28/03/2020
বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য : (০৩)
শিল্প উৎপাদন : -
পাকশী কাগজের কলে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যব্যহৃত হয়। : আখের ছোবড়া
সরকারি নিউজ প্রিন্ট মিল : খুলনায় আবস্থিত।
- : এ মিলে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে গেওরা কাঠ।
সবুজ পাট হতে কাগজের মগু প্রস্তুত প্রযুক্তির উদ্ভাবন হয় : বাংলাদেশে।
বাংলাদেশে প্রথম চট্রগ্রামের চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী কাগজ মিল প্রতিষ্ঠিত হয়। : ১৯৫২ সালে
সার কারখানা : এ মিলের প্রধান কাঁচামাল হল বাঁশ।
বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানা : যমুনা সার কারখানা (তারাকান্দি, জামালপুর, ১৯৮৯)।
বেসরকারি খাতে একক বৃহত্তম সার কারখানাটির নাম : কর্ণফুলী সার কোং লিঃ (কাফকো)।
জাপানের আর্থিক সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত সার কারখানা : কাফকো
ইউরিয়া উৎপন্ন হয় : জিয়া সার কারখানা, পলাশ সার কারখানা, ঘোড়াশাল সার কারখানা, কর্ণফুলী সার কারখানা ও যমুনা সার কারখানায়
ট্রিপল সুপার ফসফেট সারকারখানাটি : চট্রগ্রাম অবস্থিত।
বাংলাদেশে মোট চিনি কল : ১৫ টি।
বাংলাদেশের বৃহত্তম চিনিকল : কেরু কোং লিঃ দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা।
বাংলাদেশের চিনি শিল্পের ট্রেনিং ইনস্টিটিউট : ঈস্বরদীতে অবস্থিত।
- : -
পাট শিল্প : -
বাংলাদেশে প্রথম পাটকল স্থাপিত হয় : ১৯৫১ সালে ।
পৃথিবীর বৃহত্তম পাটকল হিসাবে পরিচিত ছিল : আদমজী জুট মিল।
আদমজী পাটকল বন্ধ হয় : ৩০ জুন ২০০২ সালে ।
বাংলাদেশে প্রথম পরিকল্পিত গার্মেন্টস : দেশ গার্মেন্টস, চট্রগ্রাম।
প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা : খুলনায় আবস্থিত।
প্রধান রপ্তানি পন্য তৈরি : পোশাক।
বাংলাদেশের রেয়ন মিল : রাঙ্গয়ামাটিতে অবস্থিত।
খুলনা হার্ড-বোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় : সুন্দরী কাঠ
বাংলাদেশের টেলিফোন শিল্প সংস্থা : টঙ্গীতে অবস্থিত।
বাংলাদেশের অস্ত্র কারখানা এবং মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি : গাজীপুর অবস্থিত।
বাংলাদেশের বর্তমানে সিমেন্ট কারখানার সংখ্যা : ৬৫ টি।
দেশের প্রথম ঔষধ শিল্প পার্ক স্থাপিত হচ্ছে : গজারিয়া, মন্সীগঞ্জ।
বাংলাদেশের একমাত্র জ্বালানি তেল শোধনাগারটির নাম : ইস্টার্ন রিফাইনারি (চট্রগাম)।
সেশের প্রথম ইপিজেড : চট্রগ্রাম ইপিজেড
দেশে অস্ত্র কারখানা : গাজীপুর
অর্থনীতিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান : -
বাংলাদেশে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) : কুমিল্লায় অবস্থিত।
- : এটি ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- : এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আখতার হামিদ খান।
বাংলাদেশের গ্রামীন ব্যাংক প্রতিষ্ঠানটি : মাইক্রো ক্রেডিট সম্মেলনের অন্যতম উদ্যোক্তা।
কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় : ১৯৯৮ সন।
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA) : বগুড়ায় অবস্থিত।
বাংলাদেশের বানিজ্যিক রাজধানী বলা হয় : চট্রগ্রাম শহরকে
বাংলাদেশের বৃহত্তম এন জি ও : ব্রাক।
- : এর প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হোসেন আবেদন।
কেয়ার একটি : আমেরিকান এন জি ও ।
ইপিজেড : -
প্রথম ইপিজেড স্থাপিত হয় চট্রগ্রাম : ১৯৮৩ সালে।
- : বর্তমানে ইপিজেড ১০টি; সরকারি ৮ টি এবং বেসরকারি ২টি।
DEPZ : সাভারে অবস্থিত।
বাংলাদেশের বৃহৎ ইপিজেড হল : চট্রগ্রাম ইপিজেড।
উত্তরা ইপিজেডকে : কৃষিভিত্তিক হিসাবে গন্য করা হয়।
ইপিজেড চালু শিল্পের মধ্যে সর্বাধিক বিনিয়োগ : তৈরি পোশাক শিল্প।
পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ : -
আমদানি দ্রব্য : যে সব দেশ থেকে আমদানি করা হয়
খাদ্য শস্য : যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, থাইলেন্ড, ভারত
খনিজ তৈল : মধ্যপ্রাচ্য ও যুক্তরাষ্ট্র
কলকব্জা ও যন্তপাতি : যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য
পরিবহন যান ও কলকব্জা : জাপান, ভারত, ইটালি, ফ্রান্স, জার্মানি
প্রণীজ, ভেষজ তৈল ও চর্বি : অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া
রাসনিক দ্রব্য ও ঔষধ-পত্র : যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, থাইল্যন্ড, জাপান, ডেনমার্ক
লৌহ ও ইস্পাতজাত দ্রব্য : বেলজিয়াম, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, কানাডা
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশ পণ্য আমদানি করা হয় : চীন থেকে
বাংলাদেশে আমদানি নিষিদ্ধ কিছু পণ্যের নাম : ১। আফিম
- : ২। হেরোইন
- : ৩। জীবত শূকর
- : ৪। শূকরের পশম
- : ৫। টেন্ডো পাতা ইত্যাদি।
করমুক্ত আমদানী দ্রব্য : ১। ইনসুলিন
- : ২। অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র
- : ৩। প্রাথমিক চিকিৎসা
- : ৪। হিয়ারিং এইডস
- : ৫। অপারেশন ল্যাম্প।
রপ্তানি দ্রব্য : ক্রেতা দেশ
তৈরি পোশাক : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন
পাট ও পাটজাত দ্রব্য : যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মান, জাপান, ভারত, রাশিয়া, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি।
চা : পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, জার্মান, রাশিয়া, ফ্রান্স, ইটালি।
চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য : যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, জাপান, কোরিয়া, ভারত, বেলজিয়াম, পোল্যান্ড।
হিমায়িত খাদ্য : ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড, মধ্যপ্রাচ্য।
গার্মেন্টস শিল্প ও সাবির্ক ব্যবস্থাপনা : -
বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের যাত্রা শুরু : ১৯৮০ এর দশকের গোড়ায় দিকে
বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান : অষ্টম স্থান অধিকারের মর্যাদা লাভ করেছে।
কটন স্পিনিং মিলের সংখ্যা : ৩৯২ টি।
৩৯২ টি মিলের উৎপাদন ক্ষমতা : ২০৭৫ মিলিয়ন কেজি।
উইভিং মিলের সংখ্যা : ৭৮২ টি এবং এর উৎপাদন ক্ষমতা ২৬৫০ মিলিয়ন মিটার;
স্পেশালাইজড টেক্সটাইল ও পাওয়ার লুম ইউনিট : ১০৬৫ টি এবং উৎপাদন ক্ষমতা ৪০০ মিলিয়ন মিটার।
২০১৩-১৪ অর্থ বছরের জুলাই-জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের বানিজ্য ঘাটতির পরিমাণ : পূর্ববতী অর্থ বছরের একই সময়কালে ৪,২৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে শতকরা ৩৫.০২ ভাগ হ্রাস পেয়ে ২,৭৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়ায়।
আয় হিসাবে ঘাটতি : শতকরা ৮.৫৫ ভাগ এবং মাধ্যমিক আয় প্রবাহ খাতে ঘাটতি শতকরা ৭.০৭ ভাগ বৃদ্ধি পায়।
সেবা পূর্ববর্তী অর্থ বছরের তুলনায় : শতকরা ১৫.৭৯ ভাগ বৃদ্ধি পায় যার
চলতি হিসাবে উদ্বৃত্তের পরিমান : শতকরা ৪৬.৬১ ভাগ বৃদ্ধি পেয়ে ২১২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়ায়,
পূর্ববতী অর্থ বছরের একই সময়ে উদ্বৃত্তের পরিমান ছিল : ১,৪৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২০১৩-১৪ অর্থ বছরের জুলাই-জানুয়ারি পর্যন্ত সার্বিক লেনদেন ভারসাম্যে উদ্বৃত্তের পরিমাণ দাঁড়ায় : ২৭৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
পূর্ববর্তী অর্থ বছরের একই সময়ে এ খাতে উদ্বৃত্তের পরিমাণ ছিল : ২,৯২৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২০১৩ সালে কাজের সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে : ৪,০৯,২৫৩ জন বাংলাদেশী নাগরিক
২০১৩-১৪ অর্থ বছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়কালে রেমিটেন্স এসেছে : ৯২০৬.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা পূর্ববর্তী অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪.২ ভাগ বেশি।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশেী রেমিটেন্স আসে : সৌদি আরব থেকে
- : -
এ উপমহাদেশে প্রথম ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু হয় : মোগল আমলে।
বাংলাদেশে তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা : ৫৬ টি।
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম : বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় : ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধানের পদবী : গভর্নর।
প্রথম গভর্নরের নাম : আ ন ম হামিদুল্লাহ
বর্তমান (২০১৪) গভর্নরের নাম : ডঃ আতিউর রহমান
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয় ছাড়া : ১০ টি শাখা অফিস রয়েছে।
প্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প হিসেবে কাজ শুরু করে : ১৯৭৬ সালে।
গ্রামের ভূমিহীন ও দারিদ্র জনসাধারণদের ঋন দেয় : গ্রামীণ ব্যাংক।
পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংকের যাত্রা শুরু করে : ১৯৮৩ সালে
মাইক্রো ক্রিডিট সম্মেলনের অন্যতম উদ্যোক্তা : বাংলাদেশের গ্রামীণ ।
গ্রামীণ ব্যাংক এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য : জামানত ছাড়া ঋণদান।
গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথমচালু করে। : মালয়েশিয়া
গ্রামীণ ব্যাংকটি একটি বিশেষ : ঋণদানকারী সংস্থা।
বাংলাদেশের আই এফ আই সি ব্যাংক : দীর্ঘ দিন মালদ্বীপের কেন্দীয় ব্যাংক হিসাবে কাজ করে।
ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়। : ১৯৮৩ সালে
বিদেশি মালিকানায় বানিজ্যিক ব্যাংক : ৯টি ।
বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম বেসরকারি ব্যাংক : আরব বাংলাদেশ ব্যাংক লিঃ।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়। : ১৯৭৩ সালে
বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক : উন্নয়ন ব্যাংক।এর ঋন দেয়ার উদ্দেশ্য আন্ত-কর্ম সংস্থান সৃষ্টি করা।
কর্ম সংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় : ১৯৯৮ সালে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর : আ ন ম হামিদুল্লাহ
দেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক : আরব বাংলাদেশ ব্যাংক
গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প চালু হয় : ১৯৭৬ সালে
গ্রামীণ ব্যাংক এর জনক : ডঃ ইউনূস
বীমা হলো : এমন একটি যৌথ ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ঝুঁকির আওতাধীন বা ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে এমন ব্যক্তি বর্গের মাধেয় বন্টন করা যায়।
- : বীমা হলো ঝুঁকির বিপক্ষে এক ধরনের আর্থিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- : মানুষের জীবন ও সম্পত্তির ঝুঁকির হলো এর বিয়ষ বস্তু।
বিমা গ্রহীতার উদ্দেশ্য হলঃ : অর্থনৈতিক নিরাপত্তা লাভ, মানসিক প্রশান্তি অর্জন, সঞ্চয়ের সুবিধা লাভ।
বাংলাদেশে বীমা ব্যবসায়ের সমস্যা হলঃ : দুর্বল অর্থনৈতি, মূল্ধনের অভাব, সঞ্চ্যের সীমিত হার, শিল্প খাতের দুর্বলতা, ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা।
মানুষের জীবনের ওপর সম্পাদিত : বীমা চুক্তিকেই জীবন বীমা বলে।
বাংলদেশ সরকারের মালিকানাধীনে পরিচালিত জীবন বীমা সংশ্লিষ্ট একক প্রতিষ্ঠানটিই হলো : জীবন বীমা কর্পোরেশন।