Trust Law House

Trust Law House "Welcome to Trust Law House! We're dedicated to providing exceptional legal services tailored to meet your needs.

Our team of experienced attorneys specializes in civil & criminal. With a commitment to integrity, professionalism, and client satisfaction.

15/12/2024
একটা বাজপাখি সাউথ-আফ্রিকা থেকে ফিনল্যান্ডে উড়ে যাওয়ার সময় তার শরীরে কিছু ইকুইপমেন্ট বসানো হয়, আর এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে স্...
04/09/2024

একটা বাজপাখি সাউথ-আফ্রিকা থেকে ফিনল্যান্ডে উড়ে যাওয়ার সময় তার শরীরে কিছু ইকুইপমেন্ট বসানো হয়, আর এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে স্যাটেলাইট থেকে তার যাত্রাপথ।

পাখিটি ৪২ দিনে এই ১০,০০০কিলোমিটার পথ উড়ে পারি দিয়েছে, গড়ে প্রতিদিন ২৩০ কিমি উড়েছে প্রায় সমান্তরালভাবে।

স্যাটেলাইটে তার রুটে ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, বড় জলাশয় বা সমুদ্র সামনে আসলে সে সেখান থেকে পথ পরিবর্তন করেছে যেন বিশ্রাম নিতে চাইলে স্থলভুমি পায়।

আবার, মিশর-সুদানের মরুভূমিকেও পাশ কাটিয়ে গিয়েছে যেন তৃষ্ণা পেলে পানির অভাবে না পরতে হয়।

কঠিন কঠিন এসব ম্যাপিং, রাউটিং, আল্টিটিঊড নলেজ সায়েন্টিস্টরা যুগের পর যুগ ধরে যেখানে ডেভেলপ করে, পাইলটদের এসব শিখতে যেখানে বছরের পর বছর লেগে যায়,
এই ছোট্ট পাখিকে তাহলে কে শেখালো এতকিছু?

আরও মজার কথা হল, হাই আল্টিটিঊডে উড়ার সময় এদের ১% এনার্জিও খরচ হয়না, শুধু ভেসে ভেসে, অনেক সময় ঘুমিয়ে ঘুমিয়েও এরা শত শত মাইল পাড়ি দিতে পারে। এই নিখুঁত টেকনোলজি কিভাবেই বা এদের শরীরে এলো?
সুবহানাল্লাহ, মহান রবের কুদরত অপরিসীম।
collected

জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।১ কাঠা = ১৬ ছটাক।২০ কাঠা = ১ বিঘ...
06/07/2024

জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================
১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================
১ শতাংশ =৪৩৫ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
=========================
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================
১ গন্ডা = ৮৭১ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================
কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি
কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।
কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত × ৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা
উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।
আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। যেমন –
* আপনি যদি ৯০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ বর্গফুট।
* আর যদি ১২০০ বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।
* ১৬০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ বর্গফুট

02/07/2024

ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নিয়ে কি আপনি শঙ্কিত?

ই/জ/রা/ইলের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা যখন নতুন মৌল আবিস্কার করে, তখন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা লাইব্রেরিতে গিয়ে প্রেম করে! বিশ্বের ১ নম্বর হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সারা বছরে কোন কনসার্টের খবর পাওয়া যায় না। আর আমাদের ভার্সিটিতে কত কত কনসার্ট... এল.আর.বি, জেমস, শিরোনামহীন, অ্যাশেজ, তাহসান, ওয়ারফেজ.-একটার পর একটা প্রোগ্রাম হয়।

নাচ, গান, হোলি উৎসবও হয় এখন। ফাক ইউ, হট বেবি, ক্রাশ খাইছি, মাস্তি, ইয়াবা, বিয়ার, গাজা এই শব্দগুলো এখন ছেলে-মেয়েদের কাছে অতি পরিচিত।

অন্যান্য দেশে জ্ঞানী মানুষরা, বিজ্ঞানীরা কথা বলতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বেশ কয়েকবার অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিবেটে অংশগ্রহণ করেন।

আর আমাদের?

বিজ্ঞানী মকসুদুল আলম কয়টা সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যেতেন? আমাদের বর্তমান বিজ্ঞানী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম কয়টি সমবর্তন অনুষ্ঠানে যান? (যিনি ব্যাক্টেরিয়া শনাক্তকরণের সেন্সর তৈরি করেছেন. "যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্স" জার্নাল এ তার গবেষণা ছাপা হয়েছে)

বা ‘জিন’ ত্রুটি নির্ণয়ে অভাবিত সাফল্য অর্জন করেছেন বাংলাদেশের যে তিন গবেষক। তারা হলেন— ডা. কেএম ফোরকান উদ্দিন ও ডা. মোঃ রোবেদ আমিন ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান বৈজ্ঞানিক ডক্টর মোহাম্মদ উদ্দিন ড্যাফিল। তারাও কি ভার্সিটির কোনো সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যাবেন? তাদেরকে কি বাংলাদেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকা হবে?

তাদের কাউকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকবে না। কারণ- নাইলা নাঈম আর সানি লিওনদের দাম এখানে বেশি অথবা দালালী আর দাসত্বের বীজ বহনকারী মেরুদণ্ডহীন বুদ্ধিজীবীরা - যারা এদেশের মানুষকে রোহিঙ্গার মতো করতে চায়। স্টিভ জবসের স্পিচ পাওয়া যায় ইউটিউবে। সমাবর্তনে বক্তব্য দিয়েছিলেন তিনি।

বিলগেটস একজন ভালো বক্তা।

মার্ক জুকারবার্গও একজন মোটিভেশনাল স্পীকার!

আজকে চীন বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি হতে যাচ্ছে। ইন্ডিয়া আইটি সেক্টরে ডমিনেট করছে। তাদের ছেলে মেয়েরা গুগলে কাজ করে। আর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেরা মাস্তি করে আর মেয়েরা হিন্দি সিরিয়াল দেখে সময় পার করে।

ভারত যখন বসে বসে সিইও তৈরি করে আমরা তখন বসে বসে ক্যাম্পাসে ক্যাডার তৈরি করি। আমেরিকা যখন নতুন নতুন ফাইটার জেটের নকশা করে, তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা যখন প্রতিরক্ষা-নিরাপত্তা মেলার আয়োজন করে আমরা তখন ক্যাম্পাসে মিথিলার - তাহসান ডিভোর্স নিয়ে আন্দোলন করি এবং ইউটিউবে লুল ভিডিও দেখি।

মায়ানমার যখন প্রতিবেশী দেশের সীমান্ত থেকে খনিজ সম্পদ আহরণের যন্ত্র আবিষ্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে - তখন আমাদের ছেলেমেয়েরা বোটানিক্যল গার্ডেনে বসে প্রেম করছে।

আমাদের দেশে প্রেমের নাটক করে হিট হওয়া ছেলেটা হলো বড় সেলেব্রেটি। আর ময়দা সুন্দরী হচ্ছেন হট কেক।

এখানে লাইব্রেরিতে গিয়ে অন্তরঙ্গ হওয়ার ভিডিও ফাঁস হয়।

সদ্য বিদেশ ফেরত আমাদের এক শিক্ষক বলেছিলেন, ওদের দেশে কলেজ লেভেলের ছেলে মেয়েদের যে দক্ষতা আমাদের দেশে মাস্টার্স পাস করা ছেলেমেয়রাও এতোটা ক্রিয়েটিভ এবং দক্ষ হয় না।

আমরা মাসে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে ১০০ টির বেশি TV চ্যানেল (আমাদের একটা চ্যানেলও ভারতে দেখানো হয় না) সংযোগ দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষা দিচ্ছি----

অফিস টাইমে কিভাবে মেয়ে পটাতে হয়?
কিভাবে বেস্ট ফ্রেন্ডকে প্রপোজ করতে হয়?
কিভাবে বন্ধুর গার্ল ফ্রেন্ডের সাথে ফ্লার্ট করতে হয়?
কেন বাংলাদেশ থেকে গবেষক তৈরি হয় না?
কেন আমরা ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিংয়ে জায়গা পাই না?
#সংগৃহীত #সংগীত #গান #শিক্ষা #শিক্ষাঙ্গন #অবক্ষয় #তরুনপ্রজন্ম #উশৃঙ্খল #মন্তব্যেকরুন #মানুষ #সবাই #বাংলাদেশ #বাংলা #বাঙালী #শেয়ারকরুন

শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।নতুন দলিল লিখতে ক্রেতা বা গ্রহিতার যে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরী...সম্পত্তির দলিল লেখার জন্য ‘দ...
16/06/2024

শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।
নতুন দলিল লিখতে ক্রেতা বা গ্রহিতার যে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরী...
সম্পত্তির দলিল লেখার জন্য ‘দলিল লেখক' এর কাছে দায়িত্ব দিয়েই ক্রেতার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। কেননা পরবর্তীতে দলিলে ভুল পরিলক্ষিত হলে দলিল লেখক নয় এর মাশুল গুনতে হবে ক্রেতাকেই। তাই এতে ক্রেতার সচেতনতা আবশ্যক। সম্পত্তির দলিল লেখার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে ক্রেতার লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন:

১। দলিল সম্পাদনকারী তথা জমি দাতা (বিক্রেতা) আইনের দৃষ্টিতে সাবালক ও সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন কি না, আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত কি না তা যাচাই করে নিতে হবে৷

২। দলিলের ধরন যেমন- (ক) সাফ কবলা (খ) বায়না পত্র (গ) দানপত্র (ঘ) হেবার ঘোষনাপত্র ইত্যাদি খেয়াল করতে হবে৷

৩। ক্রেতা যে জমিটি কিনতে যাচ্ছেন সেই প্রস্তাবিত জমির পরিমাণ, বিক্রয় মূল্য (বায়না দলিল হলে বায়নায় পরিশোধিত টাকা এবং বাকী টাকা) ইত্যাদি দেখে নিতে হবে।

৪। পক্ষ পরিচয় তথ্য যেমন- দলিল গ্রহীতা/প্রথম পক্ষ, দলিল দাতা/দ্বিতীয় পক্ষ, উভয় পক্ষের পূর্ণ নাম, ঠিকানা, পেশা, ধর্ম ইত্যাদি। দলিল গ্রহীতার ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং দাতার ক্ষেত্রে আগত খতিয়ান (সর্বশেষ জরিপ/নামজারি খতিয়ান) এর সাথে মিল রেখে নাম ঠিকানা লেখা হয়েছে কি না দেখতে হবে।

৫। স্বত্ত্বের বর্ণনা যেমন- জমি দাতার মালিকানার ভিত্তি, দলিল মূলে হলে পূর্বের দলিলের নম্বর ও তারিখ, পর্চা/খতিয়ান নম্বর ইত্যাদি৷

৬। জমির বিক্রেতা যদি জমিটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়ে থাকে তাহলে মূল মালিকের সাথে বিক্রেতা যোগসূত্র/সম্পর্ক সঠিক আছে কিনা তা জেনে নিতে হবে৷

৭। দলিলে প্রস্তাবিত জমির তফশিল যেমন- জেলার নাম, উপজেলার নাম, রেজিস্ট্রি অফিসের নাম, মৌজার নাম, জেএল নম্বর, দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর এবং জমির শ্রেণি আগত খতিয়ানের সাথে মিল আছে কি না দেখে নিতে হবে। জমির তফশিল লেখার সময় প্রত্যেক দাগে মোট জমির পরিমাণ কত এবং অত্র বিক্রয় দলিলে উক্ত দাগের মধ্যে কত একর বা শতাংশ জমি বিক্রয় করা হচ্ছে তা প্রতি ক্ষেত্রে লিখে নিতে হবে৷ তবে উল্লেখ্য যে, কোন অবস্থাতেই কয়েকটি দাগের জমি একত্রে যোগ করে একর/শতাংশ লেখা উচিত হবে না৷

৮। ক্রেতা যে জমিটি ক্রয় করতে চাচ্ছে সেই জমিটির চৌহদ্দি ঠিক আছে কি না অর্থাত্‍ উত্তর, দক্ষিণ পূর্ব, পশ্চিম পাশের জমির বর্ণনা সহ মালিকের নাম উল্লেখ করতে হবে৷

৯। জমি বিক্রেতা বা দলিল দাতা দলিলের ১ম পৃষ্ঠার উপরের ডান পাশ্বের নীচ থেকে উপরের দিকে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করবেন অথবা নিরক্ষর হলে নিজ নামের উপরে টিপ সহি প্রদান করেছেন কি না তা দেখতে হবে৷ এছাড়াও জমি বিক্রেতা বা দাতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে স্বাক্ষর বা টিপ সহি করবেন৷ তবে দলিলের প্রতি পৃষ্ঠায় দাতার স্বাক্ষর বা টিপ সহি দিলে ভালো হয়৷

১০। জমির বিক্রেতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে যে জায়গায় তার নিজ নাম স্বাক্ষর বা টিপ সহি করেছেন ঠিক তার নীচে উক্ত দলিলটির লেখক তার নাম স্বাক্ষর করবেন। এরপর কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী এবং অপর একজন জমির বিক্রেতাকে সনাক্ত করে সনাক্তকারী হিসাবে স্বাক্ষর করবেন।

১১। দলিলে যতদূর সম্ভব কাটাকাটি, ঘষামাঝা, অষ্পষ্টতা এড়াতে হবে তবুও যদি কোনরূপ ভুল ক্রটি ঘষামাঝা কাটাকাটি হয়েও যায় তাহলে সেক্ষেত্রে উক্ত কাটাকাটি বা ঘষামাঝা যুক্ত লাইন ও শব্দের ক্রম উল্লেখ করে দলিলের শেষাংশে কৈফিয়ত লিখে দলিল লেখককে তার নীচে স্বাক্ষর করতে হবে৷

এছাড়াও জমির ক্রেতাকে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে- বিভিন্ন জরিপের দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর যাতে দলিল লেখকের মাধ্যমে সঠিকভাবে লিখানো হয়৷ এজন্য জমির ক্রেতাকে জমি ক্রয় করার পূর্বেই তহসিল অফিস হতে জমির সঠিক দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর জেনে নিতে হবে৷ প্রয়োজনে খতিয়ানের সইমোহর নকল সংগ্রহ করতে হবে।

যেকোনো সময় প্রয়োজন হতে পারে তাই শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রেখে দিন এবং অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন। ধন্যবাদ। ©

15/06/2024

যদি পুলিশ আপনাকে গ্রেফতার করে, তাহলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ অনুসরণ করা উচিত যাতে আপনার আইনি অধিকার সুরক্ষিত থাকে এবং পরিস্থিতি শান্তভাবে মোকাবেলা করা যায়। নিচে কিছু করণীয় দেওয়া হলো:

# # # ১. **শান্ত থাকুন এবং সহায়ক হোন**:
- **শান্ত থাকুন**: ঘাবড়াবেন না বা উত্তেজিত হবেন না। এটি পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে।
- **সহায়ক থাকুন**: পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সহায়কভাবে কথা বলুন এবং তাদের নির্দেশ মেনে চলুন।

# # # ২. **আপনার অধিকার জানুন**:
- **গ্রেফতারি পরোয়ানা**: যদি আপনার গ্রেফতারের জন্য কোনো ওয়ারেন্ট থাকে, তাহলে তার কপি দেখতে চান।
- **চুপ থাকার অধিকার**: আপনাকে জানানো হবে যে আপনি চুপ থাকতে পারেন এবং আপনার আইনজীবীর উপস্থিতি ছাড়া কিছু বলতে বাধ্য নন।
- **আইনজীবী পাওয়ার অধিকার**: আপনি একজন আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়ার অধিকার রাখেন। আপনার পরিবারের কাউকে বা আপনার আইনজীবীকে ফোন করার অনুরোধ করুন।

# # # ৩. **তথ্য প্রদান**:
- **পরিচয় প্রদান**: পুলিশকে আপনার নাম, ঠিকানা এবং জন্ম তারিখ দিন। তবে অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকুন যতক্ষণ না আপনার আইনজীবী উপস্থিত থাকেন।

# # # ৪. **আইনজীবীর সাহায্য নিন**:
- **আইনজীবীর পরামর্শ**: যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একজন আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। যদি আপনি একজন আইনজীবী না পান, তবে আইনি সহায়তা সংস্থার সাহায্য নিতে পারেন।
- **পরামর্শ মেনে চলুন**: আপনার আইনজীবী যা পরামর্শ দেবেন, তা মেনে চলুন।

# # # ৫. **কোনো দলিল স্বাক্ষর করবেন না**:
- **পড়া এবং বুঝা**: আপনার আইনজীবীর পরামর্শ ছাড়া কোনো দলিল বা স্বীকারোক্তি স্বাক্ষর করবেন না।
- **রেকর্ডিং**: আপনার আইনজীবীকে জানান যে আপনি পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের কোনো অংশ রেকর্ড করতে ইচ্ছুক।

# # # ৬. **অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করুন**:
- **অধিকার লঙ্ঘন**: যদি আপনার অধিকার লঙ্ঘন হয় বা পুলিশ অসদাচরণ করে, তবে আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে উপযুক্ত ফোরামে অভিযোগ করুন।

# # # ৭. **পরিবার ও বন্ধুকে জানান**:
- **অবস্থান জানানো**: আপনার পরিবার বা বন্ধুকে আপনার গ্রেফতার সম্পর্কে জানিয়ে দিন এবং তাদের কাছে সাহায্য চেয়ে নিন।

# # # সংক্ষেপে:
1. **শান্ত এবং সহায়ক থাকুন**।
2. **আপনার অধিকার জানুন এবং তা প্রয়োগ করুন**।
3. **আইনজীবীর পরামর্শ নিন**।
4. **কোনো দলিল স্বাক্ষর করবেন না আইনজীবীর উপস্থিতি ছাড়া**।
5. **পরিবার এবং বন্ধুকে জানান**।

আপনার অধিকার রক্ষা করার জন্য সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ, এবং একজন পেশাদার আইনজীবী আপনার আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়ক হতে পারেন।

অনলাইনে প্রথমবার জমির খাজনা দিতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে?খাজনা দেয়ার জন‍্য নিম্নলিখিত পেপার এর প্রয়োজন হবেঃ◾ভূমি তথ্য ও সেব...
06/06/2024

অনলাইনে প্রথমবার জমির খাজনা দিতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে?
খাজনা দেয়ার জন‍্য নিম্নলিখিত পেপার এর প্রয়োজন হবেঃ

◾ভূমি তথ্য ও সেবা কেন্দ্র
১। সর্বশেষ রেকর্ড/খারিজ খতিয়ানের কপি
২। পূর্ববর্তী দাখিলার কপি
৩। জাতীয় পরিচয়পত্র
৪। একটি স্মার্টফোন/কম্পিটার ও ইন্টারনেট কানেকশন
৫। মোবাইল নাম্বার ও পাসওয়ার্ড
৬। জমির অবস্থান অনুযায়ী-বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজার তথ্য, খতিয়ান নং ও হোল্ডিং নং

বি:দ্র: বকেয়ার সাল চার এর অধিক হলে এবং পূর্ববর্তী খাজনার রশিদ আপনার নিকট থাকলে (যা অনলাইন নয়) প্রথম বার ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে খাজনা দিন।

◾অনলাইনে খাজনা দেয়ার ধাপ সমূহঃ

ধাপ ১- ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন (ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://ldtax.gov.bd )

ধাপ ২- নাগরিক নিবন্ধন করুন (মোবাইল নং, জন্ম তারিখ, আইডি নং দেয়ার পর ওটিপি পাবেন)

ধাপ ৩- প্রোফাইল সেটিং করুন (প্রফাইলের তথ‍্যগুলি পুরণ করুন)

ধাপ-৪ জমির খতিয়ান যুক্ত করুন

ধাপ-৫ হোল্ডিং ও ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য পূরণ করুন

ধাপ-৬ পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করুন

ধাপ-৭ ই-পেমেন্ট করুন

ধাপ-৮ খাজনা রশিদ ডাউনলোড করুন

◾খতিয়ানে নাম থাকা যে কোন একজন খাজনা দিতে পারবেন

◾ওয়ারিশান হলে ওয়ারিশ সনদ সংযুক্ত করে খাজনা দেয়া যাবে

◾যাদের আইডি কার্ড নেই তারা প্রতিনিধির মাধ‍্যমে খাজনা দিতে পারবেন

◾খতিয়ানে থাকা সব জমির খাজনা দিতে হবে। আংশিক খাজনা দেয়ার!!

01/06/2024

#যেনে_রাখা_জরুরী
মুসলিম ফারায়েজ নীতিঃ

১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,
( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।

২। স্বামীর দুই অবস্থাঃ
(ক) স্ত্রীর মৃত্যুর পর সন্তান না থাকলে ১/২,
( খ) আর থাকলে ১/৪ অংশ পাইবে।

৩। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।

৪। পিতার তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র বা পুরুষ শ্রেনী বর্তমানে থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) পুরুষ শ্রেনি না থাকলে এবং কন্যা বা পৌত্রী বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে থাকলে( ১/৬+অবশিষ্ট) অংশ পাইবে,
(গ)পুরুষ বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে না থাকলে অবশিষ্ট সকল অংশ পাইবে।

৫। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।

৬। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,
(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে
(গ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হইবে।

৭। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,
(চ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।

৮। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

৯। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত্যু ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ)যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।
(চ) মৃত্যু ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,
(ছ) মৃত্যু ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

১০। দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত

28/05/2024

ভাবা যায়!!!
বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানীর লেখা বই পৃথিবীর বিখ্যাত বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে রাখা হয়। আর সেখানে, তাঁকে বাঙালি চিনেও না, নামও শুনেনি হয়তো অনেকে। নিচের লেখাগুলোতে সেটাই স্পষ্ট-

"বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানী সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে স্টিফেন হকিং বলেছিলেন, "সে সেরা। আমি তার কাছে কিছুই না।"

"সায়েন্স ওয়ার্ল্ড" নামে একটি বিজ্ঞান ম্যাগাজিন ২০০৭ সালে জামাল নজরুল ইসলামকে নিয়ে একটি ফিচার ছাপিয়েছিল। বাংলাদেশের কোনো ম্যাগাজিনে উনাকে নিয়ে লেখা এটিই ছিলো প্রথম ও শেষ ফিচার।

"কৃষ্ণবিবর" নামে উনার একটি বই আছে যেটা বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া কষ্টকর ।

শুধু এটাই নয়, "কৃষ্ণবিবর" "দ্য আল্টিমেট ফেইট অব ইউভার্স" "রোটেটিং ফিল্ডস ইন জেনারেল রিলেটিভিটি" বইগুলো অক্সফোর্ড কেমব্রিজ আর হার্ভার্ড এর মত বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও ১০০ টারও বেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো পড়ানো হয়।
কিন্তু যে দেশে তিনি জন্মেছিলেন, সেই বাংলাদেশের কোন একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বই থেকে কোন লেকচার দেয়া হয় বলে আমার জানা নেই...

২০০১ সালে যখন পৃথিবী ধ্বংস হবার একটা গুজব উঠেছিল তখন জামাল নজরুল ইসলাম অংক কষে বলেছিলেন পৃথিবী তার কক্ষপথ থেকে ছুটে চলে যাবার কোনো সম্ভাবনা নেই।

স্টিফেন হকিং কে চিনে না এমন মানুষ খুব কম আছে। উনার লেখা "আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম" বইটি এক কোটি কপিরও বেশী বিক্রি হয়েছে সারাবিশ্বে । সে বইটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৮ সালে।

কিন্তু এই বইটি প্রকাশের প্রায় ৫ বছর আগেই ১৯৮৩ সালে জামাল নজরুল ইসলাম "দ্যা আল্টিমেট ফেইট অব দ্য ইউনিভার্স" বইটি লিখেছিলেন। দুটো বই-ই প্রায় একই সব টপিকের উপর লিখা। ব্লাকহোল, ওয়ার্ম হোল, সুপারনোভা, কসমিক রেডিয়েশন, প্যারালাল ইউনিভার্স, বাটারফ্লাই ইফেক্ট ইত্যাদি সব জোতিপদার্থর্বিজ্ঞানীয় ব্যাপারগুলোই ঘুরেফিরে দুটো বইতেই উঠে এসেছে। কিন্তু তুলনামূলক বিচারে জামাল নজরুল ইসলামের বইটিকেই বিশ্বখ্যাত বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকগন অধিক মূল্যায়ন করেছেন, যেটি প্রকাশিত হয়েছিল হকিং এর বইয়েরও প্রায় ৫ বছর পূর্বে।
অথচ হকিং এর বই নিয়ে যতটা না মাতামাতি সারাবিশ্বে হয়েছে, তার ছিঁটেফোঁটাও হয়নি জামাল নজরুল ইসলামের কোন বই নিয়ে.. কেনো? পরে বলছি।
বলা হয়ে থাকে, বিশ্বের ৭ জন শ্রেষ্ট বিজ্ঞানীর নাম বলতে গেলে সে তালিকায় নাকি জামাল নজরুলের নামও চলে আসবে।
বিশ্বের বুকে বাংলার গর্ব জামাল নজরুল ইসলাম।

১৯৮১ সালে লন্ডনের লাখ টাকা বেতনের চাকরি এবং উন্নত সুযোগ-সুবিধা ছেড়ে মাত্র ৩ হাজার (২৮ শত) টাকা বেতনের চাকরি নিয়ে তিনি চলে আসেন মাতৃভূমি বাংলাদেশে। বাংলাদেশের বিজ্ঞান শিক্ষা এবং বিজ্ঞান গবেষণার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন তিনি। তাই সব সুযোগ সুবিধা ছেড়ে দেশে চলে এসেছিলেন।

সংগৃহীত: মহাকাশের যত কথা

Address

Chamber# 1: Judge Court Road, Shariatpur. (Sunday/Thursday). , Chamber# 2: Anandabazar, Shakipur, Shariatpur. (Friday & Saturday)
Dhaka
8000

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 16:00
Thursday 09:00 - 16:00
Friday 09:00 - 17:00
19:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 17:00
19:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 19:00

Telephone

+8801626228891

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Trust Law House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share