23/06/2026
ভ্যাট রিটার্ন দাখিলে নতুন পরিবর্তন: জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
নতুন বিধান অনুযায়ী ভ্যাট রিটার্ন দাখিল ও কর পরিশোধে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। সহজ ভাষায় নিচে তুলে ধরা হলো—
📝 ভ্যাট রিটার্ন
✅ এখন প্রতি ৩ মাসে ১ বার ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে হবে।
📅 রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা
🔹 সাধারণ প্রতিষ্ঠান: পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে।
🔹 সরকারি/আধা-সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বীমা প্রতিষ্ঠান ও শূন্য রিটার্ন দাখিলকারী: পরবর্তী মাসের ২০ তারিখের মধ্যে।
🔹 ১৫ তারিখ সরকারি ছুটি হলে, পরবর্তী কার্যদিবসে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে।
⚠️ সময়মতো রিটার্ন না দিলে
💰 ২,০০০ টাকা জরিমানা।
💰 প্রদেয় করের উপর মাসিক ১% হারে সুদ প্রযোজ্য হবে।
📄 ব্যবহৃত ফরম
✔️ উৎপাদনকারী ও সেবাপ্রদানকারী: মূসক ৯.১
✔️ ব্যবসায়ী: মূসক ৯.১.১
✔️ টার্নওভার কর প্রদানকারী: মূসক ৯.২
📌 টার্নওভার কর রিটার্ন
🗓️ বছরে ১ বার, প্রতি বছর ১–১৫ জুলাইয়ের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
💳 কর পরিশোধ
✅ প্রদেয় কর পরিশোধ ছাড়া রিটার্ন দাখিল করা যাবে না।
✅ চাইলে প্রতিটি করমেয়াদের ভ্যাট পরবর্তী করমেয়াদের যেকোনো দিন অগ্রিম জমা দেওয়া যাবে।
📖 উদাহরণ–১: এক্স এন্টারপ্রাইজ
প্রতি ৩ মাসে রিটার্ন দাখিল করবে।
জানুয়ারি–মার্চ মেয়াদের জন্য অগ্রিম ৯০,০০০ টাকা জমা দিয়েছে।
এপ্রিলের জন্য মে মাসে ৩০,০০০ টাকা এবং মে মাসের জন্য জুনে ৩০,০০০ টাকা জমা দিয়েছে।
যদি নিট প্রদেয় কর ১,০০,০০০ টাকা হয়, তাহলে ১৫ জুলাই বাকি ৪০,০০০ টাকা জমা দিয়ে রিটার্ন দাখিল করবে।
📖 উদাহরণ–২: ওয়াই এন্টারপ্রাইজ (টার্নওভার কর প্রদানকারী)
বছরে ১ বার রিটার্ন দাখিল করবে।
গত বছরের মোট কর ছিল ২৪,০০০ টাকা।
জুলাই–অক্টোবর মেয়াদের জন্য ১৫ নভেম্বর ৮,০০০ টাকা জমা।
নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি মেয়াদের জন্য ১৫ মার্চ ৮,০০০ টাকা জমা।
যদি নিট প্রদেয় কর ৩০,০০০ টাকা হয়, তাহলে ১৫ জুলাই বাকি ১৪,০০০ টাকা জমা দিয়ে বার্ষিক রিটার্ন দাখিল করবে।