আইনবিধি

আইনবিধি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আইনবিধি, Legal, Room no-402 (3rd Floor), sarc Law Chamber, 51/F Jonson Road, Dhaka.

03/11/2020

আয়কর রিটার্ন যাদের জন্য বাধ্যতামূলকঃ

আয়কর কর্তৃপক্ষের কাছে করদাতার বার্ষিক আয়, ব্যয় ও সম্পদের তথ্য নির্ধারিত ফরমে উপস্থাপন করার মাধ্যম হচ্ছে আয়কর রিটার্ন। আয়কর আইন অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্ধারিত ফরমে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হয়। কারা আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন:

ক. যাঁদের করযোগ্য আয় রয়েছে, যেমন কোনো ব্যক্তি-করদাতার আয় যদি বছরে ৩ লাখ টাকার বেশি হয়; মহিলা এবং ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতার আয় যদি বছরে সাড়ে ৩ লাখ টাকার বেশি হয় এবং গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় যদি বছরে ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকার বেশি হয়।

খ. যাঁদের অবশ্যই রিটার্ন দাখিল করতে হবে:

১. যাঁর ১২ ডিজিটের টিআইএন আছে;

২. করদাতার মোট আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম করলে;

৩. আয় বছরের পূর্ববর্তী তিন বছরের যেকোনো বছর করদাতার কর নির্ধারণ হয়ে থাকলে;

৪. করদাতা যদি কোনো কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডারের এমপ্লয়ি বা কর্মচারী হন;

৫. করদাতা যদি কোনো ফার্মের অংশীদার হন;

৬. করদাতা যদি সরকার অথবা সরকারের কোনো কর্তৃপক্ষ, করপোরেশন, সত্তা বা ইউনিটে বা প্রচলিত কোনো আইন, আদেশ বা দলিলের মাধ্যমে গঠিত কোনো কর্তৃপক্ষ, করপোরেশন, সত্তা বা ইউনিটের কর্মচারী হয়ে আয় বছরের যেকোনো সময় ১৬ হাজার টাকা বা এর বেশি মূল বেতন পান;

৭. করদাতা যদি কোনো ব্যবসায় বা পেশায় নির্বাহী বা ব্যবস্থাপনা পদে বেতনভোগী কর্মী হন;

৮. করদাতার আয়কর অব্যাহতি পাওয়া বা হ্রাসকৃত হারে করযোগ্য হয়ে থাকে;

৯. করদাতা যদি মোটর গাড়ির মালিক হন (মোটর গাড়ি বলতে জিপ বা মাইক্রোবাসকেও বোঝাবে);

১০. করদাতা যদি কোনো সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ হতে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করে কোনো ব্যবসা বা পেশা পরিচালনা করেন

১১. করদাতার যদি মূল্য সংযোজন কর আইনের অধীন নিবন্ধিত কোনো ক্লাবের সদস্যপদ থাকে

১২. করদাতা যদি চিকিৎসক, দন্ত চিকিৎসক, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি অথবা সার্ভেয়ার হিসেবে বা সমজাতীয় পেশাজীবী হিসেবে কোনো স্বীকৃত পেশাজীবী সংস্থার নিবন্ধিত হন;

১৩. করদাতা যদি আয়কর পেশাজীবী হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিবন্ধিত হন;

১৪. করদাতা যদি কোনো বণিক বা শিল্পবিষয়ক চেম্বার বা ব্যবসায়িক সংঘ বা সংস্থার সদস্য হন;

১৫. করদাতা যদি কোনো পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের কোনো পদে বা সাংসদ পদে প্রার্থী হন;

১৬. করদাতা যদি কোনো সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা কোনো স্থানীয় সরকারের কোনো টেন্ডারে অংশগ্রহণ করেন;

১৭. করদাতা যদি কোনো কোম্পানির বা কোনো গ্রুপ অব কোম্পানিজের পরিচালনা পর্ষদে থাকেন;

১৮. করদাতা যদি মোটরযান, স্পেস বা স্থান, বাসস্থান অথবা অন্যান্য সম্পদ সরবরাহের মাধ্যমে শেয়ারড ইকোনমিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেন; এবং

১৯. করদাতা যদি লাইসেন্সধারী অস্ত্রের মালিক হন।

তবে বাংলাদেশে স্থায়ী ভিত্তি নেই এমন অনাবাসী এবং যাঁরা কেবল জমি বিক্রি করতে বা ক্রেডিট কার্ড নিতে ১২ ডিজিটের টিআইএন নিয়েছেন, কিন্তু করযোগ্য আয় নেই, তাঁদের রিটার্ন দিতে হবে না।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

04/10/2020

আদালতের নির্দেশে বাসায় ফিরেছেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল কে এস নবীর দুই নাতি। গতকাল শনিবার মধ্য রাতে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চের মৌখিক রুলের পরিপ্রেক্ষিতে ধানমন্ডি থানা-পুলিশ তাদের পৌঁছে দেন।
ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম হোসেন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, কে এস নবীর মৃত্যুর পর সহায় সম্পত্তি নিয়ে ঝামেলা শুরু হয়। গত ২ অক্টোবর কে এস নবীর বড় ছেলে রেহান নবী তাঁর ছোট ভাই সিরাজুন নবীর সন্তানদের ধানমন্ডির বাসায় ঢুকতে দিচ্ছিলেন না। সিরাজুন নবী (৪৪) গত ১০ আগস্ট মারা যান।
ওসি ইকরাম গতকাল শনিবার রাতে বিচারপতি আবু তাহের ও মো. সাইফুর রহমান মৌখিক রুল দেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ রাতে কে এস নবীর দুই নাতি ও তাদের মাকে বাসায় তুলে দিয়ে আসে।

29/09/2020

মাগুরা জেলা জজ আদালতে নতুন একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান। তিনি বিচারপ্রার্থী কলেজছাত্রীর নাম প্রকাশ না করে প্রতীকী নাম দেন ‘কল্প’ এবং সেই নাম উল্লেখ করে সোমবার একটি মামলার রায় ঘোষণা করেন। স্থানীয় আইনজীবীরা এটাকে দৃষ্টান্তমূলক ও বিরল ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন।
একান্ত ব্যক্তিগত ছবি সংরক্ষণ ও প্রচারের অভিযোগে ২০১৭ সালে এক কলেজছাত্রীর দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণাকালে এ ঘটনা ঘটে। এই মামলায় আসামি যুবায়ের হোসেনকে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই জরিমানার টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে ওই ছাত্রীকে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত, যাকে আদালত রায় ঘোষণার সময় ‘কল্প’ বলে উল্লেখ করেছেন।

07/09/2020

বেসরকারি ১২ হাজার ৫৪৩টি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিবন্ধন (লাইসেন্স) নবায়নের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছে বলে হাইকোর্টকে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে লাইসেন্সবিহীন হাসপাতালের সংখ্যা কত তা জানা নেই বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এমন তথ্য উপস্থাপন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাসগুপ্ত এসব তথ্য আদালতে তুলে ধরেন।

05/09/2020

কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র নাইমুল আবরারের (১৫) মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক ও কিশোর আলোর সম্পাদক আনিসুল হকসহ পাঁচজনের মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম জসিম উদ্দিন এ আদেশ দেন। পাশাপাশি ক্রোক সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

05/09/2020

স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটিতে নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সভাপতি হতে পারবে না বলে রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। তবে সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষক ছাড়া অন্যকোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের ম্যানেজিং কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে বা চেয়ারম্যান পদে থাকতে কোন বাধা নেই।

16/07/2020

কলকাতা হাইকোর্টে 'মাই লর্ড' বাতিল

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি বি রাধাকৃষ্ণন বলেছেন, বিচারপতিদের আর 'মাই লর্ড' বলে সম্বোধন নয়। এবার সম্বোধন করা হোক স্যার বলে। গতকাল বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশে এমনই এক নির্দেশ জারি করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল রাই চট্টোপাধ্যায়।
নির্দেশটি পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সব জেলা জজ ও জেলা দায়রা আদালতগুলিতে। নির্দেশে বলা হয়েছে, এখন থেকে মাই লর্ডের বদলে স্যার ব্যবহার করা যাবে। সম্বোধনের ঔপনিবেশিক সংস্কৃতির মানসিকতার পরিবতে এবার মাই লর্ড, ইয়োর অনার বা লর্ডশিপের বদলে স্যার বলা যাবে।

এই মাই লর্ড বা লর্ডশিপ বাতিলের দাবি নিয়ে ২০১৪ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল। মামলায় সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন বিচারপতি এইচ এল দাত্তু এবং বিচারপতি শরদ অরবিন্দ বোবদে'র (এখন তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে রয়েছেন) ডিভিশন বেঞ্চ এক রায়ে বলেছিলেন, বিচারপতিদের লর্ড, লর্ডশিপ বা ইয়োর অনার বলে সম্বোধন বাধ্যতামূলক নয়। বিচারপতিদের সন্মান জানাতে স্যার বলা যেতে পারে।

এই রায়ের পর রাজস্থান হাইকোর্ট গত বছর এক সিদ্ধান্ত নেয়। ওই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এস রবীন্দ্র ভাটের উদ্যোগে ফুল কোর্টের বৈঠকে বিচারপতিদের স্যার সম্বোধন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে অবশ্য ২০০৬ সালে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি এস মুরলী ধর তাঁকে স্যার সম্বোধনের রীতি চালু করেছিলেন। এই বিচারপতি কয়েকমাস আগে দিল্লি থেকে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে বদলি হয়ে গিয়ে একই নির্দেশ দিয়েছেন। ২০০৬ সালে বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া মাই লর্ড সম্বোধন বাতিলেরও প্রস্তাব দিয়েছিল।
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক আইনজীবী জেনারেল জয়ন্ত মিত্র বলেছেন, 'এটা প্রশংসনীয় উদ্যোগ । মাই লর্ড সম্বোধনের মধ্যে একটা পরাধীনতা বোধ অনুভূত হয়। বৃটিশরা চলে গেলেও তাদের চাপিয়ে দেওয়া অভ্যেস এখন আমাদের বয়ে নিয়ে চলার কোনো কারণ থাকতে পারে।'
সূত্রঃ প্রথম আলো

12/05/2020

চট্রগ্রামের হালদার ডলফিন রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে হালদা নদী থেকে ডলফিন হত্যা বন্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জানাতে বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
রিটের পক্ষে ভিডিও কনফারেন্সে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আব্দুল কাইয়ুম লিটন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চের এটাই প্রথম আদেশ।
এর আগে গতকাল সোমবার হালদা নদী থেকে একের এক ডলফিন হত্যা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে ভার্চুয়াল হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল কাইয়ুম লিটন জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।

07/05/2020

তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার ও ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বিচার কাজ পরিচালনার বিধান রেখে একটি অধ্যাদেশের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভপতিত্বে বৃহস্পতিবার (৭ মে) গণভবনে সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ,২০২০’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ের মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

করোনা পরিস্থিতির কারণে সাধারণ ছুটিতে গত ২৬ মার্চ থেকে অফিস-আদালত বন্ধ রয়েছে।

বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এখন পার্লামেন্ট চালু না থাকায় আইন করা যাবে না। এজন্য জরুরিভিত্তিতে এ বিষয়ে অধ্যাদেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী আদালতে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ বা তাদের পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবীদের এবং সাক্ষীদের উপস্থিতির মাধ্যমে মামলার বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। সমগ্র বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও কোভিড-১৯ মহামারি রোধকল্পে এক মাসের অধিক সময় ধরে কতিপয় ব্যতিক্রম ছাড়া আদালতসহ সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। মানুষের সমাগম হয় এমন সব কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে আদালত বন্ধ থাকায় মামলাজট যেমন বাড়ছে তেমনি বিচারপ্রার্থীরা বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে এবং বিচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সুবিধার্থে ভিডিও কনফারেন্সিংসহ অন্য ডিজিটাল মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম করার জন্য আইনি বিধান প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

এজন্য ভিডিও কনফারেন্সিংসহ অন্য ডিজিটাল মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম করতে এই অধ্যাদেশের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

মন্ত্রিপিরষদ সচিব বলেন, এই ব্যবস্থায় আসামিকে জেলখানায় রেখে, আইনজীবীকে বাসায় রেখে ও সাক্ষীকে অন্য জায়গায় রেখে ভিডিও কনফারেন্সিং ও অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতি অ্যাপ্লাই করে বিচারকার্য করা সম্ভব হবে। এটাই হলো এই অধ্যাদেশের মূল বিষয়।

তিনি আরো বলেন, এখন আইন মন্ত্রণালয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে অধ্যাদেশ হিসেবে জারি করবে। আর পার্লামেন্ট বসার প্রথম দিনই এটি সেখানে উপস্থাপিত হবে।

19/03/2020

করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাজে সহায়তা করুন। অযথা তাদের সাথে ঝামেলা করে তাদের কার্যে ব্যাঘাত সৃষ্টি করবেন না।

সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন ২০১৮ আইন অনুযায়ী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দায়িত্ব ও কার্যাবলির মধ্যে কয়েকটি নিম্নরুপঃ

‌১) সংক্রমিত এলাকাকে সংক্রমণমুক্ত এলাকা হতে পৃথককরণ, সংক্রমণমুক্ত এলাকায় উক্ত রোগের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ এবং আক্রান্ত এলাকায় পুনঃআবির্ভাব প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা।
২) বাসগৃহ, অন্যান্য গৃহ, ক্লিনিক, হাসপাতাল এবং রোগ নির্ণয় কেন্দ্র বা কোনো স্থাপনায় সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সেবা প্রদান করলে বা অনুরূপ রোগের সংক্রমণের আধার হিসাবে বিবেচিত হলে উক্ত স্থান বা স্থাপনা পরিদর্শন ও তদনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৩) সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শারীরিক ও ল্যাবরেটরি পরীক্ষা এবং, প্রয়োজনে, এন্টিবায়োটিক, প্রতিষেধক টিকা বা ঔষধ প্রয়োগ করা।
৪) সংক্রামক রোগের তথ্য রয়েছে এইরূপ কোনো ব্যক্তিকে উক্ত রোগের বিষয়ে অধিদপ্তরের নিকট তথ্য প্রেরণের নির্দেশনা প্রদান করা।
৫) সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়েছেন এইরূপ কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট হাসপাতাল, অস্থায়ী হাসপাতাল, স্থাপনা বা গৃহে অন্তরীণ (Quarantine)রাখা বা পৃথককরণ (Isolation) করা।
৬) সংক্রামক রোগের বিস্তার রোধে কোনো বাজার, গণজমায়েত, স্টেশন, বিমানবন্দর, নৌ ও স্থলবন্দরগুলি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করতে পারবে।
৭) সংক্রামক রোগের বিস্তার রোধে উড়োজাহাজ, জাহাজ, জলযান, বাস, ট্রেন ও অন্যান্য যানবাহন দেশে আগমন, নির্গমন বা দেশের অভ্যন্তরে এক স্থান হতে অন্য স্থানে চলাচল নিষিদ্ধকরণ করা।

27/10/2019

জরুরী প্রয়োজনে কোন নম্বরে কল করবেন?

৯৯৯ বাংলাদেশের ওয়ান স্টপ সেবা যা জরুরী ভিত্তিতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, অগ্নি নির্বাপক ও অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা পেতে ব্যবহার করতে পারেন। এতে এসব সংস্থা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে সাড়া দেয়।

১০৯, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধকারী নাম্বার। এই শুল্কমুক্ত নম্বর দিনের ২৪/৭ সময় নারী ও শিশুকে সহিংসতার শিকার হওয়া থেকে বাঁচাতে পারবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় বাল্য বিবাহ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনসহ নানা ধরণের নির্যাতন ঠেকাতেই এ নাম্বারে কল করা হয়

১৬১৬২, ২৪ ঘণ্টার এই জরুরী সেবা সরবরাহ নাম্বারে কল করে ওয়াসার পানি সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে অভিযোগ করা যাবে।

১৬৪৩২, বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ পাওয়া যাবে এই নাম্বারে।

১০৬, দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ করা যাবে এই নাম্বারে।

27/10/2019

কর্মস্থল, এয়ারপোর্ট, বাসস্ট্যান্ড, রেলওয়ে স্টেশন, শপিং মলের মতো জনসমাগমস্থলে এবং সরকারনিয়ন্ত্রিত, পরিচালিত ও ব্যবস্থাপনায় বিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্রেস্ট ফিডিং ও বেবি কেয়ার কর্নার স্থাপনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদে জীবনধারণের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। মায়ের দুধপান শিশুর মৌলিক অধিকার। দুধপানের অভাবে শিশু খর্বকায় হচ্ছে, এমন তথ্য আদালতে তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া জনসমাগম স্থলে স্মোকিং জোন থাকলেও ব্রেস্ট ফিডিং ও বেবি কেয়ার কর্নার নেই, যা বৈষম্যমূলক। এই যুক্তিতে রিটটি করা হলে আদালত এসব রুল দেন।

Address

Room No-402 (3rd Floor), Sarc Law Chamber, 51/F Jonson Road
Dhaka
1100

Telephone

+8801712061466

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইনবিধি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to আইনবিধি:

Share

Category