Al Qaswa Travels Wal Hajj Wal Umrah

Al Qaswa Travels Wal Hajj Wal Umrah হজ্জ, উমরাহ, ভিসা প্রসেসিং, এয়ার টিকেটিং ও ট্রাভেল রিলেটেড সকল কাজ করি সাথে সততার সাথে ব্যবসা করি।

রুকনে ইয়ামানী হলো পবিত্র কাবা শরীফের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ, যা হাজরে আসওয়াদের (কালো পাথর) আগের কোণ। তাওয়াফের প্রতিটি চক্ক...
12/05/2026

রুকনে ইয়ামানী হলো পবিত্র কাবা শরীফের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ, যা হাজরে আসওয়াদের (কালো পাথর) আগের কোণ। তাওয়াফের প্রতিটি চক্করে এই কোণটি স্পর্শ করা বা হাত দিয়ে ইশারা করা নবী করীম (সা.)-এর সুন্নাত এবং বরকতময় স্থান হিসেবে পরিচিত।
তবে হাজরে আসওয়াদের মতো একে চুম্বন করা বা চুমু খাওয়া সুন্নাত নয়, শুধু স্পর্শ করাই যথেষ্ট।
হাজরে আসওয়াদ ও রোকনে ইয়ামেনি এই দুটিই অনেক গুরুত্বপূর্ণ বরকতময় স্থান যাতে ইসতেলাম তথা স্পর্শ করা প্রিয়নবির সুন্নাত। তাই তাওয়াফকারীরা এ দুটিই স্পর্শ করে আল্লাহর রহমত ও মাগফেরাত কামনা করেন।
এ দুই রোকনের মধ্যবর্তী স্থানের জন্য প্রিয়নবি একটি দোয়া নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। এ স্থানে প্রিয়নবি (সা:) বলতেন-
‘রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতও ওয়াক্বিনা আজাবান নার’

হাদিস অনুযায়ী, রুকনে ইয়ামানীর ওপর ৭০ জন ফেরেশতা নিযুক্ত আছেন, যারা এই স্থান স্পর্শকারী ব্যক্তির জন্য দোআ করেন।
হাজরে আসওয়াদের মতো রুকনে ইয়ামেনি স্পর্শ করাও মানুষের গুনাহ মাফের কারণ হয়।
কেয়ামতের দিন এ রোকনদ্বয় তার স্পর্শকারী ও চুম্বনকারীর জন্য গোনাহ মাফ ও নাজাতের সুপারিশ করবে।
এক অজানা কারণে এই কোণের ফাটল বা বিচ্ছিন্নতা রোধে শত চেষ্টা করেও শাসকরা ব্যর্থ হয়েছেন, যা একে একটি "জীবন্ত অলৌকিক ঘটনা" হিসেবে পরিচিত করেছে।
বছরের পর বছর ধরে অনেক শাসক রুকনে ইয়ামেনির ফাটলটি আড়াল করার জন্য ঢেকে রাখার বা সিল করার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তারা সবসময় ব্যর্থ হয়েছেন।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সমস্ত হজ ও ওমরাহ পালনকারীকে হাজরে আসওয়াদ ও রোকনে ইয়ামেনিতে যথাযথ সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে স্পর্শ ও চুম্বন করার তাওফিক দান করে সকলের গুনাহ মাফ করে দিন। আমিন।

আলহামদুলিল্লাহ, আজকের দিনটি ছিল ইতিহাস, ভালোবাসা ও আত্মিক অনুভূতির এক অপূর্ব সমন্বয়।আজকে আমাদের হজ্জ যাত্রীদের নিয়ে মসজি...
10/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ, আজকের দিনটি ছিল ইতিহাস, ভালোবাসা ও আত্মিক অনুভূতির এক অপূর্ব সমন্বয়।আজকে আমাদের হজ্জ যাত্রীদের নিয়ে মসজিদুল হারামের আশেপাশে হেঁটে হেঁটে আমরা করেছি হৃদয়স্পর্শী কিছু জিয়ারাহ—যেখানে প্রতিটি স্থান যেন ইসলামের গৌরবময় অতীতের জীবন্ত সাক্ষী। ✨

আজকের জিয়ারাহসমূহ👇👇

📍 জান্নাতুল মুয়াল্লা (খাদিজা রা: এর কবরস্থান)
এটি মক্কার অন্যতম প্রাচীন কবরস্থান, যেখানে প্রিয় নবী ﷺ-এর প্রাণপ্রিয় স্ত্রী উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদিজা (রা:) শায়িত আছেন। এখানে দাঁড়িয়ে হাজীদের চোখে ছিল ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর দোয়ার অশ্রু।

📍 জাবালে আবু কুবাইস
ঐতিহাসিক এই পাহাড়ের সাথে জড়িয়ে আছে বহু ঘটনা। বর্ণিত আছে, নূহ (আ:) এর প্লাবনের সময় হাজরে আসওয়াদ এই পাহাড়ে সংরক্ষিত ছিল। পরে ইব্রাহিম (আ:) কাবা নির্মাণের সময় এখান থেকে পাথরটি এনে বর্তমান স্থানে স্থাপন করেন।

📍 আল নবী গেট
এই গেট দিয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ কাবা শরীফে প্রবেশ করতেন। সেই স্মৃতি মনে করে হাজীরা গভীর আবেগে আপ্লুত হয়—যেন সেই পবিত্র পদচারণার ছোঁয়া আজও অনুভূত হয়।

📍 মাওলুদুন্নবী (রাসূল ﷺ এর জন্মস্থান)
এখানেই জন্মগ্রহণ করেন মানবজাতির শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব, আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ। স্থানটি আমাদের হৃদয়ে নবীর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাকে আরও গভীর করে তোলে। ❤️

📍 দারুল আরকাম
ইসলামের সূচনালগ্নে এটি ছিল গোপন দাওয়াত ও শিক্ষা কেন্দ্র। সাহাবায়ে কেরাম (রা:) এখানে একত্রিত হয়ে ঈমানের আলো গ্রহণ করতেন। কঠিন পরিস্থিতিতে এই ঘরটি ছিল ইসলামের প্রথম পাঠশালা—যেখান থেকে দ্বীনের আলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো বিশ্বে।

📍 দারুন নাদওয়া
কুরাইশদের পরামর্শ কেন্দ্র ছিল এটি। এখানেই তারা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিত, এমনকি নবী ﷺ-এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রও এখানে পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এই স্থান আমাদের শেখায়—সত্যের পথ সবসময় পরীক্ষায় পূর্ণ, কিন্তু শেষ বিজয় সত্যেরই হয়।

📍 শি'আবে আবী তালিব
এখানেই নবী ﷺ এবং তাঁর পরিবার-পরিজন তিন বছর অবরুদ্ধ অবস্থায় কঠিন কষ্ট সহ্য করেছিলেন। ক্ষুধা, দুঃখ-কষ্টের মাঝেও তাদের ঈমান ছিল অটুট। এই স্থান ধৈর্য, ত্যাগ ও আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

📍 মসজিদে রায়াহ
মক্কা বিজয়ের সময় রাসূল ﷺ এখানে তাঁর পতাকা (রায়াহ) স্থাপন করেছিলেন। এটি বিজয়ের স্মৃতিবাহী একটি স্থান, যেখানে সত্যের জয় এবং ইসলামের বিজয়ের ইতিহাস জড়িয়ে আছে।

📍 মসজিদে শাজারাহ
এ স্থানটির সাথে গাছ (শাজারাহ) সম্পর্কিত একটি ঘটনা জড়িত। বর্ণিত আছে, রাসূল ﷺ-এর মু'জিযার নিদর্শন হিসেবে একটি গাছ তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে এগিয়ে এসেছিল। এই ঘটনা আল্লাহর কুদরতের এক অপূর্ব নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।

📍 মসজিদে জিন
এখানেই একদল জিন এসে রাসূল ﷺ-এর কাছে কুরআন তিলাওয়াত শুনে ঈমান গ্রহণ করেছিল বলে বর্ণিত। এই মসজিদ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—ইসলামের দাওয়াত শুধু মানুষের জন্য নয়, বরং সমগ্র সৃষ্টির জন্য।

📍 মসজিদে ফাতাহ
মক্কা বিজয়ের প্রাক্কালে রাসূল ﷺ এখানে দোয়া করেছিলেন এবং আল্লাহর সাহায্য কামনা করেছিলেন। পরবর্তীতে ইসলামের বিজয় আসে—তাই এই মসজিদ বিজয়, তাওয়াক্কুল ও দোয়ার শক্তির এক উজ্জ্বল প্রতীক।

📍মাকবারায়ে শাবিকা

জাহেলি যুগে আরবদের কিছু গোত্রের মধ্যে কন্যাশিশুকে জীবিত কবর দেওয়ার ভয়াবহ প্রথা ছিল—এটি কুরআনেও উল্লেখ এসেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَإِذَا الْمَوْءُودَةُ سُئِلَتْ ۝ بِأَيِّ ذَنبٍ قُتِلَتْ
“যখন জীবন্ত কবর দেওয়া কন্যাশিশুকে জিজ্ঞাসা করা হবে— কোন অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল?”
— সূরা তাকভীর: ৮–৯

✨ দিনশেষে অনুভূতি
আজকের প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল ইতিহাসের পথে হাঁটা, প্রতিটি স্থান ছিল ঈমানকে নবায়ন করার এক একটি মাধ্যম। হাজীদের হৃদয় ভরে গেছে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আত্মিক প্রশান্তিতে।

🤲 আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই সফর কবুল করুন, এবং এসব স্থান থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের জীবনকে আমলময় করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

২০২৭ সালের হজ্জের রেজিষ্ট্রেশন চলছে

আল কাছওয়া ট্রাভেলস অল হজ্জ অল উমরাহ
(হজ্জ লাইসেন্স নং ৫৪৪)

🔰মতিঝিল অফিস: ২৯, টয়েনবি সার্কুলার রোড , দৈনিক বাংলার মোড়, মতিঝিল, ঢাকা।

🔰 জুরাইন অফিস: জুরাইন রেল গেইট,(রুপালি ব্যাংকের সাথে ৩য় তলা) শ্যামপুর, ঢাকা।

📲হোয়াটসঅ্যাপ করুনঃ
+8801841980703
+8801913180703
+8801911-743328
+8801613-947354

09/05/2026
08/05/2026

মাসজিদুল হারাম জুম্মার নামাজের আযান।

আলহামদুলিল্লাহ, আজকে আমাদের ৬৪ জন সম্মানিত হজ্জযাত্রীকে নিয়ে আমরা মক্কার ঐতিহাসিক ও স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন পবিত্র স্থান জি...
08/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ, আজকে আমাদের ৬৪ জন সম্মানিত হজ্জযাত্রীকে নিয়ে আমরা মক্কার ঐতিহাসিক ও স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন পবিত্র স্থান জিয়ারাহ করার সৌভাগ্য অর্জন করেছি।

দিনটি ছিল ইতিহাস, ঈমান, ত্যাগ ও আত্মত্যাগের শিক্ষা অনুভব করার এক অনন্য অধ্যায়। ❤️

আজকের জিয়ারাহসমূহ👇👇

⛰️ জাবালে সাওর
সেই ঐতিহাসিক পাহাড়, যেখানে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ ও হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) হিজরতের সময় গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। এখানে দাঁড়িয়ে সাহাবীদের ত্যাগ ও আল্লাহর উপর ভরসার ইতিহাস যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছিল।

⛰️ জাবালে নূর
এখানেই অবস্থিত বিখ্যাত “গারে হেরা”, যেখানে সর্বপ্রথম ওহী নাযিল হয়েছিল। হাজীরা গভীর আবেগ নিয়ে সেই পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে কুরআনের সূচনার স্মৃতি অনুভব করেছেন।

🤍 ময়দানে আরাফা
হজ্জের প্রাণকেন্দ্র। এখানেই আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.) পুনর্মিলিত হয়েছিলেন এবং এখানেই লাখো হাজী দাঁড়িয়ে আল্লাহর দরবারে কান্নায় ভেঙে পড়েন। হাজীরা আরাফার ময়দানে দাঁড়িয়ে নিজেদের জীবনের জন্য বিশেষ দোয়া করেছেন।

🏕️ মিনা
তাঁবুর শহর নামে পরিচিত এই স্থান হাজীদের ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও ইবাদতের অনন্য প্রতীক। এখানে অবস্থানের স্মৃতি হৃদয় ছুঁয়ে গেছে সবার।

🌙 মুজদালিফা
খোলা আকাশের নিচে রাত যাপনের সেই স্মৃতি মনে করিয়ে দেয় কিয়ামতের ময়দানের কথা। এখান থেকে শয়তানকে নিক্ষেপ করার জন্য পাথর সংগ্রহ করা হয়।

🪨 জামারাহ
হযরত ইবরাহিম (আ.)-এর শয়তানকে প্রত্যাখ্যান করার স্মৃতিবিজড়িত স্থান। এখানকার প্রতিটি মুহূর্ত হাজীদের মনে ত্যাগ ও আল্লাহর আনুগত্যের শিক্ষা জাগ্রত করেছে।

🐏 হযরত ইসমাইল (আ.)-এর কুরবানীর স্থান
এক অসীম ত্যাগ ও আনুগত্যের ইতিহাস। বাবা ও ছেলের সেই মহান পরীক্ষার স্মৃতি হাজীদের হৃদয়কে নাড়িয়ে দিয়েছে।

🐘 আশহাবে ফীলের ঘটনা স্মরণীয় স্থান
যেখানে আল্লাহ তায়ালা কাবা ঘর রক্ষার জন্য আবরাহার বিশাল হস্তীবাহিনীকে ধ্বংস করেছিলেন। এই স্থান আল্লাহর কুদরত ও বায়তুল্লাহর মর্যাদার এক জীবন্ত নিদর্শন।

✨ আজকের পুরো জিয়ারাহজুড়ে হাজীদের চোখে ছিল আবেগ, হৃদয়ে ছিল কৃতজ্ঞতা আর মুখে ছিল আলহামদুলিল্লাহর শুকরিয়া।

ইতিহাসের প্রতিটি স্থান যেন ঈমানকে আরও দৃঢ় করেছে এবং আখিরাতের প্রস্তুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।

🤲 আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল হাজীদের হজ্জ কবুল করুন, জীবনের গুনাহ মাফ করুন এবং বারবার তাঁর পবিত্র ঘরে আসার তৌফিক দান করুন। আমীন 🤍

২০২৭ সালের হজ্জের রেজিষ্ট্রেশন চলছে...
✈️✈️ভ্রমণে আপনার বিশ্বস্ত সহযোগী✈️✈️

🏢 আমাদের অফিসের ঠিকানাঃ
🔥 আল ক্বাছওয়া ট্রাভেলস অল-হজ্জ অল-উমরাহ
(হজ্জ লাইসেন্স নং ০৫৪৪)

🔰 মতিঝিল অফিস: ২৯, টয়েনবি সার্কুলার রোড , দৈনিক বাংলার মোড়, মতিঝিল, ঢাকা।

🔰 জুরাইন অফিস: জুরাইন রেল গেইট,
রাজউক জামে মসজিদ সংলগ্ন,(৩য় তলা) রুপালি ব্যাংকের সাথে, শ্যামপুর, ঢাকা।

📲হোয়াটসঅ্যাপ করুনঃ
wa.me/+8801841980703
wa.me/+8801913180703
wa.me/+8801911-743328
wa.me/+880 1613-947354

#হজ্জ_সফর_২০২৬ #মক্কা_জিয়ারাহ #হজ্জ_ডায়েরি #আলহামদুলিল্লাহ

07/05/2026

🔴 মক্কা জিয়ারাহ লাইভ

আলহামদুলিল্লাহ, আজ পবিত্র মক্কা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও ইসলামী স্থানসমূহ জিয়ারাহ করছি। 🤍
📍 সম্ভাব্য জিয়ারাহ স্পটসমূহঃ
• জাবালে নূর
• গারে হেরা
• জাবালে সাওর
• গারে সাওর
• মিনা
• মুযদালিফা
• আরাফার ময়দান
• জাবালে রহমত
প্রতিটি স্থান জড়িয়ে আছে নবী ﷺ-এর স্মৃতি, ত্যাগ, দাওয়াত ও উম্মতের জন্য অসংখ্য শিক্ষার সাথে।
🤲 আল্লাহ তায়ালা সকল হাজীর হজ্জ কবুল করুন এবং এই সফরকে কবুল ও বরকতময় করুন।

06/05/2026

হাজিদের মেহমানদারির জন্য।

05/05/2026

জেদ্দা করনিচ সি বিচ—মন ছুঁয়ে যাওয়া এক অনুভূতি 🌊

সমুদ্রের নীল জলরাশি আর আকাশের বিস্তৃতি যেন হৃদয়ের গভীরে শান্তির বার্তা পৌঁছে দেয়। ঢেউয়ের প্রতিটি শব্দ মনে করিয়ে দেয়—এই দুনিয়ার সব ব্যস্ততার মাঝেও কিছু নিরিবিলি মুহূর্ত আছে, যা শুধুই নিজের জন্য।

সূর্য যখন ধীরে ধীরে ডুবে যায়, তখন করনিচের আকাশটা সোনালি রঙে রঙিন হয়ে ওঠে—সেই দৃশ্য চোখে নয়, মনে গেঁথে থাকে।

পরিবার, প্রিয় মানুষ আর আল্লাহর অসীম নিয়ামতের মাঝে কাটানো এই সময়গুলো—সত্যিই জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি।

আলহামদুলিল্লাহ 🤲

ইসলামী ঐতিহ্য অনুযায়ী, নবী মুহাম্মদ ﷺ ও সায়্যিদা খাদিজা (রাঃ)-এর জ্যেষ্ঠ পুত্র কাসিম ইবনে মুহাম্মদ-এর কবর তাঁর মায়ের কবর...
05/05/2026

ইসলামী ঐতিহ্য অনুযায়ী, নবী মুহাম্মদ ﷺ ও সায়্যিদা খাদিজা (রাঃ)-এর জ্যেষ্ঠ পুত্র কাসিম ইবনে মুহাম্মদ-এর কবর তাঁর মায়ের কবরের পাশেই রয়েছে।

তাঁরা উভয়েই মক্কার জান্নাতুল মু‘আল্লা কবরস্থানে (যা আল-হাজুন কবরস্থান নামেও পরিচিত) সমাহিত।

কাসিম (রাঃ) শৈশবেই ইন্তিকাল করেন—আনুমানিক দুই বা তিন বছর বয়সে, নবুওয়াত ঘোষণার বহু আগেই। তাঁর জন্মের কারণে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কুনিয়াত (সম্মানসূচক উপাধি) হয় “আবুল কাসিম”।



📌 স্থানটি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

✅ একই স্থানে সমাহিত

ইতিহাসগ্রন্থ ও কিছু স্মারক তথ্যফলক থেকে জানা যায়—
কাসিম (রাঃ) তাঁর মা খাদিজা (রাঃ)-এর কবরের একেবারে পাশে, এমনকি বলা হয় “মায়ের পায়ের কাছে” সমাহিত।

🕌 কবরস্থানের ইতিহাস

জান্নাতুল মু‘আল্লা মক্কার অন্যতম প্রাচীন কবরস্থান। এখানে আরও বহু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব সমাহিত রয়েছেন, যেমন—

* রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর দাদা আব্দুল মুত্তালিব
* চাচা আবু তালিব
* এবং অন্যান্য সম্মানিত সাহাবি ও আত্মীয়-স্বজন

🏜️ বর্তমান অবস্থা

বর্তমানে এই কবরস্থানের কবরগুলো অত্যন্ত সাধারণ ও চিহ্নবিহীন—
শুধু মাটির উপর আয়তাকার ছোট উঁচু ঢিবির মতো দেখা যায়।

কারণ, অতীতে যেসব গম্বুজ ও সমাধি-গৃহ ছিল, সেগুলো ১৯২৫ সালে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।

েতনতা
#হজের_আদব
#জান্নাতুল_মু‘আল্লা
#কবরস্থান

হাজরে আসওয়াদ এর ইতিহাস! ‘হাজরে আসওয়াদ’—কাবাঘরের দেয়ালে বিশেষভাবে স্থাপনকৃত একটি পাথরের নাম। আরবি ‘হাজর’ শব্দের অর্থ পাথ...
05/05/2026

হাজরে আসওয়াদ এর ইতিহাস!
‘হাজরে আসওয়াদ’—কাবাঘরের দেয়ালে বিশেষভাবে স্থাপনকৃত একটি পাথরের নাম। আরবি ‘হাজর’ শব্দের অর্থ পাথর আর ‘আসওয়াদ’ শব্দের অর্থ কালো। অর্থাৎ কালো পাথর। ‘হাজরে আসওয়াদ’ বেহেশতের মর্যাদাপূর্ণ একটি পাথর। হজযাত্রীরা হজ করতে গিয়ে এতে সরাসরি বা ইশারার মাধ্যমে চুম্বন দিয়ে থাকেন।
হাজরে আসওয়াদের কিছু বৈশিষ্ট্য

হাদিসের গ্রন্থগুলোতে হাজরে আসওয়াদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে প্রচুর আলোচনা এসেছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘হাজরে আসওয়াদ একটি জান্নাতি পাথর, তার রং দুধের চেয়ে বেশি সাদা ছিল।
এরপর বনি আদমের পাপরাশি এটিকে কালো বানিয়ে দিয়েছে। ’ (জামে তিরমিজি : ৮৭৭, মুসনাদে আহমাদ, ১/৩০৭, ৩২৯)
অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘হাজরে আসওয়াদ জান্নাতেরই একটি অংশ।
’ (ইবনে খুজায়মা, খণ্ড: ০৪, পৃষ্ঠা: ২২০)

হাজরে আসওয়াদ চুম্বনের ফজিলত
হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করা বরকতময়। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কিয়ামতের দিন এ পাথর আবু কুবাইস পাহাড় থেকে বড় আকার ধারণ করে উপস্থিত হবে।
তার একটি জিহ্বা ও দুটি ঠোঁট থাকবে, (বায়তুল্লাহর জিয়ারতকারীরা) কে কোন নিয়তে তাকে চুম্বন করেছে, সে সম্পর্কে বক্তব্য দেবে। ’ (ইবনে খুজায়মা : ৪/২২১, মুসতাদরাকে হাকেম : ১/৪৫৭)

8আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-কে হাজরে আসওয়াদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি রাসুল (সা.)-কে তা স্পর্শ ও চুম্বন করতে দেখেছি। ’ (মুসলিম, হাদিস : ১২৬৭)
হাজরে আসওয়াদের ঐতিহাসিক তথ্য
ইসলামপূর্ব কোরাইশদের যুগে কাবা শরিফের গিলাফ যখন পুড়ে গিয়েছিল, তখন হাজরে আসওয়াদও পুড়ে গিয়েছিল। ফলে তার কৃষ্ণতা আরো বৃদ্ধি পায়।

রাসুলের নবুয়তপূর্ব সময়ে কাবা পুনর্নির্মাণের পর হাজরে আসওয়াদ আগের স্থানে কে বসাবেন—এটি নিয়ে কোরাইশদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বেধেছিল। তখন মহানবী (সা.) নিজের গায়ের চাদর খুলে তাতে হাজরে আসওয়াদ রেখে সব গোত্রপ্রধানকে চাদর ধরতে বলেন। গোত্রপ্রধানরা চাদরটি ধরে কাবা চত্বর পর্যন্ত নিয়ে গেলে নবী করিম (সা.) নিজ হাতে তা কাবার দেয়ালে স্থাপন করেন এবং দ্বন্দ্বের পরিসমাপ্তি ঘটান।

আবদুল্লাহ ইবনে জুবাইর (রা.)-এর শাসনামলে হাজরে আসওয়াদ ভেঙে তিন টুকরো হয়ে গিয়েছিল। ফলে তিনি তা রুপা দিয়ে বাঁধাই করেছেন। আর তিনিই সর্বপ্রথম হাজরে আসওয়াদকে রুপা দিয়ে বাঁধানোর সৌভাগ্য অর্জনকারী।
• ১৭৯ হিজরিতে আব্বাসীয় খলিফা হারুনুর রশিদ হাজরে আসওয়াদকে হীরা দিয়ে ছিদ্র করে রুপা দিয়ে ঢালাই করেন।
• ৩১৭ হিজরিতে কারামতিয়ারা হারাম শরিফে অতর্কিত আক্রমণ করে হাজরে আসওয়াদ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে ৩৩২ হিজরিতে ফিরিয়ে এনে চুনা দিয়ে তার চারপাশ এঁটে দেওয়া হয়।
• ৪১৩ হিজরিতে এক নাস্তিক লৌহ শলাকা দ্বারা হাজরে আসওয়াদের ওপর হামলে পড়ে। ফলে তা ছিদ্র হয়ে যায়। এরপর বনি শায়বার কিছু লোক তার ভগ্নাংশগুলো একত্রিত করে কস্তুরী দ্বারা ধৌত করে তার টুকরোগুলো ফের জোড়া লাগিয়ে দেয়।
• ১৩৩১ হিজরিতে সুলতান মুহাম্মদ রাশাদ হাজরে আসওয়াদের চারপাশে রুপার একটি নতুন বেষ্টনী তৈরি করে দেন।
• ১৩৫১ হিজরির এপ্রিলের ১৮ তারিখে বাদশাহ আবদুল আজিজ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও আলেম-ওলামাসহ কাবা শরিফে উপস্থিত হন এবং হাজরে আসওয়াদের অবস্থান সুদৃঢ় করার জন্য তাতে মেশকে আম্বরের মতো মূল্যবান পাথর সংযুক্ত করেন।
• ১৪১৭ হিজরিতে পবিত্র কাবাঘরের সঙ্গে হাজরে আসওয়াদেও বিশেষ রুপার দ্বারা নতুন বেষ্টনী স্থাপিত হয়।

03/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ।
বায়তুল্লাহ এর সামনে দাঁড়িয়ে ফজরের নামাজের অপেক্ষায়—এক অপার শান্তি ও আবেগঘন মুহূর্ত।

এখানে প্রতিটি দোয়া যেন আরও বেশি কবুলের আশায় হৃদয় থেকে বের হয়ে আসে।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলের দোয়া কবুল করুন এবং বারবার এই পবিত্র স্থানে হাজির হওয়ার তাওফিক দান করুন। 🤲

#মুলতাজাম #মক্কা #হজ্জ #দোয়া

Address

15/A DIT PLOT, JURAIN BAZAR
Dhaka
1204

Opening Hours

Monday 10:00 - 19:00
Tuesday 10:00 - 19:00
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:00
Saturday 10:00 - 19:00
Sunday 10:00 - 19:00

Telephone

+8801913180703

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Qaswa Travels Wal Hajj Wal Umrah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Al Qaswa Travels Wal Hajj Wal Umrah:

Share