Advocate Md. Anamul Haque Sorkar

Advocate Md. Anamul Haque Sorkar Md. Anamul Haque
Advocate
Bangladesh Supreme court. Mob- 01737-649540
01518-914454
Liuna Legal Solution.

কেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি দেশের গনতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রধান অংশ...
23/10/2025

কেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল হবে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি দেশের গনতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রধান অংশ বা প্রান। এটি দেশের নাগরিকদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধমে শাষন ব্যবস্থায় অংশগ্রহনের সুযোগদেয়। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫,১১৯, ও ১২৩ নির্বাচন সর্ম্পকে বলা হয়েছে। আজকে জানার বিষয় হচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনিয়ন পত্র জমা দেওয়ার পরেও যাচাই বাচায়ে কাদের প্রার্থীতা বাতিল হবে।
১. বিদেশি নাগরিকত্বধারী ব্যক্তির: বাংলাদেশে অধিকাংশ নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে হলে প্রথমে দেশের নাগরিকত্ব অর্জন করতে হবে। সংবিধানের ৬৬(২)(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কোনো দেশের নাগরিক হয়, তাহলে তিনি জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
২. দেউলিয়া ব্যক্তি: যিনি ঋণনিয়ে পরিশোধ করতে পারেননি এবং আদালতের আদেশে তাকে দেওলিয়া ঘোষিত হয়েছেন একমাত্র সেই হবেন দেউলিয়া ব‌্যক্তি। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৬(২)(খ) অনুযায়ী আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত ব্যক্তি প্রার্থী হতে পারবেন না।
৩. আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী ব্যক্তি: সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৬(২)(ঘ) অনুযায়ী যে ব্যক্তি নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দুই বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড পেয়েছেন এবং মুক্তির পর পাঁচ বছর পূর্ণ হয়নি, তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। অংশ গ্রহন করিলেও তাহার প্রার্থীতা বাতিল হবে।
৪. সরকারি বা আধা-সরকারি চাকরিজীবী: এটি সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কেউ পদত্যাগ না করে প্রার্থী হতে পারবেন না। সৃতরাং আগে পদত‌্যাগ করতে হবে।
৫. কর বা ঋণখেলাপি ব্যক্তি: ভাবছেন কি, ঋণ পরিশোধ না করেই নির্বাচন করে এমপি হবেন। না পাবেন না কারন আইন বলে যে, যাদের সরকারি কর বা ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করা হয়নি, তারা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। ঋণের ক্ষেত্রে সি আই বি দেখবে।
৬. মানসিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি: মানষিক ভাবে অক্ষম/ উন্মাদ ব‌্যক্তি অযোগ‌্য হবে। তা আপনি আমি বললে হবে না কারন, সংবিধানের ৬৬(২)(চ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি আদালত কর্তৃক মানসিকভাবে অক্ষম বা উন্মাদ হিসেবে ঘোষিত, তিনি প্রার্থী হতে পারবেন না। আদালত কর্তৃক ঘোষিত থাকতে হবে।
৭. অযোগ্য ঘোষিত ব্যক্তি: যে ব্যক্তি নির্বাচন কমিশন বা আদালত কর্তৃক নির্বাচনী অনিয়ম, ঘুষ বা দুর্নীতির দায়ে অযোগ্য ঘোষিত হয়েছেন, তিনি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত প্রার্থী হতে পারবেন না।
৮. মৃত ব‌্যক্তি/ তারপ্রতিনীধি: মৃত ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেহ নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পেরবে না। একজন ব‌্যক্তিবে প্রার্থী হতে হলে জীবিত ও যোগ‌্য নাগরিক হতে হবে।
Noot: ভোটার হওয়া পরে ভোট দিতে পারেনি, আপনারা যোগ‌্য প্রার্থকে ভোটদিন।
মোঃ এনামুল হক
এডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
মো্বইল নং- ০১৭৩৭-৬৪৯৫৪০, ০১৫১৮-৯১৪৪৫৪
#আইনওবিচার #কোর্ট #নির্বাচন #রাজনীতি #চেয়ারম‌্যান #বাংলাদেশ #সংবিধান

জেনে রাখুন, সতর্ক থাকুন  এবং মেনে চলুন আপনার বাস্তব জীবনের ২০টি আইনী উপদেশ।1. কোনো কাগজে সই/সাক্ষর দেওয়ার আগে ভালোভাবে প...
16/10/2025

জেনে রাখুন, সতর্ক থাকুন এবং মেনে চলুন আপনার বাস্তব জীবনের ২০টি আইনী উপদেশ।

1. কোনো কাগজে সই/সাক্ষর দেওয়ার আগে ভালোভাবে পড়ুন, জানুন পরে সাক্ষর করুন। বিশেষ করে জমি, ঋণ বা চুক্তিপত্রের ক্ষত্রে, অনলাইন ডকুমেন্টস এর ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড/ ওটিপি বিরত থাকুন।

2. আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, শিক্ষা সনদ পত্র ও জন্ম নিবন্ধন তথ্য সঠিক রাখুন । আপনার নাম ও পিতামাতার নাম ভাইবোন অনুসারে একই রাখার চেষ্ঠা করুন। এগুলোই ভবিষ্যতে আপনার আইনি প্রমাণ। একেক ডকুমেন্ট এ একেক নাম ব‌্যবহার করবেন না।

3. যতই আপন হওক না কেন, জমি ক্রয়-বিক্রয়ে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনো টাকা লেনদেন করবেন না। এমনকি বায়নাপত্রও রেজিষ্টি করে নিবেন। রেজিষ্টি ছাড়া বউ রাখাই কষ্টকর আপনি আছেন মিয়া জমি রাখবেন। লক্ষ/ কোটি টাকা দিয়ে জমি কিনতে পারবেন আর হাজার টাকা খরচ করে জমির কাগজপত্র জাচাই করে নিবেন।

4. চেকের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করলে তার তারিখ, পরিমাণ ও সই নিশ্চিত করুন। দাতার হাতের লেখাও মিলিয়ে নিবেন। দুনিয়ায় অনেকে আপনার মত সাদু না জনাব।

5. পুলিশ যদি গ্রেফতার করতে আসে, তার পরিচয়, থানা, ও গ্রেফতারি পরোয়ানা দেখতে চান। খারাপ বা অনৈতিক কিছু করলে তার প্রমান সংরক্ষন রাখুন। তাহার নামে অভিযোগ করুন।

6. আপনার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ হলে আপনার পরিবারের লোকজনক ও ভালো দালাল মুক্ত সৎ আইনজীবির পরামর্শ ছাড়া কোনো জবানবন্দি দেবেন না।

7. অন্যের অনুমতি ছাড়া কারও ছবি, ভিডিও বা ভয়েস রেকর্ড প্রকাশ করবেন না, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ‌্যমে। এর বিনিময়ে জেল খাটতে পারেন।

8. আপনি বিয়ে করলে অবশ্যই রেজিস্ট্রি করবেন। অনেক বড়/কনে আপনার চেয়ে বেটার পেলে চলেযেতে পারে। মৌখিক বিয়ে শরিয়া আইনে সঠিক হলেও রাষ্ট্রিয় আইনে অপরাধ। স্বামী স্ত্রী ভালো ব‌্যবহার ও একে অপরকে সম্মান করুন ও বুঝার চেষ্ঠা, জামেলা নিজেদের মধ‌্যে থেকে সমাধান করুন। ৩য় ব‌্যক্তিকে না জানানোই উত্তম।

9. তালাক বা বিবাহ বিচ্ছেদ এরে ক্ষেত্রে লিখিতভাবে নোটিশ দিয়ে সম্পন্ন করুন। রেজিষ্টি এ/ডি সহ ছেলে বা মেয়ের সঠিক ঠিকানা ও সংশ্লিষ্ট ইউপি পৌর, সিটি তে নোটিশ পাঠান।

10. কারোকাছ থেকে ঋণ নিলে বা দিলে লিখিত প্রমাণ রাখুন এবং সাক্ষীর স্বাক্ষর রাখুন। পরিবারের আপন জনকে জানিয়ে রাখুন।

11. জমি ক্রয়-বিক্রয়ে খতিয়ান, দাখিলা ও নামজারি সহ সকল ডকুমেন্ট ভালো ভাবে যাচাই করুন, প্রয়োজনে দক্ষ আইনজীবির পরামর্শ নেন।

12. মোবাইল বা অনলাইনে মানহানিকর পোস্ট দেওয়া হতে বিরত থাকুন, দিলে তা “ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন” অনুযায়ী অপরাধ, ও জেলের ভাত খাওয়ার জন‌্য প্রস্তুত থাকুন।

13. ঘুষ বা চাঁদা দিতে বা নিতে কেউ চাপ দিলে থানায়/ আদালতে লিখিত অভিযোগ করুন ও তার প্রমান সংরক্ষন করুন।

14. কেহ যদি নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রকাশ করে অবিলম্বে থানায় বা জাতীয় হেল্পলাইনে (১০৯) জানান, প্রয়োজনে ৯৯৯ এ জানাতে পারেন।

15. আপনার কাজের জায়গায় বেতন, সময় বা নিরাপত্তা লঙ্ঘন হলে শ্রম আদালতে/ অধিদপ্তরে অভিযোগ করুন।

16. পুলিশ হেফাজতে থাকলে আপনার পরিবারকে খবর দেওয়ার চেষ্টা করুন, ভয় না পেয়ে জানুন কেন হেফাজনে নিয়েছে।

17. ভাড়াটিয়া হলে লিখিত ভাড়ার চুক্তিপত্র রাখুন, এবং প্রতিমাসের ভাড়া প্রদানের ক্ষেত্রে ভাড়ার রিসিট / ডকুমেন্ট রাখুন।

18. কারও কাছে পাওনা টাকা থাকলে মৌখিক নয়, লিখিত নোটিশের মাধ্যমে জানান ও তার প্রমান সংরক্ষন করুন।

19. যে কোনো দলিল বা এফিডেভিটে দুইজন বিশ্বস্থ সাক্ষীর সঠিক তথ্য রাখুন। সঠিক সাক্ষ‌্য র রাখুন।

20. যে কোন আইনি সমস্যা হলে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে পরিবারের সবার সাথে পরামর্শ করুন প্রয়োজনে নিবন্ধিত আইনজীবীর পরামর্শ নিন। কোন বিষয়ে জানার থাকলে সরাসরি/ ফোনে/ ম‌্যসেজে আমাকে জানান। ও শুনেন শুনেন লাইক কমেন্ট শেয়ার করুন, এখনো করেন নি কিন্তু।

শুভ কামনায়।
মোঃ এনামুল হক
এডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
মোবাইল- ০১৭৩৭-৬৪৯৫৪০, ০১৫১৮৯১৪৪৫৪
#আইনওবিচার #পরামর্শ #বাংলাদেশ #মামলা #জমি #কোর্ট

হঠাৎ পুলিশ গ্রেফতার করলে আপনি কি করবেন....?আপনাকে পুলিশ হঠাৎ করেই গ্রেফতার করেছে, আপনি কিছুই বুঝতে পারছেন না কি করবেন। ব...
13/10/2025

হঠাৎ পুলিশ গ্রেফতার করলে আপনি কি করবেন....?

আপনাকে পুলিশ হঠাৎ করেই গ্রেফতার করেছে, আপনি কিছুই বুঝতে পারছেন না কি করবেন। বিষয়টি জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাংলাদেশে বসবাস করলে আপনি এমন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এ ক্ষেত্রে করনীয় কি তা জানতে পারেন ও শেয়ার করে আপনার টাইম লাইনে রেখেদিতে পারেন।

১. একদম শান্ত, নম্র ও ভদ্র থাকুন, কথা কম বলুন, রাগ দেখানো থেকে বিরত থাকুন, প্রয়োজনে সহযোগিতা করুন। প্রতিরোধ বা পালানোর চেষ্টা করবেন না। শান্তভাবে আচরণ করুন এবং জিজ্ঞাসা করুন কোন অভিযোগে গ্রেফতার করা হচ্ছে। সত্যিবলুন কারন, সততার সফল আসবেই।

২। গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা সংস্থাকে আপনার পরিচয় দেন, এমনোত হতেপারে যে, যাকে গ্রেফতারের জন‌‌্য এসেছে সে আপনি নন, তাই আপনার পরিচয় দেওয়াটাই বেটার এবং সেই সাথে পুলিশের পরিচয় জানবেন, কোন থানা, ফাড়ি, বা সংস্থা থেকে সে এসেছে। সে প্রকৃত পুলিশ বা ডাকাত না অপহরনকারী, পরিচয়পত্র ও ড্রেসকোড দেখবেন।

৩. গ্রেফতারকারীর কাছ থেকে আপনাকে গ্রেফতারের কারণ জানার চেষ্টা করুন। কারন, সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ ও দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী, আপনাকে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে তার কারণ জানাতে হবে। এবং পুলিশ পরিচয়পত্র দেখাতে বাধ্য, চাইলে তা দেখতে পারেন। সে পুলিশ না কিডনাফকারী।

৪. যখন বুঝবেন আপনি গ্রেফতার তখন যতদ্রুত সম্ভব আইনজীবী ও আপনার পরিবারকে জানান। পুলিশ বা সংস্থা আপনাকে গ্রেফতার করেছে। আপনি নিজের পরিবার, বন্ধু বা আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের অধিকার রাখেন। মোবাইল ফোন থাকলে সাথে সাথে কল করুন। পুলিশ এটি বাধা দিতে পারে না (যদি না কোনো বিশেষ কারণে আদালতের নির্দেশ থাকে)।

৫. মনেরাখবেন পুলিশ গ্রেফতারের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনাকে আদালতে হাজির করতে বাধ্য। সংবিধান অনুযায়ী, গ্রেফতারের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করা বাধ্যতামূলক। যদি তা না করা হয়, এটি অবৈধ আটক হিসেবে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে আপনি তাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

৬. গ্রেফতারের পর আপনি আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করবেন। আইনজীবী চাইলেই আপনার জামিন করাতে পারবে না, জামিন দেওয়া একমাত্র আদালতের এখতিয়ার, তবে আপনার আইনজীবী ল পয়েন্ট এ জামিন করাতে পারেন। যদি মামলাটি জামিনযোগ্য হয়, অজামিনযোগ্য মামলাতেও যুক্তি উপস্থাপন করে আপনার কাগজ পত্র বিবেচনা করে জামিন করাতে সক্ষম।

৭. রিমান্ডে নেওয়ার চেষ্টা করলে সতর্ক থাকুন, রিমান্ডে নেয়ার আগে আদালতের অনুমতি লাগে। রিমান্ডের আবেদন করলে, জানার সাথে সাথে শুনানির সময় আপনার আইনজীবীকে উপস্থিত থাকতে বলবেন, যাতে জিজ্ঞাসাবাদে কোনো নির্যাতন না হয়। এ ক্ষেত্রে জেল গেইটে জিজ্ঞেসের অনুমতি চাইতে পারেন।

৮. জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি দিবেন না। গ্রেফতার অবস্থায় যদি আপনি কোনো প্রকার মানসিক বা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন তাৎক্ষণিকভাবে আদালতকে জানান। আদালত চাইলে মেডিকেল পরীক্ষা ও পুলিশের নামে ব্যবস্থা নিতে পারে।

৯. নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ অধিকার হলো যে, নারীকে গ্রেফতারের সময় নারী পুলিশ উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। রাতের বেলায় নারীকে গ্রেফতার করা যায় না (বিশেষ ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশ ছাড়া)।

১০. গ্রেফতার সম্পর্কে আপনার কাছে যে সকল তথ‌্য (ভিডিও, অডিও, ভয়েজ) সবকিছু সংরক্ষন রাখবেন ও মামলার সকল কাগজপত্র সংরক্ষন রাখবেন।

তবে জরুরি পরামর্শ হলো, হঠাৎ গ্রেফতার হলে যত দ্রুত সম্ভব একজন বিশ্বস্ত আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। মহুরি, টাউট, দালান, নেতা হতে বিরত থাকুন। আইনজীবী ফি প্রদানে অক্ষন হলে আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা (যেমন ব্লাস্ট, আইন ও শালিক কেন্দ্র, ব্রাক ইত্যাদি) এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

মোঃ এনামুল হক
এডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
মোবাইল- ০১৭৩৭-৬৪৯৫৪০, ০১৫১৮৯১৪৪৫৪

বি: দ্র: লিখার সাথে পুলিশ আফিসারের ব‌্যবহার মিল নাও পেতে পারেন। আপনি আপনার দিকথেকে সঠিক থাকবেন। সবল প্রকার জামেলা এড়িয়ে চলবেন, তবে গায়ে পড়লে প্রতিবাদ করবেন।
#আইনওবিচার #কোর্ট #পুলিশ #গ্রেফতার #মামলা #বাস্তবতা #উকিল #আদালত #বাংলাদেশ

জমি ক্রয় করার পর আপনার করনীয়:বাংলাদেশে জমি নিয়ে বিরোধ একটি অত্যন্ত সাধারণ ও জটিল সামাজিক ও আইনি সমস্যা। জমি মানুষের অন্...
11/10/2025

জমি ক্রয় করার পর আপনার করনীয়:

বাংলাদেশে জমি নিয়ে বিরোধ একটি অত্যন্ত সাধারণ ও জটিল সামাজিক ও আইনি সমস্যা। জমি মানুষের অন্যতম মূল্যবান সম্পদ, যুগের সাথে তালমিলিয়ে জমির দাম এখন আকাশচুম্বি। তাই এর মালিকানা, দখল, উত্তরাধিকার, ক্রয়-বিক্রয় বা সীমানা নিয়ে মতবিরোধ প্রায়ই দেখা যায়। জমি ক্রয় করার পর কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনগত ও প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে কোনো জটিলতা না হয়। তাই কোন জমি ক্রয় করার পর আপনার করনীয় সর্ম্পকে জানতে পারেন।

১। জমির সকল ধরনের দলিল ও খতিয়ান সংগ্রহ করা:- দলিল জমির মালিকানা বা হস্তান্তরের আইনি প্রমাণপত্র, আর খতিয়ান হলো জমির সরকারি রেকর্ড বা হিসাবপত্র। উভয়ই জমির বৈধ মালিকানা নিশ্চিত করতে অপরিহার্য। জমির দলিল ও খতিয়ান সংগ্রহ করা মানে হলো নিজের মালিকানা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা। এগুলো সংরক্ষণ না করলে আইনি জটিলতা, প্রতারণা এবং আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা থেকে রক্ষা পাওয়া যায় না। তাই দলিল সংগ্রহ করা আপনার নৈতিক দায়িত্ব। দলিল ও খতিয়ানের নাম- বিক্রয় দলিল, দানের দলিল, উত্তরাধিকার দলিল, ইজারা দলিল, বন্ধক দলিল ইত‌্যাদি, খতিয়ান- সি এস , এস এ, আর এস, বিএস.

২। চৌহদ্দিকত উল্লেখিত মালিকদের সম্মুখে জমির সীমানা নিধারন করবেন:- উল্লেখিত মালিকদের উপস্থিতিতে সীমানা নির্ধারণ করা একটি আইনি ও বাস্তবিকভাবে নিরাপদ পদ্ধতি, যা ভবিষ্যতে জমি সংক্রান্ত সব ধরনের জটিলতা ও বিরোধ প্রতিরোধ করে। যেমন, বিরোধ এড়ানো যায়, সঠিক সীমানা নিশ্চিত হয়, আইনি সুরক্ষা পাওয়া যায়, ভবিষ্যতে জমি ক্রয়-বিক্রয়ে সুবিধা হয়, পাড়া-প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় থাকে। সীমা নিয়ে দ্বন্দ্ব না থাকলে সামাজিক সম্পর্ক ভালো থাকে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা এড়ানো যায়।

৩। নামজারি করবেন ও ডিসিআর সংগ্রহ করবেন:- নামজারি করা মানে হলো জমির প্রকৃত মালিকানা সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেওয়া। এটি না করলে আপনি আইনি দিক থেকে দুর্বল অবস্থানে পড়বেন। যেমন , নামজারি ছাড়া খাজনা দিতে পারবেন না, বিক্রয় বা হস্তান্তর করতে পারবেন না, ব‌্যাংক ‍ঋণ ও সরকারী প্রকল্পে সুবিদা পাবেন না। আর ডি.সি.আর সংগ্রহ করা মানে হলো জমি ও সম্পত্তি সম্পর্কিত সব সরকারি তথ্য হাতে থাকা, যা আইনি ও লেনদেনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৪। নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করুন:- নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা মানে হলো আইন মেনে চলা, জমির মালিকানা নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় উন্নয়নে অবদান রাখা। বাংলাদেশে ভূমি মালিকানা থাকলে আইন অনুসারে নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। কর না দিলে সরকার জরিমানা বা বৈধ ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।

৫। উপদেষ: সম্পূর্ন কার্যক্রম শেষ হলে অন‌্যের পাছায় বাশ না দিয়ে শান্তিতে ভোগদখল করবেন। মনে রাখবেন গায়ের জোরে বা ক্ষমতার জোরে উত্তরাধিকারিদের বা দুর্বল দের ঠকাবেন না। কাল হাশরের ময়দানে হিসাব দিতে হবে। আপনার জন‌্য নির্ধারিত সারে তিন হাত। ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করতে ভুলবেন না।

নামজারী বা Mutation. নামজারি (বা নামজারী) হলো এমন একটি প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোনো জমির মালিকানার নাম...
09/10/2025

নামজারী বা Mutation.

নামজারি (বা নামজারী) হলো এমন একটি প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোনো জমির মালিকানার নাম সরকারিভাবে খতিয়ানে বা রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সহজভাবে বলতে গেলে —
যখন কোনো জমি কেনা-বেচা, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া, দান বা রায় অনুযায়ী হস্তান্তর হয়, তখন নতুন মালিকের নাম সরকারি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করতে হয় — একে বলে নামজারি।

যা যা লাগবেঃ
১) জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি/মূল কপি
২) এস এ খতিয়ান, আর এস খতিয়ান বা যে খতিয়ান থেকে দলিল হয়েছে সেইটার কপি
৩) ওয়ারিশান সনদ (হাল) এর কপি যদি ওয়ারিশ সম্পত্তি হয়
৪) ছবি (যদি জন্ম নিবন্ধন দিয়া নামজারী হয়)
৫) বায়া দলিল এর কপি যদি প্রয়োজন হয়
৬)মোবাইল নাম্বার
৭) এনআইডি/জাতীয় পরিচয়পত্র
৮) কর/খাজনার রশিদ

🔴প্রথম কাজঃ
এইসবগুলা ডকুমেন্ট নিয়ে অনলাইনে আবেদন করবেন। একটা আইডি নাম্বার পড়বে বা কেস নাম্বার এটা আপনার মোবাইলে সাথে সাথে এসএমএস পাবেন।

🔴দ্বিতীয় কাজঃ
আবেদন ফাইল কপি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ যাবে তদন্তে আপনার সব কিছু ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রস্তাব পাঠাবে উপজেলা ভূমি অফিসে।

🔴তৃতীয় কাজঃ এসিল্যান্ড অফিস আপনাকে একটি শুনানির তারিখ দিবে এসএমএসের মাধ্যমে। কাজ সম্পন্ন হলে তারপর ডিসিআর ফি দিয়ে দুই একদিন পর অনলাইনে কিউআর কোডযুক্ত নামজারি তুলতে পারবেন।

পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগতে পারে। #মামল #নামজারী #জমি #সিভিল #আদালত

প্রয়োজনে

মো: এনামুল হক
এডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
০১৭৩৭-৬৪৯৫৪০
০১৫১৮-৯১৪৪৫৪

চেক ডিজনার মামলার সম্পুর্ন প্রসেস।চেক ডিজঅনার মামলা (Cheque Dishonour Case) মূলত নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮...
08/10/2025

চেক ডিজনার মামলার সম্পুর্ন প্রসেস।

চেক ডিজঅনার মামলা (Cheque Dishonour Case) মূলত নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ধারা ১৩৮ অনুযায়ী পরিচালিত হয়। নিচে ধাপে ধাপে পুরো প্রক্রিয়াটি দেওয়া হলো👇

⚖️ চেক ডিজঅনার মামলার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া

১. চেক প্রদান ও ব্যাংকে জমা দেওয়া

একজন ব্যক্তি (দায়গ্রস্ত বা Drawer) অন্য কাউকে (প্রাপক বা Payee) একটি চেক দেয়।

প্রাপক সেই চেকটি তার ব্যাংকে জমা দেয় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (চেকের তারিখ থেকে ৬ মাস বা ব্যাংকে নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে)।

২. চেক ফেরত বা বাউন্স হওয়া

যদি ব্যাংক “অপর্যাপ্ত টাকা (Insufficient Fund)”, “অ্যাকাউন্ট ক্লোজড” বা অন্য কোনো কারণে চেক ফেরত দেয়, তখন সেটি চেক ডিজঅনার ধরা হয়।

ব্যাংক ফেরতের কারণ উল্লেখ করে একটি Return Memo দেয়।

৩. আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান

চেক বাউন্স হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে প্রাপককে অবশ্যই দায়গ্রস্ত ব্যক্তিকে একটি লিগ্যাল নোটিশ (Legal Notice) পাঠাতে হয়।

নোটিশে বলা হয় যে, তিনি যেন ১৫ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধ করেন।

৪. নোটিশের পর সময়সীমা

যদি দায়গ্রস্ত ব্যক্তি ১৫ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করেন, তাহলে প্রাপক অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে মামলা করতে পারেন।

৫. মামলা দায়ের করা

নোটিশ পাঠানোর ১৫ দিন পর থেকে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে মামলাটি দায়ের করতে হয়।

মামলা করা হয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে (শহরে) অথবা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে (গ্রামে)।

৬. আদালতের কার্যক্রম

1. আদালত প্রথমে অভিযোগ গ্রহণ করবে।

2. আদালত অভিযুক্তকে সমন পাঠাবে।

3. অভিযুক্ত হাজির হলে, তাকে অভিযোগ পড়ে শোনানো হবে।

4. সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা ও প্রমাণ উপস্থাপন করা হবে।

5. সবশেষে আদালত রায় প্রদান করবে।

৭. শাস্তি (ধারা ১৩৮ অনুযায়ী)

👉 ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা
👉 চেকের পরিমাণের দ্বিগুণ পর্যন্ত জরিমানা, অথবা
👉 উভয়ই হতে পারে।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

নোটিশ ও মামলার সময়সীমা কঠোরভাবে মানতে হয়।

চেকের বৈধতা থাকতে হবে (সঠিক স্বাক্ষর, তারিখ, ও বৈধ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট)।

মামলা করার আগে অবশ্যই চেক ফেরতের ব্যাংক মেমো সংরক্ষণ করতে হবে।

প্র‍য়োজনে
মো: এনামুল হক
এডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
মোবাইল - ০১৭৩৭৬৪৯৫৪০
#চেক #মামল #ডিজঅনার #কোর্ট #আদালত

আসসালামু আলাইকুম।
31/08/2025

আসসালামু আলাইকুম।

মায়ের কথা ধরে ডি*ভোর্স দেওয়ার পর আমার পরিণতি😪 আমি সাহেদকে ভালোবেসে বিয়ে করি, আমাদের ২বছরের একটা বাচ্চাও আছে, শাশুড়ী সবসম...
23/04/2025

মায়ের কথা ধরে ডি*ভোর্স দেওয়ার পর আমার পরিণতি😪 আমি সাহেদকে ভালোবেসে বিয়ে করি, আমাদের ২বছরের একটা বাচ্চাও আছে, শাশুড়ী সবসময় আমার দোষ ধরে আমার সাথে ঝগড়া করতো! আর, সাহেদও আমাকে তার মার কথা শুনেই মাঝে মধ্যে ধমক দিতো, আমি আমার মাকে সবসময় বিষয়গুলো শেয়ার করতাম, তখন মা বলতো, এমন হলে তুই ছেড়ে দে ওকে, আমি আমার মেয়েকে বড় করছি বাকি জীবনও সাথে রাখতে পারবো, চলে আয় মা। আমিও কথাগুলো শুনে শান্তি পেতাম যে আমার মা তো আছে, এরপর আমি সাহেদকে ছেড়ে চলে আসি বাবার বাড়ি আর তাকে ডি**ভোর্স পাঠাই দেই! কয়েক মাস ভালোভাবে কাটার পর এবার আমার নিজের মা ই আমকে মাঝে মধ্যে খোচা দিয়ে কথা বলে এবং আশেপাশের মানুষও! এখন মনে হচ্ছে, স্বামীর কাছেই শান্তিতে ছিলাম😪 সাহেদকে ফোন দেই, কিন্তু সে আমার ফোন কেটে দেয়!😔 এখন কি করবো? বুঝতে পারছি না।

লেখাটি পাঠিয়েছেন - বৃষ্টি আক্তার।....................

19/04/2025

প্রতারনার মাধ্যমে বিয়ে করলে ১০ বছর কারাদন্ড।

দন্ডবিধির ৪৯৩ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো নারীকে প্রতারণামূলকভাবে আইনসম্মত বিবাহিত বলে বিশ্বাস করান, কিন্তু আদৌ ওই বিয়ে আইনসম্মতভাবে না হয় এবং ওই নারীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন, তবে অপরাধী ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

17/04/2025

প্রবাসী ভাই ও বোনদের কে অনুরোধ করব আপনারা প্রবাস হতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ে করা হতে বিরত থাকুন। কারণ মোবাইলের মাধ্যমে বিয়ের আইনগত কোন বৈধতা নাই। কারণ এ বিয়ের পরবর্তী সময়ে কোন ঝামেলা তৈরী হলে আইনগত প্রতিকার পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। অর্থাৎ থাকেই না। তাই এ বিষয় গুলো নিয়ে সচেতন হওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি।

14/04/2025

বৈশাখের দুপুরে হাতিরঝিল।

Send a message to learn more

20/03/2025

বিয়ের আশ্বাসে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে প্রতারণা করলে সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের সংশোধনীতে অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। বিষয় টি আপনি কিভাবে দেখছেন...?

Address

335, Ulon, DIT Road, West Rampura
Dhaka
1219

Telephone

+8801737649540

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Md. Anamul Haque Sorkar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Advocate Md. Anamul Haque Sorkar:

Share

Category