27/03/2026
বিভিন্ন ঐতিহাসিক বিষয়ের প্রতি আমার সবসময় একটু বেশিই আগ্রহ কাজ করে। ইতিহাস থেকে আমি অনেক কিছুই শিখেছি। এরমধ্যে, একটি প্রসঙ্গ আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই।
কেস ইন পয়েন্ট: ২৬ মার্চ, ১৯৭১।
রাতের আঁধারে হানাদার বাহিনীর ব্যাপক গণহত্যা, নারী নির্যাতন, যৌন সহিংসতা এবং পুরো জাতির ভবিষ্যৎকে টার্গেট করে ভয়াবহ পরিকল্পিত অভিযানের পর বাংলাদেশীদের হয়তো ভেঙে পড়ার কথা ছিল।
কিন্তু না, বাংলাদেশীদের আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনতা অর্জনের অদম্য বাসনা অক্ষুন্ন ছিলো।
সাধারণ জনতা তথা- ছাত্র, শ্রমিক, গৃহিণী, কৃষক - সবাই স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধের পথকেই বেছে নিয়েছিলো। বেঁচে থাকার কোন নিশ্চয়তা তাদের ছিল না; ছিল কেবল এই দৃঢ় বিশ্বাস যে, তাদের সংস্কৃতি, ভাষা এবং দেশের তরে যুদ্ধ করে স্বাধীন হবার যোগ্য।
আজ আমরা যে স্বাধীন দেশে বসবাস করতে পারছি তা সেই সঠিক সিদ্ধান্তটিরই প্রতিফলন।
এবং আমাদের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসের সেই বীরসেনানীগণ কিনবা মানুষগুলো কোনো দূরবর্তী ব্যক্তিত্ব নন। তারা আমাদেরই কারো দাদা-দাদী/নানা-নানী, আমাদের পরিবার, আমাদের প্রতিবেশী, আমাদের শিক্ষক; যারা জীবন্ত উদাহরণ হিসেবে আমাদের প্রমাণ করেছেন যে কিভাবে নিজেদের বিশ্বাস ও আদর্শের দায়িত্ব গ্রহণ করার মাধ্যমে বিজয়ী হতে হয়।
ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে যে, ঐক্যবদ্ধ থাকলে যেকোন বড় লক্ষ্যই অর্জন করা সম্ভব। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এর শ্রেষ্ঠ উদাহরণ।
বর্তমানে আমরা হয়তো সেই যুদ্ধক্ষেত্রে নেই, কিন্তু দেশগঠনে আমাদের দায়িত্ব একই।
তাহলে আমরা আজ কীসের জন্য লড়াই করছি?
এবং ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের অকুতোভয় বীরদের কি আমরা একটি ঐক্যবদ্ধ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়েই সম্মানিত করতে পারিনা?