26/05/2026
আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৭২ অনুযায়ী, কর ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে আয়,সম্পদ,বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করলে গোপন করা বা ফাঁকি দেওয়া অর্থের ওপর ন্যূনতম ১০% থেকে সর্বোচ্চ ১৫% পর্যন্ত অথবা ফাঁকি দেওয়া করের ৫০% থেকে ১০০% পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।এছাড়া ইচ্ছাকৃত ভাবে গুরুতর কর ফাঁকির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে।
আয় গোপন করার জরিমানার বিস্তারিত দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো:
■ আর্থিক জরিমানা (আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৭২ অনুযায়ী):
কর ফাঁকি দেওয়া অর্থের ওপর ১৫% জরিমানা।
অথবা,ফাঁকি দেওয়া অর্থের ওপর ১০% হারে যতগুলো করবর্ষে তথ্য গোপন করা হয়েছে (আয় গোপন করার বছর থেকে উদঘাটনের বছর পর্যন্ত), তার গুণফল।
■ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট জরিমানা ও শাস্তি:
মিথ্যা তথ্য: করের সাথে সম্পর্কিত কোনো আয়, সম্পদ বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন বা অসত্য প্রদর্শন করলে লুকানো আয়ের ওপর আরোপিত করের নূন্যতম ৫০% থেকে সর্বোচ্চ ১০০% পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।
■ শুনানির সুযোগ: জরিমানা আরোপের আগে কর কর্মকর্তাকে অবশ্যই করদাতাকে শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদান করতে হবে।
■ কারাদণ্ড: কর ফাঁকি বা ইচ্ছাকৃত জালিয়াতির মতো অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।