29/12/2024
🇭🇷ক্রোয়েশিয়ার নতুন এপ্লিকেশন নিয়ে কিছু কথাঃ
********************************************
👇
যারা ২০২৫ সালে ক্রোয়েশিয়া এপ্লাই করতে চাচ্ছেন, তারা ভেবে নিয়েন না যে এখন এপ্লিকেশন করলেই এখনি পারমিট আসবে বা ভিএফএস এ ফাইল জমা দিতে পারবেন। এই লম্বা সফরের কিছু প্রসেস আছে।
১. প্রথমে একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে হবে - সময় লাগে ১-২ সপ্তাহ।
২. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স অফিসে জমা দিবেন, দিল্লিতে DHL এর মাধ্যমে যাবে-আসবে এগুলোর হিসাব বাদ দিলাম।
৩. দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ এম্বাসি+ ক্রোয়েশিয়া এম্বাসি থেকে এটাস্টেশন করতে হবে - সময় মিনিমাম ১৫ -২০ দিন।
৪. কোম্পানির ভেকেন্সি অনুযায়ী আপনার ফাইল রেডি করে পাঠানো হবে ক্রোয়েশিয়া।
৫. তাদের আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করে HZZ অনলাইনের জন্য অন্তত ১ মাস। ফাইল বেশি হলে ২-৩ মাসও লাগতে পারে।
৬. অনলাইনের পর পারমিট ইস্যু হতে ২-৬ মাস। কমবেশি হতে পারে।
৭. পারমিটের পর এম্বাসিতে জমা ও ডেলিভারি সহ ২-৩ মাস।
৮. ভিসা হলে আলহামদুলিল্লাহ। ফ্লাইটের জন্য ম্যানপাওয়ার ট্রেনিং সহ ফ্লাইট পর্যন্ত ১ মাস।
৯. ভিসা না হলে এই পর্যন্ত সময়, পরিশ্রম লস।
১০. খরচকৃত টাকাও লস।
যে সময়ের উল্লেখ করেছি তা সম্পুর্ন কার্যক্রমের ধারনার সময়। আপনাকে ১ বছর সময় নিয়ে কাজ জমা দিতে হবে। এর আগে কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে আলহামদুলিল্লাহ। সুতরাং যারাই নতুন করে ফাইল জমা দিবেন ২০২৫ সাল সময় হাতে নিয়েই দিবেন।
এবার আসুন একই এজেন্সির কিছু মানুষ ৬-৭ মাসে ফ্লাইট হয় আবার অনেকের ১ বছরেও হয়না কেন?
১. কিছু কোম্পানির পারমিট সৌভাগ্যক্রমে দ্রুত চলে আসলে তাদের প্রসেস দ্রুত সম্ভব হয়। এখানে ক্রোয়েশিয়ার কোন কোম্পানি বা বাংলাদেশের এজেন্সির বিন্দুমাত্র হাত নেই।
২. ঠিক একইভাবে দুর্ভাগ্যক্রমে পারমিট দেরিতে ইস্যু হলে সময় চলে যায়। তখন ১ বছরেও কাজ সম্পন্ন হয়না। তবে শহর ভেদেও পারমিট ইস্যুর সময় কম-বেশি দেখতেছি।
ইউরোপের যে দেশেই এপ্লাই করবেন, ১ বছর সময় ধরে করবেন। এজেন্সি বলবে সেই অপেক্ষায় থাকবেন না। ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু নাও হতে পারে বা ভিসা নাও হতে পারে এমন মনমানসিকতাও রাখবেন। নেগেটিভ ও লসের হিসাব আগেই করে রাখবেন। তাহলে কাজ না হলে অন্তত কষ্ট পাবেন না।
সুতরাং হুজুগে না চলে ১০ বার ভেবেচিন্তে ফাইল জমা দিবেন। এটা একটা প্রসেস। কাজ হলে যেমন খুশি, না হলে তেমনি লস আছে।
© Rainbow Overseas Ltd ✨🇧🇩🇭🇷📌