Khadem Bhai

Khadem Bhai অন্যায় করে লজ্জিত না হওয়াটা আরেক অন্যায়।

জমির নামজারি করতে ১১৭০ টাকা লাগে এর বেশি চাইলে (১০৬) এ দুদকে কল দিতে বলেছেন ভূমি সচিব। এইবার যদি ডাকাতের দল গুলার একটু স...
05/01/2026

জমির নামজারি করতে ১১৭০ টাকা লাগে এর বেশি চাইলে (১০৬) এ দুদকে কল দিতে বলেছেন ভূমি সচিব। এইবার যদি ডাকাতের দল গুলার একটু সায়েস্তা করা যায়

এক নজরে বর্তমান সব খবরএনসিপি থেকে তাসনিম জারা পদত্যাগ করেছে। আবার এনসিপি জামাতের সাথে জোট করেছে। মাঝখান দিয়ে আবার তাসনিম...
29/12/2025

এক নজরে বর্তমান সব খবর

এনসিপি থেকে তাসনিম জারা পদত্যাগ করেছে। আবার এনসিপি জামাতের সাথে জোট করেছে। মাঝখান দিয়ে আবার তাসনিম জারা ৪৮ লাখ টাকা তুলে বিপদে পড়ছে এগুলা ফিরত দিবে কেমনে। চরমোনাই আবার জামাতের সাথে থাকতে রাজী না।

তারেক রহমান এনআইডির ফটো তুলে চব্বিশ ঘন্টায় কার্ড পেয়ে যাবেন। উত্তেজিত জনতা সেই ফটো নিয়ে আন্দোলন করছে? বিলাই জেবু আবার ফেইসবুকে অফিসিয়াল পেইজ খুলে সেখান থেকে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। হাসনাত আব্দুল্লাহ সেভেন সিস্টার্স নিয়ে কথা বলতেই দলের সব সিস্টার্স ভাগ হয়ে গেছে।

গতকাল এত টুইস্ট হইছে বিপিএলের ফাইনাল অভারেও এমন টুইস্ট হচ্ছে না। আবার বিপিএল যে চলতেছে দেশের কোন মানুষই জানে না।🙂

একজন সাধারণ মানুষ হয়ে, প্রবাসীর সাথে এমন টা আমি একদম মেনে নিতে পারলাম না, প্রবাসীদের মোবাইল রেখে দেওয়া হবে ৫৯% tax না দি...
05/12/2025

একজন সাধারণ মানুষ হয়ে, প্রবাসীর সাথে এমন টা আমি একদম মেনে নিতে পারলাম না, প্রবাসীদের মোবাইল রেখে দেওয়া হবে ৫৯% tax না দিলে, প্রবাসীদের টাকাই দেশ চলবে আবার প্রবাসীরা একটা মোবাইল বেশি আনতে পারবে না, একজন প্রবাসী ২ থেকে ৫ মোবাইল শুধু নিজেই ব্যবহার করে, পরিবারের জন্য তো মোবাইল আনতে হয়, এটা একদম ঠিক হয়নি প্রবাসীদের সাথে এমন করার।🥲

03/12/2025

কমফিট কম্পোজিট নীট লিমিটেড, আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫। আজ তার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ফাইনাল খেলায় যে দুটি দল অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে তা হলো -গ্রীন সুপার 7 Vs রেস্টলেস নিটিং।
তারি ধারাবাহিকতায় আজকের এই ভিডিও।
ভিডিওটি লাইক কমেন্ট শেয়ার করে দিবেন।।
Araf Hossain


゚viralシfypシ゚viralシalシ

20/11/2025

Comfit Power Vs Gold Stickers
জমজমাট একটা খেলা উপহার দিলো দল দুটি।
ট্রাইবেকারে বিজয়ী হয়েছে Gold Stickers. Part 9

20/11/2025

Comfit Power Vs Gold Topers
জমজমাট একটা খেলা উপহার দিলো দল দুটি।
ট্রাইবেকারে বিজয়ী হয়েছে Gold Toper.

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট।★. পর্চা বা খতিয়ান। ★. দলিল। ★. ম্যাপ বা নকশা।...
20/11/2025

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট।
★. পর্চা বা খতিয়ান।
★. দলিল।
★. ম্যাপ বা নকশা।

★★.এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি ক্রায়-বিক্রয় ও হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন নিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজ পত্র সরকারি বিভিন্ন দপ্তর রয়েছে।
★★.আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন।
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত তিন/ চারটি অফিসে পাবেন।
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

★★.ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

★★.উপজেলা ভূমি অফিস।
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতে খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

★★.জেলা ডিসি অফিস।
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

★★.সেটেলমেন্ট অফিস।
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
★★. খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।

★★. আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন।
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।

**/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
**/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

★★.উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

★★.জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
★★.মূল অথবা সার্টিফাইড দলিল তুলতে কত টাকা লাগতে পারে।
মূলতঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
★★ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা যেখানে পাওয়া যাবে।
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

★★.জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।

★★.ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়।
শেয়ার করে দিন
#জমি #বিডিএজরিপ #সম্পত্তি

জমির দলিল আছে দখল নাই। তাহলে করণীয় কী?আপনার কাছে জমির দলিল আছে, খতিয়ান আছে কিন্তু জমিটি ভোগ করতেছে অন্য কেউ। এ ক্ষেত্রে ...
15/11/2025

জমির দলিল আছে দখল নাই। তাহলে করণীয় কী?
আপনার কাছে জমির দলিল আছে, খতিয়ান আছে কিন্তু জমিটি ভোগ করতেছে অন্য কেউ। এ ক্ষেত্রে আপনি কী করবেন? এক্ষেত্রে আপনি কি জোর খাটিয়ে থানা পুলিশের মাধ্যমে জমির দখলে যাবেন নাকি আদালতে যাবেন; বুঝতে পারেন না। কোনটি করলে আপনি আপনার জমি ফেরত পাবেন?

👉প্রথমে দেখি আপনি আপনার জমি থেকে কী কী কারণে বেদখল হতে পারেন?

✏️প্রভাবশালী মহল কতৃক জোরপূর্বক বেদখল,

🖍️বেদখল হওয়ার সময় নাবালক ছিলেন,

🖍️অন্যান্ন মালিকেরা আপনার অংশ সহ বিক্রি করে দিয়েছে,

🖍️ওয়ারিশ হিসেবে আপনার ভাগ আপনি পাননি,

🖍️জমির মালিক জমি বিক্রি করার পর পুনরায় অন্য কাউকে বিক্রি করেছেন এবং সে ব্যক্তিই এখন দখলে আছেন

👉👉দখল উদ্ধারে যে আইনগুলি সম্পর্কিত:👈👈

ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮; ধারাসমূহ: ১৪৪, ১৪৫
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭; ধারাসমূহ: ৮, ৯, ৪২
তামাদি আইন, ১৯০৮; ধারাসমূহ: ৫, ৮, ২৮

সাধারণত ভুক্তভোগী যেখানে প্রতিকার চাইতে পারে

১. এলাকার বা মহল্লার মাতব্বর বা সভাপতি, মেম্বার-চেয়ারম্যান বা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি:
এভাবে সালিশ বসিয়ে বিরোধের সমাধান করতে পারলে ভালো, তবে ঘুষের লেনদেন না করা উচিত। কারণ সালিশের সিদ্ধান্ত আদালতের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় শুধু দু পক্ষ মেনে নিলেই এর গ্রহণযোগ্যতা থাকে। আর সালিশের মাধ্যমে সমাধান করতে গিয়ে যেন কোনভাবেই কাল ক্ষেপন না করেন। বিশেষ করে সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে সমাধান করা ভালো।কারণ কালক্ষেপন করার ফলে আপনি অনেক আইনি প্রতিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
দুষ্ট পক্ষের সালিশের নামে ষড়যন্ত্র ও করতে পারে যাতে করে কালক্ষেপন করে আপনার আইনি প্রতিকার পাওয়া থেকে বঞ্চিত করতে পারে।

২. থানা:
জমিজমার মালিকানা বা বিরোধ বিষয়ে থানা পুলিশের কোন ভূমিকা বা সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা নেই। যদিও থানায় বসে কেউ কেউ জমি বিরোধের নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। অবশ্য এ ক্ষেত্রে ঘুষের লেনদেন থেকে বিরত থাকা উচিত কেননা থানার সিদ্ধান্ত দেয়ার কোন ক্ষমতা নেই যে কারণে এটি অমান্য করলে থানার কিছু করার থাকেনা। জমি বিরোধের ক্ষেত্রে পুলিশ আনুষঙ্গিক ভূমিকা পালন করে, আইন অনুযায়ী আদালতের নির্দেশ পালনে কাজ করে কিন্তু প্রত্যক্ষ ভাবে পুলিশের কোন ভূমিকা নেই। জমির মালিকানা ইস্যুতে একমাত্র দেওয়ানি আদালতকে একচ্ছত্র সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। কিন্তু জমি নিয়ে বিরোধের ফলে দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি হলে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে পুলিশ দায়িত্ব পালন করে।

৩. ফৌজদারি আদালত:
বেদখল হওয়ার প্রথম শ্রেণীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ও ১৪৫ ধারায় মামলা করা। আইনি প্রতিকার পার্টটি দেখুন।

৪. দেওয়ানি আদালত:
এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে মামলা করা। আইনি প্রতিকার পার্টটি দেখুন।

👉👉👉এবার দেখি জমি থেকে বেদখল হলে আইন কী কী সুরক্ষা দেয়? তামাদি মেয়াদ অনুসারে আলোচনা।

১. বেদখল হওয়ার ২ মাসের মধ্যে প্রতিকার: এটি একমাত্র ফৌজদারি প্রতিকার। এটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর, তৎক্ষণাৎ প্রতিকার। মামলার সিদ্ধান্ত দ্রুততার সাথে নেয়া হয়। দেওয়ানি মামলার মতো দীর্ঘসূত্রিতা নাই। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৪৫ ধারা বলে জমি থেকে বেদখল হওয়ার ২ মাসের মধ্যে প্রথম শ্রেণীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এ মামলা করা হয়। এক্ষেত্রে একই আইনের ১৪৪ ধারা ও সংযুক্ত করা যায়। উক্ত আদালতে ১৪৫ ধারায় অভিযোগ দায়ের করার পর তিনি অভিযোগ টি আমলে নিলে অভিযুক্ত পক্ষকে একটি নোটিশ দিবেন। নোটিশে স্থান ও তারিখ উল্লেখ করে হাজির হয়ে বক্তব্য পেশ করার জন্য বলবেন। এছাড়া তিনি পুলিশকে দখল বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন। এটি একটি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কতৃক ফৌজদারি প্রতিকার। "যিনি দখলে আছেন তিনিই দখলে থাকবেন" এই নীতি অনুসরণ করা হয়। অর্থাৎ এ আদালতে জমির প্রকৃত মালিকানা কার যাচাই করা হয় না। শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ দখলে কে ছিল তা তদন্ত করে দেখা হয়। তাই শান্তিপূর্ণ দখলদার ব্যক্তি জমির প্রকৃত মালিকানা না হলেও তিনি এই প্রতিকার পাবেন অর্থাৎ তিনি দখল ফেরত পাবেন। এসময় প্রকৃত মালিকের প্রতিকার হলো দেওয়ানি আদালতে মামলা করা। আর প্রকৃত মালিক ও যদি অন্য কারো দ্বারা বেদখল হন তিনিও এই প্রতিকার পাবেন। এটিতে মামলার খরচাপাতি দেওয়ানি মামলা থেকে অনেক কম এবং সময় সাশ্রয়ী। তাই বেদখল হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব এই ব্যবস্থা নিলে মামলার খরচ থেকে বেঁচে যায়।

২. বেদখল হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে প্রতিকার: বেদখল হওয়ার ২ মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলে এ পদক্ষেপ নেয়া যায়। অবশ্য ৬ মাসের মধ্যে এ পদক্ষেপ নিতে হবে। এটি একটি দেওয়ানি প্রতিকার। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মোতাবেক এই প্রতিকার প্রদান করা হয়। এজন্য দেওয়ানি আদালতে দখল উচ্ছেদের মামলা করতে হবে। এ মামলায় ১৪৫ ধারার মতো মালিকানা কার যাচাই করা হয় না। শুধু প্রকৃত দখল কার ছিল সেটিই প্রমাণ করা হয়। তাই মালিকানা বিষয়ক প্রমাণাদি এ মামলায় তেমন গুরুত্ব বহন করেনা।

যিনি প্রমান করতে পারবেন, তিনি শান্তিপূর্ণ দখলে ছিলেন, অপরপক্ষ বেআইনি ভাবে অনুপ্রবেশ করে তাকে বেদখল করেছেন। তাকেই আদালত দখল ফেরত পেতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন। এই মামলার খরচ দেওয়ানি আদালতের চেয়ে কম অর্থাৎ মামলার মূল্যমানের উপর এডভোলারাম কোর্ট ফি এর অর্ধেক। এ মামলায় প্রকৃত মালিক যদি তার জমির অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় তার করণীয় হলো সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা ও ৪২ ধারায় মামলা করা হবে।।

৪. বেদখল হওয়ার ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলে প্রতিকার: বেদখল হওয়ার ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে আইনি প্রতিকার পাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে। যদি ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে যায় তামাদি আইনের ৫ ধারায় তামাদি মার্জনার দরখাস্ত দাখিল করে আদালত উক্তরূপ মামলা করা যায়। এক্ষেত্রে ১২ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার কারণ সমূহ আদালতের কাছে ব্যাখ্যা করতে হয়।

উপরিউক্ত তামাদি সময়সীমা নাবালক ও ওয়ারিশের ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম আছে।

৪. বেদখল হওয়ার ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলে প্রতিকার: বেদখল হওয়ার ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে আইনি প্রতিকার পাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে। যদি ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে যায় তামাদি আইনের ৫ ধারায় তামাদি মার্জনার দরখাস্ত দাখিল করে আদালত উক্তরূপ মামলা করা যায়।

♦ভূমিসংক্রান্ত জালিয়াতি ও দুর্নীতি রোধ করাই এই ডিজিটাল প্রকল্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। অনুপস্থিত মালিকদের জমি জাল দলিলের...
14/11/2025

♦ভূমিসংক্রান্ত জালিয়াতি ও দুর্নীতি রোধ করাই এই ডিজিটাল প্রকল্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। অনুপস্থিত মালিকদের জমি জাল দলিলের মাধ্যমে বিক্রি হওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে অনলাইন দলিল সিস্টেম সহায়ক হবে।

♦আইনজীবী জাহাঙ্গীর জানান, আগে রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল খোঁজার জন্য ঘুষ দিতে হতো ১০০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত। অথচ সরকারি নির্ধারিত ফি মাত্র ২০ টাকা। এখন এই হয়রানি আর থাকবে না।

♦ভূমি মালিকদের করণীয়

প্রকল্প বাস্তবায়নের পর সরকার একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট চালু করবে, যেখানে দলিল খোঁজা, যাচাই এবং নির্ধারিত ফি প্রদান করে কপি ডাউনলোড করা যাবে। এমনকি মূল দলিল হারিয়ে গেলেও অনলাইন কপি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

♦ভূমি মালিকদের কিছু বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন—

সিস্টেম চালু না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
যেসব দলিল অনলাইনে পাওয়া যাবে না, সেগুলোর কপি নিজে থেকে জমা দিন।
জাল দলিল অনলাইনে গ্রহণযোগ্য নয়।
সরকার চায়, নাগরিকরা দলিল হারানো বা প্রতারণার শিকার হয়ে নিজের সম্পত্তি হারাবেন না। তাই ১১৭ বছরের দলিল ডিজিটালভাবে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

©দীর্ঘমেয়াদি সুফল

♦দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা জমি সংক্রান্ত বিরোধ কমবে।
♦প্রতারণা ও হয়রানি বন্ধ হবে।
♦প্রবাসীদের জন্য দলিল সংগ্রহ সহজ হবে।
♦নাগরিকদের সেবা প্রাপ্তি দ্রুত ও সহজ হবে।

মুগ্ধ যদি বেঁচে থাকতেন, এভাবে তেলের বোতল উপুড় করে ঢেলে দেয়া দেখে তিনিও লজ্জা পেতেন... 🙂আপোষহীন দেশনেত্রী........ 😜😜😜
12/11/2025

মুগ্ধ যদি বেঁচে থাকতেন, এভাবে তেলের বোতল উপুড় করে ঢেলে দেয়া দেখে তিনিও লজ্জা পেতেন... 🙂

আপোষহীন দেশনেত্রী........ 😜😜😜

 #বাংলাদেশের অন্যতম একজন মোটিভেশনাল স্পিকার ও আরজে হচ্ছে নিরব ভাই। সারাক্ষণ তার ভিডিও তে পুরষ তুমি এটা করো না ওটা করো না...
10/11/2025

#বাংলাদেশের অন্যতম একজন মোটিভেশনাল স্পিকার ও আরজে হচ্ছে নিরব ভাই। সারাক্ষণ তার ভিডিও তে পুরষ তুমি এটা করো না ওটা করো না নানান তালে মোটিভেশান শুনতাম।

তার স্পিচ শুনে নিজের জিএফ কে ছে/ড়ে কর্মক্ষেত্রে মনোনিবেশ করেছি। আর দিন শে/ষে কি হ/লো?........

তার নিজের বউকে কোনোদিন জ/রি/য়ে ধরতে দেখলাম না অথচ পরীমনিকে জরিয়ে ধরে কি/স দেয়া শুরু করলো। কি আজব দু/নি/য়া আর মানুষের র/ঙ্গ/লি/লা।🙂💔

টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, যখন আপনার আদরের সন্তান দোকানে দাঁড়িয়ে একটা খেলনা পছন্দ করে, কিন্তু আপনি সেটা কিনে দিতে ব্যর...
08/11/2025

টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, যখন আপনার আদরের সন্তান দোকানে দাঁড়িয়ে একটা খেলনা পছন্দ করে, কিন্তু আপনি সেটা কিনে দিতে ব্যর্থ হন!

টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, যখন কোনো অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখেন শুধুমাত্র অর্থনৈতিক দৈন্যতার কারণে আপনাকে কম গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, যখন শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে বুঝতে পারেন, আপনার তুলনায় অন্য জামাইকে বেশি আদর আপ্যায়ন করা হচ্ছে, কারণ সে ধনী।

টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, আপনার স্ত্রীর ছোট ছোট ইচ্ছেগুলো আপনি পূরণ করতে পারেন না, আর এজন্য সে আপনাকে উঠতে বসতে খোঁটা দেয়।

পরিবার নিয়ে রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে, বিল দেওয়ার সময় বুঝবেন টাকা কতটা জরুরি।

যখন আপনার কাছে টাকা নেই বলে বন্ধুরাও আপনাকে মূল্যায়ন করে না, তখন উপলব্ধি করবেন কেন টাকা দরকার।

যখন দেখবেন, আপনার টাকা নেই বিধায় আত্মীয়স্বজন আপনার সাথে দূরত্ব বজায় রেখে চলে, তখন স্পষ্ট হবে টাকার মূল্য।

বিপদের সময় দেখবেন, আপনার টাকা কম বলে কেউ আপনার পাশে থাকে না, আপনার প্রতি সহানুভূতি দেখায় না! তখন সত্যিকার অর্থে বুঝবেন টাকার প্রয়োজনীয়তা।

টাকার অভাবই মানুষকে শেখায় এর গুরুত্ব। তাই নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে হলে, টাকা কামাই করতে শিখুন। কারণ, জীবনের ৮০% সমস্যার সমাধান টাকা দিয়েই সম্ভব!
কপি পোস্ট

Address

Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khadem Bhai posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Khadem Bhai:

Share