Legal Aid For People-LAP

Legal Aid For People-LAP Justice • Awareness • Service

Providing free and affordable legal support to underprivileged communities across Bangladesh.

Natural Justice মানে প্রাকৃতিক ন্যায়বিচার।আইনের সেই মৌলিক নীতিগুলো, যেগুলো ছাড়া কোনো বিচার বা সিদ্ধান্তকে ন্যায্য বলা যা...
18/01/2026

Natural Justice মানে প্রাকৃতিক ন্যায়বিচার।
আইনের সেই মৌলিক নীতিগুলো, যেগুলো ছাড়া কোনো বিচার বা সিদ্ধান্তকে ন্যায্য বলা যায় না।
লিখিত আইন থাকুক বা না থাকুক, এই নীতিগুলো মানতেই হবে।

Natural Justice মূলত ২টি নীতির উপর দাঁড়িয়ে থাকে।

১) Audi Alteram Partem
অর্থাৎ, দুই পক্ষের কথাই শুনতে হবে। লজিকটা কী?
এক পক্ষের কথা শুনে সিদ্ধান্ত নিলে সেটা কখনোই ন্যায্য হতে পারে না। কারণ, প্রতিটি ঘটনার দুই দিক থাকে।
ধরুন, কোনো শিক্ষার্থীকে বলা হলোঃ তুমি পরীক্ষায় নকল করেছ, তাই তোমাকে বহিষ্কার করা হলো।
কিন্তু তাকে নিজের কথা বলার সুযোগই দেওয়া হলো না। এটা কি ন্যায্য? না।
কারণ, সে হয়তো প্রমাণ করতে পারত যে অভিযোগটি ভুল। তাই শুনানি ছাড়া শাস্তি = Natural Justice লঙ্ঘন।

২) Nemo Judex in Causa Sua
অর্থাৎ, নিজের মামলার বিচারক নিজে হওয়া যাবে না। লজিকটা কী? যে ব্যক্তি নিজেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, সে কখনো নিরপেক্ষ হতে পারে না। এখানে পক্ষপাতের ঝুঁকি থাকে। ধরুন, একটি অফিসে ম্যানেজারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। আর সেই অভিযোগের তদন্ত কমিটির প্রধান যদি সেই ম্যানেজার নিজেই হয়, তাহলে কি ন্যায্য বিচার সম্ভব? অবশ্যই না। কারণ, কেউ নিজের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত দিতে চায় না।

কেন Natural Justice এত গুরুত্বপূর্ণ? কারণ, আইন শুধু শাস্তি দেওয়ার নাম নয়। আইন মানে ন্যায্যতা, যুক্তি আর মানবিকতা। এই দুই নীতি না মানলে, সিদ্ধান্ত বাতিল হতে পারে, আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যায়, পুরো প্রক্রিয়াটাই অবৈধ হয়ে যেতে পারে।

আইন মুখস্থ করলেই আইন বোঝা যায় না।
কনসেপ্ট বুঝতে হলে Natural Justice-এর মতো বেসিক বিষয়ও পরিষ্কার হওয়া জরুরি।

আইনী সচেতনতা: জিডি (GD) কেন ও কখন করবেন? অনেকেই মনে করেন জিডি করা ঝামেলার—কিন্তু সত্যি হলো, জিডি আপনার আইনগত নিরাপত্তার ...
14/01/2026

আইনী সচেতনতা: জিডি (GD) কেন ও কখন করবেন? অনেকেই মনে করেন জিডি করা ঝামেলার—কিন্তু সত্যি হলো, জিডি আপনার আইনগত নিরাপত্তার প্রথম ধাপ।
কোনো অস্বাভাবিক, সন্দেহজনক বা ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনা ঘটলে পুলিশকে জানিয়ে একটি লিখিত রেকর্ড তৈরি করাই হলো জিডি।

✅ কখন জিডি করবেন?
মোবাইল, ওয়ালেট, ডকুমেন্ট হারালে
হুমকি, ভয়ভীতি বা সন্দেহজনক ফোন পেলে
কারও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা
পারিবারিক বা সামাজিক ঝুঁকি দেখা দিলে
বাড়িতে বা আশেপাশে অপরিচিত সন্দেহজনক লোক ঘোরাঘুরি করলে।

✅ জিডি করার সুবিধা
আপনার অভিযোগের একটি সরকারি রেকর্ড তৈরি হয়। ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হলে এটি আপনার সুরক্ষা হিসেবে কাজ করে। পুলিশ দ্রুত সাহায্য করতে পারে। আইনগত প্রক্রিয়ায় প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়

অভিনন্দন বাংলাদেশের নবনিযুক্ত মাননীয় প্রধান বিচারপতি, বিচারপতি জনাব জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে।আজ ২৮/১২/২০২৫ তারিখ সকাল ১০:৩...
28/12/2025

অভিনন্দন বাংলাদেশের নবনিযুক্ত মাননীয় প্রধান বিচারপতি, বিচারপতি জনাব জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে।
আজ ২৮/১২/২০২৫ তারিখ সকাল ১০:৩০ মিনিটে বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন। ন্যায়বিচার, সংবিধান ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে তাঁর নেতৃত্ব জাতির জন্য আশাব্যঞ্জক হবে এই প্রত্যাশা।

"জামিন নিয়ে পলাতক হলেই ‘খুনি’ নয়: উচ্চ আদালতের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ও ফৌজদারি বিচারিক বিশ্লেষণ"​​বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচ...
18/12/2025

"জামিন নিয়ে পলাতক হলেই ‘খুনি’ নয়: উচ্চ আদালতের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ও ফৌজদারি বিচারিক বিশ্লেষণ"

​বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় একটি সাধারণ ধারণা প্রচলিত আছে যে,
"পাপী মন সব সময় পুলিশ দেখে ভয় পায়" বা কোনো আসামি যদি জামিন নিয়ে পলাতক হয়, তবে ধরে নেওয়া হয় যে সে অপরাধটি করেছে বলেই আদালতের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছে।

কিন্তু আইন কি কেবল এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে কাউকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার মতো গুরুতর অপরাধে (খুন) সর্বোচ্চ সাজা দিতে পারে?

​বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ #বাবুল ওরফে ফখরুল বনাম রাষ্ট্র (ফৌজদারি), ১৫ এএলআর (২০১৯)(১) এডি ১৫৮-১৬১ মামলায় যে সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন, তা ফৌজদারি ন্যায়বিচারের ইতিহাসে একটি মাইলফলক এবং আইনের শাসনের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

এই রায়ের মূল প্রতিপাদ্য হলো—শুধুমাত্র জামিন নিয়ে পলাতক থাকার কারণে কোনো আসামির বিরুদ্ধে অন্য কোনো প্রত্যক্ষ বা পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যপ্রমাণ ছাড়া তাকে ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।

​একজন ফৌজদারি আইনজীবী হিসেবে এই রায়টিকে আমি বাংলাদেশের প্রচলিত আইন ও ফৌজদারি কার্যবিধির আলোকে বিশ্লেষণ করতে চাই। ​আইনের দৃষ্টিতে ‘পলাতক’ থাকা এবং সাক্ষ্য আইন ​আমাদের সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৮ অনুযায়ী, কোনো অপরাধ সংঘটনের পর আসামির আচরণ (যেমন—পালিয়ে যাওয়া, আত্মগোপন করা) একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা (Relevant Fact)। প্রসিকিউশন প্রায়শই আসামির পলাতক থাকাকে তার অপরাধী মনের (Mens Rea) বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করে। ​কিন্তু প্রাসঙ্গিক ঘটনা এবং অপরাধ প্রমাণের জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য—এই দুটির মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ রয়েছে। ফৌজদারি বিচারের মূল ভিত্তি হলো "Presumption of Innocence" বা যতক্ষণ পর্যন্ত দোষ প্রমাণিত না হচ্ছে, ততক্ষণ আসামিকে নির্দোষ গণ্য করা। এবং এই দোষ প্রমাণের বোঝা (Burden of Proof) সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রপক্ষের ওপর ন্যস্ত থাকে, যা তাদের "যুক্তিসঙ্গত সন্দেহের ঊর্ধ্বে" (Beyond Reasonable Doubt) প্রমাণ করতে হয়।

​আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণের সারমর্ম
​আলোচ্য মামলায় আপিল বিভাগ স্পষ্ট করেছেন যে, পলাতক থাকা আসামির আচরণের একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু এটি কখনোই অপরাধের স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রমাণ (Substantive Evidence) নয়।

​কেন এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ?
​১. পলাতক থাকার ভিন্ন কারণ: একজন ব্যক্তি কেবল অপরাধী বলেই পলাতক হয় না। সে পুলিশের হয়রানির ভয়ে, মিথ্যা মামলায় ফেঁসে যাওয়ার আশঙ্কায়, মামলা পরিচালনার আর্থিক সামর্থ্য না থাকায়, অথবা ভুল আইনি পরামর্শেও পলাতক হতে পারে। তাই কেবল পলাতক থাকার ওপর ভিত্তি করে খুনের মতো গুরুতর অপরাধের দায় চাপানো ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

​২. প্রসিকিউশনের দায়িত্ব: এই রায় প্রসিকিউশন বা রাষ্ট্রপক্ষকে তাদের মূল দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তাদের দায়িত্ব হলো আসামি খুনটি করেছে কিনা তা প্রত্যক্ষদর্শী, ফরেনসিক রিপোর্ট বা শক্তিশালী পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করা। তারা মূল অপরাধ প্রমাণ না করে কেবল আসামির জামিন পরবর্তী আচরণের ওপর নির্ভর করে মামলা জিততে পারে না।

​৩. সাক্ষ্যের কররোবরেশন (Corroboration): পলাতক থাকার বিষয়টি তখনই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে যখন অপরাধের অন্যান্য শক্তিশালী প্রমাণ আদালতে বিদ্যমান থাকে। তখন পলাতক থাকার ঘটনাটি সেই প্রমাণগুলোকে আরও জোরালো করে (Corroborate)। কিন্তু যেখানে মূল অপরাধের অন্য কোনো ভিত্তি নেই, সেখানে পলাতক থাকা একটি শূন্যগর্ভ যুক্তি মাত্র।

​উপসংহার:
​দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হলে আসামির মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। এমন একটি মামলায় যেখানে মানুষের জীবন-মরণের প্রশ্ন জড়িত, সেখানে কেবল অনুমানের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক।

​আপিল বিভাগের এই রায়টি নিম্ন আদালতগুলোর জন্য একটি স্পষ্ট নির্দেশিকা। বিচারকদের এখন থেকে আরও সতর্ক থাকতে হবে যে, আসামির অনুপস্থিতি যেন তার বিরুদ্ধে একমাত্র সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য না হয়। অন্যদিকে, তদন্তকারী কর্মকর্তাদের জন্যও এটি একটি বার্তা—মামলা প্রমাণের জন্য তাদের আরও বস্তুনিষ্ঠ সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

​পরিশেষে বলা যায়, এই রায় ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং আসামির ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারকে আরও সুসংহত করেছে। আবেগ বা ধারণার বশবর্তী হয়ে নয়, বরং ठोस সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই কেবল কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করা উচিত—এটাই আইনের শাসন।

চেক_ডিজঅনার হলে করণীয়: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক লেনদেন এবং অর্থ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি হিসেবে একে অপর...
10/12/2025

চেক_ডিজঅনার হলে করণীয়:

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক লেনদেন এবং অর্থ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি হিসেবে একে অপরকে ব্যাংক চেক প্রদান করে থাকি। পরবর্তীতে দেখা যায় যে চেক দিছে তার ব্যাংক একাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা নাই।

চেক_ডিজঅনার কি?
চেক ডিজঅনার বলতে টাকা উঠোনোর জন্য ব্যাংকে চেক জমা দেয়া হলে ওই চেকটির বিপরীতে টাকা প্রদান করতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের অস্বীকৃতিকে বোঝাবে।

কী কী কারণে ডিজঅনার হয়?
অপর্যাপ্ত তহবিল, চেকের মেয়াদ উত্তীর্ণ, প্রদানকারীর স্বাক্ষরের মিল না থাকা, টাকার পরিমাণ অংকে এবং কথায় মিল না থাকা, ইত্যাদি।

চেক_ডিজঅনার মামলা করার পদ্ধতি কি?
👉 প্রথমে আপনাকে ব্যাংকে গিয়ে চেক ডিজঅনার করে নিয়ে আসতে হবে। চেকটি নগদায়ন করার পর ৬ মাসের মধ্যে ডিজঅনার করতে হবে।

👉 এরপর চেকের টাকা পরিশোধের জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিন সময় দিয়ে উকিল নোটিশ বা লিগ্যাল নোটিশ দিতে হবে।

👉 উকিল নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে, পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। তারমানে সবমিলিয়ে ৩ মাসের মধ্যে চেক ডিজঅনারের মামলা করতে হবে।

🟥 Negotiable Instruments Act অনুযায়ী ৩ মাসের মধ্যে মামলা করতে না পারলে দন্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় যেকোনো সময় মামলা করা যাবে।

হাইকোর্টে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া মাননীয় বিচারপতি জনাব সৈয়দ এনায়েত হোসেন এর শপথ।
09/12/2025

হাইকোর্টে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া মাননীয় বিচারপতি জনাব সৈয়দ এনায়েত হোসেন এর শপথ।

আদালতের অধিকার: “শোন এরেস্ট” এর প্রাসঙ্গিকতা ও প্রয়োগশোন এরেস্ট (Shown Arrest) কাকে বলে?শোন এরেস্ট হলো এমন একটি বিচারিক ...
07/12/2025

আদালতের অধিকার: “শোন এরেস্ট” এর প্রাসঙ্গিকতা ও প্রয়োগ

শোন এরেস্ট (Shown Arrest) কাকে বলে?

শোন এরেস্ট হলো এমন একটি বিচারিক কার্যক্রম যেখানে আদালত উপস্থিত ব্যক্তিকে সমন বা গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার দেখাতে পারেন। এটি ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৫১ অনুযায়ী কার্যকর করা হয়। এই ধারা অনুযায়ী, যদি আদালত উপলব্ধি করেন যে আদালতে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি বিচারাধীন অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা অপরাধটি সংঘটিত করেছে, তবে তাকে গ্রেফতার দেখানো যেতে পারে। এর ফলে, আদালত ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন যেন সে সমন বা গ্রেফতারি পরোয়ানার মাধ্যমে আদালতে উপস্থিত হয়েছে।

উদাহরণস্বরূপ পরিস্থিতি: আদালতের বিচার ব্যবস্থা উন্মুক্ত হওয়ায় অনেক সময় প্রকৃত অপরাধী বিচার প্রক্রিয়া দেখতে আসতে পারে। তিনি মামলার বাদী বা সাক্ষী হিসেবেও উপস্থিত হতে পারেন। আদালতে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে যদি বোঝা যায় যে সেই ব্যক্তি প্রকৃত অপরাধী, তখন আদালত তার বিরুদ্ধে “শোন এরেস্ট” প্রক্রিয়া প্রযোজ্য করতে পারেন।

প্রয়োগের নিয়ম: ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৫১(২) অনুযায়ী, যদি বিচার শুরু হওয়ার পর এমন গ্রেফতার ঘটে, তবে বিচার কার্যক্রম নতুন করে শুরু করতে হবে। এর ফলে:

অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নতুনভাবে চার্জ গঠন করতে হবে।

পূর্বে নেওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য পুনরায় শুনতে হবে।

শোন এরেস্টের গুরুত্ব:

বিচারের স্বচ্ছতা: প্রকৃত অপরাধী যাতে বিচারের বাইরে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে শোন এরেস্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আদালতের ক্ষমতা: আদালতের হাতে অপরাধ দমন ও বিচার কার্যক্রম পরিচালনার অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদান করে।

সতর্কতা: অপরাধীরা যাতে বিচার ব্যবস্থার ফাঁকফোকর ব্যবহার করতে না পারে, তা নিশ্চিত করে।

উপসংহার: শোন এরেস্ট বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার যা আদালতকে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করে। তবে এর যথাযথ প্রয়োগ ও প্রাসঙ্গিকতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে ন্যায়বিচারের পরিপন্থী কোনো ঘটনা না ঘটে।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি।বিচার বিভাগের জন্য এক নতুন দিগন্তের সূচনা,এর মাধ্যমে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ...
01/12/2025

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি।
বিচার বিভাগের জন্য এক নতুন দিগন্তের সূচনা,
এর মাধ্যমে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ সম্পূর্ণরুপে পৃথক হলো।

একইসঙ্গে রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি...
01/12/2025

একইসঙ্গে রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি...

৩০ নভেম্বর ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্য...
01/12/2025

৩০ নভেম্বর ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করেন। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে আপাতত বিদ্যমান অন্য কোন আইন বা বিধিতে যা কিছুই থাকুক না কেনো তার উপর এই অধ্যাদেশ প্রাধান্য পাবে। এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য হলো অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত বিষয়াদি যথাযথরূপে পালনের জন্যে এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করার জন্যে একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা।
অধ্যাদেশের ধারা ৪ এ ‘সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয়’ নামে একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় গঠনের কথা বলা হয়েছে। সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির উপর ন্যস্ত করা হয়েছে। সরকারের মন্ত্রণালয়ের যেরকম প্রশাসনিক কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষমতা থাকে এই সচিবালয়েরও উক্তরূপ কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষমতা থাকবে। একজন সচিব ও অন্যান্য কর্মকর্তা নিয়ে সচিবালয়টি পরিচালিত হবে। সচিব হবেন সচিবালয়ের প্রশাসনিক প্রধান।
দেশের বিচার প্রশাসন পরিচালনায় সুপ্রীম কোর্টকে সহায়তা করা, অধস্তন আদালত ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা, বিলোপ, তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করতে প্রয়োজনীয় সকল দায়িত্ব এই সচিবালয় পালন করবে। এছাড়া জুডিসিয়াল সার্ভিস সদস্যদের পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও ছুটি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে এই সচিবালয়ের উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম। আগে এই ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যাস্ত ছিল যা ক্ষমতার পৃথকীকরন নীতির পরিপন্থি। এখন থেকে এই সচিবালয় জুডিসিয়াল সার্ভিস সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত কাজে রাষ্ট্রপতির পক্ষে প্রয়োজনীয় সকল প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবে। যার ফলে নির্বাহী বিভাগ এখন আর বিচার বিভাগের উপর অযাচিত প্রভাব খাটাতে পারবে না। বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে তার দায়িত্ব পালন করতে পারবে।
এখন থেকে এই সচিবালয় তার কার্যপরিধিভুক্ত আদালত, প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরের এবং সুপ্রীম কোর্টের জন্যে অনুমিত আয় ব্যয় সংক্রান্ত বিবৃতি প্রস্তুত করবে। উক্ত বিবৃতি প্রধান বিচারপতি সংসদে উপস্থাপনের জন্য অর্থমন্ত্রীর নিকট প্রেরণ করবেন। সচিবালয়ের জন্যে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় অনুমোদনে প্রধান বিচারপতির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।
এছাড়াও, উক্ত অধ্যাদেশের ধারা ১০-এ “সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় কমিশন” নামে পাঁচ সদস্যের একটি কমিশন গঠনের বিধান করা হয়েছে, যার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাননীয় প্রধান বিচারপতি। দেশের বিচার প্রশাসনের উন্নয়ন, বিচার বিভাগের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এই কমিশন প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা, পরামর্শ ও নীতিগত সুপারিশ প্রদান করবে।
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২, ১০৯ ও ১১৬-এর উদ্দেশ্য পূরণ এবং মাসদার হোসেন মামলার রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা কার্যত নিশ্চিত হয়েছে। জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি সুনিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ অধ্যাদেশ নিঃসন্দেহে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
উল্লেখ্য, বিচারবিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে ল’ ল্যাবের পক্ষ থেকে একটি রিট পিটিশন (রিট পিটিশন নং- ১০৩৫৬/২০২৪) দায়ের করা হয়। উক্ত রিটের প্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত বিদ্যমান অনুচ্ছেদ ১১৬-কে অসাংবিধানিক ও অবৈধ বলে ঘোষণা করেন এবং ছয় মাসের মধ্যে একটি পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ প্রদান করেন।

03/11/2025

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Aid For People-LAP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share