Sheak Kamal and Associates

Sheak Kamal and Associates A complete chamber of tax and law

28/12/2024

রাজস্ব আদায়ের জন্য কক্সবাজার একটি আদর্শ মডেল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এফসিএমএ। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) কক্সবাজারের খুরুশকুল রাস্তার মাথায় অবস্থিত কর অঞ্চল-৪, চট্টগ্রামের আওতাধীন কর অফিস পরিদর্শন ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই মন্তব্য করেন।

A chamber of corporate laws
03/06/2023

A chamber of corporate laws

11/05/2023

বিক্রয় নয় মুনাফার ওপর কর ধার্য চায় সিএনজি ব্যবসায়ীরা :-

বিক্রয় নয় মুনাফার ওপর কর ধার্য চায় সিএনজি ব্যবসায়ীরা
লাভের চেয়ে টার্নওভার ট্যাক্সের হার বেশি হওয়ায় কঠিন পরিস্থিতির শিকার হওয়ার দাবি করেছেন কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (সিএনজি) ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে মোট বিক্রির ওপর টার্নওভার ট্যাক্স নির্ধারণ না করে মুনাফার ওপর কর নির্ধারণের দাবি জানিয়েন এই খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান বরাবর গত ২ মে দাখিল করা আবেদন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয় সংগঠনটি মহাসচিব ফরহান নুর ঢাকা পোস্টকে বলেন, বর্তমানে আমরা সরকার নির্ধারিত ৩৫ টাকা কিউবিক মিটারে গ্যাস ক্রয় করে ৪৩ টাকা গ্রাহকের কাছে বিক্রি করি। প্রতি কিউবিক মিটারে গ্যাস বিক্রি করে মাত্র ৮ টাকা কমিশন বা লাভ পাই। যা দিয়ে যাবতীয় ব্যয় যেমন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন, বিদ্যুৎ বা গ্যাস বিল, বিভিন্ন লাইসেন্স ফি, যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ মেটাতে হয়। কিন্তু সরকার আমাদের মোট বিক্রয়ের ওপর দশমিক ৫ শতাংশ হারে টার্নওভার ট্যাক্স কেটে নিচ্ছে। এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি, ব্যবসা টিকিয়ে রাখা মুশকিল এখন। তাই আমাদের দাবি টার্নওভার ট্যাক্স মুনাফার ওপর নির্ধারণ করা। দীর্ঘদিন ধরে এ দাবি জানিয়ে আসছি।

চিঠির সূত্রে আরও জানা যায়, সিএনজি ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসায়ের জন্য ফিড গ্যাস কেনার পর সেটা কমপ্রেসড করে আবার সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি করে থাকে। ফলে ক্রয় ও বিক্রয়ের মধ্যে যে মুনাফা সেটাই এই খাতের ব্যবসায়ীদের কমিশন। কমিশন বা মার্জিনের ওপর টার্নওভার ট্যাক্স আরোপ করা যুক্তিযুক্ত হলেও আয়কর অফিস থেকে সম্পূর্ণ বিক্রয় মূল্যের ওপর টার্নওভার ট্যাক্স আরোপ করা হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বিভিন্ন সময় গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে সিএনজি ব্যবসায়ীদের টার্নওভারের পরিমাণ বাড়লেও মুনাফা একই থাকে। ফলে ব্যবসায়ীদের মুনাফার চেয়ে টার্নওভার ট্যাক্স বেশি দিতে হচ্ছে- যা সম্পূর্ণভাবে অযৌক্তিক মনে করছেন তারা। বিক্রয় মূল্যের পুরো অর্থ ব্যবসায়ীদের অর্জন নয়, এই খাতের ব্যবসায়ীরা শুধুমাত্র একটা মার্জিন পেয়ে থাকে।

ব্যবসায়ীরা মনে করেন, সরকার নির্ধারিত ফিড গ্যাসের মূল্য ৩৫ টাকা বাদ দিয়ে টার্নওভার ট্যাক্স নির্ধারণ করা যুক্তিযুক্ত। প্রতি কিউবিক মিটার ৮ টাকা হারে পরিশোধিত বিল অনুযায়ী মোট বিক্রয় হওয়া কিউবিক মিটার গ্যাস পরিমাপ করে টার্নওভার ট্যাক্স নির্ধারণের দাবি তাদের।

সূত্র :ঢাকা পোষ্ট।

08/05/2023

"যারা আদালতের বারান্দায় ঘুরছেন তাদের ন্যয় বিচার পাইয়ে দেওয়া শুধু সরকার বা বিচারকের দায়িত্ব নয়, এটা আইনজীবীদের ও দায়িত্ব।"

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

10/04/2023

আইনজীবীরা বিচার বিভাগ ও আদালতের অংশ, তাঁদের সাহায্য-সহযোগিতা ছাড়া বিচারিক কার্যক্রম স্বচ্ছন্দে পরিচালনা করা কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

আজ রোববার (৯ এপ্রিল) ফরিদপুর আদালতের আমতলায় বিচার প্রার্থীদের জন্য বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ -এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন শেষে আইনজীবী সমিতি ভবনে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচার বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হলে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ফলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না।

06/04/2023

কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আপাতত আয়কর দিতে হবে না বলে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত রিট আবেদনগুলোর হাইকোর্টে চূড়ান্ত শুনানির আদেশও বহাল রেখেছেন আদালত।

29/03/2023

সুত্র:
শেয়ার বিজ অনলাইন
উপজেলা পরিষদে ইউএনওদের ক্ষমতা কেড়ে নিলেন হাইকোর্ট।

নিজস্ব প্রতিবেদক : উপজেলা পরিষদে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ সংক্রান্ত উপজেলা পরিষদ আইনের ৩৩ ধারা বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে উপজেলা চেয়ারম্যানদের ওপর ইউএনওদের একচ্ছত্র কর্তৃত্ব থাকল না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। এখন থেকে উপজেলা পরিষদে ইউএনওরা সাচিবিক সহায়তা দেবেন।

বুধবার (২৯ মার্চ) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি, ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাছান চৌধুরী।

এর আগে দেশের প্রতিটি উপজেলা পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) মতো নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। পরে ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চের স্বাক্ষরের পর এসব আদেশের লিখিত অনুলিপি প্রকাশিত হয়।

আদালত তার আদেশে উপজেলা পরিষদ ভবনের সাইনবোর্ডে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কার্যালয়ের পরিবর্তে ‘উপজেলা পরিষদ কার্যালয়’ লেখা সাইনবোর্ড টানানোর নির্দেশ দেন।

ওই দিন উপজেলা পরিষদ আইন ১৯৯৮ এর ধারা ১৩ (ক) ১৩ (খ) ও ১৩ (গ) কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

এ ছাড়া উপজেলা পরিষদে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ সংক্রান্ত উপজেলা পরিষদ আইনের ৩৩ ধারা কেন বাতিল করা হবে না, এই মর্মে আরও একটি রুল জারি করা হয়।

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এবং বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ পৃথক রুল জারি করেন।

২০২১ সালের ১৫ জুন উপজেলা চেয়ারম্যানদের ক্ষমতা খর্ব করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের ক্ষমতা দেওয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আজিজসহ তিনজন উপজেলা চেয়ারম্যান এ রিট দায়ের করেন।

27/02/2023
25/02/2023

শ্রম আদালতে ঝুলে থাকা মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে মন্ত্রণালয়ের নানা উদ্যোগ

প্রতিবেদক : ল'ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ
প্রকাশিত: ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১২:৫০ অপরাহ্ণ

শ্রম আদালতে ঝুলে থাকা মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে মন্ত্রণালয়ের নানা উদ্যোগ
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
শ্রম আদালতে বছরের পর বছর চলমান মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে শ্রম মন্ত্রণালয়। শ্রম আদালত ছাড়াও উচ্চ আদালতে চলমান রিট মামলাগুলো মনিটরিং করতে কম্পিউটারাইজড ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্টদের। একইসঙ্গে মামলা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিএমএস) সফটওয়্যার তৈরিতেও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বেতন-ভাতার পাওনা আদায়, চাকরিতে পুনর্বহাল ও ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন অভিযোগে দেশের শ্রম আদালতগুলোতে মামলা করেন শ্রমজীবীরা। মালিক-শ্রমিকের এই বিরোধ নিষ্পত্তিতে রয়েছে একটি শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল ও ১০টি শ্রম আদালত।

খুব শিগগিরই আরও তিনটি শ্রম আদালতের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে এ নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এরপরও নানা জটিলতায় আদালতগুলোতে হাজার হাজার মামলার জট লেগে আছে। বর্তমানে দেশের শ্রম আদালতগুলোতে প্রায় ২৪ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

শ্রম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের মামলা রয়েছে ২১৯টি। এরমধ্যে ৬৭টি মামলার রায় প্রকাশিত হয়েছে। এতে সরকারের পক্ষে রায় হয়েছে ৫৮টি ও বিপক্ষে রায় হয়েছে ৯টি মামলার। শুনানির পর্যায়ে রয়েছে ১৫২টি মামলা। অপরদিকে, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের রিট মামলার মনিটরিং সিস্টেমে শ্রম অধিদফতরের ১৫৫টি মামলার তথ্য অ্যান্ট্রি দেওয়া আছে। যার মধ্যে ১৪১টি মামলা শুনানির পর্যায়ে রয়েছে।

শ্রম আদালতের ধরণ ও মামলাজটের কারণ
শ্রম আদালতের প্রধান বিচারককে বলা হয় চেয়ারম্যান। যিনি জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার একজন বিচারক। মামলার সিদ্ধান্ত দেওয়ার দিন অতিরিক্ত আরও দুজন সদস্য বা বিচারক থাকেন এজলাসে। সেখানে দুপক্ষই আইনজীবীর মাধ্যমে মামলা পরিচালনা করে থাকেন।

শ্রম আদালতের মামলাগুলো ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির বিধান থাকলেও নানা কারণে সেটা হচ্ছে না। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি না হলে উপযুক্ত কারণ ব্যাখ্যা করে আরও ৯০ দিন সময় বাড়ানো যায়। দেশের শ্রম আদালতগুলোতে নিষ্পত্তি হওয়া মামলাগুলোর ক্ষেত্রে ঢাকায় শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করা যায়।

শ্রম আদালতগুলোতে মামলার শুনানির জন্য ধার্য তারিখ হয় বছরে তিন থেকে চারবার। ফলে মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। এতে অনেক শ্রমিকই মালিক পক্ষের সঙ্গে আপস মীমাংসায় যেতে বাধ্য হন। আর তখনই কেবল মামলা কিছুটা দ্রুত নিষ্পত্তি হয়। এজন্য শ্রম আদালতের সংখ্যা কম হওয়াকেও দায়ী করেন অনেকে।

নতুন তিনটি শ্রম আদালত গঠন
ঝুলে থাকা মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে আদালতের সংখ্যা বাড়ানোরও উদ্যোগ রয়েছে সরকারের। এরমধ্যে তিনটি নতুন শ্রম আদালত গঠন করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও কুমিল্লায় যে নতুন তিনটি শ্রম আদালত গঠন করা হয়েছে, সেখানে দ্রুত নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করতে মন্ত্রণালয় থেকে তাগাদা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া আরও সাতটি শ্রম আদালত গঠন, পদ সৃষ্টি এবং যানবাহন ও অফিস সরঞ্জামাদি সরকারি দফতরের সাংগঠনিক কাঠামোতে (টিওঅ্যান্ডই) অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অসম্মতির বিষয়টি পর্যালোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, বগুড়া, পাবনা ও নোয়াখালী জেলায় নতুন সাতটি শ্রম আদালত গঠনের জন্য আইন ও বিচার বিভাগ ইতিবাচক মতামত দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিটি শ্রম আদালতে ১৪টি করে মোট ৯৮টি পদ সৃষ্টি এবং যানবাহন ও অফিস সরঞ্জামাদি টিওঅ্যান্ডইতে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তাতে অসম্মতি জানায়। এ বিষয়ে পর্যালোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য
জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিরুল হক আমিন বলেন, ‘শ্রম আদালতে মামলার জট লেগে থাকার মূল কারণ হচ্ছে— শ্রম আদালত পরিচালনায় সংশ্লিষ্টদের সঠিকভাবে সময় না দেওয়া। আদালতের বিচারক ছাড়াও যারা সদস্য থাকেন, তাদেরও অনেকে নানা ব্যস্ততার কারণে সময় দিতে পারেন না। এসব বিবেচনায় নিয়ে শ্রম আদালত গঠন করতে হবে। তাছাড়া মামলার জট কমাতে আইন ও শ্রম মন্ত্রণালয় কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারে। তাহলেই শ্রম আদালতের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হতে পারে।’

শ্রম মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় ও আদালত অধিশাখার যুগ্ম সচিব মো. মহিদুর রহমান বলেন, ‘মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আমাদের একটা প্ল্যান আছে। আমরা চেষ্টা করছি। এজন্য একটি ডাটাবেজ করার চিন্তাভাবনা চলছে।’

তিনি বলেন, ‘শ্রম আদালতের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ইতোমধ্যে আমরা সব শ্রম আদালতের চেয়ারম্যানদের নিয়ে একটা ওয়ার্কশপ করেছি। যেখানে শ্রমমন্ত্রী, শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইনমন্ত্রী ও আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা এবং অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেই ওয়ার্কশপের পর আমরা কিছু সুপারিশও করেছি।’

‘দ্রুত মামলা নিষ্পত্তিতে চেয়ারম্যানরা পদক্ষেপ নিচ্ছেন। আমরা খুব তাড়াতাড়ি এসব জিনিস সমাধান করতে পারবো। প্রয়োজনে আবারও তাদের নিয়ে আমরা বসবো’, যোগ করেন তিনি।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

24/02/2023

কোম্পানি আইন সংশোধন ও যুগোপযোগী করতে হাইকোর্টের ১৪ দফা পরামর্শ:

রায়ে মাননীয় বিচারপতি আশরাফুল কামালের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে ১৪ টি পরামর্শ দিয়েছেন।

> অতি দ্রুততার সঙ্গে ভারতের কোম্পানি আইনের আদলে বাংলাদেশের কোম্পানি আইন সংশোধন করে নতুন আইন প্রণয়ন। প্রতি বৎসর উক্ত আইনের হালনাগাদীকরণ করার নিমিত্তে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ।

> প্রতিটি জেলায় কোম্পানির সংখ্যানুপাতে এক বা একাধিক কোম্পানি আইনের ট্রাইব্যুনাল গঠন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ প্রদান।

> প্রতিটি বিভাগে একটি করে কোম্পানি আপিল্যাট ট্রাইব্যুনাল গঠন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> কোম্পানি আইনের অধীনে অপরাধ সমূহের জন্য বিশেষ ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

যৌথমূলধনী কোম্পানি ও কার্যসমূহের পরিদপ্তরকে (আরজেএসসি) আধুনিককরণ ও আইনি কাঠামো শাক্তিশালীকরণের নিমিত্তে এবং এর সেবার উন্নয়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> কর্পোরেট ল কোড বাংলায় প্রকাশ করে প্রত্যেক কোম্পানির অফিসে সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> প্রত্যেক কোম্পানিতে একজন স্থায়ী আইন কর্মকর্তার পদ সৃজন করে স্থায়ী আইন কর্মকর্তা রাখা এবং কোম্পানি আইনে অভিজ্ঞ একজন আইনজীবীকে পরামর্শক রাখা বাধ্যতামূলক করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> প্রতিটি জেলায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন কোম্পানি গঠন, ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন। নিয়মিত প্রতিটি কোম্পানির কর্মকর্তাদেরকে বৎসরে অন্তত একবার উক্ত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> প্রতি কোম্পানিতে একজন করে নিরপেক্ষ পরিচালক, কোম্পানির সচিব, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষক নিয়োগ বাধ্যতামূলক করার নিমিত্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> পরিশোধিত মূলধন পাঁচ কোটি টাকার উপরে হলে প্রত্যেক কোম্পানিতে সার্বক্ষণিক কোম্পানি সচিব রাখা বাধ্যতামূলক করে (যারা আইসিএসবির সদস্য হবে) প্রয়োজনীয় পরিপত্র ইস্যু করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> কোম্পানির কার্যালয় যে শহরে নিবন্ধিত, সে শহরে এজিএম বাধ্যতামূলক করে দ্রুত পরিপত্র ইস্যু করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

শেয়ারবাজারের আইনের সঙ্গে সংঘাত এড়ানো, কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) অনাহূত পরিস্থিতির অবসান, রিটার্ন দাখিল সহজতর করা ইত্যাদি বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> এজিএমে বা অন্য কোথাও কোম্পানির পক্ষ থেকে শেয়ারহোল্ডারদের কোনোরূপ উপহার, উপঢৌকন, নগদ অর্থ প্রদান সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করে বিধি প্রণয়ন। এজিএম অনুষ্ঠানে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির নিবন্ধন আপনা আপনি বাতিল মর্মে বিধি প্রণয়নের পরামর্শ প্রদান।

> লাভ-ক্ষতির হিসাব, উদ্বৃত্তপত্র, রিটার্ন বা করের বিষয় আরজেএসসিতে দাখিল করার বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে বিধি বিধান করার পরামর্শ প্রদান।

প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বাণিজ্যমন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও আইন কমিশনের চেয়ারম্যানকে রায়ের অনুলিপি দ্রুত পাঠাতে বলা হয়েছে।
রায়ে হাইকোর্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে ১৪ টি পরামর্শ দিয়েছেন।

> অতি দ্রুততার সঙ্গে ভারতের কোম্পানি আইনের আদলে বাংলাদেশের কোম্পানি আইন সংশোধন করে নতুন আইন প্রণয়ন। প্রতি বৎসর উক্ত আইনের হালনাগাদীকরণ করার নিমিত্তে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ।

> প্রতিটি জেলায় কোম্পানির সংখ্যানুপাতে এক বা একাধিক কোম্পানি আইনের ট্রাইব্যুনাল গঠন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ প্রদান।

> প্রতিটি বিভাগে একটি করে কোম্পানি আপিল্যাট ট্রাইব্যুনাল গঠন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> কোম্পানি আইনের অধীনে অপরাধ সমূহের জন্য বিশেষ ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

যৌথমূলধনী কোম্পানি ও কার্যসমূহের পরিদপ্তরকে (আরজেএসসি) আধুনিককরণ ও আইনি কাঠামো শাক্তিশালীকরণের নিমিত্তে এবং এর সেবার উন্নয়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> কর্পোরেট ল কোড বাংলায় প্রকাশ করে প্রত্যেক কোম্পানির অফিসে সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> প্রত্যেক কোম্পানিতে একজন স্থায়ী আইন কর্মকর্তার পদ সৃজন করে স্থায়ী আইন কর্মকর্তা রাখা এবং কোম্পানি আইনে অভিজ্ঞ একজন আইনজীবীকে পরামর্শক রাখা বাধ্যতামূলক করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> প্রতিটি জেলায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন কোম্পানি গঠন, ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন। নিয়মিত প্রতিটি কোম্পানির কর্মকর্তাদেরকে বৎসরে অন্তত একবার উক্ত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> প্রতি কোম্পানিতে একজন করে নিরপেক্ষ পরিচালক, কোম্পানির সচিব, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষক নিয়োগ বাধ্যতামূলক করার নিমিত্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> পরিশোধিত মূলধন পাঁচ কোটি টাকার উপরে হলে প্রত্যেক কোম্পানিতে সার্বক্ষণিক কোম্পানি সচিব রাখা বাধ্যতামূলক করে (যারা আইসিএসবির সদস্য হবে) প্রয়োজনীয় পরিপত্র ইস্যু করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> কোম্পানির কার্যালয় যে শহরে নিবন্ধিত, সে শহরে এজিএম বাধ্যতামূলক করে দ্রুত পরিপত্র ইস্যু করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

শেয়ারবাজারের আইনের সঙ্গে সংঘাত এড়ানো, কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) অনাহূত পরিস্থিতির অবসান, রিটার্ন দাখিল সহজতর করা ইত্যাদি বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান।

> এজিএমে বা অন্য কোথাও কোম্পানির পক্ষ থেকে শেয়ারহোল্ডারদের কোনোরূপ উপহার, উপঢৌকন, নগদ অর্থ প্রদান সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করে বিধি প্রণয়ন। এজিএম অনুষ্ঠানে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির নিবন্ধন আপনা আপনি বাতিল মর্মে বিধি প্রণয়নের পরামর্শ প্রদান।

> লাভ-ক্ষতির হিসাব, উদ্বৃত্তপত্র, রিটার্ন বা করের বিষয় আরজেএসসিতে দাখিল করার বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে বিধি বিধান করার পরামর্শ প্রদান।

প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বাণিজ্যমন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও আইন কমিশনের চেয়ারম্যানকে রায়ের অনুলিপি দ্রুত পাঠাতে বলা হয়েছে।

এ্যাপিলাত ডিভিশনের রিভিউ পিটিশন ২৭৭-২৮২/2019 নিষ্পত্তি।1
24/02/2023

এ্যাপিলাত ডিভিশনের রিভিউ পিটিশন ২৭৭-২৮২/2019 নিষ্পত্তি।1

Address

Eastern Arzoo Tower Suit# 6/2 Level #6, 61 Bijoynagar, Ramna
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sheak Kamal and Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Sheak Kamal and Associates:

Share