Chowdhury Business Solution-CBS

Chowdhury Business Solution-CBS Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Chowdhury Business Solution-CBS, Tax Lawyer, Eastern Commercial Complex, Dhaka.

06/08/2026

📢 সঞ্চয়পত্রের মুনাফা: ২০২৬ সালের অর্থ আইনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন

অর্থ আইন, ২০২৬ দ্বারা আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮৯ (Tax deducted or collected at source to be treated as advance tax) সংশোধন করা হয়েছে। এর ফলে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে কর্তিত কর (TDS) আর চূড়ান্ত কর (Final Tax) নয়; এটি এখন সমন্বয়যোগ্য অগ্রিম কর (Adjustable Advance Tax) হিসেবে গণ্য হবে।

আগে কী ছিল?

✅ সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর ১০% উৎসে কর কেটে নিলেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে ওই আয়ের করদায় শেষ (Final Tax) বলে গণ্য হতো।

এখন কী হবে?

✅ সঞ্চয়পত্রের মুনাফা আপনার মোট করযোগ্য আয়ের অংশ হবে।

✅ উৎসে কাটা ১০% করকে Advance Tax/TDS Credit হিসেবে সমন্বয় করা হবে।

✅ আপনার মোট করদায় বেশি হলে অতিরিক্ত কর দিতে হবে, আর কম হলে উদ্বৃত্ত কর আইন অনুযায়ী সমন্বয় বা ফেরত (Refund) পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

উদাহরণ

ধরা যাক—

- সঞ্চয়পত্রের মুনাফা = ৳৫,০০,০০০
- উৎসে কর্তিত কর (১০%) = ৳৫০,০০০

পুরোনো বিধানে:
➡️ ৳৫০,০০০ কেটে নেওয়ার পর এই আয়ের জন্য আর অতিরিক্ত করের বিষয় থাকত না (Final Tax)।

নতুন বিধানে:
➡️ ৳৫,০০,০০০ আপনার মোট আয়ের সঙ্গে যোগ হবে।

ধরা যাক, আপনার মোট আয় হিসাব করে চূড়ান্ত কর দাঁড়াল ৳৯০,০০০।

- উৎসে কাটা কর = ৳৫০,০০০
- অবশিষ্ট পরিশোধযোগ্য কর = ৳৪০,০০০

আবার যদি মোট করদায় দাঁড়ায় ৳৪০,০০০, তাহলে উৎসে কাটা ৳৫০,০০০ সমন্বয়ের পর অতিরিক্ত ৳১০,০০০ আইন অনুযায়ী রিফান্ড/সমন্বয়ের দাবি করা যাবে।

📌 মূল বার্তা:
সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে কর্তিত কর এখন আর "Final Tax" নয়; এটি "Adjustable Advance Tax"। তাই সঠিকভাবে আয়কর রিটার্নে এই আয় প্রদর্শন এবং উৎসে কর্তিত করের সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার Chowdhury Business Solutions পেজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে পোস্টটি যেন শুধু খবর শেয়ার না করে, বরং সাধারণ করদাতাদের জ...
24/07/2026

আপনার Chowdhury Business Solutions পেজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে পোস্টটি যেন শুধু খবর শেয়ার না করে, বরং সাধারণ করদাতাদের জন্য এর বাস্তব গুরুত্বও তুলে ধরে। নিচে একটি তথ্যভিত্তিক, পেশাদার ও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনাসম্পন্ন পোস্ট দেওয়া হলো—
🚨 করদাতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) ১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৪৭ অনুযায়ী কর কর্মকর্তারা কর ফাঁকি প্রতিরোধ ও সঠিক কর নির্ধারণের জন্য বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
📌 এই ক্ষমতার আওতায় তারা প্রয়োজনে— ✅ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা অফিস পরিদর্শন করতে পারবেন। ✅ হিসাবের বই, ভাউচার, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও অন্যান্য আর্থিক নথি পরীক্ষা করতে পারবেন। ✅ কম্পিউটার, সার্ভার, ডিজিটাল রেকর্ড ও ইলেকট্রনিক ডেটা যাচাই করতে পারবেন। ✅ প্রয়োজনীয় নথিপত্র সাময়িকভাবে জব্দ বা সংরক্ষণ করতে পারবেন। ✅ নথির কপি সংগ্রহ ও সিলমোহর দিয়ে সংরক্ষণ করতে পারবেন।
⚠️ এছাড়া, আইনগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি বা অসহযোগিতা করলে ধারা ১৪৭(২) অনুযায়ী জরিমানার বিধানও রয়েছে।
একজন সচেতন করদাতা হিসেবে কী করবেন?
✔️ সকল হিসাব ও ভাউচার সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন। ✔️ ব্যাংক লেনদেন ও আর্থিক তথ্যের সাথে কর রিটার্নের সামঞ্জস্য নিশ্চিত করুন। ✔️ ডিজিটাল রেকর্ড নিয়মিত ব্যাকআপ রাখুন। ✔️ আইন অনুযায়ী সময়মতো সঠিক কর পরিশোধ করুন।
💼 Chowdhury Business Solutions বিশ্বাস করে, সঠিক কর ব্যবস্থাপনা শুধু আইনি বাধ্যবাধকতা নয়, এটি একজন দায়িত্বশীল নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
আপনার প্রতিষ্ঠানের Income Tax, VAT, Audit, Trade License, Tax Compliance বা NBR Audit Preparation-এ পেশাদার সহায়তা প্রয়োজন হলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
📢 পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে প্রতিটি ব্যবসায়ী ও করদাতা এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন।
েতনতা #আয়কর

📢 ২০২৬–২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সিস্টেম এখন লাইভঅর্থাৎ আপনি চাইলে এখনই আপনার আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।তবে একটি বিষয় ম...
24/07/2026

📢 ২০২৬–২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সিস্টেম এখন লাইভ

অর্থাৎ আপনি চাইলে এখনই আপনার আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—আইনে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। ফলে ই-রিটার্ন সিস্টেমেও অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে।

শুধু একটি রিটার্ন দাখিল করে ফেলাই বড় বিষয় নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো—

✅ রিটার্নটি করদাতার অনুকূলে হচ্ছে কি না
✅ তথ্য প্রদানে কোনো ভুল হচ্ছে কি না
✅ এখন রিটার্ন দাখিল করলে কী সুবিধা পাওয়া যাবে
✅ কিছুদিন পর দাখিল করলে বাড়তি কোনো সুবিধা পাওয়া যেতে পারে কি না
✅ যেসব ক্ষেত্রে করদায় বেশি মনে হচ্ছে, সেসব বিষয়ে পরবর্তী সময়ে কোনো পরিবর্তন আসতে পারে কি না
✅ বর্তমানে যে বিধান রয়েছে, ভবিষ্যতে তা আরও কঠিন হতে পারে কি না

এসব বিষয় বিবেচনা করেই রিটার্ন দাখিল করা উচিত।

তাড়াহুড়া করতে গিয়ে ভুল হলে পরবর্তী সময়ে সংশোধিত রিটার্ন দাখিলের প্রয়োজন হতে পারে। আবার চাইলেই সব ধরনের ভুল সংশোধন করা যায় না—এক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে করদাতার করদায় আরও বেড়ে যেতে পারে।

তাই সময় নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করতে হবে।

চলুন, নতুন সিস্টেমের কয়েকটি আপডেট সংক্ষেপে জেনে নিই—

📌 প্রথমত—ইনসেনটিভ

কোন পরিমাণ টাকার ওপর ইনসেনটিভ পাওয়া যাবে?

রিটার্ন দাখিলের সময় যে পরিমাণ কর পরিশোধ করা হবে, সেই টাকার ওপর ইনসেনটিভ পাওয়া যাবে।

উদাহরণস্বরূপ, আপনার মোট করদায় ২,০০,০০০ টাকা। এর মধ্যে আপনি আগে ১,৭০,০০০ টাকা পরিশোধ করেছেন এবং রিটার্নের সঙ্গে অবশিষ্ট ৩০,০০০ টাকা পরিশোধ করছেন।

এক্ষেত্রে ৩০,০০০ টাকার ওপর ৫% হারে ইনসেনটিভের পরিমাণ হবে ১,৫০০ টাকা। এই ১,৫০০ টাকা সমন্বয় করে অবশিষ্ট ২৮,৫০০ টাকা পরিশোধ করা যাবে।

📌 দ্বিতীয়ত—ব্যাংক হিসাবের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদর্শিত হওয়া

ব্যাংক হিসাবের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসার সুবিধাটি এখনো কার্যকর হয়নি।

📌 তৃতীয়ত—Tax Claim অংশে পরিবর্তন

Tax Claim অংশটি আগের মতো নেই; এখানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এ রকম আরও অনেক পরিবর্তন রয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি বিষয় বিস্তারিতভাবে আপনাদের জানিয়ে দেব।

প্রিয় বিশেষজ্ঞ,

সমীর চন্দ্র সূত্রধর
ফাইনেন্সিয়াল এডভাইজার এবং ট্রেইনার (ট্যাক্সেশন)
এর টাইমলাইন হতে








24/07/2026

# ২০২৬-২৭ করবর্ষের নতুন আয়কর হার ও করমুক্ত আয়ের সীমা:
​
​প্রথম ৩,৭৫,০০০/- টাকা পর্যন্ত: ০%
​পরবর্তী ৩,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: ১০%
​পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: ১৫%
​পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: ২০%
​পরবর্তী ২০,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: ২৫%
​অবশিষ্ট আয়ের উপর: ৩০%

​ # বিশেষ ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়ের সীমা:
মহিলা ও ৬৫+ বয়সী করদাতা: ৪,২৫,০০০/- টাকা পর্যন্ত করমুক্ত।
​তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তি: ৫,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত করমুক্ত।
​গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই অভ্যুত্থানে আহত "জুলাই যোদ্ধা": ৫,২৫,০০০/- টাকা পর্যন্ত করমুক্ত।
​প্রতিবন্ধী সন্তানের পিতা/মাতা: প্রত্যেক সন্তানের জন্য অতিরিক্ত ৫০,০০০/- টাকা করমুক্ত সুবিধার সুযোগ।

​যদি আপনার করযোগ্য আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম করে, তবে আপনাকে ন্যূনতম কর দিতে হবে।
​পুরাতন করদাতাদের জন্য: ৫,০০০/- টাকা।
​নতুন করদাতাদের জন্য: ১,০০০/- টাকা।










#কর
#আয়কর
িটার্ন
েতনতা
#বাংলাদেশ
#ন্যাশনাল_বোর্ড_অফ_রেভিনিউ



24/07/2026

📢 সব পরিবর্তনই করদাতার জন্য অতিরিক্ত করের বোঝাই নয়—কিছু পরিবর্তন করদাতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাও নিয়ে এসেছে।
আজ এমনই একটি সুবিধাজনক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করছি।
গত করবর্ষে ধারা ১৬৩ অনুযায়ী ন্যূনতম কর (Minimum Tax) পরিশোধের কারণে অনেক করদাতার ক্ষেত্রে পরিশোধিত করের পরিমাণ নিয়মিত কর (Regular Tax)-এর চেয়ে বেশি হয়েছিল। সে ক্ষেত্রে এই অতিরিক্ত করকে Refundable Tax হিসেবে দেখানোর সুযোগ না থাকায় তা Carry Forward Tax হিসেবে পরবর্তী করবর্ষে বহন করেছিলেন।
কিন্তু অর্থ আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে ধারা ১৬৩-এ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন এই অতিরিক্ত কর Carry Forward Tax হিসেবে নয়, Refundable Tax হিসেবে গণ্য হবে।
অর্থাৎ, এই অতিরিক্ত কর আপনি—
✅ রিফান্ড (Refund) হিসেবে দাবি করতে পারবেন; অথবা
✅ করের সঙ্গে সমন্বয় (Adjustment) করতে পারবেন।
সবচেয়ে ভালো বিষয় হলো, এই পরিবর্তনটি ইতোমধ্যে ই-রিটার্ন সিস্টেমেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
🔎 একটি উদাহরণ দেখি—
ধরা যাক, গত করবর্ষে আপনার ৪,০০০ টাকা Carry Forward Tax রয়েছে। আর চলতি করবর্ষে আপনার ৫,০০০ টাকা কর পরিশোধযোগ্য হয়েছে।
এখন নতুন বিধান অনুযায়ী, পূর্বের ৪,০০০ টাকা ক্লেইম করে সমন্বয় (Adjust) সমন্বয় পূর্বক অবশিষ্ট ১,০০০ টাকা পরিশোধ করেই রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।
অর্থাৎ, আগে যে অতিরিক্ত করটি শুধু Carry Forward হিসেবে দেখানো ছিল, এখন সেটি সরাসরি আপনার করের সঙ্গে সমন্বয় করতে পারবেন বা প্রয়োজন হলে রিফান্ডও দাবি করতে পারবেন।
⚠️ তবে একটি বিষয় মনে রাখবেন—
রিফান্ড দাবি করার আগে অবশ্যই হিসাব-নিকাশ করে সিদ্ধান্ত নেবেন। অনেক ক্ষেত্রে রিফান্ডের আবেদন করার চেয়ে করের সঙ্গে সমন্বয় (Adjustment) করাই অধিক সুবিধাজনক হতে পারে। 🤔
ধন্যবাদ সবাইকে।

সমীর চন্দ্র সূত্রধর
ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজার ও ট্রেইনার (ট্যাক্সেশন)

এর টাইমলাইন হতে।







See less

যারা আয়কর রিটার্নকে ফালতু বিষয় ভেবে যার-তার মাধ্যমে অথবা কম্পিউটার দোকান থেকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন, তাদের ভবিষ্যতে যে...
08/01/2026

যারা আয়কর রিটার্নকে ফালতু বিষয় ভেবে যার-তার মাধ্যমে অথবা কম্পিউটার দোকান থেকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন, তাদের ভবিষ্যতে যে কী ভয়াবহ ভোগান্তি নেমে আসতে পারে তার বাস্তব উদাহরণ হচ্ছে আজকের পোস্ট।

একজন করদাতার নামে ১৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র থাকা সত্ত্বেও তিনি আয়কর রিটার্নে প্রদর্শন করেন নাই। ফলশ্রুতিতে আয়কর অফিস বেশি না মাত্র ২ লাখ ২৪ হাজার ২৫০ টাকা আয়কর দাবী করেছে।
আমরা অনেকেই আয়কর আইন না জেনে ইউটিউব দেখে আবোলতাবোল আয়কর রিটার্ন ফাইল করি। অনেকেই মনে করি, গোলেমালে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলেই সব কাজ শেষ। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, সঠিক নিয়মে আয়কর দাখিল না করা মানে আপনার জীবনে বিপদের শুরু মাত্র।

ঘরে বসে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন সংক্রান্ত যেকোনো সেবা পেতে এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুণ।
ছবি সংগৃহীত

#রিটার্ন #আয়কর #টিআইএন #জরিমানা #কর #সঞ্চয়পত্র

07/01/2026

ভ্যাট রিটার্নের সাথে মূসক ৬.১০ দাখিল বাধ্যতামূলক
ডিসেম্বর মাসের ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে মূসক ৬.১০ ফরম অনলাইনে পূরণ ও দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
🔹 গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:
ক্রয় ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিআইএন (BIN) বা এনআইডি (NID) সংগ্রহ করতে হবে।
ক্রয় বা বিক্রয়ে ২,০০,০০০ টাকা বা তার অধিক মূল্যের চালান থাকলে ভ্যাট অনলাইনের রিটার্ন ফরমে নতুন সংযোজিত “২বি” অংশে সেই তথ্য প্রদান করতে হবে।
মূসক ৬.১০ দাখিল না করলে ভ্যাট রিটার্ন সাবমিট করা যাবে না।
বিষয়টি এড়িয়ে গেলে ভবিষ্যতে আইনগত ও ভ্যাট ঝুঁকি তৈরি হতে পারে
🔹 নতুন পরিবর্তন:
আগে ভ্যাট অনলাইনে মূসক ৬.১০ ফরমের PDF ফাইল অ্যাটাচমেন্ট দিলেই হতো, কিন্তু এখন থেকে ফরমটি অনলাইনে পূরণ করা বাধ্যতামূলক।
#মূসক ৬.১০ ফরম পূরণের পদ্ধতি:
ভ্যাট অনলাইনে লগইন করুন
প্রতিষ্ঠানের নাম সিলেক্ট করুন
Forms ফোল্ডারে ক্লিক করুন
উপরের ডান পাশে থাকা Add Form অপশনে ক্লিক করুন
তালিকা থেকে মূসক ৬.১০ ফরম সিলেক্ট করুন
১) যেসব তথ্য প্রয়োজন হবে:চালান নম্বর ও তারিখ
চালানের মূল্য ক্রেতা/বিক্রেতার নাম ও ঠিকানা
বিআইএন বা এনআইডি নম্বর
সংশ্লিষ্ট চালানের স্ক্যান কপি (Attachment)
২) উল্লেখ্য, উপরের যেকোনো একটি তথ্য অনুপস্থিত থাকলে ফরমটি সাবমিট হবে না।
📌 উদ্দেশ্য ও আইনগত ভিত্তি:
চালান ভেরিফিকেশন নিশ্চিত করার জন্য মূসক ৬.১০ ফরম অনলাইনে পূরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়াও ভ্যাট বিধিমালা, বিধি ৪০ অনুযায়ী এই ফরম দাখিল করা আবশ্যক।
ধন্যবাদ।

03/01/2026

📢 💰 ব্যাংক একাউন্টে আবগারি শুল্ক (Excise Duty) সম্পর্কে জানুন!
আপনার ব্যাংক একাউন্টে যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা থাকে, তবে সরকার নির্ধারিত আবগারি শুল্ক দিতে হবে — যা ব্যাংক স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেয় প্রতি অর্থবছরের শেষে (৩০ জুন)।
🔹 ২০২৫ অর্থবছরে আবগারি শুল্কের হার💵 ৳৩,০০,০০০ পর্যন্ত 👉 কোন শুল্ক নেই
💵 ৳৩,০০,০০১ – ৳৫,০০,০০০ 👉 ৳১৫০
💵 ৳৫,০০,০০১ – ৳১০,০০,০০০ 👉 ৳৫০০
💵 ৳১০,০০,০০১ – ৳৫০,০০,০০০ 👉 ৳৩,০০০
💵 ৳৫০,০০,০০১ – ৳১,০০,০০,০০০ 👉 ৳৫,০০০
💵 ৳১,০০,০০,০০১ – ৳২,০০,০০,০০০ 👉 ৳১০,০০০
💵 ৳২,০০,০০,০০১ – ৳৫,০০,০০,০০০ 👉 ৳২০,০০০
💵 ৳৫,০০,০০,০০০ এর বেশি 👉 ৳৫০,০০০
📅 এই শুল্ক ৩০ জুন তারিখে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপনার হিসাব থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেয়।
📄 একাউন্ট স্টেটমেন্টে “Excise Duty” নামে এন্ট্রি হিসেবে দেখতে পাবেন।
⚠️ মনে রাখবেন, এটি সুদ বা আয়কর নয় — এটি সরকারের নির্ধারিত একটি আবগারি শুল্ক (Excise Duty) যা Banking Transactions এর ওপর প্রযোজ্য।
#আবগারি_শুল্ক েতনতা #আর্থিক_জ্ঞান #ট্যাক্স_জ্ঞান।

03/01/2026

বিষয়: আয়কর আইন ২০২৩ এর ধারা, ওয়ান ফোরটি সেভেন (147) অনুযায়ী (TDS) উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহ নিশ্চতকরণ ও যাচাইকরণ।
এই ধারার অধিন অনধিক ৫০,০০,০০০ লক্ষ টাকা জরিমানা করতে পারে।

আলোচনা : আয়কর আইনের এই ধারাটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ, এই ধারা অনুযায়ী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে Audit চলমান আছে। এই ধারার অধীন ক্ষমতা প্রাপ্ত কোনো কতৃপক্ষ কোনো ব্যক্তির প্রাঙ্গণে বা স্থানে প্রবেশ করিলে বা প্রবেশের অভিপ্রায় ব্যক্ত করিয়া যদি কোনো প্রকার বাধা বা প্রতিবন্ধকতা বা অসহযোগিতার সনমুখিন হইলে, উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৫০,০০,০০০ লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপ করিতে পারিবেন।

এবং কোনো ব্যক্তি এই ধারার বা এই আইনের এই অংশের ( অংশ -৭) বিধানাবলি পরিপালনে ব্যর্থ হইলে, উপকর কমিশনার (DCT) উক্ত ব্যক্তি কতৃক প্রদত্ত ব্যাখ্যা লিপিবদ্ধপূর্বক, বা কোনোরূপ ব্যাখ্যার অনুপস্থিতিতে একতরফা ভাবে কর নির্ধারণ সম্পন্ন করিয়া নিরূপিত কর ও আরোপিত জরিমানা আদায় করিবেন।

করনীয় : নিয়ম মোতাবক TDS কর্তন বা সংগ্রহ করে, নির্ধারিত সময়ে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে TDS Return দাখিল করে সঠিক ভাবে ডকুমেন্টস আপনার প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে, ওয়ান ফোরটি সেভেন (147) ধারা অনুযায়ী যদি অডিট করতে আসে Tax Office থেকে, তাহলে তাদেরকে কোনো কাজে বধাদেওয়া যাবে না, সহযোগিতা করতে হবে, কারন এক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ অনেক বেশি। আপনারা যারা Tax Department এ জব করেন তারা দয়া করে TDS এর SRO -১৬১ / ২০২৪ (উৎসে কর বিধিমালা, ২০২৪) ও ধারা ১৪০ থেকে ১৫১, ১৬৪,১৭৭, ১৮৬, ২৬৬ এবং ধারা ৩১৫ ভাল করে বার বার পড়লে আশাকরি অনেক কিছু জানতে পারবেন, এভাবে আপনার প্রতিষ্ঠানের TDS Return এর কাজটা করলে ভবিষ্যতে আপনার প্রতিষ্ঠান অনেক জরিমানা থেকে রেহায় পাবে।

জাহিদ বিন আজাদ, আয়কর আইনজীবী ও ভ্যাট প্রফেশনাল এর পোস্ট থেকে।
#2025

Address

Eastern Commercial Complex
Dhaka
1208

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chowdhury Business Solution-CBS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category