Voice Of Kajal

Voice Of Kajal Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Voice Of Kajal, Legal, Dhak, Dhaka.

দেওয়ান মঞ্জিল, কাবিলাপাড়া, সদর, টাঙ্গাইলপ্রায় ৬ বিঘা জমির উপর এই পুরনো বাড়িটি নির্মিত।  ২০০ বছর পুরনো বাড়িটির মালিক ছিল...
21/05/2026

দেওয়ান মঞ্জিল, কাবিলাপাড়া, সদর, টাঙ্গাইল

প্রায় ৬ বিঘা জমির উপর এই পুরনো বাড়িটি নির্মিত। ২০০ বছর পুরনো বাড়িটির মালিক ছিলেন সাহা পরিবার ছিলেন।

পরে আবদুল জলিল দেওয়ান নামক ব্যক্তি সাহা পরিবারের উত্তরাধিকারী নেত্রকোনা নিবাসী বঙ্কিম চন্দ্র সাহার কাছ থেকে এই বাড়িটি ক্রয় করেন । বর্তমানে জলিল দেওয়ানের ছেলেরা বাড়িতে বসবাস করছেন । বাড়িটি দেওয়ান মঞ্জিল নামে পরিচিত পায়।

শহীদুজ্জামান সেলিম (টাঙ্গাইল) বহুমাত্রিক প্রতিভাধর অভিনেতা ও পরিচালকজনপ্রিয় অভিনেতা ও পরিচালক শহীদুজ্জামান সেলিম টাঙ্গাই...
21/05/2026

শহীদুজ্জামান সেলিম (টাঙ্গাইল)
বহুমাত্রিক প্রতিভাধর অভিনেতা ও পরিচালক

জনপ্রিয় অভিনেতা ও পরিচালক শহীদুজ্জামান সেলিম টাঙ্গাইলের সন্তান। তাঁর পিতা আসাদুজ্জামান খান ছিলেন আইনজীবী এবং মাতা শামসুন্নাহার খান। জন্ম ১৯৬৩ সালের ৫ জানুয়ারি। পৈতৃকবাড়ি ঘাটাইলের কান্দুলিয়া। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সেলিম বাবা-মায়ের প্রথম সন্তান।

শহীদুজ্জামান সেলিম লেখাপড়ার শুরু টাঙ্গাইল জেলার বিন্দুবাসিনী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে। পরে ঢাকার আইডিয়াল হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন। তিনি ছাত্রাবস্থায় একটি বহুজাতিক ঔষধ কোম্পানিতে চাকরি নেন। পরে চাকরি অবস্থায় মাস্টার্স শেষ করেন ।

তিনি ১৯৭৯ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হন এবং ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। প্রথমে মীর মোশাররফ হোসেন হল শাখার সহক্রীড়া সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ 'জাকসু' নির্বাচনে ক্রীড়া সম্পাদক পদে নির্বাচন করেন। একসময় নাটকের প্রতি ঝুঁকে পড়েন এবং শুরু হয় তার বর্ণিল অভিনয় জীবন ।

শফিক ইমতিয়াজ রচিত ও ফারুক আহমেদ পরিচালিত 'আবার বাউল আইবো ফিরা' তার প্রথম অভিনীত নাটক। ঐ বছর আন্তঃ হল নাট্য প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান লাভ করে। এরপর থেকে মেধাবী ছাত্র ও মাঠের খেলোয়াড় রূপান্তরিত হয় একজন তুখোড় অভিনেতা হিসেবে।

১৯৮০ সালে মধ্যভাগে সমমনা ১১ জনকে নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার গঠন করেন। নতুন নাটক কায়জার আহমেদের রচনা ও পরিচালনায় 'কারখানার বাঁশি'তে অভিনয় করেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তমঞ্চের উদ্বোধন হয় তার অভিনীত সেলিম আল দীনের 'শকুন্তলা' নাটকের মাধ্যমে।

স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে নাটকের মাধ্যমে বক্তব্য দেয়া ও ছাত্ররাজনীতির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে ৭ দিন আটক থাকতে হয়। তার উপর চলে অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন ।

১৯৮৩ সালে তিনি দেশের প্রথিতযশা নাট্যদল ঢাকা থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত হন। শুরু হয় ঢাকার নাট্যকর্মী হিসেবে নিজের পদচারণা। সেলিম মূল চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন ।

১৯৮৯ সালে বিটিভির নিজস্ব শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্তির পর টেলিভিশনে অভিনয়ের সূত্রপাত। বহু জনপ্রিয় ও উল্লেখযোগ্য নাটকের অভিনেতা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন তিনি ।

২০০০ সালে নাসিরউদ্দিন ইউসুফ, শহীদুল্লাহ খান, অপূর্ব মজুমদার, শাহাদাৎ চৌধুরী ও সেলিম মিলে গড়ে তোলেন নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ড্রিম ফ্যাক্টরি লিমিটেড। বাংলাদেশে সুস্থ সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে দক্ষ ও সুস্থ শিল্পী গড়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম।

কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ অভিনেতা বা পরিচালক হিসেবে একাধিক পুরষ্কার পেয়েছেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেছেন। অভিনয় শিল্পী সংঘ’র সভাপতি। তিনি একজন সুলেখকও।

তাঁর স্ত্রী রোজী সিদ্দিকী একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক সেলিম। বহুমাত্রিক প্রতিভার অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিম তাঁর কর্মের মাধ্যমে গণমানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

(ভয়েস অফ কাজল
তাঁরা আমাদেরও)

21/05/2026

উত্তরবঙ্গের প্রবেশপথ এলেঙ্গা
এখানে ফ্লাইওভারের কাজ চলমান। আসন্ন ঈদ যাত্রায় এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার মহাসড়কে যানজটের শংকা রয়েছে।
পুলিশ প্রশাসন ঈদযাত্রা যানজটমুক্ত নির্বিঘ্নে করতে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে।

20/05/2026

সিলেটি ভাষা

ভাষ্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ ( সিলেট)অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যের স্থপতি-------------------------------------অপরাজেয় বাংলার ...
20/05/2026

ভাষ্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ ( সিলেট)
অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যের স্থপতি
-------------------------------------
অপরাজেয় বাংলার ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ্ খালিদের জন্ম পহেলা সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ সালে সিলেটের কাজী ইলিয়াস মহল্লার সৈয়দ বাড়িতে। পিতা সৈয়দ আহমেদ মুজতবা ছিলেন বিদ্যানুরাগী, জ্ঞাপপিপাসু, সংস্কৃতিমনা। আবদুল্লাহ খালিদের চারুকলায় পড়ার ব্যাপারে পরিবারের আর সবার মত না থাকলেও, ছিলো পিতার উৎসাহ।

তিনি ১৯৬৯ সালে তৎকালীন ইস্ট পাকিস্তান কলেজ অফ আর্টস অ্যান্ড ক্রাফটস (বর্তমান চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে চিত্রাংকন বিষয়ে স্নাতক এবং পরে ১৯৭৪ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিত্রাংকন ও ভাস্কর্য বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

আবদুল্লাহ খালিদ তার কর্মজীবন শুরু করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাস্কর্য বিভাগে শিক্ষকতা দিয়ে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ফাইন আর্টসের প্রফেসর ছিলেন সৈয়দ আবদুল্লাহ্ খালিদ। স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে প্রথম হয়ে ১৯৭৪ সালে এই বিভাগেই শুরু করেছিলেন কর্মজীবন, নিভৃতচারী এ শিল্পী অবসরেও গিয়েছিলেন এ বিভাগ থেকেই।

১৯৭২ সালে সেখানকার লেকচারার থাকাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুর উদ্যোগে কলা ভবনের সামনে নির্মিতব্য বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মারক অপরাজেয় বাংলার নির্মাণের দায়িত্ব পান। তিনি ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন এবং ১৯৭৯ সালে ১৬ ডিসেম্বর নির্মাণ কাজ শেষ করার পর এটির উদ্বোধন করা হয়।

এছাড়া তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন কেন্দ্রের সামনে অবস্থিত ম্যুরাল ‘আবহমান বাংলা’ ও বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান দপ্তরের সামনে টেরাকোটার ভাস্কর্য নির্মাণ করেন। এ ছাড়া তাঁর উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্যের মধ্যে রয়েছে ‘অঙ্কুর’, ‘অঙ্গীকার’, ‘ডলফিন’, ‘মা ও শিশু’ ইত্যাদি।

বাংলাদেশের ভাস্কর্য নিয়ে কথা বলতে গেলেই আসে অপরাজেয় বাংলার নাম। যুগ যুগ ধরে সংগ্রামী জনতাকে প্রেরণা দেয়া এ শিল্প সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদকে করেছে অমর। শুধুমাত্র অপরাজেয় বাংলা নয়, তার গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে আরো, অপরাজেয় বাংলার কারণে যেসব পড়ে গেছে আড়ালে।

১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের রামপুরা কেন্দ্রের ভেতরে একটি যৌথ (গ্রুপ ওয়ার্ক) টেরাকোটা রিলিফ ম্যুরাল ‘আবহমান বাংলা’ করেন সৈয়দ আবদুল্লাহ্ খালিদ তার শিক্ষার্থীদের নিয়ে। ৪৪৭ বর্গফুটের এরকম বিশাল টেরাকোটা বাংলাদেশে খুব বেশি নেই আর। টঙ্গীর স্কুইব ফার্মাসিউটিক্যালস এর কমিশনওয়ার্ক হিসেবে করেছেন বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদ স্মরণে ভাস্কর্য ‘অঙ্কুর’ (The Bud)। ১৪×৩৫× ৪৬ ফুটের এ ভাস্কর্যকেও সমালোচকরা খুব ভালো ভাস্কর্যের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার, দৈনিক ইত্তেফাক ভবনে বিধ্বস্ত বাংলা, বাংলাদেশ নেভাল একাডেমির ডলফিন, গুলশানের বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ড্রাস্ট্রিজ বিল্ডিং এ ‘ইটারনাল বেঙ্গল’, বাংলাদেশ ব্যাংক সদরদপ্তরে ৬×২৪ ফুটের মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য বাংলাদেশের ভাস্কর্য চর্চার প্রাথমিক ভিত্তি তৈরি করেছেন সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ।
শিল্পকলা ও ভাস্কর্যে গৌরবজনক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০১৪ সালে শিল্পকলা পদক এবং ২০১৭ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন।

২০১৭ সালের ২০ মে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খ্যাতিমান ভাষ্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদের মৃত্যু হয়।

(ভয়েস অব কাজল
তাঁরা আমাদেরও)

19/05/2026

শ্রম কেনা-বেচার হাট....
জীবিকার তাগিদে দেশের বিভিন্নস্থান থেকে এসেছেন ধানকাটা শ্রমিকরা। উত্তরবঙ্গের প্রবেশপথ খ্যাত টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে ধারণ করা ফুটেজ।

ঐতিহ্যবাহী পাকুল্লা মসজিদ, টাঙ্গাইল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্লা এলাকায় মসজিদটি অবস্থিত। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে...
19/05/2026

ঐতিহ্যবাহী পাকুল্লা মসজিদ, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্লা এলাকায় মসজিদটি অবস্থিত। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে পাকুল্লা বাজারের পশ্চিমে অবস্থান।

এই মসজিদের সাদৃশ্য ঢাকার কাজী খাজা শাহবাজের মসজিদে (আনু. ১৬৭৯ খ্রি.) দেখা যায়।

আয়তাকৃতির মসজিদের উভয় দিকে একটি করে দোচালা রীতির ইট ও পলেস্তরায় নির্মিত কক্ষ রয়েছে। দুটি কক্ষেই মসজিদের অভ্যন্তর ভাগ থেকে ঢোকার দরজা রয়েছে। পূর্ব দিক থেকেও কক্ষ দুটিতে প্রবেশপথ আছে।

পাকুল্লা মসজিদে শিলালিপি না থাকায় এটি নির্মাণের তারিখ জানা যায় না। কিন্তু স্থাপত্য রীতির দিক দিয়ে অন্যান্য মধ্যযুগীয় তারিখযুক্ত খাজা আনোয়ার শহীদের সমাধি (আনু. ১৬৯৮ খ্রি.), মানিক পীরের দরগাহ (১৬৯৭), করতলব খান মসজিদ (১৭০৪ খ্রি.) ইত্যাদি ইমারতের সাথে মিল থাকায় পাকুল্লা মসজিদ সতেরো শতক অথবা আঠারো শতকের প্রারম্ভে নির্মিত।

19/05/2026

বাংলা একাডেমির পরিচালক পদের অফার ফিরিয়ে দেন প্রয়াত যতীন সরকার স্যার। স্বাধীনতা পুরষ্কারপ্রাপ্ত সেই বরেণ্য শিক্ষাবিদের স্মৃতিচারণ করলেন তাঁর ছোটভাই অধ্যাপক মতীন্দ্র সরকার। (ভয়েস অফ কাজল)

বন্ধুর খোঁজ...... আমি অনেক বছর ধরে দেশের বাইরে থাকি। আমার এক বন্ধুকে খুঁজছি। তার নাম মাহবুবুর রহমান। সম্ভবত বাড়ি কালিহা...
18/05/2026

বন্ধুর খোঁজ......
আমি অনেক বছর ধরে দেশের বাইরে থাকি। আমার এক বন্ধুকে খুঁজছি। তার নাম মাহবুবুর রহমান। সম্ভবত বাড়ি কালিহাতী/ বাসাইল/ দেলদুয়ার এলাকায়।

তাকে আমি ১৯৯০ সনের পর থেকে হারিয়ে ফেলেছি। তারা চার ভাই, প্রথম মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। দ্বিতীয় লতিফুর রহমান ঠিকাদার ছিলেন। চতুর্থ ভাই চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতেন।

আমার বন্ধু মাহবুবুর রহমান তাদের সেজ ভাই। আমরা ১৯৭৭-৮০ সনে ICMA তে পরতাম। আমার বন্ধু খোঁজ পেলে জানাবেন। ছবিতে উপরে মাহবুবুর রহমান চিহ্নিত আছে।

সন্ধানকারী
ইলিয়াস মশিউজ্জামান
বর্তমানে কানাডা প্রবাসী
জেলা নরসিংদী।

18/05/2026

আহারে মানব জীবন! তিনিও কারো না করো স্বজন-
দয়ায় উদর পূরণ, রাস্তায় অনাকাঙ্ক্ষিত মরণ

18/05/2026

সত্যিকারের মানুষ গড়ার কারিগর! বরেণ্য শিক্ষাবিদ স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত প্রয়াত যতীন সরকার স্যারের বর্ণাঢ্য জীবনের কিছু কথা। নেত্রকোনা শহরের "বানপ্রস্থ' বাড়িতে।
(ভয়েস অব কাজল)

Address

Dhak
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice Of Kajal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category