Adv shabuz sheikh

Adv shabuz sheikh Shabuz Sheikh is a lawyer in Bangladesh. Represent on behalf of clients in civil and criminal litigation, income tax matter and other legal proceedings.

draw up legal documents, any kind of legal help or advice clients on legal transaction.

 #অনুকরণীয়।আমেরিকায় পনেরো বছরের একটি বালক দোকান থেকে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়লো। বিচারক অপরাধের কাহিনী শুনে বালকটিকে জিজ...
23/10/2022

#অনুকরণীয়।

আমেরিকায় পনেরো বছরের একটি বালক দোকান থেকে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়লো। বিচারক অপরাধের কাহিনী শুনে বালকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন - "তুমি কি সত‍্যিই কিছু চুরি করেছিলে ? রুটি- চিজের কোনো প‍্যাকেট ?"

মাথা নিচু করে ছেলেটি উত্তর দিলো - "হ‍্যাঁ"।

বিচারক - কেনো চুরি করলে ?

বালক - আমার প্রয়োজন ছিলো।

বিচারক - কিনে নিতে পারতে।

বালক - টাকা ছিলো না।

বিচারক - পরিবার থেকে নিলেই হতো।

বালক - আমার বাড়িতে শুধু মা আছেন। মা অসুস্থ, কর্মহীন। মায়ের জন‍্যই রুটি চিজ চুরি করেছিলাম।

বিচারক - তুমি কোনো কাজ করো না ?

বালক - গাড়ি ধোওয়ার কাজ করতাম। মাকে সেবা করার জন‍্য একদিন ছুটি নিয়েছিলাম। তাই আমার কাজ চলে গেলো।

বিচারক - কারও কাছে সাহায্য চাওনি ?

বালক - সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়েছি। একটা কাজের জন‍্য প্রায় পঞ্চাশ জনের কাছে গিয়েছি। সবশেষে এই চূড়ান্ত পথটাই নিতে হলো।

ছেলেটির সাথে কথাবার্তার শেষে বিচারক রায় ঘোষণা করতে গিয়ে বললেন - "চুরি, বিশেষ করে রুটি চুরি একটি অত‍্যন্ত লজ্জাজনক অপরাধ। আর এই অপরাধের জন‍্য আমরা সবাই দায়ী। এই আদালতে উপস্থিত প্রত‍্যেকে, আপনাদের মধ‍্যে আমিও আছি, এই অপরাধের সাথে যুক্ত। তাই এখানে উপস্থিত প্রত‍্যেক ব‍্যক্তিকে দশ ডলার করে জরিমানা করা হলো। দশ ডলার এখানে জমা না দিয়ে কেউ এখান থেকে যেতে পারবে না।"

এই বলে বিচারক তার পকেট থেকে দশ ডলার বের করলেন এবং কলম তুলে নিয়ে লিখতে শুরু করলেন - এ ছাড়াও যে দোকান ক্ষুধার্ত ছেলেটিকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে সেই দোকানকেও আমি এক হাজার ডলার জরিমানা দিতে আদেশ করছি। জরিমানার টাকা যদি চব্বিশ ঘণ্টার মধ‍্যে জমা দেওয়া না হয়, আদালত দোকানটিকে সিল করে দিতে নির্দেশ দেবে। জরিমানার সমস্ত টাকা এই ছেলেটির হাতে তুলে দিয়ে আদালত তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে।

বিচারকের রায় শোনার পর আদালতে উপস্থিত সকলের চোখে পানি। ছেলেটিও একেবারে বাকরুদ্ধ। বিচারককে সে বারবার দেখছিলো। চোখের পানি লুকিয়ে বিচারক আদালত ত‍্যাগ করলেন।

আমাদের সমাজ, প্রশাসনিক ব‍্যবস্থা, আদালত এমন সিদ্ধান্ত নিতে কি প্রস্তুত ? রুটি চুরি করতে গিয়ে যদি কোনো ব‍্যক্তি ধরা পড়ে, সেই দেশের জনগণের লজ্জিত হওয়া উচিত।

20/10/2022

পিতৃহারা ৭-৮ বছর বয়সের ছেলেটি স্কুল হতে বাড়ীতে এসে মাকে বলল,
"মা, প্রিন্সিপাল আমাকে আদর করে কিছু ক্যান্ডি দিয়েছে। আর, তোমার জন্য এই চিঠিটা।"
মা চিঠিখানা খুলে পড়ে কেঁদে ফেললেন।
মায়ের চোখে জল দেখে ছেলেটি বলল,
"মা, কাঁদছ কেনো?"
চোখ মুছতে মুছতে মা বললেন, "বাবা, এটা আনন্দের কান্না!"
বলেই ছেলেটিকে চুমু দিয়ে বললেন, "আমার জিনিয়াস বাবা, তোকে চিঠিটা পড়ে শোনাই।"
মা আনন্দের সাথে চিৎকার করে স্যার‌ের ল‌েখার ভাষা বদল‌ে নিজের মত কর‌ে পড়তে লাগলেন, "ম্যাম,
আপনার ছেলেটি সাংঘাতিক জিনিয়াস।
আমাদের ছোট্ট শহরে ওকে শিক্ষা দেওয়ার মত
শিক্ষক আমাদের নেই।
তাই, যদি পারেন আপনার ছেলেকে বড় শহরে
কোনো স্কুলে ভর্তি করে দিলে ভালো হয়। এই ছেলেটি একদিন বিশ্বে প্রচুর সুনাম অর্জন করবে।"
পত্রখানা পড়েই মা, ছেলেটিকে চুমু দিয়ে বললেন, "এই জিনিয়াস ছেলেটিকে আমি নিজেই পড়াব।"
মা নিজেই শিক্ষা দিয়ে ছেলেটিকে যুক্তরাষ্ট্রের তথা সমগ্ৰ পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক বানালেন
"টমাস আলভা এডিসন"
বৈদ্যুতিক বাল্ব, শব্দ রেকর্ডিং, মুভি ক্যামেরা বা চলমান ছবি ইত্যাদি সহ হাজারো আবিষ্কার তাঁর।
মায়ের মৃত্যর পর টমাস এডিসন একদিন সেই ছোট্ট গ্রামে মায়ের সেই ছোট্ট বাড়ীতে গিয়ে ঘর পরিষ্কারের সময় স্কুলের প্রিন্সিপ্যালের দ‌েয়া চিঠিটা পেল। চিঠিখানা পড়ে টমাস কেঁদে দিল।
তাতে লেখা ছিল,
"ম্যাডাম,
আপনার ছেলে টমাস এডিসন একজন মেন্টালি রিটার্ডেড।
সে এতটাই নির্বোধ যে, তাকে শিক্ষা দেওয়ার মত ক্ষমতা আমাদের নেই।
কার'ও আছে বলেও আমাদের জানা নেই। আপনার ছেলের কারণে আমাদের স্কুলটির সুনাম ক্ষুন্ন হবে।
তাই কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আপনার ছেলেকে স্কুল থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হল।"
শিক্ষনীয়ঃ-
সন্তানের সাথে সর্বদাই পজিটিভ আচরন করবেন। বাসস্থান হল সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মা হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক।

“রাতে ওরা ঘর থেকে বেরোতে পারে না। এক ছেলে মারা গেছে, আরেক ছেলেকেও হারাতে চাও?”ঢাকার পল্লবীর এলাকার ইরানি ক্যাম্পের একটি ...
27/07/2022

“রাতে ওরা ঘর থেকে বেরোতে পারে না। এক ছেলে মারা গেছে, আরেক ছেলেকেও হারাতে চাও?”

ঢাকার পল্লবীর এলাকার ইরানি ক্যাম্পের একটি বাড়িতে গায়ের হলুদের অনুষ্ঠান চলছে। জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। ছেলে মেয়ে সকলেই উপস্থিত। এর মধ্যে দুই যুবক অনুষ্ঠানে আসা একটি মেয়েকে বারবার উত্যক্ত করছিল। আশেপাশে অনেকেই বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করে এড়িয়ে যায়।

সেই অনুষ্ঠানে জনি উপস্থিত ছিলো।

মেয়েটির হয়ে সে এগিয়ে আসে। ভদ্রভাবেই দুই যুবককে থামতে বলে। তারা বেপরোয়া। ওদের কে কি বলবে? কার এতো সাহস!

ওরা মেয়েটিকে বারবার হয়রানি করে চলে। এক পর্যায়ে জনি যুবক দুজনকে অনুষ্ঠান থেকে বের করে দেয়।

ঐ দুই যুবক ছিল পুলিশের সোর্স। অনুষ্ঠান থেকে বের করে দেয়ার অপমানের প্রতিশোধ তুলতে তখনই তারা পল্লবী থানা থেকে পচিশ জনের একটি বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে গায়ের হলুদের অনুষ্ঠান থেকে জনি আর বড় ভাই রকিকে তুলে নিয়ে যায়।

থানায় এনেই জনিকে আঘাতের পর আঘাত করা হয়। পল্লবী থানার ভিতরে টানা আড়াই ঘণ্টা চলে জনির উপর অকথ্য পুলিশি নির্যাতন। এক পর্যায়ে জনির শরীর খারাপ হতে শুরু করলে সে এক গ্লাস পানি খেতে চায়, জনির বুকে বুট জুতা রেখে এক পুলিশ সদস্য জনির মুখে থুতু ছিটিয়ে বলে - থুতু খা।

পুলিশ হেফাজতে জনির মৃত্যু হয়।

আদালতে বলা হয়, গায়ের হলুদের অনুষ্ঠানে গানের শব্দে জনি হার্ট অ্যাটাক করে মরে গেছে।

২০১৪ সালের আগস্টে জনির বড় ভাই রকি পুলিশ হেফাজতে জনির মৃত্যুর বিচার চেয়ে আদালতের সামনে দাড়ায়। সবাই বলে, পুলিশের সাথে ঝামেলা করো না। বাদ দাও।

রকি বাদ দেয় না। ভাই হত্যার বিচার চেয়ে সে মামলা দায়ের করে।

রকির দায়ের করা মামলা তুলে নিতে একের পর এক হুমকি আসতে থাকে। তাকে ভয় দেখানো হয়। রাতে ওরা ঘর থেকে বেরোতে পারে না। এক ছেলে মারা গেছে, আরেক ছেলেকেও হারাতে চাও?

রকির পরিবারকে মৃত্যু ভয় দেখানো হয়।

রকি পিছায় না_

প্রতিদিন সে ভাই হত্যার বিচারের দাবীতে আদালত পাড়ায় যায় এক কোর্ট থেকে আরেক কোর্টে ঘুরে। উকিলের পিছে পিছে ঘুরে। স্পেশাল ব্রাঞ্চে ব্রাঞ্চে ধর্না দেয়।

একদিন রকির কাছে আপোষের অফার আসে, মামলা তুলে নেয়ার বিনিময়ে বিশ লক্ষ টাকা নগদ দেয়া হবে।

রকি আপোষ করে না। ভাইয়ের হত্যাকারীদের সাথে আপোষ নয়।

বিচারের দাবীতে সে অটল থাকে।

মামলার তারিখ পিছায়, খরচ বাড়তে থাকে, একের পর এক ডেট পড়ে। এরই মধ্যে আসামী পক্ষ মামলা স্থগিদের আদেশ চেয়ে হাইকোর্ট আবেদন করে।

দুই আসামী পালায়। আরেক আসামী জামিনে মুক্তি পেয়ে মামলা প্রাক্তন তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে থানায় বসে রকিকে দেখিয়ে দুপুরের খাবার খায়।

রকি লড়ে যায়।

ভাই হত্যার বিচারের দাবীতে দায়ের করা মামলায় আদালত শুনানি ও অন্যান্য কাজে গত সাড়ে ছয় বছরে রকিকে #সাড়ে_চারশ বার আদালতে আসতে। রকি আসে। একটা শুনানির ডেট সে মিস করেনি।

দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছর অসংখ্য হুমকি, ভীতি, আপোষের প্রস্তাব, বিরামহীন আদালত শুনানির পর জনি হত্যার বিচার হয়।

জনি হত্যায় জড়িত তিন পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং বাকি দুজনকে সাত বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।

পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারন) ২০১৩ আইনে আদালতের দেয়া এইটাই প্রথম রায়।

ঐতিহাসিক এই রায় ভবিষ্যত ইতিহাসের জন্য একটা মস্ত বড় মাইলস্টোন হয়ে রইল। পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যুর বিরুদ্ধে এই মামলা এক শক্তিশালী দলিল, নির্যাতিতদের জন্য ভরসার আশ্রয়।

তবে সবকিছু ছাপিয়ে জনি হত্যা মামলার রায় #ভাইয়ের প্রতি ভাইয়ের ভালোবাসার গল্প।

আমার কাছে রায়টি একটি #রত্নগর্ভা মায়ের গল্প যার দুই ছেলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে শেষ অবধি লড়ে গেছে।

এক ছেলে অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় মৃত্যু বরণ করেছে, আরেক ছেলে ভাই হত্যার বিচার চেয়ে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এক ঐতিহাসিক রায় ছিনিয়ে এনেছে।

প্রতিবাদী এই পরিবারটির প্রতি রইল আমার সহস্র সালাম

#একটি_প্রতিবাদ_একটি_সমাজ_বদলে_দিতে_পারে❤

23/04/2022

বাবাকে ছেলে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে এসেছে আর বাবা সব সম্পত্তি বৃদ্ধাশ্রমে দান করে দিয়েছে।
লিগ্যাল নোটিশ এসেছে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার!

স্যালুট হে নারী!🌸আইনজীবী সেগুফতা তাবাসসুম আহমেদ। 🖤ছবিটি দেখেন→মাকে সাথে করে নিয়ে কষ্টের এক আনন্দাশ্রু বইছে আইনজীবী সেগুফ...
06/04/2022

স্যালুট হে নারী!🌸
আইনজীবী সেগুফতা তাবাসসুম আহমেদ। 🖤

ছবিটি দেখেন→
মাকে সাথে করে নিয়ে কষ্টের এক আনন্দাশ্রু বইছে আইনজীবী সেগুফতা তাবাসসুম আহমদের চোখে! তিনি ছিলেন তার বাবার হত্যার মামলার একজন আইনজীবী। দীর্ঘ ১৬ বছর কঠিন আইনি লড়াই শেষে তিনি তার বাবার হত্যার চূড়ান্ত রায় পেয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে। তার পরিশ্রম সার্থক। এজন্য মাকে সাথে নিয়ে মিডিয়ার সামনে এসে আর কান্না লুকিয়ে রাখতে পারেননি!

তার বাবা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক তাহের আহমেদকে যখন হত্যা করা হয় সেগুফতা তখন ইন্টারের ছাত্রী! বাবা হত্যার বিচারের জন্য তিনি সিদ্ধান্ত বদলে আইনে পড়াশুনা শুরু করেন। পরবর্তীতে বিচারিক আদালতের রায় হাইকোর্টে গেলে সেটা যেন নিশ্চিত হতে পারে সেজন্য হাইকোর্টে প্রাক্টিস শুরু করেন! শুনেই চোখ ভিজেছে।

গতকাল দেশের আপিল বিভাগ খুব গুরুত্বপূর্ণ এই রায় দেয়। অধ্যাপক তাহের আহমেদকে নৃশংসভাবে হত্যা করার জন্য দুজনকে মৃত্যুদন্ড ও আরো দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়! তার জন্য লেগে গেল ১৬ বছর! অবিশ্বাস্য! ২০১৩ সালে হাইকোর্টের থেকে আপিলেট ডিভিশনের রায় পেতেই ৯ বছর!!

ভয়ংকর ব্যাপার হল মূল আসামী তারই ডিপার্টমেন্টে সহযোগী অধ্যাপক মহিউদ্দিন যে কিনা একসময় তার ছাত্র ছিলো! শুধুমাত্র পদন্নোতির পথে বাধা হওয়ায় খুনী মহিউদ্দিন কেয়ারটেকার সাথে নিয়ে তাহের স্যারকে খুন করে সেপ্টিক ট্যাংকে ফেলে রাখে! ভাবা যায়! সারা দেশ তখন তোলপাড় হল৷ প্রক্রিয়া শেষে হারামিগুলিকে ঝুলায় দেয়া হোক। এই পরিবারটির উপর দিয়ে কি ঝড় বয়ে গেছে ভাবতেই চুপসে যাচ্ছি!

ধন্যি মেয়ে সেগুফতা তাবাসসুম আহমেদ। কি দৃঢ়চেতা মনোবল নিয়ে লড়াই করলেন শেষ পর্যন্ত বাবা হত্যার বিচার নিয়েই ঘরে ফিরেছেন। স্যালুট আপনাকে আপা।
©️

21/03/2022

আমি কখনও আইনজীবী ছিলাম না ...............

চমৎকার পোশাক পড়ুন, পরিপাটি থাকুন, গুছিয়ে কথা বলুন, বিচার প্রার্থীর সাথে আস্থাশীল কথাবার্তা বলুন, কোর্ট স্ট্যাফদের সাথে সদ্বাভ বজায় রাখুন, কলিগদের সাথে ওয়াকিং রিলেশন মেনটেইন করুন, সাবমিশনে বিনয়ী ও কুশলী হোন, রেকর্ড সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখুন, সিনিয়রের তরফ থেকে পিটিশন মুভ করতে গেলেও মামলার স্টেইজ, ধার্য তারিখ, কি চাচ্ছেন, কেন চাচ্ছেন পিটিশন মুভ করার আগে অবগত হোন, জজ/ম্যাজিস্ট্রেটের কোয়ারি মিট আপ করার মত রেকর্ড সম্পর্কে ধারনা নিয়ে তবেই শুনানিতে অংশ গ্রহন করুন বা প্রতিপক্ষের আইনজীবীর শুনানিতে বিরোধিতা করার সময় যুক্তিসংগত ও তথ্যবহুল এবং আইনানুগ সাবমিশন রাখুন।
জামিন শুনানিতে দয়া, মানবিক কৃপা বা হাজতবাসের উপর জোর না দিয়ে মামলার ফ্যাক্টস, ফাইন্ডিংস, কন্ট্রাডিকশন ইত্যাদির উপর জোর দিন। নিজেকে বা নিজের হিয়ারিংকে সামথিং স্পেশাল করুন। গতানুগতা ছেড়ে নিজেকে ভিন্ন উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করুন।

মক্কেলদের সাথে বেশি মাখামাখি করবেন না। আপনার যোগ্যতাকে সে বিবেচনায় নেয়। অন্য কিছু নয়। মামলা পাওযার জন্য মক্কেলের বাড়িতে যাওয়া, চায়ের দোকানে দোস্তের মত বসে চা পান এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন আপনি তার বিপড়ে ভরসা। একটু দূরত্ব বজায় রাখুন।

এটা তো চাকুরি নয়। সিনিয়রের প্রমোশন না হলে আপনারও হবে না। আপন চেস্টায় সকলকে ছাপিয়ে উঠুন শিখরে । পড়ুন ও শিখুন। এটাই দিন শেষে আপনার আয়কে বাড়াবে। লোভ হয় ভাল জেরা করার। সমস্যা নেই আইন পড়ুন বুঝুন আইনই বলে দিবে আপনার ডিফেন্স কি হবে বা জেরা কি করবেন। মনে রাখবে, আইন পেশার বিজ্ঞাপন নেই। নিজের বিজ্ঞাপন আপনি নিজেই। আপনার সাবশিন, নজেল, পড়াশোনাই আপনার বিজ্ঞাপন।
এম মোহাম্মদ আলী
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, রংপুর

Address

Dhaka
DHAKABARASSOCIATION

Telephone

+8801923040078

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv shabuz sheikh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Adv shabuz sheikh:

Share