OK Prime Properties

OK Prime Properties Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from OK Prime Properties, Estate agents, Dhaka.

👉 Property Consultancy 👉 Building Construction & Design 👉 Home, Office Interior Design 👉 Flat, Apartment Renovation 👉 Real Estate Agent 👉 Marketing /Branding & Supply

30/05/2026
ঘরে বসে অনলাইন মাধ্যমে জমির পর্চা সংগ্রহ করবেন যেভাবে অনলাইনে পর্চা সংগ্রহের নিয়ম :আপনার কম্পিউটার অথবা স্মার্টফোনে  ww...
21/11/2025

ঘরে বসে অনলাইন মাধ্যমে জমির পর্চা সংগ্রহ করবেন যেভাবে

অনলাইনে পর্চা সংগ্রহের নিয়ম :

আপনার কম্পিউটার অথবা স্মার্টফোনে www.dlrms.land.gov.bd লিখে ক্লিক করুন

১। খতিয়ানের ধরন নির্বাচন করুন – ‘সার্ভে খতিয়ান’ বা ‘নাম জারি খতিয়ান’ বেছে নিন।

২। ভৌগলিক তথ্য : বিভাগ জেলা উপজেলা সিলেক্ট করুন।

৩। খতিয়ান ধরন ও মৌজা : সিএস, এসএ, আর এস, বিএস বি আর এস ইত্যাদি থেকে ধরন বেঁছে মৌজা নির্বাচন করুন।

৪। অনুসন্ধান : খতিয়ান নম্বর, মালিকের নাম বা দাগ নম্বর দিয়ে সার্চ করুন।

৫। আবেদন : খতিয়ান পেলে ডাবল ক্লিক করে ‘খতিয়ান আবেদন’ বাটনে ক্লিক করুন।

৬। ব্যক্তিগত তথ্য : এন আইডি নম্বর, জন্মতারিখ ও মোবাইল নাম্বার দিন।

৭। যাচাই : ‘যাচাই করুন ‘ লেখায় ক্লিক করলে নাম ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসবে।

৮। আবেদনের ধরন ও ফি : অনলাইন কপি (তাৎক্ষণিক কিউআর কোড সহ ) ১০০ টাকা।

সার্টিফাইড কপি (৭ দিনে অফিস বা ডাকে ): ১০০ টাকা (ডাকযোগে পাঠাতে অতিরিক্ত ৪০ টাকা পোস্ট ফ্রি)। বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় ইত্যাদি দিয়ে মূল্য পরিশোধ করা যায়।

৯। পেমেন্ট : ক্যাপচা পূরণ করুন,মোবাইলে পাঠানো ওটিপি ও পিন নম্বর দিয়ে কনফার্ম করুন।

১০। ডাউনলোড : মূল্য পরিশোধ হলে পিডিএফ ডাউনলোড করে প্রিন্ট করা যায়।

এভাবে ভূমি অফিসে না গিয়ে বাড়িতে বসেই অনলাইনে জমির পর্চা সংগ্রহ করা যায়। এটি ভূমি মন্ত্রণালয় পরিচালিত একটি নিরাপদ ও স্বচ্ছ সেবা।

খতিয়ান ও পর্চা কি ? খতিয়ান/ পর্চা কত প্রকার ? খতিয়ানে যে বিষয়গুলো উল্লেখ থাকে। খতিয়ান ও পর্চা : খতিয়ান ও পর্চা একই...
15/11/2025

খতিয়ান ও পর্চা কি ? খতিয়ান/ পর্চা কত প্রকার ? খতিয়ানে যে বিষয়গুলো উল্লেখ থাকে।

খতিয়ান ও পর্চা : খতিয়ান ও পর্চা একই জিনিস। অর্থাৎ খতিয়ান বলতে যা বুঝায় পর্চা বলতেও তাই। অর্থাৎ জমির মালিকানা প্রমাণ করার জন্য সরকারি যে দলিল রয়েছে তাকেই খতিয়ান বলা হয়।

খতিয়ানের প্রকার : বাংলাদেশের জমির/ভূমির কার্যক্রমে চার প্রকার খতিয়ান রয়েছে। যথা :

১। সিএস খতিয়ান (Cadastral Survey): ১৯৪০ সালে ব্রিটিশ শাসন আমলে সরকার জরিপের মাধ্যমে যে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়েছিল তাকে বলা হয় সিএস খতিয়ান।

২। এসএ খতিয়ান (State Acquisition): ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় অধিকার গ্রহণ আইন 27-31 ধারা অনুযায়ী ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৬০ সালে যে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়েছিল তাকে বলা হয় এসএ খতিয়ান।

৩। আরএস খতিয়ান (Revisional Survey): এটি এসএ খতিয়ানের সংশোধনী হিসেবে তৈরি হয় এবং সাধারণত ১৯৫০ সালের পর থেকে এই জরিপ শুরু হয়।

৪। বিএস খতিয়ান : (Bangladesh Survey): ১৯৯৮ সাল থেকে ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকীকরণের জন্য এই জরিপ শুরু হয়েছে, যা সিটি জরিপ নামেও পরিচিত।

খতিয়ানে যে বিষয়গুলো উল্লেখ করা থাকে : সেগুলো হলো –

• দাগ নং, মৌজা নং, খতিয়ান নং, বাট্রা নং, এরিয়া নং।
• জমির দখলদারের নাম,ঠিকানা, পিতার নাম, মাতার নাম ইত্যাদি।
• দখলদারের জমির অবস্থা,কত শতাংশ জমি এবং জমির সীমানা।
• জমির মালিকের নাম ঠিকানা ও পিতার নাম।
• খতিয়ান তৈরি করার সময় খাজনার পরিমাণ ও ২৮ ২৯ ৩০ বিধি মোতাবেক নির্ধারিত খাজনা উল্লেখ করা থাকে।
• খাজনা বৃদ্ধির কারণ থাকলে তার বিবরণ উল্লেখ করা থাকে।

নামজারি আসলে কি ? অনলাইন সিস্টেমে যেভাবে জমির নাম জারি  করা যায় :নামজারি হচ্ছে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মালিকানা পরিবর্তন ক...
25/10/2025

নামজারি আসলে কি ? অনলাইন সিস্টেমে যেভাবে জমির নাম জারি করা যায় :

নামজারি হচ্ছে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মালিকানা পরিবর্তন করা।
কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোন বৈধ পন্থায়(উত্তরাধিকার,ক্রয় সূত্রে বা অন্য কোন উপায়ে ) ভুমি/জমির মালিকানা অর্জন করলে সরকারি রেকর্ড সংশোধন করে তার নামে রেকর্ড আপটুডেট (হালনাগাদ) করে খতিয়ানভুক্ত করাকে নামজারি বলা হয়।

কোন ব্যক্তির নামজারি অনুমোদিত হলে তাকে একটি খতিয়ান দেওয়া হয় যেখানে তার অর্জিত জমির সংক্ষিপ্ত হিসাব বিবরনি উল্লেখ থাকে।উক্ত হিসাব বিবরণী অর্থাৎ খতিয়ানে মালিক বা মালিকগণের নাম, মৌজার নাম ও নম্বর (জে এল নম্বর ),জমির দাগ নম্বর,দাগে জমির পরিমাণ,মালিকের জমির প্রাপ্য অংশ ও জমির পরিমাণ ইত্যাদি তথ্য লিপিবদ্ধ থাকে।

অনলাইনে নামজারি যেভাবে করবেন :

নামজারি করতে যা প্রয়োজন হবে :

নামজারি আবেদন করার জন্য নিচের ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে হবে :
• জমির দলিলের সার্টিফাইড/মূল কপি ;
• এসএ/আর এস খতিয়ানের কপি ;
• আপোষ বন্টননামা দলিল(প্রয়োজনে) ;
• ওয়ারিশান সনদের কপি (যদি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি হয়) ;
• ছবি (জন্ম নিবন্ধন এর ভিত্তিতে আবেদন করলে);
• বায়া দলিলের কপি (ক্রয় সূত্রে জমি হলে);
• মোবাইল নম্বর ;
• জাতীয় পরিচয় পত্র(nid) ;
• কর/খাজনার রশিদ ;

নামজারি প্রক্রিয়া :

১ম ধাপ :

https://mutation.land.gov.bd/
ওয়েবসাইটে যেতে হবে।এরপর “নতুন আবেদন করতে ক্লিক করুন” বাটনে ক্লিক করে মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন/নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন হলে আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে জমি বা ফ্ল্যাটের প্রয়োজনীয় তথ্যও পূরণ করতে হবে।
আবেদন ফি বাবদ ৭০/-টাকা (কোর্ট ফি ২০/-টাকা,নোটিশ জারি ফি ৫০/- টাকা)অনলাইনে(একপে, উপায়,রকেট, বিকাশ,নগদ, ব্যাংকের কার্ড) পরিশোধ করতে হবে।

আবেদন করার পর একটি কেস নম্বর পাবেন যা মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

২য় ধাপ :

আপনার আবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাবে। তদন্তের পর সবকিছু ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

৩য় ধাপ:

এসি ল্যান্ড অফিস থেকে শুনানি তারিখ এসএমএস-এর মাধ্যমে জানানো হবে। শুনানি সম্পন্ন হলে এবং আবেদনকৃত সব কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকলে এসি ল্যান্ড কর্তৃক নামজারি অনুমোদন হলে পুনরায় আবেদনকারীর মোবাইলে এসএমএস-এর মাধ্যমে জানানো হবে।

৪র্থ ধাপ :

আবেদন অনুমোদিত হলে নির্ধারিত ডিসিআর ফি ১১০০/- টাকা অনলাইনে(একপে, উপায়,রকেট, বিকাশ,নগদ, ব্যাংকের কার্ড) পরিশোধ করতে হবে এবং ফি পরিশোধের পর অনলাইনে ডিসিআর এবং নামজারি খতিয়ান ডাউনলোড করে সংগ্রহ করা যাবে।

সময় ও খরচ : নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত ১৫-৩০ দিন সময় লাগে।

মোট খরচ : ১১৭০/ টাকা।

রিয়েল এস্টেট এজেন্ট কি ? বিভিন্ন ধরনের রিয়েল এস্টেট এজেন্ট :একজন রিয়েল এস্টেট এজেন্ট রিয়েল এস্টেট ক্রয় বিক্রয়ের ক্...
18/10/2025

রিয়েল এস্টেট এজেন্ট কি ? বিভিন্ন ধরনের রিয়েল এস্টেট এজেন্ট :

একজন রিয়েল এস্টেট এজেন্ট রিয়েল এস্টেট ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ। একজন রিয়েল এস্টেট এজেন্ট বাড়ি ভাড়া,সম্পত্তি ক্রয়/বিক্রয় করতে সাহায্য করতে পারেন। রিয়েল এস্টেট এজেন্ট সম্পত্তির ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে থাকেন। তারা ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী সম্পত্তি খুঁজে পেতে সাহায্য করে এবং বিক্রেতাদের তাদের সম্পত্তি সর্বোত্তম হারে, ঝামেলা মুক্তভাবে বিক্রি করতে সাহায্য করে। রিয়েল এস্টেট এজেন্টরা ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সমঝোতা চুক্তি মূল্যের উপর ভিত্তি করে তাদের পরিষেবার জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন/চার্জ ধার্য করে থাকেন।

বিভিন্ন ধরনের রিয়েল এস্টেট এজেন্টসমূহ :

বিক্রেতার এজেন্ট : একজন বিক্রেতার এজেন্ট শুধুমাত্র একটি সম্পত্তির বিক্রেতার জন্য কাজ করে। তারা বিক্রেতার সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য ক্রেতাদের অনুসন্ধান করে থাকেন।

ক্রেতার এজেন্ট :একজন ক্রেতার এজেন্ট শুধুমাত্র ক্রেতার জন্য কাজ করে এবং তারা ক্রেতাকে সেরা সম্পত্তি ক্রয় করে দিতে সাহায্য করে থাকেন।

দ্বৈত এজেন্ট : এ ধরনের এজেন্ট ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ের জন্য কাজ করে এবং এজেন্টরা ক্রেতা এবং বিক্রেতার সম্পত্তি লেনদেনের জন্য একমাত্র মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে থাকেন।

জয়েন্ট এজেন্ট : একজন জয়েন্ট এজেন্ট হলেন এক বা একাধিক এজেন্ট যারা একজন বিক্রেতা বা ক্রেতার দ্বারা যৌথভাবে নির্দেশিত হন। এ সমস্ত এজেন্টরা বিক্রেতা এবং ক্রেতার স্বার্থে কাজ করে থাকেন ।

জমির খতিয়ান/পর্চায় ভুল হলে আইনগত প্রতিকার পেতে যা করা যেতে পারে :জমির খতিয়ানে ভুল পাওয়া অনেকটাই স্বাভাবিক। কখনো নামের...
17/10/2025

জমির খতিয়ান/পর্চায় ভুল হলে আইনগত প্রতিকার পেতে যা করা যেতে পারে :
জমির খতিয়ানে ভুল পাওয়া অনেকটাই স্বাভাবিক। কখনো নামের বানানে ভুল, কখনো দাগ নম্বর বা অংশ লেখার ভুল আবার কখনো জমির খতিয়ান অন্য কেউ নিজের নামে করে নিয়েছে। এমন কি খতিয়ানের মূল কপিও হারিয়ে যেতে পারে।

এসব সমস্যার আইনি সমাধান পেতে যা করতে হবে :

১। খতিয়ানে ভুল থাকলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর কাছে ‘মিস কেস’ আবেদন করে সংশোধন করা যাবে। এজন্য সাধারণ সাদা কাগজে আবেদন লিখে ২০ টাকার কোর্ট ফি দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

২। কেউ যদি প্রতারণার মাধ্যমে অন্যের নামে থাকা জমি নিজের নামে করে নেয়, সেক্ষেত্রেও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর ‘মিস কেস‘ দিয়ে বাতিলের আবেদন করা যায়। সোনানি ও যাচাই শেষে আগের মালিকের নামে খতিয়ান ফিরিয়ে দেওয়ার আইনি সুযোগ রয়েছে।

৩। খারিজ খতিয়ান এর মূল কপি হারিয়ে গেলে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে তাঁর কপি ও ২০ টাকার কোর্ট ফি দিয়ে এসি ল্যান্ড অফিসে আবেদন করলে এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে নতুন খতিয়ানের আদেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে মাত্র ১০০ টাকা ফি দিয়ে নতুন খতিয়ান সংগ্রহ করা যায়।

৪। নামজারি ছাড়া অন্য জরিপের খতিয়ান যেমন C.S, S.A, R.S, B.S ইত্যাদি হারিয়ে গেলে, মৌজা নম্বর ও খতিয়ান নম্বর উল্লেখ করে জেলা প্রশাসকের রেকর্ড রুমে আবেদন করলেই তা সংগ্রহ করা সম্ভব।

৫। নামজারি সংশোধনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় সাধারণত ৩০-৪৫ দিন সময় লাগে। আবেদন পাওয়ার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রতিবেদন চাওয়া হয়। প্রতিবেদন এলে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে শুনানিতে ডাকা হয়। কোন আপত্তি না থাকলে সংশোধিত খতিয়ান হস্তান্তর করা হয়।

একজন রিয়েল এস্টেট এজেন্ট যেভাবে প্রোপার্টি সংগ্রহ করতে পারেন :ব্যক্তিগত ও সামাজিক যোগাযোগ : বিভিন্ন পরিচিত মানুষের সাথে...
14/10/2025

একজন রিয়েল এস্টেট এজেন্ট যেভাবে প্রোপার্টি সংগ্রহ করতে পারেন :
ব্যক্তিগত ও সামাজিক যোগাযোগ : বিভিন্ন পরিচিত মানুষের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে নিজের পেশাগত দক্ষতার কথা জানানো। তাছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানে,ব্যবসায়িক মিলন মেলায় বা সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নতুন নতুন মানুষের সাথে পরিচয় হওয়া এবং নিজ পেশা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া।

অনলাইন পোর্টাল : অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন ওয়েব পোর্টালে প্রোপার্টি তালিকাভূক্তির মাধ্যমে অনেক সম্ভাব্য ক্রেতা এবং বিক্রেতার কাছে পৌঁছানো সম্ভব।

ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট ও ব্লগ তৈরি : নিজের ব্যক্তিগত একটি পেশাদার ওয়েবসাইট থাকা যেখানে এজেন্টের দ্বারা বিক্রয় কৃত প্রপার্টির তালিকা, ব্লক পোস্ট ও সফলতার গল্প থাকবে। ওয়েবসাইটটিকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ও গুগল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের (এসইও )মাধ্যমে প্রপার্টি বিক্রেতাদের কাছে তুলে ধরা সম্ভব।

সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যম ও ডিজিটাল মার্কেটিং :
বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমে যেমন facebook, instagram ও লিঙ্কডইন এ কন্টেন্ট তৈরি করে বিজ্ঞাপন দিলে প্রপার্টি বিক্রেতার কাছে পৌঁছানো সম্ভব।

পুরাতন ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ :
প্রাক্তন ক্লায়েন্টদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখলে তারা নতুন প্রপার্টি বিক্রি বা কেনার সিদ্ধান্ত নিলে আপনাকে প্রথমে জানাবে।
ডোর টু ডোর মার্কেটিং : কোন নির্দিষ্ট এলাকায় ঘুরে ঘুরে খোঁজখবর নেওয়া, বাড়ির মালিকদের প্রপার্টি বিক্রির আগ্রহ আছে কিনা,তা জানা।

পেশাদারদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন : নতুন প্রজেক্ট এর জন্য বিল্ডার্স বা ডেভেলপার এর সাথে চুক্তি করা। তারা নতুন প্রপার্টি বিক্রির জন্য এজেন্টের উপর নির্ভর করে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে সুসম্পর্ক রাখা :
দোকানদার, চা বিক্রেতা এবং অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সাথে সুসম্পর্ক ধরে রাখা। তারা প্রায়ই স্থানীয় এলাকার প্রপার্টি বিক্রির খবর রাখেন।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক স্থাপন :
ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সুসম্পর্ক থাকলে তাদের নিলামে তোলা বা বাজেয়াপ্ত করা প্রোপার্টির খোঁজ জানা যায় যা তারা সাধারণত এজেন্টের মাধ্যমে বিক্রয় করে থাকে।

একজন রিয়েল এস্টেট এজেন্ট এই ধরনের কাজগুলো করার মাধ্যমে কার্যকরভাবে তাদের প্রপার্টি সংগ্রহ করতে পারেন এবং ব্যবসার পরিধি বাড়াতে পারেন।

Address

Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OK Prime Properties posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category