24/05/2026
তরুণ-যুবক ভাইদের উদ্দেশ্যেঃ
মর্ডাণ সোসাইটিতে অনেক ছেলে-মেয়েরা বিয়ে ব্যতীতই শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে। মেয়ে যদি ছেলেকে ছেড়ে দেয়, তবে কোন অপরাধ নয় বা শাস্তি নেই। ছেলে কষ্টে- দুঃখে বারে যেয়ে পড়ে থাকে বা হতাশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। কিন্তু ছেলে যদি মেয়েকে ছেড়ে দেয় এবং ছেলের বাবা বিত্তবান বা ছেলে প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলেই ঝামেলা বাঁধে। মেয়ে ঠুঁকে দেয় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষনের মামলা। নিম্ন আদালতের যুক্তি একটাই বিয়ে করো নয়তো জামিন নাই। আর আপোষ মানেই বিয়ে বা মোটা অংকের টাকায় রফাদফা। অনৈতিক সম্পর্কে ভালো মুহূর্ত কাটালো দু’জন কিন্তু ভুক্তভোগী ছেলে।
এমনকি কর্পোরেট জগতে ও সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সমস্যা আরো ভয়াবহ। কলিগ বা বন্ধুদের মধ্যে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে, ছেলে প্রতিষ্ঠিত বা অর্থবিত্ত থাকলেই, মেয়ে বিয়ে করতে চায়। বিয়ে না করলে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষনের মামলার থ্রেট বা মামলা দায়ের।
বড় ব্যবসায়ী, সেলেব্রেটিরা এই ঝুঁকি থেকে রেহাই নেই। তাদের মূল ভয় হানি ট্রাপ। স্বেচ্ছায় বা লোভে শারীরিক সম্পর্ক, পরে যদি বিয়ে বা কন্ডিশন পূর্ণ না করে বউ/ গার্লফ্রেন্ডকে বলে দেয়ার হুমকি বা মামলার হুমকি দিয়ে অনৈতিক সুবিধা নেয়ার পায়তারা করে।
কিছু অসাধু নারীর জন্য প্রকৃত ভুক্তভোগী নারীরা আবার অনেকক্ষেত্রে বিচার পায় না কারণ এই আইনের অপব্যবহার করে আইনটিকে পঁচিয়ে ফেলেছে। আমাদের দেশে অধিকাংশ বংশীয় নারীরা লাজুক ও মার্জিত, তাই লজ্জায় অনেকেই নায্য মামলা করতে চায় না বা অস্বস্তি বোধ করে।
এই আইনের অপব্যবহারের মূল সমস্যা লোভ, প্রতিশোধ বা জিততে চাওয়ার মানসিকতা। সমস্যা তখনই বাঁধে যখন ছেলের অবস্থা ভালো হয়। আমি কমপক্ষে শ’খানেক ধর্ষণ মামলা করেছি, কখনও দেখিনি কোন গরীব বা অপ্রতিষ্ঠিত ছেলেকে বিয়ের জন্য ধর্ষণের মামলা করেছে। সুতরাং নারী দেখলেই দৌড়-ঝাঁপ দিও না বা সুযোগ নিও মা। একটা হানি ট্রাপ বা মামলা শুধু নিজের জীবন নয় বরং পরিবারকে ধ্বংস করে দেয়। সুতরাং সকলকে সংযত ও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। শেষ কথা, হারাম সম্পর্কে রহমত নাই, তাই বিপদে কোন না কোন ভাবে চলে আসে। তাই হারাম এড়িয়ে হালালের পথে থাকুন।