Advice and Solution by Law

Advice and Solution by Law আইনি পরামর্শ ও সমাধান পেতে পেজ এ লাইক দিয়ে পাশে থাকুন। ধন্যবাদ।
মোবাইল: 01633-685617, 0140-5695757.

16/05/2026

খোলা তালাক দিলে কী আবার বিয়ে করা যায়?
- হে। খোলা তালাক দিয়ে আবার বিয়ে করে সংসার করতে পারবেন।

09/05/2026

তালাক দেওয়ার সাথে সাথে কি অন্য কাউকে বিয়ে করা যায়?
- ইসলামি শরিয়ত এবং বাংলাদেশের প্রচলিত মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী, তালাক হওয়ার সাথে সাথেই কোনো নারী অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট একটি সময় অপেক্ষা করতে হয়, যাকে ইদ্দত বলা হয়।
এই বিষয়টি নিয়ে প্রচলিত নিয়মগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
১. ইদ্দত পালন করা বাধ্যতামূলক
তালাকের পর বিয়ের জন্য একজন নারীকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। সাধারণত এই সময়সীমা হলো:
সাধারণ ক্ষেত্রে: তালাকের পর থেকে পূর্ণ তিনটি ঋতুস্রাব হওয়া পর্যন্ত (সাধারণত ৩ মাস)।
গর্ভবতী হলে: সন্তান ভূমিষ্ঠ না হওয়া পর্যন্ত ইদ্দত পালন করতে হয়।
মেনোপজ বা ঋতুস্রাব স্থায়ীভাবে বন্ধ হলে: পূর্ণ তিন মাস।
২. বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী (মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ ১৯৬১)
আইনত তালাক কার্যকর হতে নোটিশ প্রদানের পর থেকে ৯০ দিন সময় লাগে। এই ৯০ দিন পার হওয়ার আগে বিয়ে করলে সেটি আইনি জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি ইদ্দত চলাকালীন বিয়ে করলে সেই বিয়ে অনেক ক্ষেত্রে ‘ফাসিদ’ বা অনিয়মিত হিসেবে গণ্য হয়।
৩. কেন এই নিয়ম?
ইদ্দত পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো:
পিতৃত্ব নির্ধারণ: নারী গর্ভবতী কি না তা নিশ্চিত করা, যাতে পরবর্তী সন্তানের বংশপরিচয় নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি না থাকে।
সমঝোতার সুযোগ: অনেক সময় আবেগের বশে তালাক হয়ে গেলেও ইদ্দত চলাকালীন স্বামী-স্ত্রী চাইলে পুনরায় মিলে যাওয়ার বা আপস করার একটি সুযোগ থাকে।
৪. পুরুষের ক্ষেত্রে নিয়ম
স্ত্রীর ইদ্দত চলাকালীন স্বামী যদি পঞ্চম কোনো বিয়ে করতে চান (যদি তার আগে থেকেই চারজন স্ত্রী থাকে), তবে তাকেও ইদ্দত শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। তবে সাধারণ ক্ষেত্রে পুরুষের জন্য তালাকের পরপরই অন্য কাউকে বিয়ে করতে আইনি বাধা নেই, যদি না তিনি তার প্রাক্তন স্ত্রীর বোনকে বিয়ে করতে চান (এ ক্ষেত্রে ইদ্দত শেষ হওয়া জরুরি)।
সংক্ষেপে, তালাক দেওয়ার পরপরই বিয়ে করা বৈধ নয়। ধর্মীয় ও আইনি উভয় দিক থেকেই ইদ্দত পালন করা আবশ্যক। এ বিষয়ে কোনো বিশেষ পরিস্থিতি থাকলে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

28/04/2026

বাংলাদেশে শুধু হলফনামা (Affidavit) দিয়ে তালাক কার্যকর করার বিষয়টি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা। আইনগতভাবে, কেবল নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে হলফনামা সম্পাদন করলেই তালাক সম্পন্ন হয় না।
​মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী তালাক কার্যকর করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু আইনি ধাপ অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক:
​তালাক কার্যকর করার সঠিক আইনি প্রক্রিয়া
​১. লিখিত নোটিশ প্রদান: তালাক দেওয়ার পর স্বামী বা স্ত্রীকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে।
২. চেয়ারম্যানকে অবহিত করা: একই নোটিশের একটি কপি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র বা সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে পাঠাতে হবে।
৩. ৯০ দিনের সময়সীমা: চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার পর একটি সালিশি পরিষদ গঠন করবেন। নোটিশ পাঠানোর তারিখ থেকে ৯০ দিন (বা ইদ্দতকাল) অতিবাহিত হওয়ার পর তালাক চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়। এই সময়ের মধ্যে কোনো পক্ষ আপস করলে তালাক বাতিল হয়ে যায়।

22/04/2026

মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টনের পূর্বে করণীয় :

উত্তরাধিকারদের মধ্যে মুসলিম ফরায়েজ ও দেশের আইন মতে সম্পত্তি বণ্টনের আগে দেখতে হবে যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি নিয়ে কোন দায়-দাবী বা আদেশ-নির্দেশ আছে কিনা। যদি থকে সেগুলো আগে পরিশোধ করে দায় মুক্ত হতে হবে। যেমন:

১)সৎকারের খরচ: মৃত ব্যক্তির সৎকারে যেই খরচ হয় তা
পরবর্তীতে মৃত ব্যক্তি সম্পত্তি থেকে প্রদান করতে হবে।

২)কোন পাওনা: মৃত ব্যক্তি কারো কাছ থেকে ধার করলে
বা আইন অনুসারে বা আদালতের অর্ডারের মাধ্যমে
কেউ তার কাছে কোন টাকা পেলে তা প্রদান করতে
হবে।

৩)দেনমোহর: স্ত্রীর দেনমোহর বাকি থাকলে তা পরিশোধ
করতে হবে।

৪)দান / হেবা: মৃত ব্যক্তি জীবদ্দশায় কোন দান করে
থাকলে তা প্রাপককে বুঝিয়ে দিতে হবে।

৫) ওসিয়ত (উইল): মৃত ব্যক্তি যদি কোন ওসিয়ত বা উইল
করে থাকেন তবে তার ইচ্ছা অনুযায়ী সেই ওসিয়তের
সম্পাদন করতে হবে, তবে এই উইল (সব দায় দেনা
পরিশোধের পর) এক-তৃতীয়াংশের বেশী হতে পারবে
না।

উপরোক্ত সকল বিষয় সমাধান করার পর যে সম্পত্তিটি থাকে তা তার উত্তরাধিকারদের মধ্যে আইন অনুসারে বণ্টন হবে।

18/04/2026

আমার স্বামী আমাকে ডিভোর্স দিয়েছে । কিন্তু আমি কোনো নোটিশ পাই নি। এমনকি আমার স্থানীয় এলাকার চেয়ারম্যান বরাবর ও কোনো নোটিশ আসে নি। এখন আমি কি করবো? সে তো আমার সাথে সংসার করবে নাহ। আমি কিভাবে আইনি সহায়তা পাবো?

প্রথমেই আগে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। তারপর যা যা করবেন-
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী তালাক কার্যকর করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। যদি সেই প্রক্রিয়া মেনে না চলা হয়, তবে আইনিভাবে আপনাদের বিয়ে এখনো বলবৎ আছে বলে গণ্য হবে।
আপনার অধিকার রক্ষায় আপনি নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে পারেন:
১. তালাকের নোটিশের সত্যতা যাচাই করুন
আইন অনুযায়ী, স্বামী তালাক দিতে চাইলে তাকে অবশ্যই তিনটি কাজ করতে হবে:
আপনাকে লিখিত নোটিশ প্রদান।
আপনার এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে নোটিশের কপি প্রদান।
এই নোটিশ প্রাপ্তির ৯০ দিন অতিবাহিত হওয়া।
যেহেতু আপনি বলছেন চেয়ারম্যানের কাছে কোনো নোটিশ আসেনি, সেহেতু আইনত এখনো তালাক কার্যকর হয়নি। আপনি নিজে গিয়ে বা আপনার প্রতিনিধির মাধ্যমে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে লিখিতভাবে খোঁজ নিন যে কোনো ডায়েরি বা এন্ট্রি হয়েছে কি না।
২. দেনমোহর ও খোরপোষের দাবি
সে যদি আপনার সাথে সংসার করতে না চায় এবং তালাক দিতে অনড় থাকে, তবে আপনার দেনমোহরের (Denmohar) টাকা এবং ইদ্দতকালীন (তালাক কার্যকর হওয়ার পরবর্তী ৩ মাস) সময়ের খোরপোষ বা ভরণপোষণ পাওয়ার পূর্ণ অধিকার আপনার আছে।
যদি সে দেনমোহর পরিশোধ না করে, তবে আপনি পারিবারিক আদালতে (Family Court) মামলা করে এই টাকা আদায় করতে পারেন।
৩. দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার বা ভরণপোষণ
সে যদি আপনাকে তালাক না দিয়ে আলাদা করে রাখে এবং ভরণপোষণ না দেয়, তবে আপনি দুটি কাজ করতে পারেন:
ভরণপোষণের মামলা: স্বামী সাথে না রাখলে আপনার মাসিক খরচ বা ভরণপোষণ দাবি করে মামলা করা যায়।
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার মামলা: আপনি যদি তার সাথে সংসার করতে চান, তবে তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য আইনি নির্দেশ চেয়ে মামলা করতে পারেন।
৪. আইনি সহায়তা কোথায় পাবেন?
আপনি যদি আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল হন বা বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ চান, তবে নিচের মাধ্যমগুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন:
জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা (National Legal Aid): সরকারি এই সংস্থাটি বিনা মূল্যে আইনি সহায়তা দেয়। আপনি সরাসরি জেলা জজ আদালতের লিগ্যাল এইড অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদের হটলাইন নম্বর হলো ১৬৪৩০।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বা ব্র্যাক (BRAC): এই সংস্থাগুলো পারিবারিক বিরোধ এবং তালাক সংক্রান্ত বিষয়ে বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করে থাকে।
ব্লাস্ট (BLAST): বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট থেকেও আপনি আইনি সাহায্য পেতে পারেন।
পরামর্শ: আপনি দ্রুত একজন দক্ষ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন অথবা নিকটস্থ লিগ্যাল এইড অফিসে গিয়ে বিস্তারিত জানান। আপনার স্বামীর পক্ষ থেকে কোনো নোটিশ না আসা পর্যন্ত আইনত আপনি এখনো তার স্ত্রী, তাই ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।

15/04/2026

আমি কি ডিভোর্স দিয়ে ই বিয়ে করতে পারবো?
- নাহ। কমপক্ষে ১০০ দিন অপেক্ষা করে তারপর বিয়ে করুন।

মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ-১৯৬১ এর ৭(১) অনুসারে তালাক কার্যকর করার জন্য১। এক পক্ষ অপর পক্ষকে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করবেন।২...
12/04/2026

মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ-১৯৬১ এর ৭(১) অনুসারে তালাক কার্যকর করার জন্য
১। এক পক্ষ অপর পক্ষকে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করবেন।
২। যে পক্ষ তালাক দিবেন সেই পক্ষ অপরপক্ষ যেখানে বসবাস করেন সেই স্থানের সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/ পৌরসভার/ সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানের নিকট তালাকের নোটিশ প্রদান করতে হবে।
৩। কোন আইনে তালাক দিচ্ছেন সেটা উল্লেখ থাকবে।
৪। নোটিশে দুইজন সাক্ষীর স্বাক্ষর থাকতে হবে।
৫। নোটিশটি অবশ্যই রেজিস্টার্ড পোস্টের মাধ্যমে পাঠাতে হবে।
উল্লেখ্য, নোটিশটি একজন আইনজীবী অথবা বিবাহ ও তালাক রেজিস্টার এর মাধ্যমে পাঠানো উত্তম।

11/04/2026

তালাকের নোটিশ পাঠানো মানে হচ্ছে তালাকের ঘোষণা। নোটিশ পাঠালেই তালাক কার্যকর হয়ে যায় না। নোটিশ পাঠানোর পরে ইদ্দতকাল সময়ে তালাক প্রত্যাহার করা যায়।

09/04/2026

প্রকৃতপক্ষে বিয়ে করে নি! বরং মিথ্যা বিয়ের অভিনয়! আইন কি বলে!!সাজা কি??
বিয়ে হয়নি, কিন্তু বিয়ের নাটক সাজিয়ে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করা.....!!

ধরেন ছেলেটি মেয়েটির সাথে এমন কিছু কাজ করেছে যা দেখে মেয়েটি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেছে যে, ""আমাদের বিয়ে হয়ে গেছে, আমরা এখন স্বামী-স্ত্রী..মেয়েটি নিজেকে ওই ছেলের বৈধ স্ত্রী মনে করে তখন তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছে বা বসবাস করেছে।কিন্তু বাস্তবে তাদের আইনত বা ধর্মীয়ভাবে কোনো বিয়েই হয়নি। ছেলেটি সব জানত এবং ইচ্ছাকৃতভাবে মেয়েটিকে ধোঁকা দিয়েছে।

তখন দণ্ডবিধির ৪৯৩ ধারা অনুযায়ী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে....

আর এজন্য দণ্ডবিধি (Penal Code), ১৮৬০-এর ৪৯৩ ধারা অনুযায়ী প্রতারণামূলকভাবে বিবাহিত বিশ্বাস করিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য মামলা করা যাবে।।

প্রমানিত হলে অভিযুক্তের ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে..

পাশাপাশি প্রতারনা করার জন্য ৪১৭ এবং ৪২০ ধারায় মামলা করা যাবে।।

উদাহরন::::ধরুন, একটি ছেলে মেয়েটিকে বলল, "চলো আমরা কোর্ট ম্যারেজ করি।" এরপর সে কোনো কাজি অফিসে না নিয়ে, নিজের পরিচিত কাউকে উকিল সাজিয়ে বা বন্ধুর সামনে কিছু স্ট্যাম্প পেপারে সই করালো। ছেলেটি মেয়েটিকে বোঝালো যে, "আইনত আমাদের বিয়ে হয়ে গেছে।" মেয়েটি সেটা বিশ্বাস করল এবং তার সাথে সংসার শুরু করল। কিন্তু পরে দেখা গেল, ওই কাগজপত্রের কোনো আইনি ভিত্তি নেই এবং আসলে বিয়েটাই হয়নি। এটি ৪৯৩ ধারার অপরাধ।

05/04/2026

পালিয়ে বিয়ে এবং কোর্ট ম্যারেজ সতর্কতার কিছু কথা----

পালিয়ে বিয়ের পেছনে থাকে অনেক জীবনের গল্প, ভাঙ্গা স্বপ্ন আর দুইটি পরিবারের ভবিষ্যৎ। তাই প্রত্যেক বিবেকবান আইনজীবী পালিয়ে বিয়েকে নিরুৎসাহিত করেন।

এই লেখা ঠিক তাই যেন মানুষ জানে পালিয়ে বিয়ের ঝুঁকি ও আইনি জটিলতার কথা, এবং কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে সঠিক ও নিরাপদ পথে এগোতে পারে।পালিয়ে বিয়ে করলে যে সমস্যাগুলো হতে পারে:

মেয়ের পরিবার অপহরণ মামলা দিতে পারে
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হতে পারে,মেয়ের বয়স যদি ১৬ বছরের কম হয়, তাহলে অপহরণ, ধর্ষণসহ গুরুতর মামলার মুখোমুখি হতে হতে পারেন।

এর ফলে জীবনের অনেক আশা আকাঙ্ক্ষা শেষ হয়ে যেতে পারে নিমিশেয়।

সুতরাং যারা ভালোবাসার মানুষকে হারাতে চান না, তারা নতুন জীবন শুরু করার আগে অবশ্যই আইনি জটিলতা সম্পর্কে ভালভাবে জানতে হবে। না হলে বিয়ের আগে ভাগ্যে জুটতে পারে জেল কিংবা জরিমানা।

কোর্ট ম্যারেজ নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন ও ভুল ধারণা

বিভিন্ন মুসলিম ছেলে মেয়েদের মনে থাকে অনেক প্রশ্ন, যেমন

বিয়েটা কি বৈধ হবে?
বিয়ে কোথায় হবে কোর্টে নাকি কাজী অফিসে?
মেয়ের পরিবার মামলা করলে কি জেল খাটতে হবে?
কোর্ট ম্যারেজ মানেই কি বিচারকের সামনে বিয়ে করা?

অনেকে কোর্ট ম্যারেজের ব্যাপারে ভুল ধারণা পোষণ করেন। আসলে কোর্ট ম্যারেজ মানে কোনো বিচারকের সামনে বিয়ে নয়। কোর্ট ম্যারেজ করতে হলে প্রথমে একজন আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়, তিনি সাহায্য করবেন কিভাবে ও কোথায় বিয়ে নিবন্ধন করাবেন।

মেয়েদের জন্য বিশেষ সতর্কতা

প্রেম করে কিংবা পালিয়ে বিয়ে করার আগে মেয়েদের উচিত:

ভালো করে চিন্তা করা ছেলেটির চরিত্র কেমন?
কতদিন চেনা এবং কতটুকু বিশ্বাসযোগ্য?
ছেলেটির উপার্জন ও জীবনযাত্রার যোগ্যতা কেমন?
তার কাছে ভালোবাসার মূল্য কতটুকু?

ভালোবাসা যদি অন্ধকার হয়, তাহলে জীবন কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আর পরিবারের অমতে বিয়ে মানে পরিবারের সম্মান ও সাহায্য হারানো হতে পারে, যা পরবর্তীতে বড় সমস্যা তৈরি করে।

তাই সকলের উচিত সবকিছু ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন। অযথা একটা ভুল সিদ্ধান্তের কারণে নিজের ও পরিবারের সম্মান ক্ষুন্ন করবেন না।

নতুন জীবন শুরু করার আগে আইনি দিক থেকে সাবধান থাকুন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা না হয়।

Address

Dhaka Judge Court
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advice and Solution by Law posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share