Find My Advocate

Find My Advocate Click www.findmyadvocatebd.com AI-Enabled Lawyer–Client Matching Platform in Bangladesh.Where you can hire lawyer on their experience. CopyRight-CRW-31255.

License : TRAD/DSCC/011454/2020. চার্জ প্রযোজ্য

24/08/2026

নিম্ন আদালতে ঢালাও ফাঁসি: বিচারক মামুনের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নিলেন হাইকোর্ট

24/08/2026

কম বয়সে বিয়ে ভাঙার অনুভূতি কঠিন হলেও আইনি প্রক্রিয়া সামলাতে এখন পেশাদার আইনজীবীর চেয়ে এআই প্রযুক্তির ওপর বেশি ভরসা করছে জেন-জি প্রজন্ম

23/08/2026

স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হলে, সবচেয়ে বেশি খুশি কে হয়,,,
বলুন তো?

22/08/2026

টিনেজ বয়সী বাচ্চার সাথে আচরণের ধরন পালটে ফেলুন, বাচ্চা এমনি এমনি সঠিক পথে চলে আসবে:
সন্তান যখন ১০-১২ বছর পেরিয়ে কৈশোরে (Teenage) পা রাখে, তখন তার মানসিক জগতে এক বিশাল পরিবর্তন আসে। এই বয়সে শাসন বা কড়া নজরদারি, অভিভাবকদের আদেশসূচক আচরণ ইত্যাদি বাচ্চাকে ভুল পথে পরিচালিত করে।
​টিনেজ বাচ্চাকে কীভাবে গাইড করা যেতে পারে তার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট নিচে শেয়ার করা হলো:
​১. সন্তানের সামনেই বাবার কাছে 'নালিশ' করার অভ্যাস বন্ধ করুন।
​অনেক মা সারাদিন বাচ্চার ওপর রাগ জমে থাকার পর, বাবা বাসায় ফেরামাত্র সন্তানের সামনেই শুরু করেন নালিশের পাহাড়: "আজকে তোমার সন্তান এই করেছে, ওটা ভেঙেছে, কথা শোনেনি" ইত্যাদি ইত্যাদি। এসব বন্ধ করুন।​ যদিও মায়েদের আসল উদ্দেশ্য: বাচ্চাকে মার খাওয়ানো বা কষ্ট দেওয়া নয়, বরং বাবার ভয় দেখিয়ে হলেও সন্তানকে সঠিক পথে আনা।
কিন্তু আপনার এই আচরণে ​বাচ্চার কাছে যে মেসেজ যায় তা হলো— "মা আমাকে ভালোবাসে না, মা বাবাকে দিয়ে আমাকে অপমান ও মার খাওয়ানোর চেষ্টা করছে!"
​ফলাফল: বাচ্চার মনে মায়ের প্রতি দূরত্ব ও ঘৃণা তৈরি হয় এবং সে বাবার সামনে একরকম আর পেছনে অন্যরকম হতে দ্বিমুখী আচরণ শেখে।
​আপনি যা করতে পারেন: বাচ্চার ভুলত্রুটি নিয়ে বাবার সাথে আলাদাভাবে কথা বলুন, সন্তানের সামনে তাকে "অপরাধী" বানিয়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন না।
​২. আদেশদাতা (Boss) না হয়ে পরামর্শদাতা (Consultant) হন।
​ছোটবেলার মতো "এটা করো, ওটা করো না" বলা বন্ধ করুন। টিনেজ বয়সে নির্দেশ দেওয়ার বদলে তাকে বিকল্প অপশন দিন এবং নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দিন।
​৩. বকা দেওয়ার বদলে 'এক্টিভ লিসেনিং'
​সন্তানের ভুল দেখলে সঙ্গে সঙ্গে রায় না দিয়ে আগে তার কথা পুরোটা শুনুন। সে কী বলতে চায় তা বোঝার চেষ্টা করুন। সে যখন দেখবে আপনি তাকে শুনছেন, সে নিজেই তার ভেতরের বিষয়গুলো প্রকাশ করবে।
​৪. বাচ্চার আবেগকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।
​বন্ধুদের সাথে অমিল, নিজের চেহারা/গায়ের রঙ নিয়ে হীনমন্যতা, তার বন্ধুদের সামনে বা বাসায় গেস্ট আসলে তাদের সামনে বা অন্য কোনো মানুষের সামনে তাকে তুচ্ছ করা, বকা বা ধমক দেওয়া বন্ধ করুন। শাসন করবেন গোপনে। —এগুলো টিনেজারদের কাছে খুব বড় বিষয়। তাদের এই বয়সে নিজের প্রেস্টিজ তৈরি হয়, তাদেরও একটা সমাজ আছে, সেই সমাজে তার ব্যক্তিত্ব নিয়ে চলতে সাহায্য করুন।
"ধুর! এসব ফালতু চিন্তা বাদ দাও" বলে তার আবেগগুলো উড়িয়ে দেবেন না।
​৫. গোপনীয়তাকে (Privacy) সম্মান দিন।
​তার ডায়েরি, ফোন বা ব্যক্তিগত জিনিসে গোপনে নজরদারি না করে খোলামেলা বিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি করুন। যত বেশি সন্দেহ করবেন, সে তত বেশি গোপন করা শিখবে।
​৬. অন্যদের সাথে তুলনা বন্ধ করুন।
​"অমুকের সন্তান তো কত লক্ষ্মী, অমুক রেজাল্ট ভালো করেছে, তমুক এই কাজ করতে পারে তুমি পারো না"—এই তুলনাগুলো টিনেজারকে জেদী ও বিদ্রোহী বানিয়ে ফেলে। আপনার সন্তানের ভালো দিকগুলোকে হাইলাইট করুন।
​৭. আপনি যদি কারো ফোন রিসিভ করে বাসায় থেকে বলেন "আমি তো বাজারে", বা কারো বাসায় বেড়াতে গিয়ে বলেন "আমি তো বাসায়", বা বাচ্চাকে শিখিয়ে দেন "এটা তোমার বাবাকে বোলো না, বা অমুককে বোলো না"—তবে আপনার বাচ্চা মিথ্যা বলাকে স্বাভাবিক মনে করবে, এবং এসব করা শিখে যাবে।
​মনে রাখবেন: আপনার বাচ্চা আপনার দেওয়া শিক্ষার চেয়ে আপনাকে দেখে বেশি শেখে। অর্থাৎ, আপনি তাকে কী করতে বলছেন এটা শেখার চেয়ে আপনি নিজে কী করছেন এটা তার কাছে বেশি অর্থপূর্ণ। আপনি বলছেন মিথ্যা বলা পাপ, এবং আপনি নিজেই তার সামনে বাসায় বসে ফোন রিসিভ করে বললেন "আমি তো বাসায় নেই"—এটাই আপনার বাচ্চা শিখবে।
আপনি তাকে টাইমলি পড়তে বসার কথা বলে আপনি নিজেই লেট করে অফিসে গেলেন, এটাই আপনার বাচ্চা শিখবে।
​টিনেজ বয়সটা জোর-জবরদস্তির বয়স নয়, আস্থা অর্জনের বয়স। আপনি যখন আপনার আচরণের মোড় ঘোরাবেন এবং সন্তানকে নিরাপত্তার অনুভূতি দেবেন, তখন সে আর আপনাকে শত্রু ভাববে না—বরং নিজের ভুলগুলো শুধরে স্বাভাবিকভাবেই সঠিক পথে ফিরে আসবে।

- শাহিনা আক্তার মিতা
Co-founder & CEO, School of Financial Intelligence

18-08-26

22/08/2026

#পরামর্শ_চাই:

আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সাথে কিছু কথা বলতে চাই দয়া করে সবাই সঠিক মতামত দিবেন। আমি একজন মেয়ে বয়স ২৩ বছর আমার হাসবেন্ড প্রবাসি।আমাদের বিয়ে হয়েছে ৫ বছর একটা ছেলেও আছে আসল কথায় আসি ৪,৫ মাস আগে আমার বাবার বাড়িতে আমার পরিবার এর সাথে অন্য একটি পরিবারের সাথে ঝগড়া বিবাদ হয় যদিও আগে তাদের সাথে আমাদের মোটামুটি ভালোই সম্পক ছিলো যাক ঝগড়া ঝামেলা হওয়ার পর ওই মহিলারা আমাদের ক্ষতি করার জন্য আমার শশুর বাড়ি এসে আমার শশুরএর কাছে আমাকে আমার পরিবার কে নিয়ে অনেক মিথ্যা কথা বানিয়ে বলে এমন এমন কথা বলছে যা এই দুনিয়ার বুকে হয়তোবা নেই। বলছে আমি অনেক খারাপ আমার নাকি এখানে বিয়ের আগেও আরো অনেক জায়গায় বিয়ে হয়েছে বাচ্চাও নাকি আছে বিয়ের আগে খারাপ কাজে লিপ্ত হয়েছি আল্লাহ ভালো জানেন আমি এইসব কিছুই করিনি তারপর বললো আমি নাকি আমার শশুর বাড়ির সবকিছু আমার পরিবার কে দিয়ে দেই টাকা পয়সা খাবার দাবার জিনিসপত্র সবকিছু নাকি আমার মায়েরা এসে নিয়ে যায় আমার বিয়ের পর থেকে তারা নাকি আমার শশুর বাড়ির সবকিছু খেয়েই বেচে আছে আরো অনেক বাজে বাজে কথা। আমার শশুর বাড়ি যে অনেক টাকাপয়সা ওয়ালা তাও না হাসবেন্ড এর বেতন মোটামুটি চলে যায় আর বাবার বাড়ি উনারাও মোটামুটি ভাবে চলাফেরা করে তবে বাবার বাড়ি থেকে শশুর বাড়ি ভালো অবস্থায় আছে। আমার শাশুড়ী নেই। এখন কথা হচ্ছে যখন ওই মহিলা এসব আমার শশুর কে বলে তখন আমি কাছে ছিলাম না আমার শশুর ওই মহিলাকে নিজের মোবাইল দিয়েছে মহিলার নাম্বার সেভ করে দিতে তখন ওই মহিলা আমার শশুরের ফোন থেকে আমার হাসবেন্ড এর নাম্বার নিয়ে যায় আর সবকিছু আমার হাসবেন্ড কেও ফোন করে বলে। তখন থেকে আমার শশুর বাড়ি এনারা ওই মহিলা যা বলছে সবকিছু বিশ্বাস করে আমি অনেক বুঝাতে চেয়েছি আমি এসব কিছুই করিনি সবই মিথ্যা কিন্তু উনারা বিশ্বাস করেছে আমাকে শশুর বাড়িতে কোন এমন ভাবে চালানো হয় না যে আমার অনেক টাকাপয়সা আমি আমার বাবা মা কে দিবো আমার হাসবেন্ড যা দিতো আমি কোনরকম চলাচল করে জীবন পার করছিলাম। আমার শশুর বাড়ি মানুষজন এমনিতে অনেক হিসাবি তাই তারা ধরেই নিয়েছে এগুলো সব সত্যি হয়তো আমার পরিবার আগের মতো অতোটা সচ্ছল না তাই আমাকে আমার শশুর হাসবেন্ড অনেক অপমান করেছে এসব নিয়ে অথচ আমি নির্দোষ এসব দেখে আমাকে আমার পরিবার নিয়ে রযেতে চেয়েছে কিন্তু আমি যাইনি কারন আমি আমার সংসার ভাঙবে এমনটা কখনো দূর স্বপ্ন ভাবতে পারিনা আমি মানসিকভাবে অনেক বেশি ট্রমাটাইজড হয়ে গেছি। তারপর কিছুদিন পর অবশ্য আমার হাসবেন্ড আমার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছে কিন্তু কেন জানি সে আমার মন থেকে একদমি উঠে গেছে এই ঘটনা পরে। আমার প্রশ্ন হলো আজকে পাঁচটা বছর আমি তার কাছে আছি সে কখনো বলতে পারবে না যে আমি কাউকে কিছু দিয়ে দিয়েছি বা সন্দেহ করা খারাপ কাজে জড়িত ছিলাম এরকম আমাকে মনে হয়নি আমার মাঝে সে কোন খারাপ কিছু দেখেছে বলতে পারবে না তাহলে সে কিভাবে একটা তৃতীয় ব্যক্তির কথা ধরে আমাকে এতটা সার্চ করলো এতটা অবিশ্বাস করলো এতটা অপমানে করল সবার কাছে তাকে জীবনে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসার বিনিময় তার থেকে এসব পাবো ভাবিনি। সে আমার সাথে দুই একবার প্রথমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছিল কিন্তু আমার মন চায়না তার সাথে কথা বলতে বা তার সাথে কোন সম্পর্ক রাখতে। কোনভাবে নিজের মনকে আর বোঝাতে পারি না যে আমি তার সাথে কথা বলবো বা আগের মত স্বাভাবিক হতে পারবো। পারতেছি না কোন ভাবেই আমার মন থেকে একদম চিরতরে উঠে গেছে দু একবার চেষ্টা করার পর আমি কোন রেসপন্স না করাতে সেও করার চেষ্টা করেনি আজকে ৪, ৫ মাসের মতো আমাদের মধ্যে কোন যোগাযোগ নেই। সেও যোগাযোগ আরে না আমিও করি না আমার মন একদমই চায় না তাকে ফোন করি। অথচ এক সময় আমি তার জন্য খুবই পাগল ছিলাম একদিন না ফোন দিলে আমি সারাক্ষণ ফোন দিতাম নিজে ভুল না করেও নিজের উপর স্বীকার করে নিতাম তাকে ফোন দিতাম কথা বলতাম আমি নিজ থেকেই সম্পর্ক ঠিক করে নিতাম কিন্তু আজকে এমন একটা পরিস্থিতি হয়ে দাঁড়াইছে যে আমার মনেও করেনা তাকে আর ফোন দেই। এখন এভাবে কতদিন চলবে তাও জানিনা সবাই বলে সংসার যেহুতু করবো সেহেতু নিজ থেকেই যোগাযোগ করতে। এতোদিন ফেসবুক চালাতাম না এখন ফেসবুক এ ডুকে দেখি সে আমাকে ব্লক করে দিয়েছে। এখন আপনারাই বলেন আমার আসলে কি করা উচিত দয়া করে সবাই সঠিক কথাই বলবেন হয়তো সবটা গুছিয়ে বলতে পারিনি ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন সবাই। দয়া করে কেউ বাজে মন্তব্য না করে সঠিক পরামর্শ দিন আমাকে ।

আপনার মতামত জানান কমেন্টে..
22/08/2026

আপনার মতামত জানান কমেন্টে..

21/08/2026

আমার স্ত্রী আমার সাথে শা-রীরিক সম্পর্ক করতে চায় না। বিয়ে করেছি ৬ মাস হচ্ছে। আমার স্ত্রী দেখতে শুনতে অনেক সুন্দর আর উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়ে। আমার বয়স ২৮ আর আমার স্ত্রীর ২৫। আমি ১৫ গ্রেড এর সরকারি চাকরি করি।বিয়ের সময় আমার বউ বিয়েতে রাজি হচ্ছিলো না কারণ সে চাকরির জন্য পড়াশুনা করতে চাচ্ছিলো। পরিবারের চাপে শেষে রাজি হলেও আমার বউ আমাকে গোপনে ফোন করে বলেছিলো এই বিয়ে ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য। কারণ হিসেবে সে বলছিলো সে বিয়ে করার জন্য এখন প্রস্তুত না। আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম তার কোনো সম্পর্ক আছে কিনা। সে বলেছিল তার কোন সম্পর্ক নেই কিন্তু সে এখন বিয়ে করতে চায় না, চাকরির জন্য পড়াশোনা করতে চায়। আসলে ওই মুহূর্তে বিয়ে ভাঙ্গা সম্ভব ছিল না কারণ সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে গেছিলো। আর যেহেতু সে কোনো সম্পর্কে নাই আমি তাকে বলছিলাম আমি তাকে সব রকমের সাপোর্ট দিব। ভাবছিলাম বিয়ে করলে হয়তো ঠিক হয়ে যাবে।

আমার স্ত্রী এখন আমার বাড়িতেই থাকে। তার বাড়িতে সে যেতে চায় না গেলে মা বাবা তার সাথে খারাপ ব্যবহার করে তাই।
আমার স্ত্রী আমার পরিবাবের সবার সাথে মিলেমিশে থাকে।আমার ও অনেক যত্ন করে সম্মান করে। কিন্তু সমস্যা হলো আমার স্ত্রী এর শারীরিক চা-হিদা নাই বললেই চলে। এমন না যে সে আমার কাছে আসে না বা আমাকে একদম ছুঁতে দেয় না।শারিরীক মে-লামেশায় প্রথমে তার আগ্রহ থাকলেও শেষ পর্যন্ত গিয়ে থাকে না। ফো-রপ্লে করে চরম উ-ত্তেজনা সৃষ্টি করলে শারীরিক মে-লামেশার সময় সে ভয় পায়,কান্না করে। আমি আমার স্ত্রীকে কখনো চাপ বা জোর করতে চাইনি। আমি তাকে যথেষ্ট সময় দিয়েছি, তার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করেছি। সে বলে তার ভয় লাগে। বারবার তার কাছে যাওয়ার পর ব্যর্থ নিরাশ হয়ে আমি ফিরে আসি। কিন্তু কখনো তাকে রাগ দেখাইনি। যত সময় যাচ্ছে ততই আমার স্ত্রীর উপর অনীহা চলে আসতেছে,আর ইচ্ছেই করে না স্ত্রীর কাছে যাওয়ার।

সে সবসময় আমার আগ পিছ ঘুরে। আমার মনোযোগ পাবার চেষ্টা করে। কিন্তু শা-রীরিক মেলামেশায় তার কোনো আগ্রহ আমি দেখি না। আমার পরিবার এখনো কেউ কিছু জানে না। আমার বউকে আমি গাইনী ডাক্তার দেখাইছি। ডাক্তার বলছে তার কোন রোগ নেই, মনের ভয় সাহস আনতে। আমি ভেবেছিলাম হয়তো একদিন ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু কিছুই ঠিক হলো না। আমার শশুর শাশুড়ি অনেক সহজ সরল ভালো মানুষ। তারা আমার সাথে লজ্জায় কথা বলতে পারে না। আমি আমার স্ত্রীকে ডিভোর্স দিলে আমার স্ত্রীর পরিবার তাকে গ্রহণ করবে না। তাকে তার বাড়ি রেখে আসলে ২ দিন পর আবার চলে আসে। এ অবস্থায় আমি কি করতে পারি? এমনও না যে তার কোন অতীত সম্পর্ক ছিল বা এখন ও আছে। দয়া করে আজেবাজে কথা না বলে সঠিক পরামর্শ দিবেন।

পাঠিয়েছেন
~নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক
বাস্তব জীবনের যেকোনো সুখ-দুঃখের ঘটনা শেয়ার করতে যোগাযোগ করুন সরাসরি আমাদের পেজে )

21/08/2026

Engine CC Tax in Bangladesh

If you read nothing else, read this:

In Bangladesh, engine cc tax is mainly the advance income tax / environmental surcharge charged each year based on engine size (cc).

As a simple rule of thumb in 2026:

Up to 1500cc → around Tk 25,000/year

1501–2000cc → around Tk 50,000/year

2001–2500cc → around Tk 75,000/year

On top of that, you pay BRTA registration fees, number plate, smart card, fitness and yearly tax token, which push your first-year government cost for a 1500cc car into roughly Tk 70,000–80,000 more if the car is 2000cc or 2500cc.

A 2000cc car tax in Bangladesh can easily cost Tk 25,000–35,000 more per year in tax than a 1500cc car tax in Bangladesh. A 2500cc car can add Tk 60,000+ per year.
Higher engine cc also means higher import duty, more fuel, and often higher insurance, so the real difference is massive over 5–7 years.
For most middle-class buyers, a 1500cc car tax in Bangladesh or below is the sweet spot.
Always check your exact amount using the BRTA fitness fee calculator before you book or open an LC. Now, let’s go deep and really understand what’s going on.

21/08/2026

একজন বাবা-মা সন্তানের জন্য জীবনের সবচেয়ে কর্মক্ষম সময়টুকু ব্যয় করেন। সন্তানের শিক্ষা, চিকিৎসা, ভবিষ্যৎ- সবকিছুর জন্য নিজের প্রয়োজনকে পিছিয়ে দেন। তাই সন্তান বড় হলে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের পাশে থাকবে- এটা আমাদের সমাজের গভীর নৈতিক প্রত্যাশা। কিন্তু এই প্রত্যাশার আড়ালে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ক্রমেই সামনে আসছে: একজন মানুষের বার্ধক্যের নিরাপত্তা কি শেষ পর্যন্ত শুধু তাঁর সন্তানের সামর্থ্য, সদিচ্ছা ও উপস্থিতির ওপর নির্ভর করবে?

20/08/2026

স্বামী মারা যাওয়ার পর স্ত্রী আবার বিয়ে করলে কি মৃত স্বামীর সম্পত্তির অধিকার হারাবেন?

না। শুধু পুনরায় বিয়ে করার কারণে স্ত্রী মৃত স্বামীর কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পত্তির অধিকার হারান না।

মুসলিম উত্তরাধিকার আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী, কোনো মুসলিম ব্যক্তি মারা গেলে তাঁর মৃত্যুর সময় জীবিত বৈধ উত্তরাধিকারীদের মধ্যে উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পত্তির অধিকার সৃষ্টি হয়। মৃত ব্যক্তির স্ত্রী যদি তাঁর মৃত্যুর সময় জীবিত থাকেন এবং উত্তরাধিকারী হওয়ার যোগ্য হন, তাহলে তিনি আইন অনুযায়ী তাঁর প্রাপ্য অংশের অধিকারী হন।

পরবর্তীতে সেই স্ত্রী অন্যত্র বিয়ে করলেও শুধু পুনর্বিবাহের কারণে প্রথম স্বামীর কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে অর্জিত অংশ বাতিল হয়ে যায় না।

একটি সহজ উদাহরণ
ধরা যাক, একজন মুসলিম ব্যক্তি মারা গেলেন। মৃত্যুর সময় তাঁর স্ত্রী জীবিত ছিলেন। তাঁর অন্যান্য ওয়ারিশও রয়েছেন।

আইন অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টনের সময় স্ত্রী তাঁর প্রাপ্য অংশ পাবেন। এরপর কয়েক বছর পর ওই স্ত্রী অন্য একজনকে বিয়ে করলেন।

➡️ শুধু দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে প্রথম স্বামীর সম্পত্তিতে তাঁর উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া অংশ অন্য ওয়ারিশদের কাছে চলে যাবে না।

অর্থাৎ, পুনর্বিবাহ ≠ পূর্বে অর্জিত উত্তরাধিকার হারানো।

তবে একটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ
স্ত্রীর কত অংশ হবে, সেটা সব ক্ষেত্রে একই নয়।

যেমন, মৃত স্বামী—

সন্তান রেখে গেলে,

সন্তান না রেখে গেলে,

বাবা-মা জীবিত থাকলে,

একাধিক স্ত্রী থাকলে,

অন্য কোনো বৈধ ওয়ারিশ থাকলে

স্ত্রীর প্রাপ্য অংশের হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।

তাই শুধু “স্ত্রী কত শতাংশ পাবেন” বলার আগে মৃত ব্যক্তির সব জীবিত ওয়ারিশের তথ্য জানা প্রয়োজন।

উত্তরাধিকার কখন সৃষ্টি হয়?
এখানে মূল বিষয় হলো মৃত্যুর সময়।

স্বামী মারা যাওয়ার সময় স্ত্রী জীবিত থাকলে এবং উত্তরাধিকারী হওয়ার আইনগত যোগ্যতা থাকলে, সেই মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর উত্তরাধিকারী অধিকার সৃষ্টি হয়। পরে তিনি পুনরায় বিয়ে করলেন কি না—সেটি সাধারণত সেই ইতোমধ্যে সৃষ্ট উত্তরাধিকারী অধিকারকে বাতিল করে না।

বাংলাদেশের মুসলিম উত্তরাধিকার কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ আইনগুলোর মধ্যে Muslim Family Laws Ordinance, 1961 রয়েছে; এর ধারা ৪ বিশেষ পরিস্থিতিতে predeceased son/daughter-এর সন্তানদের উত্তরাধিকার নিয়ে বিধান দেয়।

“পুনরায় বিয়ে করলে সম্পত্তি চলে যাবে”—এ ধারণা কি সঠিক?
না, মুসলিম উত্তরাধিকার আইনের ক্ষেত্রে এমন সাধারণ নিয়ম নেই।

অনেক সময় সামাজিকভাবে ধারণা করা হয় যে বিধবা নারী দ্বিতীয়বার বিয়ে করলে প্রথম স্বামীর সম্পত্তির অধিকার হারাবেন। কিন্তু শুধু পুনর্বিবাহকে কেন্দ্র করে মৃত স্বামীর কাছ থেকে ইতোমধ্যে উত্তরাধিকারসূত্রে অর্জিত সম্পত্তির অধিকার বাতিল হয়ে যায়—এমন সাধারণ নিয়ম মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে নেই।

তবে সম্পত্তিটি কীভাবে তাঁর কাছে এসেছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। সেটি যদি উত্তরাধিকার না হয়ে হেবা, দান, ওয়াসিয়ত, যৌথ মালিকানা বা অন্য কোনো দলিলের মাধ্যমে অর্জিত হয়ে থাকে, তাহলে সেই দলিলের শর্ত ও প্রযোজ্য আইন আলাদাভাবে দেখতে হবে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য
উত্তরাধিকারী হওয়া এবং সম্পত্তির দখল/রেকর্ড/নামজারি থাকা এক বিষয় নয়।

কোনো স্ত্রী উত্তরাধিকারী হওয়া সত্ত্বেও তাঁর নামে নামজারি না থাকতে পারে। আবার খতিয়ানে নাম থাকলেই সবসময় চূড়ান্ত মালিকানা প্রমাণ হয় না। বিরোধ থাকলে দলিল, খতিয়ান, উত্তরাধিকারীদের তালিকা এবং সম্পত্তির প্রকৃতি পরীক্ষা করতে হতে পারে।

সারকথা
স্বামী মারা যাওয়ার সময় স্ত্রী জীবিত থাকলে এবং তিনি আইন অনুযায়ী উত্তরাধিকারী হলে, স্বামীর মৃত্যুর কারণে তাঁর যে উত্তরাধিকারী অধিকার সৃষ্টি হয়েছে, পরবর্তীতে অন্যত্র বিয়ে করার কারণে শুধু সেই অধিকার হারাবেন না।

অর্থাৎ—

স্বামীর মৃত্যুর পর পুনর্বিবাহ করলে প্রথম স্বামীর সম্পত্তিতে অর্জিত উত্তরাধিকারী অংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয় না।

তবে স্ত্রীর সঠিক অংশ কত হবে, সেটি নির্ধারণ করতে মৃত স্বামীর মৃত্যুর সময় কোন কোন ওয়ারিশ জীবিত ছিলেন—এ তথ্য অবশ্যই প্রয়োজন।

#উত্তরাধিকারআইন #মুসলিমউত্তরাধিকার #নারীরঅধিকার

Address

40, Court House Street, Khaza Monzil (Agorbati Goli), Room No. 603 (6th Floor), Beside Chief Metropolitan Magistrate, Kotwali, Dhaka Judge Court
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Find My Advocate posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Find My Advocate:

Shortcuts

Share

Category