণ, পারিবারিক খরচ কোম্পানির খরচ হিসেবে দেখানো।
🔴 ৫. বিদেশে অর্থ পাচার (Offshore)
দেশের টাকা বাইরে নিয়ে গিয়ে কর ফাঁকি + মানি লন্ডারিং অপরাধ।

🔴 ৬. ভুয়া দান বা ঋণ দেখানো
কাগজে কাল্পনিক টাকা দেখিয়ে আয় লুকানো।

🔴 ৭. বেনামী সম্পদ
নিজের সম্পদ অন্যের নামে রাখা—তদন্তে ধরা পড়লে সব দায় নিজের।

🔴 ৮. আমদানিতে কম ইনভয়েস
পণ্যের দাম কম দেখিয়ে কাস্টমস ফাঁকি দেওয়া।

🔴 ৯. লাইসেন্স/NOC তথ্য গোপন
অনুমোদনের তথ্য লুকিয়ে কর সুবিধা নেওয়া।

🔴 ১০. TIN থাকলেও রিটার্ন না দেওয়া
বড় লেনদেন করেও রিটার্ন না দিলে জরিমানা নিশ্চিত।

⚖️ আইনি বার্তা:
আয়কর আইন, ২০২৩ ও ভ্যাট আইন অনুযায়ী এসব কাজ শুধু কর ফাঁকি নয়—এটি জরিমানা, অডিট, সম্পদ জব্দ এমনকি ফৌজদারি মামলার কারণ হতে পারে।

📌 শেষ কথা:
কর ফাঁকি সাময়িক লাভ দিলেও ভবিষ্যতে এটি বড় বিপদের কারণ হয়। সঠিক কর প্রদানই নিরাপদ ও TaxLawBD # যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর ফাঁকি দিয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর.....

📢 সচেতন হোন, ঝামেলা এড়ান।

বাজেট ২০২৬-২০২৭📢 ট্রেড লাইসেন্স নবায়নে বাধ্যতামূলক VAT Registration/BIN নিবন্ধন: ইতিবাচক-নেতিবাচক দিক! সম্প্রতি প্রস্তাব...
21/04/2026

বাজেট ২০২৬-২০২৭

📢 ট্রেড লাইসেন্স নবায়নে বাধ্যতামূলক VAT Registration/BIN নিবন্ধন: ইতিবাচক-নেতিবাচক দিক!

সম্প্রতি প্রস্তাবিত বাজেটে ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সঙ্গে ভ্যাট নিবন্ধন (VAT Registration/BIN) বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ব্যবসায়িক পরিবেশে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। নিচে এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক আইনি ভিত্তিসহ তুলে ধরা হলো—

✅ ইতিবাচক দিক (Advantages)

🔹 ১. করের আওতা বৃদ্ধি (Broadening Tax Net):

➡️ অনেক অনিবন্ধিত ব্যবসা ভ্যাটের আওতায় আসবে

📜 আইনি ভিত্তি: ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৪ ও ৮ অনুযায়ী নির্ধারিত টার্নওভারের বেশি হলে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।

🔹 ২. রাজস্ব বৃদ্ধি (Revenue Growth):

➡️ সরকার নিয়মিত ভ্যাট সংগ্রহ করতে পারবে

📜 আইনি ভিত্তি: ধারা ১৫ ও ৩১ অনুযায়ী সরবরাহের উপর ভ্যাট আরোপ ও আদায়।

🔹 ৩. ব্যবসার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি (Transparency):

➡️ ব্যাংকিং, হিসাবরক্ষণ ও লেনদেনে স্বচ্ছতা আসবে

📜 আইনি ভিত্তি: ধারা ৪৭ ও ৫০ – হিসাব সংরক্ষণ ও রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক।

🔹 ৪. ডিজিটাল ট্র্যাকিং সহজ হবে:

➡️ BIN এর মাধ্যমে ব্যবসার কার্যক্রম সহজে মনিটরিং

📜 আইনি ভিত্তি: NBR-এর অনলাইন সিস্টেম (VAT Online Project)

🔹 ৫. বৈধ ব্যবসার স্বীকৃতি বৃদ্ধি:

➡️ লাইসেন্স + BIN থাকলে ব্যবসার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে
➡️ ব্যাংক লোন, টেন্ডার ইত্যাদিতে সুবিধা

❌ ‌‌নেতিবাচক দিক (Challenges / Risks):

🔻 ১. ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ বৃদ্ধি
➡️ ছোট দোকান/ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য অতিরিক্ত জটিলতা
📜 আইনি বাস্তবতা: যদিও টার্নওভার সীমার নিচে থাকলে বাধ্যতামূলক নয়, বাস্তবে প্রয়োগে সমস্যা হতে পারে।

🔻 ২. কমপ্লায়েন্স খরচ বৃদ্ধি (Compliance Cost)

➡️ হিসাবরক্ষক, রিটার্ন, সফটওয়্যার—সব মিলিয়ে খরচ বাড়বে
📜 আইনি ভিত্তি: ধারা ৬৪ – রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হলে জরিমানা।

🔻 ৩. জটিলতা ও হয়রানির ঝুঁকি:

➡️ সঠিক জ্ঞান না থাকলে ভুল রিটার্ন → জরিমানা/নোটিশ
📜 আইনি ভিত্তি: ধারা ৮৫-৮৭ – অপরাধ ও দণ্ড (জরিমানা/শাস্তি):

🔻 ৪. কর ফাঁকির নতুন কৌশল তৈরি হতে পারে:

➡️ কাগজে-কলমে নিবন্ধন, কিন্তু বাস্তবে লেনদেন গোপন

🔻 ৫. ট্রেড লাইসেন্স প্রক্রিয়া ধীর হতে পারে:
➡️ নতুন শর্ত যোগ হওয়ায় নবায়ন প্রক্রিয়ায় দেরি

🔻 ৬.ব্যাপক দুর্নীতি বৃদ্ধি পাবে:
ক্ষুদ্র ব্যবসায়িদের মাসিক ভ্যাট রিটার্ন দাখিল ও নতুন VIN করতে দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

⚖️ গুরুত্বপূর্ণ আইনি বিবেচনা
📌 ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার আগে টার্নওভার থ্রেশহোল্ড পরিষ্কার করতে হবে
📌 ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য Turnover Tax (ধারা ৪০) অপশন রাখা জরুরি
📌 NBR ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে ডাটা সমন্বয় থাকতে হবে
📌 সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ ছাড়া এটি কার্যকর করা কঠিন

🔎 শেষ কথা:
ট্রেড লাইসেন্সের সঙ্গে ভ্যাট নিবন্ধন যুক্ত করা একটি রাজস্ব-বান্ধব ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধির উদ্যোগ, তবে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হলে এটি ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজ কমপ্লায়েন্স সিস্টেম নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

✍️ আপনার মতামত কী? এটি ব্যবসার জন্য সহায়ক হবে, নাকি চাপ বাড়াবে?

📢 সচেতন হোন, ঝামেলা এড়ান।

Address

13/5, T. N. Roy Road
Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Datta Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category