BCS, BJS & University Admission Test Related Study.

BCS, BJS & University Admission Test Related Study. আইন, আইনের ব্যাখ্যা ও সমাধান।

16/03/2024
স্ত্রী তালাক দিলেও দেনমোহর পাবে????অনেকেরই একটা ভুল ধারণা আছে যে স্ত্রী তালাক দিলে দেনমোহর পাবে না। তালাক স্বামী কিংবা স...
15/03/2024

স্ত্রী তালাক দিলেও দেনমোহর পাবে????

অনেকেরই একটা ভুল ধারণা আছে যে স্ত্রী তালাক দিলে দেনমোহর পাবে না। তালাক স্বামী কিংবা স্ত্রী যেই দিক না কেন স্বামী দেনমোহর দিতে বাধ্য। স্ত্রী যদি দেনমোহর নিতে না চায় সেটা ভিন্ন হিসাব। তবে একটা বিষয় হলো যে যদি তাদের মধ্যে মিলন না হয় তাহলে আংশিক দিতে হবে।

স্ত্রী স্বামীকে তালাক দিতে পারে???
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী নিকানামার ১৮ নং কলামে স্বামী স্ত্রীকে তালাকে ক্ষমতার্পণ করে কি না বলা আছে। এই দেশের অধিকাংশ স্বামীরাই জানে না এই বিষয়টা। কাজী সাহেবেরা নিজেরাই হ্যা লিখে দেয়। কাজীর উচিত জিজ্ঞেস করা। যদি এই ১৮নং কলামে ক্ষমতার্পণ না করে স্ত্রী তালাক দিতে হলে পারিবারিক আদালতে যেতে হতো। এতো সহজে তালাক দিতে পারতো না।

 #কৃষ্ণাঙ্গদের  #ওপর  #নিষ্ঠুর  #নির্যাতন স্রষ্টা মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন বিভিন্ন আকার আকৃতি দিয়ে। পৃথিবীতে প্রায় সাত ...
16/06/2020

#কৃষ্ণাঙ্গদের #ওপর #নিষ্ঠুর #নির্যাতন

স্রষ্টা মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন বিভিন্ন আকার আকৃতি দিয়ে। পৃথিবীতে প্রায় সাত শত কোটি মানুষ আছে যাদের এক জনের সাথে আরেকজনের কোন মিল নাই। আমরা কালার বিবেচনায় মানুষকে দুই ভাগে ভাগ করি
১। কৃষ্ণাঙ্গ ২। শ্বেতাঙ্গ

পৃথিবীর শুরু থেকেই কৃতদাসের প্রচলন দেখা গেছে। কালো তথা কৃষ্ণাঙ্গদের কৃতদাস হিসাবে বাজারে বিক্রয় করা হতো। পর্তুগিজ আর স্পেনিসদের হাতে দাস প্রথা শুরু হলেও পরবর্তীতে আফ্রিকা, ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস সহ বিশ্বের প্রায় অনেক দেশেই দাস ক্রয় বিক্রয় খুব রমরমা ছিল।

ক্রিস্টোফাস কলম্বাস ১৪৯২ সালের ১২ ই অক্টোবর আমেরিকা আবিষ্কার করেন। ইউরোপের লোকেরা দলে দলে গিয়ে উঠে আমেরিকায়। উর্বর জমি ফসলের জন্য উপযুক্ত হওয়ায় অধিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের জন্য আফ্রিকা থেকে কৃষ্ণাঙ্গ দাস ক্রয় করে শিকল পড়িয়ে, অমানবিক নির্যাতনের মাধ্যমে জাহাজে করে নিয়ে যায় আমেরিকা। নির্যাতনে অনেক কৃষ্ণাঙ্গ দাস জাহাজেই মারা যেতো। ১৫০২ সালে প্রায় দেড় থেকে দুই কোটি দাস কিনে আমেরিকা। এইসব কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ দাসদের দিয়ে কৃষিকাজ, জাহাজ নির্মাণ থেকে সকল শক্তিশালী কাজ করানো হতো আর নারীদের দিয়ে শ্বেতাঙ্গ পুরুষদের তোষামোদ করানো হতো।

দাস প্রথা অনেক দেশেই ছিল তবে কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর সবচেয়ে বেশি অমানবিক নির্যাতন করেছে আমেরিকা। প্রায় সাড়ে তিনশত বছর এই কৃষ্ণাঙ্গ দাস ব্যবসা খুব রমরমা ছিল। শিল্প বিপ্লবের পৃর্বে ইউরোপ ছিল দাস নির্ভর। ১৮০০ সাল থেকে দাস প্রথার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জনমত বাড়তে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কথা বললেও বাস্তবতা ভিন্ন ছিল শুরু থেকেই।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে দাসত্ব দূর করার মহানায়ক ছিল আব্রাহাম লিঙ্কন। তবে কৃষ্ণাঙ্গদের সকল অধিকার তিনিও প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। আমেরিকায় বর্ণ বৈষম্য ছিল প্রতিটি জায়গায় যেমন শিক্ষায়, চিকিত্সায়, স্বাস্থ্যে, ইত্যাদি। ১৯৫৫ সালের পৃর্বে বাসে শ্বেতাঙ্গদের পাশে কৃষ্ণাঙ্গরা বসার অধিকার ছিলো না। নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং এর নেতৃত্বে ৩৮৫ দিন মন্টোগোমারি বাস বয়কট করার পর ১৯৫৬ সালে উচ্চ আদালতের রায়ে তা অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা দেয়। ১৯৬৩ সালের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের ফলে ১৯৬৫ সাল থেকে আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিকরা ভোটের অধিকার পায়। এর কারণে মাত্র ৩৫ বছর বয়সেই প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মার্টিন লুথার কিং (I HAVE A DREAM) শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান বিশ্বের সর্ববৃহত্ অর্থনৈতিক এবং সামরিক পরাশক্তি। তারা পৃথিবীর গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের গল্প বলে অথচ তাদের রয়েছে নির্লজ্জ এক ইতিহাস। অমানবিকতায় শীর্ষে তারাই অবস্থান করছে তার প্রমান জর্জ ফ্লয়েড হত্যা, আফগানিস্তান, ইরাক, ফিলিস্থিন। নিজের দেশের নাগরিক অধিকার রক্ষা করতে না পারলেও অন্য দেশের নাগরিকদের প্রতি তাদের অনেক ভালোবাসা। কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি তাদের অতীত ইতিহাসের চরিত্র মাঝে মাঝে ফুটে ওঠে। বর্তমান আমেরিকা গঠনের পিছনে বড় অবদান কৃষ্ণাঙ্গদের। কৃষ্ণাঙ্গদের দিয়েই আজকের আমেরিকার অর্থনৈতিক এবং সামরিক পরাশক্তি।

হোসাইন কবির।
আইন কর্মকর্তা
(পূর্বাণী গ্রুপ)

22/05/2020

ইংলিশ ট্রান্সলেশনের সময় যে ভুল গুলো আমরা প্রায় সময় করে থাকি।
100 Common errors in translation :
Errors in Nouns

আমাকে একটু জায়াগা দিন তো – Please make a little room for me. (place নয়)
আমার একটি জরুরি কাজ আছে – I have an urgent piece of business.(an urgent business নয়)
আমার চুল কোঁকড়ানো – I have curly hair.(hairs নয়)
আমার ধন্যবাদ গ্রহণ করুন – Please accept my thanks. (thank নয়)
আমি ফল খাই না – I do not take fruit. (fruits নয়)
তুমি কখন আহার কর - When do you take your meals. (meal নয়)
তুমি পড়াশুনায় অবহেলা কর কেন? – Why do you neglect your studies? (study নয়)
বাংলাদেশের দৃশ্যাবলী অতি মনোহর – The scenery of Bangladesh is very charming (sceneries নয়)
বাবা আমাকে অনেক উপদেশ দিলেন – Father gave me much advice. (many নয়, advices নয়)
লোকটির নৈতিক চরিত্র ভাল নয় – He is a man of very low morals. (moral নয়)
সে আড়াইটার গাড়িতে গিয়েছিল – He went by the 2:30 train. (2:30 o’clock নয়)
সে বোডিং এ থাকে – He lives in a boarding-house. (শুধু boarding নয়)
মাসুদের পাঁচ জোড়া বলদ আছে – Masud has five yoke of oxen. (yokes নয়)
Errors In Pronoun
--------------------­-----------------
আমাদের কেউ উপস্থিত ছিল না – Neither of us was present. (not were)
আমাদের মধ্যে কেউই ফরসা নয় – None of us are fair-complexioned. (not is)
এসো তুমি আর আমি কাজটা করি – Let you and me do it. (not I)
আমি তাকে বিশ্বস্থ লোক বলে জানি – He is a man who I know is trust-worthy. (not whom)
প্রত্যেকেরই দেশকে ভালোবাসা উচিত – One should love one’s country. (not his)
Errors in pronouns
--------------------­-------------
রহিম ও আমি এটা করেছি – Rahim and I have done it. (not myself)
সে আমার কাছ থেকে বিদায় নিল – He took leave of me. (not my)
Errors in adjective
অর্থের চেয়ে বিদ্যা শ্রেষ্ঠ – Learning is preferable to wealth. (more preferable ও to এর জায়গায় than হবে না)
এ জিনিসটি ঐটির চেয়ে নিকৃষ্ট – This thing is inferior to that. (not than)
কেউই কাজটা করল না – No one could do it. (anybody could not নয়)
মানুষ অমর নয় – Man is not immortal. (a man নয়)
শক্ত মাংস আমি খেতে পারি না – I cannot eat rough meat. (hard বা stiff নয়)
সে কী রকমের মানুষ? – What kind of man he is? (a man নয়)
Errors in verb
--------------------­-------
আমার কথা শোন – Listen to me. (hear নয়)
এই পেনসিলটা কাট - Please sharpen this pencil. (mend নয়)
চাঁদের দিকে তাকাও – Look at the moon. (see নয়)
আমি তাকে চোর বলে জানি – I knew him to be a thief. (to be বাদ হবে না)Raisul Islam Hridoy
তিনি আমাকে অপেক্ষা করতে বললেন – He told me to wait. (said নয়)
পুরষ্কারটা লাভ করা কঠিন – The prize is hard to win. (to be নয়)
ব্যাপারটা আমাকে জানানো হয়েছিল – I was informed of the matter.
মনে হয় রোগী মারা যাবে – I am afraid the patient will die. (think or hope নয়)
সে কেবল ঘুমাত আর কেছুই করত না – He did nothing but sleep.
সে আমাকে মিথ্যাবাদী বলল- He called me a liar. (told নয়)
সে কখনও মিথ্যা কথা বলেনা – He never tells lies. (speak or says নয়)
সে সত্য কথা বলেছিল – He spoke the truth. (said নয়)
রাকিব আমার হাত ধরল – Rakib took hold of my hand. (caught নয়)
Errors in adverb
--------------------­--
আমি এখনই আসছি – I am coming presently. (just now নয়)
এটা কিছু পরিমাণে সত্য – This is partly true. (somewhat নয়)
ঘরটি আমাদের জন্য নিতান্তই ছোট - The room is much too small tor us. (too much নয়)
তুমি কি সিনেমায় যাচ্ছ – Are you going to cinema? Certainly! (Of course নয়)
প্রবন্ধটি সংক্ষেপে লিখ – Write the essay briefly. (shortly নয়)
Errors in preposition
আপনি কার কথা বলেছেন? – Whom are you speaking of? (of whom নয়)
আমার মুখ বাবার মুখের মত দেখতে – My face resembles my fathers. (to my father নয়)
আমি তাকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছিলাম – I warned him of this. (against or about নয়)
আমি খেলার চেয়ে পড়তে ভালোবাসি – I prefer reading to writing. (to read than to write নয়)
এতে কোন সন্দেহ নাই – It admits of no doubt. (of বাদ হবে না)
তুমি কি বইখানা পড়ে শেষ করেছ – Have you finished reading the book. (to read নয়)
তুমি কোথায় গিয়েছিলে? – Where had you been? (to নয়)
তোমার উপদেশে আমার উপকার হলো – I profited by your advice. (from নয়)
তোমার উপরে আমার কোন বিশ্বাস নাই – I have no confidence in you. (on or upon নয়)
রাজশাহী কি জন্য প্রসিদ্ধ? – What is Rajshashi noted for?
সাফল্যের জন্য তোমাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি – I congratulate you on your success. (for নয়)
সে দশখানা বইয়ের অর্ডার দিয়েছে – He has ordered ten books. (ordered for নয়)
হেডমাস্টারের কাছে আমার হয়ে একটু সুপারিশ করে দেবেন – Please recommend me to the headmaster. (for me নয়)
২৯ মে পরীক্ষা আরম্ভ হবে- The examination will begin on the 29th May. (from নয়)
সন্ন্যাসীর কাছে রাজা ও ফকির সমান – To a hermit a king and a beggar are alike. (equal নয়)
Errors in conjunctions
চেষ্টা না করলে সফল হবে না – Unless you try, you will never succeed. (unless you do not try হবে না)
তুমি যতক্ষণ না ফের, ততক্ষণ আমি অপেক্ষা করব – I shall wait until you come back. (until you do not নয়)
সে আমার মত ইংরেজি বলতে পারে না – He cannot speak English as I can. (like I হবে না)
সে কোন দেশের লোক? – What country does he belong to. (belongs নয়)
Miscellaneous Errors
আমার যখন পাঁচ বছর তখন আমার বাবা মারা যান – My father died when I was a child five years old. (of হবে না)
কখন যাবে বল – Tell me when you are going.
গতকাল আমি তাকে লিখেছিলাম – I wrote to him yesterday or I wrote him a letter yesterday. (I wrote him yesterday হবে না)
তার নাম কি আমি জানি না – I don’t know what his name is. (what is his name হবে না)
তোমার মত মারুফও বুদ্ধিমান – Maruf as well as you is intelligent. (are নয়)
পঞ্চাশ হাজার টাকা তো অনেক টাকা – Fifty thousand taka is a large sum. (are নয়)
বারটার মধ্যে কাজ শেষ করবে – You must finish your work by 12 o’clock. (within নয়)
ভাত ও তরকারি আমাদের খাদ্য – Rice and curry is our food. (are নয়)

22/04/2020

বাংলা ব্যাকরণে প্রকারভেদ

ভাষার রূপ - ২টি
= ( লৈখিক ও মৌখিক)

লৈখিক রূপ - ২টি
= (সাধু ও চলিত)

উৎপত্তি অনুসারে শব্দ - ৫ প্রকার
😞 তৎসম, তদ্ভব, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি)

গঠন অনুসারে শব্দ - ২ প্রকার
= ( মৌলিক ও সাধিত শব্দ)

অর্থ অনুসারে শব্দ - ৩ প্রকার
= ( যৌগিক, রূঢ়ি এবং যোগরূঢ়)

ভাষার মৌলিক অংশ - ৪টি
= ( ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থ)

সাধিত শব্দ - ২ প্রকার
= ( নাম শব্দ ও ক্রিয়া)

প্রকৃতি - ২ প্রকার
= ( নাম প্রকৃতি বা প্রাতিপদিক ও ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু)

প্রত্যয় - ২ প্রকার
= ( কৃৎপ্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়)

বাংলা ভাষায় তদ্ধিত প্রত্যয় - ৩ প্রকার
= ( বাংলা, বিদেশি ও সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়)

উপসর্গ - ৩ প্রকার
= ( বাংলা, সংস্কৃত ও বিদেশি)

বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি - ২ প্রকার
= (স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি)

বর্ণ - ২ প্রকার
= ( স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ)

বর্গীয় ধ্বনি - ৫ প্রকার
= (ক,চ,ট,ত ও প বর্গীয় ধ্বনি)

উচ্চারণ স্থান অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনি - ৫ প্রকার
= ( কণ্ঠ, তালব্য, মূর্ধন্য, দন্ত্য ও ওষ্ঠ)

স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনি - ২ প্রকার
= ( অঘোষ ও ঘোষ ধ্বনি)

অঘোষ ধ্বনি - ২ প্রকার
= ( অঘোষ অল্পপ্রাণ ও অঘোষ মহাপ্রাণ)

ঘোষ ধ্বনি - ২ প্রকার
= ( ঘোষ অল্পপ্রাণ ও ঘোষ মহাপ্রাণ)

ধ্বনির পরিবর্তন - ২ প্রকার
= ( স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তন)

বাংলা সন্ধি - ২ প্রকার
= ( স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি)

বাংলা ভাষায় তৎসম সন্ধি - ৩ প্রকার
= ( স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গ সন্ধি)

বিসর্গ সন্ধি - ২ প্রকার
= ( র- জাত ও স-জাত বিসর্গ)

বাংলা ভাষায় পুরুষ ও স্ত্রী বাচক শব্দ মূলত -২ প্রকার
= ( পতি ও পত্নীবাচক ও পুরুষ ও মেয়ে বা স্ত্রী জাতীয়)

সংখ্যাবাচক শব্দ - ৪ প্রকার
= ( অঙ্কবাচক, পরিমাণ বা গণনাবাচক, ক্রম বা পূরণবাচক ও তারিখবাচক)

বাংলা ভাষায় বচন - ২ প্রকার
= ( একবচন ও বহুবচন)

সমাস প্রধানত - ৬ প্রকার
= ( দ্বন্দ্ব, দ্বিগু, কর্মধারয়, বহুব্রীহি, তৎপুরুষ ও অব্যয়ীভাব)

সমাস মূলত - ৪ প্রকার
= ( দ্বন্দ্ব, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি ও অব্যয়ীভাব)

তৎপুরুষ সমাস - ৯ প্রকার
= ( দ্বিতীয়া তৎপুরুষ , তৃতীয়া তৎপুরুষ , চতুর্থী তৎপুরুষ, পঞ্চমী তৎপুরুষ, ষষ্ঠী তৎপুরুষ সপ্তমী তৎপুরুষ, নঞতৎপুরুষ, উপপদ তৎপুরুষ ও অলুক তৎপুরুষ)

বহুব্রীহি সমাস - ৮ প্রকার
= ( সমানাধিকরণ বহুব্রীহি, ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি, ব্যতিহার বহুব্রীহি, নঞ্ বহুব্রীহি, মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি, প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি, অলুক বহুব্রীহি ও সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি)

ধাতু - ৩ প্রকার
= ( মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু ও যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু)

বাংলা ভাষায় মৌলিক ধাতু - ৩ প্রকার
= ( বাংলা,, সংস্কৃত ও বিদেশি ধাতু)

সাধিত ধাতু - ৩ প্রকার
= (নাম, প্রযোজক বা ণিজন্ত ও কর্মবাচ্য ধাতু)

পদগুলো প্রধানত -২ প্রকার
= ( সব্যয় পদ ও অব্যয় পদ)

সব্যয় পদ - ৪ প্রকার
= ( বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়া)

বিশেষ্য পদ - ৬ প্রকার
= ( সংজ্ঞা বা নামবাচক, সাধারণ বা জাতিবাচক, বস্তু বা দ্রব্যবাচক, সমষ্টিবাচক, ভাববাচক ও গুণবাচক বিশেষ্য)

বিশেষণ পদ - ২ প্রকার
= ( নাম বিশেষণ ও ভাব বিশেষণ)

ভাব বিশেষণ - ৪ প্রকার
= ( ক্রিয়া বিশেষণ, বিশেষণের বিশেষণ, অব্যয়ের বিশেষণ ও বাক্যের বিশেষণ)

বাংলা ভাষায় অব্যয় পদ - ৩ প্রকার
= ( বাংলা, সংস্কৃত ও বিদেশি অব্যয় পদ).
//
আরো কী কী বাকি থাকল কমেন্ট করুন !

28/03/2020

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য : (০৩)
শিল্প উৎপাদন : -
পাকশী কাগজের কলে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যব্যহৃত হয়। : আখের ছোবড়া
সরকারি নিউজ প্রিন্ট মিল : খুলনায় আবস্থিত।
- : এ মিলে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে গেওরা কাঠ।
সবুজ পাট হতে কাগজের মগু প্রস্তুত প্রযুক্তির উদ্ভাবন হয় : বাংলাদেশে।
বাংলাদেশে প্রথম চট্রগ্রামের চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী কাগজ মিল প্রতিষ্ঠিত হয়। : ১৯৫২ সালে
সার কারখানা : এ মিলের প্রধান কাঁচামাল হল বাঁশ।
বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানা : যমুনা সার কারখানা (তারাকান্দি, জামালপুর, ১৯৮৯)।
বেসরকারি খাতে একক বৃহত্তম সার কারখানাটির নাম : কর্ণফুলী সার কোং লিঃ (কাফকো)।
জাপানের আর্থিক সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত সার কারখানা : কাফকো
ইউরিয়া উৎপন্ন হয় : জিয়া সার কারখানা, পলাশ সার কারখানা, ঘোড়াশাল সার কারখানা, কর্ণফুলী সার কারখানা ও যমুনা সার কারখানায়
ট্রিপল সুপার ফসফেট সারকারখানাটি : চট্রগ্রাম অবস্থিত।
বাংলাদেশে মোট চিনি কল : ১৫ টি।
বাংলাদেশের বৃহত্তম চিনিকল : কেরু কোং লিঃ দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা।
বাংলাদেশের চিনি শিল্পের ট্রেনিং ইনস্টিটিউট : ঈস্বরদীতে অবস্থিত।
- : -
পাট শিল্প : -
বাংলাদেশে প্রথম পাটকল স্থাপিত হয় : ১৯৫১ সালে ।
পৃথিবীর বৃহত্তম পাটকল হিসাবে পরিচিত ছিল : আদমজী জুট মিল।
আদমজী পাটকল বন্ধ হয় : ৩০ জুন ২০০২ সালে ।
বাংলাদেশে প্রথম পরিকল্পিত গার্মেন্টস : দেশ গার্মেন্টস, চট্রগ্রাম।
প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা : খুলনায় আবস্থিত।
প্রধান রপ্তানি পন্য তৈরি : পোশাক।
বাংলাদেশের রেয়ন মিল : রাঙ্গয়ামাটিতে অবস্থিত।
খুলনা হার্ড-বোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় : সুন্দরী কাঠ
বাংলাদেশের টেলিফোন শিল্প সংস্থা : টঙ্গীতে অবস্থিত।
বাংলাদেশের অস্ত্র কারখানা এবং মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি : গাজীপুর অবস্থিত।
বাংলাদেশের বর্তমানে সিমেন্ট কারখানার সংখ্যা : ৬৫ টি।
দেশের প্রথম ঔষধ শিল্প পার্ক স্থাপিত হচ্ছে : গজারিয়া, মন্সীগঞ্জ।
বাংলাদেশের একমাত্র জ্বালানি তেল শোধনাগারটির নাম : ইস্টার্ন রিফাইনারি (চট্রগাম)।
সেশের প্রথম ইপিজেড : চট্রগ্রাম ইপিজেড
দেশে অস্ত্র কারখানা : গাজীপুর
অর্থনীতিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান : -
বাংলাদেশে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) : কুমিল্লায় অবস্থিত।
- : এটি ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- : এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আখতার হামিদ খান।
বাংলাদেশের গ্রামীন ব্যাংক প্রতিষ্ঠানটি : মাইক্রো ক্রেডিট সম্মেলনের অন্যতম উদ্যোক্তা।
কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় : ১৯৯৮ সন।
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA) : বগুড়ায় অবস্থিত।
বাংলাদেশের বানিজ্যিক রাজধানী বলা হয় : চট্রগ্রাম শহরকে
বাংলাদেশের বৃহত্তম এন জি ও : ব্রাক।
- : এর প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হোসেন আবেদন।
কেয়ার একটি : আমেরিকান এন জি ও ।
ইপিজেড : -
প্রথম ইপিজেড স্থাপিত হয় চট্রগ্রাম : ১৯৮৩ সালে।
- : বর্তমানে ইপিজেড ১০টি; সরকারি ৮ টি এবং বেসরকারি ২টি।
DEPZ : সাভারে অবস্থিত।
বাংলাদেশের বৃহৎ ইপিজেড হল : চট্রগ্রাম ইপিজেড।
উত্তরা ইপিজেডকে : কৃষিভিত্তিক হিসাবে গন্য করা হয়।
ইপিজেড চালু শিল্পের মধ্যে সর্বাধিক বিনিয়োগ : তৈরি পোশাক শিল্প।
পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ : -
আমদানি দ্রব্য : যে সব দেশ থেকে আমদানি করা হয়
খাদ্য শস্য : যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, থাইলেন্ড, ভারত
খনিজ তৈল : মধ্যপ্রাচ্য ও যুক্তরাষ্ট্র
কলকব্জা ও যন্তপাতি : যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য
পরিবহন যান ও কলকব্জা : জাপান, ভারত, ইটালি, ফ্রান্স, জার্মানি
প্রণীজ, ভেষজ তৈল ও চর্বি : অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া
রাসনিক দ্রব্য ও ঔষধ-পত্র : যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, থাইল্যন্ড, জাপান, ডেনমার্ক
লৌহ ও ইস্পাতজাত দ্রব্য : বেলজিয়াম, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, কানাডা
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশ পণ্য আমদানি করা হয় : চীন থেকে
বাংলাদেশে আমদানি নিষিদ্ধ কিছু পণ্যের নাম : ১। আফিম
- : ২। হেরোইন
- : ৩। জীবত শূকর
- : ৪। শূকরের পশম
- : ৫। টেন্ডো পাতা ইত্যাদি।
করমুক্ত আমদানী দ্রব্য : ১। ইনসুলিন
- : ২। অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র
- : ৩। প্রাথমিক চিকিৎসা
- : ৪। হিয়ারিং এইডস
- : ৫। অপারেশন ল্যাম্প।
রপ্তানি দ্রব্য : ক্রেতা দেশ
তৈরি পোশাক : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন
পাট ও পাটজাত দ্রব্য : যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মান, জাপান, ভারত, রাশিয়া, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি।
চা : পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, জার্মান, রাশিয়া, ফ্রান্স, ইটালি।
চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য : যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, জাপান, কোরিয়া, ভারত, বেলজিয়াম, পোল্যান্ড।
হিমায়িত খাদ্য : ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড, মধ্যপ্রাচ্য।
গার্মেন্টস শিল্প ও সাবির্ক ব্যবস্থাপনা : -
বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের যাত্রা শুরু : ১৯৮০ এর দশকের গোড়ায় দিকে
বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান : অষ্টম স্থান অধিকারের মর্যাদা লাভ করেছে।
কটন স্পিনিং মিলের সংখ্যা : ৩৯২ টি।
৩৯২ টি মিলের উৎপাদন ক্ষমতা : ২০৭৫ মিলিয়ন কেজি।
উইভিং মিলের সংখ্যা : ৭৮২ টি এবং এর উৎপাদন ক্ষমতা ২৬৫০ মিলিয়ন মিটার;
স্পেশালাইজড টেক্সটাইল ও পাওয়ার লুম ইউনিট : ১০৬৫ টি এবং উৎপাদন ক্ষমতা ৪০০ মিলিয়ন মিটার।
২০১৩-১৪ অর্থ বছরের জুলাই-জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের বানিজ্য ঘাটতির পরিমাণ : পূর্ববতী অর্থ বছরের একই সময়কালে ৪,২৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে শতকরা ৩৫.০২ ভাগ হ্রাস পেয়ে ২,৭৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়ায়।
আয় হিসাবে ঘাটতি : শতকরা ৮.৫৫ ভাগ এবং মাধ্যমিক আয় প্রবাহ খাতে ঘাটতি শতকরা ৭.০৭ ভাগ বৃদ্ধি পায়।
সেবা পূর্ববর্তী অর্থ বছরের তুলনায় : শতকরা ১৫.৭৯ ভাগ বৃদ্ধি পায় যার
চলতি হিসাবে উদ্বৃত্তের পরিমান : শতকরা ৪৬.৬১ ভাগ বৃদ্ধি পেয়ে ২১২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়ায়,
পূর্ববতী অর্থ বছরের একই সময়ে উদ্বৃত্তের পরিমান ছিল : ১,৪৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২০১৩-১৪ অর্থ বছরের জুলাই-জানুয়ারি পর্যন্ত সার্বিক লেনদেন ভারসাম্যে উদ্বৃত্তের পরিমাণ দাঁড়ায় : ২৭৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
পূর্ববর্তী অর্থ বছরের একই সময়ে এ খাতে উদ্বৃত্তের পরিমাণ ছিল : ২,৯২৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২০১৩ সালে কাজের সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে : ৪,০৯,২৫৩ জন বাংলাদেশী নাগরিক
২০১৩-১৪ অর্থ বছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়কালে রেমিটেন্স এসেছে : ৯২০৬.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা পূর্ববর্তী অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪.২ ভাগ বেশি।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশেী রেমিটেন্স আসে : সৌদি আরব থেকে
- : -
এ উপমহাদেশে প্রথম ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু হয় : মোগল আমলে।
বাংলাদেশে তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা : ৫৬ টি।
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম : বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় : ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধানের পদবী : গভর্নর।
প্রথম গভর্নরের নাম : আ ন ম হামিদুল্লাহ
বর্তমান (২০১৪) গভর্নরের নাম : ডঃ আতিউর রহমান
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয় ছাড়া : ১০ টি শাখা অফিস রয়েছে।
প্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প হিসেবে কাজ শুরু করে : ১৯৭৬ সালে।
গ্রামের ভূমিহীন ও দারিদ্র জনসাধারণদের ঋন দেয় : গ্রামীণ ব্যাংক।
পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংকের যাত্রা শুরু করে : ১৯৮৩ সালে
মাইক্রো ক্রিডিট সম্মেলনের অন্যতম উদ্যোক্তা : বাংলাদেশের গ্রামীণ ।
গ্রামীণ ব্যাংক এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য : জামানত ছাড়া ঋণদান।
গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথমচালু করে। : মালয়েশিয়া
গ্রামীণ ব্যাংকটি একটি বিশেষ : ঋণদানকারী সংস্থা।
বাংলাদেশের আই এফ আই সি ব্যাংক : দীর্ঘ দিন মালদ্বীপের কেন্দীয় ব্যাংক হিসাবে কাজ করে।
ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়। : ১৯৮৩ সালে
বিদেশি মালিকানায় বানিজ্যিক ব্যাংক : ৯টি ।
বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম বেসরকারি ব্যাংক : আরব বাংলাদেশ ব্যাংক লিঃ।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়। : ১৯৭৩ সালে
বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক : উন্নয়ন ব্যাংক।এর ঋন দেয়ার উদ্দেশ্য আন্ত-কর্ম সংস্থান সৃষ্টি করা।
কর্ম সংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় : ১৯৯৮ সালে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর : আ ন ম হামিদুল্লাহ
দেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক : আরব বাংলাদেশ ব্যাংক
গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প চালু হয় : ১৯৭৬ সালে
গ্রামীণ ব্যাংক এর জনক : ডঃ ইউনূস
বীমা হলো : এমন একটি যৌথ ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ঝুঁকির আওতাধীন বা ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে এমন ব্যক্তি বর্গের মাধেয় বন্টন করা যায়।
- : বীমা হলো ঝুঁকির বিপক্ষে এক ধরনের আর্থিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- : মানুষের জীবন ও সম্পত্তির ঝুঁকির হলো এর বিয়ষ বস্তু।
বিমা গ্রহীতার উদ্দেশ্য হলঃ : অর্থনৈতিক নিরাপত্তা লাভ, মানসিক প্রশান্তি অর্জন, সঞ্চয়ের সুবিধা লাভ।
বাংলাদেশে বীমা ব্যবসায়ের সমস্যা হলঃ : দুর্বল অর্থনৈতি, মূল্ধনের অভাব, সঞ্চ্যের সীমিত হার, শিল্প খাতের দুর্বলতা, ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা।
মানুষের জীবনের ওপর সম্পাদিত : বীমা চুক্তিকেই জীবন বীমা বলে।
বাংলদেশ সরকারের মালিকানাধীনে পরিচালিত জীবন বীমা সংশ্লিষ্ট একক প্রতিষ্ঠানটিই হলো : জীবন বীমা কর্পোরেশন।

20/03/2020

৪১তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি
পরীক্ষার হলে অনেক সময় Singular Number ও Plural Number খুব মুশকিলের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। আশাকরি এ পোস্ট পড়ার পর এ সমস্যা আর হবে না।
★★★★★★★★★★★★★★★
★★★★★
যে-সব Singular Number এর শেষে "UM"
আছে;সে-সব Singular Number কে Plural
Number করতে "UM" এর পরিবর্তে "A" যুক্ত
করতে হবে।
Example:
Singular--------Plural
Datum ---------Data
Agendum-------Agenda
Dictum ----------Dicta
Optimum-------Optima
Addendum ------Addenda
যে-সব Singular Number এর শেষে "IS"
আছে;সে-সব Singular Number কে Plural
Number করতে "IS" এর পরিবর্তে "ES"
যুক্ত করতে হবে।
Example:
Singular ---------Plural
Analysis---------Analyses
Crisis -----------Crises
Oasis ------------oases
Synopsis ----------Synopses
যে-সব Singular Number এর শেষে "US"
আছে;সে-সব Singular Number কে Plural
Number করতে "US" এর পরিবর্তে "I"
যুক্ত করতে হবে।
Example:
Singular --------Plural
Alumnus --------Alumni
Focus ------------Foci
Radius-----------Radii
যে-সব Singular Number এর শেষে "U"
আছে;সে-সব Singular Number কে Plural
Number করতে "U" এর পর "X"
যুক্ত করতে হবে।
Example:
Singular--------Plural
Adieu --------Adieux
Bureau --------Bureaux
যে-সব Singular Number এর শেষে "A"
আছে;সে-সব Singular Number কে Plural
Number করতে "A" এর পর "E" যুক্ত করতে
হবে।
Example:
Singular--------Plural
Alumana--------Alumanae
Vertebra---------vertebrae
যে-সব Singular Noun এর শেষে "ON"
আছে;সে-সব Singular Noun কে Plural
Noun করতে "ON" এর পরিবর্তে "A"
যুক্ত করতে হবে।
Example:
Singular--------Plural
Criterion --------Criteria
Phenomenon--Phenomena
যে-সব Singular Number এর শেষে "IX" ও
"EX"
আছে;সে-সব Singular Number কে Plural
Number করতে "IX" ও "EX" এর পরিবর্তে "ICES"
যুক্ত করতে হবে।
Example:
Singular--------Plural
Index -----------Indices
Vertex------------vertices
Appendix -----Appendices
Radix ----------Radices.
যে-সব Singular Number এর শেষে "F" ও
"FE"
আছে;সে-সব Singular Number কে Plural
Number করতে "F" ও "FE" এর পরিবর্তে "VES"
যুক্ত করতে হবে।
Example:
Singular--------- Plural
-f/fe ---ves
Life----------- lives
Wife---------- wives
Leaf---------- leaves
Written & Edited By : S M Shamim Ahmed

17/03/2020

#হাইভোল্টেজ_সাম্প্রতিক_তথ্য
১) চীনের বাহিরে প্রথম কোন দেশে করোনা ভাইরাস আক্রমণ করেছে?
উঃ ফিলিপাইন (চীনের বাহিরে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত
দেশ দক্ষিণ কোরিয়া কিন্তু প্রথম আক্রান্ত দেশ ফিলিপাইন)
২) বেক্সিট কার্যকর হয়-৩১জানুয়ারি।
৩) মুজিব বর্ষের গণনা শুরু হয় কবে? মুজিব বর্ষের লোগো কে ডিজাইন করেন?
উঃ ১০ জানুয়ারি ২০২০। সব্যসাচী হাজরা
৪) ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয় কবে? দৈর্ঘ্য কত?
উঃ ১২ মার্চ ২০২০, ৫৫কি.মি.
৫) কোন দেশ কমনওয়েলথ থেকে বের হয়ে সম্প্রতি আবার কমন ওয়েলথ এ যোগ দিয়েছে?
উঃ মালদ্বীপ (৫৪)
৬) যুক্তরাষ্ট্র এবং তালেবানদের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়, কখন হয়?
উঃ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, কাতারের রাজধানী দোহা।
৭) বাংলাদেশ ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান কার, কোনটাতে কত?
উঃ লিটন কুমার দাস ১৭৬ (১৪৩) বিপক্ষ জিম্বাবুয়ে ৩য় ওয়ানডেতে
তারিখ- ৬ মার্চ ২০২০
৮) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) করোনাকে মহামারি ঘোষনা করে কবে?
উঃ ১১ মার্চ ২০২০।
৯) বাংলাদেশ কততম দেশ হিসেবে কোভিড-19 সনাক্ত করে এবং কত তারিখ
উঃ ১০৭ তম ৮ মার্চ ২০২০
১০) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুজিববর্ষ উপলক্ষে কোন বিশ্ববিদ্যালয় ডক্টর অব লজ উপাধি দেবে? কত তারিখে?
উত্তরঃঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
১১) আইসোলেশন ইউনিট’ কী?
উত্তরঃ সংক্রামক রোগীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা।
১২) করোনা কোন ভাষার শব্দ এবং এর অর্থ কী?
উঃ ল্যাটিন শব্দ, অর্থ- মুকুট
১৩) কোন দেশ আইসিসি উইমেন্স টি-২০ বিশ্বকাপ-২০২০ এর চ্যাম্পিয়ন?
উঃ অস্ট্রেলিয়া( রানার্স আপ-ভারত)।
১৪) বর্তমানে স্থলবন্দর কতটি ও সর্বশেষ স্থল বন্দরের নাম কি?
উঃ ২৪টি। শেওলা স্থলবন্দর, বিয়ানীবাজার , সিলেট
১৫) করোনা ভাইরাস কোথায় থেকে উৎপত্তি এবং কতো তারিখে?
উঃ চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানে, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯।
১৬) আইনের শাসন সূচকে বাংলাদেশ কততম?
উঃ ১২৮ টি দেশের মধ্যে ১১৫ তম।
১৭) বর্তমানে তফসিল ভুক্ত ব্যাংক কতটি?
সর্বশেষ তফসিল ভুক্ত ব্যাংক কোনটি?
উঃ ৬০ টি,বেঙ্গল কর্মাশিয়াল ব্যাংক
১৮) কোন সালকে মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
উঃ ১৭ ই মার্চ ২০২০-২৬ মার্চ ২০২১ সালকে
১৯) নারী দিবস সম্মাননা পুরস্কার ২০২০ কে পেয়েছে ?
উ: রোকেয়া রফিক বেবি
২০) ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ কত তারিখে মারা যান?
উঃ২০ ডিসেম্বর, ২০১৯
২১) Iedcr এর পূর্ণরূপ কি?এর মহাপরিচালক কে?
উঃ Institute of epidemiology disease control and research, মহাপরিচালক: মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা
২২) সর্বশেষ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড?
উ:যমুনা ব্যাংক (১১তম)

09/03/2020

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ (বাংলার ম্যাগনাকার্টা/বাংলার মুক্তির সনদ)
---------------------------------------------
★ তারিখ: ৭ই মার্চ ১৯৭১ সাল(রবিবার)।
★ শুরুর :বিকেল ৩টা ২০মিনিট।
★ স্থান : তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান, ঢাকা।
★ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ভিডিও রেকর্ড ওকরেন,
" অাবুল খায়ের" ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পাকিস্তান
ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম কর্পোরেশন। তিনি এ ভাষণটি
রেকর্ড করার জন্য ২০১৪ সালে মরণোত্তর স্বাধীনতা
দিবস পদক লাভ করেন।
★ ৭ মার্চের ভাষণের সাউন্ড রেকর্ডকারী-
এ এইচ খন্দকার।
★ ভাষণের স্থায়িত্ব : ১৯ মিনিট/১৮ মিনিট।
★মোট শব্দ : ১১০৮টি
★ ভাষণটি অনূদিত হয়েছে :১২ টি ভাষায়।
★ রেসকোর্সে উপস্থিত ছিল: প্রায় ১০ লাখ মানুষ।
★ মাইকের নাম-"কল রেডি"।
★ ভাষণে উপস্থাপন করা হয় : ৪ দফা দাবি।
★ দাবি ৪ টি হলো:
১. সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে।
২. সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে।
৩. এই গণহত্যার তদন্ত করতে হবে।
৪. নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির নিকট ক্ষমতা
হস্তান্তর করতে হবে
★ মূল বক্তব্য: "এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম,
এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার
সংগ্রাম"।
★উল্লেখযোগ্য অংশ : "রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও
দেব। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো
ইনশাল্লাহ"।
★এই সময় ৩ মার্চ থেকে অসহযোগ আন্দোলন
চলছিলো।
★ ভাষণের প্রেক্ষাপট :১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠী এই দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বিলম্ব করতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান ৩রা মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন আহ্বান করেন। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে ১লা মার্চ এই অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি ঘোষণা করেন। এই সংবাদে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ২রা মার্চ ঢাকায় এবং ৩রা মার্চ সারাদেশে একযোগে হরতাল পালিত হয়। তিনি ৩রা মার্চ পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত এক বিশাল জনসভায় সমগ্র পূর্ব বাংলায় সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এই পটভূমিতেই ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানের জনসভায় বিপুল সংখ্যক লোক একত্রিত হয়; পুরো ময়দান পরিণত হয় এক জনসমুদ্রে। এই জনতা এবং সার্বিকভাবে সমগ্র জাতির উদ্দেশ্যে শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণটি প্রদান করেন।
★ ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর UNESCO এই ভাষণকে
Memory of the World Register এর অন্তর্ভুক্ত
করে।
- ইউনেস্কোর আন্তর্জাতিক পরামর্শক কমিটি (IAC)
১৩০টি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ দলিল, নথি ও
বক্তৃতার মধ্যে ৭৮টি বিষয়কে নির্বাচিত করে, এর
মধ্যে ৭ মার্চ ভাষণের অবস্থান ৪৮তম
- ফ্রান্সের প্যারিসে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী
প্রতিনিধি মোঃ শহিদুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধ
জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক বাংলাদেশের পক্ষ
থেকে ৭ মার্চ ভাষণের স্বীকৃতির জন্য ১২ পৃষ্ঠার
একটি আবেদন পত্র প্রেরণ করেন।
- স্বীকৃতির স্বপক্ষে ১০টি প্রয়োজনীয় তথ্য, নথি ও
প্রমাণপত্র জমা দেয়া হয়।
★ প্যারিসে ইউনেস্কো কার্যালয়ে অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা
দেন মহাপরিচালক ইরিনা বেকোভা।
★ ব্রিটিশ ঐতিহাসিক জ্যাকব এফ ফিল্ডের ভাষণ
সংকলন "The Speech the Inspired History"
এ বিশ্বের সেরা ৪১টি ভাষণের মধ্য স্থান পেয়েছে ৭ই
মার্চের ভাষণ।
★ জ্যাকবের বইয়ে ভাষণটির শিরোনাম দেয়া হয়েছে
The Struggle : This Time is the Struggle for
Independence.
★বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট
আব্রাহাম লিংকনের গেটিসবার্গ বক্তৃতার সাথে
তুলনা করা হয়
★"শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ কেবল
একটি ভাষণ নয়,এটি একটি অনন্য রণকৌশলের
দলিল" উক্তিটি করেছেন --কিউবার অবিসংবাদিত
নেতা ফিদেল ক্যাস্ট্রো।
★ "৭ মার্চের ভাষণ আসলে ছিল স্বাধীনতার মূল
দলিল" উক্তিটি করেছেন--বর্ণবাদবিরোধী নেতা
নেলসন ম্যান্ডেলা।
★১৩ নভেম্বর ২০১৭-তে ঐতিহাসিক এ ভাষণের উপর
একটি বিশ্লেষণধর্মী বই "বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ:
রাজনীতির মহাকাব্য" শিরোনামে আইসিটি
মন্ত্রণালয় থেকে ই-বুক ও মোবাইল অ্যাপ হিসেবে
উদ্বোধন করা হয়।

15/02/2020

টপিক: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
প্রিলিমিনারি,লিখিত ও ভাইভা একসাথে কভার হবে এরকম একটি লেখায়।
এটি পড়লে একথা হলফ করে বলতে পারি কোন না কোন ভাবে কাজে লাগবে।
---------------------------------------------------------------
★বর্তমান বিশ্ব রাজনীতি ও ক্ষমতার ভারকেন্দ্র সম্পর্কে জানতে হলে আমাদেরকে অতীতের ইতিহাস জানা দরকার। কারণ আমরা জানি, অতীতের নানা ঘটনাই বর্তমান ও ভবিষ্যতের রাজনীতি ও মানচিত্র নির্ধারণ করে দেয়। ১৯১০-৫০ এর মধ্যে দুই বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে গঠন করা হয় জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও ন্যাটোর মত সংগঠন।
একনজরে ১৯১০-১৯৫০ সালের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো দেখে নেই– ১. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) ২. বলশেভিক বা রুশ
বিপ্লব (১৯১৭) ৩. ভার্সাই চুক্তি (১৯১৯) ৪. তুরস্কে কামাল আতাতুর্কের উত্থান (১৯২০) ৫. ১৯৩০ এর বিশ্বমন্দা ৬. ভারতে গান্ধীর অহিংস আন্দোলন (১৯২০-৪০) ৭. হিটলারের ক্ষমতায় আরোহন (১৯৩৩) ৮. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-৪৫) ৯. জাতিসংঘ গঠন (১৯৪৫) ১০. বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ গঠন (১৯৪৫) ১১. ট্রুম্যান ডকট্রিন (১৯৪৭) ১২. মার্শাল পরিকল্পনা পেশ (১৯৪৮) ১৩. ভারত-পাকিস্তানের জন্ম (১৯৪৭) ১৪. ন্যাটো গঠন (১৯৪৯) ১৫. চীনে কম্যুনিস্ট বিপ্লব (১৯৪৯) ১৬. সোভিয়েত ইউনিয়ন পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হওয়া (১৯৪৯) ১৭. পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি নামে দুটো রাষ্ট্রের জন্ম (১৯৪৯)।
*******************************************
১ম বিশ্বযুদ্ধ সম্পূর্ণ ঘটনাবলীঃ
--------------------------------------
ভূমিকাঃ
-----------------------------------
‘গ্রেট ওয়ার’ হিসাবে পরিচিত প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বা WW1 বা বিশ্বযুদ্ধ-১ একটি বৈশ্বিক যুদ্ধ যেটি ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই ইউরোপে শুরু হয় এবং ১১ নভেম্বর ১৯১৮ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।
সংবাদ সংগঠন অ্যাসোসিয়েট প্রেসের ranking অনুযায়ী গত বিংশ শতাব্দির গুরুত্বপূর্ণ আটটি ঘটনার একটি হলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর প্রাক্কালে বলতে গেলে কয়েকটি রাষ্ট্র বা সাম্রাজ্য পুরো বিশ্বকে শাসন করতো। যেমন:
★গ্রেট বৃটেন- নিউজিল্যান্ডে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ইউরোপের বিশাল অঞ্চল, আরো অনেক দেশসহ, দক্ষিণ আফ্রিকা, আফ্রিকা থেকে দক্ষিণ এশিয়া পর্যন্ত ছিল এর বিস্তৃতি।
★ফ্রান্স- আলজেরিয়া, মরক্কো, লিবিয়া, বেনিন, ইথিওপিয়া সহ উত্তর আফ্রিকার অনেক দেশ ছিল তাদের রাশিয়ান সাম্রাজ্য- পূর্ব ইউরোপের অনেকটাসহ এশিয়ার উত্তর ভাগের পুরোটাই তাদের দখলে ছিল।
★অস্ট্রো-হাঙ্গেরি(বা অস্ট্রিয়া-হাঙ্গ
েরি) সাম্রাজ্য- বর্তমান অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরিসহ বসনিয়া, স্লোভেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, স্লোভাকিয়া, চেক রিপাবলিক; সার্বিয়া ও রোমানিয়ারর বড় অংশ; ইটালি, মোন্টেনেগ্রো, পোল্যান্ড ও ইউক্রেনের কিছু অংশ এই সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
★জার্মান সাম্রাজ্য- দেশ হিসেবেই তারা ছিল তখন যথেষ্ট শক্তিশালী। আফ্রিকা আর প্রশান্ত মহাসাগরের কিছু ছোট দ্বীপ ছিল তাদের কলোনী।
★উসমানি খেলাফত- দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ, পশ্চিম এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকার অংশবিশেষ ছিল এই সাম্রাজ্যের অংশ।
এ সাম্রাজ্যগুলো তাদের মিত্র দেশগুলোকে সাথে নিয়ে ইউরোপ, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, প্যাসিফিক আইসল্যান্ড Pacific Islands, চীনা, ভারত মহাসাগর, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলীয় এলাকা জুড়ে ৪বছর, ৩মাস, ২সপ্তাহ ব্যাপী যে যুদ্ধ চালিয়ে ছিল সে নিষ্ঠুর নৃশংসতার নাম প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
********************************************
প্রেক্ষাপট ও সূচনাঃ
----------------------------
১৯১৪ সালে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফ্রানজ ফার্ডিনান্ডকে হত্যাই মূলত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করে। ১৯১৪ সালের ২৮ জুন বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভো শহরে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফ্রানজ ফার্ডিনান্ড এক সার্বিয়াবাসীর গুলিতে সস্ত্রীক নিহত হন। অস্ট্রিয়া এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সার্বিয়াকে দায়ী করে এবং ওই বছরের ২৮ জুন সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এ যুদ্ধে দুদেশের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো ধীরে ধীরে জড়িয়ে পড়ে। এভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪-১৯১৮) সূচনা হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে একপক্ষে ছিল অস্ট্রিয়া, জার্মানি, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, যাদের বলা হতো কেন্দ্রীয় শক্তি। আর অপরপক্ষে ছিল সার্বিয়া, রাশিয়া, ব্রিটেনে, ফ্রান্স, জাপান, ইতালি ও আমেরিকা। যাদের বলা হতো মিত্রশক্তি।
-------------------//---------------------//------------------
যেভাবে বিশ্বযুদ্ধে মোড় নেয়ঃ
---------------------------------------
যুবরাজ ফার্ডিনান্ড এর হত্যাকান্ডের পর সার্বিয়া একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে কিন্তু অস্ট্রিয়া একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয় প্রতিবেদন পেশ করার জন্য এবং বিচারের কিছু শর্ত বেঁধে দিয়ে তদন্ত কমিটিতে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়ান সাম্রাজ্যের প্রতিনিধি নিয়োগের দাবী জানায়। কিন্তু সার্বিয়া এর সব শর্ত মানতে অস্বীকার করে। তখন জার্মান সম্রাট দ্বিতীয় উইলহেইম অস্ট্রিয়াকে সম্পুর্ন সমর্থন দেবার ঘোষনা দেয় এবং অস্ট্রিয়ান দাবীর সাথে সহমত পোষন করে। আক্রমানাত্মক পদক্ষেপ নেবার জন্য জার্মান সমর্থন অস্ট্রিয়ার জন্য ব্যাপক প্রয়োজনীয় ছিল, কিন্তু জার্মানী-অস্ট্র
িয়ার এই যৌথ শক্তি’র উত্থানের বিপক্ষে জার্মানীর ২ প্রতিবেশী ফ্রান্স এবং রাশিয়া সার্বিয়ার পেছনে এসে দাড়ায়। এবং অস্ট্রিয়ার দ্বারা সার্বিয়া আক্রমনের পরপর ভিন্ন ভিন্ন চুক্তি অনুসারে জার্মানী-অস্ট্রিয়ার সাথে ফ্রান্স- রাশিয়া যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। অন্য একটি জার্মান-অটোমান চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া যুদ্ধে যোগ দিলে অটোমান সাম্রাজ্য জার্মানীর পক্ষে যুদ্ধে যোগ দেয়ার কথা ছিল, তাই অটোমান সাম্রাজ্যও যুদ্ধে যোগ দেয়। জার্মানী নিরপেক্ষ দেশ বেলজিয়াম আক্রমন করলে তখন পূর্ব চুক্তি অনুযায়ী ব্রিটেন জার্মানীর বিপক্ষে যুদ্ধে ঘোষনা করে। ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় বলশেভিক ( কম্যুনিস্ট) বিপ্লবের ফলে রাশিয়া যুদ্ধ ত্যাগ করে। কিন্তু ফ্রান্স-ব্রিটেনকে রসদ যোগান দেয়ার অভিযোগে জার্মান সাবমেরিন যখন ৭টি যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ ডুবিয়ে দেয় তখন যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত যুদ্ধে যোগ দিয়ে এটাকে বিশ্বযুদ্ধ রূপ দেয়। মুলত এরপরই জার্মান পরাজয় নিশ্চিত হয়।
*******************************************
বিশ্বযুদ্ধের কারণঃ
-------------------------
★হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্যের যুবরাজ আর্চডিউক ফ্রানজ ফার্দিনান্দকে হত্যাই মূলত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করে।
★তবে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ হত্যাকাণ্ডই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের একমাত্র কারণ ছিল না। অন্যতম একটি কারন বলে চিন্হিত করা যায়, নব্য ও উগ্র জাতীয়তাবাদের প্রসার।
★ অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়ান সাম্রাজ্য, অটোমান সাম্রাজ্য ২টিই তাদের মানচিত্রের বিভিন্ন অংশে এবং মূলত বলকান অঞ্চলে জাতীয়তাবাদীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে এলাকা হারাচ্ছিল।
★ রাশিয়ার সম্রাট ( জার ) ধর্মীয় ( খ্রিষ্টান অর্থোডক্স ) ও ( স্লাভিক ) জাতীগত নৈকট্যের কারনে এবং রাশিয়ান নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে ও জাতীয় “”প্রাইড”” সমুন্নত রাখতে সার্বিয়ানদের পাশে দাড়ায়। ১৮৭৮ এর যুদ্ধে জার্মানীর নিকট পরাজিত ফ্রান্স জাতীগতভাবেই জার্মানীর বিরোধীতাকারী ছিল। এবং আরো বেশী শক্তিশালী জার্মানী মানেই ফরাসী জাতি’র জন্য হুমকি।আর যেই হত্যাকান্ড নিয়ে এত কাহিনী সেটাও জাতীয়তাবাদীরই কাজ।
★ অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়ান সাম্রাজ্যের দক্ষিনের একটি অংশকে সার্বিয়ার সাথে একীভুত করার লক্ষ্যেই এক উগ্র জাতীয়তাবাদী সার্ব বসনিয়াক, যুবরাজ ফার্ডিনান্ডকে প্রকাশ্য রাজপথে গুলি করে হত্যা করে।
★ তাছাড়া উনিশ শতকে শিল্প বিপ্লবের কারণে সহজে কাঁচামাল সংগ্রহ এবং তৈরি পণ্য বিক্রির জন্য উপনিবেশ স্থাপনে প্রতিযোগিতা এবং আগের দ্বন্দ্ব-সংঘাত ইত্যাদিও প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের কারণ।
★ কিছুক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপও এই যুদ্ধ শুরুর অন্যতম কারণ বলে বিবেচনা করা হয়। যেমন: জার্মান ডুবোজাহাজের অবাধ চলাচলের ফলে লুসিটানিয়া নামের একটি বৃটিশ যাত্রীবাহী জাহাজ ডুবে যাওয়া; এবং জিমারম্যানের একটি নোট, যেখানে লেখা ছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে জার্মানদের কূটচালের কথা। ভার্সাই চুক্তির ফলে জার্মান তার অধিকৃত অনেক এলাকা ছেড়ে দিতে এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ পরিশোধ করতে বাধ্য হয়। সেসময়ের মার্কিন রাষ্ট্রপতি উইলসন ভার্সাই চুক্তি সম্পাদন করেন কিন্তু তিনি সিনেটকে দিয়ে এটি অনুমোদন করাতে ব্যর্থ হন।
*******************************************
প্রভাব ও পরিনামঃ
--------------------------
★ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলে জার্মান-অ্যাস্ট
্রো-হাঙ্গেরিয়ান, অটোমান ও রোমান সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। ৩টি সাম্রাজ্যের পতন হয়, নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয় এবং বিশ্বের মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে
★এই মহাযুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্য ও ভিয়েতনামে ঔপনিবেশিক বিদ্রোহের সূচনা হয়।
★ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ অামেরিকানদের সংস্কার ও নৈতিক ধর্মযুদ্ধের বিশ্বাস ধ্বংস করে।
★প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলে নারীর ভোটাধিকার নিষেধ এবং সুশীল সমাজের তিক্ত তর্কের একটি সুদূর প্রসারী প্রভাব দেখা দেয়।
*******************************************
ফলাফলঃ
--------------
★ প্রথম বিশ্বযুদ্ধে দেড় কোটি মানুষ নিহত হয়। প্রায় এবং ২ কোটি মানুষ আহত হয়। এই মহাযুদ্ধে প্রায় ১৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রত্যক্ষ ও ১৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পরোক্ষ খরচ হয়। যেটি ইতোপূর্বে ঘটিত যেকোনো যুদ্ধ ব্যয়ের চেয়ে অনেক বেশি।
★৩টি সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। রোমান সাম্রাজ্য ১৯১৭ সালে, জার্মান ও অ্যাস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্য ১৯১৮ সালে এবং অটোমান সাম্রাজ্য ১৯২২ সালে।
★ অস্ট্রিয়া, চেক স্লোভাকিয়া, এস্তোনিয়া, হাঙ্গেরি, লাটভিয়া, লিথুনিয়া এবং তুরস্ক স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
★ অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা অধিকাংশ আরব এলাকা বৃটিশ ও ফরাসি সাম্রাজ্যের অধীনে আসে।
★ ১৯১৭ সালে বলশেভিকরা রাশিয়ার এবং ১৯২২ সালে ফ্যাসিস্টরা ইতালির ক্ষমতায় আরোহন করে।
★ এ যুদ্ধের অন্য ফল হলো,অামেরিকানরা তুরস্কে গণহত্যা চালায় এবং ইনফ্লুয়েঞ্জায় বিশ্বব্যাপী ২৫ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়।
*******************************************
অজানা কিছু তথ্য:
--------------------------
★ ময়দানে যখন শত্রুপক্ষ আর মিত্রপক্ষের যুদ্ধ চলছিল ঠিক তখন একদল সৈনিক খুব গোপনে শত্রুপক্ষের পরিখাগুলোর নিচে টানেল খুড়তে ব্যস্ত ছিল।প্রায় ১০০ ফুট নিচ দিয়ে এইসব টানেল খোড়া হয়েছিল বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে। বেলজিয়ামের মেসিন রিজে প্রায় নয় লক্ষ পাউন্ডের এক্সপ্লোসিভ ফাটানো হয়েছিল। যার ফলশ্রুতিতে শত্রুপক্ষ একেবারে পর্যদুস্ত হয়ে পরে। আর সেই বোমা ফাটার আওয়াজ শোনা গিয়েছিল ১৪০ মাইল দূরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ডাউনিং স্ট্রিট থেকেও।
★প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সাংবাদিকদের জন্য মোটেই সুখের ছিল না। জীবনের ঝুকি নিয়ে অনেক সাংবাদিক যুদ্ধক্ষত্রের সংবাদ সংগ্রহ করেছিল। তবে ব্রিটিশ সরকার ব্যপারটা মোটেই ভালো চোখে দেখেনি, তাদের মনে হয়েছে এই তথ্য শত্রুপক্ষের জন্য সুবিধা হয়ে দাড়াতে পারে। আর তাই যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়। নিষেধ অমান্য করলে শাস্তি ছিল মৃত্যুদন্ড পর্যন্ত।
★প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১২ মিলিয়ন চিঠি পাঠানো হত রণক্ষেত্রে। যুদ্ধশেষ হতে হতে মোট সংখ্যাটি দাঁড়ায় প্রায় ২০০ কোটি।
★ যুদ্ধ মাঝেমাঝে কিছু কিছু গবেষণা ত্বরান্বিত করে। এই যেমন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বিজ্ঞানী ও শৈল্যচিকিৎসক হ্যারন্ড গিলিস যুদ্ধাহত সৈনিকদের ক্ষত ও অঙ্গহানি দেখে মর্মাহত হন। বিকৃত হয়ে যাওয়া মুখমন্ডল ও অন্যান্য ক্ষত সারানোর জন্য তিনি প্লাস্টিক সার্জারীর ধারণার প্রভূত উন্নতি সাধন করেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়।
★ ব্লাড ব্যাংকেরও প্রভূত উন্নতি ঘটে যায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়টায়। সৈনিকরা নিয়মতি রক্তদানে অভ্যস্থ হয় এইসময়। লক্ষ লক্ষ আহত মানুষের জীবন রক্ষাত যেটি অনেক বড় ভূমিকা রাখে।
★ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ অনেকটাই হয়েছিল পরিখায়। মূলত এই পরিখায় যুদ্ধ হবার জন্যই অনেক সৈনিকের প্রাণ বেচে গিয়েছিল। প্রতি ১০ জন ব্রিটিশ সৈনিকের ৯ জনই বেঁচে ফিরতে পেরেছিল এই যুদ্ধের ময়দান থেকে।
★ যুদ্ধের দামামা বাজতেই দলে দলে দেশপ্রেমিক জনতা সৈনিকের কাতারে নাম লেখায়, যাদের অনেকেই ছিল কম বয়সী। সবচেয়ে কম বয়সী ব্রিটিশ সৈন্যর বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর, তার নাম সিডনি লুইস। এই রকম হাজারো তরুণের আত্মত্যাগেই এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
*******************************************
//যুবরাজের হত্যার পর, জার্মানীর হিসাবে ছিল যে, সার্বিয়ার বিরুদ্ধে একটি সংক্ষিপ্ত, আঞ্চলিক যুদ্ধে বিজয়ের সম্ভাবনা আছে। তাই তারা অস্ট্রিয়াকে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে সার্বিয়ায় হামলা করার অনুমুতি দিয়ে দেয়। যেটি হয় বিরাট ভুল।
জার্মানী অস্ট্রিয়াকে নজিরবিহীন সমর্থন দেয়ায় ভবিষ্যৎ জার্মান শক্তি’র সম্ভাবনায় আতংকিত ফ্রান্স এবং রাশিয়ার তরফ থেকে অনাকাঙ্খিত শত্রুতা ডেকে আনে।
রাশিয়া এবং ফ্রান্স সাথে সাথে যুদ্ধে যোগ দিলেও জার্মানী তাদের ভালই মোকাবেলা করছিল, কিন্তু ব্রিটেনের চোখে রাশিয়া এবং ফ্রান্সের তুলনায় একটি নতুন ও শক্তিশালী জার্মানী ছিল বড় হুমকী তাই তারা পূর্বের চুক্তি অনুযায়ী ও নিজেদের ক্ষমতার সুরক্ষিত করার জন্যই জার্মানীর বিপক্ষে যুদ্ধ ঘোষনা করে দেয়। ব্রিটেনের মত পরাশক্তির আগমন জার্মানীর জন্য ব্যাপক থ্রেট হয়ে দাড়ায়।
অভ্যন্তরীন রাজনৈতিক পরিবর্তনের মাঝেই রাশিয়া পরাজিত হয়ে যুদ্ধত্যাগ করে। ব্যাপক সৈন্য ও সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতি ও কম্যুনিস্ট প্রোপাগান্ডাই সম্রাটের পতন ও রাশিয়ার পরাজয় নিশ্চিত করে।
ইতিমধ্যেই ৩ বছর ধরে চলা যুদ্ধে এবং শীতকালে রাশিয়ার অভ্যন্তরে আক্রমন করে ব্যাপক ক্ষতির শিকার জার্মান সেনাবাহিনী অদুরদর্শীতার পরিচয় দেয় আমেরিকান জাহাজে আক্রমন করে। জার্মান নৌ-বাহিনীর আক্রমন ঘুমন্ত দৈত্য যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে ডেকে এনে চুড়ান্ত জার্মান পরাজয় নিশ্চিত করে! ( এমন স্ট্র্যাটেজিক ভুল জার্মানদের দ্বারাই সম্ভব তা আবারো প্রমানিত হয় ২য় বিশ্বযুদ্ধে )
কিন্তু যুদ্ধের পর পর সবাই যখন ভাবছিল যে এমন মানবসৃষ্ট দুর্যোগের আর পূনরাবৃত্তি ঘটবে না তখনই তৎকালীন বিজয়ী ও পরাজিত শক্তিগুলো এমন সব কান্ড করতে থাকে যেটি সদ্য সমাপ্ত যুদ্ধের চেয়েও ভয়াবহ এবং দুনিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিকারক।..
source: Newspapers, blog & other websites
!!
Collected

Address

Farmgate
Dhaka
0078

Telephone

01623923193

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BCS, BJS & University Admission Test Related Study. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to BCS, BJS & University Admission Test Related Study.:

Share