Sudipto Chandra Sarker

Sudipto Chandra Sarker Advocating for Your Rights and Freedom.

ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত সাইবার অপরাধ (Cyber Crime) দমন ও প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার বহুল বিতর্কিত ...
10/04/2024

ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত সাইবার অপরাধ (Cyber Crime) দমন ও প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার বহুল বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ রদ করে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ নামে একটি নতুন আইন প্রণয়ন করেন।

সাইবার নিরাপত্তা আইনের সংজ্ঞানুসারে, “সাইবার নিরাপত্তা” অর্থ দ্বারা কোনো ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম এর নিরাপত্তাকে বোঝানো হয়েছে।

সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান, তাহলে তিনি ৫ বৎসর কারাদণ্ডে, বা ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

এই আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোনো ব্যক্তিকে বিরক্ত, অপমান, অপদস্থ বা হেয় প্রতিপন্ন করার অভিপ্রায়ে এমন কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করেন যা আক্রমণাত্মক বা ভীতি প্রদর্শক অথবা মিথ্যা, তবে তিনি ২ বৎসর কারাদণ্ডে, বা ৩ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বা সুনাম ক্ষুণ্ণ করা, বা বিভ্রান্তি ছড়ানোও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এই আইনের ২৫ ধারায় আরও বলা আছে, রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বা সুনাম ক্ষুণ্ণ করার, বা বিভ্রান্তি ছড়াবার, বা তদুদ্দেশ্যে, অপপ্রচার বা মিথ্যা বলে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও, কোনো তথ্য সম্পূর্ণ বা আংশিক বিকৃত আকারে প্রকাশ, বা প্রচার করেন বা করতে সহায়তা করেন, তবে তিনি ২ বৎসর কারাদণ্ডে, বা ৩ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো, কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস বা কম্পিউটার সিস্টেম ইত্যাদিতে বে-আইনি প্রবেশ করা কিংবা বে-আইনি প্রবেশের মাধ্যমে ক্ষতিসাধন করা ইত্যাদি এই আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এই আইনের (২২-২৪) ধারার বিধান অনুসারে, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে জালিয়াতি করা, প্রতারণা করা ও ডিজিটাল মাধ্যমে পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণ করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

এই আইনের ২৬ ধারায় অনুমতি ব্যতীত পরিচিতি তথ্য সংগ্রহ কিংবা ব্যবহার করার শাস্তির কথা উল্লেখ আছে। সাইবার নিরাপত্তা আইনের ২৬ ধারায় বলা হয়েছে, "যদি কোনো ব্যক্তি আইনগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচিতি তথ্য সংগ্রহ, বিক্রয়, দখল, সরবরাহ বা ব্যবহার করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।"

এই আইনের ২৮ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত করে এমন কোনো তথ্য প্রকাশ, প্রচার বা সম্প্রচার করেন তবে তিনি অনধিক ২ বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

ডিজিটাল মাধ্যমে কারো বিরুদ্ধে মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির সংজ্ঞা দেওয়া আছে। উক্ত সংজ্ঞানুসারে, জেনে বুঝে যদি কোন ব্যক্তি এমন কোন কথা বলে বা কোন লেখা, চিহ্ন প্রকাশ করে যা অন্য কোন ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে তা হলে উক্ত ব্যক্তি মানহানি করেছে বলে গণ্য হবে। সাইবার আইনে মানহানি অপরাধের শাস্তি হচ্ছে ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানা।

সাইবার সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মতো হ্যাকিংও একটি শাস্তিযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য ধারার অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। অত্র আইনের ৩২ ধারায় বলা হয়েছে, "কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।"

২০২৩ সালে প্রণীত নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিধানের পাশাপাশি কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের কোনো ধারার অধীন মিথ্যা মামলা দায়েরের জন্যও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

#সাইবার_নিরাপত্তা_আইন_2023 .

🚫সাবধান🚫সাবধান 🚫সাবধান 🚫==========================✅নতুন ভূমি আইন পাস হয়েছে!১০ই জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে পারে!দেখে নিন...
08/04/2024

🚫সাবধান🚫সাবধান 🚫সাবধান 🚫
==========================
✅নতুন ভূমি আইন পাস হয়েছে!
১০ই জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে পারে!
দেখে নিন নতুন আইনে কি হতে যাচ্ছে!
👉 কাহারো ৬০ বিঘার উপরে কৃষি জমিন থাকতে পারবেনা।
👉এক নামে ২৫ বিঘা জমিন থাকলে তার খাজনা মাফ।
👉 আসল দলিল যার ভুমি তার।
👉 ভুমি অপরাধ আইন, ভুয়া বেনামি ও জ্বাল দলিল বাদ ও সেই দলিলের দাবিদার এর জেল হবে।
👉 ভুমি জবর দখল দন্ডনিয় অপরাধ।
👉 মুল মালিক কে জমিন দেওয়া হবে।
👉 আন রেজিষ্টার্ড দলিল বাদ।
👉 কারো থেকে অতিরিক্ত জমিন লিখে নেওয়া দলিল বাদ ও দন্ডনিয় অপরাধ।
👉 অন্যের নামে ভুয়া জ্বাল দলিল বাদ। বা ১০০ বৎসর ভুমি জবরদখল রাখলেও সেই জমিনের দখল ছাড়তে হবে। যাহা হিন্দুদের ছিল।
👉 খাস জমিন ভুয়া দলিল করে দখলে রাখলে ওই ভুমির সেই দলিল বাদ ও দখল ছাড়তে হবে।
👉 নিজের ভাই-বোন মা-বাবা ও কাউকে পাগল বা প্রতিবন্ধী বলে ভুল বুঝিয়ে দলিল করে নেওয়া, ওই সকল নামে জ্বাল দলিল বানিয়ে ভুমি আক্তসাত করা দলিল বাদ হয়ে যাবে।
👉উত্তরাধিকারিকে বঞ্চিত করে ভুয়া দলিল তৈরি করিলে বা দখল না দিয়ে বা বঞ্চিত করলে সেই দলিল বাদ।
👉 ভূমি ক্রয়কারী ও বিক্রয় কারি দলিল সঠিকতর থাকতে হবে।
💥এক কথায় আসল দলিল যার ভূমি তার✌️✌️ [ভূমি আইন]

#ভুমি_আইন, .

"দলিল যার জমিন তার" এই বিধান রেখে যে নতুন ভূমি আইন পাশ হতে যাচ্ছে, তার বিল।"ভূমি অপরাধ ও প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩” ...
08/04/2024

"দলিল যার জমিন তার" এই বিধান রেখে যে নতুন ভূমি আইন পাশ হতে যাচ্ছে, তার বিল।
"ভূমি অপরাধ ও প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩” বিল এর গেজেট।

#ভুমি_আইন .

08/04/2024

বিয়ে ও ডিভোর্স নিয়ে অনেকেই কিছু আইনগত বিষয় নিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন, যেমন....

১) মোবাইলে বিয়ে করা যায় কিনা?
২) অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ে বৈধ কিনা?
৩)কোর্ট ম‍্যারিজ আসলে কি?
৪)বিয়েতে কি কি লাগে?

তালাক:
৫)তালাক দিলে পুনরায় স্বামী -স্ত্রী একত্র হতে পারবে কিনা?
৬) স্ত্রী তালাক দিলে দেনমোহর পাবে কি না?
৭) তালাকের সঠিক পদ্ধতি কি?
৮) তালাকের পর কি ধরনের মামলা বেশী দেয়া হয়?
উত্তর সমূহ:
১) মোবাইলে বিয়ে:
কোনো কারণে সরাসরি উপস্থিতিতে বিয়ে সম্ভব না হলে পাত্র-পাত্রীর পক্ষে আকদ-নিকাহ কবুল করার জন্য উকিল মনোনীত করবে এবং দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে তারা আকদ-নিকাহ করে নিতে পারবে। পাত্র-পাত্রী দূরদেশে থাকা অবস্থায় আকদ-নিকাহ করতে হলে নিম্নে বর্ণিত পদ্ধতিদ্বয় হতে কোনো একটি অবলম্বন করবে :
ক. পাত্র টেলিফোনে দেশে একজনকে তার পক্ষে উকিল (স্থলাভিষিক্ত) নির্ধারণ করবে। যখন বিয়ের মজলিসে দুই সাক্ষীর উপস্থিতিতে পাত্রীর পক্ষ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অভিভাবক বলবে আমি বিদেশে বসবাসকারী অমুকের কাছে এত টাকা মহরে মেয়েকে বিয়ে দিলাম। তখন উকিল বলবে আমি পাত্রের পক্ষে কবুল করলাম।
খ. পাত্রীর পিতা বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অভিভাবক দেশ থেকে টেলিফোনে বিদেশে তার পক্ষে বিয়ে দেওয়ার জন্য একজন উকিল মনোনীত করবে এবং ওই উকিল সেখানে বিয়ের মজলিসে সাক্ষীর উপস্থিতিতে বলবে, আমি অমুক মেয়েকে এই ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিলাম। ছেলে তখনই বলবে কবুল করলাম। উক্ত পদ্ধতিদ্বয়ের কোনো একটি অবলম্বন করলে বিয়ে হয়ে যাবে।
(বাদায়েউস সানায়ে : ২/২৩১, আদ্দুররুল মুখতার : ৩/১৪, ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া ১১/১৬১)

২) দেশীয় আইনে ছেলেদের ২১ বছর এবং মেয়েদের ১৮ বছরের আগে যদি বিয়ে হয় সে বিয়ে ধর্মীয়ভাবে জায়েজ তবে আইনগতভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হলে সেই বিবাহ রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হয়। কারণ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে বিবাহ রেজিস্ট্রেশন করা যায় না।

কোর্ট ম‍্যারেজ:
৩) কোর্ট ম্যারেজ বলতে বুঝাই আসলে স্বামী-স্ত্রী দুইজন আইনজীবীর মাধ্যমে একটা হলফনামা বা এফিডেফিট করেন, আর কাজী সাহেব বিয়ে পড়িয়ে দেন, আর সাধারণত হলফনামাটা কোর্টে গিয়ে করে থাকে সেজন্য কোর্ট ম্যারিজ বলে এছাড়া আর কোন বাড়তি কিছু লাগে না।

৪)বিয়ের পদ্ধতি :
বিয়ে আসলে অনেক সহজ একটা বিষয়!!
বিয়েতে তেমন কিছুই লাগেনা স্বামী নিজে অথবা একজন কারো মাধ্যমে দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে শুধু বলবে আমি এত......টাকার দেনমোহরে উক্ত (নারীর নাম পিতা -মাতা নাম ঠিকানা সহ উচ্চারণ করে) তাকে (স্ত্রীকে) বিবাহের প্রস্তাব দিলাম, স্ত্রী তখন বিবাহের প্রস্তাবটি আলহামদুলিল্লাহ্ কবুল বলে গ্রহণ করে নিবে, স্বামীও একইভাবে বলবে এত... টাকা দেনমোহরে অমুক কে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করলাম। এতেই তারা স্বামী স্ত্রীর হয়ে যাবে।

৫) তালাকের পর একত্র হওয়া:
ডিভোর্সের লেটার পাঠানোর পর ৯০ দিনের মধ্যে যদি স্বামী-স্ত্রী একত্র হয়ে যায় বা সহবাস করে তাহলে তাদের তালাক বাতিল হয়ে যায়। পুনরায় স্বামী স্ত্রী হিসেবে একত্রে বসবাস করতে পারবে এজন্য অন্য কোন ফর্মালিটি দরকার নাই।

৬) স্ত্রী তালাক দিলে দেনমোহর;
তালাক স্ত্রী দিক অথবা স্বামী দিক অথবা উভয়ের সম্মতিতে হোক যে কোনোভাবেই স্ত্রী তার পরিপূর্ণ দেনমোহর পাওয়ার হকদার এবং আইনগতভাবে স্বামী পরিপূর্ণ দেন মোহর দিতে বাধ্য। তবে যদি স্ত্রী পক্ষ থেকে সমঝোতার মাধ্যমে দেনমোহর কিছু ছাড় দেয়া হয় সেটা ভিন্ন কথা।

৭) তালাকে সঠিক পদ্ধতি,
তালাকের সঠিক পদ্ধতি হচ্ছে প্রতি মাসে একটা করে তিন মাসে তিনটা তালাকের নোটিশ পাঠানো এরপর ৯০ দিন পর কার্যকর হয়ে যায়। তবে বর্তমানে একটা নোটিশের মাধ্যমেও পাঠালে ৯০ দিন পরে প্রত্যাহার না করলে তালাক কার্যকর হয়ে যাবে।

তবেই এই ৯০ দিনের মধ্যে চাইলে সমঝোতার মাধ্যমে তালাক প্রত্যাহার করে নিতে পারবে।

৮) ডিভোর্সের পর মামলা:

ডিভোর্সের পর সাধারণত নারী শিশু নির্যাতন দমন আইন;২০২০ এর ১১(গ) অনুযায়ী যৌতুকের জন্য নির্যাতন ( simple hurt ) এর মামলা বেশী করা হয়।
অথবা যৌতুকের নিরোধ আইন- ২০১৮ এর ৩/৪ ধারায় মামলা দেয়া হয়।

08/04/2024

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================
১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================
১ শতাংশ =৪৩৫ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
১০ শতাংশ = ৬ কাঠা। = ৪৩৫৬ বর্গফুট ।
=========================
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================
১ গন্ডা = ৮৭১ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================
কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি
কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।
কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত×৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা
উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ স্কয়ার বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ স্কয়ার বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ স্কয়ার বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।
আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। যেমন –
* আপনি যদি ৯০০ স্কয়ার বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ স্কয়ার বর্গফুট।
* আর যদি ১২০০ স্কয়ার বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।
* ১৬০০ স্কয়ার বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ স্কয়ার বর্গফুট।

#ভুমি_আইন।

Address

Rangpur
Dhaka

Telephone

+8801774689980

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sudipto Chandra Sarker posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Sudipto Chandra Sarker:

Share