Barrister Zaima Rahman

Barrister Zaima Rahman Barrister-at-Law | Communications Strategist

শিশুদের সাথে খুঁনসুটি
27/05/2026

শিশুদের সাথে খুঁনসুটি

08/04/2026
বিভিন্ন ঐতিহাসিক বিষয়ের প্রতি আমার সবসময় একটু বেশিই আগ্রহ কাজ করে। ইতিহাস থেকে আমি অনেক কিছুই শিখেছি। এরমধ্যে, একটি প্...
27/03/2026

বিভিন্ন ঐতিহাসিক বিষয়ের প্রতি আমার সবসময় একটু বেশিই আগ্রহ কাজ করে। ইতিহাস থেকে আমি অনেক কিছুই শিখেছি। এরমধ্যে, একটি প্রসঙ্গ আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই।

কেস ইন পয়েন্ট: ২৬ মার্চ, ১৯৭১।

রাতের আঁধারে হানাদার বাহিনীর ব‍্যাপক গণহত্যা, নারী নির্যাতন, যৌন সহিংসতা এবং পুরো জাতির ভবিষ্যৎকে টার্গেট করে ভয়াবহ পরিকল্পিত অভিযানের পর বাংলাদেশীদের হয়তো ভেঙে পড়ার কথা ছিল।

কিন্তু না, বাংলাদেশীদের আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনতা অর্জনের অদম‍্য বাসনা অক্ষুন্ন ছিলো।

সাধারণ জনতা তথা- ছাত্র, শ্রমিক, গৃহিণী, কৃষক - সবাই স্বাধীনতার জন‍্য যুদ্ধের পথকেই বেছে নিয়েছিলো। বেঁচে থাকার কোন নিশ্চয়তা তাদের ছিল না; ছিল কেবল এই দৃঢ় বিশ্বাস যে, তাদের সংস্কৃতি, ভাষা এবং দেশের তরে যুদ্ধ করে স্বাধীন হবার যোগ্য।

আজ আমরা যে স্বাধীন দেশে বসবাস করতে পারছি তা সেই সঠিক সিদ্ধান্তটিরই প্রতিফলন।

এবং আমাদের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসের সেই বীরসেনানীগণ কিনবা মানুষগুলো কোনো দূরবর্তী ব্যক্তিত্ব নন। তারা আমাদেরই কারো দাদা-দাদী/নানা-নানী, আমাদের পরিবার, আমাদের প্রতিবেশী, আমাদের শিক্ষক; যারা জীবন্ত উদাহরণ হিসেবে আমাদের প্রমাণ করেছেন যে কিভাবে নিজেদের বিশ্বাস ও আদর্শের দায়িত্ব গ্রহণ করার মাধ্যমে বিজয়ী হতে হয়।

ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে যে, ঐক্যবদ্ধ থাকলে যেকোন বড় লক্ষ্যই অর্জন করা সম্ভব। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এর শ্রেষ্ঠ উদাহরণ।

বর্তমানে আমরা হয়তো সেই যুদ্ধক্ষেত্রে নেই, কিন্তু দেশগঠনে আমাদের দায়িত্ব একই।

তাহলে আমরা আজ কীসের জন্য লড়াই করছি?
এবং ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের অকুতোভয় বীরদের কি আমরা একটি ঐক‍্যবদ্ধ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়েই সম্মানিত করতে পারিনা?

গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশের নারী ও তরুণীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা এবং সময় কাটানোর সৌভাগ্য হয়েছে। আমি তাদের প্রত‍্যাশা ও স্...
08/03/2026

গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশের নারী ও তরুণীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা এবং সময় কাটানোর সৌভাগ্য হয়েছে। আমি তাদের প্রত‍্যাশা ও স্বপ্নের কথা শুনেছি, তাদের ভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার চেষ্টা করেছি।

তাই আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আমাদের কন্যাদের পক্ষেই কথা বলতে চাই। আমাদের কন্যারা বাস্তব জীবনের মেয়ে, যাদের স্বপ্নও বাস্তব। তাদের চোখে জ্বলে ওঠে সফলতার প্রয়াস, কৌতূহল ও দৃঢ় সংকল্পের আলো।

আমরা যদি আমাদের কন্যাদের নিরাপত্তা দিতে এবং তাদের স্বপ্নগুলোকে বাস্তবায়িত করতে বারবার ব্যর্থ হই, তবে বাংলাদেশ কীভাবে এগিয়ে যাবে?

বাংলাদেশে এখনো অনেক মেয়ে এমন পরিবেশে বড় হচ্ছে, যেখানে নিরাপত্তার চেয়ে ভয়ই খুব কাছের বাস্তবতা।ইউনিসেফের ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রতি ১০ জন শিশুর মধ্যে ৯ জনই প্রতি মাসে কোনো না কোনো ধরনের সহিংস আচরণের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায়।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে শিশুধর্ষণ ও যৌননিপীড়নের একাধিক ন্যাক্কারজনক ঘটনা গোটা দেশ ও জাতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে ইউনিসেফ সতর্ক করেছে যে শিশুদের বিশেষ করে কন্যাশিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার রিপোর্ট উদ্বেগজনকহারে বাড়ছে। কিশোরী মেয়েরাও সহিংসতার ঝুঁকির বাইরে নয়। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, কিশোরী মেয়েদের ২৮ শতাংশ গত ১২ মাসে শারীরিক বা মানসিক সহিংসতার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছে।

আমাদের আরও একটি কঠিন বাস্তবতা হলো বাল‍্যবিবাহ। বাংলাদেশে এখনো ২০- ২৪ বছর বয়সী নারীদের প্রায় অর্ধেকের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই। বাল‍্যবিবাহ কোনো মেয়েকে সুরক্ষা দেয় না। বরং এটি তার শৈশব কেড়ে নেয়, তার শিক্ষা ব্যাহত করে এবং স্বাবলম্বী হয়ে স্বাধীনভাবে জীবন গড়ার পথকে আরও কঠিন করে তোলে।

এ বছরের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য হলো- “Rights. Justice. Action. For ALL Women and Girls”

—এটি কেবল একটি স্লোগান হয়ে থাকলে চলবে না। এর বাস্তব অর্থ থাকতে হবে। এর অর্থ হতে হবে আমাদের কন‍্যাদের পরিপূর্ণ সুরক্ষা দেওয়া, বাল‍্যবিবাহ বন্ধ করা এবং দেশের প্রতিটি কন্যার জন্য এমন সুযোগ তৈরি করা যাতে তারা শিক্ষা নিতে পারে, বিকশিত হতে পারে, কাজ করতে পারে এবং নেতৃত্ব দিতে পারে।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গড়বে এদেশের কন্যারাই- সেই লক্ষ্যে আমাদের কন‍্যারা যেন স্বপ্ন দেখার নিরাপত্তা পায়, জ্ঞানার্জন ও নেতৃত্বের নিরাপত্তা পায় এবং নিজের স্বকীয়তায় জীবন গড়ার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

একুশে পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠান।বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরববোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানক...
26/02/2026

একুশে পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠান।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরববোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক ২০২৬’ তুলে দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

26/02/2026

হেঁটে একুশে পদকের অনুষ্ঠানে আসা।

14/02/2026

Zaima Jibu | জাইমা জিবু

জাতীয় ভোট দিবস 🌾🇧🇩
12/02/2026

জাতীয় ভোট দিবস 🌾🇧🇩

09/02/2026

সেমিনার শেষে একটু আড্ডা

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Barrister Zaima Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share