Law with Mia

Law with Mia Legal advice | Law insights | Law clinic | Rights activism | Policy analysis
(4)

২৮ এপ্রিল জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস  বিনামূল্যে আইনি সেবা পেতে কল করুন লিগ্যাল এইড হেল্পলাইন ১৬৪৩০—এটি একটি টোল-ফ্রি সেবা।...
28/04/2026

২৮ এপ্রিল জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস

বিনামূল্যে আইনি সেবা পেতে কল করুন লিগ্যাল এইড হেল্পলাইন ১৬৪৩০—এটি একটি টোল-ফ্রি সেবা।
এছাড়াও, আপনার যেকোনো আইনি জিজ্ঞাসায় প্রাথমিক সহায়তা পেতে ল ক্লিনিক Law with Mia–তে ইনবক্স করতে পারেন। আপনার তথ্য সম্পূর্ণ গোপনীয়তার সাথে বিবেচনা করে বিনামূল্যে আইনি সেবা প্রদান করা হবে।

আজকের প্রতিপাদ্য—
“সরকারি খরচে বিরোধ শেষ,
সবার আগে বাংলাদেশ।”

সরকারি লিগ্যাল এইড হেল্পলাইন: ১৬৬৯৯
(আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়)

তনু হত্যা মামলা: এক দশক পর প্রথম গ্রেফতার২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার ভেতরে সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ...
22/04/2026

তনু হত্যা মামলা: এক দশক পর প্রথম গ্রেফতার

২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার ভেতরে সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ উদ্ধার হওয়ার মধ্য দিয়ে যে হত্যাকাণ্ডটি সামনে আসে, তা দ্রুতই দেশজুড়ে আলোড়ন তোলে। তনু ছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী এবং একজন সক্রিয় নাট্যকর্মী। তার মৃত্যু ঘিরে শুরু থেকেই ধর্ষণ, হত্যা এবং প্রমাণ গোপনের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠে আসে, যদিও ময়নাতদন্ত রিপোর্টে অসঙ্গতি থাকায় ঘটনার প্রকৃত চরিত্র নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

ঘটনার পর প্রথমে পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরবর্তীতে মামলাটি একাধিক সংস্থার হাতে স্থানান্তরিত হয়। সিআইডি এবং পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মামলার দায়িত্ব নেয়। এ পর্যন্ত অন্তত সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তিত হয়েছেন, যা তদন্তের ধারাবাহিকতাকে দুর্বল করেছে। দুটি পৃথক ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের মধ্যে অসামঞ্জস্য মামলাটিকে আরও জটিল করে তোলে এবং প্রমাণ মূল্যায়নে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে।

তনুর পরিবার শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছে যে, তদন্ত সঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি এবং সম্ভাব্য প্রভাবশালী সংশ্লিষ্টতা আড়াল করা হয়েছে। এই অভিযোগ জনমনে ব্যাপক প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করে। ঘটনার পর দেশব্যাপী শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। “তনুর বিচার চাই” স্লোগানটি দীর্ঘ সময় ধরে বিচারহীনতার প্রতীক হয়ে ওঠে এবং নারী নিরাপত্তা প্রশ্নকে নতুন করে জাতীয় আলোচনায় নিয়ে আসে।

২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত মামলাটি কার্যত স্থবির অবস্থায় ছিল। এ সময়ের মধ্যে বহুবার আদালতে তারিখ নির্ধারণ হলেও দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলায় প্রায় ৮০টিরও বেশি ধার্য তারিখ অতিবাহিত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণ, বিশেষ করে ডিএনএ বিশ্লেষণ, দীর্ঘদিন নিষ্পত্তিহীন অবস্থায় পড়ে ছিল।

তবে ২০২৬ সালে এসে মামলায় কিছু অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়। চলতি বছরের ৬ এপ্রিল তদন্তকারী কর্মকর্তা তিনজন সন্দেহভাজনের ডিএনএ নমুনা ক্রস-ম্যাচ করার জন্য আদালতের অনুমতি চান। এরই ধারাবাহিকতায় সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়, যা এই মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার হিসেবে উল্লেখযোগ্য। পরবর্তীতে তাকে আদালতে হাজির করা হলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

একই সঙ্গে তনুর বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যরা আদালতে উপস্থিত থেকে বিচার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করছেন এবং তাদের জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই অগ্রগতি যেমন নতুন আশার সঞ্চার করেছে, তেমনি প্রশ্নও তুলেছে যে, একটি বহুল আলোচিত মামলায় প্রাথমিক পদক্ষেপ নিতে এক দশক সময় কেন লেগে গেল।

#তনু

“ইনজামুল ইসলাম বনাম রাষ্ট্র❞ মামলার বিচারিক মূল্যায়নের কেন্দ্রবিন্দু হলো ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় রেকর্ডকৃত আসামিদের...
19/04/2026

“ইনজামুল ইসলাম বনাম রাষ্ট্র❞ মামলার বিচারিক মূল্যায়নের কেন্দ্রবিন্দু হলো ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় রেকর্ডকৃত আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির— admissibility, voluntariness, এবং evidentiary weight।

এই মামলায় ট্রায়াল কোর্ট মূলত আসামীর ১৬৪ ধারার এই জবানবন্দি, প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য ও চিকিৎসা প্রমাণের উপর নির্ভর করে দণ্ডবিধি ৩০২/৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে কঠোর দণ্ড প্রদান করে। এরপর আপিলে প্রশ্ন ওঠে—এই স্বীকারোক্তি কি প্রকৃত অর্থে স্বেচ্ছাস্বীকৃত (voluntary), নাকি রিমান্ড চলাকালীন পুলিশি নির্যাতনের ফল? সেখানে আদালত অবজারভেশন দেন যে, ১৬৪ ধারার জবানবন্দি গ্রহণ একটি যান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়; এটি একটি “solemn judicial act”, যেখানে ম্যাজিস্ট্রেটকে নিশ্চিত হতে হয় যে—

→আসামি পুলিশি প্রভাবমুক্ত অবস্থায় বক্তব্য দিচ্ছে,

→তাকে পর্যাপ্ত time for reflection দেওয়া হয়েছে,

→এবং জবানবন্দি প্রদানে কোনো প্রকার coercion, inducement বা threat নেই।

এই মামলার রেকর্ড অনুযায়ী, আসামির ওপর রিমান্ড চলাকালে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ আছে এবং চিকিৎসা প্রমাণ সেই অভিযোগকে সমর্থন করে। এই প্রেক্ষিতে আদালত সংবিধানের ৩৫(৪) অনুচ্ছেদ—self-incrimination থেকে সুরক্ষা—উল্লেখ করে এবং সিদ্ধান্ত দেয় যে নির্যাতনের মাধ্যমে আদায়কৃত কোনো স্বীকারোক্তি আইনগতভাবে “tainted”, ফলে তার প্রমাণমূল্য ক্ষুণ্ণ হয়।

আদালত দেশি ও আন্তর্জাতিক নজির—যেমন State v. Babul Mia, Miranda v. Arizona, D.K. Basu v. State of West Bengal, ইত্যাদি—উদ্ধৃত করে এই পরিণতিতে উপনীত হয় যে, স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হতে হলে তা অবশ্যই free, voluntary এবং truth-indicative হতে হবে। অন্যথায়, এমন জবানবন্দির উপর এককভাবে দণ্ডাদেশ টিকতে পারে না; সেটি কেবলমাত্র corroborative value পেতে পারে, যদি স্বাধীন প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়।

একই সঙ্গে, আদালত ১৬৪ ধারার জবানবন্দি রেকর্ডিং প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্যাতনমুক্ত করতে কিছু প্রাতিষ্ঠানিক নির্দেশনা প্রদান করে—যেমন:

• জবানবন্দি রেকর্ডের সময় পুলিশি উপস্থিতি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধকরণ,

• আসামিকে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শের সুযোগ দেওয়া,

• audio-video recording বাধ্যতামূলক করা,

• এবং নিয়মিত মনিটরিং মেকানিজম চালু করা।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে, উচ্চ আদালত ট্রায়াল কোর্টের রায় সংশোধন করে সাজা হ্রাস করে দেন এবং ইতোমধ্যে ভোগ করা দণ্ড অনুযায়ী কিছু আসামিকে মুক্তি দেওয়া হয়। পাশাপাশি, নির্যাতনের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পৃথক অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

Core Takeaway:

এই জাজমেন্টের কেন্দ্রীয় নীতি হলো:
“A confession is admissible not because it exists, but because it is free.”

অর্থাৎ, স্বীকারোক্তি তখনই আইনি শক্তি পায় যখন তা স্বেচ্ছাস্বীকৃত, নির্যাতনমুক্ত এবং বিচারিকভাবে যাচাইকৃত—অন্যথায় তা পুরো প্রসিকিউশন কেসকেই দুর্বল করে দিতে পারে।

ফটো ক্রেডিট: Law Lab

একজন বিবাহিত পুরুষের লিভ-ইন সম্পর্ক—কয়েক দিনের ব্যবধানে ভারতের এলাহাবাদ হাইকোর্ট এই বিষয়ে দুইটি ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে।১ম ...
16/04/2026

একজন বিবাহিত পুরুষের লিভ-ইন সম্পর্ক—কয়েক দিনের ব্যবধানে ভারতের এলাহাবাদ হাইকোর্ট এই বিষয়ে দুইটি ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে।

১ম মামলা: স্বামী/স্ত্রীর অধিকার
গত ২০ মার্চ, বিচারপতি বিবেক কুমার সিং-এর একক বেঞ্চ বলেন, আবেদনকারীরা তাদের সঙ্গীদের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ না করেই লিভ-ইন সম্পর্কে রয়েছেন, তাই আদালত কোনো রিট বা নির্দেশ দিতে পারে না। আদালত বলে, যদি তারা বিরক্ত বা সহিংসতার শিকার হন, তবে তারা পুলিশের কাছে যেতে পারেন; পুলিশ অভিযোগ যাচাই করে আইনের অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
আবেদনকারীদের আইনজীবী বলেন, তারা স্বামী-স্ত্রীর মতো একসঙ্গে থাকছেন এবং তাদের জীবনের আশঙ্কা রয়েছে। কিন্তু সরকারের আইনজীবী যুক্তি দেন, আবেদনকারীরা আলাদা আলাদা ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহিত এবং বিবাহবিচ্ছেদ ছাড়াই একসঙ্গে থাকা “অবৈধ”।
তখন আদালত বলে—
“এমন পরিস্থিতিতে, যারা লিভ-ইন সম্পর্কে থাকার দাবি করছেন, তাদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য সংবিধানের ২২৬ অনুচ্ছেদের অধীনে কোনো নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে না। দুইজন প্রাপ্তবয়স্কের ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারে না, এমনকি তাদের পিতামাতাও নয়। কিন্তু স্বাধীনতার অধিকার বা ব্যক্তিগত স্বাধীনতা সম্পূর্ণ বা সীমাহীন নয়; এর কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে।”
“একজনের স্বাধীনতা সেখানে শেষ হয়, যেখানে অন্যজনের আইনি অধিকার শুরু হয়। একজন স্বামী বা স্ত্রীর তার সঙ্গীর সঙ্গ ভোগ করার আইনি অধিকার রয়েছে এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার নামে তাকে সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় না।”
“অন্য স্বামী বা স্ত্রীর আইনি অধিকার লঙ্ঘন করে কোনো সুরক্ষা দেওয়া যেতে পারে না; তাই একজনের স্বাধীনতা অন্যজনের আইনি অধিকারকে অতিক্রম করতে পারে না। এটি সুপ্রতিষ্ঠিত আইন যে, কোনো আইনি বিধান বা দণ্ডবিধির বিরুদ্ধে গিয়ে ম্যান্ডামাস রিট জারি করা যায় না। আবেদনকারীদের এমন কোনো আইনি সুরক্ষিত ও বিচারযোগ্য অধিকার নেই, যার ভিত্তিতে তারা ম্যান্ডামাস চাইতে পারে।”
আদালত আরও বলেন, “Article 21-এর personal liberty unrestricted autonomy নয়; এটি “procedure established by law” এর অধীন। অতএব, বিদ্যমান marriage law, bigamy prohibition এবং spouse-এর অধিকারকে পাশ কাটিয়ে “live-in freedom” দাবি করা constitutional misuse।”
সহজ কথায়, এখানে আদালত বৈধ স্বামী/স্ত্রীর right to consortium-কে অগ্রাধিকার দিয়েছে। অর্থাৎ, বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকা অবস্থায় তৃতীয় ব্যক্তির সাথে সহবাস সরাসরি সেই আইনি অধিকারের পরিপন্থী।

২য় মামলা: নৈতিকতা বনাম আইন
গত ২৫ মার্চ, বিচারপতি জে.জে. মুনির ও বিচারপতি তরুণ সাক্সেনার ডিভিশন বেঞ্চ আরেকটি লিভ-ইন দম্পতির আবেদন শুনছিল। তারা জানায়, মেয়েটির পরিবার তাদের হুমকি দিচ্ছে এবং তারা সুরক্ষা চায়।
মেয়েটির পরিবারের পক্ষের আইনজীবী বলেন, পুরুষটি ইতিমধ্যে বিবাহিত, তাই অন্য নারীর সঙ্গে থাকা একটি অপরাধ।
কিন্তু আদালত মন্তব্য করে যে—
সম্মতিপূর্ণ প্রাপ্তবয়স্কদের লিভ-ইন সম্পর্ক কোনো ফৌজদারি অপরাধ নয়, এবং “morality and law have to be kept apart (আইনকে সামাজিক নৈতিকতা থেকে আলাদা রাখতে হবে।)”
“এমন কোনো অপরাধ নেই যেখানে একজন বিবাহিত পুরুষ, অন্য একজন প্রাপ্তবয়স্কের সঙ্গে সম্মতিতে লিভ-ইন সম্পর্কে থাকলে, তাকে কোনো অপরাধে বিচারের মুখোমুখি করা যাবে। নৈতিকতা এবং আইনকে আলাদা রাখতে হবে। যদি আইনের অধীনে কোনো অপরাধ গঠিত না হয়, তবে সামাজিক মতামত ও নৈতিকতা আদালতের নাগরিকদের অধিকার রক্ষার কাজে পথপ্রদর্শক হবে না।”
আদালত লক্ষ্য করে যে, মহিলা পুলিশের কাছে আবেদন করেছেন, যেখানে তিনি বলেছেন তিনি প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজের ইচ্ছায় ওই ব্যক্তির সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে আছেন। একসঙ্গে বসবাসরত দুই প্রাপ্তবয়স্ককে সুরক্ষা দেওয়া পুলিশের দায়িত্ব। এই বিষয়ে পুলিশ সুপারের উপর বিশেষ দায়িত্ব আরোপিত রয়েছে, যেমনটি সুপ্রিম কোর্ট ‘Shakti Vahini বনাম Union of India (2018)’ মামলায় বলেছে,” আদালত উল্লেখ করে।

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ - পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা ​এসো হে বৈশাখ, এসো এসো! 🌿​পুরনো বছরের সব গ্লানি, হতাশা আর অবিচার মুছে গিয়ে নতুন...
14/04/2026

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ - পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা

​এসো হে বৈশাখ, এসো এসো! 🌿

​পুরনো বছরের সব গ্লানি, হতাশা আর অবিচার মুছে গিয়ে নতুন বছর ১৪৩৩ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল শান্তি, সমৃদ্ধি ও ন্যায়বিচার। লাল-সবুজের এই স্বাধীন ভূখণ্ডে আইনের শাসন হোক আরও সুদৃঢ়।
​দেশের সর্বোচ্চ আদালত ও আইনসভার ছায়াতলে, লাল-সবুজের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে 'ল উইথ মিয়া' (Law with Mia) নতুন বছরেও অঙ্গীকারবদ্ধ আপনার আইনি অধিকার নিশ্চিতে।

​নতুন বছরে ন্যায়ের পথে হোক আমাদের অবিচল পথচলা। যেকোনো আইনি জিজ্ঞাসা বা পরামর্শের জন্য আপনার বিশ্বস্ত আইনি সহায়ক হিসেবে আমরা আছি সবসময় আপনার পাশে।

​সবাইকে পহেলা বৈশাখের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন! শুভ নববর্ষ ১৪৩৩!

​যেকোনো আইনি সহায়তার জন্য আমাদের পেজে মেসেজ করুন অথবা যোগাযোগ করুন বিনামূল্যে।


#শুভনববর্ষ #নববর্ষ১৪৩৩ #পহেলাবৈশাখ #এসোহেবৈশাখ
#আইনিসহায়তা #আইনজীবী

(Writ Petition No. 10356 of 2024) রায়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং অধস্তন আদালতের বিচারকদ...
07/04/2026

(Writ Petition No. 10356 of 2024) রায়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে এই রায় প্রদান করেন।

রায়ের মূল সিদ্ধান্ত এবং উল্লেখযোগ্য দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

হাইকোর্ট বিভাগ রুলটি অ্যাবসলিউট (Absolute) বা চূড়ান্ত ঘোষণা করে নিম্নলিখিত আদেশ প্রদান করেছেন—

* সংবিধানের ১৫শ সংশোধনী বাতিল:* ২০১১ সালের সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধনী) আইনের ৩৯ ধারার মাধ্যমে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের যে সংশোধনী আনা হয়েছিল, তা অসাংবিধানিক (Ultra Vires) এবং বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

*সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনী বাতিল:* ১৯৭৫ সালের সংবিধান (চতুর্থ সংশোধনী) আইনের ১৯ ধারার (ইংরেজি সংস্করণে ২০ ধারা) মাধ্যমে ১১৬ অনুচ্ছেদে আনা সংশোধনীটিও অসাংবিধানিক এবং বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

*১৯৭২ সালের মূল ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল:* ৪র্থ ও ১৫শ সংশোধনী বাতিল হওয়ার ফলে, ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনরুজ্জীবিত এবং পুনর্বহাল হয়েছে। এর ফলে বিচার বিভাগীয় সার্ভিসে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারিক দায়িত্ব পালনকারী ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (পদায়ন, পদোন্নতি ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) ও শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত হলো।

*শৃঙ্খলা বিধিমালা ২০১৭ বাতিল:* 'বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (ডিসিপ্লিনারি) রুলস, ২০১৭'-কে সংবিধান পরিপন্থী এবং বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ এটি পুনর্বহাল হওয়া ১১৬ অনুচ্ছেদের সাথে সাংঘর্ষিক এবং মাসদার হোসেন মামলার রায়ের নির্দেশনার পরিপন্থী।

*পৃথক সচিবালয় গঠনের নির্দেশ:* আগামী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় (Independent Separate Secretariat) প্রতিষ্ঠা করার জন্য ১-৩ নং বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে আদালত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনি এবং সাংবিধানিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন (Notable Points):

*সংবিধানের মৌলিক কাঠামো (Basic Structure Doctrine):* বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং ক্ষমতার পৃথকীকরণ (Separation of Powers) হলো সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ। ৪র্থ এবং ১৫শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার বিভাগের ওপর থেকে সুপ্রিম কোর্টের নিয়ন্ত্রণ সরিয়ে তা রাষ্ট্রপতির (নির্বাহী বিভাগের) হাতে ন্যস্ত করা হয়েছিল, যা এই মৌলিক কাঠামোকে ধ্বংস করেছে।

*স্বয়ংক্রিয় পুনরুজ্জীবন নীতি (Doctrine of Revival):* আদালত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, যখন কোনো সাংবিধানিক সংশোধনী বাতিল বা অসাংবিধানিক ঘোষিত হয়, তখন তার আগের বৈধ আইন বা অনুচ্ছেদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিরে আসে (Automatically revived)। তাই ১৫শ এবং ৪র্থ সংশোধনী বাতিলের ফলে ১৯৭২ সালের মূল অনুচ্ছেদটি নতুন কোনো আইন পাস করা ছাড়াই ফিরে এসেছে।

*সংশোধনী বনাম বাতিল (Substitution is not Repeal):* বিবাদীপক্ষ যুক্তি দিয়েছিল যে ৪র্থ সংশোধনী তো বাতিল হয়ে গেছে, তাই এটিকে চ্যালেঞ্জ করা যায় না। কিন্তু আদালত বলেছেন ৪র্থ সংশোধনীটি কোনো আইন "বাতিল" (Repeal) করেনি, বরং এটি ছিল "প্রতিস্থাপন" (Substitution)। একটি অসাংবিধানিক সংশোধনী বাতিল হলে পূর্বের অবস্থা ফিরে আসে, তাই একে চ্যালেঞ্জ করা সম্পূর্ণ বৈধ।

*পদ্ধতিগত ত্রুটি (Procedural Unconstitutionality):* সংবিধানের ১৪২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনী বিলে একটি "লং টাইটেল" (Long Title) থাকা বাধ্যতামূলক, যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে যে কোন অনুচ্ছেদটি সংশোধন করা হচ্ছে। ৪র্থ ও ১৫শ সংশোধনীর বিলে এই লং টাইটেল ছিল না, তাই পদ্ধতিগতভাবেও এই সংশোধনীগুলো অসাংবিধানিক।

*রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার বিভ্রম:* বিদ্যমান ১১৬ অনুচ্ছেদে বলা ছিল রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের সাথে "পরামর্শক্রমে" ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। কিন্তু সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ছাড়া অন্য সব কাজে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে বাধ্য। এর ফলে সুপ্রিম কোর্টের "পরামর্শ" নেওয়ার বিষয়টি কার্যত অর্থহীন হয়ে যায় এবং বিচার বিভাগ পরোক্ষভাবে নির্বাহী বিভাগের (প্রধানমন্ত্রীর) অধীনে চলে যায়।

*শৃঙ্খলা বিধিমালা ২০১৭-এর ত্রুটি:* এই বিধিমালার মাধ্যমে অধস্তন বিচারকদের ওপর নিয়ন্ত্রণ, বদলি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলার চূড়ান্ত ক্ষমতা আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের হাতে দেওয়া হয়েছিল। যেহেতু মূল ১১৬ অনুচ্ছেদ ফিরে এসেছে এবং ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের কাছে গেছে, তাই নির্বাহী বিভাগকে ক্ষমতা দেওয়া এই বিধিমালাটি পুরোপুরি অকার্যকর এবং সংবিধান পরিপন্থী।

সংক্ষেপে, এই রায়ের মাধ্যমে অধস্তন বিচার বিভাগের ওপর নির্বাহী বিভাগের দীর্ঘদিনের নিয়ন্ত্রণ বাতিল করে বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা এবং ক্ষমতার পৃথকীকরণ নিশ্চিত করা হয়েছে।

[রায়ের মূল কপির লিংক কমেন্ট বক্সে দিয়ে দেয়া হলো]

#বিচার

“ল’ পড়ছো? আচ্ছা… টাউট হবা না তো?”ওকালতি পড়ছো মানেই টাউট—এই জনপ্রিয় রায়টা আমাদের আদালতপাড়ার উপরে এক অলিখিত ফতোয়া হয়ে গেছে...
05/04/2026

“ল’ পড়ছো? আচ্ছা… টাউট হবা না তো?”

ওকালতি পড়ছো মানেই টাউট—এই জনপ্রিয় রায়টা আমাদের আদালতপাড়ার উপরে এক অলিখিত ফতোয়া হয়ে গেছে। যেন ‘ল’ পড়া মানেই চরিত্রগতভাবে সন্দেহভাজন এক শ্রেণি। তার উপরে যদি আবার মাদ্রাসাছাপ থাকে তাইলে তো মরার উপরে খাড়ার ঘা!

কিন্তু একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে, এই ইমেজটা হাওয়ায় তৈরি হয়নি। এর পেছনে আছে কিছু দৃশ্যমান বাস্তবতা, কিছু আচরণগত সংকট। এখন এই ইনস্টিটিউশনাল থিয়েটার সিস্টেমটা ব্রিটিশদের বানানো। একে অনেকেই হয়তো বলবেন colonial hangover, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এই ফ্রেমওয়ার্কের ভেতরেই আপনাকে খেলতে হবে।

তাই আমার কিছু অবজার্ভেশন দেই:

১. প্রথম কথা, ল’ স্টুডেন্ট বা জুনিয়র হিসেবে নিজের উপস্থিতি (presentation) নিছক বাহ্যিক বিষয় না, বরং পেশাগত ভাষা। আপনি যদি জিন্সের উপর কোর্ট, স্যান্ডেল পরে হাজির হন, তাহলে আপনি অজান্তেই নিজেকে সেই ‘টাউট সাবকালচার’-এর পাশে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছেন। আদালতপাড়া খুব সূক্ষ্ম জায়গা কেননা এখানে perception-ই currency। এখানে কেবল আইন জানলেই হয় না, আপনাকে সেই আইনের ভাষা, ভঙ্গি, রীতিনীতিও ধারণ করতে হয়। খুব গরমের মধ্যেও স্যুটেড-বুটেড থাকার অভ্যাস করতে হবে। সিংগেল ব্রেস্টেড কোটে কয়টা বোতাম লাগাতে হয়, অক্সফোর্ড শু কীভাবে লেস বাধতে হয়, টাই-য়ের উইন্ডসর নট কীভাবে বাধতে হয়, ইত্যাদি যত ড্রেস এটিকেট আছে সব শিখতে হবে। নয়তো পোশাক, বাচন ভঙ্গি, কথা বার্তায় ক্ষ্যাত হলে জজ, অপনেন্ট এবং ক্লায়েন্ট সবাই ক্ষ্যাত হিসেবেই গণ্য করবে।

২. দ্বিতীয় কথা, ভাষা। ইংরেজি বর্তমানে শুধু ভাষা না, এটা একটা social filter। বাংলাতে আপনি চাইলে জেলা বারে সম্মান নিয়ে প্র্যাকটিস করতে পারবেন, কিন্তু কর্পোরেট ফার্ম, মাল্টিন্যাশনাল ক্লায়েন্ট, ফরেন কনসালটেন্সি এসব জায়গায় ঢুকতে গেলে চোস্ত ইংরেজিই আপনার পাসপোর্ট। এখন এটা ভালো না খারাপ তা আলাদা বিতর্ক। কিন্তু এটা আছে—এটাই fact।

৩. তৃতীয়ত, আচরণ তথা demeanour।
দেখুন, একজন আইনজীবীর দুইটা মুখ থাকে। একটা মজলুমের সামনে: যেখানে আপনাকে নরম, সহানুভূতিশীল হতে হবে। সেখানে আপনার আচরণ হবে দাঈ'র মত ধৈর্যশীল, আশ্বাসদায়ী।
আরেকটা অপরাধীর সামনে: যেখানে আপনাকে দৃঢ়, কঠোর হতে হবে। এদের সাথে ড্যাম কেয়ার অ্যাটিটিউট না দেখালে এদের সাথে পেরে উঠবেন না।
এই দ্বৈততা না শিখলে আপনি প্র্যাকটিসে টিকতে পারবেন না।

৪. চতুর্থত, মানুষ চেনার ক্ষমতা। যেটাকে আরবিতে বলে 'ফিরাসা'।
ক্লায়েন্টের কথা, চোখ, দেহভঙ্গি এসব থেকে বুঝতে শিখতে হবে কে কেমন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসছে। কে জেনুইন লোক, আর কে ধান্ধাবাজ।
এই স্কিল বই পড়ে আসে না, আসে exposure থেকে। তাই ছাত্রজীবনে নিজেকে কোনো এক শ্রেণিতে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। ক্লাসের সবচাইতে নার্ড এবং ভদ্র ছেলে-মেয়ে থেকে শুরু করে সবচাইতে ইতর ছেলে-মেয়ের সাথে চলা ফেরা করবেন কোন বাছ বিচার ছাড়াই। কারণ ওকালতি করতে গেলে আপনাকে ভদ্রলোকের ড্রইংরুম আর রাস্তার চায়ের দোকান দুই জায়গাতেই বসতে হবে। তখন কে ভদ্রলোক আর কে টাউট তা বুঝে উঠতে পারবেন না যদি না আগে থেকে মিশে থাকেন।

৫. পঞ্চমত, নেটওয়ার্কিং যাকে আধুনিক ভাষায় বলে social capital।
রাজনীতি, সোশ্যাল ওয়ার্ক, খেলাধুলা এসব জায়গায় উপস্থিতি মানে নিজের visibility বাড়ানো। আইন অঙ্গনের বাইরেও সকল ডিসিপ্লিনের মানুষের সাথে মিশে তাদের জ্ঞান, চিন্তা আহরণ শুরু করবেন। A good lawyer knows something about everything and everything about something.
উপরন্তু, বাংলাদেশের বাস্তবতায় পলিটিক্যাল ট্যাগ একধরনের সিগন্যাল। আপনি এক্টিভ হন বা না হন, আপনার পেছনে ট্যাগ লেগে যাবেই। তাই, আপনাকেই বেছে নিতে হবে কোন ট্যাগটি আপনি লাগাতে দিচ্ছেন।

৬. ষষ্ঠত, ইথিক্স।
শিক্ষানবীশ অবস্থায় ক্লায়েন্টের কাছ থেকে চা-নাস্তার বিল কিংবা ১/২ শত টাকা নেওয়া যাবেনা। এইগুলো খুব ছোট মনে হলেও এগুলোই কিন্তু আপনার ‘ছোটোলোকী’ ইমেজ গড়ে।
আপনি যদি শুরুতেই নিজেকে ‘ছোট সুবিধা নেওয়া মানুষ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন, তাহলে বড় ক্লায়েন্ট কখনো আপনাকে সিরিয়াসলি নেবে না।
আইন পেশায় trust ধীরে তৈরি হয়, কিন্তু একবার ভাঙলে আর ফেরে না। তাই যেই ক্লায়েন্টকে আপনি ধরে রাখতে চান তার সাথে ছোটোলোকী চলবে না। তারচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, আদালতে নিজেকে ম্যালপ্রাক্টিস করনেওয়ালা উকিল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যাবেনা।

আপনি যদি শুরুতে এই স্ট্রাগলগুলো করে নিজের ক্লিন ইমেজ গড়ে তুলতে পারেন, বেশি না ৫ বছর পরে আদালতের নাজির থেকে জজ, সবাই জেনে যাবে যে আপনি সলিড লোক। আপনি কোর্টে দাড়ালে জজ এবং অপোনেন্ট লইয়ার দুজনেই আপনাকে সমীহ করবে। তখন ফি-এর জন্য ক্লায়েন্টের সাথে গুলিস্তান ফুটপাথের জুতার দামের মুলোমুলি করতে হবেনা।

#আইন #আদালত

সেকশন ৫, ৮, ৯ : সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭Section 5, 8, 9 : Specific Relief Act, 1877Lecture on ❝Recovery of Possess...
27/03/2026

সেকশন ৫, ৮, ৯ : সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
Section 5, 8, 9 : Specific Relief Act, 1877

Lecture on ❝Recovery of Possession❞ in Bangla.

#বাংলায়_আইন

Specific Relief Act, 1877 (সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন) এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি ধারা— Section 8 এবং Section 9 নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি...

Big announcement for LEGAL RESEARCHERS!
27/03/2026

Big announcement for LEGAL RESEARCHERS!

📢 The 5th edition of OSCOLA has been released.

This latest version brings important updates to legal citation practices, reinforcing clarity, consistency, and academic rigor in legal writing. We encourage everyone in the legal community to explore the updated OSCOLA guidelines and integrate them into their work.

🔗 Access the full guide here: https://www.law.ox.ac.uk/oscola

রক্তস্নাত বিজয়ের গাঁথা, লাল-সবুজের স্বাধীন পতাকা! 🇧🇩✨আজ ২৬শে মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। যাঁদের অসীম ত্যাগ আর সা...
25/03/2026

রক্তস্নাত বিজয়ের গাঁথা, লাল-সবুজের স্বাধীন পতাকা! 🇧🇩✨

আজ ২৬শে মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। যাঁদের অসীম ত্যাগ আর সাহসিকতায় আমরা পেয়েছি এই স্বাধীন মানচিত্র, পেয়েছি নিজেদের অধিকার নিয়ে বাঁচার স্বাধীনতা— বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি সেইসব বীর শহীদদের।

একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের যেমন সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে, তেমনি দেশের প্রতি রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। আসুন, স্বাধীনতা দিবসের এই শুভলগ্নে আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে একটি সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার শপথ নিই। 'Law with Mia'-এর পক্ষ থেকে সবাইকে মহান স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা!👇 আপনার কাছে 'স্বাধীনতা' মানে কী?

#মহান_স্বাধীনতা_দিবস #২৬মার্চ

Senior Supreme Court Advocate Barrister Md. Ruhul Quddus Kazal has been officially appointed as the 18th Attorney Genera...
25/03/2026

Senior Supreme Court Advocate Barrister Md. Ruhul Quddus Kazal has been officially appointed as the 18th Attorney General of Bangladesh.

The appointment, made under Article 64(1) of the Constitution, was announced today and takes immediate effect.In his first reaction to the press following the appointment, Barrister Kazal expressed deep gratitude and made a firm commitment to the rule of law, stating, "I will not obstruct justice for anyone."

Congratulations from Law with Mia!
The entire team at Law with Mia extends our absolute warmest congratulations to Barrister Ruhul Quddus Kazal on this monumental appointment. Taking on the mantle of the chief legal advisor to the state is an immense responsibility. His proven track record of leadership and dedication to the legal fraternity speaks volumes about the capability he brings to this role.

A Look at His Distinguished Career:
Barrister Kazal brings decades of extensive legal, leadership, and diplomatic experience to the state's top legal office:
• Academic Excellence: After completing his LLB (Honours) and LLM at the University of Dhaka, he earned a second LLB from the University of London and received his Bar-at-Law certification from the prestigious Lincoln's Inn, UK, in 2006.
• Legal Milestones: He began his legal practice in 1995 at the Dhaka District and Sessions Judge's Court, enrolled in the High Court in 1996, and advanced to the Appellate Division in 2008. He was recognized as a Senior Advocate of the Supreme Court in 2023.
• Bar Leadership: A prominent voice for legal professionals, he served as the elected Secretary of the Supreme Court Bar Association for three consecutive terms (2020–2023). He has also served as a member of the Bangladesh Bar Council and Chairman of its Executive Committee.
• Diplomatic Service: Beyond the courtroom, he worked as a diplomatic official, serving as a Second Secretary at the Bangladesh High Commission in London from 2003 to 2006.

We look forward to seeing his positive impact on the judiciary and wish him a highly successful tenure in upholding justice and the rule of law in Bangladesh!

🌙✨ Eid Mubarak from Al Muminul Mia & Law with Mia! ✨🌙​As we bid farewell to the blessed month of Ramadan, we celebrate t...
20/03/2026

🌙✨ Eid Mubarak from Al Muminul Mia & Law with Mia! ✨🌙

​As we bid farewell to the blessed month of Ramadan, we celebrate the spirit of community, peace, and renewed hope. Our team joins the global Muslim community in commemorating your exemplary devotion and dedication during your month of fasting.

​In line with the message of our poster, we offer a sincere wish for global humanity: that this Eid brings a wave of compassion, unity, and shared joy that transcends borders. May Allah grant you and your loved ones a truly blessed and joyous Eid ul Fitr.

​💬 How are you celebrating this special day? Share your favorite Eid tradition or a photo of your celebration in the comments below!

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Law with Mia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category