Ornate

Ornate Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ornate, Legal Service, Mymensingh.

বাংগালী হলো আবেগী জাতি। এরা সবকিছু আবেগ দিয়ে বিচার করতে চায়। রাজনীতি, বিচারকাজ, আইন এসব আবেগ দিয়ে চলে না, এটা এদেরকে কে ...
17/11/2020

বাংগালী হলো আবেগী জাতি। এরা সবকিছু আবেগ দিয়ে বিচার করতে চায়। রাজনীতি, বিচারকাজ, আইন এসব আবেগ দিয়ে চলে না, এটা এদেরকে কে বোঝাবে? ফেসবুকের মাধ্যমে এরা যাবতীয় বিচার করে রায় দিয়ে দেয়। বিচার করা যদি এতোই সহজ কাজ হতো তাহলে কষ্ট করে কেউ আইনের উপর এতো বড় বড় ডিগ্রি নিতো না।
ধর্ষকের পক্ষে, কোন খুনীর পক্ষে কোন আইনজীবী মামলা গ্রহণ করলে পাবলিক তাকে সহ ধর্ষক, খুনী বানিয়ে ফেলে। ফেসবুকে ছবি আপলোড করে গালিগালাজ করে।

প্রথমত,একজন আইনজীবী কোন মামলা গ্রহণ করতে বাধ্য নয়। আবার সে তার ইচ্ছেমতো মামলা গ্রহণ করতে পারে। এতে কারো কিছু বলার নেই। একজন খুনী বা ধর্ষক এর পক্ষেও সে মামলা গ্রহণ করতে পারে। দি বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার এবং রুলস,১৯৭২ এর ২য় অধ্যায় এর ৯ বিধি অনুযায়ী অপরাধীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করা একজন আইনজীবীর অধিকার। এই বিধির উদ্দেশ্য অপরাধীকে সহায়তা করা নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। অভিযুক্ত হলেই কেউ অপরাধী হয়ে যায় না। বিচারে সন্দেহাতীতভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তবেই সে অপরাধী হয়। ফেসবুকে কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার অধিকার আমাদের নেই। অপরাধের বিচার করার দায়িত্ব আদালতের।

দ্বিতীয়ত, আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করা প্রত্যেক অভিযুক্ত ব্যাক্তির আইনগত অধিকার। বাংলাদেশে সংবিধানের ৩৩(১) অনুচ্ছেদ প্রত্যেক অভিযুক্ত ব্যক্তিকে এই অধিকার দিয়েছে। কাজেই কারো যদি মনে হয়, একজন খুনী বা ধর্ষকের পক্ষে কোন আইনজীবীর মামলা পরিচালনা করা উচিত নয়, তারা ফেসবুকে চিল্লাচিল্লি না করে হাইকোর্ট এ যান। সংবিধান সংশোধনের মামলা করুন।আইনজীবীদের গালাগালি করবেন না।

তৃতীয়ত, কোন বার এসোসিয়েশন যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে, কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির পক্ষে ঐ বারের কোন আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না,এতে আবেগে আপ্লুত হয়ে আমরা প্রশংসায় ভাসি। কিন্তু এটা সুস্পষ্টভাবে আইনজীবীদের পেশাগত আচরণবিধি এবং বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘন।

আবেগে আপ্লুত হয়ে সংবিধানের বিরুদ্ধে কথা বলার মতো ধৃষ্টতা দেখানো জাতি সম্ভবত দুনিয়াতে একটাই আছে।

অনেকেই বলবেন, আইনজীবীরা দিনকে রাত বানিয়ে ফেলে। অপরাধীকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্যে মিথ্যা বলে। একবার চোখ বন্ধ করে ভেবে দেখুন, আজকে কেউ আপনার নামে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা অথবা হত্যা মামলা করলো, কালকের মাঝে আপনার এবং আপনার পরিবারের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হলো, আপনি দোষী নাকি নির্দোষ সেটা অনেক পরের ব্যাপার, অনেক সময় লাগবে সেটা প্রমাণ হতে, আপনি মামলা করতে গেলেন, কেউ আপনার হয়ে মামলা পরিচালনা করছে না, আপনার সামাজিক মর্যাদা, পরিবারের নিরাপত্তা সব শেষ.........কি? চোখেমুখে অন্ধকার দেখছেন?

সব আইনজীবী না হয় ভালো না, এমন একটা প্রফেশন দেখান, যে প্রফেশনে সবাই সততার সাথে কাজ করে? যারা ফেসবুকে আইনজীবীদের গালিগালাজ করছেন, তাদেরকে যদি বলা হয়, ১০ লাখ টাকা ঘুষ দিলে কোন সরকারি চাকরি পাওয়া যাবে, তখন ঘুষ দিয়ে সরকারি চাকরি নিতে তাদের বিবেকে বাধবে না। তখন তারা বলবেন, যে দেশের যে নিয়ম, এই দেশে চাকরি পেতে গেলে কিছু ঘুষ দিতেই হয়।😂😂😂

তাই আইনজীবীদের গালিগালাজ করার আগে একটু ভেবে নিবেন, কারণ আল্লাহ না করুক, ভবিষ্যতে আপনারও কোন আইনজীবীর সাহায্য দরকার হতে পারে।

23/05/2020

***মুসলিম আইনে দেনমোহর ও বাংলাদেশের বাস্তবতা

বিয়ের দেনমোহর ৪০-৫০ লাখ টাকা। তারপর সংসারে অশান্তি। কিন্তু কাবিনের টাকা পরিশোধ করার সামর্থ্য নেই।তাই ডিভোর্সের পরিবর্তে খুন বা আত্মহত্যা। এই ধরনের সংবাদ আমাদের প্রায়ই দেখতে হয়। আবার এর বিপরীত চিত্রও আছে।

বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য নায়িকা বিয়ে করেছেন ৩ টাকা দেনমোহর নিয়ে।সাথে আবার বলেছেন, " আমার বিয়ের দেনমোহর ৩ টাকা।কি কিউট, না?"
অনেকেই আজকাল ৩ টাকা, ১০ টাকা এমনকি কোরানের আয়াত দেনমোহর হিসেবে নিয়ে মানুষের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপনের(মূলত দৃষ্টি আকর্ষণের) চেষ্টায় আছেন।

কিন্তু মুসলিম আইনে কী আছে দেনমোহর এর বিধান?অত্যধিক কম বা বেশি দেনমোহর নিয়ে মুসলিম আইন কী বলে?

দেনমোহর মুসলিম আইনে স্বামীর কাছে মেয়েদের একটি অধিকার, সম্মান,ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা এবং মুসলিম বিয়ের একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। দেনমোহর ছাড়া মুসলিম বিয়ে বৈধ নয়। মুসলিম আইনে দেনমোহর এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, বিয়ের সময় যদি কোন দেনমোহর ঠিক করা নাও হয়, তবু দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে।অর্থাৎ, দেনমোহর বিয়ের পরেও নির্ধারণ করা যায়। কিন্তু দেনমোহর পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। দেনমোহর একটি ঋণ যে স্বামী মারা গেলেও দায়মুক্ত হয় না, স্বামীর সম্পত্তি থেকে স্ত্রী সেই দাবী পূরণ করতে পারে। এমনকি স্বামীর মৃত্যুর পরে অন্য পাওনাদার বা ওয়ারিশরদের চেয়েও স্ত্রীর দেনমোহরের দাবী আগে পরিশোধ করতে হবে।
যারা অধিক টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করেন, তারা এটাকে আভিজাত্যের প্রতীক মনে করেন। আসলে প্রায় সব ক্ষেত্রেই, এই টাকা পরিশোধ করার ইচ্ছে বা সামর্থ্য বা কোনটাই তাদের থাকে না। এক পর্যায়ে যখন স্বামী স্ত্রী দুজনেই বুঝতে পারে যে, এক সাথে থাকা সম্ভব না, এমন পরিস্থিতিতেও স্বামীর পক্ষে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটানো সম্ভব হয় না এই অস্বাভাবিক পরিমাণ দেনমোহরের টাকা পরিশোধে অসামর্থতা বা অনিচ্ছার কারণে। বাংলাদেশে সংসারে অশান্তি না হলে দেনমোহর নিয়ে কেউ কথা বলেন না। এটা মুসলিম আইনের সাথে পুরোটাই সাংঘর্ষিক। কারণ, বিবাহ বিচ্ছেদ হলেই কেবল দেনমোহর দিতে হবে এই ধারণা ভুল। মুসলিম আইন অনুযায়ী বিয়ে করলেই দেনমোহর দিতে হবে। সেটা বিয়ের সময় হোক বা পরে হোক।দেনমোহর পরিশোধ না করার ইচ্ছে নিয়ে অত্যধিক টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা তাই মুসলিম আইনে কোনভাবেই গ্রহনযোগ্য নয়। মেয়েদের ভবিষ্যত নিরাপত্তার অজুহাত তুলে অনেকে অত্যধিক দেনমোহর নির্ধারণ করেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অত্যধিক দেনমোহর পরিশোধ করতে না পেরে অসহনীয় অশান্তি নিয়ে সংসার করা, তারপর একজনের আত্মহত্যা অথবা খুন।

বিপরীত ভাবে, ২টাকা, ৩ টাকা দেনমোহরও মুসলিম আইনের সাথে সাংঘর্ষিক। মুসলিম আইনে দেনমোহর নির্ধারণ করতে হয় স্বামীর সামর্থ্য, স্ত্রীর মর্যাদা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ইত্যাদি বিষয়াবলী বিবেচনা করে। যে বিয়েতে ১০-১২ লাখ টাকা খরচ হয়, সেইসব বিয়েতে ২টাকা, ৩টাকা দেনমোহর নেয়াটা মুসলিম আইন ও মেয়েদের দেনমোহরের অধিকারের বিষয়টির অবমূল্যায়ন এবং এক প্রকার তামাশা। অনেকে যুক্তি দেখান, সংসার ভাঙলে টাকা দিয়ে কি করবো? কিন্তু ভাঙাভাঙির হিসেব এখানে আসবে কেন? বিয়ে করলে দেনমোহর পরিশোধ করতেই হবে।সংসার না ভাঙলেও পরিশোধ করতে হবে।আবার, নগণ্য পরিমাণ টাকা দেনমোহর নেয়া সেই "কিউট" সম্প্রদায় এটাও বলেন, দেনমোহর কেন নিতে হবে, আমি শিক্ষিত, স্বাবলম্বী, আমি কি পণ্য যে টাকার বিনিময়ে আমাকে মূল্য দেয়া হবে ইত্যাদি। কিন্তু মুসলিম আইনে দেনমোহর মেয়েদের মূল্য নয়, সম্মান এবং অধিকার। বিয়ে করে ক্রীতদাসী কেনা হয় না, যে তার একটা বাজারমূল্য থাকবে। উনারা বোঝাতে চান স্বামীর টাকার প্রতি তাদের কোনই লোভ নাই। অথচ, মুসলিম আইনে স্ত্রীর ভরণপোষণের দায় তার স্বামীর। তাই স্বামীর টাকা না নেয়াটা কোন দৃষ্টান্ত হতেই পারে না।
এবার আসি দেনমোহর হিসেবে কোরআনের আয়াত গ্রহণ করার ক্ষেত্রে। যার বিয়ে সে নিতেই পারে, মুসলিম আইনে কোরআনের আয়াতকে দেনমোহর হিসেবে দেয়া যায়। কিন্তু সেটা তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যার দেনমোহর হিসেবে পরিশোধ করার মত কোন কিছুই নেই। যেসব সাহাবাগণ দেনমোহর হিসেবে কোরানের আয়াত দিয়েছিলেন (মূলত শিখিয়েছিলেন), উনারা আর্থিকভাবে হতদরিদ্র ছিলেন। আর কিছুই দেয়ার সামর্থ্য তাদের ছিলো না। আর এখন যারা দেনমোহর হিসেবে আয়াত নিচ্ছেন উনারা বিয়ের ড্রেস, হালদি নাইট, ডিজে পার্টি, বিয়ের ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফিতে লাখের উপর খরচ করছেন আর এইসব করে অন্যদের বাহবা আদায়ের চেষ্টা করছেন।
যদিও সর্বনিম্ন দেনমোহর কতো হতে পারবে, তা নিয়ে হানাফি,শাফেয়ী, মালেকী এবং হাম্বলী মাযহাবে মতভেদ আছে, তবুও তার কোনটাই ২ টাকা, ৩ টাকা নয়। কাজেই এইসব বিয়ের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।
আরেকটি বহুল প্রচলিত ভুল ধারণা হচ্ছে, মেয়েরা তালাক দিলে কোন দেনমোহর দেয়া লাগবে না। বাস্তবতা হচ্ছে, স্ত্রী তালাক দিলেও দেনমোহর পুরোপুরি পরিশোধ করতে হবে।

দেনমোহরের নামে এইসব স্বেচ্ছাচারিতা অবশ্যই বন্ধ হওয়া দরকার। মুসলিম আইনে বিয়ে হলো নারী ও পুরুষের একসাথে থাকার একটি পবিত্র চুক্তি। এই চুক্তিতে কোন পক্ষ দেনমোহরকে হাতিয়ার করে সুবিধা আদায় করবে এটা যেমন কাম্য নয়, তেমনি দেনমোহর কম নিয়ে বা না নিয়ে মানুষের মাঝে চমক তৈরি করার চেষ্টা করাও মুসলিম আইনে অনুমোদিত নয়। দেনমোহর এমন হওয়া উচিত যেটা সহজেই পরিশোধ করা যায় এবং সামর্থ্য থাকলে বিয়ের সময়ই দেনমোহর পরিশোধ করে দেওয়া উচিত।

21/05/2020
21/05/2020

সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮

মিথ্যা বা ভুলতথ্য প্রদানের অপরাধ ও দণ্ড

২৬। (১) যদি কোনো ব্যক্তি সংক্রামক রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্য জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বা ভুল তথ্য প্রদান করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ২ (দুই) মাস কারাদণ্ডে, বা অনূর্ধ্ব ২৫ (পঁচিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

Address

Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ornate posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category