Arrn Law Firm

Arrn Law Firm Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Arrn Law Firm, Lawyer & Law Firm, Dhaka.

27/02/2026

সেভ করে রাখুন- কাজে লাগবে
⚖️ চেকের মামলার বিস্তারিত
(Cheque Dishonour Case: শুরু থেকে শেষ)

🔹 ১. মামলা শুরুর ধাপ
💳 চেকের মামলা শুরু হয় চেক ডিজঅনার হওয়ার মাধ্যমে।

🔹 ২. লিগ্যাল নোটিশ
📩 চেক ডিজঅনার হওয়ার তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতার বরাবর আইনি (লিগ্যাল) নোটিশ পাঠাতে হবে।

🔹 ৩. টাকা পরিশোধের সময়সীমা
⏳ নোটিশ প্রাপ্তির পরও যদি ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতা টাকা পরিশোধ না করেন, তাহলে মামলা করার অধিকার জন্ম নেয়।

🔹 ৪. মামলা দায়ের
📝 নোটিশের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর পরবর্তী ১ মাসের মধ্যে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দায়ের করতে হবে।

🏛️ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম

🔹 ৫. অভিযোগ আমলে গ্রহণ
⚖️ ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করবেন।

🔹 ৬. জামিন
👨‍⚖️ সমন পেয়ে আসামি আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিতে পারবেন।
✅ চেকের মামলা জামিনযোগ্য।

🔹 ৭. মামলা বদলি
📂 জামিন গ্রহণের পর ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি বিচারের জন্য দায়রা আদালতে বদলি করবেন।

⚖️ দায়রা আদালতের বিচার কার্যক্রম

🔹 ৮. বিচারক
👨‍⚖️ মামলাটি বিচার করবেন যুগ্ম দায়রা জজ।

🔹 ৯. চার্জ শুনানি
📌 নির্ধারিত তারিখে আদালত সন্তুষ্ট হলে আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করবেন।

🔹 ১০. সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য
🗓️ চার্জ গঠনের পর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হবে।

🧾 বাদী ও আসামির সাক্ষ্য

🔹 ১১. বাদীর সাক্ষ্য
🧑‍💼 বাদী সাক্ষ্য প্রদান করবেন।
📄 সাক্ষ্যের সময় আদালতে জমা দিতে হবে
✔️ মূল চেক
✔️ চেক ডিজঅনার স্লিপ
✔️ লিগ্যাল নোটিশ
✔️ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র

🔹 ১২. জেরা
❓ আসামি পক্ষের আইনজীবী বাদীকে জেরা করতে পারবেন।

🔹 ১৩. ৩৪২ ধারার জিজ্ঞাসাবাদ
⚖️ বাদীপক্ষের সাক্ষ্য শেষে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।

🔹 ১৪. সাফাই সাক্ষ্য
🗣️ আসামি চাইলে সাফাই সাক্ষ্য প্রদান করতে পারবেন।
🔍 এ সময় বাদীপক্ষের আইনজীবী আসামিপক্ষের সাক্ষীকে জেরা করবেন।

🧑‍⚖️ রায় ও শাস্তি

🔹 ১৫. যুক্তিতর্ক
📢 সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্কের জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

🔹 ১৬. রায় ঘোষণা
⚖️ যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায়ের তারিখ ধার্য করবেন।

🔹 ১৭. সম্ভাব্য শাস্তি
📌 আদালত দিতে পারেন
⛓️ অনধিক ১ বছর কারাদণ্ড, অথবা
💰 চেকের অর্থের সর্বোচ্চ ৩ গুণ জরিমানা, অথবা
⚖️ উভয় দণ্ড।

📤 আপিল ও পরবর্তী ধাপ

🔹 ১৮. আপিল ও জামিন
💵 আসামি চাইলে চেকে বর্ণিত টাকার ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়েরের শর্তে জামিন নিতে পারবেন।

🔹 ১৯. আপিলের সময়সীমা
⏰ রায়ের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে দায়রা জজ আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।

🔹 ২০. রিভিশন
🏛️ দায়রা জজ আদালতের রায়ে সংক্ষুব্ধ হলে হাইকোর্ট ডিভিশনে রিভিশন দায়ের করা যাবে।

🚨 অনুপস্থিত আসামির ক্ষেত্রে

🔹 ২১. ওয়ারেন্ট
🚔 সমন পাওয়ার পরও আসামি হাজির না হলে আদালত ওয়ারেন্ট জারি করতে পারবেন।

🔹 ২২. হুলিয়া
📢 পুলিশ গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হলে আদালত হুলিয়া জারি করতে পারবেন।

🔹 ২৩. পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি
📰 এরপরও হাজির না হলে দৈনিক বাংলা জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

🔹 ২৪. অনুপস্থিতিতে বিচার
⚖️ তাতেও আসামি হাজির না হলে আসামির অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম চলবে।

📌 নোট: চেক সংক্রান্ত মামলা একটি টেকনিক্যাল মামলা সঠিক সময়সীমা ও কাগজপত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

#চেকেরমামলা #আইনজ্ঞান #বাংলাদেশআইন

✅ জমির দলিল বের করার নিয়ম (Step-by-Step Guide):🔹 ধাপ ১: তথ্য সংগ্রহ করুনপ্রথমে আপনার প্রয়োজন হবে নিচের তথ্যগুলো:জমির ঠিক...
23/12/2025

✅ জমির দলিল বের করার নিয়ম (Step-by-Step Guide):

🔹 ধাপ ১: তথ্য সংগ্রহ করুন

প্রথমে আপনার প্রয়োজন হবে নিচের তথ্যগুলো:

জমির ঠিকানা (জেলা, উপজেলা, মৌজা, খতিয়ান নম্বর)

দাগ নম্বর / প্লট নম্বর

মালিকের নাম

পূর্বের রেজিস্ট্রেশন নম্বর (যদি থাকে)

🔹 ধাপ ২: সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে যোগাযোগ করুন

জমির দলিল মূলত সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে রেজিস্ট্রেশন হয়। আপনার জমি যে এলাকায় অবস্থিত, সেই এলাকার সাব-রেজিস্ট্রার (Sub-Registrar) অফিসে যোগাযোগ করুন।

🔹 ধাপ ৩: আবেদন করুন দলিল কপি/সার্টিফায়েড কপি’র জন্য

একটি নির্ধারিত ফরম পূরণ করে নিচের নথিগুলো জমা দিতে হবে:

মালিকের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) কপি

খাজনা রশিদ (যদি থাকে)

রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও সাল (যদি জানা থাকে)

আবেদন ফি (প্রয়োজনে)

🔹 ধাপ ৪: সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করুন

আপনার আবেদনের ভিত্তিতে সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে সার্টিফায়েড কপি (প্রত্যয়িত কপি) প্রদান করা হবে। এতে জমির বিস্তারিত তথ্য ও মালিকানা সংক্রান্ত তথ্য থাকবে।

---

✅ অনলাইনে জমির দলিল দেখার চেষ্টা (যদি ডিজিটাল হয়)

বাংলাদেশ সরকার অনেক জেলার জমি তথ্য অনলাইনে দিয়েছে। নিচের ওয়েবসাইটে গিয়ে চেক করতে পারেন:

🔗 ভূমি তথ্য ব্যবস্থা (Land Information System):
অনলাইনে কীভাবে দেখবেন:

1. ওয়েবসাইটে যান

2. "সেবা" বা "খতিয়ান অনলাইন দেখুন" অপশন বেছে নিন

3. মৌজা, দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর দিয়ে অনুসন্ধান করুন

তবে দলিল পুরোপুরি অনলাইনে পাওয়া এখনো সবার জন্য চালু নয়। তাই অফিসে যাওয়া অনেক সময় বাধ্যতামূলক।

---

✅ পরামর্শ:

যদি দলিল হারিয়ে যায়, তাহলে থানায় জিডি (জেনারেল ডায়েরি) করতে হবে।

এরপর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সেই জিডির কপি দেখিয়ে পুনরায় সার্টিফায়েড কপি আবেদন করতে পারবেন।

Asfaqur Rahman

LLB (University of London, UK)

জমির দলিলে ব্যবহৃত গুরুতবপূর্ণ শব্দ জেনে নিন । এখানে এমন কিছু সংক্ষিপ্ত শব্দ রয়েছে যার পূর্ন রূপ/অর্থ জানাটা খুব জরুরি!১...
23/12/2025

জমির দলিলে ব্যবহৃত গুরুতবপূর্ণ শব্দ জেনে নিন । এখানে এমন কিছু সংক্ষিপ্ত শব্দ রয়েছে যার পূর্ন রূপ/অর্থ জানাটা খুব জরুরি!
১। মৌজা = গ্রাম।
২। জে.এল নং = মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।
৩। ফর্দ = দলিলের পাতা।
৪। খং = খতিয়ান।
৫। সাবেক = আগের/পূর্বের বুজায়
৬। হাল = বর্তমান।
৭। বং = বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে।
৮। নিং = নিরক্ষর।
৯। গং = আরো অংশীদার আছে।
১০। সাং = সাকিন/গ্রাম।
১১। তঞ্চকতা = প্রতারণা।
১২। সনাক্তকারী = যিনি বিক্রেতাকে চিনে।
১৩। এজমালী = যৌথ।
১৪। মুসাবিদা = দলিল লেখক।
১৫। পর্চা = বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।
১৬। বাস্তু = বসত ভিটা।
১৭। বাটোয়ারা = বন্টন।
১৮। বায়া = বিক্রেতা।
১৯। মং = মবলগ/মোট
২০। মবলক = মোট।
২১। এওয়াজ = সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ বলে।
২২। হিস্যা = অংশ।
২৩। একুনে = যোগফল।
২৪। জরিপ = পরিমাণ।
২৫। এজমালী = কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা এজমালী জোত বলে।
২৬। চৌহদ্দি = সীমানা।
২৭। সিট = নকশার অংশ বা মৌজার অংশের নকশাকে সিট বলে।
২৮। দাখিলা = খাজনার রশিদ।
২৯। নক্সা = ম্যাপ।
৩০। নল = জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।
৩১। নাল = চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।
৩২। পিং = পিতা।
৩৩। জং = স্বামী।
৩৪। দাগ নং = জমির নম্বর।
৩৫। এতদ্বার্থে = এতকিছুর পর।
৩৬। পত্র মিদং = পত্রের মাধ্যমে।
৩৭। স্বজ্ঞানে = নিজের বুঝ মতে।
৩৮। সমূদয় = সব কিছু।
৩৯। ইয়াদিকৃত = পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিলাম।
৪০। পত্র মিদং = পত্রের মাধ্যমে।
৪১। বিং = বিস্তারিত।
৪২। দং = দখলকার।
৪৩। পত্তন = সাময়িক বন্দোবস্ত।
৪৪। বদল সূত্র = এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।
৪৫। মৌকুফ = মাপ। রোক = নগদ।
৪৬। দিশারী রেখা = দিকনির্দেশনা।
৪৭। ভায়া = বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।
৪৮। দান সূত্র = কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া গন্য হয়।
৪৯। দাখিল খারিজ = কোনো জোতের ভূমি ও জমা হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।
৫০। তফসিল = তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।
৫১। খারিজ = যখন কোনো সরকার বা জমিদার কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন তাহাকে খারিজ বলে।
৫২। খতিয়ান = প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয় তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম, খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম, তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা, ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি) দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ, হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।
৫৩। জরিপ = সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই সার্ভে করা হইয়া থাকে।
৫৪। এওয়াজ সূত্র = সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।
৫৫। অছিয়তনামা = যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।
৫৬। তফসিল = বিক্রিত জমির তালিকা।
৫৭। নামজারী = অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।
৫৮। অধীনস্থ স্বত্ত্ব = উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।
৫৯। আলামত = ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর, মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।
৬০। আমলনামা = কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে আমনামা বলে।
৬১। আসলি = মূল ভূমি।
৬২। আধি = উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক, অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ বলে।
৬৩। ইজারা = ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা নেওয়া।
৬৪। ইয়াদদন্ত = স্মারকলিপি।
৬৫। ইন্তেহার = ঘোষণাপত্র।
৬৬। এস্টেট = ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে জমিদারী বা এস্টেট বলে।
৬৭। ওয়াকফ = ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।
৬৮। কিত্তা = চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে এক একটি কিত্তা বা পট বলে।
৬৯। কিস্তোয়ার জরিপ = গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার
৭০। কিস্তি = নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।
৭১। কায়েম স্বত্ত্ব = চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।
৭২। কবুলিয়ত = মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।
৭৩। কটকোবালা = সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয় তাহাকে কটকোবালা বল।
৭৪। কান্দা = উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও কান্দা বলে।
৭৫। কিসমত = মৌজার অংশকে কিসমত বলে।
৭৬। কোলা ভূমি = বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে কোলা ভূমি বলে।
৭৭। কোল = নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে তাহাকে কোল বলে।
৭৮। খানাপুরী = প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।
৭৯। খামার = ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার, খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।
৮০। খাইখন্দক = ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।
৮১। খিরাজ = কর, খাজনা।
৮২। খানে খোদা = মসজিদ।
৮৩। খসড়া = জমির মোটামুটি বর্ণনা।
৮৪। গর বন্দোবস্তি = যে জমির কোনো বন্দোবস্ত দেওয়া হয় নাই।
৮৫। গরলায়েক পতিত = খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়, জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত বলে।
৮৬। গির্বি = বন্ধক।
৮৭। চক = থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক বলে।
৮৮। জমা বন্দী = খাজনার তালিকা।
৮৯। চাকরাণ = জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।
৯০। চাঁদা = জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা বলে।
৯১। চটান = বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে চটান বলে।
৯২। চালা = উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)
৯৩। চর = পলিমাটি গঠিত ভূমি।
৯৪। জবর-দখল = জোরপূর্বক দখল।
৯৫। জমা = এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।
৯৬। জোত = এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।
৯৭। জজিরা = নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয় তাহাকে জজিরা বলে।
৯৮। জায়সুদী = হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়, যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।
৯৯। জালি = এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে জন্মে।
১০০। টেক = নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।
১০১। টাভার্স = ঘের জরিপ।
১০২। ঠিকা রায়ত = নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।
১০৩। ঢোল সহরত = কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।
১০৪। তামিল = আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করা।
১০৫। তামাদি = খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।
১০৬। তুদাবন্দী = সীমানা নির্দেশ।
১০৭। তহশিল = খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট এলাকাকে তহশিল বলে।
১০৮। তলবানা = সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত ফিস।
১০৯। তলববাকী = বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।
১১০। তালুক = নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।
১১১। তরমিম = শুদ্ধকরণ।
১১২। তরতিব = শৃংখলা।
১১৩। তৌজি = ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয় ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার জোতকেও তৌজি বলা হয়।
১১৪। দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
১১৫। দর পত্তনী = পত্তনীর অধীন।
১১৬। দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা = দখলদার হিসেবে যে প্রজার স্বত্ত্ব আছে।
১১৭। দশসালা বন্দোবস্ত = দশ বৎসরের মেয়াদে বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।
১১৮। দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
১১৯। দাগ নম্বর = মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর বলে।
১২০। দরবস্ত = সমুদয়।
১২১। নথি = রেকর্ড।
১২২। দেবোত্তর = দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।
১২৩। দেবিচর = যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।
১২৪। দিঘলি = নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী একপ্রকার প্রজা।
১২৫। নক্সা ভাওড়ন = পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায় না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।
১২৬। নামজারী = ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী বলে।
১২৭। নাম খারিজ বা জমা খারিজ = ১৬ আনা জোতার মোট জমা হইতে নামজারীকৃত ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬ আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম খারিজ বা জাম খারিজ বলে।
১২৮। হেবা বিল এওয়াজ = কোন জিনিসের পরিবর্তে ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।
১২৯। বাটা দাগ = কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।
১৩০। অধুনা = বর্তমান।

Asfaqur Rahman

LLB (University of London, UK)

14/12/2024

ফ্ল্যাট কেনার সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন, যাতে আপনি ভবিষ্যতে কোনো ঝামেলায় না পড়েন। নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নজরে রাখা খুবই জরুরি:
◼️ ১. আইনি বৈধতা ও কাগজপত্র
- ফ্ল্যাটের মালিকানার কাগজপত্র: ফ্ল্যাটের ডেভেলপারের কাছে প্রয়োজনীয় জমির দলিল, প্রকল্পের অনুমোদনপত্র, এবং অন্যান্য কাগজপত্র চেক করা অত্যন্ত জরুরি।
- খতিয়ান ও পর্চা: জমির বৈধতা নিশ্চিত করতে জমির খতিয়ান ও পর্চা যাচাই করতে হবে। এটি ভূমির প্রকৃত মালিকের প্রমাণ দেয়।
- সিটি কর্পোরেশন বা RAJUK অনুমোদন: ফ্ল্যাটের নকশা এবং নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন থাকা আবশ্যক।
- BNBC (বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড): ফ্ল্যাটের নির্মাণ BNBC-এর নিয়ম মেনে হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। এটি ফ্ল্যাটের স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
◼️ ২. প্রকল্পের অবস্থান ও পরিবেশ
- অবস্থান: ফ্ল্যাটের লোকেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিকটবর্তী স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, মার্কেট, এবং অফিস থেকে দূরত্ব লক্ষ্য করুন। এছাড়াও পরিবহন সুবিধা, রাস্তা, এবং নিকটবর্তী যানজটের অবস্থা বিবেচনা করুন।
- ভবিষ্যৎ উন্নয়ন: এলাকার উন্নয়ন সম্ভাবনা আছে কিনা তা বিবেচনায় রাখুন, যেমন রেলওয়ে, মেট্রোরেল, বা অন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প।
◼️ ৩. বিল্ডিংয়ের মান ও নির্মাণের গুণগত মান**
- নির্মাণ সামগ্রী: ফ্ল্যাট নির্মাণে ব্যবহার করা সামগ্রী (সিমেন্ট, ইট, রড ইত্যাদি) ভালো মানের কিনা তা নিশ্চিত করুন। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহৃত হলে ভবিষ্যতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- প্লাম্বিং এবং বৈদ্যুতিক কাজ: ভবনের ভিতরে যে প্লাম্বিং এবং ইলেকট্রিক্যাল কাজ করা হয়েছে, তা ভালোভাবে চেক করুন। পানির প্রবাহ, ইলেকট্রিক্যাল ওয়্যারিং, এবং ফিটিং সঠিক মানের কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।
◼️ ৪. জমির মালিকানার স্ট্যাটাস ও প্রকল্পের আইনি অবস্থান
- জমির মালিকানার স্ট্যাটাস: জমির উপরে কোনো আইনি সমস্যা (মামলা, বিরোধ) আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে জমির মালিকানার খোঁজ নিতে পারেন।
- ডেভেলপারের রেপুটেশন: ডেভেলপারের পূর্ববর্তী প্রকল্প এবং তাদের রেপুটেশন যাচাই করুন। ডেভেলপার নির্দিষ্ট সময়ে ফ্ল্যাট ডেলিভারি দিতে সক্ষম হয়েছে কিনা তা দেখুন।
◼️ ৫. ফ্ল্যাটের ডিজাইন ও ফ্যাসিলিটিজ
- ইন্টেরিয়র ডিজাইন: ফ্ল্যাটের ডিজাইন, ঘরের আকার, প্রয়োজনীয় বাথরুম এবং বেডরুমের সংখ্যা, এবং অন্যান্য ফ্যাসিলিটিজ চেক করুন।
- উত্তরণ ও আলো-বাতাসের ব্যবস্থা: ফ্ল্যাটে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করছে কিনা, এবং প্রতিদিনের রোদ-বাতাসের প্রবাহ কেমন, তা যাচাই করুন।
- সার্ভিস সুবিধা: লিফট, জেনারেটর, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পার্কিং, এবং কমন স্পেসের অবস্থা যাচাই করতে হবে। পার্কিংয়ের জন্য আলাদা ফি বা জায়গার ব্যবস্থা আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
◼️ ৬. ফ্ল্যাটের মূল্যের সাথে তুলনা
- মূল্য নির্ধারণ: ফ্ল্যাটের দাম বাজারের সঙ্গে তুলনা করে দেখুন। একই এলাকায় অন্যান্য ফ্ল্যাটের মূল্য কত, তা জেনে নেওয়া ভালো।
- EMI বা লোন সুবিধা: ব্যাংক লোনের মাধ্যমে ফ্ল্যাট কিনতে চাইলে সেই অপশনগুলি সম্পর্কে জানতে হবে। কোন ব্যাংক কত শতাংশ ইন্টারেস্টে লোন দিচ্ছে তা যাচাই করা প্রয়োজন।
◼️ ৭. রক্ষণাবেক্ষণ খরচ
- মাসিক বা বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ: ডেভেলপার বা অ্যাসোসিয়েশন রক্ষণাবেক্ষণ খরচ নেয় কিনা এবং তা কী কী সার্ভিসের জন্য, তা আগে থেকেই জেনে নিতে হবে।
◼️ ৮. প্রকল্পের ডেলিভারি সময়
- নির্ধারিত সময়: ফ্ল্যাট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে কিনা তা নিয়ে ডেভেলপারের কাছ থেকে নিশ্চিত হতে হবে। সময়মতো ডেলিভারি না পেলে কীভাবে সমাধান হবে, সেই শর্তগুলো চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
◼️ ৯. অ্যামেনিটিস
- কমন ফ্যাসিলিটিজ: ভবনের কমন ফ্যাসিলিটিজ যেমন কমিউনিটি হল, গার্ডেন, সুইমিং পুল ইত্যাদি আছে কিনা তা জেনে নিন। এই সুবিধাগুলোর জন্য অতিরিক্ত ফি লাগবে কিনা তাও জানুন।
◼️ ১০. রেজিস্ট্রেশন ও নামজারি খরচ
- ফ্ল্যাট কেনার সময় স্ট্যাম্প ডিউটি, রেজিস্ট্রেশন ফি, ভ্যাট, এবং নামজারি খরচ কত হবে তা আগেই হিসাব করে নিন।
এসব বিষয়গুলো ভালোভাবে যাচাই করলে, ফ্ল্যাট কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সহজ ও নিরাপদ হবে।

Asfaqur Rahman
LLB (University of London).

সম্পত্তি সন্তানদের মধ্যে ভাগ ভাড়টার উইল করার নিয়ম কী?উইল বা অছিয়ত হলো আরবী শব্দ। উইল (testament) বা অছিয়ত হলো ভবিষ্যৎ দ...
12/11/2024

সম্পত্তি সন্তানদের মধ্যে ভাগ ভাড়টার উইল করার নিয়ম কী?
উইল বা অছিয়ত হলো আরবী শব্দ। উইল (testament) বা অছিয়ত হলো ভবিষ্যৎ দান। কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বা সম্পত্তির মুনাফা কিভাবে বিলি-বন্টন করা হবে তা তার মৃত্যুর পূর্বেই লিখিত বা মৌখিকভাবে নির্ধারণ করে যাওয়ার আইন সম্মত ঘোষণাই হলো উইল বা অছিয়ত।

উইল করা যায়

(ক) ব্যক্তির উদ্দেশ্যে এবং

(খ) ধর্মীয় উদ্দেশ্যে।

ব্যক্তির উদ্দেশ্যে উইল আবার দুই প্রকার

(১) ওয়ারিশের বরাবরে উইল এবং

(২) ওয়ারিশ নয় এমন ব্যক্তির বরাবরে উইল।

ওয়ারিশের বরাবরে সম্পাদিত উইলের ক্ষেত্রে-

(ক) অন্য ওয়ারিশদের সম্মতি না থাকলে উইল বাতিল বলে গণ্য হবে।

(খ) অন্য ওয়ারিশদের সম্মতি থাকলে উইল সম্পূর্ণ কার্যকরী হবে।

(গ) ওয়ারিশদের সম্মতি কার্যকর হবে উইল দাতার মৃত্যুর পর।

ওয়ারিশ নয় এমন ব্যক্তি বরাবরে সম্পাদিত উইলের বিধান

(ক) ওয়ারিশদের সম্মতি থাকলে উইল সম্পূর্ণ কার্যকরী হবে।

(খ) ওয়ারিশদের সম্মতি না থাকলে উইল দাতার নিট সম্পত্তির ১/৩ এর উপর উইল কার্যকরী হবে।

একজন মুসলমান তার সমূদয় সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগের বেশি উত্তরাধিকার নয় এমন কাউকে উইল করতে পারে না। তবে উত্তরাধিকারদের মধ্যে মোট সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগের বেশি উইল করতে পারে। ১৯৯৬ সালের হাইকোর্ট বিভাগের আদেশ মোতাবেক আইনত বৈধ।

নিট সম্পত্তি

উইলদাতার মোট সম্পত্তি হতে নিন্মবরূপ ব্যয় পরিশোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি নিট সম্পত্তি বলে গণ্য হবে, উইল সর্বদা নিট সম্পত্তির উপর প্রযোজ্য হবেঃ

(ক) উইল দাতার মৃত্যুর অব্যবহিত ৩ মাস পূর্বের ভৃত্য বা চাকরের পাওয়ানাদি।

(খ) মৃত্যু শয্যাকালীন খরচাদি।

(গ) মৃত্যুর পর দাফন-কাফনের খরচ।

(ঘ) স্ত্রীর দেন-মোহরের পাওয়ানা পরিশোধ ব্যয়।

(ঙ) উইল প্রবেট এবং সাকসেশন সার্টিফিকেট ব্যয়।

(চ) ঋণ পরিশোধ (আগের ঋণ আগে পরিশোধ ভিত্তিতে)।

(ছ) ঋণ পরিশোধের আগে স্ত্রীর দেন-মোহর পরিশোধ করতে হবে।

ধর্মীয় উদ্দেশ্যে উইল

ধর্মীয় উদ্দেশ্যে উইল করা হলে তাতে ওয়ারিশদের সম্মতি থাকলে সে উইল সম্পূর্ণ কার্যকর হবে, আর ওয়ারিশদের সম্মতি না থাকলে অছিতকারীর নিট সম্পত্তির ১/৩ অংশের উপর উইল কার্যকরী হবে।

ধর্মীয় উইল ৩ প্রকার

যথা-

(১) ফরজ কাজের উদ্দেশ্যে, যেমন- হজ্জ্ব পালন, যাকাত প্রদান ইত্যাদি।

(২) ওয়াজিব কাজের উদ্দেশ্যে, যেমন- ফিতরা প্রদান, কোরবানী করা ইত্যাদি।

(৩) নফল কাজের উদ্দেশ্যে, যেমন- সরাইখানা, রাস্তা-পুল, এতিমখানা নির্মাণ ইত্যাদি।

ধর্মীয় উদ্দেশ্যে উইল করা হলে তাতে ওয়ারিশদের সম্মতি থাকলে সে উইল সম্পূর্ণ কার্যকর হবে, আর ওয়ারিশদের সম্মতি না থাকলে অছিতকারীর নিট সম্পত্তির ১/৩ অংশের উপর উইল কার্যকরী হবে।

উইলের উপাদান

(১) একই সম্পত্তি নিয়ে একাধিক উইল করা হলে সর্বশেষ উইলটি সর্বপ্রথম কার্যকরী হবে এবং সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকা সাপেক্ষে পরবর্তী উইলগুলো কার্যকরী হবে।

(২) অজাত ব্যক্তি উইলের তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে জন্মগ্রহণ করলে তার বরাবরে করা উইল বৈধ হবে।

(৩) উইল মৌখিক ও লিখিত দু’ভাবেই করা যায়। এমনকি অসামর্থ্যের কারণে ইঙ্গিতেও করা যায়। তবে মৌখিক উইলের ক্ষেত্রে ২ জন পুরুষ বা ১ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলা সাক্ষীর উপস্থিতিতে হতে হবে।

(৪) নাবালক উত্তরাধিকারী সাবলকত্ব লাভের পর উইলে সম্মতি দিতে পারবেন।

(৫) উইল দাতা মৃত্যুর পূর্বে যে কোন সময় উইল বাতিল করতে পারেন। সম্পত্তি একবার উইল করার পর পুনরায় তা অন্য কারো অনুকূলে উইল করলে পূর্বের উইলটি স্বয়ংক্রীয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। উইল বাতিলের জন্য মামলার প্রয়োজন হয় না।

(৬) ১৮৭০ সনের হিন্দু আইন অনুসারে একজন হিন্দু তার সকল সম্পত্তি উইল করতে পারেন, তবে যাদের ভরণপোষনের জন্য তিনি আইনত বাধ্য তাদের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা রেখে বাকী সম্পত্তি উইল করতে হবে।

(৭) উইলকারীর কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে তিনি তার সমস্ত সম্পত্তি যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে উইল করে দিতে পারেন।

(৮) উইল গ্রহণকারীকে দাতার মৃত্যুর সময় জীবিত থাকতে হবে।

(৯) উইলকারী মৃত্যুর মুহূর্ত হতে উইল কার্যকর হবে।

যে সকল কারনে একটা উইল বাতিল বা বিলুপ্ত হতে পারে

(১) উইলের পর উইলদাতা বিকৃত মস্তিষ্ক হলে, মৃত্যুর পূর্বে তিনি সুস্থ হলেও।

(২) উইল গ্রহীতা দাতার আগে মারা গেলে।

(৩) উইল দাতা বা গ্রহীতা ধর্ম ত্যাগ করলে

(৪) উইল গ্রহীতা দাতাকে হত্যা করলে।

(৫) উইলকৃত সম্পত্তির উপর অন্য কারো অধিকার সাব্যস্ত হলে।

(৬) উইলকারী উইলকৃত সম্পত্তি বিক্রি বা দান করলে বা তাতে বাড়ি তৈরি করলে।

উইল প্রবেট

উইল বা অছিয়তের মাধ্যমে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তি তার জীবদ্দশায় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে তার সম্পত্তি উইল করে গেলে উইলটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট দেওয়ানি আদালতের অনুমোদন বা জুডিশিয়াল কনর্ফমেশন লাগবে, এরূপ অনুমোদন নেয়াকেই বলে উইল প্রবেট।

প্রবেট মুসলিম উইলে আবশ্যকীয় নয়। প্রবেটের জন্য আদালতে আবেদন করা হলে অন্যান্ন ওয়ারিশদের মতামত জানার জন্য আদালত হতে নোটিশ দেয়া হয়, এ সময় ওয়ারিশগণ উইলের বিরুদ্ধে অসম্মতি জানাতে পারেন। এছাড়া আদালত কালেক্টরের নিকট সম্পত্তির কোর্ট ফি সঠিক আছে কিনা, সম্পত্তিটি সরকারের কিনা, সম্পত্তিটি উইলদাতার কিনা এতে আর কারো স্বার্থ আছে কিনা ইত্যাদি জানতে চেয়ে থাকেন।

উইলের রেজিস্ট্রেশনঃ

উইল এবং অছিয়ত হল একমাত্র দলিল যা রেজিষ্ট্রি করার প্রয়োজন পড়ে না, রেজিস্ট্রেশন আইনের ১৮ ধারামতে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তবে সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস আবেদন করলে উইল সম্পর্কিত রেজিষ্ট্রার অন্তর্ভূক্তি করানো যায়।

হেবা বা দান ও উইলের মধ্যে পার্থক্য

(১) দান সাথে সাথে কার্যকর হয়, উইল কার্যকর হয় অছিয়তকারীর মৃত্যুর পর।

(২) দান সম্পন্ন হওয়ার পর আদালতের রায় ব্যতীত তা আর প্রত্যাহার করা যায় না। কিন্তু উইল ইচ্ছেমত বাতিল করা যায়।

(৩) দান করার সময় দানের সম্পত্তিতে দাতার মালিকানা ও দখল থাকতে হবে অন্যদিকে মৃত্যুর পূর্বে পাওয়া যাবে এরূপ যে কোন সম্পত্তি উইল করা যাবে।

উইলের ফর্ম
উইলের জন্য ইসলামী আইনে নিদিষ্ট কোন ফরম নেই। মুসলিমের উইল লিখিত না হলেও চলে, মৌখিক উইলও আইনগতভাবে সিদ্ধ। তবে সংগত কারণে প্রায় সবক্ষেত্রে উইল লিখিত হয়ে থাকে। লিখিত না হলে অসুবিধা অনেক। মুখের কথার উপর সত্য প্রতিষ্ঠা করা খুবই কঠিন। মৃত্যুকালে একটি চিঠি লিখে সম্পত্তির বিন্যাস সম্পর্কে নিদেশ দিয়ে গেলে সেই চিঠিও উইলরুপে গন্য হতে পারে। লেখা সম্ভব না হলেও, শুধুমাত্র ইশারা বা ভঙ্গীর মাধ্যমে উইল সৃষ্টি করা যায়। মুসলিমের উইল প্রত্যায়িত হওয়া অনাবশ্যক।

তবে আইনে যাই বলা হয়ে থাকুক না কেন, মানুষের মন প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। যিনি উইল এর দাতা তিনি মারা যাবার পর তার ওয়ারিশেরা যে কোন সময় উইল গ্রহিতাকে সম্পত্তি দিতে বা উইলটিতে অসম্মতি জানাতে পারে এবং একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তার ইচ্ছার সপক্ষে শক্তিশালী স্বাক্ষ্য-প্রমান উপস্থাপক করাও অনেক সময় মুষকিল হয়ে যেতে পারে। তাই আমার মতে সব থেকে সেফওয়ে হল, লিখিত ভাবে উইলের দলিল প্রস্তুত করা এবং সাবরেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে রেজিস্ট্রি করে রাখা।

উইল দলিল প্রণয়ন এবং রেজিস্ট্রি খরচ

উইল দলিল বা ওছিয়তনামায়, দলিলের দাতা এবং গ্রহিতা কে বা কারা, কোন সম্পত্তি ওছিয়ত করছেন, সেই সম্পত্তির বিবরণ ইত্যাদি লিখে কার্টিজ পেপারে প্রিন্ট দিতে হয়। এবং উইল দাতা যে এই জমির মালিক, এই জমি কোথাও বিক্রি করেন নাই কিংবা বন্ধক দেন নাই, অর্থ্যাৎ এটা একটা নিষ্কন্টক জমি বা সম্পত্তি এই মর্মে ২০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটা হলফ নামা মূল দলিলের সাথে সংযুক্ত করতে হয়।

বর্তমানে একটা ওছিয়তনামা দলিল বা উইলের রেজিস্টেশন খরচ ৯০০ টাকা। এর মধ্যে রেজিস্টেশন ফি ২০০ টাকা, হলফ নামা ২০০ টাকা, ই-ফিস ১০০ টাকা, এন ফিস ১৬০ টাকা, এনএন ফিস ২৪০ টাকা সহ সর্বোমোট ৯০০ টাকা।

যেকোন ধরনের প্লট, ফ্লাট, সাফ-কবলা, হেবা, হেবার ঘোষণা, দানপত্র, উইল, বায়না পত্র, চুক্তি পত্র ইত্যাদি দলিলের রেজিস্ট্রেশন খরচ কয়েকটি ক্লিকে অনলাইনে বের করার পদ্ধতি জানতে আই বাটনে বা ভিডিয়ো ডিসক্রিপশনে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে সাবলাইম লিগ্যালের এই ভিডিয়োটি দেখে আসতে পারেন।

আরো বিস্তারিত জানতে এই ভিডিয়োটি দেখে আসতে পারেন

পবিত্র কুরআনে অসিয়ত সম্পকে বলা হয়েছে-

‘হে মুমিনগণ, তোমাদের মধ্যে যখন কারও মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন অসিয়ত করার সময় তোমাদের মধ্য থেকে ধর্ম পরায়ণ দু’জনকে সাক্ষী রেখো। যদি তোমাদের সন্দেহ হয় তবে উভয়কে নামাজের পর থাকতে বলবে। অতঃপর উভয়ই আল্লার নামে কসম খাবে যে, যদিও কোন আত্মীয় হয় এবং আল্লাহর সাক্ষ্য আমরা গোপন করব না। এমতাবস্থায় গোনাহগার হব।’ (সূরা আল মায়দা, ৫নং সূরা, আয়াত ১০৬)

‘তোমাদের কারও যখন মৃত্যু সময় উপস্থিত হয়, সে যদি কোন ধন সম্পদ ত্যাগ করে যায়, তবে তার জন্য অসিয়ত করা বিধিবদ্ধ করা হলো। পিতা-মাতা নিকটাত্মীয়দের জন্য ইনসাফের সাথে। পরহেজগারদের জন্য এ নির্দেশ জরুরি। নিশ্চিয় আল্লাহ তা’আলা সব কিছু শোনেন ও জানেন।’ (সূরা আল বাকারা, ২ নং সূরা, আয়াত ১৮০)

‘যদি কেউ অসিয়ত শোনার পর তাতে কোন পরিবর্তন সাধন করে তবে যারা পরিবর্তন করে তাদের উপর এর পাপ পতিত হবে।’(সূরা আল বাকারা, ২ নং সূরা, আয়াত ১৮১)

‘যদি কেউ অসিয়তকারীদের পক্ষ থেকে আশংকা করে পক্ষপাতিত্বের অথবা কোন অপরাধমূলক সিদ্ধান্তের এবং তাদের মধ্যে মিমাংসা করে দেয়, তবে তার কোন গোনাহ হবে না। নিশ্চই আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল।’ (সূরা আল বাকারা, ২ নং সূরা, আয়াত ১৮২)

মৌখিকভাবে উইল করা হলে উইলের সাক্ষীদের সহকারী কমিশনার (ভূমি) নোটিশ দিয়ে ডেকে পাঠাবেন। হাজির হলে তাদের জবানবিন্দ নিয়ে উইলের সত্যাসত্য যাচাই করে মিউটেশন করে দিতে পারবেন। উইল করা হলে উইলকারীর মৃত্যু না হলে উইল গ্রহীতার নাম কোন অবস্থাতেই মিউটেশন করে দেয়া যাবে না। উইলকারীর মৃত্যুর পরই উইল কার্যকরী হয়।

Asfaqur Rahman
LLB (University of London).

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট।★. পর্চা বা খতিয়ান। ★. দলিল। ★. ম্যাপ বা নকশা।...
12/11/2024

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট।
★. পর্চা বা খতিয়ান।
★. দলিল।
★. ম্যাপ বা নকশা।

★★.এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি ক্রায়-বিক্রয় ও হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন নিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজ পত্র সরকারি বিভিন্ন দপ্তর রয়েছে।
★★.আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন।
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত তিন/ চারটি অফিসে পাবেন।
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

★★.ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

★★.উপজেলা ভূমি অফিস।
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতে খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

★★.জেলা ডিসি অফিস।
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

★★.সেটেলমেন্ট অফিস।
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
★★. খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।

★★. আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন।
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।

**/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
**/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

★★.উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

★★.জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
★★.মূল অথবা সার্টিফাইড দলিল তুলতে কত টাকা লাগতে পারে।
মূলতঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
★★ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা যেখানে পাওয়া যাবে।
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

★★.জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।

★★.ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়।

Asfaqur Rahman
LLB (University of London).

নামজারি : নামজারি বা মিউটেশন অর্থ হলো বর্তমানে থাকা খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে নতুন একটি খতিয়ান তৈরি করা।না...
07/11/2024

নামজারি :
নামজারি বা মিউটেশন অর্থ হলো বর্তমানে থাকা খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে নতুন একটি খতিয়ান তৈরি করা।

নামজারির প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন।

নামজারি করার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস।
1. জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি/মূল কপি
2. এস এ খতিয়ান, আর এস খতিয়ান বা যে খতিয়ান থেকে দলিল হয়েছে সেইটার কপি
3. ওয়ারিশান সনদ (হাল) এর কপি যদি ওয়ারিশ সম্পত্তি হয়
4. ছবি (যদি জন্ম নিবন্ধন দিয়া নামজারী হয়)
5. বায়া দলিল এর কপি যদি প্রয়োজন হয়
6. মোবাইল নাম্বার
7. এনআইডি/জাতীয় পরিচয়পত্র
8. কর/খাজনার রশিদ

✅ ১ম ধাপঃ
সকল ডকুমেন্ট নিয়ে mutation.land.gov.bd প্রবেশ করে নাগরিক/কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করবেন। একটা আইডি নাম্বার পড়বে বা কেস নাম্বার এটা আপনার মোবাইলে সাথে সাথে এসএমএস পাবেন।

✅ ২য় ধাপ:
আবেদন ফাইল কপি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ যাবে তদন্তে আপনার সব কিছু ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রস্তাব পাঠাবে উপজেলা ভূমি অফিসে।

✅৩য় ধাপ: এসিল্যান্ড অফিস আপনাকে একটি শুনানির তারিখ দিবে এসএমএসের মাধ্যমে। কাজ সম্পন্ন হলে তারপর ডিসিআর ফি দিয়ে দুই একদিন পর অনলাইনে কিউআর কোডযুক্ত নামজারি তুলতে পারবেন।

নামজারি প্রক্রিয়া শেষ হতে ১৫ থেকে ৩০ দিন সময় লাগতে পারে। মোট খরচ হবে ১১৭০ টাকা।

নামজারি খতিয়ান আবেদন বিষয়ক তথ্যের জন্য কলসেন্টারের 16122 নম্বরে অথবা ভূমিসেবা সংক্রান্ত সমস্যা জানানোর জন্য hotline.land.gov.bd লিংক ব্যবহার করুন।

👉আপনারা  #জমির_দলিল ২ টি উপায়ে উঠাতে পারবেন।জমির  #দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কি !!☝️প্রথম উপায় : প্রথমে নিচের তিনটি ধাপ অন...
06/11/2024

👉আপনারা #জমির_দলিল ২ টি উপায়ে উঠাতে পারবেন।
জমির #দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কি !!

☝️প্রথম উপায় : প্রথমে নিচের তিনটি ধাপ অনূসরণ করুণ!
১) ধাপ ১ : প্রথমে #জমির দাগ নাম্বার জানুন।
আপনি যে দাগটি জানেন সেটা কি দাগ তা নিশ্চিত হোন ?
আপনি যে দাগটি জানেন সেটা
cs দাগ, না RS দাগ, না BS দাগ নিশ্চিত হোন ।
২) ধাপ ২:দাগ নম্বর জেনে খতিয়ান নাম্বার জানুন।
কোথা থেকে জানবেন? ইউনিয়ন ভূমি বা তফসিল অফিস হতে।
৩) ধাপ ৩: খতিয়ানে যদি নামজারি বা খারিজ করা থাকে তাহলে দেখুন কার নামে নামজারি করা। নামজারি বা জমাভাগের কেস বা নথি বের করে নিন। নামজারি বা খারিজের নথিতে দলিলের নাম্বার দেয়া থাকে ওইখান থেকে দলিল নাম্বার নিয়ে নকল বা সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করবেন।
👆কোথায় করবেন? জেলা রেকর্ড রুম অথবা সাব রেজিস্ট্রি অফিস। আপনার জমির দলিল যদি বর্তমান সাল থেকে ৫-৬ বছর আগের হয় তাহলে সাব রেজিস্টি অফিস হতে দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি নিতে পারবেন।
আর দলিল টি যদি অনেক বছর আগের হয় তাহলে জেলা রেজিস্ট্রার অফিস এর জেলা রেকর্ড রুম হতে সংগ্রহ করতে হবে।
✌️উপায় ২:- তিনটি ধাপ অনুসরণ করে দলিল নম্বর বা দলিল না পান তখন দলিল তল্লাশি বা সার্চ করতে হবে।
🔎 তল্লাশি বা সার্চ করতে যা যা লাগবে -
🚩 সম্ভাব্য সাল।
🚩 দলিল দাতা ও গ্রহীতার নাম।
🚩 দলিল দাতা ও গ্রহীতার বাবার নাম।
🚩 দাগ নম্বর ও মৌজার নাম।

জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কি !!!

জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কাজগুলো সঠিকভাবে করলে হারিয়ে যাওয়া দলিল সহজে পাওয়া যাবে। অনেক সময় অসাবধানতা বা দূর্ঘটানাজনিত কারনে মূল্যবান দলিল বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে যায়।যেমনঃ- কোন দুর্ঘটনায় বা আগুনে পুড়ে যাওয়ার কারনে বা বন্যার প্রাকৃতিক দুর্যোগে মূল্যবান কাগজ বা দলিল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।ঠিক এই সময় হারানো কাগজ ফিরে পাবার জন্য বা কাগজের নকল সংগ্রহ করার জন্য পুলিশের সাহায্য নেয়া যাবে।

আমরা জানি কোন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে গেলে অতি দ্রুত সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে জিডি করতে হয়। জিডি করার পর পুলিশ অভিযোগকারীকে জিডির একটা কপি এবং কপির সাথে একটি নম্বর প্রদান করবেন। সেটিকে আপনার সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। এরপর পুলিশ হারিয়ে যাওয়া কাগজ খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন বা নকল বা নতুন কাগজপত্র বা দলিল প্রদান করার জন্য অনুমতি প্রদান করবেন।

জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয়
জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয়
উদাহরণঃ-

ধরূণ আপনার বাবা আজিজ পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত ১৬ বিঘা জমি ভোগদখল করাকালে ২ বছর পূর্বে মারা যান।আপনার বাবা আজিজের মৃত্যুর পর এক পুত্র আব্দুল হক প্রামানিক ও এক কন্যা সেলিনা বেগম ওয়ারিশ থাকেন। আপনার বাবার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ১৬ বিঘা সম্পত্তির সি.এস খতিয়ান, এসএ এবং আরএস খতিয়ান এবং আপনার দাদা (পিতামহ) এর নামের দলিলগুলোর ফটোকপি থাকলেও মূল কাগজপত্র খুঁজে পান নাই ।

মূল কপি কি প্রকারে সংগ্রহ করবেন সে বিষয়টা তুলে ধরা হলোঃ-

আপনি আপনার বাবা আজিজের মৃত্যুকালে রেখে যাওয়া ঐ সম্পত্তির সি.এস খতিয়ান ও এসএ এবং আরএস খতিয়ানের জাবেদা নকল ভোলা কলেক্টরেট অফিস (জেলা প্রশাসকের কার্যালয়) রেকর্ড রুম হতে নির্দিষ্ট জাবেদা নকলের ফরমে আবেদন করে জাবেদা নকল তুলতে পারবেন। এছাড়া আপনার দাদা (পিতামহ) এর নামীয় দলিল ভোলা জেলা রেজিষ্টার অফিস হতে জাবেদা নকল তুলতে পারবেন। আপনি দলিলের ফটোকপি দেখে দলিলের নম্বর অনুসারে জাবেদা নকলের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় আর ও মাধ্যম
দলিলের নকল (Certified Copy) প্রাপ্তির নিয়মাবলীঃ-

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(১) ধারা মোতাবেক, প্রয়োজনীয় ফিস পরিশোধ সাপেক্ষে, যে কোন ব্যক্তি ১ নং (স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত দলিলের) ও ২ নং (রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকার করা দলিলের) রেজিস্টার বহি ও ১ নং রেজিস্টার বহি সম্পর্কিত সূচিবহি পরিদর্শন করতে পারে এবং উক্ত আইনের ৬২ ধারার বিধানাবলি সাপেক্ষে উক্ত দলিলের সার্টিফাইড কপি গ্রহন করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(২) ধারা মোতাবেক, প্রয়োজনীয় ফিস পূর্বে পরিশোধ সাপেক্ষে, দলিল সম্পাদনকারী বা তার এজেন্ট এবং সম্পাদনকারীর মৃত্যুর পর যে কোন আবেদনকারী ৩ নং নিবন্ধিত উইলের রেজিস্টার ৩ নং লিপিবদ্ধ বিষয়ের (অর্থাৎ উইল বা অছিয়ত দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি) এবং ৩ নং বহি সম্পর্কিত সূচিপত্রের নকল গ্রহন করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(৩) ধারা মতে, প্রয়োজনীয় ফিস পূর্বে পরিশোধ সাপেক্ষে, দলিলের সম্পাদনকারী বা দাবীদার ব্যক্তি বা তার এজেন্ট অথবা প্রতিনিধি ৪ নং বহিতে লিপিবদ্ধ বিষয়ের নকল গ্রহন করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(৪) ধারা মতে, ৩ নং ও ৪ নং বহিতে লিখিত বিষয়ের তল্লাশি, সাব-রেজিস্ট্রার এর মাধ্যমে করা যাবে।

জমির দলিল
জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয়
কিভাবে দলিল তল্লাশ করবেন?
যদি মূল দলিল থাকে- রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের রেজিস্ট্রি কার্যক্রম শেষ হলে মূল দলিলের শেষ পৃষ্টার উল্টোদিকে “দলিলটি কত সালের, কত নম্বর বালাম বইয়ের, কত পৃষ্ঠা থেকে কত নম্বর পৃষ্ঠায় নকল করা হয়েছ, তা লিখে সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষর করতে হয় । এভাবে খুব সহজে সহজেই রেজিস্ট্রি অফিসে থেকে দলিলের নকল উঠানো যায়/পাওয়া যায়।

মূল দলিল না থাকলে- রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রি শেষ হলে দলিলের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি তথ্য নিয়ে সূচিবহি তৈরি করা হয়। একটি সূচিবহি তৈরি হয় দলিলে উল্লিখিত জমির দাতা/বিক্রেতা, গ্রহিতা/ক্রেতা বা অন্য কোন পক্ষের নাম দিয়ে, আর একটি তৈরি হয় জমির মৌজার নাম দিয়ে।

দলিলের নকল প্রাপ্তির আবেদনের নিয়মাবলিঃ
রেজিস্ট্রেশন বিধিমালা ২০১৪ এর ১০৮ অনুচ্ছেদে সূচিবহি তল্লাশ ও দলিলের নকলের জন্য আবেদনের নিয়মাবলী লিপিবদ্ধ আছে।
এ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যে সকল ক্ষেত্রে তল্লাশ ও পরিদর্শনের জন্য কোন ফিস পরিশোধযোগ্য নহে, সে সকল ক্ষেত্র ব্যতিত, সকল ক্ষেত্রে নকলের জন্য আবেদন দাখিল করিবার পূর্বে (৩৬ নং ফরম অনুযায়ী) তল্লাশ ও পরিদর্শনের জন্য আবেদন করিতে হইবে। এরপর ৩৭ নং ফরমে নকলের জন্য আবেদন করিতে হইবে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arrn Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share