The Legal Consultant

The Legal Consultant Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The Legal Consultant, Legal Service, Circle Ambiya Point, Level/03, Room/02, West Rampura, Dhaka.

02/12/2019

The Legal Consultant
ভূমি সংক্রান্ত যেকোন পরামর্শ ও সহযোগিতায় রয়েছে আপনার পাশে ।
আমাদের সেবাসমূহ –
** CS, SA, RS, CT পর্চা উত্তলোন (বাংলাদেশের যেকোন এলাকা) ।
** নতুন বা পুরাতন দলিলের অবিকল নকল উত্তলোন (বাংলাদেশের যেকোন এলাকা) ।
** মৌজা ম্যাপ / নক্সা উত্তলোন ।
** মিউটেশন বা নামজারি সহায়তা।
** জমি / ভূমি রেকর্ড সংশধনে আইনি সহায়তা ।
** ফরায়েজ বা জমির মালিকানা অংশ নির্ভুলভাবে বের করা ।
** ভবন বা বিল্ডিং করতে রাজউক এর প্ল্যান পাস (রাজধানী) ।
আমাদের সহায়তা নিন কোন ঝামেলা ছাড়া নির্দিষ্ট সময়ে আপানার বাসায় পৌছে যাবে আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ।

অফিস –
সার্কেল আম্বিয়া পয়েন্ট
২য় তলা, রুম – ০২
মোবাইল-
01628338406 (10am-5pm)
01829276493 Imo
0191326021 watsApp

20/11/2019

C.S - S.A - R.S - C.T দাগ খতিয়ান সম্পর্কিত কিছু কথা ও তথ্য ।

“C S / সি এস” হলো Cad astral Survey (CS) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। একে ভারত উপমহাদেশের প্রথম জরিপ বলা হয় যা ১৮৮৮ (ভূমি মন্ত্রণালয় অুনসারে ১৮৮৭) সাল হতে ১৯৪০ সালের মধ্যে পরিচালিত হয়।
এই জরিপ ১৮৮৫ সালের বঙ্গীয় প্রজাতন্ত্র আইনের ১০ম পরিচ্ছেদে অনুসারে সিলেট ও পার্বত্য জেলা ব্যতীত সারা দেশে পরিচালিত হয়। উক্ত জরিপের মাধ্যমে জমির বিস্তারিত মৌজা নকশা (ম্যাপ) প্রস্তুত করা হয় এবং প্রত্যেক মালিকের জন্য দাগ নম্বর উল্লেখপুর্বক ভূমির বাস্তব অবস্থা, আয়তন, শ্রেণী, পরিমাণ, খাজনার পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখপূর্বক খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়। এ জরিপ পি-৭০ সীটে কিস্তোয়ারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

সিএস জরিপ ১৮৮৮ সালে কক্সবাজারের রামু থানা হতে আরম্ভ হয় এবং ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় শেষ হয়। সে সময়ে সিলেট জেলা আসাম প্রদেশের অধীন থাকায় সিলেট জেলায় সিএস জরিপ হয়নি। তবে জরুরী বিবেচনায় ১৯৩৬ সালের সিলেট প্রজাস্বত্ব আইনের ( Sylhet tenancy Act) আওতায় সিলেট জেলার ক্যাডাষ্ট্রাল সার্ভে ১৯৫০ সালে আরম্ভ করা হয় এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহন ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর অধীনে ঐ জরিপ ১৯৬৩ সালে শেষ হয়।

সি.এস. জরিপে সময় প্রস্তুতকৃত খতিয়ানে জমিদারগণের নাম খতিয়ানের উপরিভাগে এবং দখলকার রায়তের নাম খতিয়ানের নিচে লেখা হত। সে সময় জমিদারগণ সরকার পক্ষে জমির মালিক ছিলেন এবং রায়তগণ প্রজা হিসেবে শুধুমাত্র ভোগ দখলকার ছিলেন।

প্রথম এই জরিপ এবং প্রস্তুতকৃত নকশা ও খতিয়ান খুবই নিখুঁত ও নির্ভরযোগ্য হিসেবে এখনো গ্রহণীয়। মামলার বা ভূমির জটিলতা নিরসনের ক্ষেত্রে এই জরিপকে বেস হিসেবে অনেক সময় গণ্য করা হয়।

S.A / এস.এ. জরিপ (State Acquisition Survey)
১৯৫০ সালে জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ার পর সরকার ১৯৫৬ সালে সমগ্র পূর্ববঙ্গ প্রদেশে জমিদারী অধিগ্রহনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ২/৪/১৯৫৬ তারিখে এই আইনের ৩ ধারার আওতাধীন বিজ্ঞপ্তির মূলে সরকার কর্তৃক সকল জমিদারি দখল নেয়ার পর উক্ত এ্যাক্টের ১৭ ধারা মোতাবেক যে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় তা এস এ খতিয়ান বলে পরিচিত ।

মূলত, জমিদারী ও মধ্যস্বত্ব বিলোপ করে জমিদারগণকে প্রদেয় ক্ষতিপূরণ তালিকা প্রণয়ন এবং ভূমি মালিকগণকে/ রায়তকে সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে আনয়ন করার লক্ষ্যে সে সময় একটি সংক্ষিপ্ত জরিপ ও রেকর্ড সংশোধনী কার্যক্রম পরিচালিত হয় যা পরবর্তীতে S.A / এসএ খতিয়ান বলে পরিচিত পায় । ১৯৫৬ হতে ১৯৬২ পর্যন্ত এই জরিপ পরিচালিত হয়। জরিপে ভূমি মালিকের নাম ও জমির বিবরণাদি সম্বলিত হাতেলেখা রেকর্ড / খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় । সে সময় এই রেকর্ড মোট তিন কপি প্রস্তুত করা হয় যার মধ্যে একটি জেলা রেকর্ড রুমে, এক কপি তহশলি ( ইউনিয়ন ভূমি অফিস) অফিসে এবং অন্যটি সার্কেল পরিদর্শক (উপজেলা রাজস্ব) অফিসে প্রদান করা হয় । জরুরী তাগিদে জমিদারগন হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই জরিপ বা খাতিয়ান প্রণয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল।

পি.এস. জরিপ (Pakistan Survey)
এস.এ. জরিপকেই পি.এস./ Pakistan Survey / জরিপ বলে। ১৯৫৬ হতে ১৯৬২ পর্যন্ত এই জরিপ পরিচালিত হয়।

আর.এস. জরিপ ( Revisional Survey)
সি.এস. জরিপ সম্পন্ন হওয়ার সুদীর্ঘ ৫০ বছর পর এই জরিপ পরিচালিত হয়। জমির অবস্থা, প্রকৃতি, মালিক, দখলদার ইত্যাদি হালনাগাদ করার লক্ষ্যে এ জরিপ সম্পন্ন করা হয়।
এস.এ. জরিপের সময় সরেজমিনে তদন্ত বা জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা হয়নি। জমিদারদের থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এস.এ জরিপ বা খাতিয়ান প্রস্তুত করা হয়েছিল যার কারণে অনেক ভূল -বিচ্যুতি থেকে যায়। এই ভুল-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি জরিপ করার সিদ্ধান্ত নেয় যা আর.এস বা. Revisional Survey জরিপ হিসেবে পরিচিত। এই জরিপে প্রস্তুতকৃত নকশা (ম্যাপ) এবং খতিয়ান নির্ভূল হিসেবে গ্রহণীয়।

সিটি জরিপ (City Survey)
সিটি জরিপ এর আর এক নাম ঢাকা মহানগর জরিপ। আর.এস. জরিপ এর পর বাংলাদেশ সরকার কর্তিক অনুমতি ক্রমে এ জরিপ ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। এ যবত কালে সর্বশেষ ও আধুনিক জরিপ এটি। এ জরিপের পরচা কম্পিউটার প্রিন্ট এ পকাশিত হয়।

দিয়ারা জরিপ কি?
দিয়ারা জরিপ হলো দরিয়া সম্পর্কিত জরিপ। জেগে উঠা নতুন ভূখন্ড (চর) জেলা প্রশাসকের চাহিদার ভিত্তিতে সিকস্তি পয়স্তির কারণে ভৌগলিক সীমারেখা ও স্বত্বের পরিবর্তন হলে নদী ও সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় নতুন জরিপ করা হয়। এ সমস্ত জরিপে নকশা ও রেকর্ড প্রস্তুত করা হয়। এটি অতি পুরাতন জরিপ। ক্যাডাস্ট্রাল জরিপ আরম্ভ হয় ১৮৮৮ সালে, পক্ষান্তরে দিয়ারা জরিপ আরম্ভ হয় ১৮৬২ সালে। দিয়ারা জরিপে সাধারন জরিপের জন্য প্রযোজ্য সকল স্তর অনুসরন করে পয়স্তি ভূমির(চর) ম্যাপ ও রেকর্ড প্রস্তুত করা হয় দিয়ারা সেটেলমেন্ট অফিসারের নেতৃত্বে ৪টি (রাজশাহী, নরসিংদী, চট্রগ্রাম ও বরিশাল) জেলায় বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক অফিস ও ক্যাম্পের মাধ্যমে সারাদেশের সুনির্দির্ষ্ট কিছু মৌজায় এ জরিপ কাজ পরিচালিত হয়।

যেকোন পর্চা - CS, SA, RS, CT- বা দলিলের জন্য অথবা ভূমি সংক্রান্ত পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন,
The Legal Consultant.
phone - 01714999648

তথ্য সূত্র- ভূমি মন্ত্রণালয়

আসুন জেনে নেই, আয়কর কি ? আপনি কি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত ? কোন কোন আয় থেকে কর প্রদান করতে হয় ?একটি দেশের রাজস্ব আয়ের বৃহৎ ...
17/03/2019

আসুন জেনে নেই, আয়কর কি ? আপনি কি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত ? কোন কোন আয় থেকে কর প্রদান করতে হয় ?

একটি দেশের রাজস্ব আয়ের বৃহৎ ও মূল খাত হল আয়কর । আয়কর হচ্ছে ব্যক্তি বা সত্তার আয় বা লভাংশের উপর প্রদেয় কর ।
আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪- এর আওতায় কর বলতে অধ্যাদেশ অনুযায়ী প্রদেয় আয়কর, অতিরিক্ত কর, বাড়তি লাভের কর, এতদসংক্রান্ত জরিমানা, সুদ বা আদায় যোগ্য অর্থকে বুঝায়।
অন্য ভাবে বলা যায় যে, কর হচ্ছে রাষ্ট্রের সকল জনসাধারনের স্বার্থে রাষ্ট্রের ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রদত্ত বাধ্যতামূলক অর্থ।
এবার দেখা যাক আপনি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত কিনা বা কারা আয়কর প্রদানের উপযুক্ত;
অর্থ আইন ২০১-তে বলা আছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই করদাতা (অনিবাসী বাংলাদেশী সহ) হিন্দু যৌথ পরিবার, অংশীদারী ফার্ম, ব্যক্তি সংঘ এবং আইনের দ্বারা সৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তির আয়ের সীমা ২,৫০,০০০/= টাকার উপরে হলে আয়কর প্রদানের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন।
তবে কিছু ব্যতিক্রমও রয়েছে, তা হল
*** নারী করদাতা এবং ৬৫ বৎসর বা তদুর্ধ বয়সের ব্যক্তি করদাতার আয় ৩,০০,০০০/= টাকার উপরে হলে তিনি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত হবনে।
*** প্রতিবন্ধী করদাতার আয় ৩,৭৫,০০০/= টাকার উপরে হলে তিনি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত বিবেচ্য হবেন।
*** গেজেট ভুক্ যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় সীমা ৪,২৫,০০০/= টাকার উপরে হলে তিনি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত হবেন।
আয়কর প্রদানের কোন নির্দিষ্ট বয়সসীমা নেই আপনি যে বয়সেরই হোন না কেন যদি আপনার আয় আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ ও অর্থ আইন ২০১৫-এর আওতায় কর যোগ্য হয় তবে আপনাকে আয়কর প্রদান করতে হবে । একজন আয়করদাতা দেশের একজন সুনাগরিক ও দেশের উন্নয়নের অংশীদারও বটে ।

আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ অনুযায়ী যে সকল উতস বা খাত থেকে আয়ের কর প্রদান করতে হবে তা হল;
*** বেতনাদি
*** নিরাপত্তা জামানতের উপর সুদ
*** গৃহ সম্পত্তির আয়
*** কৃষি আয়
*** ব্যবসা বা পেশাগত আয়
*** মূলধনী মুনাফা
*** অন্যান্য উৎস হতে আয়
*** অংশীদারি ফার্মের আয় , ইত্যাদি
আয়কর অধ্যাদেশ এর আওতায় ২ (দুই) ধরনের কর আরোপ করা হয়ে থাকে;
*** ব্যক্তিগত আয়কর
*** প্রাতিষ্ঠানিক আয়কর / কর্পোরেট আয়কর

আজ এপর্যন্তই থাক কাল আমরা আলোচনা করব;
E-TIN কি , কিভাবে E-TIN করতে হয়।
কিভাবে আয়কর বা Income Tax দেয়া যায় ও আয়কর প্রদানের প্রয়োজনীতা লাভ।

Address

Circle Ambiya Point, Level/03, Room/02, West Rampura
Dhaka
1212

Telephone

+8801714999648

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Legal Consultant posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category