Adv S.R Pavel

Adv S.R Pavel Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Adv S.R Pavel, Lawyer & Law Firm, Bhaluka, Mymensingh.

⚖️ Advocate | Legal Services & Legal solution /Advice
🏛️ Litigator specializing in Criminal & Civil Advocacy.
💼 Providing sharp, strategic counsel and dedicated courtroom representation to protect your rights.
📩 Contact for consultations & legal advice

06/08/2026

✅ Evidence Act, 1872 U/S (ধারা) ১১৫: এস্টোপেল (Estoppel)

​আইন শিক্ষার্থীর পড়াশোনা আরও সহজ করতে 'এস্টোপেল' নীতিটির সহজ-সরল উপস্থাপন নিচে দেওয়া হলো—

​📜 মূল আইন (Original Provision):

​"When one person has, by his declaration, act or omission, intentionally caused or permitted another person to believe a thing to be true and to act upon such belief, neither he nor his representative shall be allowed, in any suit or proceeding between himself and such person or his representative, to deny the truth of that thing."

সহজ বাংলায় অর্থ:

যদি কোনো ব্যক্তি তার বক্তব্য, কাজ অথবা কোনো কিছু না করার মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য একজন মানুষকে কোনো বিষয়ে সত্য বলে বিশ্বাস করতে বাধ্য করেন এবং সে বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে ওই ব্যক্তি কাজ করেন—তাহলে পরবর্তীতে আদালতে তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ দেখা দিলে, পূর্বের সেই বিষয়টির সত্যতা প্রথম ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি অস্বীকার করতে পারবেন না।

​📌 মূল পয়েন্ট ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা:

​মূল নীতি: কেউ নিজের আচরণ বা বক্তব্যের মাধ্যমে অন্যকে কোনো বিষয়ে বিশ্বাস করাল এবং অন্য ব্যক্তি সেটার ওপর নির্ভর করল—পরবর্তীতে সেই ব্যক্তি নিজের আগের কথার বিরোধিতা করতে পারবে না।
​প্রয়োজনীয় ৪টি উপাদান:
১. কারও বক্তব্য/কাজ/নীরবতা
২. অন্যের মধ্যে বিশ্বাস সৃষ্টি
৩. সে বিশ্বাসে নির্ভর করে কাজ করা
৪. পরবর্তীতে সত্যতা অস্বীকার করা
​উদ্দেশ্য: কাজ বা আচরণ অবশ্যই ইচ্ছাকৃত হতে হবে।
​লক্ষ্য: ন্যায়বিচার রক্ষা করা, যাতে কেউ নিজের আচরণের সুযোগ নিয়ে অন্যের ক্ষতি করতে না পারে।

​সহজ উদাহরণ:

ধরা যাক, A বানিয়ে বলল যে একটি জমি তার। B এই কথায় বিশ্বাস করে জমিটি কিনে মূল্য পরিশোধ করল। পরবর্তীতে A সত্যি সত্যিই জমিটির প্রকৃত মালিক হয়ে গেল! কিন্তু এবার A দাবি করল—"আমি যখন বিক্রি করেছিলাম তখন তো আমার কোনো মালিকানাই ছিল না, তাই বিক্রি বাতিল!"

​ আইনের সিদ্ধান্ত: আদালত A-কে এই কথা প্রমাণ করতে দেবে না। কারণ সে আগে ইচ্ছাকৃতভাবে B-কে বিশ্বাস করিয়ে লেনদেন সম্পন্ন করেছিল।

ধন্যবাদ :-
অ্যাডভোকেট সাদিকুর রহমান পাভেল
এলএল.বি(অনার্স), এল.এল.এম
জজ কোর্ট ময়মনসিংহ।

06/08/2026

🔳 Section 34 (Common Intention) vs Section 149 (Common Object) :-

​আইন শিক্ষার্থীদের জন্য পেনাল কোডের অন্যতম দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারার সহজ ও গোছানো নোট!

​✅DEFINE (সংজ্ঞা)
​Section 34 (Common Intention): যখন দুই বা ততধিক ব্যক্তি একটি অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে মানসিক ঐক্য (common intention) পোষণ করে, তখন তাদের মধ্যে যে কেউ যদি অপরাধ সংঘটিত করে, সাহায্য করে বা উপস্থিত থাকে, তবে অন্য সবাইকেও সে অপরাধের জন্য সমানভাবে দায়ী করা হবে।

​Section 149 (Common Object): যখন ৫ বা ততধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একটি unlawful assembly গঠন করে এবং সেই assembly-এর common object বাস্তবায়নে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়, তখন সেই assembly-এর প্রত্যেক সদস্যই সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে (সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকুক বা না থাকুক)।

✅APPLY (প্রয়োগ)

🟤​Section 34:
🔹​দুই বা ততধিক ব্যক্তি।
🔹​অপরাধ সংঘটনের জন্য মানসিক ঐক্য (mental unity) থাকতে হবে।
🔹​Pre-arranged plan থাকতে পারে বা ঘটনাস্থলে হঠাৎ তৈরি হতে পারে।(পূর্বপরিকল্পিত হবে)

🟤​Section 149:
🔹​কমপক্ষে ৫ জন ব্যক্তি।
🔹​Unlawful Assembly গঠন করতে হবে।
🔹​Assembly-এর common object থাকতে হবে।
🔹​মানসিক ঐক্য প্রমাণ করার দরকার নেই।

✅WRITE ANALYSIS (বিশ্লেষণ)

🟤​Section 34:
🔹​মূল বিষয়: মানসিক ঐক্য।
🔹​অপরাধের আগে (pre-arranged) বা ঘটনাস্থলে (on the spot) তৈরি হতে পারে।
🔹​অপরাধ করলে, সাহায্য করলে বা উপস্থিত থাকলে সবাই দায়ী হবে।
🔹​Individual act হলেও collective liability নিশ্চিত হয়।

🟤​Section 149:
🔹​মূল বিষয়: Assembly-এর common object।
🔹​Active participation দরকার নেই।
🔹​Assembly-এর উদ্দেশ্য অনুযায়ী অপরাধ হলে সবাই দায়ী।
🔹​Individual role প্রমাণ না হলেও দায়ী হওয়া যায়।

✅​SUPPORT (আইনি দৃষ্টান্ত / Case Law)

🔷​Section 34 Case Laws:
​Barendra Kumar Ghosh v. King Emperor (1925) 21 Cr. L.J. 631 (PC)
👉 "They also serve who only stand and wait." (পোস্ট অফিস ডাকাতি মামলা)

🔷​Section 149 Case Laws:
​Lalji v. State of U.P. (1989) 2 SCC 437
👉 Active participation দরকার নেই, শুধু assembly-এর common object যথেষ্ট।

✅​CONCLUSION (উপসংহার)

​Section 34 ➔ Common Intention: মানসিক ঐক্য দরকার, ২ বা ততধিক ব্যক্তি।
​Section 149 ➔ Common Object: শুধুমাত্র unlawful assembly-এর উদ্দেশ্যই যথেষ্ট, ৫ বা ততধিক ব্যক্তি।
​👉 দুটোতেই collective liability নিশ্চিত হয়, তবে প্রমাণের ধরন আলাদা।

ধন্যবাদ:-

অ্যাডভোকেট সাদিকুর রহমান পাভেল
জজ কোর্ট, ময়মনসিংহ

06/08/2026

সমাজে একটি বহুল প্রচলিত ভুল ধারণা আছে—"আইনজীবীরা মিথ্যা কথা বলে পেটের ভাত জোগায় এবং তাদের আয় হারাম।" কিন্তু গভীরভাবে আইনি প্রক্রিয়া ও বাস্তবতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল এবং বিচার ব্যবস্থার সাধারণ নিয়ম না জানার ফল।

​১. আইনজীবী কোনো তদন্তকারী কর্মকর্তা নন:
একজন আইনজীবী কেডি পাঠকের (C.I.D) মতো গোয়েন্দা নন যে তিনি মক্কেলের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তদন্ত করবেন। একজন অপরিচিত মক্কেল যখন আইনজীবীর কাছে আসে, আইনজীবী তার ওপর ভিত্তি করেই 'ড্রাফট' তৈরি করেন। মক্কেল যদি দাবি করে সে মার খেয়েছে এবং আদালতের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস (যেমন: মেডিকেল সার্টিফিকেট বা প্রেসক্রিপশন) নিয়ে আসে, তখন আইনজীবীর কাজ সেই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আইনি লড়াই চালানো।

​২. জাল নথি বা অসৎ তদন্তের দায় কার?
একজন খারাপ লোক যদি ঘুষ দিয়ে ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট তৈরি করে আনে কিংবা কোনো অসৎ পুলিশ অফিসারের সাথে যোগসাজশ করে তদন্ত রিপোর্ট নিজের পক্ষে নিয়ে আসে—তাতে আইনজীবীর কোনো হাত নেই। আদালত যখন পুলিশি তদন্ত বা অ্যাভিডেন্সের ওপর ভিত্তি করে রায় দেন, সেখানে আইনজীবী কেবল একটি আইনি মাধ্যম। আইনজীবী যদি আগে থেকে না জানেন যে মক্কেল মিথ্যা বলছে, তবে তাঁর আয় সম্পূর্ণ হালাল ও ন্যায্য।

​৩. বিচার ব্যবস্থার জটিলতা ও বিবাদীর দায়িত্ব:
আইনে সত্যতা প্রমাণের দায়িত্ব অপরপক্ষের (বিবাদী বা আসামিপক্ষের) আইনজীবীর ওপরও বর্তায়। বাদীপক্ষ মিথ্যা মামলা সাজালে বিবাদীর আইনজীবী যদি নারাজি আবেদন, ভিন্ন সংস্থাকে দিয়ে পুনঃতদন্ত কিংবা সঠিক প্রমাণ পেশ করতে না পারেন, তবে সেটা সেই আইনজীবীর অজ্ঞতা বা ব্যর্থতা। আসল অপরাধী বা মিথ্যাবাদীকে ধরে দেওয়ার দায়িত্ব বিচার ব্যবস্থার প্রমাণের ওপর নির্ভর করে।

​৪. ঘুষ ও কোর্টের সিস্টেমের দায় আইনজীবীর নয়:
আইনজীবীরা তাদের ড্রাফটিং ও শুনানির নির্দিষ্ট ফি ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করেন না। জুনিয়র বা মুহুরির পারিশ্রমিক আলাদা এবং তা স্বচ্ছ। কিন্তু আদালতের কোনো পেশকার, কর্মচারী বা অফিশিয়ালরা যদি নথি দেওয়া বা সইয়ের জন্য মক্কেলের থেকে ঘুষ দাবি করে, সেই অসাধু সিস্টেমের দায় কোনোভাবেই আইনজীবীর ওপর চাপানো যায় না।

​৫. আমাদের সমাজে মামলার আসল রূপ:
আমাদের দেশে বাদী-বিবাদী উভয়পক্ষই মিথ্যাচারের আশ্রয় নেয়।
​সামান্য কথাকাটাকাটিতে মারামারি হলে বাদী মামলার এজাহারে বিবাদীর পুরো চৌদ্দগোষ্ঠীর নাম ঢুকিয়ে দেয়।
​১ লাখ টাকা আত্মসাৎ হলে মামলায় দাবি করা হয় ৫ লাখ টাকা।
​সাধারণ মারামারির সাথে যুক্ত করে দেওয়া হয় "বাড়ির স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুটপাটের" ভুয়া অভিযোগ।
পেশাদার মামলাবাজরা কখনো এক আইনজীবীর কাছে বারবার যায় না, তারা বারবার আইনজীবী বদলায় এবং নিজেদের ইনোসেন্ট বা নির্দোষ সাজিয়ে পেশ করে।

​৬. জামিন পাওয়া সাংবিধানিক অধিকার:
আদালত কোনো সিনেমা নয় যেখানে মক্কেল এসে সোজা বলবে "আমি খুন করেছি, বাঁচান।" সংবিধানে ও আইনে অপরাধীরও জামিন চাওয়ার ও আইনি সহায়তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। অসুস্থতা বা বয়সের অজুহাতে মেডিকেল সার্টিফিকেট আনা মক্কেলের পরিবারের কাজ, আইনজীবীর কাজ সেই কাগজ আদালতে উপস্থাপন করা।
​তাহলে আসল সমস্যাটা কোথায়?

আইনজীবীদের আয় হারাম নয় এবং তারা সবাই মিথ্যাবাদী নন। মূল সমস্যা হলো পেশাগত আইনি ফি (Legal Fees)। জটিল আইনি ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে মামলা দীর্ঘায়িত হওয়া এবং উচ্চ আইনি ফি-র কারণে সাধারণ মানুষ যখন সর্বস্বান্ত হয়, তখন ক্ষোভ গিয়ে পড়ে পুরো আইনজীবী সমাজের ওপর।

​পেশায় ভালো-খারাপ সব জায়গায় থাকে। তাই ঢালাওভাবে আইন পেশাকে দোষ না দিয়ে, বিচার ব্যবস্থার অসৎ লুপহোল এবং মিথ্যা মামলাবাজদের চিহ্নিত করাই আসল সমাধান।

05/08/2026

#বিভাগীয়_কমিশনার সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা:-

বিভাগীয় কমিশনার পদটি সৃষ্টি হয় ১৮২৯ সালে। ঐ সময় অনুভূত হয় যে, বিভাগীয় রাজস্ব প্রশাসনে কোনো কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। এছাড়া বিচারব্যবস্থা ও রাজস্ব পদ্ধতির কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং তত্ত্বাবধানেরও অভাব পরিলক্ষিত হয়। এরকম পরিস্থিতি থেকেই পরবর্তীকালে রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্ত করে তার পরিবর্তে কমিশনারের পদ সৃষ্টি করা হয়।

বিভাগীয় কমিশনার বাংলাদেশের আমলা তান্ত্রিক কাঠামোতে বিভাগের মুখ্য আমলা ও রাজস্ব কর্মকর্তা। তিনি তার অধিক্ষেত্রের সকল জেলা প্রশাসকের রাজস্ব, উন্নয়ন ও প্রশাসনসংক্রান্ত কাজের তদারকি করেন। বাংলাদেশের পদমর্যাদা ক্রম অনুযায়ী কমিশনারের পদক্রম ২১ নম্বরে অবস্থিত। মাঠ প্রশাসনে পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন যুগ্মসচিব বা অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের সাধারণত বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রদান করা হয়।

জেলা প্রশাসকদের কাজ তদারক, পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা বিভাগীয় কমিশনারের প্রধান কর্তব্য। কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যাবলি বিভাগীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিভাগীয় কমিশনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বিভাগীয় কমিশনারের সভাপতিত্বে বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতি মাসে টাস্ক ফোর্স সভা, বিভাগীয় আইনশৃঙ্খলা সভা, বিভাগীয় রাজস্ব সম্মেলন, বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভা এবং ত্রৈমাসিকভাবে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাগণের সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় কমিশনার পদাধিকার বলে বিভাগীয় নির্বাচনি বোর্ডের সভাপতি। এ বোর্ড তাঁর কার্যালয়, ডিআইজির কার্যালয়, পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়, বিভাগাধীন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তৃতীয় এবং ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করেন। তিনি নিয়মিতভাবে বিভাগাধীন সকল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পরিদর্শন করেন। বিভাগীয় কমিশনার বিভাগীয় পর্যায়ের প্রটোকল প্রধান। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে তিনি প্রধান প্রটোকল অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন। বিভাগীয় কমিশনার রাজস্ব মামলা, নামজারি মামলা ও জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনসংক্রান্ত গঠিত আপিলেট কর্তৃপক্ষ। এ সংক্রান্ত আপীল তিনি নিষ্পত্তি করেন।

বিভাগীয় কমিশনার বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা ছাড়াও যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্তকার্য পরিচালনা করে থাকেন। বিভাগীয় কমিশনার তাঁর বিভাগাধীন সকল জেলা এবং উপজেলায় সহকারী কমিশনার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের বদলি এবং পদায়ন করেন। তাছাড়া, ভূমি অফিসে কর্মরত ভূমি উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা, কানুনগো, সার্ভেয়ারদের বিভাগাধীন আন্তঃজেলা বদলি করেন।

বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের কার্যাবলি সমন্বয় সাধন বিভাগীয় কমিশনারের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। এ ছাড়া বিভাগীয় কমিশনার বিভাগাধীন জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সহ তার দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের কার্যক্রম তদারকি করেন, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং এ সংক্রান্ত অগ্রগতি, মূল্যায়ন সময়ে সময়ে সরকারকে অবহিত করেন।

 #জেলা_ডিসি_অফিস সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা:- ব্রিটিশ শাসিত ভারতে ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস কর্তৃক প্রথম জেলা কালেক্টরের পদ...
05/08/2026

#জেলা_ডিসি_অফিস সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা:-

ব্রিটিশ শাসিত ভারতে ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস কর্তৃক প্রথম জেলা কালেক্টরের পদ সৃষ্টি করা হয়। ব্রিটিশ আমলে প্রথম সৃষ্ট পদটির নাম ছিল ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর। এজন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়কে আজও ঐতিহ্যগতভাবে কালেক্টরেট হিসেবে অভিহিত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার ক্ষমতা অর্পণ করা হয় ও ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট নামে আরেকটি পদ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পাকিস্তান আমলে District Magistrate বা Collector-এর জন্য আরেকটি পদ সৃষ্টি করা হয় জেলার উন্নয়ন কর্মসমূহের সমন্বয় সাধনের জন্য, যার নাম ডেপুটি কমিশনার। ডেপুটি কমিশনার পদ সৃজনের দ্বারা আগের ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর এবং ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট পদ বিলুপ্ত করা হয়নি বা উক্ত পদের জন্য অন্য কাউকে নিয়োগ প্রদান করা হয়নি।

২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ হলে ফৌজদারি কার্যবিধি পরিবর্তন সাধন করে জেলা প্রশাসক হতে বিচারিক ক্ষমতা পৃথক করে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদ সৃষ্টি করা হয়। জেলা প্রশাসক বা ডিসি বাংলাদেশের জেলার মুখ্য আমলা ও ভূমি রাজস্ব কর্মকর্তা। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ক্যাডারের (যা বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভসার্ভিস নামে পরিচিত) গ্রেড-৫ এর সদস্য ও সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ আমলা। তিনি একই সাথে ডেপুটি কমিশনার, জেলা কালেক্টর ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। ফলে তিনি ভূমি ব্যবস্থা পরিচালনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমন্বয় সাধন এবং সাধারণ ও স্থানীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে কাজ করেন।

জেলা প্রশাসক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন প্রতিনিধি। তিনি তার কাজের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের নিকট জবাবদিহি করেন। জেলাতে সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি তিনিও রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগের অনুমতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। জেলা প্রশাসক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীন মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশ ও তত্ত্বাবধানে কাজ করেন। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ক্যাডার হতে পদোন্নতিপ্রাপ্ত সরকারের উপসচিবগণের মধ্য হতে জেলা প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুসারে উপসচিবের পদক্রম ২৫ হলেও জেলা প্রশাসকের পদমর্যাদার ক্রম ২৪। ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর বা ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের সামগ্রিক কাজের ক্ষেত্রে একক বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে জেলা প্রশাসকের ব্যবহার প্রায়োগিক ক্ষেত্রে প্রচলিত।

জেলা প্রশাসক জেলার মুখ্য প্রটোকল অফিসার হিসেবে জেলাতে সফরকারী গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের প্রটোকল দেবার দায়িত্ব পালন করেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি। ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ হলে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ সংশোধন করে জেলা প্রশাসকের সকল প্রকার বিচারিক ক্ষমতা বৃহৎ কলেবরে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে অর্পণ করা হয়। এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ানের গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ানের গুরুত্ব রয়েছে। এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ানের গুরুত্ব সর্বাধিক।

05/08/2026
05/08/2026
05/08/2026
05/08/2026

ভূমি মন্ত্রণালয় হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের একটি মন্ত্রণালয় যেটি যুগোপযোগী পরিকল্পনা ও নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশের ভূমি ও এ মন্ত্রণালয়ের অধীন অন্যান্য বিষয়ের সুষ্ঠু ও সর্বোত্তম ব্যবহার সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করে থাকে। এ লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইতোমধ্যে ভূমি ব্যবহার নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। ভূমিসংক্রান্ত যাবতীয় সেবা জনগণের নিকটে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমানে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, ভূমি সংস্কার বোর্ড, ভূমি আপীল বোর্ড, ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং হিসাব নিয়ন্ত্রক (রাজস্ব) দপ্তর ভূমি মন্ত্রণালয় এর অধীনে কাজ করে থাকে। এছাড়া বিভাগীয় পর্যায়ে কমিশনার, জেলা পর্যায়ে কালেক্টর (জেলা প্রশাসক), উপজেলা পর্যায়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি), ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদারগণ) ভূমিসংক্রান্ত সেবা প্রদানে নিয়োজিত রয়েছে। ভূমি উন্নয়ন কর ও রাজস্ব আদায়, খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত, জলমহাল ব্যবস্থাপনা, ভূমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল, ভূমি রেকর্ড প্রস্তুতকরণ ও জরিপকরণ এবং ভূমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইত্যাদি বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয় কাজ করে থাকে। এছাড়া ব্যাংকের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়, জনস্বার্থে ভূমি আইন ও বিধি প্রণয়ন ইত্যাদি সংস্কারমূলক কার্যক্রম এবং ভূমিহীন ছিন্নমূল জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন, ভূমি জোনিং কার্যক্রম, চর ডেভেলপমেন্ট এন্ড সেটেলমেন্ট প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বন্দোবস্ত প্রদান, উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ ও মেরামত, ভূমি রেকর্ড আধুনিকীকরণ তথা জনসাধারণকে স্বল্পতম সময়ে ভূমিসংক্রান্ত সেবা প্রদান ইত্যাদি উন্নয়নমূলক কার্যাদি ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক সম্পাদিত হয়ে থাকে।

30/07/2026

‎আরজিতে Cause of Action স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে এবং বাদীর আইনগত চরিত্র বা স্বত্বাধিকার কোন আইনের বলে অর্জিত হয়েছে তা না দেখালে, শুধু ঘোষণামূলক প্রতিকার চেয়ে দায়েরকৃত আরজি আদালতের সহজাত ক্ষমতায় খারিজযোগ্য।
‎[17 BLT (AD) 164= 21 BLD (AD) 32 = 53 DLR (AD) 62, ]

Address

Bhaluka
Mymensingh
2240

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv S.R Pavel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share