OR Law Office

OR Law Office Law office

21/07/2026

মাননীয় বিচারপতি জনাব কুদ্দুস জামান ১৯৬০ সালের ১২ আগস্ট পাকিস্তানের পূর্ব পাকিস্তানের রাজবাড়ী জেলার ভবানীপুরে জন্মগ্রহণ করেন । তিনি ১৯৭৫ এবং ১৯৭৮ সালে যথাক্রমে রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং রাজবাড়ী সরকারি কলেজ থেকে স্নাতক হন । তিনি ১৯৮২ এবং ১৯৮৩ সালে যথাক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন । জামান ১৯৮৪ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি মুন্সিফ হিসেবে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিচার বিভাগে যোগদান করেন । তিনি সিনিয়র সহকারী জজ এবং যুগ্ম জেলা জজ পদে পদোন্নতি লাভ করেন।

২০০৬ সালের মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত, জামান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অংশ হিসেবে প্লে বার্গেন সিস্টেম অধ্যয়নের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। তিনি ২০০৬ সালের ৯ অক্টোবর জেলা জজ পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার ছিলেন। জানুয়ারিতে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আদালতের প্রাঙ্গণ থেকে বোমা উদ্ধারের পর তিনি অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে একটি চিঠি পাঠান।

২০১৫ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি জামান ঢাকা জেলার জেলা জজ হিসেবে নিযুক্ত হন।
রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় জামান সোহেল রানা এবং আরও ৪০ জনকে অভিযুক্ত করেন । ২০১৬ সালের নভেম্বরে, জামান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে এক ব্যক্তিকে ডাকাতির অভিযোগে সরকারি রেলওয়ে পুলিশ স্টেশনের চার পুলিশ কর্মকর্তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন ।
২০১৮ সালের ৩১ মে জামানকে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। জুলাই মাসে, জামান এবং বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ফার্মার্স ব্যাংকের প্রাক্তন অডিট প্রধান মাহবুবুল হক চিশতির জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন।

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে, জামান এবং বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বগুড়া জেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক তুফান সরকারকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলায় জামিন দেননি। জামান এবং বিচারপতি ওবায়দুল হাসান হাইকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলামকে প্রটোকল প্রদানে ব্যর্থতার জন্য ফেনী জেলা আদালতের প্রাক্তন জজ মো. ফিরোজ আলমকে আদালত অবমাননার দায়ে জরিমানা করেন । মার্চ মাসে, জামান এবং বিচারপতি মামনুন রহমান জামিনের আবেদনে তথ্য গোপন করার জন্য ধর্ষণের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিনের জামিন প্রত্যাহার করেন।

​বিচারপতি এস.এম.কুদ্দুস জামান নিজেকে একজন দক্ষ, সৎ এবং পরিশ্রমী বিচারক হিসেবে প্রমাণ করেছেন। তাঁর সিদ্ধান্ত এবং রায়গুলো আমাদের দেশের বিভিন্ন আইন সাময়িকীতে (Law Journals) প্রকাশিত হয়েছে। রায়গুলো অত্যন্ত চমৎকার এবং আইনের বিভিন্ন বিষয়ের সঠিক ব্যাখ্যা এতে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি অত্যন্ত যত্ন ও সতর্কতার সাথে তাঁর আইনি কাজগুলো সম্পাদন করতেন। তিনি ছিলেন একজন অনন্য সাধারণ ব্যক্তিত্ব এবং তরুণ ও বয়োজ্যেষ্ঠ সকলের প্রতি তাঁর আচরণ ছিল অত্যন্ত আন্তরিক।. “The judgments are remarkable and reflected true expositions of law on various subjects. He used to perform his legal work in meticulous care and caution. He was a gentleman per excellence and his attitude towards the young and aged was extremely cordial".

আজকে আমরা বিচারপতি এস. এম. কুদ্দুস জামান এর বি.এস খতিয়ান (B.S. Khatian) সংশোধন এর বিখ্যাত একটি রায় নিয়ে আলোচনা করব যে রায়টি বহুল আলোচিত এবং সর্বজনগৃহীত একটি রায় এবং রায়টি রেফারেন্স ভুক্ত হয়েছে SCOB 20(HCD)246

​High Court Division
​(Civil Revisional Jurisdiction)
​Mr. Justice S M Kuddus Zaman
​Civil Revision No. 6034 of 2024.
​Md. Zahangir Alam and others ------ Petitioners
Vs.
Ziaul Haque and others ------ opposite parties
​Judgement Date : July 20, 2025
​Mr. Md. Harun Al Kaioum with Mr. Md. Sultan Uddin with Mr. Micolas Chakma, Advocates ----- For the petitionersMr. Humayun Kabir with Ms. Tasmin Akter with Ms. Fahima Akter with Mr. Ismail Hossain with Mr. Amin Hossain Gazi, Advocates ------ For the opposite party Nos.1-12.Mr. Asaduzzaman, Attorney General with Mr. Saifur Rahman, DAG with Mr. Moshihur Rahman, AAG with Mr. Mizanur Rahman, AAG with Mr. Arifur Rahman, AAG ------ For the proforma opposite party Nos. 26-29.
​Judgment
​S M Kuddus Zaman, J: 1. This Rule was issued calling upon the opposite party Nos.1-12 to show cause as to why the impugned judgment and decree dated 01.10.2024 passed by the learned Judge of the Land Survey Appellate Tribunal, Chandpur in Land Survey Appeal No.13 of 2024 disallowing the appeal and thereby affirming those dated 09.01.2019 passed by the Land Survey Tribunal, Chandpur in Land Survey Tribunal Suit No.2072 of 2015 decreeing the suit should not be set aside and/or pass such other or further order or orders as to this Court may seem fit and proper.
​Facts in short are that the opposite parties as plaintiffs instituted above suit to the Land Survey Tribunal Chandpur for declaration that B.S. khatian Nos.1359 and 439 in the names of the defendants are unlawful and for creation of a new khatian for 19 decimal land in the names of the plaintiffs out of 31 decimal land of above two B.S. khatians. It was alleged that above property belonged to Ramjan Ali @ Ranjon Ali, Alemjan and Nekjan in whose names C.S. khatian No.1046 was correctly prepared. Above Ramjan Ali died leaving three sons Ansar Ali, Monsur Ali and Golam Mohammad and two daughters Taramon and Paktunnessa as heirs. Above Golam Mohammad acquired the shares of Taramon and Paktunnessa and was in possession in 19 decimal land which he transferred to his daughter Zinnatunnessa by registered deed of gift dated 29.12.1970. Above Zinnatunnessa died leaving the plaintiffs as heirs who are processing above land by constructing dwelling house. But above land has been erroneously recorded in the names of the defendants in above two B.S. khatians.
​Defendant Nos.1-32 contested above suit by filing a joint written statement alleging that Ansar Ali and Monsur Ali two sons and heirs of Ramjan Ali transferred 31 decimal land to Shomsher Ali by registered deed of exchange dated 27.01.1932 who in his turn transferred the same to Abdur Rahman and Abdul Jabbar by two registered deeds of exchange dated 08.03.1932 and their names were rightly recorded in S.A. khatian No.824. Defendants are successive heirs of above Abdur Rahman and Jobbar and they are in possession in the dwelling house in above land and B.S. khatians No.1539 and 439 were correctly prepared.
​At trial plaintiffs and defendants examined two witnesses each. Documents produced and proved by the plaintiffs were marked as Exhibits No.1-6 and those of the defendants were marked as Exhibits No.Ka-Da.
​On consideration of facts and circumstances of the case and evidence on record the learned Judge of the Land Survey Tribunal decreed above suit.

​মামলার পটভূমি ও ট্রাইব্যুনালের রায়
​মূল বিরোধ: মামলাটি চাঁদপুর জেলার ৩১ শতাংশ জমির মধ্যে ১৯ শতাংশ জমির বি.এস খতিয়ান (B.S. Khatian) সংশোধন এবং নতুন খতিয়ান তৈরি করা নিয়ে.

​বাদীপক্ষের দাবি: তাদের পূর্বসূরি (জিন্নাতুন্নেছা) দানপত্র দলিলের মাধ্যমে এই ১৯ শতাংশ জমি পেয়েছিলেন এবং সেখানে তারা ঘরবাড়ি তৈরি করে বসবাস করছেন। কিন্তু বি.এস জরিপে ভুলবশত পুরো জমি বিবাদীপক্ষের নামে রেকর্ড করা হয়।
​বিবাদীপক্ষের দাবি: তারা ১৯৩২ সালের এওয়াজ বদল (exchange deed) সূত্রের ওয়ারিশ এবং এস.এ খতিয়ান (S.A. Khatian) অনুযায়ী তারা এই জমির বৈধ মালিক ও দখলদার।

​নিচের আদালতের সিদ্ধান্ত: ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল এবং পরবর্তীতে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল, চাঁদপুর—উভয় আদালতই বাদীপক্ষের পক্ষে রায় দেন এবং বিবাদীদের খতিয়ান সংশোধন করে বাদীদের নামে ১৯ শতাংশ জমির নতুন খতিয়ান খোলার নির্দেশ দেন।

​হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত
​ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের এই রায়ের বিরুদ্ধে বিবাদীপক্ষ হাইকোর্টে সিভিল রিভিশন (Civil Revision) দায়ের করলে মহামান্য হাইকোর্ট নিম্নোক্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত প্রদান করেন:
​এক্তিয়ার বহির্ভূত কাজ (Usurpation of Jurisdiction): হাইকোর্ট স্পষ্টভাবে জানান যে, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল বা আপিল ট্রাইব্যুনাল কোনো দেওয়ানি আদালত (Civil Court) নয়। জমির মালিকানা (Title) এবং দখল (Possession) নির্ধারণ করার চূড়ান্ত এক্তিয়ার কেবল সাধারণ দেওয়ানি আদালতের রয়েছে। ট্রাইব্যুনালগুলো এই মামলায় মালিকানা নির্ধারণ করে নিজেদের এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে কাজ করেছে।

​এস.এ খতিয়ানের বৈধতা: ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের এস.এ (S.A.) খতিয়ানকে ভুল বলার কোনো আইনি সুযোগ নেই। ট্রাইব্যুনালকে এস.এ খতিয়ানকে সঠিক ভিত্তি (Baseline) হিসেবে ধরে বি.এস (B.S.) খতিয়ানের ভুল সংশোধন করতে হবে।
​রিভিশনের গ্রহণযোগ্যতা (Maintainability): রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ধারা অনুযায়ী, ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ই চূড়ান্ত। তাই এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(১) ধারা অনুযায়ী সিভিল রিভিশন মামলাটি আইনত গ্রহণযোগ্য নয়।
​ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালগুলোর জন্য হাইকোর্টের নির্দেশনা
​ভবিষ্যতের জন্য হাইকোর্ট দেশের সকল ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনালের জন্য কিছু বাধ্যতামূলক নির্দেশনা জারি করেন:
​ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল কোনো দেওয়ানি আদালত নয়; জমি বা সম্পত্তির মালিকানা ও দখল নির্ধারণের কোনো ক্ষমতা তাদের নেই।
​এদের একমাত্র কাজ হলো বি.এস (B.S.) খতিয়ানের লিপিকেন্দ্রীক ভুল বা বাদ পড়া অংশ চিহ্নিত করে তা সংশোধন করা।

​ট্রাইব্যুনালগুলো এস.এ খতিয়ানকে নিখুঁত ধরে নিয়ে সেটিকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করবে।
​দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে আদালতের সময় নষ্ট না করে, এফিডেভিট বা হলফনামার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ করে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে।
​ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে, তিনি খতিয়ান সংশোধনের জন্য সুপ্রিম কোর্টে না এসে সরাসরি উপযুক্ত দেওয়ানি আদালতে (Civil Court) মালিকানা ঘোষণা ও দখলের নতুন মামলা করতে পারবেন।

​চূড়ান্ত ফলাফল: হাইকোর্ট এই পর্যবেক্ষণসহ রুলটি নিষ্পত্তি করেন এবং রায়ের অনুলিপি দেশের সকল ল্যান্ড সার্ভে ও আপিল ট্রাইব্যুনালে অবিলম্বে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিচারপতি এস.এম.কুদ্দুস জামান (My Lord Mr.Justice ​SM Zaman) এর আরো অসংখ্য রায় আছে যেগুলো বাংলাদেশের আইন অঙ্গনে এবং আইনজীবীদের জন্য সব সময় পাথেয় হয়ে থাকবে। পরবর্তীতে বিচারপতি এস.এম.কুদ্দুস জামান এর আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ রায় নিয়ে আপনাদের সম্মুখে আলোচনা করব আশা করি সবাই সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন।
​ . M. Olior Rahman

29/12/2025

স্পেশাল ম্যারেজ এর ক্ষেত্রে তালাকের বিধান কি?
=============

স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট (Special Marriage Act) অনুযায়ী তালাক দিতে হলে আদালতের শরণাপন্ন হতে হয় এবং বিবাহবিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ (Divorce Act, 1869) অনুযায়ী প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়, যেখানে পারস্পরিক সম্মতি, নিষ্ঠুরতা, পরিত্যাগ (desertion), ব্যভিচার (adultery) বা অন্য বৈধ কারণ দেখিয়ে কোর্টের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদ করা যায়, যা সাধারণ মুসলিম বিবাহে প্রচলিত 'তালাক' পদ্ধতির চেয়ে ভিন্ন।

তালাকের পদ্ধতি ও নিয়মাবলী:
--------------------------------
আদালতের মাধ্যমে:
---------------------
স্পেশাল ম্যারেজ অনুযায়ী বিবাহিত দম্পতিরা নিজ ইচ্ছায় বা একতরফাভাবে তালাক দিতে পারেন না। বিবাহবিচ্ছেদের জন্য অবশ্যই পারিবারিক আদালতে (Family Court) আবেদন করতে হয়।

আইনের প্রয়োগ:
------------------
বিবাহবিচ্ছেদ প্রক্রিয়াটি বিবাহবিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ (Divorce Act, 1869) অনুযায়ী সম্পন্ন হয়।

কারণসমূহ (Grounds for Divorce):
--------------
বিবাহবিচ্ছেদের জন্য কিছু নির্দিষ্ট কারণ থাকতে হয়, যেমন:
ব্যভিচার (Adultery)
নিষ্ঠুরতা (Cruelty)
পরিত্যাগ (Desertion): কোনো বৈধ কারণ ছাড়া দুই বছর বা তার বেশি সময় ধরে সঙ্গীর থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা।

অসুস্থতা:
-----------
গুরুতর মানসিক অসুস্থতা বা ছোঁয়াচে রোগ (যেমন কুষ্ঠ, সিফিলিস)।

অন্যান্য:ধর্ম পরিবর্তন, সাত বছর ধরে নিখোঁজ থাকা (Presumption of Death) ইত্যাদি।

পারস্পরিক সম্মতিতে (Mutual Consent): স্বামী-স্ত্রী উভয়ে মিলে আদালতে আবেদন করে বিবাহবিচ্ছেদ করতে পারেন, যা তুলনামূলক সহজ প্রক্রিয়া।

বিচারিক বিচ্ছেদ (Judicial Separation):
-----------------
সরাসরি বিবাহবিচ্ছেদের আগে, স্বামী-স্ত্রী আলাদা থাকার জন্য আদালতের কাছে আবেদন করতে পারেন। এক বছর পর যদি তারা পুনরায় একসঙ্গে না আসে, তবে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করা যায়।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
-----------------
স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টের অধীনে বিয়ে হলে, বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা ধর্মীয় আইন (যেমন মুসলিম পারিবারিক আইন) প্রযোজ্য হয় না, বরং এই আইনের অধীনস্থ।

তালাকের প্রক্রিয়াটি সাধারণ তালাকের মতো মৌখিক বা একতরফা হয় না, বরং একটি সুনির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়।

27/12/2025
07/10/2025
02/09/2025

Law office

07/04/2025

⚖️ ঋণখেলাপি মামলা পরিচালনার ধাপ (Step-by-Step Process)
✅যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তখন তাকে ঋণখেলাপি (Loan Defaulter) ঘোষণা করা হয়।

✅ নোটিশ ইস্যু করা (Legal Notice)
ঋণগ্রহীতাকে প্রথমে
বকেয়া টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে উহা পরিশোধের অনুরোধ
জানিয়ে একটি আইনি নোটিশ (Demand Notice) পাঠানো হয়।

✅ বাংলাদেশে ঋণখেলাপি মামলা করা হয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মামলা সংক্রান্ত বিশেষ আদালতে, যাকে বলা হয়:
📜 আর্থ ঋণ আদালত (Artha Rin Adalat)

✅ নিম্নোক্ত কাগজপত্রসহ মামলা করতে হয়:
গ্রাহক কর্তৃক ঋণের আবেদন পত্র
মঞ্জুরিপত্র
বিভিন্ন ধরনের চার্জে দলিলাদি
টাকার লেনদেনের বিবরণী
জামিনদারের তথ্য
ঋণগ্রহীতার জাতীয় পরিচয়পত্র, ঠিকানা
নোটিশের কপি ইত্যাদি।

31/03/2025

ঈদ মোবারক

30/03/2025

অর্থ ঋণ আদালত আইন ২০০৩ এর বিধান মতে ডিক্রিদার আদালতের মাধ্যমে ডিক্রি কার্যকর করতে চাইলে ডিক্রি বা আদেশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের মধ্যে ডিক্রিজারী মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

28/03/2025

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের বিধান মতে ধর্ষীতার পরিচয় প্রকাশ করা দণ্ডনীয় অপরাধ।@@

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OR Law Office posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share