bangladesh online lawyers

bangladesh online lawyers for any legal solutions

17/07/2018

The Asian Age.
Ka Dodhiya
The mother further held that she had not pursued the complaint as the police had not taken any action.

Bombay high court

Mumbai: The Bombay high court has held that a parent is permitted to allow or disallow their son and the son's family to live in the house owned by the parent for as long as they want and can ask them to leave if they are not happy with their presence. The order was passed in a writ petition filed by a son challenging an order of the Tribunal for Welfare of Parents and Senior Citizens, which had directed the son, his wife and his two children to vacate the house of his mother after she complained of violence by the son. The HC upheld the tribunal order and asked the son and his family to vacate the house within two weeks.
The bench of Justice R D Dhanuka while hearing the challenge to the tribunal order was informed by the son that his mother had lodged a complaint against him, hence the tribunal order asking him, his wife and children to vacate the ho-
use was not valid in law.
Secondly, the son said that the complaints of violence filed by his mother with various authorities had been disposed off and the complaint against him under the provisions of the Protection of Women from Domestic Violence Act, 2005, had also been dismissed for default. Hence, there was no ground for the tribunal to pass eviction orders.
However, the mother's counsel informed the court that she had exclusive possession of the property at Girgaon and had allowed the son and his family to live in her house, but they had resorted to mental harassment and torture for the past ten years as a result of which she had lodged complaints with various police stations.
The mother further held that she had not pursued the complaint as the police had not taken any action.
The complaint lodged by the mother with the tribunal had stated that the son and his family had prevented her access to her home and had also beaten her up as a result of which she suffered injuries to her hands and legs.
After hearing the submissions of the son and perusing the tribunal order and complaints registered by the mother, Justice Dhanuka said that the tribunal order for eviction was justified. He also held that under section 4 of the Maintenance and Welfare of Parents and Senior Citizens Act, 2007, the tribunal had a right to order eviction of the son and grandchildren and hence the son's objection was not maintainable.
Justice Dhanuka while referring to section 23 of the Act said that if the son and grandchildren were causing harm to the senior citizen and not maintaining her she had a right to ask them to vacate the house.
While rejecting the writ petition, the court directed the son and his family to vacate the house within two weeks and also allowed the mother to seek police assistance to allow vacant possession of her house if her son and his family refused to comply.

22/01/2018
27/12/2017

আইন অধিকার
হুট করে কি বাড়িভাড়া বাড়ানো যায়?
----তানজিম আল ইসলাম
২৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৬:২৯--

ভাড়া বাড়িতে থাকছেন। নতুন বছরের শুরুতে বাড়িভাড়া বাড়ানোর একটা প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু বাড়িওয়ালা ইচ্ছে করলেই ভাড়া বাড়াতে পারেন না।

১৯৯১ সালের বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন রয়েছে। আইন অনুযায়ী কোনো বাড়ির ভাড়া মানসম্মত ভাড়ার বেশি নির্ধারণ করা যাবে না এবং যখন-তখন ভাড়া বাড়ানো যাবে না। মানসম্মত ভাড়া বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে আপসে নির্ধারিত হতে পারে। আবার ঘরভাড়া নিয়ন্ত্রকও এ ভাড়া নির্ধারণ করতে পারেন। কোনো ব্যক্তি ভাড়ার অতিরিক্ত প্রিমিয়াম, সালামি, জামানত বা অনুরূপ কোনো অর্থ দাবি করে তা দেওয়ার জন্য ভাড়াটিয়াকে বলতে পারবেন না। দুই বছরের আগে বাড়ির ভাড়া বাড়ানো যাবে না। বাড়ির মালিক বা ভাড়াটিয়ার দরখাস্তের ভিত্তিতে দুই বছর পরপর নিয়ন্ত্রক মানসম্মত ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করতে পারবেন।
বাড়িওয়ালা যদি মানসম্মত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে আদায় করেন, তাহলে প্রথমবার অপরাধের জন্য অতিরিক্ত আদায়কৃত টাকার দ্বিগুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং পরবর্তী সময়ে প্রতিবার অপরাধের জন্য ওই অতিরিক্ত টাকার তিন গুণ দণ্ডিত হবেন। কোনো বাড়ি ভাড়া নিতে চাইলে বাড়িওয়ালা এক মাসের ভাড়ার বেশি ভাড়া অগ্রিম হিসেবে নিতে পারবেন না। অর্থাৎ এক মাসের ভাড়া অগ্রিম হিসেবে নিতে পারবেন-এর বেশি নয়।

চুক্তিনামা সম্পাদন করুন
আইনমতে, বাড়িভাড়া নিতে গেলে একটি লিখিত চুক্তি করে নিতে হবে। চুক্তিপত্র করলে কোনো ঝুটঝামেলা দেখা দিলে অনেক হয়রানির হাত থেকে মুক্ত থাকা যাবে। এই চুক্তিপত্রে অবশ্যই বাড়িভাড়া নির্ধারণ, কত বছর পর ভাড়া বাড়ানো হবে, বাড়ি ছাড়ার আগে নোটিশ কেমন হবে প্রভৃতি শর্ত স্পষ্ট করে নিন। বাড়িভাড়ার চুক্তি ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে করা যেতে পারে এবং প্রয়োজনে নিবন্ধন করে নেওয়া যেতে পারে। বাড়ির মালিক ভাড়াটিয়াকে ভাড়া গ্রহণের লিখিত রসিদ প্রদানে বাধ্য থাকবেন। এ রসিদ নির্ধারিত ফরমে করে ভাড়াটিয়াকে প্রদান করতে হবে। এ রসিদ সম্পন্ন করার দায়দায়িত্ব বাড়িওয়ালার।

উচ্ছেদ করা যাবে?
চুক্তি অনুযায়ী ভাড়া পরিশোধ করে থাকলে ভাড়াটিয়াকে হঠাৎ করে উচ্ছেদ করা যায় না। চুক্তিপত্রের অবর্তমানে যদি কোনো ভাড়াটিয়া প্রতি মাসের ভাড়া পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করেন, অথবা ঘরভাড়া নিয়ন্ত্রকের কাছে জমা করতে থাকেন, তাহলেও ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে না। যুক্তিসংগত কারণে ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করতে চাইলে যদি মাসিক ভাড়ায় কেউ থাকে তাহলে ১৫ দিন আগে নোটিশ দিতে হবে। চুক্তি যদি বার্ষিক ইজারা হয় বা শিল্পকারখানা হয়, তবে ছয় মাস আগে নোটিশ দিতে হবে। চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হলেও বাড়িওয়ালা যদি ভাড়া নিয়ে থাকেন, তাহলে ধরে নেওয়া হবে যে বাড়িওয়ালা চুক্তিপত্রটি নবায়ন করেছেন।

আদালতে ভাড়া জমা দেওয়া যায়
বাড়িওয়ালা কোনো কারণে ভাড়া গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে ভাড়াটিয়াকে চুক্তি অনুযায়ী সময়ের মধ্যে অথবা চুক্তি না থাকলে পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে মানি অর্ডারযোগে বাড়িওয়ালার ঠিকানায় ভাড়া পাঠাতে হবে। মানি অর্ডারযোগে পাঠানো ভাড়ার টাকাও যদি বাড়িওয়ালা গ্রহণ না করেন, তাহলে ওই টাকা ফেরত আসার পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ভাড়াটিয়াকে ভাড়া নিয়ন্ত্রকের অর্থাৎ সহকারী জজের কাছে আইনজীবীর মাধ্যমে দরখাস্ত দিতে হবে। আদালত অনুমোদন দিলে প্রতি মাসে ভাড়া আদালতে জমা দেওয়া যাবে।

লেখক: আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

19/08/2017

"We have upon us the whole armour of the Constitution and walk henceforth in its enlightened ways, wearing the breast plate of its protecting provisions and flashing the flaming sword of its inspiration.” 16th amendment

http://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1370936.bdnews
27/07/2017

http://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1370936.bdnews

জামিনে থাকা আসামিকে হাজির করতে না পারায় যাবজ্জীবন দণ্ডিত ওই আসামির আইনজীবীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে খুলনার একটি আদালত।

আজ বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসপণ্য কিনে ঠকলেও আয়ের সুযোগনিজস্ব প্রতিবেদক | ১৫ মার্চ ২০১৭, ০০:১৭  prothom-alo.comকোনো পণ্য ক...
15/03/2017

আজ বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস
পণ্য কিনে ঠকলেও আয়ের সুযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৫ মার্চ ২০১৭, ০০:১৭
prothom-alo.com

কোনো পণ্য কিনে ঠকেছেন? হতাশ না হয়ে অভিযোগ করুন, আয়ের একটি নতুন পথ খুলবে আপনার জন্য। ধরুন, আপনি এক লিটারের একটি পানির বোতল কিনলেন, যার মোড়কে লেখা মূল্য ২৫ টাকা। কিন্তু আপনি যে রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন, সেখানে অনেকটা গায়ের জোরেই ৩০ টাকা নিল। একটু কষ্ট করে রসিদ সংগ্রহ করুন। অভিযোগ করুন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দুই সপ্তাহের মধ্যে আপনি জরিমানার ২৫ শতাংশ অর্থ পেয়ে যাবেন।

এমন অভিযোগ করে ভোক্তা জরিমানার ভাগ পেয়েছেন এমন ঘটনা অনেক আছে। ২০১০ সাল থেকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে (ডিএনসিআরপি) পণ্য কিনে ঠকার অভিযোগ করে ১৪ লাখ ১৮ হাজার টাকা পেয়েছেন ৯৪১ জন ক্রেতা। এর মধ্যে গত দুই মাসেই ৭ লাখ ২৩ হাজার টাকা পেয়েছেন ৫৮৮ জন ক্রেতা। শুধু সাধারণ রেস্তোরাঁ বা দোকান নয়, ডিএনসিআরপিতে জরিমানার মুখে পড়েছে গ্রামীণফোন, রবির মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলোও।

২০০৯ সালে সরকার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন করার পর এর অধীনে গঠিত হয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ২০১০ সালের ৬ এপ্রিল বাজারে অভিযান চালিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে এ সংস্থা। তাদের হিসাবে, সেখানে এ পর্যন্ত অভিযোগ এসেছে ৪ হাজার ২৪৫টি। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ৩ হাজার ৮৭৩টি। বাকি অভিযোগগুলোর তদন্ত চলছে।

তবে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সাম্প্রতিক অভিযোগ বৃদ্ধিকে বড় ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করছে। সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লস্কর প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৫ সালে অভিযোগ এসেছিল মাত্র ২২৫টি। পরের বছর এ সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৬২২টিতে উন্নীত হয়। আর চলতি বছর প্রথম দুই মাসেই অভিযোগের সংখ্যা ১ হাজার ৬৮২টিতে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, ‘মানুষ যে সচেতন হচ্ছে, এ সংখ্যাটিই তার প্রমাণ।’

এদিকে অনেক গ্রাহকই অভিযোগ করে জরিমানার ভাগ পাওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তুলে ধরছেন। জাহির রফিক নামে একজন গ্রাহক লিখেছেন, তিনি একটি সুপারশপে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম রাখায় অভিযোগ করে জরিমানার ভাগ হিসেবে আড়াই হাজার টাকা পেয়েছেন। রুবেল আমিন তৌফিক নামের একজন লিখেছেন, একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় পানির বোতলের দাম ২৫ টাকার বদলে ৫০ টাকা রাখায় তিনি অভিযোগ করেন। তিনিও জরিমানার ভাগ হিসেবে আড়াই হাজার টাকা পান।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর আজ বুধবার বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালন করবে। প্রতিবছর এ দিনকে বিশ্বব্যাপী ভোক্তা অধিকার দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাংলাদেশে এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে ‘ভোক্তার আস্থাশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ি’।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, ভোক্তারা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে ঘটনা সংঘটনের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে অধিদপ্তরে লিখিতভাবে, ফ্যাক্সের মাধ্যমে, ই-মেইলের মাধ্যমে অথবা এসএমএসের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে পারবেন। তবে অভিযোগকারীর কাছে প্রমাণ থাকা লাগবে। যেমন বাজার থেকে কোনো পণ্য কিনে রসিদ না নিলে সেটার প্রমাণ থাকে না। ফলে বিক্রেতা যে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নিয়েছেন, সেটি প্রমাণ করা অসম্ভব হয়ে যায়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের অনেকগুলো ধারায় অধিদপ্তর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অপরাধগুলো হলো ধার্যকৃত মূল্যের অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রি করা, ভেজাল পণ্য বা ওষুধ বিক্রি করা, খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ দ্রব্যের মিশ্রণ, অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন বা প্রক্রিয়াকরণ, মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারিত করা, ওজনে কারচুপি, বাটখারা বা ওজন পরিমাপক যন্ত্রে কারচুপি, মেয়াদ উত্তীর্ণ কোনো পণ্য বা ওষুধ বিক্রি ইত্যাদি।

এ বিষয়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ‘আমরা অভিযোগ পেলে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি করি। তবে জটিল কিছু হলে একটু সময় লাগে।’

Prothom Alo, The Most Read Bangla Newspaper, Brings You Latest Bangla News Online. Get Breaking News From The Most Reliable Bangladesh Newspaper.

08/02/2017

চল্লিশের পরে আইনজীবী সনদ নেওয়া যাবে না: সুপ্রিম কোর্ট😁

আইনজীবী হিসেবে সনদ নেওয়ার ক্ষেত্রে বয়স নির্ধারণ করে দিচ্ছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এক্ষেত্রে ৪০ বছরের পর বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে আর আইনজীবী হিসেবে সনদ নিতে পারবে না বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলার রায়ে আদালত এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছেন।
বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী খায়রুল আলম চৌধুরী।
পরে আইনজীবী খায়রুল আলম চৌধুরী বলেছেন, আদালত বলেছেন ৪০ বছরের পর আইনজীবী হওয়া যাবে না। তাছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বছর মেয়াদী এলএলবি সনদদারীরা বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না। আর জেলা জজ পর্যায় থেকে যারা অবসর নিয়েছেন তারা হাইকোর্ট বিভাগের নিচে অন্য কোনো আদালতে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে পারবেন না।
পরে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, আপিল বিভাগ আইনজীবী হওয়ার ক্ষেত্রে বয়সের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেবেন। যারা বিচার বিভাগ থেকে অবসর নিয়েছেন তাদের নিম্ন আদালতে আইন পেশায় অনুশীলনের সুযোগ আর থাকবে না। নিম্ন আদালতের বিচারকরা ইচ্ছা করলে শুধু হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করতে পারবেন। হাইকোর্ট থেকে যারা রিটায়ার করবেন তারা শুধু আপিল বিভাগে প্র্যাকটিস করতে পারবেন। আর আপিল বিভাগ থেকে যারা রিটায়ার করবেন তাদের প্র্যাকটিসের কোনো সুযোগ নাই।
দুই বছর মেয়াদী কোর্স সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আপিল বিভাগ বলেছেন দুই বছরের কোর্স তারা এপ্রোভ করবেন না। তিন বছর অথবা চার বছর মেয়াদী কোর্সধারী হতে হবে। আমি বলেছিলাম, আইনজীবী হওয়ার বয়সসীমা ৩৫ বছর করতে। তবে এখনো পর্যন্ত আলাপ-আলোচনায় বুঝা গেছে উনারা ৪০ এর পক্ষে।
উল্লেখ্য, বার কাউন্সিলের সনদ গ্রহণের পরীক্ষায় দুই বছরের সনদ নিয়ে জটিলতার প্রেক্ষিতে হওয়া রিটের রায়ে ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই এলএলবি কোর্স সম্পর্কে কিছু নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশও দেন আদালত। হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় আপিল করেছিল। আজ বুধবার দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের আপিল খারিজ করেছেন। এছাড়া এই মামলায় অন্য যেসব বিশ্ববিদ্যালয় পক্ষভুক্ত হয়েছিল আবেদন নিষ্পত্তি করেছেন আপিল বিভাগ। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা পূর্ণাঙ্গ রায়ে আসবে বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ।

04/02/2017
25/01/2017

আইনজীবি হওয়ার প্রধান ও প্রথম উপাদান হলো আর্থিক স্বচ্ছলতা । আর সনদ বা মোয়াক্কেল সে তো সময়ের ব্যাপার ।

Address

Room No. 326(annexe) Supreme Court Bar Build. Ing, Supreme Court Of Bangladesh
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when bangladesh online lawyers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share