Legal Assist

Legal Assist Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Legal Assist, Lawyer & Law Firm, D/408, Housing Estate, Kushtia 7000, Kushtia.

02/07/2026
22/05/2026

আয়কর নথি নিরীক্ষায় পড়া মানে অতিরিক্ত কর আরোপ নয়। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে রিটার্ন ফাইল বাছাই করায় যাঁরা আয়কর সঠিকভাব....

19/05/2026

ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়া, দীর্ঘদিন আয় না থাকা, আইনি কাঠামোর পরিবর্তন কিংবা ভুলবশত টিআইএন গ্রহণ—এসব কারণেই অনেকের কা.....

টিন সার্টিফিকেট ছাড়া মিলবে না যেসব সেবাবর্তমানে দেশে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি টিআইএনধারী রয়েছেন। এর মধ্যে চলতি বছরে প্রায় সা...
04/05/2026

টিন সার্টিফিকেট ছাড়া মিলবে না যেসব সেবা
বর্তমানে দেশে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি টিআইএনধারী রয়েছেন। এর মধ্যে চলতি বছরে প্রায় সাড়ে ৪২ লাখ ব্যক্তি আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন। কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বা টিন সার্টিফিকেট ছাড়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করা যায় না, ফলে প্রয়োজনের তাগিদেই অনেকেই টিআইএন গ্রহণ করেন। তবে অনেকে শুধু বিভিন্ন সেবা নেওয়ার জন্য টিআইএন নিলেও নিয়মিত রিটার্ন জমা দেন না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সহজেই টিআইএন সংগ্রহ করা যায়।

এবার দেখা যাক, টিআইএন ছাড়া কোন কোন কাজ বা সেবা গ্রহণ করা সম্ভব নয়। মোটামুটি প্রায় ৪০ ধরনের কাজে টিআইএন বাধ্যতামূলক, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—

১. চাকরিজীবী

সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ১৬ হাজার টাকার বেশি হলে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক ও তদারকি পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী।

২. ব্যবসায়ী

সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছ ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া বা পুনর্নিবন্ধন নিতে হলে টিআইএন লাগবে।

৩. জমি-ফ্ল্যাটের মালিক

সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা নির্দিষ্ট এলাকায় জমি বা ফ্ল্যাটের মালিক হলে টিআইএন থাকতে হবে। কারণ, টিআইএন ছাড়া এসব সম্পদ নিবন্ধন নেওয়া যাবে না।

৪. গাড়ির মালিক

গাড়ির মালিকদের টিআইএন লাগবে। টিআইএন ছাড়া গাড়ির নিবন্ধন, ফিটনেস নবায়ন—এসব হবে না।

৫. পেশাজীবী

ডাক্তার, আইনজীবী, প্রকৌশলী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট বা এনবিআরের নিবন্ধনভুক্ত যেকোনো পেশাজীবীর সনদ নিতে টিআইএন লাগবে।

৬. আমদানি-রপ্তানিকারক

যারা ঋণপত্র (এলসি) খোলেন বা ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট, তাদের টিআইএন লাগবে।

৭. দরপত্রে অংশগ্রহণকারী

সরকারি বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে দরপত্র জমা দিতে টিআইএন লাগে।

৮. ক্রেডিট কার্ডধারী

টিআইএন ছাড়া ক্রেডিট কার্ড নেওয়া যাবে না। ক্রেডিট কার্ডধারীদের টিআইএন থাকতে হবে।

৯. অভিজাত ক্লাবের সদস্য

ঢাকা ক্লাব, গুলশান ক্লাব, উত্তরা ক্লাবের মতো অভিজাত ক্লাবের সদস্য হতেও টিআইএন দরকার হবে। আবার ছেলেমেয়েদের ইংরেজি মাধ্যমে পড়াতে চাইলে অভিভাবকের টিআইএন লাগবে।

১০. ছোট-বড় ব্যবসায়ী

ছোট-বড় ব্যবসা করতে টিআইএন লাগবে। যেমন মুঠোফোনের রিচার্জের ব্যবসা, মোবাইল ব্যাংকিং, পরিবেশক এজেন্সি, বিভিন্ন ধরনের পরামর্শক, ক্যাটারিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, জনবল সরবরাহ, সিকিউরিটি সার্ভিস।

১১. নির্দিষ্ট কিছু সেবাগ্রহণকারী

বেশ কিছু সেবা নিতে আপনার টিআইএন লাগবে। যেমন ঋণপত্র স্থাপন, রপ্তানি নিবন্ধন সনদ নেওয়া, বীমা জরিপ প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, হিসাববিদসহ বিভিন্ন ধরনের পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য, কোম্পানির পরিচালক ও স্পনসর শেয়ারহোল্ডার, বিবাহ নিবন্ধনকারী বা কাজি, ড্রাগ লাইসেন্সধারী।

১২. ঋণ গ্রহণকারী

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ঋণ নিলেও টিআইএন থাকতে হবে।

১৩. নির্বাচনে প্রার্থী

জাতীয় সংসদ, সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে টিআইএন থাকতে হবে।

20/11/2025

টিন সার্টিফিকেটকে অনেকেই এখনো শুধু একটা কাগজ ভাবেন। আসলে বিষয়টা খুবই ভুল। এটা আপনার আর্থিক পরিচয়ের মতোই গুরুত্বপূর্ণ একটি দলিল, ঠিক যেভাবে এনআইডি আপনার ব্যক্তিগত পরিচয় বহন করে।

টিন আসলে কী বোঝায়
সরকার আপনাকে করদাতা হিসেবে চিহ্নিত করে এই নম্বরের মাধ্যমে। আপনার আয় আছে কি না, ব্যয় কত, বা কোনো বছর আয় হয়নি—এসব জানার একমাত্র অফিসিয়াল উপায় হলো রিটার্ন। সরকার কখনোই ধরে নেবে না যে আপনার আয় শূন্য; আপনি নিজেই জানাতে হবে।

আয় নেই, তাই রিটার্ন লাগবে না—এই ধারণা ভুল
অনেকেই মনে করেন, আয় না থাকলে রিটার্ন জমা দেওয়ার দরকার নেই। আসলে আইন অনুযায়ী আপনাকে জানাতেই হবে যে আপনার এ বছরে কোনো আয় হয়নি। সেটাই হলো জিরো রিটার্ন।
জিরো রিটার্ন না দিলে আয়কর অফিস মনে করবে আপনি নিয়ম মানছেন না, এবং সেক্ষেত্রে নোটিশ পেতে পারেন।

রিটার্ন জমা না দিলে যে ঝামেলাগুলো হয়
রিটার্ন জমা না দিলে
– জরিমানা হতে পারে
– বাড়তি চার্জ যোগ হতে পারে
– নোটিশ আসলে মানসিক চাপও বাড়ে
ইতিমধ্যে অনেকেই কয়েক বছর রিটার্ন না দেওয়ার কারণে নোটিশ পেয়েছেন।

টিন একবার করলে কি বন্ধ করা যায়
সাধারণভাবে টিন নম্বর স্থায়ী থাকে। তবে সক্রিয়ভাবে ব্যবহার না করলে চাইলে তিন বছর ধারাবাহিকভাবে জিরো রিটার্ন দিয়ে, প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিয়ে কর অফিসে আবেদন করলে এটিকে ইনঅ্যাকটিভ করা সম্ভব। এতে ভবিষ্যতের নোটিশের ঝামেলাও কমে যায়।
তবে মনে রাখবেন, টিন নেয়া মানেই আপনি করদাতার তালিকায় যুক্ত—এটা বন্ধ করলেও পুরোনো দায় থেকে রেহাই পাওয়া যায় না।

কেন নিয়মিত রিটার্ন গুরুত্বপূর্ণ
রিটার্ন মানে শুধু কর দেওয়া নয়; এটা আপনার আর্থিক স্বচ্ছতার প্রমাণ। ভবিষ্যতে ব্যাংক লোন, ভিসা প্রসেস, ব্যবসায়িক কাগজপত্র—সব জায়গায় রিটার্নের কাগজ চাইতে পারে। তাই আয় থাকুক বা না থাকুক, নিয়মিত রিটার্ন আপনাকে এগুলোতে সাহায্য করবে।

যদি সাহায্য প্রয়োজন হয়
রিটার্ন বা জিরো রিটার্ন জমা দেওয়া অনেকের কাছে ঝামেলা মনে হয়। ভুল হলে আবার আলাদা সমস্যা। দরকার হলে ইনবক্সে জানান, আমরা পুরো প্রক্রিয়াটি হাতে-কলমে করে দিচ্ছি।
যোগাযোগ: 01552-333272
জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩০ নভেম্বর।

এমন নোটিশ পাওয়ার আগেই রিটার্ন জমা দিন।
13/10/2025

এমন নোটিশ পাওয়ার আগেই রিটার্ন জমা দিন।

06/10/2025

ধর্মীয় অবমাননা ও দায়-প্রহেলিকা: অপূর্ব পালের উদাহরণ, আইন ও নৈতিক প্রশ্ন

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ এখন শুধু একটি ব্যক্তিগত অপরাধ নয়—এটি রাষ্ট্র, বিচারব্যবস্থা এবং সমাজের সহনশীলতার পরীক্ষা। অপূর্ব পালের ঘটনাটি ঠিক সেই জায়গাতেই আলো ফেলেছে, যেখানে “অভিযোগ”, “আইন” ও “মানসিক বিকার” একে অপরের বিপরীতে দাঁড়ায়।

আইন ও ধারা: ২৯৫-এ ও সাইবার নিরাপত্তা আইন
বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ২৯৫-এ ধারা অনুযায়ী, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ধর্মের অনুভূতিতে আঘাত করলে, সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা (বা উভয়) হতে পারে। এই ধারা ১৯২৭ সালে যুক্ত হয়, মূলত ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষার উদ্দেশ্যে।

অন্যদিকে, সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩-এর ২৮ ধারা ডিজিটাল মাধ্যমকে যুক্ত করেছে। কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে অনলাইনে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা উস্কানি দেয়, তাহলে তার শাস্তি হতে পারে দুই বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, বা উভয়ই।

দণ্ডবিধির ৮৪ ধারা: মানসিক বিকার ও দায়মুক্তির পথ
এই ধারাটাই এখন অপূর্ব পালের মামলার কেন্দ্রবিন্দু। এতে বলা আছে—যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের সময় মানসিকভাবে এতটাই অক্ষম থাকে যে কাজের প্রকৃতি, পরিণতি বা নৈতিকতা বুঝতে না পারে, তাহলে সে দোষী নয়। আদালত তখন মানসিক অবস্থা যাচাইয়ের জন্য “Mental Status Examination (MSE)” নির্দেশ করে। যদি সত্যিই বিকারগ্রস্ত প্রমাণিত হয়, তাকে কারাদণ্ড দেওয়া যায় না; বরং মানসিক হাসপাতালে বা নিরাপদ কাস্টডিতে রাখা হয় যতদিন না সে সমাজের জন্য নিরাপদ বিবেচিত হয়।

এই ধারাই অনেক সময় ধর্মীয় অবমাননার মামলাকে নিষ্প্রভ করে দেয়—যেখানে অপরাধের দায় শেষ পর্যন্ত “বিকার”-এর আড়ালে মিলিয়ে যায়।

অপূর্ব পালের ভিডিও: বিকার না উদ্দেশ্য?
ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়—অপূর্ব পাল নিজ হাতে পবিত্র কুরআন ছিঁড়ে, পা দিয়ে মাড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ঘুরছে। এখন প্রশ্ন—এটি কি মানসিক অসুস্থতার প্রকাশ, নাকি ইচ্ছাকৃত অবমাননা?

তার আশেপাশের কিছু শিক্ষক ও পরিচিতজন বলছেন, সে দীর্ঘদিন ধরে ড্রাগ আসক্ত ছিল এবং আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা গিয়েছিল। কিন্তু যুক্তি আসে—NSU লাইব্রেরিতে প্রায় ৪৯,৬০০টি বই আছে, সেখানে যদি কেউ বিকারগ্রস্ত হয়, তাহলে কেন শুধু ইসলাম ধর্মের ধর্মগ্রন্থটিই তার লক্ষ্য হবে?

একজন বিকারগ্রস্ত মানুষ এলোমেলো আচরণ করে; কিন্তু এখানে দেখা যাচ্ছে নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতীক আঘাতের লক্ষ্য। সুতরাং “মানসিক বিকার” তত্ত্ব কতটা টেকসই—সেটি আদালতের ফরেনসিক ও মনস্তাত্ত্বিক রিপোর্টের উপর নির্ভর করবে।

রাখাল রাহা ইস্যু: এক প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টান্ত
রাখাল রাহা, যিনি পাঠ্যপুস্তক সংশোধন কমিটির সদস্য ছিলেন, তার মন্তব্য নিয়েও সম্প্রতি তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়, যদিও পরে তদন্তে দেখা যায় অভিযোগের তথ্যগত অসঙ্গতি ছিল। তাকে কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু মামলা পর্যন্ত গড়ায়নি।

এই ঘটনাটি প্রমাণ করে—ধর্মীয় অনুভূতি ও জনরোষের মাঝের সীমানা কতটা সূক্ষ্ম, এবং রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত কতটা সামাজিক চাপে পরিচালিত হতে পারে।

অতীতের নজির: বিচারবিহীনতার ধারাবাহিকতা
ইতিহাস বলছে, বাংলাদেশে ধর্মীয় অবমাননার মামলাগুলো সচরাচর কঠোর শাস্তিতে পৌঁছায় না।
১৯৭৩-এ কবি দাউদ হায়দার নবী ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের অবমাননার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, পরে ভারতে পালিয়ে যান।
১৯৯৩-এ তসলিমা নাসরিন ইউরোপে পাড়ি দেন; ২০০২-এ অনুপস্থিতিতে মাত্র এক বছরের সাজা হয়।
২০০৭-এ কার্টুনিস্ট আরিফুর রহমান পান মাত্র দুই মাসের কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা।
২০২৫-এর শুরুতে প্রান্ত তালুকদারের ইসলামবিরোধী মন্তব্যেও কোনো কার্যকর শাস্তি হয়নি।

এই ইতিহাস দেখায়, অভিযোগ যতই আলোড়ন তুলুক, আইন প্রয়োগ প্রায়ই মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির ছায়ায় নিস্তেজ হয়ে পড়ে।

NSU-এর দায় কতটা?
এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—একজন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের ভেতর এমন কাজ করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কতটা দায়ী?

বাংলাদেশের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট-২০০১ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীর আচরণের জন্য নৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে দায় বহন করে, যদি তা ক্যাম্পাসে ঘটে এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তার ঘাটতির কারণে সম্ভব হয়।
অপূর্ব পালের ঘটনা ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে সংঘটিত হওয়ায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ। তাছাড়া, একাধিক সূত্র বলছে, সে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও আচরণগত সমস্যায় ভুগছিল—যা প্রশাসনের জানা ছিল। যদি তাই হয়, তবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়াটা প্রশাসনিক অবহেলা হিসেবেও গণ্য হতে পারে।

এখন NSU চাইলে ঘটনাটিকে “ব্যক্তিগত বিকার” বলে দায় ঝেড়ে ফেলতে পারে, কিন্তু আইনের চোখে দায়িত্ব একেবারে শূন্য নয়। কারণ, এই ঘটনা ঘটেছে তাদের নিয়ন্ত্রিত ও সুরক্ষিত স্থানে—যেখানে ধর্মীয় অবমাননার ভিডিও তৈরি ও ছড়িয়ে পড়া সম্ভব হয়েছে।

শেষ কথা
বাংলাদেশে ধর্ম অবমাননা সংক্রান্ত প্রতিটি মামলা আইন, নীতি, ও নৈতিকতার সংঘর্ষে আটকে যায়। কেউ বিকারগ্রস্ত, কেউ মুক্তচিন্তার শিকার, কেউ আবার রাজনৈতিক খেলায় প্যাদা। কিন্তু কুরআন অবমাননার মতো ঘটনায় রাষ্ট্র যদি বারবার “মানসিক অসুস্থতা”কে ঢাল হিসেবে মেনে নেয়, তাহলে সেটি কেবল আইনের ব্যর্থতা নয়—এটি আমাদের নৈতিক পতনেরও সাক্ষ্য হয়ে থাকবে।

05/09/2025

তালাক কেন হয়? আমার ৯ মাসের গবেষণা
আমি গত ৯ মাসে ২৪৫ জন তালাকপ্রাপ্ত পুরুষ ও মহিলার সাথে কথা বলেছি। তাদের অভিজ্ঞতা থেকে যা সামনে এসেছে তা সত্যিই অবাক করার মতো।

তালাকের মূল কারণ
৭২% তালাক হয়েছে ভুল বোঝাবুঝি ও একে অপরকে অসম্মান করার কারণে

১৮% পরকীয়ার কারণে
১০% স্ত্রীর উচ্চ বিলাসিতার কারণে

দায় কার বেশি?
৭৮% ক্ষেত্রে তালাকের কারণ হয়েছে নারীর পক্ষ থেকে
২২% ক্ষেত্রে পুরুষের দোষে

তালাকের পর বাস্তবতা
৯২% নারী-পুরুষই বলেছেন, তালাক তাদের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল
৮৯% নারী আর বিয়ে করতে পারেননি
৪% নারী বিয়েতে অনিহা প্রকাশ করেছেন
৭% নারী পথভ্রষ্ট হয়েছেন

পুরুষদের ক্ষেত্রে:
৮৫% আবার বিয়ে করে সংসার করছেন
১৩% বিয়ের প্রতি অনিহা
২% পথভ্রষ্ট হয়েছেন

বিয়ের মজার দিক
৬৭% পুরুষ কুমারী নারীকে বিয়ে করেছেন
নারীরা কুমার পুরুষ পেয়েছেন মাত্র ০.১%

দ্বিতীয় বিয়ের পর অভিজ্ঞতা
১২% নারী দ্বিতীয়বারও তালাকপ্রাপ্ত হয়েছেন
৮৯% নারী দ্বিতীয় সংসারে অসুখী
২% পুরুষের দ্বিতীয়বার তালাক হয়েছে
৩% পুরুষ দ্বিতীয় সংসারে অসুখী

একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—দ্বিতীয়বার তালাক পাওয়া পুরুষদের স্ত্রী সাধারণত আগেই তালাকপ্রাপ্ত ছিলেন। আবার যারা বিধবা নারীকে বিয়ে করেছেন, তাদের মধ্যে ৯৩% পুরুষই সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন।

আমার বার্তা
যারা দাম্পত্য জীবনে হতাশ, তারা চাইলে আমার সাথে পরামর্শ করতে পারেন।
তালাক দেওয়ার আগে একবার নয়, বারবার ভেবে দেখুন—আপোষ করা যায় কিনা।
কারণ সততার পথই সঠিক পথ, আর সেই পথেই আল্লাহর সন্তুষ্টি।

'শূন্য রিটার্ন' জমাদানকারী করদাতার পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। এটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলে জানিয়েছে জাত...
10/08/2025

'শূন্য রিটার্ন' জমাদানকারী করদাতার পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। এটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে এনবিআর।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করদাতার প্রকৃত আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায় প্রদর্শন না করে এর কোনো একটি শূন্য অথবা সব কটি তথ্য শূন্য হিসেবে প্রদর্শন করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এটি একটি ফৌজদারি অপরাধ।

করদাতার জমা দেওয়া আয়কর রিটার্নে তার আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায় সম্পর্কিত সঠিক তথ্য প্রদর্শন না করে মিথ্যা বা অসত্য তথ্য প্রদান করলে বর্তমান আয়কর আইনের ৩১২ ও ৩১৩ ধারা অনুসারে করদাতাকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড প্রদানের বিধান রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

আয়কর আইন অনুসারে ‘জিরো রিটার্ন’ নামে কোনো প্রকার রিটার্ন দাখিলের বিধান নেই বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

আয়কর আইন অনুসারে একজন করদাতাকে তার প্রকৃত আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায় অবশ্যই সঠিকভাবে আয়কর রিটার্নে প্রদর্শন করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

পহেলা জুলাই থেকে ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেন। সেখানে সারা বছরের আয়-ব্যয়ের তথ্য দিতে হয়।

08/08/2025

বাংলাদেশে অনলাইনে “০ রিটার্ন” (Zero Return) জমা দেওয়ার সম্পূর্ণ গাইড

“০ রিটার্ন” মানে হলো—আপনার আয়করযোগ্য কোনো আয় নেই বা কোনো আয়ই নেই, তবুও নিয়ম মেনে আয়কর রিটার্ন দিচ্ছেন। এটি TIN সক্রিয় রাখার জন্য বাধ্যতামূলক এবং ভবিষ্যতে অনেক সরকারি ও আর্থিক কাজে প্রয়োজন হয়।

প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র
1. TIN সার্টিফিকেট
2. eTIN User ID ও Password
(না থাকলে রেজিস্ট্রেশন করুন: https://etaxnbr.gov.bd)
3. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
4. অ্যাক্সেসযোগ্য মোবাইল নম্বর ও ইমেইল

অনলাইনে “০ রিটার্ন” জমা দেওয়ার ধাপসমূহ

১. ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন:
https://etaxnbr.gov.bd

২. লগইন করুন:
“eReturn Login” নির্বাচন করুন
TIN, পাসওয়ার্ড ও ক্যাপচা দিয়ে লগইন করুন

৩. নতুন রিটার্ন শুরু করুন:
ড্যাশবোর্ড থেকে New Return বা Create Return ক্লিক করুন
Assessment Year নির্বাচন করুন (যেমন: 2023-2024)

৪. “০ রিটার্ন” বেছে নিন:
“Income Details” সেকশনে সব ইনকাম ০ রাখুন
ট্যাক্স ক্যালকুলেশন অটোমেটিক্যালি ০ দেখাবে
ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য (যদি থাকে) পূরণ করুন

৫. যাচাই ও জমা দিন:
সব তথ্য যাচাই করে Submit বাটনে ক্লিক করুন
DSC (Digital Signature) ব্যবহার করুন অথবা SMS এ আসা Verification Code দিন

৬. রসিদ সংগ্রহ করুন:
সাবমিশনের পর Acknowledgement Receipt (PDF) ডাউনলোড করে রাখুন

কেন “০ রিটার্ন” দেয়া জরুরি?
TIN সক্রিয় রাখতে
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, পাসপোর্ট, লোন, ঠিকাদারি লাইসেন্স ইত্যাদিতে প্রয়োজন
ফেসবুক পেমেন্ট, Payoneer বা bKash ইনকাম গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রমাণ হিসেবে
NBR জরিমানা এড়াতে

মনে রাখবেন: সময়মতো রিটার্ন না দিলে জরিমানা ও আইনি ঝুঁকি হতে পারে। তাই প্রতিবছর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে “০ রিটার্ন” জমা দিন।

Address

D/408, Housing Estate, Kushtia 7000
Kushtia

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Assist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share