Maminul Alam Russel মমিনুল আলম রাসেল

Maminul Alam Russel মমিনুল আলম রাসেল Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Maminul Alam Russel মমিনুল আলম রাসেল, Lawyer & Law Firm, Advocate AKM Maminul Alam Russel, Henu Villa, 38-40, Court House Street, Room no 405, 3rd Floor, Katwali, Dhaka.
(1)

আইনজীবী | লেখক | ফ্যামিলি কনসালটেন্ট
সাধারণ মানুষের জন্য সহজ ভাষায় পারিবারিক আইন ও উত্তরাধিকার বিষয়ক পরামর্শ। বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাবকত্ব, পরকীয়া, নারীর অধিকার ইত্যাদি বিষয় জানতে পেজটি ফলো করুন।

🌐 ভিজিট করুন: legalguidebd.com

09/08/2026
08/08/2026

জীবনের সবচেয়ে কঠিন বিচার আদালতে নয়, নিজের বিবেকের কাছে।

আদালতে অন্যায়ের প্রমাণ হয়তো একদিন খুঁজে পাওয়া যায়, কিন্তু নিজের বিবেকের কাছে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করা সবসময় সম্ভব হয় না। যে মানুষ অন্যের অধিকার, সম্মান ও প্রাপ্যকে নিজের অধিকারের মতোই মূল্য দিতে শেখে, তার জীবনেই প্রকৃত শান্তি আসে।

পরিবারে স্থায়িত্ব, সম্পর্কে বিশ্বাস আর সমাজে মর্যাদা- সবকিছুর ভিত্তিই হলো ন্যায়বোধ ও দায়িত্বশীল চরিত্র।

#বিবেক #সম্পর্ক #চরিত্র

07/08/2026

সম্পর্কে সবচেয়ে বড় ভুল শুধু প্রতারণা নয়, বরং সত্যকে বারবার অবহেলা করা।

কারণ মিথ্যা একদিন না একদিন প্রকাশ পাবেই। কিন্তু দীর্ঘদিনের অবহেলা, অস্বীকার আর উপেক্ষা ধীরে ধীরে বিশ্বাসকে নিঃশেষ করে দেয়। তাইতো সম্পর্ক হঠাৎ করে ভেঙে যায় না, ভাঙে প্রতিদিন…একটু একটু করে।

মনে রাখবেন, বিশ্বাস ভাঙতে একটি মুহূর্তই যথেষ্ট; কিন্তু সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে কখনও কখনও একটি জীবনও যথেষ্ট হয় না।

#সত্য #সম্পর্ক #অনুভূতি

05/08/2026

সংসার বা সম্পর্কের অবসান কখনো হঠাৎ একদিনে ঘটে না; বরং এটি প্রতিদিনের পুঞ্জীভূত অবহেলা, অহংকার আর নীরব দূরত্বের পরিণতি।

আমরা অনেকেই ভালোবাসাকে প্রকাশ করি সম্পর্কের শক্তি হিসেবে, কিন্তু সম্পর্কের আসল ভিত্তি হলো পারস্পরিক সম্মান ও দায়িত্ববোধ। কেবল অনুভূতির টানে নয়, প্রতিটি দিন যত্ন আর শ্রদ্ধায় একে অপরকে আগলে রাখার মাধ্যমেই সম্পর্ক টিকে থাকে। সংসার বাঁচাতে ভালোবাসা যতখানি প্রয়োজন, আত্মপক্ষ ত্যাগ করে দায়িত্ব পালন করা তারচেয়েও বেশি জরুরি।

তাই, ভালোবাসার অন্তরালে নয়, সম্মান দিয়ে সম্পর্কের শেকড়কে প্রতিদিন মজবুত করুন।

#সংসার #সম্পর্ক #অনুভূতি

ডিভোর্সের কতদিন পর স্ত্রী দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারেন?প্রিয় পাঠক, আইন ও ধর্মীয় বিধানে এই ‘ইদ্দত’ বা অপেক্ষার সময় রাখার প্রধা...
04/08/2026

ডিভোর্সের কতদিন পর স্ত্রী দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারেন?

প্রিয় পাঠক,
আইন ও ধর্মীয় বিধানে এই ‘ইদ্দত’ বা অপেক্ষার সময় রাখার প্রধান উদ্দেশ্য হলো- গর্ভে পূর্বের স্বামীর কোনো সন্তান রয়েছে কি না (পিতৃত্বের বিশুদ্ধতা) তা নিশ্চিত করা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো আইনি বা পিতৃপরিচয়ের জটিলতা এড়ানো।

১. আইন অনুযায়ী ইদ্দত গণনা কখন থেকে শুরু হয়?
আমাদের সমাজে বড় একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে, "ডিভোর্স পেপার বা নোটিশ পাঠালেই বুঝি ইদ্দতের সময় গণনা শুরু হয়ে গেল।" আইনের চোখে এটি সম্পূর্ণ ভুল।

• আইনি হিসাব: ‘মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১’-এর ৭ ধারা অনুযায়ী, স্থানীয় চেয়ারম্যান বা মেয়র কার্যালয়ে তালাকের নোটিশ পৌঁছানোর পর ৯০ দিন পর্যন্ত তালাক স্থগিত থাকে। এই ৯০ দিন পার হওয়ার পর যখন চেয়ারম্যান কার্যালয় থেকে বিচ্ছেদ কার্যকরকরণের চূড়ান্ত সনদ ইস্যু করা হয়, সেদিন থেকে আইনত বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়।

• দ্বিতীয় বিয়ের উপযুক্ত সময়: আইনগতভাবে এই ৯০ দিন পার হওয়ার পর এবং স্ত্রীর ইদ্দতকাল পূর্ণ হলেই তিনি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও মুক্তভাবে অন্য কোথাও দ্বিতীয় বিয়ে রেজিস্ট্রি করতে পারেন।

২. শারীরিক অবস্থা ভেদে ইদ্দতের সময়কাল
ডিভোর্স চূড়ান্ত হওয়ার পর নারীর শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে সময়সীমা ৩টি ভিন্ন ক্ষেত্রে ভাগ হয়:

• সাধারণ অবস্থা (গর্ভবতী নন): স্ত্রী যদি গর্ভবতী না হন, তবে তার ইদ্দতকাল হবে নিয়মিত ৩টি ঋতুচক্র (Menstrual Cycles) বা আনুমানিক ৩ মাস (৯০ দিন)।

• গর্ভবতী অবস্থা: স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে ডিভোর্স যখনই কার্যকর হোক না কেন, ইদ্দতকাল হবে সন্তান ভূমিষ্ঠ বা প্রসব (Delivery) হওয়া পর্যন্ত। সন্তান প্রসব হওয়া মাত্রই ইদ্দত শেষ হয়ে যাবে, তা বিচ্ছেদের পর ১ দিন সময় লাগুক কিংবা ৮ মাস।

• শারীরিক সম্পর্ক না হলে (Unconsummated Marriage): বিয়ের পর যদি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো প্রকার শারীরিক মেলামেশা বা নির্জন বাস না হয়ে থাকে এবং ডিভোর্স হয়, তবে আইনের দৃষ্টিতে স্ত্রীকে কোনো ইদ্দত পালন করতে হয় না। বিচ্ছেদ কার্যকর হওয়া মাত্রই তিনি সাথে সাথে অন্য পুরুষকে বিয়ে করতে পারেন।

আইনজীবীর ২টি জরুরি আইনি সতর্কতা:
১. ইদ্দতকালীন খোরপোশ স্ত্রীর অধিকার: ডিভোর্সের পর এই ইদ্দত পালনকালে (৩ মাস বা সন্তান প্রসব হওয়া পর্যন্ত) স্ত্রীর যাবতীয় অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসার সমস্ত খরচ প্রদান করতে সাবেক স্বামী আইনত বাধ্য।

২. ইদ্দত না মেনে দ্রুত বিয়ের আইনি ঝুঁকি: ইদ্দতকাল পার হওয়ার আগেই যদি কোনো নারী গোপনে বা তড়িঘড়ি করে দ্বিতীয় বিয়ে রেজিস্ট্রি করেন, তবে আইনে সেই দ্বিতীয় বিয়েটি ‘ফাসিদ’ বা অনিয়মিত (Irregular Marriage) হিসেবে গণ্য হতে পারে। এছাড়া সাবেক স্বামী বা প্রতিবেশীরা পিতৃপরিচয় ও জালিয়াতির অভিযোগে আইনি জটিলতা তৈরি করার সুযোগ পান।

সহজ কথায়, ডিভোর্সের নোটিশ দেওয়ার ৯০ দিন পর আইনি বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হলে, স্ত্রীর ৩ মাসের ইদ্দতকাল (অথবা গর্ভবতী হলে সন্তান প্রসবের সময়) পার হলেই তিনি আইনগত ও সামাজিকভাবে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে পুনরায় নতুন জীবন শুরু বা দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারেন।

আইন জানুন, আইনি নিয়ম মেনেই জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করুন।

পোস্টটি শেয়ার করুন, তাতে আপনার কাছের মানুষজন সচেতন হবেন, উপকৃত হবেন। এ ছাড়া, এ ধরণের পোস্ট শেয়ারের মাধ্যেমে আপনি আপনার অবস্থানকেও শক্তিশালী করতে পারবেন।

পারিবারিক আইনসহ দাম্পত্য, পরকীয়া, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাকত্ব ও হেফাজত, নারীর অধিকার এবং অন্যান্য আইনসংক্রান্ত নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে আমাদের পেজটি Follow করুন।

আপনার কোন প্রশ্ন থাকে হোয়াটসঅ্যাপে +8801715747777 এই নম্বরে অথবা ইনবক্সে মেসেজ লিখুন। আপনার নাম পরিচয়ের গোপনীয়তা রক্ষা করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কপিরাইট সংক্রান্ত তথ্য: লেখাগুলো আমার প্রকাশিতব্য আইন সচেতনতার বই, “ #যখনসম্পর্কবদলেযায়: আইন, অধিকার ও সিদ্ধান্ত“ থেকে নেয়া। সেই ধারাবাহিকতায় কিছু কিছু অংশ প্রকাশিত হচ্ছে। কপি-পেস্ট করলে লেখকের নাম, পরিচয় ও বইয়ের নামসহ করবেন।

অ্যাডভোকেট মমিনুল আলম রাসেল
এলএলএম, এমবিএ, এমএ, ডিসিএপি
আইনজীবী, লেখক, ফ্যামিলি কনসালটেন্ট
সাবেক আইন ও কমপ্লায়েন্স বিশেষজ্ঞ [রবি আজিয়াটা পিএলসি]
সাবেক ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনসালটেন্ট [বেক্সিমকো গ্রুপ]
01715747777, 01641000008

#ডিভোর্স #ইদ্দত

04/08/2026

মানুষের চরিত্রের প্রকৃত পরীক্ষা সুখ বা প্রাচুর্যের সময়ে নয়, বরং অপরাধের সুযোগ পাওয়ার মুহূর্তে।

যে ব্যক্তি সুযোগ থাকা সত্ত্বেও নীতি ও আদর্শে অটল থেকে নিজেকে অন্যায় থেকে বিরত রাখতে পারে, সে-ই প্রকৃত সৎ। প্রলোভনের মুখে অর্জিত সাময়িক লাভের চেয়ে আত্মনিয়ন্ত্রণ ও চারিত্রিক দৃঢ়তাই মানুষের সম্মানকে স্থায়ী করে। সম্পর্কের স্থায়িত্বও কেবল মুখের কথায় নয়, এমন নির্ভেজাল বিশ্বস্ততার ওপরই গড়ে ওঠে।

মনে রাখবেন, ব্যক্তিত্বের আসল সৌন্দর্য হলো, কেউ না দেখলেও সঠিক পথে অবিচল থাকা।

#সঠিকপথ #ভালোবাসা #চরিত্র

03/08/2026

বিশ্বাস ভাঙতে এক মুহূর্তই যথেষ্ট, কিন্তু সেই হারানো বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে কখনো একটি জীবনও যথেষ্ট হয় না।

সম্পর্কের আসল জয় সুন্দর কথায় নয়, বরং চরিত্রের বিশ্বস্ততা ও নিষ্ঠায় নিহিত। ক্ষণিকের ভুলে গড়ে তোলা সম্পর্কের মজবুত ভিত্তি এক নিমেষেই ভেঙে পড়তে পারে। তাই যেকোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে আগে নিজের চরিত্রকে বিশ্বস্ত ও দায়িত্বশীল করে তুলুন।

মনে রাখবেন, অনুভূতির গভীরতার চেয়েও স্থায়ী সম্পর্কের জন্য 'বিশ্বস্ততা' সবচেয়ে বড় শক্তি।

#বিশ্বাস #চরিত্র #সম্মান

ডিভোর্স ছাড়া স্ত্রী কি খোরপোষ দাবি করতে পারেন?প্রিয় পাঠক, খোরপোষ কেবল ডিভোর্স-পরবর্তী কোনো আর্থিক সুবিধা নয়। বিয়ে টিকে থ...
02/08/2026

ডিভোর্স ছাড়া স্ত্রী কি খোরপোষ দাবি করতে পারেন?

প্রিয় পাঠক,
খোরপোষ কেবল ডিভোর্স-পরবর্তী কোনো আর্থিক সুবিধা নয়। বিয়ে টিকে থাকা অবস্থাতেই স্ত্রীর অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও সম্মানজনক জীবনের যাবতীয় খরচ বহন করা স্বামীর একটি প্রধান আইনি ও ধর্মীয় দায়িত্ব।

১. আইনি নীতি: একই ছাদের নিচে বা আলাদা থাকা অবস্থায় খোরপোষ
বাংলাদেশের ‘মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১’-এর ৯ ধারা এবং পারিবারিক আদালত আইন অনুযায়ী:

একসাথে বসবাসকালে: স্বামী যদি একই ঘরে থেকেও স্ত্রীর প্রয়োজনীয় ভরণপোষণ, খাওয়া-পরা বা চিকিৎসার খরচ না দেন বা অবহেলা করেন, তবে স্ত্রী ডিভোর্স ছাড়াই সরাসরি আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন।

আলাদা বসবাসকালে: স্ত্রী যদি কোনো যৌক্তিক কারণে (যেমন: স্বামীর শারীরিক/মানসিক নির্যাতন, দ্বিতীয় বিয়ে করা, ঘর থেকে বের করে দেওয়া কিংবা যৌতুকের দাবি, ইত্যাদি) বাপের বাড়ি বা আলাদা থাকেন, তবে ডিভোর্স না হলেও স্বামী তাকে মাসিক খোরপোশ দিতে বাধ্য।

২. স্ত্রী কখন আলাদা থেকে খোরপোশ পাবেন এবং কখন পাবেন না?
এখানে আইনের সুনির্দিষ্ট ২টি দিক রয়েছে:

ক) খোরপোশ পাওয়ার যোগ্য পরিস্থিতি: স্ত্রী যদি আদালতের সামনে প্রমাণ করতে পারেন যে স্বামীর ঘরে তার জীবন ও সামাজিক মর্যাদা অনিরাপদ ছিল (যেমন: পারিবারিক সহিংসতা বা নির্যাতনের প্রমাণ), তবে আদালত বলবেন- "স্ত্রীর আলাদা থাকা যৌক্তিক এবং স্বামী তাকে আলাদা থাকা অবস্থাতেই প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অংকের খোরপোশ দেবেন।"

খ) খোরপোশ না পাওয়ার পরিস্থিতি (অবাধ্যতা): স্ত্রী যদি কোনো যৌক্তিক বা ন্যায়সংগত কারণ ছাড়া, সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায় বা জেদের বশে স্বামী ও সংসারের দায়িত্ব ছেড়ে আলাদা থাকেন এবং স্বামী বারবার ফিরিয়ে আনতে চাইলেও না আসেন; তবে আইন অনুযায়ী স্ত্রীকে ‘অবাধ্য’ (Nushuz) হিসেবে গণ্য করা হতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে তিনি খোরপোশ পাওয়ার আইনি অধিকার হারাতে পারেন।

৩. ডিভোর্স ছাড়া খোরপোশ আদায়ের আইনি পথ
যদি স্বামী ডিভোর্স না দিয়েও স্ত্রীর খোরপোশ বন্ধ করে দেন, তবে স্ত্রী ২টি আইনি উপায়ে তা আদায় করতে পারেন:

চেয়ারম্যান/মেয়র কার্যালয়ে আবেদন (১৯৬১ সালের আইনের ৯ ধারা): স্ত্রী সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকারের (ইউপি চেয়ারম্যান বা পৌরসভা/সিটি করপোরেশনের মেয়র) কাছে খোরপোশের জন্য লিখিত আবেদন করতে পারেন। চেয়ারম্যান একটি সালিশি পরিষদ গঠন করে স্বামীর সামর্থ্য অনুযায়ী একটি মাসিক খোরপোশ নির্ধারণ করে দেবেন।

পারিবারিক আদালতে মামলা (Family Court): স্ত্রী সরাসরি পারিবারিক আদালতে খোরপোশ আদায়ের মামলা (Suit for Maintenance) করতে পারেন। বিজ্ঞ আদালত স্বামীর প্রকৃত আয়, সামাজিক অবস্থান এবং স্ত্রীর বাস্তব প্রয়োজন বিবেচনা করে প্রতি মাসের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট খোরপোশ ধার্য করে দেবেন। স্বামী তা না দিলে আদালতের মাধ্যমে স্বামীর বেতন বা সম্পত্তি ক্রোক করে তা আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়।

পোস্টটি শেয়ার করুন, তাতে আপনার কাছের মানুষজন সচেতন হবেন, উপকৃত হবেন। এ ছাড়া, এ ধরণের পোস্ট শেয়ারের মাধ্যেমে আপনি আপনার অবস্থানকেও শক্তিশালী করতে পারবেন।

পারিবারিক আইনসহ দাম্পত্য, পরকীয়া, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাকত্ব ও হেফাজত, নারীর অধিকার এবং অন্যান্য আইনসংক্রান্ত নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে আমাদের পেজটি Follow করুন।

আপনার কোন প্রশ্ন থাকে হোয়াটসঅ্যাপে +8801715747777 এই নম্বরে অথবা ইনবক্সে মেসেজ লিখুন। আপনার নাম পরিচয়ের গোপনীয়তা রক্ষা করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কপিরাইট সংক্রান্ত তথ্য: লেখাগুলো আমার প্রকাশিতব্য আইন সচেতনতার বই, “ #যখনসম্পর্কবদলেযায়: আইন, অধিকার ও সিদ্ধান্ত“ থেকে নেয়া। সেই ধারাবাহিকতায় কিছু কিছু অংশ প্রকাশিত হচ্ছে। কপি-পেস্ট করলে লেখকের নাম, পরিচয় ও বইয়ের নামসহ করবেন।

অ্যাডভোকেট মমিনুল আলম রাসেল
এলএলএম, এমবিএ, এমএ, ডিসিএপি
আইনজীবী, লেখক, ফ্যামিলি কনসালটেন্ট
সাবেক আইন ও কমপ্লায়েন্স বিশেষজ্ঞ [রবি আজিয়াটা পিএলসি]
সাবেক ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনসালটেন্ট [বেক্সিমকো গ্রুপ]
01715747777, 01641000008

#খোরপোষ #আইনসহায়িকা

Address

Advocate AKM Maminul Alam Russel, Henu Villa, 38-40, Court House Street, Room No 405, 3rd Floor, Katwali
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Maminul Alam Russel মমিনুল আলম রাসেল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Maminul Alam Russel মমিনুল আলম রাসেল:

Shortcuts

Share