08/11/2024
আত্মহত্যায়/দুর্ঘটনায়/সন্দেহজনক মৃত্যুর তদন্তঃ
#সুরতহাল_রিপোর্ট
#ময়না_তদন্ত_Post_Mortem
#ভিসেরা_পরীক্ষা
১৭৪ ও ১৭৬ ধারা ★ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮
✅সুরতহাল রিপোর্টঃ
কোন থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার বা এই সম্পর্কে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে, কোন ব্যক্তি-
*আত্মহত্যা করেছে, অথবা
*অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্রে বা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, অথবা
*এরূপ অবস্থায় মারা গেছে যার ফলে যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ হতে পারে যে অন্য কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে;
তাহলে, সুরতহাল তদন্তের জন্য ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন।
অতঃপর স্থানীয় দুই বা ততোধিক সম্মানী প্রতিবেশীর উপস্থিতিতে তদন্ত চালাবেন এবং মৃত ব্যক্তির দেহের জখম, অস্থি ভেঙ্গে যাওয়া ইত্যাদি উল্লেখ করে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে একটা রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন ইহাকেই 'সুরতহাল রিপোর্ট' বলে।
✅Inquest:
আইন অনুযায়ী কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পুলিশি হেফাজতে বা জেল হাজতে কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করা হলে সেটাকে Inquest বলা হয়।
✅ময়না তদন্তঃ
'ময়না' শব্দটি ফারসি/উর্দু থেকে এসেছে, যার অর্থ- 'ভালো করে খোঁজা'। ময়না পাখির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। আর 'Post Mortem' শব্দটি ল্যাটিন শব্দ, এখানে 'Post' অর্থ- 'পরে' এবং 'Mortem' অর্থ- 'মৃত্যু' অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় মৃত ব্যক্তির শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেটে জেলা পর্যায়ে DC বা জেলা সিভিল সার্জনের অনুমতি সাপেক্ষে তা Diener বা ডোমের মাধ্যমে পরীক্ষা করাকে বা মৃতদেহ বিশ্লেষণ করাকে 'Post Mortem' বা 'ময়না তদন্ত' বলে।
মূলত মৃত্যুর অজানা কারণ উদঘাটন ও কখন মৃত্যু হয়েছে সেটা জানার উদ্দেশ্যেই ময়না তদন্ত করা হয়ে থাকে।
✅ভিসেরা পরীক্ষাঃ
রাসায়নিক পরীক্ষা মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির পাকস্থলীতে কোন ধরনের বিষ আছে এবং শরীরের অন্য Organ বা তন্ত্রে কোন ধরনের সমস্যা আছে কি না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য যে পরীক্ষা করা হয় তাকেই 'ভিসেরা পরীক্ষা' বলা হয়ে থাকে।
✅Disinter Corpses:
কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৬ (২) ধারার অধীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষমতাবান অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট কবর হতে লাশ তুলতে পারে।
এডভোকেট ইমরুল কায়েস
গুলশান, ঢাকা
০৮/১১/২০২৪ইং, সময়: ১৫:০০