Lawyer Tuhin Mashiur

Lawyer Tuhin Mashiur Justice delayed is justice denied.

13/07/2025

::::চুক্তিভিত্তিক(Contractual) কর্মী নিয়োগ:::

দেশের Corporate Office গুলোতে খুব বেশি জন প্রিয় শব্দ হল Contractual Employee.

সবাই প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ প্রদানে বেশ আগ্রহী থাকে কিন্তু শ্রম আইন কি বলে।

বাংলাদেশ শ্রম আইনের ধারা-২৮ অনুযায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ দানের বিধান আছে।

তবে ২৮ ধারাতে সুকৌশলে একটা শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে।২৮ ধারা অনুযায়ী কোন কর্মীকে চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসাবে নিয়োগ প্রদান করতে পারবেন তবে সেটা উক্ত কর্মীর অবসর গ্রহন করার পরে যদি তিনি উক্ত কাজের জন্য উপযুক্ত হন।

অথাৎ ৬০ বছরের পরে কোন কর্মীকে চুক্তিভিত্তিক হিসাবে নিয়োগ প্রদান করতে পারবেন।

আমি শ্রম আইনের ২৮ ধারা মানবো না,চুক্তি করে কর্মী নিয়োগ দিলে তা বৈধ হবে কি না?

বাংলাদেশের চুক্তি আইনটি ১৮৭২ সালের আইন।

উক্ত আইনের ২৩ ধারাতে বলা আছে:

The consideration or object of agreement is lawful; unless it is forbidden by law.

মূল বক্তব্য হল:-

আপনি কোন চুক্তি করেন তা আইনত বৈধ হতে হবে অন্যথায় উক্ত চুক্তি আইনে নিষিদ্ধ।

শ্রম আইনের ধারা-৫ অনুযায়ী একজন কর্মীকে নিয়োগ দিতে হলে নিয়োগপত্র এবং পরিচয়পত্র দেয়ার কথা বলা আছে।

কিন্তু আপনি নিয়োগপত্র প্রদান না করে দিলেন চুক্তিপত্র,

কিন্তু সেই চুক্তিপত্র বৈধ, না অবৈধ।

এটা বুঝতে আপনাকে আইনবিদ হতে হবে না নিশ্চয়ই।

"Contractual Employment" শব্দটা ভুলে যেতে পারেন কারন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ অবৈধ ৬০ বছরের পূর্বে।

18/06/2025
 #জাতির সামনে তুলে ধরুন। চিনে রাখুক এদের।  বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র পারভেজ হত্যার মাস্টারমাইন্ড ওরফে উস্কানিদাতা। চেহারা কুকু...
21/04/2025

#জাতির সামনে তুলে ধরুন। চিনে রাখুক এদের। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র পারভেজ হত্যার মাস্টারমাইন্ড ওরফে উস্কানিদাতা।
চেহারা কুকুরের পিছোয়ারার মত হলেও এদেরও বফ আছে!? এবং এরা কনফার্ম জান্নাতি! বলদা মাথা মোটা বফ এদের জন্য একটা নিরীহ ছেলের প্রাণ নিয়ে নিলেও এরা তো খুন করে নি?! এরা শুধু উস্কে দিয়েছিল!

আসুন, যুগ যুগ ধরে কিভাবে কুটিল নারীরা সমাজ, পরিবার, রাস্ট্রে ধ্বংস টেনে এনেছে তার কিছু উদাহরণ দেখি আজ....

ইতিহাসে মহিলাদের সরাসরি ভায়োলেন্সে জড়িত হবার ঘটনা খুব বেশি পাওয়া যায় না। কিন্তু আড়ালে থেকে ষড়যন্ত্র উস্কে দিয়েছে এমন evidence প্রায় প্রত্যেক ইতিহাসে পাবেন। বাংলার ইতিহাসে ঘষেটি বেগম, মুঘল সাম্রাজ্য কিংবা অটোম্যান আমল হোক- প্রাসাদ যড়যন্ত্রে শাহজাদী-সম্ভ্রান্ত মহিলাদের involvement পাবেনই পাবেন।

প্রত্যেক প্রজাতিকে একটা শক্তি দেয়া হয়েছে আবার দূর্বলতাও দেয়া হয়েছে। যেসব প্রাণি দূর্বল তারা অন্য প্রাণির উপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। কিছু প্রাণি আছে, অন্য প্রাণীর উপর ডিম পেড়ে চলে যায়। কিছু পরজীবি আছে অন্য প্রাণীর পুষ্টির উপর বেঁচে থাকে।
একই ভাবে যে জিঘাংসা পুরণ বা ফাইট লড়ার ক্ষমতা নারীর নাই, সেই লড়াই সে কোন না কোনভাবে পুরুষকে দিয়ে করায়।

#পুরুষের শক্তি পেশি আর নারীর শক্তি হলো তার চোখের পানি! অল্পতেই যেসব নারী ভ্যাভ্যা করে কাদে বুঝবেন সে নারী তত ভয়ংকর।

একটা ঘটনা বলি- জেনিফার ফেইথ নামের এক নারী তার এক্স-বয়ফ্রেন্ড ড্যারিন লোপেজকে manipulate করিয়ে বিশ্বাস করায় যে তার স্বামী জেমি তার উপর শারীরিক এবং যৌন নির্যাতন করেছে এবং তাকে খুন করা দরকার। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি এরা ১০০,০০০ এর বেশি সংখ্যক মেসেজ আদান-প্রদান করেছিল! ফলস্বরূপ, লোপেজ জেমিকে খুন করে এবং তাকে আজীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জেনিফার কিভাবে লোপেজকে ম্যানিপুলেট করেছিল শুনবেন?

লোপেজ মিলিটারিতে ছিল। জেনিফার একজন অসহায় নারী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরে আর লোপেজের পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে। লাইক “কেমন পুরুষ হইলি যে আমার মত অবলা নারীরে বাঁচাইতে পারোস না? তুই কি আসলেই পুরুষ?”

অনেক পুরুষই ইগোর চোটে এই ফাঁদে পা দিয়ে দেয়, তারপর ফলাফল ভোগ করে। এরপর দেখা যায় মেয়েটা নতুন কোন পুরুষের জন্য চ্যাপা শুটকীর ভর্তা বানাচ্ছে। আর ছেলেটা রিয়েল ম্যান মেডেলটা গলায় পরে জেলের ভেতরে কারো পা টিপে দিচ্ছে!

কোনো মেয়ে দ্বারা ছেলেদের উপর abuse এর ঘটনা ঘাটলে এই তিন চারটা উপাদানের একটা না একটা পাওয়া যাবেই-

১। ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল
২। মিথ্যা অপবাদ (অমুক তমুক না করলে মামলা কইরা দিমু)
৩। পুরুষত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করা
৪। রোল সুইচিং

এই false accusing এর কারণে যে কত ছেলের জীবন নষ্ট হয়ে গেছে হিসাব নাই। মেয়েরা এর সুযোগ নিতে পারে কারণ তাদের মুখের কথা শুনলেই বিশ্বাস করে ফেলে সিম্পানন্দরা। “উঁহু না না, আমার বাবুটা মিথ্যা বলতে পারে না”!

আপনি হয়তো খুব ভাব নিয়ে নারীর জন্য কিছু একটা করে জেলে পচে মরবেন। আর ওই নারী সুখে শান্তিতে সংসার করবে আর বলে বেড়াবে- জানিস, আমার জন্য ২ টা ছেলে মোষের মত মারামারি করেছে”!😆
“জানিস আমার জন্য এক ছাওয়াল আরেকটার মাথা ফাটায় দিসে”!

এক ব্যক্তি দিনের আলোতেও প্রদীপ জ্বালিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। লোকেরা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “এই প্রখর রোদে প্রদী...
16/04/2025

এক ব্যক্তি দিনের আলোতেও প্রদীপ জ্বালিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। লোকেরা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “এই প্রখর রোদে প্রদীপ জ্বালিয়ে কী করছেন?”
সাধক উত্তর দিলেন—‘আমি মানুষ খুঁজছি।
লোকেরা বললো, ‘সবাইই তো মানুষ!’
সাধক বললেন, ‘না, তারা হাঁটে, কথা বলে, কিন্তু তাদের হৃদয় ঘুমিয়ে আছে।’
(রুমির ছোট গল্প)

a complete gambler!
26/03/2025

a complete gambler!

In fact!
26/10/2024

In fact!

20/09/2024

কারো হাতে লাঠি বাঁশ পেলে সেনাবাহিনীকে জানাবেন,আন্দোলন শেষ, দেশ গড়তে সহযোগিতা করুন - বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগেকার কথা—গ্রিস দেশে এথেন্স নগরের একটি গরিব ঘরে এক কুশ্রী ছেলের জন্ম হয়। গরীবের ছেলে, পরনে ত...
10/09/2024

সে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগেকার কথা—গ্রিস দেশে এথেন্স নগরের একটি গরিব ঘরে এক কুশ্রী ছেলের জন্ম হয়। গরীবের ছেলে, পরনে তার ছেঁড়া কাপড়, দুই বেলা পেট ভরে খেতে পায় কি না সন্দেহ—সে আবার লেখাপড়া শিখবে কিভাবে? সে পাথরের মূর্তি গড়তে পারত—তাই বেচে এবং অবসরমত লোকের কাছ থেকে দুকথা শিখে মানুষ হতে লাগল। এমন সময় ক্রাইটো নামে একটি ধনী লোক এই ছেলেটির সঙ্গে আলাপ করে, তাহার মিষ্ট ব্যবহারে এত খুশি হলেন যে, তিনি তখনই নিজের খরচে তার পড়াশুনার ভাল ব্যবস্থা করে দিলেন। সকলেই ভাবল গরীবের ছেলে ভাল লেখাপড়া শিখে, এইবার একটা ভাল চাকরি বা ব্যবসা করবে।

এথেন্স নগরে তখন একদল লোক থাকত, তাদের ব্যবসা ছিল পণ্ডিতি করা। তারা লোকের কাছে টাকা-পয়সা নিয়া আড্ডা খুলত এবং সেখানে বড় বড় কথা আওড়িয়ে চুলচেরা তর্ক করে, নানারকম বিদ্যার ভড়ং দেখাত। তাদের বোলচালে ভুলে লোকে মনে করত, না জানি তারা কত বড় পণ্ডিত! একটু বয়স হলেই সেই গরীবের ছেলে এই পণ্ডিত মহলের পরিচয় নিতে আসলেন! মুখে মিষ্টি মিষ্টি কথা, নিতান্ত ভালমানুষটির মতো আস্তে আস্তে প্রশ্ন করেন, যেন তিনি কিছুই জানেন না—কিন্তু তাঁর প্রশ্নের ঠেলায় পণ্ডিতের দল অস্থির হয়ে পড়লেন! তাঁর সঙ্গে তর্ক করতে গিয়ে একজন পণ্ডিত এমন নাকাল হয়ে আসলেন যে, দেখতে দেখতে তাঁর নাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল।
খালি পা, মোটা কাপড় পরা, খাঁদা বেঁটে গরীব লোকটিকে রাস্তায় ঘাটে সকলেই চিনে ফেলল! তিনি পথে বের হলে সকলে দেখিয়ে দিত 'ঐ যে সক্রেটিস'! ওই আমাদের সক্রেটিস!

একবার সে দেশের শাসনকর্তারা তাঁকে হুকুম দিলেন "আমরা অমুককে সাজা দিব, তুমি তার খোঁজ বের করে দাও।" সক্রেটিস তাদের মুখের উপর বললেন, "আমি অন্যায় কাজে সাহায্য করি না!" শাসনকর্তারা চটলেন। আর একবার এথেন্সের লোকেরা কয়েকজন সেনাপতির উপর ক্ষেপে, জুলুম করে বিনা বিচারে তাদের মারতে চাইল, একমাত্র সক্রেটিস ছাড়া সে কাজে বাধা দিতে আর কারো সাহস হয় নি।

#আমাদের একজন সক্রেটিস দরকার। গিনেজ বুকে নাম কিংবা নোবেল জয়ের প্রয়োজন নেই। মেরুদন্ডওয়ালা লোকের খুব প্রয়োজন এই দেশে।

ভারতীয় চান্দুদের খবর হয়ে গেছে! জীবনে দেখলাম না তাদেরকে এদেশে বন্যার ব্যাপারে কোন স্টেটমেন্ট দিতে। এবার দিলো। দিলো, কারণ ...
22/08/2024

ভারতীয় চান্দুদের খবর হয়ে গেছে! জীবনে দেখলাম না তাদেরকে এদেশে বন্যার ব্যাপারে কোন স্টেটমেন্ট দিতে। এবার দিলো। দিলো, কারণ আছে। ফেসবুকে বাংলাদেশিদের আলাদা বাঁধ নির্মাণের শোরগোলে মূলত তারা ভয়টা পেয়েছে। তারা টের পেয়েছে, আব দুখ কা দিন আগায়া! যাহা চাইবা তাহাই পাইবা সেইটা তো হবেই না বরঞ্চ পূর্বে করা দ্বিপাক্ষিক ফালতু চুক্তিগুলোও বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এছাড়া তাদের ভীতির বড় আরেকটা কারণ হচ্ছে, এখন জনগণ যাই চাচ্ছে সরকার সেরকমটাই করতেছে বা মেনে নিচ্ছে। যা আগে কোন সরকারের বেলায় দেখা যায়নি। যাক, অন্তত এই সরকারের আমলে বান্দরগুলা একটু টাইটে থাকলে ভালো হয়!

নিচে তাদের অফিসিয়াল বিবৃতিটা উল্লেখ করা হলো-
"ভারতের ত্রিপুরার ধলাই জেলায় গোমতী নদীর ওপরে থাকা ডুম্বুর বাঁধের গেট খুলে দেওয়ার কারণে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয় সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে—বাংলাদেশে এমন একটি উদ্বেগ–উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। এটা বাস্তবে সঠিক নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে ৫৪টি আন্তসীমান্ত নদী রয়েছে। এসব নদীর পানি নিয়ে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দ্বিপক্ষীয় পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত আলোচনার মাধ্যমে পানিসম্পদ ও অভিন্ন নদীর পানি ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত বিদ্যমান সমস্যা ও পারস্পরিক উদ্বেগের সমাধান করতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।😆

21/08/2024

# শেখ হাসিনা পালিয়ে বাঁচলেন, ধ্বংস করলেন তাঁর পিতাকে।

পৃথিবীতে যত রাজনৈতিক পরিবর্তন হয়েছে, তার একটা সহজ-সরল নাম হচ্ছে বিপ্লব। একসময় কমিউনিস্টরা প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে বিপ্লব শব্দটি বলতেন। এখন বিপ্লবের কথা তাঁরা আর বলেন না। সময়ে-সময়ে যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সেটি হয় সহিংস। পালাবদলের সব সময় দুটি পক্ষ থাকে। একটি বিজয়ী, অপরটি পরাজিত। জয়ী পক্ষ বলে বিপ্লব। পরাজিত পক্ষ বলে ষড়যন্ত্র।

১৯৭৫ সালে দেশে চেপে বসেছিল একদলীয় (বাকশাল) শাসনব্যবস্থা। সরকার পরিবর্তনের কোনো ব্যবস্থা সংবিধানে রাখা ছিল না। সংবিধানে ছিল—কোনো ধরনের পরিবর্তন হলে, সেটি হবে রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা অনুযায়ী। ১৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তন হলো হত্যাযজ্ঞের মধ্য দিয়ে। রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবার নিহত হলেন।
শেখ মুজিবের সরকার এমন এক সময়ে উৎখাত হয়েছিল, যখন তাঁর জনপ্রিয়তা তলানিতে নেমে এসেছিল। একসময় শেখ মুজিব জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন। আর সেখানে তিনি পৌঁছেছিলেন ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই। ইতিহাসে এ রকম দৃষ্টান্ত বিরল; কিন্তু কয়েক বছরের ব্যবধানে এমন পরিবর্তন হলো, যেটা অনেকেই ভাবতে পারেননি।

ঠিক একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলো পাঁচ দশক পরে—২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। মোসাহেব ও মৌ-লোভীদের দ্বারা ঘেরা শেখ হাসিনা ভেবেছিলেন দিন এভাবেই যাবে; কিন্তু মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ কী ঘটিয়ে দিতে পারে, সেটা সম্ভবত ২৪ ঘণ্টা আগেও তিনি বুঝতে পারেননি।

পঁচাত্তরে যে সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছিল, তার নজির আমাদের এখানকার ইতিহাসে ছিল না। এর আগে পাকিস্তান আমলে যেসব সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে, সেগুলো ছিল রক্তপাতহীন। পঁচাত্তরে হয়েছিল রক্তাক্ত সামরিক অভ্যুত্থান। যাঁরা এটা ঘটিয়েছিলেন, তাঁরা বলতেন, এটা বিপ্লব। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ এটিকে বলেছে জাতীয়-আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। আমার একটি সরল বিশ্লেষণ হলো—পঁচাত্তরের অভ্যুত্থানটি ঘটিয়েছিল সরকারি দলের বিক্ষুব্ধ একটি অংশ। তাদের সহযাত্রী হয়েছিল সেনাবাহিনীর একটি অংশ।

একাত্তরে শেখ মুজিব ছিলেন জনগণের নেতা। পঁচাত্তরে তিনি ছিলেন শাসক। একাত্তরে পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাঁকে ধরে নিয়ে গিয়ে মানুষের আন্দোলন ও আকাঙ্ক্ষাকে দমাতে চেয়েছিল। তাতে তারা ব্যর্থ হয়েছিল। পঁচাত্তরে ছিল শেখ মুজিবের শাসনের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান। সেই অভ্যুত্থানে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ না থাকলেও সমর্থন ছিল। শাসক দলের বাইরে প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দল পঁচাত্তরের অভ্যুত্থানকে সমর্থন দিয়েছিল।

সত্তরের দশকের শুরু থেকেই বাংলাদেশে যে এক ব্যক্তির শাসন আমরা দেখে আসছিলাম, ১৯৯১ সালের তথাকথিত গণতান্ত্রিক উত্তরণের মধ্য দিয়েও তার পরিবর্তন হয়নি। আমরা সেই ব্যক্তির শাসনই দেখেছি। পর্যায়ক্রমে খালেদা, হাসিনা, খালেদার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক শাসনের যূপকাষ্ঠে পুরো দেশ বলি হয়েছে। এরপর এক–এগারো অনেক কিছু তছনছ করে দিল। কিন্তু এক–এগারো থেকে রাজনীতিবিদেরা কোনো শিক্ষা নেননি। এক–এগারো পরবর্তী বাংলাদেশে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত একটানা শাসনক্ষমতায় ছিল শেখ হাসিনার সরকার। এই সময়ে তিনটি প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে অথবা একতরফা নির্বাচন হয়েছে। তাঁর দল কয়টি আসন পাবে, বিরোধী দল কয়টি আসন পাবে—সবই ঠিক করে দিতেন শেখ হাসিনা। এমন অবস্থা কোথাও আমরা দেখিনি, শুনিনি।

এক ব্যক্তি, তাঁর আত্মীয়স্বজন, জ্ঞাতিগুষ্টি, মোসাহেব ও লাঠিয়াল—তাদের দিয়েই শাসনকাজ পরিচালিত হয়েছে। এর বিরুদ্ধে মানুষ ক্ষুব্ধ হচ্ছিল; কিন্তু তা প্রকাশের ভাষা পাচ্ছিল না। শেখ হাসিনার ক্ষমতায় থাকাটা অনেকটাই নির্ভর করত পুলিশ বাহিনীর ওপরে। কিন্তু সেই রক্ষাব্যূহটা একপর্যায়ে ভেঙে পড়ল। কারণ, তরুণেরা এগিয়ে আসছিল, গুলির সামনে বুক পেতে দিচ্ছিল। তখন শেখ হাসিনা সেনাবাহিনী ডাকলেন। সেনাবাহিনী সিদ্ধান্ত নিল, তারা জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে না। তাতে করে শেখ হাসিনার স্বপ্নের সৌধ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল।

জনগণের যে ক্ষোভ, সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ যেভাবে হলো, সেটি শেখ হাসিনা, আওয়ামী সরকার ও তার মোসাহেবদের ছাপিয়ে ধাবিত হলো শেখ মুজিবের ওপরে। শেখ মুজিব এ দেশের মানুষকে ধীরে ধীরে স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত করেছিলেন। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের তাঁর বাড়িটি, যেটি একটি জাদুঘর হয়েছিল, সেটা ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হলো। শেখ হাসিনার প্রতি যে ক্ষোভ, রাগ, অসন্তোষ এবং ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকার জন্য তাঁর যে নানা কলাকৌশল, তার খেসারত দিতে হলো মৃত শেখ মুজিবকে।

শেখ হাসিনা তো পালিয়ে বাঁচলেন; কিন্তু ধ্বংস করলেন তাঁর পিতা শেখ মুজিবকে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আওয়ামী লীগ তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে অনেক ঘৃণা ছড়িয়েছিল। জিয়া যে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, সেটি অস্বীকার করা হয়েছিল। তাতে অনেকে মনে আঘাত পেয়েছিলেন। ফলে তার পাল্টা আঘাত তো আসবেই। সেটি এসেছে ৩২ নম্বরের বাড়ির ওপরে। ঘৃণার রাজনীতি দিয়ে সুস্থ কিছু হয় না।

@মহিউদ্দিন আহমদ
লেখক ও গবেষক

৭২-৭৫ এর পত্রিকা, পড়তে না দেয়ার কি কারণ হতে পারে ?
19/08/2024

৭২-৭৫ এর পত্রিকা, পড়তে না দেয়ার কি কারণ হতে পারে ?

যারা দেশের এই দূরবস্থার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা, লুটতরাজ কিংবা চাঁদাবাজি করতে যাবে তাদের চ্যাংদোলা করে এভাবে ব...
08/08/2024

যারা দেশের এই দূরবস্থার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা, লুটতরাজ কিংবা চাঁদাবাজি করতে যাবে তাদের চ্যাংদোলা করে এভাবে বেঁধে রেখে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিবেন।

Address

House: Kichukkhon, 640, North Bhuigor, Signboard, Narayanganj
Dhaka

Opening Hours

Monday 10:30 - 22:30
Tuesday 10:30 - 22:30
Wednesday 10:30 - 22:30
Thursday 10:30 - 22:30
Friday 10:30 - 22:30
Saturday 10:30 - 22:30
Sunday 10:30 - 22:30

Telephone

+8801755635900

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lawyer Tuhin Mashiur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Lawyer Tuhin Mashiur:

Share