RM Associates

RM Associates Maintain compliances, reduce Tax burden

 #ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর!! কর আপিলে এসেছে বড় পরিবর্তন! # ভ্যাট, ট্যক্স ও কাস্টমস আপিল সংক্রান্ত সহযোগীতায় RM Associates ...
29/06/2026

#ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর!! কর আপিলে এসেছে বড় পরিবর্তন!

# ভ্যাট, ট্যক্স ও কাস্টমস আপিল সংক্রান্ত সহযোগীতায় RM Associates সবসময় আপনাদের পাশে আছে।

14/06/2026
এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)) আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে দেশের বিপুল সংখ্যক খুচরা দোকানকে করের আওতায় আনার প...
02/06/2026

এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)) আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে দেশের বিপুল সংখ্যক খুচরা দোকানকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে। আলোচনায় থাকা প্রস্তাব অনুযায়ী, খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য ০.০২% (প্রতি ১,০০০ টাকায় ২ টাকা) উৎসে কর বা টার্নওভারভিত্তিক কর সংগ্রহ করা হতে পারে।

প্রস্তাবটি কীভাবে কাজ করতে পারে?

ধরুন একজন মুদি দোকানদার কোনো ডিস্ট্রিবিউটর বা কোম্পানির কাছ থেকে ১ লাখ টাকার পণ্য কিনলেন।

পণ্যের মূল্য = ১,০০,০০০ টাকা
উৎসে কর = ০.০২%
কর = ২০ টাকা

অর্থাৎ ডিস্ট্রিবিউটর পণ্য সরবরাহের সময় ২০ টাকা কেটে এনবিআরের কাছে জমা দিতে পারে। পরে এই তথ্য খুচরা ব্যবসায়ীর কর রেকর্ডে যুক্ত হবে।

ভারতীয় মডেল বলতে কী বোঝানো হচ্ছে?

ভারতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে TDS (Tax Deducted at Source) এবং TCS (Tax Collected at Source) ব্যবস্থার মাধ্যমে লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এর ফলে:

ব্যবসায়ীদের একটি ডাটাবেস তৈরি হয়
নগদ অর্থনীতিকে ট্র্যাক করা সহজ হয়
কর ফাঁকি কমে
ছোট ব্যবসাও ধীরে ধীরে কর নেটওয়ার্কে আসে

বাংলাদেশেও একই ধরনের ধারণায় সরবরাহ চেইনের মাধ্যমে খুচরা ব্যবসার তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এনবিআরের লক্ষ্য কী?

প্রতিবেদন অনুযায়ী:

দেশে আনুমানিক ১–৩ কোটি খুচরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
প্রথম ধাপে প্রায় ৫০ লাখ ব্যবসায়ীকে আওতায় আনার চিন্তা রয়েছে।
অতিরিক্ত প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।
ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের উদ্বেগ

অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী মহলের কিছু উদ্বেগও আছে:

অনেক ছোট দোকান বর্তমানে আনুষ্ঠানিক কর ব্যবস্থার বাইরে।
সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে অতিরিক্ত প্রশাসনিক কাজ করতে হতে পারে।
কিছু ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত ব্যয় পণ্যের দামে যোগ করলে ভোক্তার ওপর চাপ বাড়তে পারে।
তবে সরকার বলছে, হার খুবই কম হওয়ায় এটি মূলত তথ্যভিত্তিক কর নেটওয়ার্ক তৈরির পদক্ষেপ।
সহজ ভাষায়

এটি মূলত “প্রতি বিক্রিতে বড় কর” নয়। বরং সরকার খুচরা ব্যবসার একটি জাতীয় ডাটাবেস তৈরি করতে চায়, যাতে ভবিষ্যতে কারা ব্যবসা করছে, কত লেনদেন করছে এবং কারা সম্পূর্ণ কর ব্যবস্থার বাইরে আছে—তা শনাক্ত করা যায়। ০.০২% হারটি তুলনামূলকভাবে খুব ছোট হলেও এর মাধ্যমে কোটি কোটি লেনদেনের তথ্য কর প্রশাসনের কাছে পৌঁছাবে।

যৌক্তিক হচ্ছে উৎসে কর না কাটার জরিমানা!ব্যবসায়ীরা এ নীতির পরিবর্তনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
21/05/2026

যৌক্তিক হচ্ছে উৎসে কর না কাটার জরিমানা!

ব্যবসায়ীরা এ নীতির পরিবর্তনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস এর ব্যক্তিগত হিসাবে কার্ড হতে 'অ্যাড মানি' সুবিধা প্রদানের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশন...
20/05/2026

মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস এর ব্যক্তিগত হিসাবে কার্ড হতে 'অ্যাড মানি' সুবিধা প্রদানের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা।

মূল বিষয় কী?আগে অনেক সময় অন্যের কার্ড থেকেও এমএফএসে (MFS) Add Money করা যেত।এখন বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে:✅ যে ব্যক্তির নাম...
20/05/2026

মূল বিষয় কী?
আগে অনেক সময় অন্যের কার্ড থেকেও এমএফএসে (MFS) Add Money করা যেত।
এখন বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে:
✅ যে ব্যক্তির নামে MFS অ্যাকাউন্ট, সেই ব্যক্তির নিজের নামে থাকা ব্যাংক কার্ড থেকেই Add Money করতে হবে।
নির্দেশনার প্রধান পয়েন্টগুলো
১) প্রথমবার Add Money করার সময় কী হবে?
প্রথমবার কোনো কার্ড MFS-এর সাথে যুক্ত করলে:
কমপক্ষে ৫০০ টাকা একটি টোকেন ট্রানজেকশন করতে হবে
এরপর ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে
তারপর থেকে নিয়মিত Add Money করা যাবে
উদাহরণ:
ধরুন:
আপনার নাম: আরিফ
আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্ট: আরিফের নামে
আপনি আপনার ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ডেবিট কার্ড যুক্ত করলেন
তাহলে:
প্রথমে ৫০০ টাকা Add Money করবেন
২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করবেন
এরপর স্বাভাবিকভাবে টাকা আনতে পারবেন
২) ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে কী পরিবর্তন?
১ আগস্ট ২০২৬ থেকে:
✅ যদি কার্ড এবং MFS অ্যাকাউন্ট একই ব্যক্তির নামে থাকে এবং যাচাই করা হয়, তাহলে:
৫০০ টাকার টোকেন ট্রানজেকশন লাগবে না
২৪ ঘণ্টা অপেক্ষাও করতে হবে না
উদাহরণ:
বিকাশ অ্যাকাউন্ট: “Md Arifuzzaman”
কার্ডের নাম: “Md Arifuzzaman”
দুইটা মিললে সরাসরি Add Money করা যাবে।
৩) অন্যের কার্ড ব্যবহার করা যাবে?
মূলত নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে:
MFS প্রতিষ্ঠানকে নিশ্চিত করতে হবে যে কার্ডধারী ও MFS অ্যাকাউন্টধারী একই ব্যক্তি
না হলে ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে কার্ড হতে Add Money সুবিধা বন্ধ করতে হবে
উদাহরণ:
❌ আপনার ভাইয়ের কার্ড থেকে আপনার বিকাশে টাকা আনা যাবে না
❌ বন্ধুর ক্রেডিট কার্ড থেকে নিজের নগদে Add Money করা যাবে না
৪) কেন এই নিয়ম?
সম্ভবত:
প্রতারণা কমানো
চুরি হওয়া কার্ড ব্যবহার ঠেকানো
মানি লন্ডারিং নিয়ন্ত্রণ
প্রকৃত ব্যবহারকারী যাচাই করা
বাস্তবে এর প্রভাব কী হবে?
সুবিধা
✅ নিরাপত্তা বাড়বে
✅ জালিয়াতি কমবে
✅ নিজের কার্ড থাকলে ঝামেলা কম
অসুবিধা
❌ পরিবারের অন্য কার্ড ব্যবহার করা কঠিন হবে
❌ যাদের নিজের ব্যাংক কার্ড নেই তারা সমস্যায় পড়তে পারেন

আসন্ন বাজেটে প্রস্তাবিত, সম্পদের ওপর ট্যাক্স: একটি চরম আত্মঘাতী এবং ব্যর্থ আইডিয়া!বাংলাদেশ সরকার এবং এনবিআর নাকি এবার 'স...
18/05/2026

আসন্ন বাজেটে প্রস্তাবিত, সম্পদের ওপর ট্যাক্স: একটি চরম আত্মঘাতী এবং ব্যর্থ আইডিয়া!

বাংলাদেশ সরকার এবং এনবিআর নাকি এবার 'সম্পদের ওপর ট্যাক্স' বসানোর কথা ভাবছে। সহজ ভাষায় বলি, এটা একটা অত্যন্ত বিপজ্জনক আইডিয়া, যা যেকোনো দেশ থেকে বিনিয়োগকারীদের তাড়ানোর জন্য একাই যথেষ্ট।

ট্যাক্স সবসময় বসাতে হয় "কামাই বা ইনকামের" ওপর, মানুষের "সম্পদের" ওপর না। কেন?

📈 ১. শেয়ার বাজারের উদাহরণ:
ধরেন আপনি একটা কোম্পানিতে ১০ লক্ষ টাকা ইনভেস্ট করলেন এবং ৫০% শেয়ার পেলেন। কোম্পানি ভালো করায় আপনার ৫ লক্ষ টাকার শেয়ারের মূল্য বেড়ে ১৫ লক্ষ টাকা হলো। কিন্তু যতদিন আপনি এই শেয়ার বিক্রি করছেন না, ততদিন আপনার হাতে কোনো নগদ টাকা বা "কামাই" আসেনি। ওটা স্রেফ কাগজের হিসাব। এখন সম্পদের ওপর ট্যাক্স ধরলে, এই কাগুজে মূল্যের ওপর আপনাকে ট্যাক্স দিতে হবে! টাকা পাবেন কই? হয় আপনাকে জোর করে শেয়ার বেচতে হবে, না হয় অন্যখান থেকে টাকা ধার করে ট্যাক্স মেটাতে হবে।

🏡 ২. পৈত্রিক জমির উদাহরণ:
আপনার বাবা আপনাকে একটি মূল্যবান জমি দিয়ে গেছেন। আপনি সেটা বিক্রি না করে ধরে রেখেছেন। বিক্রি করার আগ পর্যন্ত এটা আপনার সম্পদ, কোনো ইনকাম না। এখন খাজনা দেওয়ার পরেও যদি এর ওপর বাড়তি 'সম্পদ ট্যাক্স' দিতে হয়, তবে বিক্রি না করে আপনি টাকা পাবেন কোথায়? বাবার দেওয়া জমি টিকিয়ে রাখতে অন্য জায়গা থেকে টাকা এনে ট্যাক্স দিতে হবে?

💰 ৩. ব্যাংকে জমানো টাকার ওপর ডাবল ট্যাক্স:
ব্যাংকে যে টাকাটা আপনি জমিয়েছেন, সেটা কিন্তু অলরেডি ইনকাম ট্যাক্স দেওয়ার পরের টাকা। এখন সেই জমানো টাকার ওপর আবার সম্পদ ট্যাক্স বসানো মানে একই টাকার ওপর বারবার জুলুম করা।

ট্যাক্সের মূল নিয়ম: যখন লেনদেন হবে, লাভ হবে, বিক্রি হবে—তখনই কেবল ট্যাক্স হবে। লেনদেন নাই, ট্যাক্সও নাই!

⚠️ দেশ কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে?
বাংলাদেশ থেকে মাত্র ৩-৪% ফি দিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে অবৈধ পথে বিদেশে টাকা পাঠানো যায়।
সম্পদের ওপর ট্যাক্স বসালে। দেশের বড়লোকেরা আর দেশে সম্পদ রাখবে না। মাত্র ৩-৪% ফি দিয়ে হুন্ডি করে সব টাকা দুবাই বা সিঙ্গাপুরে পাঠিয়ে দেবে সেই সম্ভবনা থেকে যাবে। দেশে টাকা জমানো বা অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগের কোনো কারণই অবশিষ্ট থাকবে না। উপকার হবে বিদেশের, ক্ষতি হবে বাংলাদেশের।

📉 তাহলে উপায় কী?
বাংলাদেশের ট্যাক্স কালেকশন অবশ্যই বাড়াতে হবে। তবে তার সঠিক উপায় হলো—দেশের সব মানুষের কাছ থেকে অল্প অল্প করে ট্যাক্স নেওয়ার অভ্যাস করা এবং তার বিনিময়ে তাদের সার্ভিস দেওয়া।
যার বেতন খুব কম, তার কাছ থেকে সহনীয় পর্যায়ে মাত্র ৫০ টাকা হলেও ইনকাম ট্যাক্স নেওয়া উচিত। বিনিময়ে রাষ্ট্র তাকে নিশ্চিত নাগরিক সুবিধা ও নিরাপত্তা দেবে।
"শুধুমাত্র বড়লোকরাই ট্যাক্স দেবে—ইনকাম থেকেও দেবে, সম্পদ থেকেও দেবে"—এটি একটি সম্পূর্ণ ফ্লপ আইডিয়া। এর চেয়ে দ্রুত বিদেশী বিনিয়োগ ধ্বংস করার মতো ক্ষতিকর বুদ্ধি আর দুটি নেই!

আপনার কী মনে হয়? কমেন্টে আপনার মতামত জানান। 👇

জ্বালানি তেল, এলপিজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চড়া দামে আগে থেকেই দিশেহারা দেশের সাধারণ মানুষ। এর মধ্যেই গ্রাহকদের ঘা...
17/05/2026

জ্বালানি তেল, এলপিজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চড়া দামে আগে থেকেই দিশেহারা দেশের সাধারণ মানুষ। এর মধ্যেই গ্রাহকদের ঘাড়ে চাপতে বসেছে বিদ্যুতের বাড়তি বিলের বোঝা।
সূত্র: দ্যা ডেইলি স্টার

Address

Razzak Plaza, 2nd Floor (Flat-3C), Mogbazar,
Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RM Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category