Advocate Md. Iqbal Hossain

Advocate Md. Iqbal Hossain Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Advocate Md. Iqbal Hossain, Lawyer & Law Firm, Mohammadpur, Dhaka.

ছুটি শেষে পেশাগত ব্যস্ততা শুরু হলো আজকে। এবার ঈদের প্রায় পুরো ছুটিই কেটেছে পারিবারিক ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে। মহান রাব্বুল আ...
29/03/2026

ছুটি শেষে পেশাগত ব্যস্ততা শুরু হলো আজকে। এবার ঈদের প্রায় পুরো ছুটিই কেটেছে পারিবারিক ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে। মহান রাব্বুল আলামীনের শুকরিয়া আদায় করি। আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর উপর ভরসাকারীদের জন্য আল্লাহর সকল সিদ্ধান্তই কল্যাণকর।

13/03/2026

কখন গ্রেফতার হয়ঃ

বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাধারণত আসামীদের গ্রেফতার করে থাকে।

কখন গ্রেফতার করতে পারে-

পুলিশের নিকট যদি কোন ব্যক্তির নামে আদালতের ওয়ারেন্ট থাকে তাহলে গ্রেফতার করতে পারে।

তবে ওয়ারেন্ট ছাড়াও পুলিশ Cr.P.C আইনের 54 ধারার বিধান মোতাবেক গ্রেফতার করতে পারে যদি-
কোন ব্যক্তি জঘন্য অপরাধমূলক কাজ করেছে মর্মে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ থাকে,
যে অপরাধে পুলিশ সরাসরি মামলা নিয়ে তদন্ত করতে পারে (যেমন- চুরি, ডাকাতি, মারামারি, খুন, ধর্ষণ) সেই ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করতে পারে।
সুতরাং আপনার বিরুদ্ধে কোন মামলা FIR হলে অথবা আপনার নামে আদালত হতে ওয়ারেন্ট ইস্যু হলে পুলিশ কর্তৃক অ্যারেস্ট এড়িয়ে চলুন এবং আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন দিন।

মোঃ ইকবাল হোসেন
এডভোকেট
ঢাকা জজ কোর্ট।
মোবাইল-০১৭৬১১৯৫৬৮৫

07/03/2026

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন মঞ্জুর করা হয়?
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) এবং চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) মঞ্জুর করার বিষয়টি মূলত দ্য স্পেসিফিক রিলিফ অ্যাক্ট, ১৮৭৭ এবং সিভিল প্রসিডিউর কোড, ১৯০৮ (CPC) এর অধীনে নির্ধারিত হয়।

১. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction)

এটি একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিকার যা মূল মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগ পর্যন্ত কার্যকর থাকে।

✅ কখন মঞ্জুর করা হয়?
যখন—
🚫মামলার বিষয়বস্তুর স্থিতাবস্থা রক্ষা করা প্রয়োজন হয়।

🚫কোনো পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যা পরে প্রতিকারযোগ্য নয়।

🚫প্রতিপক্ষ যদি কোনো এমন কার্যকলাপ করতে থাকে যা মামলার নিষ্পত্তিকে অকার্যকর করে ফেলতে পারে।

✅ আইনি ভিত্তি:

🚫সিভিল প্রসিডিউর কোড, ১৯০৮ এর অর্ডার ৩৯, রুল ১ ও ২।

সাধারণতঃ তিনটি শর্ত পূরণ করতে হয়:

১। Prima Facie Case (প্রাথমিকভাবে শক্তিশালী মামলা থাকতে হবে)।

২। Balance of Convenience (দুই পক্ষের স্বার্থ বিচার করে দরখাস্তকারী পক্ষের সুবিধা বেশি থাকতে হবে)।

৩। Irreparable Loss (অপূরণীয় ক্ষতির সম্ভাবনা থাকতে হবে)।

✅ দৃষ্টান্ত:
যদি কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে অন্যের জমিতে প্রবেশ করে বা বাড়ি নির্মাণ করতে শুরু করে, তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি আদালতে গিয়ে অবস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারেন, যাতে মামলার চূড়ান্ত রায়ের আগে অবৈধ নির্মাণ বন্ধ থাকে।

২. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction)

এটি একটি চূড়ান্ত প্রতিকার যা আদালতের মূল মামলার ফাইনাল ডিক্রি হিসেবে কার্যকর হয়।

✅ কখন মঞ্জুর করা হয়?
যখন—

🚫মামলার মূল নিষ্পত্তির পর আদালত নিশ্চিত হয় যে নিষেধাজ্ঞা স্থায়ীভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত।

🚫আইনগত বা নৈতিক অধিকারের স্থায়ী সুরক্ষা প্রয়োজন হয়।

✅ আইনি ভিত্তি:

দ্য স্পেসিফিক রিলিফ অ্যাক্ট, ১৮৭৭-এর সেকশন ৫৪।

✅ দৃষ্টান্ত:
একটি ব্যক্তি যদি আদালতে প্রমাণ করতে পারে যে তার জমিতে অন্য কেউ বেআইনিভাবে প্রবেশ করছে এবং ভবিষ্যতেও একই কাজ করার ঝুঁকি রয়েছে, তবে আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে, যাতে সে ব্যক্তি ভবিষ্যতে আর ওই জমিতে প্রবেশ করতে না পারে।

আদালত মামলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে অবস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে। অবস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মামলার চূড়ান্ত রায়ের আগ পর্যন্ত কার্যকর থাকে, আর চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা রায়ের মাধ্যমে স্থায়ী প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হয়।

ধন্যবাদ
মোঃ ইকবাল হোসেন
অ্যাডভোকেট, ঢাকা জজ কোর্ট।
01761195685

বাংলাদেশের ভুমি আইনে দলিল বড় নাকি রেকর্ড বড়?জমির মালিকানা প্রমাণে আমাদের দেশে দলিল আর রেকর্ড (খতিয়ান/পর্চা) – দুটোই গুর...
07/03/2026

বাংলাদেশের ভুমি আইনে দলিল বড় নাকি রেকর্ড বড়?

জমির মালিকানা প্রমাণে আমাদের দেশে দলিল আর রেকর্ড (খতিয়ান/পর্চা) – দুটোই গুরুত্বপূর্ণ, তবে দুটির কাজ আলাদা।

১️⃣ দলিল (Deed)

দলিল হলো জমির আইনগত মালিকানা হস্তান্তরের মূল প্রমাণপত্র।

জমি কেনা-বেচা, দান, উত্তরাধিকার ইত্যাদি সবকিছু দলিলের মাধ্যমে হয়।

এটি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে রেজিস্ট্রি করতে হয় (Registration Act অনুসারে)।

দলিল ছাড়া মালিকানা প্রমাণ করা প্রায় অসম্ভব।

তবে শুধু দলিল থাকলেই হবে না—দলিলের ভিত্তিতে জমি আপনার নামে রেকর্ড/নামজারী করাতে হবে।

২️⃣ রেকর্ড / খতিয়ান (Record of Rights)

রেকর্ড হলো সরকারি জরিপে তৈরি মালিকানা ও দখলের তালিকা।

এটি দেখায়, বর্তমানে কে জমি ভোগ করছে এবং খাজনা/কর দিচ্ছে।

রেকর্ড আদালতে সহায়ক প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

তবে ভুল জরিপের কারণে রেকর্ডে ভুল নামও থাকতে পারে। তাই শুধুমাত্র রেকর্ড দিয়ে মালিকানা প্রমাণ করা যায় না।

⚖️ কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

দলিলই হলো মালিকানা প্রমাণের প্রধান কাগজ।

রেকর্ড হলো সহায়ক নথি, যা দখল ও ভোগদখল প্রমাণ করে।

আদালতে জমির মালিকানা প্রমাণ করতে হলে সাধারণত—
✅ দলিল + ✅ দখল + ✅ সঠিক রেকর্ড — এই তিনটি একসাথে লাগবে।

💡 সহজভাবে মনে রাখুন
দলিল = জমি কীভাবে পেলেন বা কিভাবে মালিক হলেন তার প্রমাণ,
রেকর্ড = সরকারী তালিকায় দখলকার হিসেবে জমি কার নামে আছে তার প্রমাণ।

জমি প্রকৃতপক্ষে আপনার তখনই, যখন—
দলিল আছে + দখল আছে + রেকর্ড আপনার নামে।

24/02/2026

আইনি নোটিশ দেওয়ার উপকারিতা!!!

আদালতে এটি প্রমাণ করার সুযোগ থাকে যে আপনি বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করতে চেয়েছিলেন। নোটিশ পাঠানো মানে হলো আপনি বিবাদীকে সংশোধনের বা দাবি পূরণের একটি নির্দিষ্ট সময় দিয়েছেন। এটি বিচারকের কাছে আপনার পক্ষকে ন্যায়সঙ্গত হিসেবে উপস্থাপন করতে সাহায্য করে।
​আইনি নোটিশ সবসময় একজন নিবন্ধিত আইনজীবীর মাধ্যমে পাঠানো উচিত, যাতে এর ভাষা ও তথ্য সঠিক থাকে এবং এটি আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য হয়।

22/02/2026

বিদেশে অবস্থান করা অবস্থায় কি তালাক প্রদান করা সম্ভব???

➡️হ্যা সম্ভব!!!

বিদেশ থেকে মুসলিম ধর্মে তা'লা'ক দেওয়ার বৈধ উপায় বাংলাদেশ আইনের আলোকে স্পষ্টভাবে, ধাপে ধাপে ও আইনসহ আলোচনা করা হলো ⬇️⬇️

➡️ প্রযোজ্য আইন
Muslim Family Laws Ordinance, 1961 (MFLO)
👉 ধারা ৭ (Section 7)

➡️ নোটিশ দেওয়ার মাধ্যমে (MFLO S- 7)
POA ছাড়া দূতাবাসের মাধ্যমে বৈধ পদ্ধতি (মুসলিম)

★ ধাপ–১: বিদেশে বসে তালাক প্রদান
স্বামী নিজে তালাক ঘোষণা করবেন (লিখিত আকারে উত্তম)।

★ ধাপ–২: দূতাবাসে তালাকনামা সত্যায়ন (Attestation)
স্বামী নিকটস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনে গিয়ে করবেন:
লিখিত তালাকনামা প্রস্তুত
দূতাবাস কর্তৃক স্বাক্ষর ও পরিচয় সত্যায়ন (Attestation)
📌 এখানে POA লাগে না, কারণ স্বামী নিজে উপস্থিত।
⚠️ মনে রাখবেন:
👉 দূতাবাস তালাক দেয় না, শুধু দলিল সত্যায়ন করে।

★ ধাপ–৩: দূতাবাসের মাধ্যমে নোটিশ প্রেরণ
সত্যায়িত তালাকনামা দিয়ে দূতাবাসের মাধ্যমে (বা নিজে ডাকযোগে) পাঠাতে হবে:
স্ত্রীর বর্তমান ঠিকানায়
স্ত্রীর এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান / সিটি কর্পোরেশন মেয়রের কাছে
📮 মাধ্যম:
Diplomatic Mail / Registered Post / Courier

➡️ 📂 প্রমাণ:
প্রেরণের রসিদ ও কপি সংরক্ষণ করুন।

★ ধাপ–৪: ৯০ দিনের সালিশি সময় (আইনগত বাধ্যবাধকতা)
চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে
৯০ দিনের সালিশি (Arbitration Council) সময় শুরু
পুনর্মিলন না হলে—

★ ধাপ–৫: তালাক কার্যকর
নোটিশ প্রাপ্তির ৯০ দিন পর তালাক চূড়ান্তভাবে কার্যকর
চেয়ারম্যান চাইলে তালাক সনদ ইস্যু করবেন

➡️ যে সব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে,
১. কাবিননামা
২. জাতীয় পরিচয় পত্র
৩. পাসপোর্ট
৪. পাসপোর্ট সাইজ ছবি
৫. বর্তমান ঠিকানার প্রমান পত্র
➡️ আইনের স্পষ্ট ভিত্তি (MFLO, Section 7)
Section 7(1):
তালাক দিলে স্বামীকে তা লিখিতভাবে চেয়ারম্যানকে জানাতে হবে।
Section 7(2):
চেয়ারম্যান সালিশি পরিষদ গঠন করবেন।
Section 7(3):
নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিন পর তা লাক কার্যকর হবে, যদি পুনর্মিলন না হয়।
⚠️ চেয়ারম্যানকে নোটিশ না দিলে তা লা ক আইনত অ বৈ ধ ও দণ্ডনীয় অ প রা ধ।

➡️ গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারণা—এগুলো নয়
❌ শুধু দূতাবাসে তালাকনামা করলে তালাক বৈধ হয় না
❌ শুধু বিদেশি নোটারি করলেও বৈধ হয় না
✔️ চেয়ারম্যানকে নোটিশ = বৈধতার মূল চাবিকাঠি

➡️ মূল কথা (সংক্ষেপে)
✔️ দূতাবাস তালাক কার্যকর করার কর্তৃপক্ষ নয়
✔️ তবে দূতাবাস তালাকনামা সত্যায়ন (attestation) ও নোটিশ প্রেরণে সহায়ক মাধ্যম
✔️ চূড়ান্ত বৈধতা আসে বাংলাদেশের স্থানীয় চেয়ারম্যানকে

➡️ ব্যবহারিক পরামর্শ
তালাক নামায় তারিখ, পূর্ণ ঠিকানা, স্বাক্ষর স্পষ্ট রাখুন
স্ত্রীর এলাকার সঠিক চেয়ারম্যান নির্ধারণ করুন
ডাকের রসিদ ও কপি সংরক্ষণ করুন।

Negotiable Instruments Act (Amendment) Ordinance, 2026সংশোধনের মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকা চেকের মামলা বাদী পক্ষ দীর্ঘদিন রায়ের ...
16/02/2026

Negotiable Instruments Act (Amendment) Ordinance, 2026

সংশোধনের মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকা চেকের মামলা বাদী পক্ষ দীর্ঘদিন রায়ের জন্য অপেক্ষা করতে হতো এখন আর এতো অপেক্ষা করতে হবে না। এখন থেকে ৫,০০ ০০০/- টাকা পর্যন্ত চেক ডিজঅনার মামলার বিচার করবে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট/সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।

22/01/2026

চেক ডিজঅনার মামলায় কনসিডারেশন প্রমাণিত না হলে আসামী খালাস পাবে।
25 BLC (AD) 115

22/01/2026

জামিন মানে কি মামলা শেষ???

অনেকেই মনে করেন—
👉 “জামিন পেয়ে গেলে বুঝি মামলা শেষ!”
কিন্তু বাস্তবতা হলো—এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।

🔹 জামিন আসলে কী?
✔️ জামিন (Bail) মানে হলো—
মামলা চলাকালীন আসামীকে সাময়িকভাবে মুক্ত রাখা,
মামলা শেষ হওয়া নয়।

✔️ জামিন মানে আদালত বলছে—
👉 “তুমি বাইরে থাকবে, কিন্তু মামলার বিচার চলবে।”

🔹 জামিন পেলে কী হয়?
✅ আসামী সাময়িকভাবে কা রা গা রের বাইরে থাকে
✅ নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হয়
✅ সাক্ষ্য ও যুক্তিতর্কের মুখোমুখি হতে হয়
✅ বিচারিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকে

👉 অর্থাৎ, মামলার বিচার থেমে যায় না
🔹 জামিন পেলে কী হয় না?
মামলা বাতিল হয় না
অভিযোগ শেষ হয়ে যায় না
শাস্তি পাওয়ার ঝুঁকি শেষ হয় না
বাদী তার মামলা হারায় না

👉 জামিন = সাময়িক মুক্তি

🔹 জামিন বাতিলও হতে পারে!
যদি আসামী—
🔴 আদালতে হাজির না হয়
🔴 সাক্ষ্য প্রভাবিত করে
🔴 নতুন অপরাধে জড়ায়
🔴 শর্ত ভঙ্গ করে

👉 তাহলে আদালত জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা দিতে পারেন।

🔹 মনে রাখবেন 📌
🟡 জামিন মানেই মামলা শেষ—এই ধারণা বিপজ্জনক
🟡 শেষ কথা বলে আদালতের রায়, জামিন নয়
🟡 আইন না বুঝে সিদ্ধান্ত নিলে বড় ক্ষতি হতে পারে।

19/01/2026

⚖️ রিট মামলা কখন করা যায়? (সংক্ষেপে জানুন)। ✅

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করা যায় যখন—

✅ মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হয়
✅ আইন বহির্ভূত গ্রেফতার বা আটক করা হয়
✅ কোনো কর্তৃপক্ষ ক্ষমতার অপব্যবহার করে
✅ সরকারি কর্তৃপক্ষ আইনগত দায়িত্ব পালন করে না
✅ এখতিয়ার ছাড়া অবৈধ আদেশ বা কার্যক্রম নেয়
✅ কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে সরকারি পদ দখল করে
✅ শুনানি ছাড়া বা পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়

📌 প্রযোজ্য রিট:
Habeas Corpus | Mandamus | Certiorari | Prohibition | Quo Warranto

⚠️ মনে রাখবেন—
❌ ব্যক্তিগত বিরোধে রিট হয় না
❌ বিকল্প কার্যকর প্রতিকার থাকলে রিট টেকে না
❌ শুধুমাত্র চুক্তিগত বিষয়ে সাধারণত রিট গ্রহণযোগ্য নয়

রিট একটি সংবিধানিক প্রতিকার, এটি শেষ আশ্রয়— প্রথম পদক্ষেপ নয়।

18/01/2026

পরকীয়া করলে ৫ বছরের জেল...
স্ত্রীর অনুমতি ও সালিশি পরিষদের অনুমতি ছারা দ্বিতীয় বিয়ে করলে ৮ বছরের জেল...
স্ত্রী কে তালাকের হুমকি দিলে ২ বছরের জেল...
পূর্বের বিয়ে গোপন করে বিয়ে করলে ১০ বছরের জেল ও জরিমানা।।

14/01/2026

কোর্ট ম্যারেজ!!!

কোর্ট ম্যারেজ হলো একটি আইনি প্রক্রিয়া যেখানে দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি আইনের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বাংলাদেশে কোর্ট ম্যারেজটি, কোর্ট ম্যারেজ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী পরিচালিত হয়।

তবে কোর্ট ম্যারেজের রয়েছে কিছু শর্তাবলীঃ

প্রথমত বয়সঃ বর ও কনের এনআইডি অনুযায়ী সঠিক বয়স হতে হবে।
দ্বিতীয়ত সম্মতিঃ বর ও কনে উভয়ের বিবাহের জন্য সম্মতি থাকতে হবে।
তৃতীয়ত স্বাক্ষীঃ এক্ষেত্রে স্বাক্ষী আবশ্যক। দুইজন স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে বিবাহ সম্পন্ন করতে হবে।
চতুর্থত ম্যারেজ অফিসারঃ বিবাহ একটি ম্যারেজ অফিসারের সামনে সম্পন্ন করতে হবে।

এরপর উপরোক্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবার পর একটি নির্দিষ্ট সময়ে সংশ্লিষ্ট কাজির নিকট থেকে নিকাহনামা সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করতে হবে।

Address

Mohammadpur
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Md. Iqbal Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share