Shamim Muktar

Shamim Muktar দলিল লেখক
শামীম (মোক্তার)
শ্রীপুর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস শ্রীপুর ,গাজীপুর।
মোবা:-01920-345197

30/05/2026

📜 দলিল সংশোধনের নিয়ম না জানলে বড় ক্ষতি হতে পারে!

জমির দলিলে নাম, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভুল থাকলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের আইনি ও আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। অনেকেই জানেন না, দলিলে ভুল থাকলে কীভাবে আইনগতভাবে তা সংশোধন করতে হয়।
এই ভিডিওতে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি:
✅ দলিলে কী কী ধরনের ভুল হতে পারে
✅ দলিল সংশোধনের সঠিক নিয়ম
✅ সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
✅ কোথায় আবেদন করতে হবে
✅ দলিল সংশোধনের আইনি প্রক্রিয়া
✅ সাধারণ মানুষের করণীয়

আপনার জমির দলিল সুরক্ষিত রাখতে এবং ভবিষ্যতের ঝামেলা এড়াতে ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখুন। তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন যাতে অন্যরাও উপকৃত হতে পারে।

🏡 জমি-জমা সংক্রান্ত সঠিক তথ্যপরামর্শ ও সহায়তা পেতে আমাদের 📲 এখনই গ্রুপে যুক্ত হন:https://chat.whatsapp.com/EwaKBPruAzw9eZrkbo1wSW
📞 শামিম মোক্তার Phn-01920345197
✍️ দলিল লেখক,শ্রীপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
📍 শ্রীপুর,গাজীপুর
জমি ক্রয়-বিক্রয়,দলিল,খতিয়ান,নামজারি ও অন্যান্য ভূমি বিষয়ক তথ্যের জন্য আমাদের সঙ্গে থাকুন।

👍 ভিডিওটি ভালো লাগলে Like, Comment ও Share করতে ভুলবেন না।

#দলিল #দলিল_সংশোধন #জমির_দলিল #খতিয়ান #জমিজমা #ভূমি_আইন #বাংলাদেশ

খতিয়ান কি?খতিয়ান হলো জমি বা সম্পত্তির মালিকানা, পরিমাণ, অবস্থান এবং ব্যবহারের বিবরণ সম্বলিত একটি সরকারি নথি।সহজভাবে বলল...
27/04/2026

খতিয়ান কি?
খতিয়ান হলো জমি বা সম্পত্তির মালিকানা, পরিমাণ, অবস্থান এবং ব্যবহারের বিবরণ সম্বলিত একটি সরকারি নথি।
সহজভাবে বললে, খতিয়ান হচ্ছে এমন একটি রেকর্ড যেখানে উল্লেখ থাকে—
কার নামে জমি নিবন্ধিত
জমির পরিমাণ কত
জমির দাগ নম্বর (প্লট নম্বর)
জমির শ্রেণি (চাষযোগ্য, বসতবাড়ি ইত্যাদি)
বাংলাদেশ ও ভারতসহ উপমহাদেশে ভূমি প্রশাসনে খতিয়ান খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি জমির মালিকানা প্রমাণের প্রধান দলিল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

খতিয়ান পরিচিতি:
🔹 ১. CS খতিয়ান (Cadastral Survey)
ব্রিটিশ আমলে প্রথম জরিপ (১৮৮৮–১৯৪০)
🔹 ২. SA খতিয়ান (State Acquisition)
১৯৫০ সালের জমিদারি উচ্ছেদের পর তৈরি
জমির মালিকানা পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকে
🔹 ৩. RS খতিয়ান (Revisional Survey)
SA এর ভুল সংশোধন করে নতুন জরিপ
তুলনামূলকভাবে বেশি নির্ভুল
🔹 ৪. BS খতিয়ান (Bangladesh Survey)
বাংলাদেশের সর্বশেষ জরিপ
বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও নির্ভরযোগ্য

👉 সংক্ষেপে মনে রাখুন:
CS → পুরাতন
SA → জমিদারি পরবর্তী
RS → সংশোধিত
BS → সর্বশেষ ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

🔍 ১. অনলাইনে খোঁজার পদ্ধতি
বাংলাদেশে এখন অনলাইনে খুব সহজে খতিয়ান দেখা যায়।
👉 ভিজিট করুন:
e-Porcha (ই-পর্চা)

তারপর:
বিভাগ (Division) নির্বাচন করুন
জেলা (District) নির্বাচন করুন
উপজেলা (Upazila) নির্বাচন করুন
মৌজা (Mouza) নির্বাচন করুন
তারপর খতিয়ান নম্বর / দাগ নম্বর / মালিকের নাম দিন

📌 এরপর সার্চ দিলে জমির সব তথ্য চলে আসবে।
🏢 ২. সরাসরি অফিস থেকে
যদি অনলাইনে না পান, তাহলে—
উপজেলা ভূমি অফিস
বা সেটেলমেন্ট অফিসে যান
সেখানে—
খতিয়ান নম্বর বা দাগ নম্বর দিলে তারা খুঁজে দেবে

📌 দরকারি টিপস
একই জমির একাধিক খতিয়ান থাকতে পারে (CS, RS, BS)
সর্বশেষ (BS/RS) খতিয়ান বেশি গুরুত্বপূর্ণ

#জমি #দলিক

📜 দলিল কি? বিভিন্ন প্রকার দলিলের পরিচয়আমাদের দৈনন্দিন জীবনে “দলিল” শব্দটি খুবই পরিচিত। জমি কেনা-বেচা থেকে শুরু করে বিভি...
26/04/2026

📜 দলিল কি? বিভিন্ন প্রকার দলিলের পরিচয়

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে “দলিল” শব্দটি খুবই পরিচিত। জমি কেনা-বেচা থেকে শুরু করে বিভিন্ন আইনি প্রমাণ হিসেবে দলিলের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু অনেকেই জানি না—দলিল আসলে কী এবং এর কত ধরনের দলিল রয়েছে। চলুন সহজভাবে জেনে নেওয়া যাক👇

🔹দলিল কি?
দলিল হলো এমন একটি লিখিত কাগজ বা নথি, যা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধিকার, মালিকানা, চুক্তি বা লেনদেনের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি আইনের দৃষ্টিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনে আদালতে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।

🔹দলিলের বিভিন্ন প্রকার

1️⃣ বিক্রয় দলিল (Sale Deed)
যখন কোনো সম্পত্তি একজন ব্যক্তি থেকে অন্যজনের কাছে বিক্রি করা হয়, তখন এই দলিল তৈরি হয়। এটি মালিকানা হস্তান্তরের প্রধান প্রমাণ।

2️⃣ দান দলিল (Gift Deed)
কোনো ব্যক্তি তার সম্পত্তি স্বেচ্ছায় অন্য কাউকে দান করলে সেই প্রক্রিয়ার লিখিত প্রমাণ হলো দান দলিল।

3️⃣ হেবার দলিল (Heba Deed)
ইসলামী আইনে জীবিত অবস্থায় সম্পত্তি কাউকে উপহার দেওয়ার জন্য যে দলিল করা হয় তাকে হেবা দলিল বলা হয়।

4️⃣ বণ্টন দলিল (Partition Deed)
একাধিক মালিকের মধ্যে সম্পত্তি ভাগ-বণ্টন করার জন্য যে দলিল তৈরি করা হয় তাকে বণ্টন দলিল বলা হয়।

5️⃣ বন্ধক দলিল (Mortgage Deed)
কোনো সম্পত্তি ঋণের নিরাপত্তা হিসেবে বন্ধক রাখা হলে সেই চুক্তির প্রমাণ হিসেবে বন্ধক দলিল করা হয়।

6️⃣ ইজারা দলিল (Lease Deed)
নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভাড়া বা লিজ দেওয়ার ক্ষেত্রে এই দলিল ব্যবহৃত হয়।

7️⃣ অঙ্গীকারনামা বা চুক্তিপত্র (Agreement Deed)
দুই পক্ষের মধ্যে কোনো শর্ত বা চুক্তি লিখিতভাবে স্থির করতে এই দলিল করা হয়।

🔹শেষ কথা
দলিল শুধু একটি কাগজ নয়—এটি আপনার অধিকার ও নিরাপত্তার প্রমাণ। তাই যেকোনো দলিল করার আগে সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করা এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া খুবই জরুরি।

👉 তথ্যটি উপকারী মনে হলে শেয়ার করুন, যাতে অন্যরাও জানতে পারে।
#দলিক #জমি

03/04/2026


প্রথম ওহী প্রাপ্তি
মুহাম্মাদের (সা) বয়স তখন চল্লিশ বছর। তিনি হিরা গুহায় বসে ভাবতেন। মাহে রামাদানের শেষ ভাগ। একদিন এক ফিরিশতা এসে হাজির হলো তাঁর সামনে। এই ফিরিশতার নাম জিবরাঈল। এই ফিরিশতার মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুহাম্মাদের (সা) নিকট পৌঁছালেন এই বাণী-

اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ : خَلَقَ الْإِنْسَانَ مِنْ عَلَقٍ ، اقْرَأْ وَرَبُّكَ الْأَكْرَمُ لَا الَّذِي عَلْمَ بِالْقَلَمِ لَا عَلْمَ الْإِنْسَانَ مَا لَمْ يَعْلَمُ.
“পড় স্রষ্টা রবের নামে যিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন জমাট বাঁধা রক্ত থেকে। পড় এবং তোমার রব অতীব সম্মানিত যিনি কলম দ্বারা শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি মানুষকে এমন সব শিখিয়েছেন যা মানুষ জানতো না।” (সূরা আল আলাক : ১-৫)

এইভাবে মুহাম্মাদ (সা) প্রথম ওহী পেলেন। তিনি হলেন নবী। অভিভূত মুহাম্মাদ (সা) বাড়ি ফিরে এলেন। স্ত্রী খাদীজাকে বললেন, زملونِی زملونی
“আমার গায়ে কম্বল জড়িয়ে দাও। আমার গায়ে কম্বল জড়িয়ে দাও।”

আল্লাহর দিকে আহ্বান
প্রথম ওহী নাযিলের পর কেটে গেলো প্রায় ছ’টি মাস। এবার দাওয়াতী কাজের সূচনা করার জন্যে নির্দেশ এলো-

يَأَيُّهَا الْمَديرَ قَرْ فَانْذِرْ وَرَبِّكَ فَكَيْر وَثِيَابَكَ فَطَهِّرْ وَالرَّجْزَ فَاهْجُرْ ولا تمنن تَسْتَكْثِرُ. وَلِرَبِّكَ فَاصْبِرْ.
“হে কম্বল আচ্ছাদিত ব্যক্তি, ওঠো এবং লোকদেরকে সাবধান কর। তোমার রবের বড়ত্ব শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ কর। পোশাক পবিত্র রাখ। অপবিত্রতা থেকে দূরে থাক। বেশী পাওয়ার উদ্দেশ্যে কারো প্রতি অনুগ্রহ করো না। তোমার রবের খাতিরে বিপদ মুসিবতে ধৈর্যধারণ কর।” (সূরা আল-মুদ্দাসিরঃ ১-৭)

এই নির্দেশ পাওয়ার পর মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্ (সা) এক একজন ব্যক্তির কাছে গিয়ে আল্লাহর সঠিক পরিচয় তুলে ধরতে লাগলেন। আর এই পৃথিবীর জীবনে কর্তব্য সম্বন্ধেও তাদেরকে সচেতন করে তোলার প্রচেষ্টা চালাতে থাকেন।

প্রথম যাঁরা সাড়া দিলেন
নীরবে চলছিল দাওয়াতে দীনের কাজ। একেবারে শুরুতে যাঁরা ইসলাম গ্রহণ করেন তাঁরা হচ্ছেন-
১. খাদীজা বিনতু খুয়াইলিদ (রা),
২. আলী ইবনু আবি তালিব (রা),
৩. যায়িদ ইবনু হারিসাহ (রা),
৪. আবু বাকর ইবনু আবি কুহাফা (রা),
৫. উসমান ইবনু আফফান (রা),
৬. আযযুবাইর ইবনুল আওয়াম (রা),
৭. আবদুর রাহমান ইবনু আউফ (রা),
৮. সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা),
৯. তালহা ইবনু উবাইদুল্লাহ (রা),
১০. আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রা),
১১. আবু সালামাহ ইবনু আবদিল আসাদ (রা),
১২. আল আরকাম ইবনু আবিল আরকাম (রা),
১৩. উসমান ইবনু মাযউন (রা),
১৪. কুদামা ইবনু মাযউন (রা),
১৫. আবদুল্লাহ ইবনু মাযউন (রা),
১৬. উবাইদাহ ইবনুল হারিস (রা),
১৭. সাঈদ ইবনু যায়িদ ইবনু আমর (রা),
১৮. ফাতিমা বিনতুল খাত্তাব (রা),
১৯. আসমা বিনতু আবি বাকর (রা),
২০. আয়িশা বিনতু আবি বাকর (রা),
২১. খাব্বাব ইবনুল আরাত (রা),
২২. উমাইর ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রা),
২৩. আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা),
২৪. মাসউদ ইবনু কারী (রা),
২৫. সালীত ইবনু আমর (রা),
২৬. আইয়াশ ইবনু আবি রাবীয়া (রা),
২৭. আসমা বিনতু সুলামা (রা),
২৮. খুনাইস ইবনু হুযাফাহ (রা),
২৯. আমের ইবনু রাবীয়া (রা),
৩০. আবদুল্লাহ ইবনু জাহাশ (রা),
৩১. আবু আহমাদ ইবনু জাহাশ (রা),
৩২. জা’ফর ইবনু আবি তালিব (রা),
৩৩. আসমা বিনতু উমাইস (রা),
৩৪. হাতিব ইবনুল হারিস (রা),
৩৫. ফাতিমা বিনতু মুজাল্লাল (রা),
৩৬. হুতাব ইবনু মুহাল্লাল (রা),
৩৭. ফুকাইহা বিনতু ইয়াসার (রা),
৩৮. মা’মার ইবনুল হারিস (রা),
৩৯. সায়েব ইবনু উসমান ইবনু মাযউন (রা),
৪০. মুত্তালিব ইবনু আযহার (রা),
৪১. রামলাহ বিনতু আবি আউফ (রা),
৪২. নাঈম ইবনু আবদিল্লাহ (রা),
৪৩. আমের ইবনু ফুহাইরা (রা),
৪৪. খালিদ ইবনু সাঈদ ইবনুল আস (রা),
৪৫. আমীনা বিনতু খালাফ (রা),
৪৬. হাতিব ইবনু আমের (রা),
৪৭. আবু হুযাইফা ইবনু উতবা ইবনু রাবীয়া (রা),
৪৮. ওয়াকিদ ইবনু আবদিল্লাহ্ (রা),
৪৯. খালিদ ইবনু বুকাইর (রা),
৫০. আমের ইবনু বুকাইর (রা),
৫১. আকিল ইবনু বুকাইর (রা),
৫২. ইয়াস ইবনু বুকাইর (রা),
৫৩. আম্মার ইবনু ইয়াসার (রা) ও
৫৪. সুহাইব ইবনু সিনান (রা)

এই সৌভাগ্যবান ব্যক্তিদের প্রায় সকলেই ছিলেন যুবক ও যুবতী। কা’বার অদূরেই ছিলো আল আরকাম ইবনু আবিল আরকামের ঘর। সেই ঘরে মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্ (সা) মুসলিমদেরকে ইসলামের বিভিন্ন বিষয় শিক্ষা দিতেন। প্রকৃতপক্ষে এই দারুল আরকামই মুসলিমদের প্রথম শিক্ষালয়।

03/04/2026

অধীন ব্যক্তির প্রতি সদাচরণ
খাদীজার ভাইয়ের ছেলে হাকিম ইবনু হিযাম তাঁকে একজন কেনা বালক উপহার দেন। খাদীজা সেই ছেলেটিকে তাঁর স্বামী মুহাম্মাদের (সা) হাতে তুলে দেন। সাধারণতঃ ক্রীতদাসের প্রতি মনিবেরা দুর্ব্যবহার করতো। কিন্তু মুহাম্মাদ (সা) ছিলেন ভিন্ন রকমের মানুষ। তিনি ক্রীতদাসের প্রতি সদাচরণ করতেন। তাঁর নিকট হস্তান্তরিত ক্রীতদাসের নাম ছিল যায়িদ ইবনু হারিসা। যায়িদ মুহাম্মাদের (সা) কাছে এসে টের পেলো তাঁর চেয়ে উত্তম আর কেউ নেই। যারিদের আব্বা হারিসা এবং চাচা কা’ব জানতে পেলো যে যায়িদ মাক্কায় আছে। তারা তাকে মুক্ত করে নেয়ার জন্যে মাক্কায় আসে। মুহাম্মাদের (সা) সাথে দেখা করে তারা যায়িদকে মুক্ত করে দেয়ার অনুরোধ জানায়।
মুহাম্মাদ (সা) জানালেন এতে তাঁর কোন আপত্তি নেই। কিন্তু যায়িদ যেতে রাজি হলো না। যায়িদের আব্বা স্বাধীনতার পরিবর্তে গোলামিকে বেছে নেয়ায় তার ছেলেকে তিরস্কার করলো। যায়িদ বললো, “আমি মুহাম্মাদের জীবনে এমন সব গুণ দেখেছি যার কারণে আর কাউকে শ্রেয় ভাবতে পারি না।” এই কথা শুনে মুহাম্মাদ (সা) যায়িদকে কা’বার কাছে নিয়ে আযাদ করে দিলেন ও তাকে পুত্ররূপে গ্রহণ করলেন। এই সব দেখে যায়িদের আব্বা ও চাচা অবাক হলো। খুশী মনে যায়িদকে মুহাম্মাদের (সা) কাছে রেখে তারা বাড়ি ফিরে গেলো।

03/04/2026

ব্যবসায়ী মুহাম্মাদ (সা)
মুহাম্মাদের (সা) চাচা আবু তালিব একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। কিশোর মুহাম্মাদ (সা) চাচার সাথে ব্যবসা উপলক্ষে সিরিয়া সফর করেন। যৌবনে তিনি নিজে ব্যবসা শুরু করেন। লোকেরা তাঁর সততায় মুগ্ধ ছিলো। অনেকেই মূলধন দিয়ে তাঁর সাথে ব্যবসায় শরীক হতে লাগলো। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে তিনি সিরিয়া, বাসরা, বাইরাইন ও ইয়ামান গমন করেন। ওয়াদা পালন, বিশ্বস্ততা ও ন্যায়পরায়ণতার কারণে তিনি একজন বিশিষ্ট শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিতে পরিণত হন। সকলে তাঁকে নতুন নামে ডাকতে শুরু করে। সেই নাম ‘আল-আমীন’। খাদীজা ছিলেন একজন ধনী মহিলা। প্রথম স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর দ্বিতীয় বিবাহ হয়। কিন্তু দ্বিতীয় স্বামীও মারা যান। খাদীজা যেমনি ধনশালিনী ছিলেন তেমনি ছিলেন সচ্চরিত্রা। এই পবিত্র মহিলাকে লোকেরা ‘আত্ তাহিরাহ’ বলে ডাকতো। বিধবা খাদীজা পুঁজি দিয়ে লোকদের দ্বারা ব্যবসা চালাতেন। মুহাম্মাদের (সা) ব্যবসায়িক যোগ্যতা ও সততার কথা তাঁর কানে গেলো। তিনি মুহাম্মাদকে (সা) তাঁর ব্যবসা-বাণিজ্যের কর্মাধ্যক্ষ নিযুক্ত করার প্রস্তাব দেন। মুহাম্মাদ (সা) এই প্রস্তাব গ্রহণ করেন। বাণিজ্য উপলক্ষে তিনি বেশ কয়েকবার সিরিয়া যান এবং প্রচুর মুনাফা উপার্জন করেন।

03/04/2026


হাজরে আসওয়াদ বিরোধ মীমাংসা
পাহাড়ের উপত্যকায় অবস্থিত কা’বা। একবার পাহাড়ের পানি এসে তার দেয়াল ভেঙ্গে ফেলে। কুরাইশগণ নতুনভাবে গড়ে তোলে কা’বার দেয়াল। নির্মাণ কালে হাজরে আসওয়াদ কা’বার কোণ থেকে সরিয়ে রাখা হয়। দেয়াল নির্মাণের পর পাথরটি আবার স্বস্থানে বসাতে হবে। কুরাইশদের সব খান্দান এই মহান কাজ করার ইচ্ছা ব্যক্ত করলো। এই নিয়ে শুরু হলো বিবাদ। যুদ্ধ বেঁধে যাবার উপক্রম। আবু উমাইয়াহ ইবনুল মুগীরাহ প্রস্তাব দেন যে, যেই ব্যক্তি সবার আগে কা’বা প্রাঙ্গণে পৌঁছবে তার উপর এই বিরোধ মীমাংসার ভার দেয়া হবে। সে যেই সিদ্ধান্ত দেবে তা সবাই মেনে নেবে। সকলে এই প্রস্তাব মেনে নেয়। অতঃপর দেখা গেলো সকলের আগে ধীর পদে এগিয়ে আসছেন এক যুবক মুহাম্মাদ (সা)। সবাই ছুটে এলো তাঁর কাছে। ফায়সালার দায়িত্ব তুলে দিলো তাঁর হাতে। তিনি একটি চাদর আনার নির্দেশ দেন। চাদর এনে বিছানো হলো। মুহাম্মাদ (সা) নিজ হাতে হাজরে আসওয়াদ তুলে চাদরের মাঝখানে রাখলেন। হাজরে আসওয়াদ স্থাপন করতে ইচ্ছুক প্রত্যেক খান্দানের এক একজন প্রতিনিধিকে চাদর ধরে উপরে তুলতে বললেন। সকলে মিলে পাথরটি নিয়ে এলো কা’বার দেয়ালের কাছে। মুহাম্মাদ (সা) চাদর থেকে পাথরটি তুলে যথাস্থানে বসিয়ে দিলেন। সবাই খুশী। এড়ানো গেলো একটি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।

03/04/2026


হিলফুল ফুদুল
যুদ্ধ ছিলো আরবদের নেশা। শত শত পরিবার ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিলো। মানুষের কোন নিরাপত্তা ছিলো না। সবাই আতংকের মধ্যে দিন কাটাতো। আয যুবাইর ইবনু আবদিল মুত্তালিব ছিলেন একজন কল্যাণকামী ব্যক্তি। তিনি এই অবস্থার পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে মত বিনিময় করেন। অনুকূল সাড়াও পেলেন। শিগগিরই গড়ে উঠলো একটি সংগঠন। নাম তার হিলফুল ফুদুল। মুহাম্মাদের (সা) বয়স তখন সতর বছর। তিনি সানন্দে এই সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত হন।

হিলফুল ফুদুলের পাঁচ দফা
(১) আমরা দেশ থেকে অশান্তি দূর করবো।
(২) পথিকের জান-মালের হিফাজত করবো।
(৩) অভাবগ্রস্তদের সাহায্য করবো।
(৪) মাযলুমের সাহায্য করবো।
(৫) কোন যালিমকে মাক্কায় আশ্রয় দেবো না।

23/06/2024
10/06/2024



Address

Gazipur
Gazipur
1743

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shamim Muktar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Shamim Muktar:

Share