আয়কর, মূসক ও কোম্পানি আইন. Income Tax, VAT and Company Law Advisor.

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • আয়কর, মূসক ও কোম্পানি আইন. Income Tax, VAT and Company Law Advisor.

আয়কর, মূসক ও কোম্পানি আইন.  Income Tax, VAT and Company Law Advisor. ০৬,০৮ (A+)
Connectivity Forever With Law
A Nation Whose Commander Is "Muhammad ﷺ (সঃ)" Can Never Be Surrendered. যাযাকাল্লাহু খাইরান.

See You At The Top, Insha Allah

16/12/2025

⚖️বাংলাদেশ আয়কর অডিট থেকে হাইকোর্ট পর্যন্ত:

আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী করদাতার সম্পূর্ণ আইনি রোডম্যাপ
আয়কর অডিট কর প্রশাসনের একটি স্বাভাবিক ও নিয়মিত প্রক্রিয়া। অনেক করদাতা অডিটকে ভয় পান, কিন্তু বাস্তবে সঠিক রিটার্ন দাখিল, প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণ এবং আইনি ধাপ সম্পর্কে ধারণা থাকলে অডিট সহজেই মোকাবিলা করা যায়।
নিচে আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ধারা রেফারেন্সসহ অডিট থেকে শুরু করে আপিল, ADR ও হাইকোর্ট পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে উপস্থাপন করা হলো।

🔹 STEP–1 : Self-Assessment Return দাখিল
📘 ধারা 180
• করদাতা আয়, ব্যয়, করযোগ্য আয়, করছাড় ইত্যাদি উল্লেখ করে Self-Assessment Return দাখিল করেন
• ভবিষ্যতে Audit Selection এই রিটার্নের ভিত্তিতেই হয়

🔹 STEP–2 : অডিট নির্বাচন
📘 ধারা 182(1)
• NBR Risk-Based Audit Selection System ব্যবহার করে
• Audit Selection Criteria নিয়মিত SRO দ্বারা প্রকাশিত হয়
• নির্বাচিত রিটার্ন সংশ্লিষ্ট Commissioner of Taxes–এর কাছে পাঠানো হয়

🔹 STEP–3 : Audit Proceedings শুরু
📘 ধারা 182(2)
Commissioner ৭ কর্মদিবসের মধ্যে গঠন করেন—
• ✔ Inquiry Team
• ✔ Audit Team
• ✔ Audit Curator
👉 DCT করদাতাকে Audit Selection Notice প্রদান করলে অডিট আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়

🔹 STEP–4 : Inquiry Stage
📘 ধারা 182(3)
Inquiry Team যা করে—
• আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায় যাচাই
• ব্যাংক, VAT, TDS, VDS, Import–Export রেকর্ড পরীক্ষা
• প্রয়োজনে তৃতীয় পক্ষ থেকে তথ্য সংগ্রহ
• Risk-based Analysis
📌 সময়সীমা: ৬০ দিন + অতিরিক্ত ৬০ দিন
📌 Inquiry Report জমা: DCT ও Audit Curator–এর নিকট

🔹 STEP–5 : Audit Stage
📘 ধারা 182(4)–(7)
Audit Team-এর কাজ—
• Field / On-site Audit
• Documentation Testing
• Source vs Application of Fund Analysis
• Internal Control Review
• Ratio & Trend Analysis (GP%, NP%, VAT mismatch)
• Bank Transaction Analysis
📘 Audit অবশ্যই NBR Audit Manual (Circular 08/2023) অনুযায়ী হবে
👉 Draft Audit Report করদাতাকে প্রদান
👉 করদাতার ব্যাখ্যা/আপত্তি গ্রহণ
📌 Final Audit Report: Inquiry Report পাওয়ার ৩০০ দিনের মধ্যে

🔹 STEP–6 : Audit Curator-এর সুপারিশ
📘 ধারা 182(8)
৭ কর্মদিবসের মধ্যে দুই ধরনের সুপারিশ—
• ✅ Audit Close (যদি রিটার্ন সঠিক হয়)
• ❌ Further Action (Assessment) (যদি গোপন আয়/অসঙ্গতি থাকে)

🔹 STEP–7 : Commissioner-এর অনুমোদন
📘 ধারা 182(9)
• সুপারিশ পাওয়ার ৭ কর্মদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

🔹 STEP–8 : Revised Return নোটিশ
📘 ধারা 182(10)
Commissioner যদি Further Action অনুমোদন দেন—
• Audit Findings অনুযায়ী Revised Return দাখিল
• Due Tax, Interest ও Penalty পরিশোধ
✅ Revised Return জমা দিলে → Audit Close
❌ না দিলে → Assessment

🔹 STEP–9 : Assessment
📘 ধারা 183–184
• ধারা 183: Return-এর ভিত্তিতে Assessment
• ধারা 184: Best Judgment Assessment
📌 Assessment শেষে করদাতার প্রথম অধিকার → Appeal
🟥 APPEAL STRUCTURE (Income Tax Act, 2023)

🔹 STEP–10 : First Appeal
📘 ধারা 286 (Commissioner of Appeals)
• সময়সীমা: ৪৫ দিন
• Fee: ৳ ২০০
• Admitted Tax Liability পরিশোধ বাধ্যতামূলক

🔹 STEP–11 : Second Appeal
📘 ধারা 291 (Taxes Appellate Tribunal)
• সময়সীমা: ৬০ দিন
• Fee: ৳ ১,০০০
• Pre-deposit: ১০% (শর্তসাপেক্ষে কমানো যায়)

🔹 STEP–12 : High Court Reference
📘 ধারা 293
• শুধুমাত্র Question of Law হলে
• সময়সীমা: ৯০ দিন
• Fee: ৳ ২,০০০
• Deposit:
o দাবি ≤ ১০ লাখ → ১৫%
o দাবি > ১০ লাখ → ২৫%

🔹 STEP–13 : Supreme Court Appeal
📘 ধারা 293(10)
• High Court “Fit for Appeal Certificate” দিলে Appellate Division–এ Appeal

🔹 STEP–14 : Writ Petition
🏛️ Article 102 (Constitution)
Writ করা যায় যদি—
• Jurisdiction error
• Natural Justice লঙ্ঘন
• Mala fide বা আইনবহির্ভূত আদেশ
📌 Writ চলাকালে ADR গ্রহণযোগ্য নয়

🔹 STEP–15 : Alternative Dispute Resolution (ADR)
📘 ধারা 296–304
ADR নেওয়া যায়—
• First Appeal
• Tribunal
• Supreme Court (অনুমতিসাপেক্ষে)
📌 শর্ত: Admitted Tax Liability পরিশোধ
📌 ৩ মাসে নিষ্পত্তি হলে → Written Settlement

⚠️ Disclaimer
এই তথ্যসমূহ আয়কর আইন, ২০২৩–এর আলোকে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে উপস্থাপিত। এটি কোনো ব্যক্তিগত কর পরামর্শ নয়। নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তের আগে একজন যোগ্য Tax Lawyer বা Tax Professional–এর সাথে পরামর্শ করুন।

Import issues..
10/12/2025

Import issues..

ব্যাংকের এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, করদাতারা তাদের ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর প্রবেশ করালেই সিস্টেমটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবে। সংগ্রহ করা তথ্যের মধ্যে থাকবে- ৩০ জুন পর্যন্ত ব্যালেন্স, বছরে মোট অর্জিত মুনাফা, সেই মুনাফার ওপর উৎসে কর কর্তনের পরিমাণ এবং একই সময়ে ব্যাংকের আরোপিত চার্জ।

তিনি বলেন, বর্তমানে যেসব করদাতার একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তাদের প্রত্যেক ব্যাংকে গিয়ে এসব সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হয়, যা প্রায়ই ভুল হয় এবং অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা সৃষ্টি হয়।

তিনি আরো বলেন, এই তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংগ্রহ করা হলে করদাতাদের আর এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে দৌঁড়াতে হবে না এবং জমাকৃত তথ্যের ভুল-ত্রুটি দূর হবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সিস্টেমটি নিয়ে ব্যাপক ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে এনবিআর কোনোভাবেই করদাতার ব্যক্তিগত বা লেনদেন-সম্পর্কিত তথ্যের অ্যাক্সেস পাবে না।

তিনি বলেন, রিটার্ন দাখিলের সময় শুধু করদাতারাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেট হওয়া ব্যাংক তথ্য দেখতে পারবেন এবং কোনো ট্যাক্স কর্মকর্তা এ তথ্য দেখতে পাবেন না।

তিনি আরো বলেন, সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো লেনদেন-স্তরের তথ্য সংগ্রহ করা হবে না। বিশদ ব্যাংক লেনদেনের তথ্য চাওয়া হলে তা বিদ্যমান আইন অনুযায়ী তদন্তের ক্ষেত্রে যথাযথ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আগের মতোই আলাদা প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হবে।

আবদুর রহমান খান বলেন, নতুন এ ব্যবস্থা ব্যাংক-সম্পর্কিত ঘোষণার অসঙ্গতির কারণে ফাইল পুনরায় খোলার মতো অপ্রয়োজনীয় জটিলতা রোধ করবে। উদ্যোগটি ভালোভাবে এগিয়ে চললেও এটি এই বছর চালু করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এনবিআরের নিজস্ব আইটি টিমকে শক্তিশালী করে সব ব্যাংকের ডিজিটাল সিস্টেমের সাথে নিরাপদ সংযোগের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পর আগামী অর্থবছরের আগেই এ সিস্টেমটি চালু করা সম্ভব হবে।

এ ব্যবস্থা সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে এবং জনগণের আস্থা তৈরিতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সঠিক তথ্য প্রচারে গণমাধ্যমের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, সিস্টেমটি চালু হলে স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বাড়বে এবং স্বাভাবিকভাবে রাজস্ব আদায়ও বাড়বে।

এনবিআর চেয়ারম্যান পুনর্ব্যক্ত করেন, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়াকে সহজ করা, করদাতাদের ঝামেলা কমানো এবং দেশের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সাহায্য করবে। @

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য::::
05/12/2025

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য::::

📢 জমির মালিকানা আগে কার ছিল—৫ মিনিটে যাচাই করার সহজ পদ্ধতি@

(পুরনো খতিয়ান + নামজারি + SA/RS/BS রেকর্ড মিলিয়ে ১০০% নিশ্চিত হোন)

বাংলাদেশে জমি নিয়ে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো—
👉 আসল মালিক ভিন্ন
👉 দলিল ভিন্ন
👉 নামজারি ভিন্ন
👉 পুরনো খতিয়ান অন্য কারো নামে

এই ভুলের কারণে হাজার হাজার মানুষ প্রতারণার শিকার হয়।

কিন্তু আপনি চাইলে ৫ মিনিটে বুঝে ফেলতে পারবেন জমির মালিকানা আগে কার ছিল — আর এখন কার নামে সঠিকভাবে স্থানান্তর হয়েছে।

---

🟩 ১️⃣ পুরনো মালিক যাচাই (CS / SA Record)

প্রথমে খতিয়ানে দেখুন—
✔ কার নামে CS
✔ কার নামে SA
✔ তাদের উত্তরাধিকারী কারা

এটাই জমির “Roots of Ownership”。

যাচাই লিংক:
👉 https://land.gov.bd
👉 https://bhumi.gov.bd

---

🟥 ২️⃣ Mutation (নামজারি) মিলিয়ে দেখুন

Mutation না থাকলে জমি মালিকানা অসম্পূর্ণ।
জাল দলিলের ৯০% ক্ষেত্রেই Mutation থাকে না।

Mutation এ দেখবেন—
✔ কোন দলিলের ভিত্তিতে নামজারি হয়েছে
✔ পুরনো মালিক থেকে নতুন মালিকের স্থানান্তর সঠিক কি না
✔ দাগ–খতিয়ান ঠিক আছে কি না

---

🟩 ৩️⃣ RS / BS রেকর্ড মিলান

অনেক সময় SA খতিয়ানে এক নাম—RS/BS খতিয়ানে আরেক নাম উঠে আসে।
এতে বুঝবেন—
👉 রেকর্ড আপডেটে ভুল হয়েছে, অথবা
👉 জমি অন্য কারো নামে নামজারি হয়ে গেছে

মিলিয়ে দেখার বিষয়:
✔ দাগ নম্বর
✔ জমির পরিমাণ
✔ জমার পরিমাণ
✔ মালিকের নাম

---

🟥 ৪️⃣ বর্তমান মালিক আসল কি না চেক করুন (ROR/মালিকানা রেকর্ড)

“Record of Rights (ROR)” হলো বর্তমান মালিকানার অফিসিয়াল রেকর্ড।

👉 ভুমি অফিস
👉 e-Mutation System
👉 e-Deed (নতুন দলিল হলে)

এখানে মালিক কে—
সরাসরি দেখা যায়।

---

🟩 ৫️⃣ পূর্ববর্তী মালিক থেকে বর্তমান মালিক পর্যন্ত মালিকানা চেইন (Chain of Ownership) তৈরি করুন

এই চেইনে থাকবে:
✔ পুরনো খতিয়ান
✔ দলিল
✔ Mutation
✔ RS/BS রেকর্ড
✔ রেজিস্ট্রি কপি

এটাই ১০০% নিশ্চিত মালিকানা।

---

📌 যদি কোথাও মিল না থাকে — ৯৯% ঝুঁকি!

✔ দলিল জাল
✔ Mutation ভুল
✔ অন্য কারো জমি আপনাকে দেখানো হচ্ছে
✔ বা জমি নিয়ে মামলা আছে

---

🟢 সংক্ষেপে:

মালিকানা যাচাই =
CS → SA → RS/BS → দলিল → Mutation → বর্তমান ROR

এই ৬ ধাপ মিললে জমি ১০০% নিরাপদ।

#জমিজমা #জমিররেকর্ড #খতিয়ান #জমিবিবাদ

#জমিরআইন #ভূমিওফিস

 # # # # ংক্রান্ত_সমস্যা_এবং_সমাধান। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে যে,আয়কর রির্টান জমা দেওয়ার পরও,Tax Office থেকে জমা না দেওয়ার ন...
29/10/2025

# # # # ংক্রান্ত_সমস্যা_এবং_সমাধান।

বর্তমানে দেখা যাচ্ছে যে,আয়কর রির্টান জমা দেওয়ার পরও,Tax Office থেকে জমা না দেওয়ার নোটিশ চলে আসছে এবং যেখানে ২২ দিনের ভিতরে নোটিশের জবাব দেবার কথা বলা হয়। এই বিষয়ে করনীয় কি?

১. অনলাইনে জমাকৃত আয়কর রিটার্ন এক সেট ফটোকপি।

২. উপকর- কমিশনার বরাবর একটি আবেদন কপি।

৩. Acknowledgement Slip এর কপি।

এই তিনটার দুই কপি নিয়ে, যেখান থেকে নোটিশ আসছে ওই কর অফিসে গিয়ে একসেট রিসিভ করে রাখতে হবে।

ধন্যবাদ।
@ #

প্রবাসী
25/10/2025

প্রবাসী

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী করদাতাদের জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল সহজ হলো-

এনবিআর

11/10/2025

Important issue::::;:

অনেকের হয়তো ই-রিটার্নে রেজিঃ হবে না যেটা সে জানেই না! ম্যানুয়াল রিটার্ন দিতে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে এপ্লাই করতে হবে সেটাও অজানা! সময়ের কাজ সময়ে না করা বাঙালির স্বভাব। শেষ সময়ে অস্থির হবে কিন্তু অফুরন্ত সময়ে বসে থাকে।

 # # # # # # # #সঞ্চয়পত্র সার্টিফিকেট@@@@ # #যারা সঞ্চয়পত্রের সার্টিফিকেট নিতে চান, তারা কমেন্টে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে ঘ...
04/09/2025

# # # # # # # #সঞ্চয়পত্র সার্টিফিকেট@@@@

# #যারা সঞ্চয়পত্রের সার্টিফিকেট নিতে চান, তারা কমেন্টে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে ঘরে বসেই অনলাইনে সহজে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে পারবেন।
কিভাবে করবেন ধাপে ধাপে তা নিচে দেওয়া হলো—

1️⃣ প্রথমে Sign In(https://nsd.finance.gov.bd/selfreport/) করতে হবে নিম্নোক্ত তথ্য দিয়ে:
NID
Date of Birth
Mobile Number
Captcha
2️⃣ এরপর আপনার মোবাইলে একটি OTP যাবে। সেই OTP বসালে সাইন ইন হয়ে যাবে।
3️⃣ এরপর আপনার তথ্য (Information) শো করবে।
4️⃣ এবার অর্থবছর (Financial Year) সিলেক্ট করতে হবে।
5️⃣ বাম পাশে থাকা প্রত্যয়ন পত্র (Certificate) অপশন সিলেক্ট করে Run
Report-এ ক্লিক করলে সার্টিফিকেট প্রদর্শিত হবে।
6️⃣ সার্টিফিকেটটি সেভ করে রেখে দিন। ✅

 # # # # #🔒 e-TIN বন্ধ (Inactive) করার উপায়@@@@@@🏢 কর কার্যালয়ে আবেদনআপনার সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চল/সার্কেল অফিসে লিখিত আবেদন ...
31/08/2025

# # # # #🔒 e-TIN বন্ধ (Inactive) করার উপায়@@@@@@

🏢 কর কার্যালয়ে আবেদন

আপনার সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চল/সার্কেল অফিসে লিখিত আবেদন জমা দিতে হবে।

আবেদনপত্রে উল্লেখ করতে হবে কেন e-TIN বন্ধ করতে চান (যেমন: ব্যবসা বন্ধ 🏭, চাকরি শেষ 💼, আয় নেই 🚫 ইত্যাদি)।

---

📄 প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

🪪 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) কপি

📑 বিদ্যমান e-TIN সার্টিফিকেট কপি

📝 ব্যবসা/চাকরি বন্ধের প্রমাণপত্র (যদি থাকে)

---

👨‍💼 কর কর্মকর্তা যাচাই

কর অফিসার বিষয়টি যাচাই করবেন ✅

সবকিছু ঠিক থাকলে আপনার e-TIN Inactive করে দেবেন।

---

✅ চূড়ান্ত অবস্থা

Inactive হলে সেই e-TIN দিয়ে আর কোনো আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে না।

তবে পুরোপুরি মুছে ফেলা হয় না—তথ্য রেকর্ডে থেকে যায়।

---

🏠💻 ঘরে বসে করার উপায়

1️⃣ আবেদনপত্র তৈরি করুন

✍️ আমি আগে যে আবেদনপত্রের নমুনা দিয়েছিলাম, সেটা ব্যবহার করে লিখিত আবেদন বানান।

2️⃣ ডকুমেন্ট স্ক্যান করুন

📑 e-TIN সার্টিফিকেট কপি
🪪 NID কপি
📄 প্রমাণপত্র (ব্যবসা/চাকরি বন্ধের)

3️⃣ ইমেইল বা ডাকযোগে পাঠান

📧 কর অফিসের অফিসিয়াল ইমেইলে স্ক্যান কপি পাঠাতে পারেন
📮 অথবা ডাকযোগেও পাঠাতে পারবেন

4️⃣ ফোনে যোগাযোগ করুন ☎️

কর অফিসে কল করে জানতে পারবেন তারা অনলাইনে বা ইমেইলে আবেদন নিচ্ছে কি না।

---

📞 যোগাযোগের তথ্য

☎ Income Tax e-Return Hotline: 09643717171

☎ Tax & VAT e-Payment Hotline: 16555

☎ BSW Call Centre: 16139

📧 অফিসিয়াল ইমেইল ঠিকানা:

কর সংক্রান্ত: feedbacktax @ nbr . gov . bd

ভ্যাট: feedbackvat @ nbr . gov . bd

কাস্টমস: feedbackcustoms @ nbr . gov . bd

---

🚀 অনলাইনে দ্রুত প্রসেস

✅ ডকুমেন্ট প্রস্তুত করুন

e-TIN সার্টিফিকেট কপি

NID কপি

শূন্য রিটার্ন রসিদ (৩ বছরের, যদি থাকে)

☎️ হটলাইনে ফোন করুন

09643717171 এ কল করে জানান যে আপনি e-TIN নিষ্ক্রিয় করতে চান।

অফিসারের নির্দেশ অনুযায়ী ডকুমেন্ট ইমেইলে পাঠান।

📧 ইমেইল পাঠান

আবেদনপত্র + ডকুমেন্ট সংযুক্ত করে পাঠান

বিষয় লাইনে লিখুন: "e-TIN নিষ্ক্রিয় করার আবেদন"

---

📌 Quick Summary

মাধ্যম তথ্য

☎ হেল্পলাইন 09643717171 (Income Tax e-Return)
📧 ফিডব্যাক ইমেইল feedbacktax @ nbr . gov . bd
📄 কাগজপত্র e-TIN সার্টিফিকেট, NID, শূন্য রিটার্ন (যদি থাকে)

 # # # # # # # # # #@   Audit আয়কর রিটার্ন অডিটে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বো...
18/08/2025

# # # # # # # # # #@ Audit

আয়কর রিটার্ন অডিটে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ‘আয়কর রিটার্ন অডিট নির্দেশনা, ২০২৫’ শিরোনামে জারি করা এই গাইডলাইনে করদাতাদের রিটার্ন যাচাই-বাছাই থেকে শুরু করে অডিট পরিচালনা, প্রতিবেদন প্রস্তুত ও নিষ্পত্তির প্রতিটি ধাপ বিস্তারিতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘আয়কর আইন, ২০২৩’-এর ১৮০ ও ১৮২ ধারার আলোকে করদাতার দাখিল করা রিটার্নে কোনো অসংগতি বা ঝুঁকি চিহ্নিত হলে অডিটের আওতায় আনা হবে। এর উদ্দেশ্য কর ফাঁকি প্রতিরোধ, কর সংস্কৃতি উন্নয়ন এবং কর আইন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।ঝুঁকিভিত্তিক পদ্ধতিতে অডিটের জন্য রিটার্ন বাছাই হবে। এ জন্য একটি অটোমেটেড সিস্টেম ব্যবহার করা হবে, যাতে মানবীয় হস্তক্ষেপ কম থাকে।

তবে কাগজে দাখিল করা রিটার্নের ক্ষেত্রে আপাতত র‌্যান্ডম বাছাই চালু থাকবে। কোম্পানি ও অন্যান্য করদাতার রিটার্ন আলাদাভাবে যাচাই করে বোর্ডের অনুমোদনের ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে প্রসেস করা রিটার্ন বা নতুন করদাতার প্রথম রিটার্ন অডিটে আনা হবে না, যদি না তাতে স্পষ্ট রাজস্ব ক্ষতি দেখা যায়। একই করদাতাকে টানা তিন বছর অডিটে না আনার বিধান রাখা হয়েছে।তবে লোকসান, শূন্য আয় বা অস্বাভাবিকভাবে কম আয় দেখালে রিটার্ন অডিটে নেওয়া যাবে। এছাড়া, আগে যাদের কখনও অডিট হয়নি, সেই রিটার্ন থেকে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ বাছাই করার কথা বলা হয়েছে।অডিটের ধাপ

রিটার্ন নির্বাচনের পর করদাতাকে ৩০ দিনের মধ্যে নোটিশ দেওয়া হবে। ব্যাখ্যা সন্তোষজনক হলে অডিট থেকে অব্যাহতি দেওয়া যেতে পারে। অন্যথায় কর পরিদর্শক মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করে প্রমাণ সংগ্রহ করবেন এবং সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলকে প্রতিবেদন দেবেন।

প্রয়োজনে সংশোধিত রিটার্ন জমা দিতে পারবেন করদাতা। তিনি তা করলে অডিট নিষ্পত্তি হবে, আর না করলে আইন অনুযায়ী কর নির্ধারণ করা হবে। অগ্রগতির মাসিক প্রতিবেদন বোর্ডে পাঠানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ব্যক্তি করদাতাদের জন্য বিশেষ নজরদারি

ব্যক্তি করদাতার আয়কর রিটার্ন অডিটের সময় বেতনভিত্তিক আয়, ব্যাংক হিসাবের জমা, ভাড়া আয়, কৃষি আয়, রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ আয় ও জীবনযাত্রার ব্যয় খুঁটিনাটি যাচাই করা হবে। আয়ের সঙ্গে সম্পদ ও ব্যয়ের সংগতি আছে কিনা, তা বিশেষভাবে দেখা হবে।

কর দিবসের মধ্যে return submission করুন
17/08/2025

কর দিবসের মধ্যে return submission করুন

 # # কোম্পানি খোলা ও কোম্পানি বন্ধ  # # # # কোম্পানি খোলা থেকে বন্ধ পর্যন্ত কোন সেবা কীভাবে পাবেন # # কোম্পানির এই নিয়ম ...
28/07/2025

# # কোম্পানি খোলা ও কোম্পানি বন্ধ # #

# # কোম্পানি খোলা থেকে বন্ধ পর্যন্ত কোন সেবা কীভাবে পাবেন # # কোম্পানির এই নিয়ম জানা প্রয়োজন # #

অনেকেই জানেন না কীভাবে নতুন কোম্পানির নামের ছাড়পত্র ও নিবন্ধন নিতে হয় কিংবা কোম্পানি বন্ধ করলে কী কাগজ লাগে। বাংলাদেশে কোম্পানি, বাণিজ্য সংগঠন, অংশীদারি প্রতিষ্ঠান কিংবা সোসাইটি গঠন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে নামের ছাড়পত্র, নিবন্ধন, রিটার্ন ফাইলিং, প্রত্যয়িত অনুলিপি প্রদানসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেবা দিয়ে থাকে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজেএসসি)।

ব্যবসা শুরু করা হোক বা বন্ধ—প্রতিটি ধাপে প্রয়োজন হয় আরজেএসসির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ও সনদ। অথচ উদ্যোক্তাদের অনেকেই বিভ্রান্ত হন ঠিক কোথায় আবেদন করতে হবে, কত ফি লাগবে বা কোন কাগজ লাগবে, তা নিয়ে।

আরজেএসসি থেকে কয়েক ধরনের সেবা পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে নামের ছাড়পত্র, প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, রিটার্ন ফাইলিং, প্রত্যয়িত অনুলিপি (সার্টিফায়েড কপি) প্রদান, প্রতিষ্ঠান অবসায়ন (উইন্ডিং আপ) ও স্ট্রাক অফ। আরজেএসসির এসব সেবার প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানানো হলো এই প্রতিবেদনে।

# # নামের ছাড়পত্র # #

নামের ছাড়পত্র হলো প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের প্রথম ধাপ। আপনি যে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন করতে চান, সেই প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবিত নামে আগে থেকেই কোনো প্রতিষ্ঠান নিবন্ধিত হয়ে আছে কি না, তা এ ধাপে খুঁজে দেখা হয়। এর উদ্দেশ্য হলো, যাতে একই নামে একাধিক প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন না হয়।
উদ্যোক্তাদের নতুন যেকোনো প্রতিষ্ঠানের (বিদেশি কোম্পানির লিয়াজোঁ অফিস ও ব্রাঞ্চ অফিস ব্যতীত) নিবন্ধনের আগে আবশ্যিকভাবে ওই প্রতিষ্ঠানের নামের ছাড়পত্র নিতে হয়। নামের ছাড়পত্রসহ অন্যান্য সেবার আবেদনের জন্য প্রথমেই আরজেএসসির ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হয়। এরপর নির্ধারিত অপশনে গিয়ে নামের ছাড়পত্রের আবেদন করতে হয়। এ জন্য নির্ধারিত মাশুল (ফি) ব্যাংকে জমা দিতে হয়।
ছাড়পত্রের আবেদন ও নির্ধারিত ফি জমার পরে এরই মধ্যে নিবন্ধিত, ছাড়পত্র পাওয়া বা আবেদনকৃত কোনো নামের সঙ্গে মিলে না গেলে আরজেএসসি প্রস্তাবিত নামের ছাড়পত্র দেয়। নামের এ ছাড়পত্রটি ৩০ দিন পর্যন্ত বহাল থাকে। এর মধ্যেই নিবন্ধনের জন্য আবেদন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি জমা দিতে হয়। অন্যথায় নামের ছাড়পত্রটি বাতিল হয়ে যায়।

# # প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন # #

আরজেএসসির ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা যাবে। এ জন্য উদ্যোক্তারা নতুন প্রতিষ্ঠানের নামের ছাড়পত্র এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র, ফিসহ নির্ধারিত আবেদন ফরমের মাধ্যমে আবেদন করবেন। আবেদনের সঙ্গে আরজেএসসির নির্ধারিত ফরম্যাটে প্রতিষ্ঠানের যথাযথ মোমোরেন্ডাম বা আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশন জমা দিতে হবে।

প্রাইভেট কোম্পানি, পাবলিক কোম্পানি, ওপিসি (ওয়ান পারসন বা এক ব্যক্তির মালিকানাধীন কোম্পানি), বিদেশি কোম্পানি, বাণিজ্য সংগঠন, সোসাইটি ও অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের (পার্টনারশিপ ফার্ম) নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্রের ভিন্নতা রয়েছে। আবেদন প্রক্রিয়ার ধাপ ও নথিপত্র সম্পর্কে আরজেএসসির ওয়েবসাইটে বিস্তারিত বলা আছে।

# # রিটার্ন ফাইলিং # #

আরজেএসসির আরেকটি সেবা হচ্ছে রিটার্ন ফাইলিং।

নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানকে তাদের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা–সম্পর্কিত হালনাগাদ সব তথ্য ও আনুষঙ্গিক কাগজপত্র আরজেএসসির কাছে নির্ধারিত সময়ে ও ফরমে পাঠাতে হয়। মোট দুই ধরনের রিটার্ন ফাইলিং রয়েছে—১. বার্ষিক রিটার্ন ফাইলিং ও ২. যেকোনো পরিবর্তনের জন্য দেওয়া রিটার্ন ফাইলিং।
মূলত প্রতিষ্ঠানগুলো রিটার্ন পাঠায় আরজেএসসিতে এসব তথ্য সংরক্ষণের (ফাইলিং) জন্য। রিটার্ন ফাইলিং ও বিলম্ব রিটার্ন ফাইলিংয়ের (যদি প্রযোজ্য হয়) জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হয়। পরে আরজেএসসি এসব রিটার্নকে যাচাই করে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য দেয়, তাহলে আরজেএসসি তা সংশোধনের জন্য তাদের জানায়। শুধু অনুমোদিত রিটার্নই আরজেএসসি সংরক্ষণ করে।

প্রতিষ্ঠানের শেয়ার মূলধনের বার্ষিক সারসংক্ষেপ, ব্যালান্স শিট, লাভ ও ক্ষতি হিসাব, শেয়ার মূলধন বৃদ্ধি, শেয়ারধারী ও পরিচালকদের তালিকা, ব্যবস্থাপনায় যেকোনো পরিবর্তন, নিবন্ধিত অফিসের অবস্থান পরিবর্তন, নাম পরিবর্তন, পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তর, মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশনের পরিবর্তনসহ উল্লেখযোগ্য যেকোনো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করতে হয়। এ বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য আরজেএসসির ওয়েবসাইটে বলা আছে।

# # প্রত্যয়িত অনুলিপি (সার্টিফায়েড কপি) গ্রহণ # #

আরজেএসসি হলো বাংলাদেশ সরকারের একমাত্র কর্তৃপক্ষ, যেখানে সব ধরনের নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের (কোম্পানি, বাণিজ্য সংগঠন, সোসাইটি বা অংশীদারি প্রতিষ্ঠান) রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয়। কোনো প্রতিষ্ঠানের এক বা একাধিক রেকর্ডের প্রত্যয়িত অনুলিপি পাওয়ার জন্য যে কেউ আবেদন করতে পারেন। এমন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্ধারিত ফি পাওয়া সাপেক্ষে আরজেএসসি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সংরক্ষিত রেকর্ডের প্রত্যয়িত অনুলিপি প্রদান করে থাকে। তবে কোম্পানির লাভ ও ক্ষতির হিসাব শুধু ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছেই প্রকাশ করা হয়।

প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ধরনের নথির (রেকর্ড) জন্য প্রত্যয়িত অনুলিপি প্রদান করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে কোম্পানির পরিচালক ও ব্যবস্থাপনা প্রতিনিধিদের বিবরণ, আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশন বা মেমোরেন্ডাম অথবা এর খণ্ডিত অংশ, নিবন্ধনপত্র, কোম্পানি নিবন্ধনের ঘোষণাপত্র, নামের পরিবর্তন, পরিচালক হতে সম্মত ব্যক্তিদের তালিকা (প্রথম পরিচালকেরা), প্রযোজ্য বছর অনুসারে বার্ষিক শেয়ার মূলধনের সারাংশ, শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালকদের তালিকা, ব্যালান্স শিট, শেয়ার হস্তান্তরের দলিল, প্রাইভেট কোম্পানি থেকে পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তরের তথ্য, স্ট্রাক অফ সার্টিফিকেট (বাতিল বা নিষ্ক্রিয় করা), উইন্ড আপ সার্টিফিকেট (বন্ধ বা বিলুপ্ত) প্রভৃতি তথ্য।

# # প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সনদ (উইন্ডিং আপ) # #

একটি কোম্পানি আদালতের রায়ের মাধ্যমে কিংবা স্বেচ্ছায়—এই দুই উপায়ে বন্ধ বা বিলুপ্ত হতে পারে। আদালতের মাধ্যমে উইন্ডিং আপের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোম্পানি কিংবা কোম্পানির এক বা একাধিক ক্রেডিটর বা নিবন্ধক আদালতে পিটিশন জমা দেন। পিটিশন উপস্থাপনের সময় থেকেই আদালত কর্তৃক কোম্পানির উইন্ডিং আপের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে ধরা হয়। এরপর আদালতের আদেশের অনুলিপি গেজেট আকারে প্রকাশ হয়।

তবে কোনো পাওনাদার বা অবদানকারীর আবেদন বিবেচনায় আদালত উইন্ডিং আপের প্রক্রিয়া স্থগিতের আদেশ দিতে পারেন। আদালত অফিশিয়াল রিসিভার ব্যতীত অন্য এক বা একাধিক ব্যক্তিকে উইন্ডিং আপের প্রক্রিয়ার জন্য লিকুইডেটর (অবসায়ক) হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন।

অন্যদিকে স্বেচ্ছায় উইন্ডিং আপের জন্য একটি কোম্পানিকে রেজল্যুশন, বিশেষ রেজল্যুশন বা এক্সট্রা অর্ডিনারি রেজল্যুশন গ্রহণ করতে হয়। এই রেজল্যুশন গ্রহণের সময় থেকেই স্বেচ্ছায় উইন্ডিং আপের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে মনে করা হয়। রেজল্যুশন তৈরির ১০ দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি ও সংবাদপত্রে এ–সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হয়।

উল্লেখ্য, পাওনাদারদের মাধ্যমে উইন্ডিং আপের ক্ষেত্রে দেনা পরিশোধের কোনো ঘোষণাপত্র দিতে হয় না। কোম্পানির যাবতীয় বিষয় মিটে যাওয়ার (উইন্ড আপ) পর চূড়ান্ত সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর চূড়ান্ত সভার রিটার্ন জমা দিতে হয়। রিটার্ন জমার তিন মাস পর ওই কোম্পানি বিলুপ্ত বলে বিবেচিত হয়। তবে সংক্ষুব্ধ কোনো পক্ষের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে আদালত বিলুপ্তির সময় বাড়াতে পারবেন।

# # প্রতিষ্ঠান বাতিল বা নিষ্ক্রিয় করা (স্ট্রাক অফ) # #

যখন কোনো কোম্পানি আর চলছে না কিংবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে, এমনটা ধরে নেওয়ার উপযুক্ত কারণ থাকে (যেমন বার্ষিক রিটার্ন দীর্ঘদিন জমা দেয়নি), তখন নিবন্ধক কোম্পানির কার্যক্রম অব্যাহত আছে কি না জানতে চেয়ে নোটিশ দেয় আরজেএসসি।
এই প্রথম নোটিশের ৩০ দিনের মধ্যে কোম্পানির কাছ থেকে কোনো উত্তর না পেলে পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে কোম্পানিকে দ্বিতীয় নোটিশ দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে যদি কোম্পানি চলছে না বা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে, এমন উত্তর পাওয়া যায় অথবা দ্বিতীয় নোটিশের ৩০ দিনের মধ্যে কোনো উত্তর পাওয়া না যায়, তখন ওই কোম্পানির নিবন্ধন বাতিল ও বিলুপ্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এ জন্য ৯০ দিন সময়ের মধ্যে কোম্পানির নিবন্ধন বাতিল হবে এবং কোম্পানিটি বিলুপ্তি হবে, সরকারি গেজেটে এমন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে ওই কোম্পানিকে নোটিশের মাধ্যমেও তা জানানো হয়।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আয়কর, মূসক ও কোম্পানি আইন. Income Tax, VAT and Company Law Advisor. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share