Legale law firm in Bangladesh

Legale law firm in Bangladesh Legale is a full-service law firm in Dhaka Bangladesh

27/08/2026

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯ (১) ধারা অনুযায়ী ধর্ষণের আইনি সংজ্ঞা এবং সম্মতির বিষয়টি বিশেষভাবে পরিচালিত হয়।
​এই আইনের আওতায় সম্মতির আইনি অবস্থান ও ব্যতিক্রমসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:

​আইনি ধারা ও সম্মতির তাৎপর্য
​৯ (১) ধারার মূল নীতি: নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারা অনুযায়ী যদি কোনো পুরুষ কোনো নারী বা শিশুকে তার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন/প্রতারণার মাধ্যমে সম্মতি আদায় করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন তবে তা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে। ফলে স্বাধীন ও স্বতঃস্ফূর্ত সম্মতি প্রমাণিত হলে তা ধর্ষণের আওতায় পড়ে না।

​নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সম্মতির ব্যতিক্রম
​এই আইনের অধীন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলোতে নারীর সম্মতি থাকলেও তা আইনত অকার্যকর এবং ধর্ষণ হিসেবেই দণ্ডনীয়:

​শিশু/অপ্রাপ্তবয়স্কের ক্ষেত্রে (১৬ বছরের কম): নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের উদ্দেশ্য অনুযায়ী ১৬ বছরের কম বয়সী কোনো বালিকা যদি স্ব ইচ্ছায় বা সজ্ঞান সম্মতেও শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয় তবুও আইনের দৃষ্টিতে তা ধর্ষণ (Statutory R**e) হিসেবে গণ্য হবে। কারণ হিসেবে ধরা হয় যে আইনত সম্মতি দেওয়ার মতো পরিপক্বতা এই বয়সে তৈরি হয় না।

​ভীতি বা জীবননাশের হুমকি (Section 9): যদি প্রাণনাশের ভয় মারাত্মক জখমের হুমকি বা তাৎক্ষণিক বিপদের মুখে ফেলে সম্মতি আদায় করা হয় তবে আইনের দৃষ্টিতে সেই সম্মতির কোনো মূল্য নেই।

​বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন (Fraudulent Consent): আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুরু থেকেই প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা প্রতারণামূলক মিথ্যা বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করলে তা প্রকৃত সম্মতি হিসেবে গণ্য হয় না এবং তা ৯ (১) ধারার অধীনে ধর্ষণের অপরাধ হিসেবে বিচার্য হতে পারে।

​সম্মতি দেওয়ার অক্ষমতা: নারী যদি চরম নেশাগ্রস্ত, অচেতন বা মানসিক দিক থেকে সম্মতি প্রদানে অসামর্থ্য হন তবে সেই অবস্থায় গৃহীত কোনো সম্মতি আইনি বৈধতা পায় না।

​সংক্ষেপে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর অধীনে কোনো ঘটনাকে ধর্ষণের আওতামুক্ত প্রমাণ করতে হলে ভিকটিমকে অবশ্যই আইনানুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক (১৬ বছরের বেশি) হতে হবে এবং উক্ত সম্মতি ভয় প্রতারণা বা প্রলোভনমুক্ত হতে হবে।

27/08/2026

বাংলাদেশে পূর্ববর্তী সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিতর্কিত ধারা সংশোধন ও হালনাগাদ করার ধারাবাহিকতায় সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ প্রণীত ও কার্যকর করা হয়েছে।

​এই আইনের মূল লক্ষ্য হলো নাগরিক বাক-স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে কেবল প্রকৃত সাইবার অপরাধ ডিজিটাল অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং হ্যাকিং বা জালিয়াতি প্রতিরোধ করা।

​আইনের প্রধান কাঠামোগত দিকসমূহ
​জাতীয় সাইবার এমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (NCERT): আইনের আওতায় ডিজিটাল পরিকাঠামো রক্ষা এবং জরুরি সাইবার হুমকি মোকাবেলায় জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম' (NCERT) কে আইনি স্বীকৃতি ও নির্দিষ্ট এখতিয়ার প্রদান করা হয়েছে।

​সংজ্ঞায়িত অপরাধসমূহ: হ্যাকিং ডিজিটাল জালিয়াতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবকাঠামো (Critical Information Infrastructure) আক্রমণ ডাটা চুরি এবং অননুমোদিত ডিজিটাল অনুপ্রবেশকে সুনির্দিষ্ট এবং জামিনযোগ্য/অজামিনযোগ্য অপরাধে চিহ্নিত করা হয়েছে।

​ফৌজদারি এবং ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ: ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার কার্যপ্রণালী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ক্ষমতা এবং প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে স্পষ্ট নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে।

​পূর্ববর্তী আইনের রহিতকরণ: পূর্বের সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ রহিতপূর্বক স্থায়ী আইন হিসেবে এটি সংসদে পাস ও জারি করা হয়।

02/07/2026

Junior Advocate Wanted High Court enrolled.

​We are looking for a dedicated motivated and passionate Junior Advocate to join our legal team. If you are eager to learn grow and build a solid foundation in legal practice we welcome you to apply.

​Key Requirements & Qualities:
​Strong ethics humility and a professional demeanor.

​A genuine passion for law and a high level of enthusiasm for practical learning. ​Hardworking reliable and committed to professional growth.

​If you are a junior legal professional looking to collaborate with us and elevate your career, please reach out through the contact details below.
​Contact Information:
​📞 Phone: 01715563607
✉️ Email: [email protected]

26/06/2026

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিত করার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট এবং শক্তিশালী আইন রয়েছে। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ সরকার পিতা মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ (Parent's Maintenance Act, 2013) পাস করে।
​এই আইনের মূল দিক সন্তানের দায়িত্ব এবং শাস্তির বিধানগুলো নিচে সহজভাবে তুলে ধরা হলো:

​১. আইনের মূল উদ্দেশ্য
​কোনো সন্তান যেন তার পিতা মাতাকে অবহেলা করতে না পারে এবং বৃদ্ধ বয়সে তাদের স্বাভাবিক ও সম্মানজনক জীবনযাপন নিশ্চিত করা যায় সেটাই এই আইনের মূল লক্ষ্য।

​২. সন্তানের আইনি দায়িত্ব ও কর্তব্য
​এই আইন অনুযায়ী প্রত্যেক সন্তানকে (ছেলে এবং মেয়ে উভয়ই) তার পিতা মাতার প্রতি নিম্নলিখিত দায়িত্বগুলো পালন করতে হবে:
​ভরণপোষণ প্রদান: সন্তানদের তাদের পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে হবে। ভরণপোষণ বলতে পরিমিত খাদ্য বস্ত্র বাসস্থান, চিকিৎসা এবং সঙ্গী সাথী (বিনোদন বা দেখাশোনা) নিশ্চিত করাকে বোঝায়।

​একত্রে বসবাস: পিতা মাতার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাদেরকে কোনো বৃদ্ধাশ্রম বা অন্য কোথাও আলাদা করে রাখা যাবে না। সন্তানকে তার পিতা-মাতাকে নিজের সঙ্গেই রাখতে হবে।

​নিয়মিত যোগাযোগ ও দেখাশোনা: সন্তান যদি চাকুরিজীবী বা অন্য কোনো কারণে আলাদা বসবাস করে, তবে তাকে পিতা মাতার নিয়মিত খোঁজখবর নিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দিতে হবে।

​মাতার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার: পিতার পাশাপাশি মাতার ভরণপোষণ এবং খোঁজখবরের ক্ষেত্রে সন্তানকে বিশেষ যত্নবান হতে হবে।

​দাদা দাদী ও নানা নানীর ভরণপোষণ: পিতা মাতা যদি জীবিত না থাকেন এবং দাদা-দাদী বা নানা নানী যদি অভাবগ্রস্ত হন তবে সন্তানকে (নাতি-নাতনি) তাদেরও ভরণপোষণ করতে হবে।

​৩. আয়ের অংশ প্রদান (আর্থিক বাধ্যবাধকতা)
​যদি কোনো সন্তান চাকুরিজীবী বা ব্যবসায়ী হন এবং পিতা মাতা তাদের সাথে না থেকে আলাদা থাকেন, তবে সেই সন্তানকে তার মাসিক আয়ের বা উপার্জনের একটি যুক্তিযুক্ত অংশ নিয়মিতভাবে পিতা মাতাকে প্রদান করতে হবে। একাধিক সন্তান থাকলে তারা নিজেরা আলোচনা করে এই খরচের অনুপাত ঠিক করে নেবেন।

​৪. অপরাধ ও শাস্তির বিধান
​যদি কোনো সন্তান এই আইনের কোনো ধারা লঙ্ঘন করে (যেমন: পিতা-মাতাকে খাবার না দেওয়া বের করে দেওয়া বা চিকিৎসা না করানো) তবে তা একটি আমলযোগ্য জামিনযোগ্য এবং আপোষযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

​শাস্তি: পিতা-মাতার দায়ের করা মামলায় সন্তান দোষী প্রমাণিত হলে তাকে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে। আর এই অর্থদণ্ড অনাদায়ে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

​সহযোগিতাকারীর শাস্তি: সন্তানের স্ত্রী স্বামী বা অন্য কোনো আত্মীয় যদি সন্তানকে পিতা মাতার ভরণপোষণ না দিতে প্ররোচিত বা সহযোগিতা করে তবে তারাও একই শাস্তির আওতাভুক্ত হবেন।

​৫. মামলা প্রক্রিয়া ও সমাধান
​আদালত: এই সংক্রান্ত অভিযোগ প্রথম শ্রেণীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করতে হবে।

​আপোষ-মীমাংসা: আদালত সরাসরি শাস্তির দিকে না গিয়ে প্রথমে স্থানীয় সরকার (যেমন: ইউপি চেয়ারম্যান পৌর মেয়র বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর) বা কোনো গণ্যমান্য ব্যক্তির মাধ্যমে বিষয়টি আপোষ-মীমাংসার জন্য পাঠাতে পারেন। আপোষ হয়ে গেলে মামলা সেখানেই নিষ্পত্তি হয়ে যায়।
​বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই আইনটি পিতা মাতার অধিকার সুরক্ষায় অত্যন্ত কঠোর। তবে আইনের আশ্রয় নেওয়ার আগে পারিবারিক ও সামাজিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমে পিতা-মাতার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াটাই সবচেয়ে সম্মানজনক সমাধান।

19/06/2026

সন্তানকে আজকের যুগে নৈতিকভাবে সুদৃঢ়, সচেতন এবং নিরাপদ রাখা প্রতিটি অভিভাবকের জন্যই একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আপনার সন্তানকে মাদকমুক্ত রাখা সুস্থ সামাজিক সম্পর্ক (বন্ধু-বান্ধবী) বজায় রাখা এবং শারীরিক সম্পর্ক ও এর আইনি প্রভাব নিয়ে খোলামেলা ও অন্তরঙ্গ আলোচনা করার জন্য একটি নির্দেশিকা নিচে তৈরি করে দেওয়া হলো। ​এটিকে আপনি আপনার মতো করে সন্তানের সাথে আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন:

​১. মাদকমুক্ত জীবনের জন্য অন্তরঙ্গ আলাপ
​সন্তানকে শুধু মাদক খারাপ না বলে এর পেছনে গভীর মনস্তাত্ত্বিক কারণ ও প্রভাব নিয়ে কথা বলুন। ​বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরি: সন্তানকে বোঝান যে কৌতূহল বা বন্ধুদের চাপে (Peer Pressure) পড়ে কোনো কিছু ট্রাই করার দরকার নেই। তাকে বলুন যেকোনো সমস্যায় বা মানসিক চাপে তুমি সবার আগে আমাদের (বাবা-মাকে) পাশে পাবে। সাময়িক আনন্দের জন্য নিজের জীবন ধ্বংস করার কোনো মানে হয় না। ​স্মার্টলি না বলার ক্ষমতা: সন্তানকে শেখান যে বন্ধুদের আড্ডায় মাদককে না বলা কোনো দুর্বলতা নয় বরং এটি একটি শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের লক্ষণ।
​ভবিষ্যতের স্বপ্ন: তাকে মনে করিয়ে দিন যে তার সামনে একটি চমৎকার ক্যারিয়ার এবং ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। মাদক কীভাবে মানুষের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং মস্তিষ্ককে চিরতরে বিকল করে দেয়, তা বুঝিয়ে বলুন।

​২. বন্ধু-বান্ধবী ও সুস্থ সামাজিক সম্পর্ক
​আজকের যুগে ছেলে-মেয়েদের মধ্যে বন্ধুত্ব থাকা স্বাভাবিক এবং এটি সামাজিক দক্ষতা বাড়ায়। তবে এর একটি সীমারেখা থাকা জরুরি। ​সম্মান ও সীমারেখা
(Boundaries): সন্তানকে বোঝান, সে ছেলে হোক বা মেয়ে, বন্ধুদের সাথে মেশার সময় একে অপরের ব্যক্তিগত সীমানাকে সম্মান করতে হবে। কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো কিছু করতে বাধ্য করা যাবে না। ​সৎ বন্ধু নির্বাচন: সন্তানকে বলুন, এমন মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করো যে তোমাকে পড়াশোনায় বা ভালো কাজে অনুপ্রেরণা দেয়, যে তোমাকে কোনো খারাপ কাজের দিকে ঠেলে দেয় না। ​বাসায় বন্ধুদের আমন্ত্রণ: সন্তানের বন্ধুদের সাথে পরিচিত হোন। তাদের মাঝে মাঝে বাসায় দাওয়াত দিন এতে আপনিও জানতে পারবেন আপনার সন্তান কাদের সাথে মিশছে।

​৩. শারীরিক সম্পর্ক ও সচেতনতা (অন্তরঙ্গ ও সংবেদনশীল আলোচনা)
​এই বিষয়ে লুকোছাপা না করে সঠিক বয়স ও সময়ে সঠিক বৈজ্ঞানিক ও নৈতিক শিক্ষা দেওয়া উচিত, যাতে সে ভুল উৎস (যেমন ইন্টারনেট বা বন্ধুদের ভুল তথ্য) থেকে বিভ্রান্ত না হয়। ​আবেগের নিয়ন্ত্রণ: সন্তানকে বুঝিয়ে বলুন যে বয়ঃসন্ধিকালে শরীরে এবং মনে অনেক পরিবর্তন আসে, অনেক নতুন অনুভূতি তৈরি হয়, যা অত্যন্ত স্বাভাবিক। কিন্তু এই আবেগের বশে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।
​সম্মতি বা Consent এর গুরুত্ব: তাকে পরিষ্কারভাবে বোঝান যে শারীরিক বা স্পর্শকাতর যেকোনো বিষয়ের ক্ষেত্রে অপরপক্ষের স্পষ্ট সম্মতি (Consent) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অপরপক্ষের অনিচ্ছা বা নীরবতাকে কখনো সম্মতি ভাবা যাবে না। ​অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতি: অল্প বয়সে শারীরিক সম্পর্কের শারীরিক ও মানসিক ঝুঁকি, ক্যারিয়ারের ক্ষতি এবং সামাজিক সম্মানের বিষয়টি তাকে বুঝিয়ে বলুন।

​৪. আইনি ব্যাখ্যা ও শাস্তি (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ)
​আমাদের সমাজে অনেকেই আইন না জানার কারণে বড় বিপদে পড়ে। সন্তানকে দেশের প্রচলিত আইন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিন, যাতে সে নিজে নিরাপদ থাকে এবং অন্য কারো ক্ষতি না করে। ​ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সাইবার ক্রাইম (Cyber Security): আজকের দিনে অনেক তরুণ-তরুণী আবেগের বশে ছবি বা ভিডিও আদান-প্রদান করে, যা পরে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের হাতিয়ার হয়। সন্তানকে শক্তভাবে সতর্ক করুন:কখনো ডিজিটাল মাধ্যমে (Messenger/ WhatsApp ইত্যাদি) নিজের বা অন্য কারো কোনো আপত্তিকর ছবি বা তথ্য শেয়ার করবে না। এটি দেশের আইনে (সাইবার নিরাপত্তা আইন) অত্যন্ত গুরুতর এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।​সম্মতিহীন সম্পর্ক ও আইনি পরিণতি (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন):​যদি ১৮ বছরের কম বয়সী (নাবালক/নাবালিকা) কারো সাথে পারস্পরিক সম্মতিতে অবহেলা বা ভুলবশতও শারীরিক সম্পর্ক হয়, আইনের দৃষ্টিতে তা অত্যন্ত জটিল আকার ধারণ করতে পারে।​কোনো প্রকার জোর-জবরদস্তি, প্রতারণা বা বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করলে তা দেশের প্রচলিত আইনে (বিশেষ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০) কঠোর শাস্তিযোগ্য এবং অ-জামিনযোগ্য অপরাধ। এর শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।
​সম্মতি থাকলেও অপরাধ কখন: তাকে জানান যে, ছবি বা ভিডিও ধারণ করে তা দিয়ে কাউকে ভয় দেখানো বা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অপরাধে বছরের পর বছর জেল ও লাখ লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে।

​আলোচনার কিছু সোনালী নিয়ম (Parents Tips):​শাসন নয় আলোচনা: আলোচনার সময় বিচারক বা পুলিশের মতো আচরণ না করে একজন শুভাকাঙ্ক্ষী বা মেন্টরের মতো কথা বলুন।​প্রশ্ন করার সুযোগ দিন: তাকে কথা বলতে দিন। সে কোনো ভুল ধারণা নিয়ে থাকলে তা ধমক না দিয়ে যুক্তি ও ভালোবাসা দিয়ে বুঝিয়ে বলুন।​আস্থার জায়গা তৈরি করুন: সন্তানকে নিশ্চিত করুন যে সে যদি কখনো কোনো ভুল করেও ফেলে বা কোনো বিপদে পড়ে সে যেন সবার আগে আপনার কাছে এসে নির্দ্বিধায় বলতে পারে। এই আশ্বাসটুকু পেলে সন্তান কখনো বিপথে যাবে না।

​সন্তানের সাথে এই আলোচনাগুলো নিয়মিত অল্প অল্প করে করা ভালো যাতে সে বুঝতে পারে যে এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলা ট্যাবুর কিছু নয় বরং তার সুরক্ষার জন্যই অত্যন্ত জরুরি।

17/06/2026

বাংলাদেশে পরকীয়া বা ব্যভিচারের শাস্তি (Legal Punishment)

​বাংলাদেশের প্রচলিত দণ্ডবিধি ১৮৬০ (The Penal Code, 1860)-এর ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী ব্যভিচার একটি ফৌজদারি অপরাধ। এই আইনের মূল বিষয়গুলো নিম্নরূপ:

​অপরাধের সংজ্ঞা: যদি কোনো পুরুষ অন্য কোনো বিবাহিত নারীর সাথে তার স্বামীর সম্মতি বা মৌন প্রশ্রয় (Consent or Connivance) ছাড়া যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে এবং তা যদি দণ্ডবিধির আওতায় ধর্ষণ না হয়, তবে তা ব্যভিচার বা পরকীয়া অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

​শাস্তি: এই অপরাধের জন্য দোষী প্রমাণিত হলে ওই পুরুষের সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।

​আইনের সীমাবদ্ধতা ও বৈষম্য:
​এই ধারায় শুধুমাত্র পরকীয়াতে লিপ্ত পুরুষটিকে শাস্তির আওতায় আনা যায়। আইনে বলা হয়েছে পরকীয়ায় লিপ্ত বিবাহিত নারীটিকে দুষ্কর্মের সহায়তাকারী (Abettor) হিসেবে শাস্তি দেওয়া যাবে না।

​শুধুমাত্র ভুক্তভোগী স্বামীই এই ধারায় অপর পুরুষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন। কোনো স্ত্রী তার স্বামীর পরকীয়ার বিরুদ্ধে এই ধারায় সরাসরি মামলা করতে পারেন না।

​আইনি দ্রষ্টব্য: যদিও ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তাদের দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা বাতিল করেছে বাংলাদেশে এখনো এই ধারাটি বলবৎ রয়েছে। তবে এটি লিঙ্গবৈষম্যমূলক হওয়ায় উচ্চ আদালতে এটি সংশোধনের জন্য বিভিন্ন সময়ে রিট পিটিশন করা হয়েছে।

​২. পরকীয়া থেকে বৈবাহিক সম্পর্ক রক্ষা ও প্রতিকার (Protection & Remedies)

​আইনি শাস্তির পাশাপাশি বৈবাহিক সম্পর্ক রক্ষা এবং এই পরিস্থিতি থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য কিছু দেওয়ানি ও পারিবারিক পদক্ষেপ নেওয়া যায়:

​ক) পারিবারিক ও দেওয়ানি প্রতিকার
​মুসলিম পারিবারিক আইন (ডিভোর্স ও দেনমোহর): যদি কোনো স্বামী বা স্ত্রী পরকীয়ায় লিপ্ত হন তবে অপর পক্ষ ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ এবং কাবিননামার ১৮ নম্বর ধারা (তালাকে তাওফিজ) অনুযায়ী বিবাহ বিচ্ছেদ (Divorce) বা তালাকের নোটিশ পাঠাতে পারেন। স্ত্রী তালাক দিলেও তার পাওনা দেনমোহর (Dower) এবং ইদ্দতকালীন ভরণপোষণ অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে।
​মানসিক নির্যাতন (Cruelty): ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী স্বামী যদি কোনো খারাপ চরিত্রের নারীর সাথে মেলামেশা করে স্ত্রীর প্রতি মানসিক নির্যাতন বা ক্রূরতা প্রদর্শন করে, তবে স্ত্রী আদালতের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি চাইতে পারেন।

​খ) সম্পর্ক রক্ষা ও সচেতনতামূলক পদক্ষেপ
​ব্যভিচার বা পরকীয়ার মতো পরিস্থিতি প্রতিরোধ করতে এবং দাম্পত্য জীবন সুরক্ষিত রাখতে কিছু ব্যবহারিক পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি:
​পারস্পরিক যোগাযোগ (Communication): দাম্পত্য জীবনে কোনো দূরত্ব বা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হলে তা জমিয়ে না রেখে নিজেদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করা উচিত।​পারিবারিক মূল্যবোধ ও কাউন্সিলিং সম্পর্কের টানাপোড়েন চরম আকার ধারণ করলে কোনো পেশাদার ম্যারেজ কাউন্সিলর বা পরিবারের মুরুব্বিদের মধ্যস্থতায় আলোচনা করা যেতে পারে।

​ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা: পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন এবং নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা পরকীয়ার মতো প্রবণতা থেকে দূরে রাখতে বড় ভূমিকা পালন করে।
​ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহারে সচেতনতা।বর্তমান যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার অনেক সময় পরকীয়ায় জড়ানোর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। তাই এ বিষয়ে উভয় পক্ষেরই সচেতন থাকা প্রয়োজন।

16/06/2026

Written by
Partha Sharathi Ray
Advocate Appellate Division Supreme Court of Bangladesh
Email:[email protected]

Extradition Laws in Bangladesh: Legal Framework, Key Provisions, and Practical Application
Introduction
Extradition is the formal legal process through which one State surrenders an individual to another State for prosecution, trial, or punishment for a criminal offence. In Bangladesh, extradition is primarily governed by the Extradition Act 1974 (Act No. LVIII of 1974) which establishes the procedures and conditions under which fugitive offenders may be surrendered to foreign countries or returned to Bangladesh.
The Act aims to balance international cooperation in criminal matters with the protection of individual rights and national sovereignty.
Legal Basis of Extradition in Bangladesh
The principal legislation governing extradition is the Extradition Act, 1974, which came into force on 30 July 1974. The Act applies to:
1. States with which Bangladesh has an extradition treaty.
2. Foreign States without an extradition treaty where the Government has specifically extended the Act's application through a Gazette notification.
Key Definitions under the Extradition Act, 1974
1. Extradition Offence
Section 2 defines an extradition offence as an offence listed in the Schedule to the Act that would also constitute a crime under Bangladeshi law. The principle of dual criminality applies, meaning the conduct must be criminal in both countries.
2. Fugitive Offender
A fugitive offender is a person who is accused or convicted of an extradition offence and is present or suspected to be present in Bangladesh.
3. Treaty State
A treaty State is a foreign country with which Bangladesh has an operative extradition treaty. The Government publishes a list of such States through official Gazette notifications.
Application to Non-Treaty States
Section 4 empowers the Government of Bangladesh to extend extradition arrangements to a non-treaty State through a Gazette notification when it is considered expedient in the interests of justice or international relations. Once such a notification is issued, the State is treated similarly to a treaty State for specified offences.
Grounds for Extradition
Under Section 5, a fugitive offender may be arrested and surrendered regardless of whether the offence was committed before or after the commencement of the Act. However, extradition is subject to several legal safeguards.
Conditions for Extradition
The offence generally must be punishable by:
• Death penalty or
• Life imprisonment or
• Imprisonment for a term of at least twelve months.
Mandatory Refusal of Extradition
The Act provides several important protections against improper extradition.
1. Political Offences
Extradition cannot be granted if the offence is of a political character or if the request is made primarily to punish a person for political reasons.

2. Discrimination and Human Rights Concerns
A person cannot be extradited if there is reason to believe that he or she may face prejudice, punishment, detention, or restrictions based on:
• Race
• Religion
• Nationality
• Political opinion
3. Double Jeopardy
Extradition is prohibited if the person has already been tried and acquitted or convicted in Bangladesh for the same offence.
4. Time Barred Prosecutions
Where prosecution is barred by limitation under the law of the requesting State, extradition may not be granted.
5. Ongoing Criminal Proceedings in Bangladesh
If the fugitive offender is currently facing criminal charges or serving a sentence in Bangladesh, extradition may be postponed until the local proceedings conclude.
Extradition Procedure
Step 1: Request from Foreign State
A foreign government submits a formal extradition request through diplomatic channels.
Step 2: Government Review
The Government examines whether the request satisfies treaty obligations and statutory requirements.
Step 3: Arrest Warrant
If sufficient grounds exist, a warrant may be issued for the arrest of the fugitive offender.
Step 4: Judicial Inquiry
A Magistrate conducts an inquiry to determine whether the evidence supports extradition under the Act.
Step 5: Government Decision
After judicial proceedings, the Government makes the final decision regarding surrender.
Bail and Detention
Section 19 provides that the ordinary rules relating to bail under the Code of Criminal Procedure apply to persons arrested under the Extradition Act. Courts may therefore grant or refuse bail based on the facts of each case.
Jurisdiction over Maritime and Aviation Offences
Section 18 extends the operation of the Act to offences committed on ships on the high seas or aircraft outside Bangladesh where the vessel or aircraft later enters Bangladeshi territory.
Bangladesh's Extradition Treaties
Bangladesh has entered into extradition arrangements with several countries through bilateral treaties. These treaties supplement the provisions of the Extradition Act, 1974 and often contain specific procedural requirements, evidentiary standards, and exceptions.
Landmark Judicial Interpretation
In Saiful Islam Dilder v. Government of Bangladesh, the court recognized the Government's authority to extradite a foreign national under the Extradition Act and related laws, even in circumstances involving non-treaty arrangements.
In Abdul Abedin Abdul v. State, the court affirmed that extradition proceedings are subject to the ordinary principles governing bail under criminal procedure law.
Conclusion
The Extradition Act, 1974 serves as the cornerstone of Bangladesh's extradition regime. It facilitates international cooperation in combating crime while incorporating important safeguards against political persecution, discrimination, double jeopardy, and unfair prosecution. The Act reflects internationally recognized extradition principles such as dual criminality, specialty, and protection of fundamental rights. As cross-border criminal activity continues to increase, the extradition framework remains an essential tool for ensuring that offenders cannot evade justice by crossing national boundaries.

প্রবাসীদের জন্য ফ্রি আইনি পরামর্শ। (No Consultation Fee)​বাংলাদেশী প্রবাসীদের (NRBs) জন্য আইনি জটিলতার দিন শেষ! জমি-জমা,...
14/06/2026

প্রবাসীদের জন্য ফ্রি আইনি পরামর্শ। (No Consultation Fee)
​
বাংলাদেশী প্রবাসীদের (NRBs) জন্য আইনি জটিলতার দিন শেষ! জমি-জমা, পারিবারিক বিষয় কিংবা ব্যবসায়িক চুক্তি যেকোনো আইনি সমস্যায় আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী Legale Law Firm।
​💡 কেন আমাদের বেছে নেবেন?
১. অ-নিবাসী বাংলাদেশীদের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা ইউনিক লিগ্যাল সল্যুশন।
২. কোনো প্রকার হিডেন চার্জ বা প্রাথমিক কনসালটেশন ফি নেই।
৩. প্রবাসে বসেই অনলাইন ও ভিডিও কলের মাধ্যমে সরাসরি আইনজীবীর সাথে আলোচনার সুবিধা।
৪. শতভাগ স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বের নিশ্চয়তা।
​আপনার সমস্যাটি আমাদের জানান, সঠিক আইনি সমাধান দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের।
​👉 বিনামূল্যে পরামর্শের জন্য
📞+8801615563607 what's app
🌐

Are you looking for the best law firm in Bangladesh? Legale BD is top leading law firm in Bangladesh. We provide high quality service for your cases. Get the best solution from us.

14/06/2026

বাংলাদেশে মুসলিম পারিবারিক আইন এবং প্রচলিত আদালতের নজির (Case Laws) অনুযায়ী, ডিভোর্স বা বিবাহবিচ্ছেদের পর বাবা ও মা কেউই সন্তানের চূড়ান্ত বা স্থায়ী মালিকানা (Absolute Ownership) পান না। আইন ও আদালতের মূল লক্ষ্য থাকে সন্তানের সর্বোত্তম কল্যাণ" (Welfare of the Child) নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশী আইনে সন্তানের কাস্টডি বা জিম্মাদারির মূল নিয়মগুলো নিচে সহজভাবে আলোচনা করা হলো:
১. মায়ের অধিকার: হিজানাত বা জিম্মাদারিত্ব
মুসলিম আইন অনুযায়ী, বিবাহবিচ্ছেদের পর সন্তানকে নিজের কাছে রাখার বা লালন পালন করার প্রথম অধিকার মায়ের। একে আইনি ভাষায় হিজানাত (Hizanat) বলা হয়। তবে এই অধিকারের একটি নির্দিষ্ট বয়সসীমা রয়েছে:
ছেলে সন্তান: সাধারণত বয়স ৭ বছর হওয়া পর্যন্ত মা তার কাছে রাখার অধিকারী।
মেয়ে সন্তান:সাধারণত মেয়ের বয়ঃসন্ধি বা সাবালিকা হওয়া পর্যন্ত (বিয়ে হওয়ার আগ পর্যন্ত) মা তার কাছে রাখার অধিকারী।
ব্যতিক্রম: মা যদি দ্বিতীয় বিয়ে করেন নীতিহীন জীবনযাপন করেন, কিংবা সন্তানের প্রতি অবহেলা করেন তবে তিনি এই জিম্মাদারির অধিকার হারাতে পারেন।
২. বাবার অধিকার: অভিভাবকত্ব বা গার্ডিয়ানশিপ
মুসলিম আইনে বাবা হলেন সন্তানের আইনি অভিভাবক (Legal Guardian)। মা যখন সন্তানকে নিজের কাছে রাখছেন (জিম্মাদারিত্ব) তখনও বাবা-ই সন্তানের স্বাভাবিক ও আইনি অভিভাবক হিসেবে বহাল থাকেন।
ভরণপোষণ: সন্তান মায়ের কাছে থাকলেও তার পড়ালেখা, চিকিৎসা, খাবার ও পোশাকসহ যাবতীয় ভরণপোষণের (Maintenance) সম্পূর্ণ খরচ বাবাকেই বহন করতে হবে।
সাক্ষাৎ বা দেখার অধিকার: সন্তান মায়ের কাছে থাকাকালীন বাবা যাতে সন্তানের সাথে নিয়মিত দেখা করতে পারেন এবং সময় কাটাতে পারেন, আদালত সেই অধিকার (Visitation Rights) সুনির্দিষ্ট করে দেন।
বয়সসীমা পার হওয়ার পর: ছেলের বয়স ৭ বছর পার হলে এবং মেয়ের বয়ঃসন্ধি পার হলে বাবা সাধারণত তাদের কাস্টডি দাবি করতে পারেন।
৩. আদালতের সিদ্ধান্ত ও সন্তানের কল্যাণ
মুসলিম আইনের এই বয়সসীমার নিয়মটি কিন্তু একদম চূড়ান্ত বা কঠোর নয়। ১৮৯০ সালের গার্ডিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্ডস অ্যাক্ট (The Guardians and Wards Act, 1890) অনুযায়ী, আদালত যদি মনে করেন যে নির্দিষ্ট বয়স পার হওয়ার পরেও মায়ের কাছে থাকাই সন্তানের জন্য সবচেয়ে বেশি নিরাপদ ও কল্যাণকর তবে আদালত মুসলিম আইনের সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়েও সন্তানের কাস্টডি দীর্ঘসময়ের জন্য মা-কে দিতে পারেন ।
বাংলাদেশের উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট বিভাগ) বহু মামলায় রায় দিয়েছেন যে, সন্তানের মঙ্গলই আদালতের কাছে প্রধান বিবেচ্য বিষয়। যেমন: মেয়ের বয়স বয়ঃসন্ধি পার হওয়ার পরও মায়ের কাছে রাখার আদেশ দেওয়া হয়েছে, যদি বাবার কাছে যাওয়া সন্তানের জন্য অনিরাপদ মনে হয়। সন্তান যদি নিজের ভালো-মন্দ বোঝার মতো বয়সে পৌঁছায়, তবে আদালত অনেক সময় সন্তানের নিজের মতামতও জানতে চান যে সে কার সাথে থাকতে চায়।

সংক্ষেপে মায়ের ও বাবার অবস্থান:
বিষয় | মায়ের অবস্থান | বাবার অবস্থান |

সাধারণ নিয়ম :ছেলের ৭ বছর ও মেয়ের সাবালিকা হওয়া পর্যন্ত কাছে রাখার অধিকার। সন্তানের আইনি অভিভাবক এবং কাস্টডি পাওয়ার পরবর্তী দাবিদার।
আর্থিক দায়িত্ব :মায়ের কোনো আর্থিক দায়িত্ব নেই। সন্তান যার কাছেই থাকুক সম্পূর্ণ ভরণপোষণ দিতে বাধ্য।
অধিকার খর্ব হওয়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে বা সন্তানের ক্ষতি হলে অধিকার হারাতে পারেন। | ভরণপোষণ না দিলে বা উপযুক্ত পরিবেশ না থাকলে কাস্টডি নাও পেতে পারেন। |

যদি বাবা ও মায়ের মধ্যে কাস্টডি নিয়ে সমঝোতা না হয়, তবে পারিবারিক আদালতে (Family Court) মামলা করে সন্তানের জিম্মাদারিত্ব ও অভিভাবকত্ব নির্ধারণ করতে হয়।

Address

House# 06, Road-05, Block-B, Banasree , Rampura
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legale law firm in Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Legale law firm in Bangladesh:

Shortcuts

Share