Advocate Nakib Imam Kazol

Advocate Nakib Imam Kazol আইনজীবী,জজ কোর্ট ঢাকা
সৎ পরামর্শ ও সেবা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।
মোবাইল: ০১৭১১০১৫৮৩৭

ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করার শাস্তি -বাংলাদেশে ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করে জমি দখল বা আত্মসাতের বিষয়টি...
11/02/2026

ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করার শাস্তি -

বাংলাদেশে ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করে জমি দখল বা আত্মসাতের বিষয়টি এখন ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩’-এর আওতায় একটি গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ। এই আইনে অপরাধের ধরণ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

👎নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. প্রধান আইন ও শাস্তি (ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩)
এই আইনের আওতায় ওয়ারিশ বঞ্চিত করার বিষয়টি মূলত দুইভাবে হতে পারে এবং এর শাস্তিও ভিন্ন:
ক) জালিয়াতি বা প্রতারণার মাধ্যমে বঞ্চিত করলে (ধারা ৪):
যদি কেউ ওয়ারিশদের নাম গোপন করে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে বা জাল দলিল তৈরি করে নিজের নামে নামজারি (Mutation) করে বা জমিটি অন্যের কাছে বিক্রি করে দেয়, তবে এটি ‘ভূমি প্রতারণা’ বা জালিয়াতি হিসেবে গণ্য হবে।

🔺 শাস্তি: অনধিক ৭ (সাত) বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
খ) অবৈধভাবে দখল বা চ্যুত করলে (ধারা ৭ ও ৮):
যদি কোনো দলিল জাল না করেও গায়ের জোরে বা ভয়ভীতি দেখিয়ে ওয়ারিশদের তাদের প্রাপ্য জমি থেকে বেদখল রাখা হয় বা দখলে বাধা দেওয়া হয়।
🔺 শাস্তি: অনধিক ২ (দুই) বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

২. প্রতিকার পাওয়ার উপায়
ওয়ারিশ হিসেবে জমি থেকে বঞ্চিত হলে আপনি আইনি প্রতিকার পেতে নিচের পদক্ষেপগুলো নিতে পারেন:
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলা: যদি কেউ গায়ের জোরে জমি দখল করে রাখে বা আপনাকে জমিতে ঢুকতে না দেয়, তবে দ্রুত প্রতিকারের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলার বা উপজেলার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মামলা করা যায়।

জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত: যদি দলিল জালিয়াতি বা তথ্য গোপন করে জমি আত্মসাৎ করা হয় (যেমন—ওয়ারিশ সনদ গোপন করে নামজারি করা), তবে সরাসরি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি মামলা করা যাবে।

দেওয়ানি আদালত: জমির মালিকানা বা স্বত্ব ফিরে পাওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতে বাঁটোয়ারা বা স্বত্ব ঘোষণার মামলা করা যাবে।

৩. অন্যান্য আইনে শাস্তি
যদিও নতুন আইনটিই এখন সবচেয়ে কার্যকর, তবে প্রচলিত দণ্ডবিধি (Penal Code, 1860) অনুযায়ীও প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা করা যায়:
* ধারা ৪২০ (প্রতারণা): ৭ বছর পর্যন্ত জেল ও জরিমানা।
* ধারা ৪০৬ (বিশ্বাসভঙ্গ): ৩ বছর পর্যন্ত জেল ও জরিমানা।
* ধারা ৪৬৭/৪৬৮ (দলিল জালিয়াতি): যাবজ্জীবন বা ১০ বছর পর্যন্ত জেল ও জরিমানা।
পরামর্শ: বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩’ সবথেকে শক্তিশালী মাধ্যম। আপনার ক্ষেত্রে ঠিক কীভাবে (দলিল জাল করে নাকি গায়ের জোরে) বঞ্চিত করা হচ্ছে, তার ওপর ভিত্তি করে আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে সঠিক ধারায় মামলা করা উচিত।

বিঃ দ্রঃ - নিজে জানুন এবং অন্য কে জানতে সাহায্য করুন।
(সংগ্রহীত)

চেম্বার ঠিকানা : ২৫/১ নাহার কমপ্লেক্স রুম নং ডি/৭ ৫ম তলা জজ কোর্ট ঢাকা ১১০০। #আইনজীবী  #আইনীসেবা
06/07/2025

চেম্বার ঠিকানা : ২৫/১ নাহার কমপ্লেক্স রুম নং ডি/৭ ৫ম তলা জজ কোর্ট ঢাকা ১১০০।
#আইনজীবী
#আইনীসেবা

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?➥১. পর্চা বা খতিয়ান। ➥২. দলিল। ➥৩. ম্যাপ বা নকশা।এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া ...
28/06/2025

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।
➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।
➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।
➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।
➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর অনলাইন করি www.land.gov.bd থেকে বিনামূল্যে সংগৃহ করা যায়।তবে সিটি জরিপের জন্য ১০০ টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।
➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।
➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।
➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + ২০ টাকার কোর্ট ফি এবং ৫০০ টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ ৫২০ টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।
➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।
❖প্রশ্নঃ ম্যপ তুলতে কতদিন সময় লাগে?
উত্তরঃ আবেদন করার দিন হতে, ৫-৮ কার্য দিবসের ভিতরে ম্যাপ সরবরাহ করা হয়।

ভূমি তথ্য বাতায়ন

28/06/2025

যে ১০টি কারণে নামজারি বাতিল হচ্ছে! ভূমি মালিকদের জরুরি করণীয়।

১০টি সাধারণ ভুল বা ত্রুটির কারণে নামজারি আবেদন বাতিল হয়ে যাচ্ছে, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভূমি ক্রেতাদের অসচেতনতার ফল। নিচে এসব কারণ এবং প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:

👉. দাগ নম্বরে ভুল

দাগ নম্বর জমির পরিচয় প্রকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই দলিলে ভুল দাগ নম্বর লিখিয়ে থাকেন, যা রেকর্ডে থাকা দাগ নম্বরের সঙ্গে মিলে না। ফলে দলিলে যেটি লেখা হয়েছে, সেটি হয়তো অন্য কারো জমির দাগ, ফলে নামজারি হয় না বা ভুল দাগে নামজারি হয়।

করণীয়: দলিল করার আগে খতিয়ান দেখে নিশ্চিত করুন সঠিক দাগ নম্বর ব্যবহার হয়েছে কি না। ভুল থাকলে ভ্রান্তি সংশোধনী করে নিন।

👉. চৌহদ্দিতে ভুল

চৌহত্তি বা বিবরণ অংশে ভুল থাকলে নামজারি বাতিল হয়। মালিকানা বিবরণ, দাগ, মৌজা, সাবেক মালিকের নাম ইত্যাদি অসংলগ্ন বা অসম্পূর্ণ থাকলে তা নামজারিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

করণীয়: দলিল লেখার সময় অভিজ্ঞ আইনজীবী বা দলিল লেখক দ্বারা দলিল তৈরি করুন এবং প্রতিটি তথ্য ভালোভাবে যাচাই করুন।

👉. ভোটার আইডি ও দলিলের নামের অমিল

দলিলে ক্রেতার নাম যেমন লেখা হয়েছে, ভোটার আইডিতেও ঠিক তেমনই লেখা থাকতে হবে। বানান, পিতার নাম বা নামের স্টাইল ভিন্ন হলে আবেদন বাতিল হতে পারে।

করণীয়: দলিল এবং ভোটার আইডি মিলিয়ে দেখুন। প্রয়োজনে সংশোধন করে তারপর আবেদন করুন।

👉. মালিকানা ধারাবাহিকতায় ভুল

সিএস, এসএ, আরএস রেকর্ড অনুসারে মালিকানা ইতিহাস সঠিকভাবে দলিলে উল্লেখ না থাকলে নামজারি হয় না। ২৫ বছরের ধারাবাহিক ইতিহাস থাকা আবশ্যক।

করণীয়: সাবেক মালিকের মালিকানা সঠিক কি না তা খতিয়ান থেকে যাচাই করে নিন এবং দলিলে যথাযথভাবে উল্লেখ করুন।

👉. খতিয়ান নম্বরে অমিল

দলিল ও সর্বশেষ রেকর্ডের খতিয়ান নম্বর যদি না মেলে, তাহলে তা নামজারির জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।

করণীয়: খতিয়ানে যে নম্বর দেওয়া আছে, তা-ই দলিলে লিখুন। অমিল থাকলে আগে সংশোধন করে আবেদন দিন।

👉. জমিটি আগেই অন্য কারো নামে নামজারি হয়ে যাওয়া

একই জমি একাধিকবার বিক্রি হওয়া বা মালিকের সীমাবদ্ধ অংশের চেয়ে বেশি বিক্রি করায় পরে ক্রয়কৃত ব্যক্তির আবেদন বাতিল হয়।

করণীয়: জমি ক্রয়ের আগে দাগভিত্তিক নামজারি রেকর্ড দেখে নিন, জমির অবস্থান বুঝে ক্রয় করুন।

👉. অর্পিত সম্পত্তি থাকা

অনেকে অর্পিত (সরকারি নিয়ন্ত্রিত) সম্পত্তি ব্যক্তিগত মালিকানায় ভেবে বিক্রি করে থাকেন। দাগে অর্পিত জমি থাকলে নামজারি বাতিল হয়।

করণীয়: ভূমি অফিস থেকে জেনে নিন জমিতে কোনো অর্পিত অংশ রয়েছে কি না। থাকলে সে জমি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।

👉. খাস জমি থাকা

ব্যক্তিগত জমির মাঝে সরকারিভাবে ঘোষিত খাস জমি থাকলে সেটির ওপর নামজারি সম্ভব নয়।

করণীয়: জমির সকল অংশের দাগ চেক করে নিশ্চিত হোন সেটি ব্যক্তিমালিকানাধীন কি না।

👉. জমির মধ্যে খাস জমি থাকা

খাস (নদী ভাঙন বা সরকার নির্ধারিত) জমি থাকলে বা সেটি ব্যক্তি মালিকানার বাইরে হলে নামজারি হবে না।

করণীয়: দলিলের আগে ভৌগোলিকভাবে জমির অবস্থা, দখল, ও প্রাকৃতিক অবস্থা দেখে নেওয়া জরুরি।

👉. অংশের চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করা

অনেক সময় ওয়ারিশানদের কেউ কেউ নিজের অংশের চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করে থাকেন। এতে ক্রেতা নামজারি করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন।

করণীয়: বন্টননামা বা ওয়ারিশান সনদ দেখে নিশ্চিত হোন বিক্রেতার বিক্রয় ক্ষমতা কতটুকু।

কী করবেন নামজারি রিজেক্ট হলে?

১. এসিল্যান্ড অফিসে গিয়ে সরাসরি জেনে নিন রিজেকশনের কারণ
২. প্রয়োজনীয় সংশোধন করে পুনরায় আবেদন করুন
৩. কারো কথায় টাকা দিয়ে দ্রুত নামজারি করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন না
৪. আইনি সহায়তা প্রয়োজন হলে উপজেলা ভূমি অফিস বা স্থানীয় আইনজীবীর পরামর্শ নিন

সতর্কতা:

নামজারি জমির মালিকানা স্বীকৃতির বৈধ প্রমাণ। একে অবহেলা করা মানে ভবিষ্যতে জমির ওপর অধিকার হারানোর ঝুঁকি নেওয়া। কাজেই ক্রয়ের আগেই দলিল, দাগ, খতিয়ান, মালিকানা ইতিহাস ভালোভাবে যাচাই করে নিন।

16/05/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars – they help me earn money to keep making content that you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.

16/05/2025

বাংলাদেশের আইনে দণ্ডবিধি ৪৯৭ ধারায় পরকীয়ার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির স্ত্রীর সঙ্গে সেই নারীর সম্মতি সাপেক্ষে সম্পর্কে লিপ্ত হন, তবে সেই ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন। এই ক্ষেত্রে, জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার নয় বরং আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল।
পরকিয়ার সাজাঃ
পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম বা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

নকিব ইমাম কাজল
এ্যাডভোকেট

16/05/2025

একাধিক আসামীর মধ্যে একজনকে জামিনে মুক্তি দিলে একই অবস্থানের অন্যান্য আসামী জামিনে মুক্তিলাভের অধিকারী।

Ref: 65 DLR(2013)541

নাবালক সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব একমাত্র পিতার। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তালাক সম্পাদন হলেও নাবালক সন্তান যদি মার জিম্মায়...
26/03/2025

নাবালক সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব একমাত্র পিতার। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তালাক সম্পাদন হলেও নাবালক সন্তান যদি মার জিম্মায় থাকে তারপরও পিতাকে সন্তানের ভরণপোষণ আদায় করতে হবে।

Hotline: 01711-015837

Website: www.kazollawfirm.com


রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে।জমা দেওয়ার শেষ সময়ঃ ১৬/০২/২০২৫ ইং।
30/01/2025

রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে।
জমা দেওয়ার শেষ সময়ঃ ১৬/০২/২০২৫ ইং।

07/01/2025

চোখের সামনে কোন অপরাধ সংঘটিত হলে ভিডিও করে রাখুন কারণ বর্তমানে ভিডিও সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

16/06/2024

ঈদ মোবারক 🌙

19/04/2024

▪️স্ত্রী কর্তৃক মিথ্যা মামলার শিকার হলে কি করবেন?

আপনি যদি মিথ্যা মামলার শিকার হয়েই যান, তাহলে আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মামলাটি লড়ে যেতে হবে। মামলা থেকে পালিয়ে থাকা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এতে আপনার অনুপস্থিতিতেই সাজা হয়ে যেতে পারে।

মামলা হয়ে গেলে আত্মসমর্পণ করে নিম্ন আদালতে জামিন চাইতে পারেন বা হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিনও চাইতে পারেন। জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা হলে হাইকোর্টে আগাম জামিন চাওয়াই বিবাদীর জন্য শ্রেয় ও নিরাপদ।

অনেক সময় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই পুলিশ এসে আপনাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। তাই আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করতে হবে। নিম্ন আদালতে জামিন না হলে পর্যায়ক্রমে উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করতে হবে।

যৌতুক নেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যে নিবে বা যারা দিবে তাদের সবারই সাজা হবে। এ জন্য যৌতুক নেওয়ার অপরাধকে বলা হয়েছে জামিন অযোগ্য। যৌতুক নেওয়ার জন্য শাস্তি হবে ১ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড বা ৫০০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দন্ডই হতে পারে। ২০১৮ সালে পাস হওয়া যৌতুক নিরোধ আইনে এ কথাগুলো বলা আছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে যদি কেউ মিথ্যা মামলা দায়ের করে, তাহলে তার কি হবে? ‘যৌতুক নিরোধ আইনের ৬ ধারায় বলা হয়েছে, যদি আপনার স্ত্রী কিংবা স্ত্রীর পরিবারের কেউ আপনাকে ক্ষতিসাধনের ইচ্ছায় মিথ্যা যৌতুকের মামলা করেন কিংবা মামলা করাতে সহায়তা করেন, তাহলে তিনি বা তারা ৫ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে এ মামলাটি করতে হবে যখন আপনি মিথ্যা মামলার দায় থেকে বেকসুর খালাস পাবেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ১৭ ধারায়ও মিথ্যা মামলা দায়েরের শাস্তির কথা উল্লেখ আছে। এখানে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি কারও ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে এই আইনের অন্য কোনো ধারায় মামলা করার জন্য আইনানুগ কারণ নেই জেনেও মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন অথবা করান, তবে সেই অভিযোগকারী অনধিক সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন।

▪️এবার জেনে নিই, একজন স্ত্রী কখন ও কিভাবে কোথায় মামলা করবেন:-

যৌতুকের শিকার হলে কোনো পক্ষ তার কাবিননামাসহ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গিয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে সরাসরি মামলা করতে পারেন। কাছের থানায় গিয়ে এজাহার করতে পারেন। আর যৌতুকের জন্য মারধরের শিকার হলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে প্রথমে থানায় এজাহার করতে পারেন। এজাহার কোনো কারণে পুলিশ না নিলে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রমাণ সহকারে মামলা করা যাবে। মারধরের শিকার হলে চিকিৎসা সনদ সহকারে মামলা করা উচিত, না হলে মামলা প্রমাণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তবে স্ত্রী ভরণপোষণ ও দেনমোহর বাবদ কোনো টাকা দাবি করলে তা যৌতুক হিসেবে গণ্য হবে না।

যৌতুকের অভিযোগে যে কেবল স্ত্রীই মামলা করতে পারবেন, তা নয়, স্ত্রী যদি স্বামীর কাছে যৌতুক দাবি করেন, স্বামীও ঐ স্ত্রীর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা করতে পারেন।

Address

25/1 Court House Streer, Nahar Complex, Room#C/40, 4th Floor Kotwali, Dhaka 1100
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Nakib Imam Kazol posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Advocate Nakib Imam Kazol:

Share