S.hoque Builders

S.hoque Builders স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণে সহজ সমাধান।

রিয়েল এস্টেট ইতিহাস।ধারণা হিসাবে একজন ব্যক্তির সম্পত্তির মালিক হওয়ার প্রাকৃতিক অধিকার রোমান আইনের পাশাপাশি গ্রীক দর্শন...
19/11/2023

রিয়েল এস্টেট ইতিহাস।

ধারণা হিসাবে একজন ব্যক্তির সম্পত্তির মালিক হওয়ার প্রাকৃতিক অধিকার রোমান আইনের পাশাপাশি গ্রীক দর্শনের শিকড় হিসাবে দেখা যায়। [৪] মূল্যায়নের পেশাকে 1500-এর দশকে ইংল্যান্ডে শুরু হিসাবে দেখা যায় কারণ কৃষির প্রয়োজনে জমি পরিষ্কার করা এবং জমি প্রস্তুত করা প্রয়োজন। জরিপ বিষয়ক পাঠ্যপুস্তক লেখা শুরু হয় এবং ইংল্যান্ডে "জরিপকরণ" শব্দটি ব্যবহৃত হয়, যেখানে উত্তর আমেরিকায় "মূল্যায়ন" শব্দটি বেশি ব্যবহৃত হয়। [৫] প্রাকৃতিক আইন যাকে "সর্বজনীন আইন" হিসাবে দেখা যেতে পারে তা 15 এবং 16 শতকের লেখকদের মধ্যে আলোচনা করা হয়েছিল কারণ এটি "সম্পত্তি তত্ত্ব" এবং বিদেশী বিনিয়োগের সাথে সম্পর্কিত আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক এবং বিদেশে নাগরিকদের ব্যক্তিগত সম্পত্তির সুরক্ষা সম্পর্কিত। . এমেরিখ ডি ভ্যাটেলের 1758 সালের দ্য ল অফ নেশনস গ্রন্থে প্রাকৃতিক আইনের প্রভাব দেখা যায় যা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ধারণাকে ধারণ করেছিল। [৬]

" লুইসিয়ানা ক্রয় " নামে পরিচিত ইতিহাসের বৃহত্তম প্রাথমিক রিয়েল এস্টেট ডিলগুলির মধ্যে একটি 1803 সালে যখন লুইসিয়ানা ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তিটি পশ্চিমা সম্প্রসারণের পথ প্রশস্ত করে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে " লুইসিয়ানা টেরিটরি " এর মালিক করে তোলে কারণ ফ্রান্সের কাছ থেকে পনের মিলিয়নে জমি কেনা হয়েছিল, প্রতিটি একর প্রায় 4 সেন্ট করে। [৭] প্রাচীনতম রিয়েল এস্টেট ব্রোকারেজ ফার্মটি 1855 সালে শিকাগো, ইলিনয়েতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং প্রাথমিকভাবে "LD Olmsted & Co" নামে পরিচিত ছিল। কিন্তু এখন "বেয়ার্ড অ্যান্ড ওয়ার্নার" নামে পরিচিত। [৮] 1908 সালে, শিকাগোতে ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ রিয়েলটরস প্রতিষ্ঠিত হয় এবং 1916 সালে, নামটি ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ রিয়েল এস্টেট বোর্ডে পরিবর্তিত হয় এবং এটি তখনও যখন রিয়েল এস্টেট পেশাদারদের চিহ্নিত করার জন্য " রিয়েলটর " শব্দটি তৈরি করা হয়েছিল। [৯]

1929 সালের স্টক মার্কেটের বিপর্যয় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মহামন্দা রিয়েল এস্টেটের মূল্য এবং দামের একটি বড় পতন ঘটায় এবং শেষ পর্যন্ত 1929 সালের পর চার বছরের জন্য 50% অবমূল্যায়ন করে । [১০] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন অর্থায়ন ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছিল 1933 সালের ব্যাঙ্কিং অ্যাক্ট এবং 1934 সালে ন্যাশনাল হাউজিং অ্যাক্ট কারণ এটি বাড়ির ক্রেতাদের জন্য বন্ধকী বীমার অনুমতি দেয় এবং এই সিস্টেমটি ফেডারেল ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্সের পাশাপাশি ফেডারেল হাউজিং অ্যাডমিনিস্ট্রেশন দ্বারা প্রয়োগ করা হয়েছিল। [১১] 1938 সালে, ন্যাশনাল হাউজিং অ্যাক্টে একটি সংশোধনী আনা হয় এবং ফ্যানি মে , একটি সরকারী সংস্থা, বন্ধকীগুলির সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে কাজ করার জন্য এবং নতুন বাড়িগুলির অর্থায়নের জন্য ঋণদাতাদের আরও অর্থ প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। [১২]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিক অধিকার আইনের শিরোনাম VIII, যা ফেয়ার হাউজিং অ্যাক্ট নামেও পরিচিত, 1968 সালে স্থাপন করা হয়েছিল এবং আফ্রিকান আমেরিকানদের আশেপাশের অঞ্চলে অন্তর্ভুক্ত করার সাথে মোকাবিলা করা হয়েছিল কারণ বৈষম্যের বিষয়গুলি ভাড়া, কেনার সাথে বিশ্লেষণ করা হয়েছিল। এবং বাড়ির অর্থায়ন। [১৩] ইন্টারনেট রিয়েল এস্টেট একটি ধারণা হিসাবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে রিয়েল এস্টেট প্ল্যাটফর্মের প্রথম উপস্থিতির সাথে শুরু হয়েছিল এবং 1999 সালে ঘটেছিল।

সফল প্যারেন্টিংয়ের উপায়: বাবা-মাকে শুধু সৎ, চরিত্রবান সন্তান আশা করে বসে থাকলে চলে না, এ জন্য উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ...
18/11/2023

সফল প্যারেন্টিংয়ের উপায়:

বাবা-মাকে শুধু সৎ, চরিত্রবান সন্তান আশা করে বসে থাকলে চলে না, এ জন্য উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সাথে সাথে বিজ্ঞানসম্মত সতর্ক পদক্ষেপ নিতে হয়। সফল প্যারেন্টিংয়ের ক্ষেত্রে পিতা-মাতাকে আদর্শিক চারিত্রিক মডেল উপস্থাপন করতে হবে। কারণ তারাই সন্তানের সবচেয়ে বড় প্রভাবক। মনে রাখতে হবে- তেঁতুল গাছে কখনো আঙ্গুর ফল ধরে না। উপার্জনে পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে। কারণ হারাম ও অবৈধ অর্থে লালিত সন্তান কখনো আদর্শ মানুষ হতে পারে না। উন্নত মূল্যবোধ ও নৈতিকতা যেমন- ধৈর্য,সততা, আমানতদারিতা, ন্যায়পরায়ণতা, ক্ষমা, উদারতা, পরার্থপরতা, আত্মসংযম, পরমতসহিষ্ণুতা ইত্যাদি সদগুণাবলি লালন করতে হবে। বৈবাহিক ও দাম্পত্য জীবনে পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে। বিয়ে, সন্তান জন্মদান ও লালন-পালনের ক্ষেত্রে সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। বিবাদ ও কলহমুক্ত সুখী দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করতে হবে। ইতিবাচক ও উন্নত দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী হতে হবে। একান্ত ব্যক্তিগত কর্ম ও বিষয়াদির ব্যাপারে কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। নিজের পিতা-মাতা ও আত্মীয়দের সাথে সদ্ব্যবহার করতে হবে। মাঝে মধ্যে আত্মীয়দের বাসায় সন্তানদের বেড়াতে নিয়ে যেতে হবে। পরিবারে লৌকিকতামুক্ত ধর্ম চর্চার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ ধর্মহীন মানুষ পশুর চেয়ে নিকৃষ্ট। সামাজিক কাজে ও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে হবে। এতে থিউরি শিক্ষাদানের পাশাপাশি প্রাকটিক্যালও হয়ে যাবে। প্যারেন্টিং বিষয়ে পড়াশোনা করতে হবে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে হবে। মানসম্মত বিদ্যালয়ে সন্তানকে ভর্তি করাতে হবে। সন্তানের চলাফেরা, বন্ধুবান্ধব, বাসায় অবস্থান ইত্যাদির প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। সন্ধ্যার পর সন্তান যাতে বাসার বাইরে না থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে। সন্তানের পড়ার রুটিন তৈরি করতে সহায়তাপূর্বক তা অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে। সন্তানের বন্ধু তৈরির ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। মাঝে মধ্যে তাদের বন্ধুর বাসায় পরিবারসহ আসা-যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। মিডিয়া ও প্রযুক্তি ব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনে ইউটিউব থেকে ভালো ভালো, শিক্ষণীয় জিনিস ডাউনলোড করে রাখতে হবে। পরে সময়-সুযোগ মতো সেগুলো দেখানো যেতে পারে। সপ্তাহে একদিন মুভি নাইটের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। পরে মুভির শিক্ষণীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে হবে। কোনো জিনিস নিষিদ্ধ না করে ভালো এবং মন্দের পার্থক্য সুস্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে। সন্তানের মধ্যে আত্মসম্মানবোধ ও ব্যক্তিত্ব তৈরি করতে হবে। কারো কাছে কোনো কিছু চাইতে বা ঋণ করতে সন্তানকে পাঠানো থেকে বিরত থাকতে হবে। সন্তান সম্পর্কে কোনো খারাপ মন্তব্য বা সমালোচনা থেকে বিরত থাকতে হবে। সন্তানের এইচএসসি পাসের আগে তাকে পারসোনাল এনড্রয়েড ফোন অথবা মোটরসাইকেল দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। সন্তানকে ছোট, নির্বোধ বা অবুঝ ভাবা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো ভুলের কারণে বকা দেয়া বা প্রহার করা, অতিরিক্ত শাসন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। মানসিক পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবারের উপার্জন সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে। অতিরিক্ত নগদ অর্থ তার হাতে দেয়া উচিত নয়। সন্তানের খরচের খাত সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। সন্তানের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে হবে। শত ব্যস্ততার মাঝেও সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। মনে রাখতে হবে- বাবা-মার আসল কাজ বা দায়িত্ব শুরুই হয় তাদের বাসায় ফেরার পর। কৌশলে হলেও সন্তানের মনের সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। আপনি উত্তর না দিলে সে অন্যজনকে আপনার চেয়ে জ্ঞানী ও আপনজন ভাববে। বয়োঃসন্ধিকালীন সমস্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে এবং সে সময়ে প্রয়োজনীয় উপকরণ সামগ্রী কিনে দিতে হবে। ভার্চুয়াল প্লেগ্রাউন্ডের পরিবর্তে খেলার মাঠের প্রতি সন্তানকে আগ্রহী করতে হবে। ভালোবাসা, আদর আর কাউন্সিলিংয়ের সাথে সাথে স্নেহ মিশ্রিত শাসনও করতে হবে।

মোট কথা, সন্তানের প্রতিটি পদক্ষেপ সজাগভাবে পর্যবেক্ষণ এবং তার সবরকম উন্নতির জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করাই প্যারেন্টিং। সুখি-সমৃদ্ধ পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র এবং বিশ্বগঠনের মাধ্যমে ইহ ও পরকালীন সফলতা নিশ্চিত করতে প্যারেন্টিং শিক্ষার বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে সন্তানের প্রভাবক ৩টি অঙ্গ পিতা-মাতা, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করতে হবে। সফল প্যারেন্টস হিসেবে মহান স্রষ্টা আমাদের সবাইকে কবুল করুন।

সুস্থ থাকতে শীতের সকালে যা খাবেনকনকনে শীতে শরীর কেমন যেন সামান্য মলিন হয়ে যায়। ত্বক হয়ে উঠে শুষ্ক ও নিষ্প্রাণ, চেহারার ল...
12/11/2023

সুস্থ থাকতে শীতের সকালে যা খাবেন

কনকনে শীতে শরীর কেমন যেন সামান্য মলিন হয়ে যায়। ত্বক হয়ে উঠে শুষ্ক ও নিষ্প্রাণ, চেহারার লাবণ্যতা ও উজ্জ্বলতা কমে আসে এবং তার পাশাপাশি ঠাণ্ডা লেগে যাওয়া তো আছেই। এই সময়ে যাদের টনসিলের সমস্যা আছে, তাদের জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে ওঠে। এসব থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য চাই শীতকালের অতিরিক্ত যত্ন ও সঠিক খাদ্য নির্বাচন।

শীতের সকালের খাবারের ওপর সবকিছু নির্ভর করে। যেসব খাবার নির্বাচন করবেন তা হল -

১. লাল আটার রুটি: লাল আটার রুটিতে আছে ফাইবার ও ভিটামিন বি। ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে শরীরকে উষ্ণভাব এনে দেয় এবং ভিটামিন বি দেহকে সুস্থ রাখে।

২. ডিমের পোচ বা সিদ্ধ: শীতের সকালের জন্য ডিম আদর্শ খাবার। ডিমে প্রোটিন, ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম ও ওমেগা - ৩ আছে। সকালের কুসুম শরীরের এক উষ্ণভাব আনে।

৩. মিক্সড ভেজিটেবল: মিক্সড ভেজিটেবলে প্রায় সব ধরনের ভিটামিন, মিনারেলস ও ফাইবাএ থাকে। বিভিন্ন রোগের সাথে লড়াই করতে সক্ষম, ত্বকের লাবন্যতা বয়ে আনে মিক্সড ভেজিটেবল।

৪. ওটস: রুটির বদলে ওটস খাবেন। এতে সময় বেচে যায় এবং মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়। ওটসে আছে ফাইবার, এন্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন বি। এর সাথে টক দই বা দুধ, কাঠবাদাম মিশিয়ে খেলে শরীরের শক্তি বাড়ার পাশাপাশি সব পুষ্টি পেয়ে যাবেন।

৫. স্যুপ: স্যুপ অনেক বন্ধুত্বপরায়ন খাবার। প্রতিদিন সকালে না হলেও যেকোন বেলায় স্যুপ রাখবেন। এতে শরীরে শক্তি বাড়ার পাশাপাশি ঠাণ্ডা দূর হবে এবং ত্বকের সৌন্দর্য বজায় থাকবে।

৬. ব্রাউন রাইস: যাদের ওজন কম অথবা ওজন ঠিক আছে কিন্তু সকালে ভাত না খেলে চলেই না তারা সকালে ব্রাউন রাইস খেতে পারবেন।

৭. মধু: শীতকালে মধুর কোনো বিকল্প নেই। গলার খুসখুসভাব কমানোর পাশাপাশি মধু ঠাণ্ডা দূর করে এবং শীতকালে যে শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় তা দূর করতে সক্ষম মধু।

৮. গরম চা: গ্রিন টি বা তুলসি চা অথবা

চিনি খেলে হার্ট দুর্বল হয়ে যায়অত্যধিক চিনি ধমনী শক্ত করে এবং হার্টের টিস্যুর ক্ষতি করে। চিনি ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজক...
27/10/2023

চিনি খেলে হার্ট দুর্বল হয়ে যায়
অত্যধিক চিনি ধমনী শক্ত করে এবং হার্টের টিস্যুর ক্ষতি করে। চিনি ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজকে হ্রাস করে, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। যেহেতু চিনি ইনসুলিন প্রতিরোধের সঙ্গে যুক্ত তাই এটি উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবিটিস, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়

সময় ⏰⏰⏰পৃথিবীতে বিনামূল্যে মানুষ যে অমূল্য জিনিসটি পেয়ে থাকে তা হল সময়। সময়কে যারা সঠিক ব্যবহার করতে পারে তারা কালজয়ী ক...
25/10/2023

সময় ⏰⏰⏰

পৃথিবীতে বিনামূল্যে মানুষ যে অমূল্য জিনিসটি পেয়ে থাকে তা হল সময়। সময়কে যারা সঠিক ব্যবহার করতে পারে তারা কালজয়ী কাজও করতে পারে । মানুষ চায় অনেক , সবাই সেসব পায় না। তার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায় , সময়ই হল সেই কারণের মধ্যে অন্যতম । তাই সুসময় বা দুঃসময়ের হিসেব না করে সময়কে কাজে লাগিয়ে সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়াই হল সফল মানুষের মূল মন্ত্রণা।

সময়ের অভাব কোনও সমস্যা নয়। আসল সমস্যা হল সদিচ্ছার অভাব। প্রতিটি মানুষের দিনই ২৪ ঘন্টার।”

ঘূর্ণিঝড় হামুন: চট্টগ্রাম-পায়রায় ৭ নম্বর সতর্ক সংকেতপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে  ‘হামুন’। ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপস...
24/10/2023

ঘূর্ণিঝড় হামুন: চট্টগ্রাম-পায়রায় ৭ নম্বর সতর্ক সংকেত

প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে ‘হামুন’। ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম ও পায়রা বন্দরে ৭ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে।

সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আগামীকাল বুধবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এখন পর্যন্ত যে গতিপথ তাতে এটি বরিশাল ও চট্টগ্রামের মাঝামাঝি দিয়ে যাবে। আগামী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

Early Rising: একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সকালে ঘুম থেকে ওঠা শিক্ষার্থীরা অন্যদের তুলানায় ভাল ফল করে।• বিশুদ্ধ বাতাস: ভ...
23/10/2023

Early Rising: একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সকালে ঘুম থেকে ওঠা শিক্ষার্থীরা অন্যদের তুলানায় ভাল ফল করে।
• বিশুদ্ধ বাতাস: ভোরের বাতাস তুলনামূলকভাবে বিশুদ্ধ। ...
• মানসিক চাপ মুক্তি: আজকাল কর্মব্যস্ত জীবনে মানুষের চাপের শেষ নেই। ...
• মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে: ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

বাংলাদেশের অর্জনপ্রবাসী শ্রমিকদের উন্নয়নে অর্জনবর্তমানে বিশ্বের ১৫৭টি দেশে বাংলাদেশের ৮৬ লক্ষেরও অধিক শ্রমিক কর্মরত আছে।...
22/10/2023

বাংলাদেশের অর্জন
প্রবাসী শ্রমিকদের উন্নয়নে অর্জন

বর্তমানে বিশ্বের ১৫৭টি দেশে বাংলাদেশের ৮৬ লক্ষেরও অধিক শ্রমিক কর্মরত আছে। বিদেশে শ্রমিক প্রেরণ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ স্থাপন করেছে অনন্য দৃষ্টান্ত। স্বল্প সুদে অভিবাসন ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক স্থাপন করে দেশের ৭টি বিভাগীয় শহরে এর শাখা স্থাপন করা হয়েছে। এই ব্যাংকের মাধ্যমে এপ্রিল ২০১৪ পর্যন্ত ২০ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা অভিবাসন ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সারাদেশে তৃণমূল পর্যায় থেকে বিদেশ গমনেচ্ছু জনগণকে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণকেও এ সেবা গ্রহণের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে হয়রানি ছাড়াই স্বল্প ব্যয়ে মালয়েশিয়াসহ অন্যান্য দেশগুলোতে শ্রমিকগণ যেতে পেরেছে।

বাংলাদেশের অর্জনডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবতায় রূপ দিতে বাংলাদেশ সরকার নিয়েছে যুগান্তকারী সব পদক্ষেপ। দেশের তৃণমূ...
21/10/2023

বাংলাদেশের অর্জন

ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবতায় রূপ দিতে বাংলাদেশ সরকার নিয়েছে যুগান্তকারী সব পদক্ষেপ। দেশের তৃণমূল পর্যায়ে প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারি সেবা পৌঁছে দেবার অভিপ্রায়ে দেশের ৪৫৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে স্থাপন করা হয়েছে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার। তৈরি করা হয়েছে বিশ্বের অন্যতম বিশাল ন্যাশনাল ওয়েব পোর্টাল। কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এ পোর্টালের সংখ্যা প্রায় ২৫০০০। দেশের সবক’টি উপজেলাকে আনা হয়েছে ইন্টারনেটের আওতায়। টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে বর্তমানে বাংলাদেশে মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা ১২ কোটি ৩৭ লক্ষ(১) এবং ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা ৪ কোটি ৪৬ লক্ষে(২) উন্নীত হয়েছে। সেবা প্রদান প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করতে চালু করা হয়েছে ই-পেমেন্ট ও মোবাইল ব্যাংকিং। সরকারী ক্রয় প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পাদন করার বিষয়টিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছে। ৩-জি প্রযুক্তির মোবাইল নেটওয়ার্কের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

Address

80 VIP Rod, Rupayan Karim Tower, Kakrail
Dhaka
1000

Telephone

+8801935943481

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when S.hoque Builders posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to S.hoque Builders:

Share

Category