11/05/2026
আয়কর রিটার্ন অডিট বা নিরীক্ষা: করদাতাদের যা জানা জরুরি
আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার পর অনেক করদাতাই 'নিরীক্ষা' বা 'অডিট' নিয়ে চিন্তিত থাকেন। বিশেষ করে রিটার্নে কোনো অসংগতি থাকলে কর অফিসে জবাবদিহি করতে হয়, যা বেশ সময়সাপেক্ষ ও ঝামেলার কাজ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সম্প্রতি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে অনেক করদাতার নথি নিরীক্ষার জন্য নির্বাচন করেছে।
আয়কর কর্মকর্তারা অডিটের সময় মূলত যে বিষয়গুলো যাচাই করেন:
➡️ তথ্যাদির সামঞ্জস্য: আপনার আয়ের সাথে ব্যয়ের মিল আছে কি না এবং ব্যাংক লেনদেনের তথ্যের সাথে রিটার্নে দেওয়া তথ্যের কোনো গরমিল আছে কি না তা গভীরভাবে দেখা হয়।
➡️ সম্পদের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি: গত বছরের তুলনায় সম্পদের পরিমাণ হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেলে এবং সেই সম্পদ অর্জনের সঠিক উৎস না থাকলে আপনি অডিটের আওতায় পড়তে পারেন।
➡️ আয় ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা: আয় কম দেখানো অথবা ব্যবসার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত খরচ দেখিয়ে মুনাফা কম দেখানোর প্রবণতা থাকলে কর্মকর্তারা তা খতিয়ে দেখেন।
➡️ উৎসে কর (TDS): উৎসে কর কর্তনের তথ্যে কোনো ভুল থাকলে বা ভুল রিফান্ড দাবি করলে সেটি নিরীক্ষায় ধরা পড়ে।
➡️ কাগজপত্রের পূর্ণতা: বিনিয়োগ, আয় বা সম্পদের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র বা ডকুমেন্টস অসম্পূর্ণ থাকলে করদাতাকে ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে।
➡️ নগদ অর্থ ও ঋণ: হাতে নগদ টাকা (Cash in Hand) বা ঋণের পরিমাণ অস্বাভাবিক বেশি দেখালে তা কর কর্মকর্তাদের নজরে আসে।
➡️ তথ্য গোপন: জমি, ফ্ল্যাট বা গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য গোপন করা হলে তা নিরীক্ষার সময় বড় ধরনের বিপত্তি তৈরি করতে পারে।
সঠিকভাবে রিটার্ন দাখিল করুন এবং অনাকাঙ্ক্ষিত অডিট ঝুঁকি এড়াতে পেশাদার পরামর্শ গ্রহণ করুন।
#আয়কর #ট্যাক্সরিটার্ন #ট্যাক্স #ইনকাম #ভ্যাট