Maminul Alam Russel মমিনুল আলম রাসেল

Maminul Alam Russel মমিনুল আলম রাসেল Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Maminul Alam Russel মমিনুল আলম রাসেল, Lawyer & Law Firm, Advocate AKM Maminul Alam Russel, Henu Villa, 38-40, Court House Street, Room no 405, 3rd Floor, Katwali, Dhaka.
(1)

আইনজীবী | লেখক | ফ্যামিলি কনসালটেন্ট
সাধারণ মানুষের জন্য সহজ ভাষায় পারিবারিক আইন ও উত্তরাধিকার বিষয়ক পরামর্শ। বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাবকত্ব, পরকীয়া, নারীর অধিকার ইত্যাদি বিষয় জানতে পেজটি ফলো করুন।

🌐 ভিজিট করুন: legalguidebd.com

08/06/2026

স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে। প্রথম স্ত্রী, তালাক দিয়ে হোক বা তালাক ছাড়াই, বাপের বাড়ি কিংবা অন্য কোথাও চলে যাচ্ছেন। কার পাপের ফল কে ভোগ করছে!

একজন আইনজীবী হিসেবে কিছু প্রশ্ন সেই প্রথম স্ত্রীকে করতেই হচ্ছে- কেন যাচ্ছেন আপনি? কে দেখবে আপনাকে? কোথায় যাচ্ছেন মরতে!? অপরাধ তো আপনি করেন নাই, তাহলে আপনি যাচ্ছেন কেন?

ভুল বুঝবেন না। তালাকপ্রাপ্ত নারীর পারিবারিক, সামাজিক ও আর্থিক বাস্তবতা সামনে রেখেই এই প্রশ্ন উঠে আসছে।

#ফ্যামিলিকনসালটেন্ট #ন্যায্যতাশেয়ারকরুন #আইনসহায়িকা

07/06/2026

দেনমোহর পরিশোধের প্রমাণ রাখতে হয় কীভাবে? ⚖️

একটি সুন্দর সাজানো সংসার ধ্বংস করার জন্য একটি 'ভুল সন্দেহ'ই যথেষ্ট! আমাদের সমাজে বর্তমান সময়ে পরকীয়া যেমন বেড়েছে, তেমনি ...
07/06/2026

একটি সুন্দর সাজানো সংসার ধ্বংস করার জন্য একটি 'ভুল সন্দেহ'ই যথেষ্ট! আমাদের সমাজে বর্তমান সময়ে পরকীয়া যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে অতি-সন্দেহ প্রবণতা। অনেক সময় দেখা যায়, স্বামী বা স্ত্রীর কোনো বন্ধু, আত্মীয় বা প্রতিবেশীর সাথে অতি সাধারণ মেলামেশা বা কথাবার্তাকে অন্য পক্ষ সরাসরি পরকীয়া বা 'বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক' হিসেবে ধরে নেন। এই ভিত্তিহীন সন্দেহ থেকে শুরু হয় অশান্তি, যা শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদে গিয়ে ঠেকে যায়। যেতে পারে আদালত অবধি!

দিন কয়েক আগের একটি ঘটনা শুনুন। চেম্বারে আসা এক দম্পতির কথা বলি। স্বামী বিদেশে থাকতেন। দেশে থাকা স্ত্রী তার এক দূর সম্পর্কের কাজিন বা ভাইয়ের সাথে পারিবারিক কিছু প্রয়োজনে প্রায়ই ফোনে কথা বলতেন। প্রতিবেশীদের কানাঘুষায় স্বামী দেশে ফিরেই কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়া স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অপবাদ দিয়ে মারধর করেন এবং তালাকের নোটিশ পাঠান।

পরবর্তীতে তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণে দেখা গেল, বিষয়টি ছিল নিতান্তই পারিবারিক যোগাযোগ। কিন্তু ততক্ষণে সন্দেহ আর অপবাদে একটি সাজানো সংসার পুরোপুরি তছনছ হয়ে গেছে। শুধু যে প্রবাসী ব্যক্তিটির সংসার ভেঙেছে তাই-ই নয়, যে মানুষটি বিনা স্বার্থে সেই প্রবাসীর সহায়-সম্পত্তির বিষয়ে উপকার করতে এসেছিলেন, ভেঙেছে তারও পরিবার। সেখানে এই ‘সন্দেহ’ নামক বিষের ভার বহন করছে নিতান্ত নিরাপরাধ অসহায় দুটি শিশুও!

তাহলে আসল পার্থক্য কোথায়?

মনে রাখা জরুরি, স্বাভাবিক সম্পর্ক সর্বদা খোলামেলা ও স্বচ্ছ, সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য, লুকানোর প্রবণতা থাকে না এবং সীমার মধ্যে দৃশ্যমান থাকে। অন্যদিকে, সন্দেহজনক বা অনৈতিক সম্পর্ক গোপনীয়তা ও লুকোচুরি করে, অস্বাভাবিক ঘনিষ্ঠতা বেড়ে ওঠে, পরিবারের প্রতি অবহেলা সৃষ্টি হয় এবং আবেগগত বা শারীরিক বিচ্যুতি ঘটে, ইত্যাদি। সুতরাং সন্দেহ করার আগে এই পরিস্থিতিগুলো যাচাই-বাছাই করা দরকার।

আইনগত ব্যাখ্যা ও সতর্কতা:

আইনের চোখে পরকীয়া বা ব্যভিচার একটি গুরুতর বিষয়। তবে মনে রাখা জরুরি:

১. প্রমাণের দায়ভার: আপনি যদি কারো বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ আনেন, তবে তা আদালতে প্রমাণের দায়িত্ব সম্পূর্ণ আপনার। পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ (যেমন: অকাট্য ভিডিও, অডিও বা শারীরিক সম্পর্কের প্রমাণ) ছাড়া কেবল কারো সাথে কথা বলা বা হাসাহাসি করাকে পরকীয়া বলা যায় না।

২. মানহানির মামলা: যদি আপনি কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা পরকীয়ার অপবাদ দেন এবং তা সমাজে বা আত্মীয়স্বজনের কাছে প্রচার করেন, তবে ওই ব্যক্তি আপনার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৯৯ ও ৫০০ ধারা অনুযায়ী মানহানির মামলা করতে পারেন। এতে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

৩. পারিবারিক নির্যাতন: ভিত্তিহীন সন্দেহ থেকে স্বামী বা স্ত্রী যদি অন্য পক্ষের ওপর মানসিক বা শারীরিক নির্যাতন করেন, তবে সেটি পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

৪. ডিজিটাল নিরাপত্তা: কারো ব্যক্তিগত যোগাযোগ বা বন্ধুত্বের বিষয় নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচিপূর্ণ পোস্ট দেওয়া বা 'ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশন' করা সাইবার অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শুধু সন্দেহ বা ধারণার ভিত্তিতে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। আদালত দেখে বাস্তব প্রমাণ, আচরণের ধারাবাহিকতা এবং মানসিক বা সামাজিক ক্ষতির প্রভাব। তাই সন্দেহ হলে, আগে কথা বলুন, পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করুন এবং প্রয়োজনে নিরপেক্ষভাবে যাচাই করুন। অযথা বা ভুল সন্দেহ মিথ্যে হলেও অনেক সময়ই সত্যিকারের সম্পর্ককে ভেঙে দেয়।

আইনজীবীর পরামর্শ:
অন্ধ সন্দেহ করার আগে বাস্তবতাকে বুঝুন। পরকীয়া যেমন অপরাধ, তেমনি একজন নির্দোষ ব্যক্তির ওপর পরকীয়ার তকমা দেওয়াও আইনত ও নৈতিকভাবে দণ্ডনীয়। আপনার সম্পর্কের টানাপোড়েন যদি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যেখানে আপনি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন, তবে আবেগের বশে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে একজন দক্ষ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন। আইন ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আপনার করণীয় নির্ধারণ করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

পোস্টটি শেয়ার করুন, তাতে আপনার কাছের মানুষজন সচেতন হবেন, উপকৃত হবেন।

পারিবারিক আইনসহ দাম্পত্য, পরকীয়া, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাকত্ব ও হেফাজত, নারীর অধিকার এবং অন্যান্য আইনসংক্রান্ত নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে আমাদের পেজটি Follow করুন।

আপনার কোন প্রশ্ন থাকে হোয়াটসঅ্যাপে +8801715747777 এই নম্বরে অথবা ইনবক্সে মেসেজ লিখুন। আপনার নাম পরিচয়ের গোপনীয়তা রক্ষা করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কপিরাইট সংক্রান্ত তথ্য: লেখাগুলো আমার প্রকাশিতব্য বই, “ #যখনবিশ্বাসভাঙে: আইনি পথ ও প্রতিকার” থেকে নেয়া। সেই ধারাবাহিকতায় কিছু কিছু অংশ প্রকাশিত হচ্ছে। কপি-পেস্ট করলে লেখকের নাম, পরিচয় ও বইয়ের নামসহ করবেন।

অ্যাডভোকেট মমিনুল আলম রাসেল
এলএলএম, এমবিএ, এমএ, ডিসিএপি
আইনজীবী, লেখক, ফ্যামিলি কনসালটেন্ট
সাবেক আইন ও কমপ্লায়েন্স বিশেষজ্ঞ [রবি আজিয়াটা পিএলসি]
সাবেক ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনসালটেন্ট [বেক্সিমকো গ্রুপ]
01715747777, 01641000008

#ফ্যামিলিকনসালটেন্ট #আইনসহায়িকা

📌 বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আইনে হিল্লা বিয়ে কি বৈধ?🎯 প্রিয় পাঠক, আজ আমাদের সমাজের একটি অত্যন্ত অন্ধকার এবং স্পর্শকাতর বিষয় ন...
07/06/2026

📌 বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আইনে হিল্লা বিয়ে কি বৈধ?

🎯 প্রিয় পাঠক, আজ আমাদের সমাজের একটি অত্যন্ত অন্ধকার এবং স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে আলোকপাত করছি। অনেক সময় রাগের মাথায় মৌখিক তালাক দেওয়ার পর স্বামী-স্ত্রী ভুল বুঝতে পেরে আবার একসাথে সংসার করতে চাইলে, তথাকথিত ফতোয়াবাজরা ফতোয়া দেন যে- "স্ত্রীকে অন্য কোনো পুরুষের সাথে বিয়ে (হিল্লা) দিয়ে, তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক সম্পন্ন করিয়ে, তারপর তাকে তালাক দিলেই কেবল প্রথম স্বামী আবার তাকে বিয়ে করতে পারবেন।"

আইনের স্পষ্ট এবং কঠোর জবাব হলো, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আইনে হিল্লা বিয়ে সম্পূর্ণ অবৈধ, অবৈজ্ঞানিক এবং একটি গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ।

১. ১৯৬১ সালের পারিবারিক আইন কী বলে?
বাংলাদেশের প্রচলিত ‘মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১’-এর ৭(৫) ধারা অনুযায়ী, তালাক দেওয়ার পর (তা যে পক্ষই দিক এবং যেভাবেই কার্যকর হোক না কেন) যদি সেই স্বামী-স্ত্রী আবার নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে একত্রে সংসার করতে চান, তবে কোনো প্রকার হিল্লা বিয়ে বা অন্তর্বর্তীকালীন বিয়ে ছাড়াই তারা পুনরায় নতুন করে নিকাহ বা বিয়ে (Remarriage) করতে পারবেন।

আইন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তালাক কার্যকর হওয়ার পর প্রথম স্বামীর সাথে পুনরায় বিয়ে হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো হিল্লা বিয়ের শর্ত রাষ্ট্র দেয় না। আর যদি তালাকের নোটিশ দেওয়ার ৯০ দিনের মধ্যেই তাদের সমঝোতা হয়ে যায়, তবে তো নতুন কোনো বিয়েরও প্রয়োজন পড়ে না, নোটিশ প্রত্যাহার করলেই চলে।

২. জোরপূর্বক হিল্লা বিয়ে দিলে আইনি শাস্তি
যদি কোনো এলাকায় সমাজপতি, মাতব্বর বা ফতোয়াবাজরা জোর করে কোনো নারীকে হিল্লা বিয়ে করতে বাধ্য করেন, তবে সেটি প্রচলিত আইনে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। ভুক্তভোগী নারী বা তার পরিবার নিচের আইনি পদক্ষেপগুলো নিতে পারেন:

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: জোরপূর্বক হিল্লা বিয়ে দেওয়া এবং অন্য পুরুষের সাথে শয্যাশায়ী হতে বাধ্য করা এই আইনের অধীনে গুরুতর অপরাধ। এর শাস্তি হিসেবে অপরাধীদের কঠোর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code): জোরপূর্বক বিয়ে, অন্যায়ভাবে আটকে রাখা (Wrongful Confinement) এবং নারীর শ্লীলতাহানির অপরাধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে সরাসরি থানায় মামলা বা আদালতে সিআর (CR) মামলা করা যায়।

উচ্চ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: বাংলাদেশের মহামান্য হাইকোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে, আদালত ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা সালিসি কমিটি কোনো প্রকার ধর্মীয় ফতোয়া বা হিল্লা বিয়ের নির্দেশ দিতে পারবে না। ফতোয়া দেওয়া এবং তার মাধ্যমে কাউকে নির্যাতন করা আইনত নিষিদ্ধ।

৩. ইসলামি শরিয়াহর প্রকৃত দৃষ্টিভঙ্গি
অনেকে ভাবেন হিল্লা বিয়ে বোধহয় ইসলামের নিয়ম। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। ইসলামে হিল্লা বিয়ে বা আগে থেকে চুক্তি করে কাউকে তালাক দেওয়ার উদ্দেশ্যে সাময়িক বিয়ে করাকে অভিশপ্ত ও সম্পূর্ণ হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।

হাদিস শরিফে রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্ট করে বলেছেন, "যে ব্যক্তি হিল্লা বিয়ে করে এবং যার জন্য হিল্লা বিয়ে করা হয়, উভয়ের ওপর আল্লাহর লানত বা অভিশাপ।" পবিত্র কুরআনে (সুরা বাকারা, আয়াত ২৩০) যে বিয়ের কথা বলা হয়েছে, তা হলো একটি স্বাভাবিক ও স্থায়ী বিয়ে।

অর্থাৎ, কোনো নারী যদি তালাকের পর স্বাভাবিক নিয়মে অন্য কোথাও বিয়ে বসেন এবং সেই স্বামীও যদি কোনো কারণে তাকে স্বাভাবিকভাবে তালাক দেন বা মারা যান, কেবল তখনই তিনি প্রথম স্বামীকে বিয়ে করতে পারবেন। চুক্তিভিত্তিক হিল্লা বিয়ে ইসলাম সমর্থন করে না।

সহজ কথায়, হিল্লা বিয়ে একটি কুসংস্কার এবং রাষ্ট্রীয় আইনে এটি সম্পূর্ণ অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কোনো দম্পতি রাগের মাথায় বিচ্ছেদের পর আবার একসাথে হতে চাইলে আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী তারা সরাসরি নতুন কাবিননামা করে বিয়ে করতে পারেন। সমাজ বা ফতোয়ার ভয়ে কোনো নারীর জীবন ধ্বংস করা আইনের চোখে বড় অপরাধ।

পোস্টটি শেয়ার করুন, তাতে আপনার কাছের মানুষজন সচেতন হবেন, উপকৃত হবেন। এ ছাড়া, এ ধরণের পোস্ট শেয়ারের মাধ্যেমে আপনি আপনার অবস্থানকেও শক্তিশালী করতে পারবেন।

পারিবারিক আইনসহ দাম্পত্য, পরকীয়া, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাকত্ব ও হেফাজত, নারীর অধিকার এবং অন্যান্য আইনসংক্রান্ত নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে আমাদের পেজটি Follow করুন।

আপনার কোন প্রশ্ন থাকে হোয়াটসঅ্যাপে +8801715747777 এই নম্বরে অথবা ইনবক্সে মেসেজ লিখুন। আপনার নাম পরিচয়ের গোপনীয়তা রক্ষা করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কপিরাইট সংক্রান্ত তথ্য: লেখাগুলো আমার প্রকাশিতব্য বই, “ #যখনবিশ্বাসভাঙে: আইনি পথ ও প্রতিকার” এর অংশ। সেই ধারাবাহিকতায় কিছু কিছু অংশ প্রকাশিত হচ্ছে। কপি-পেস্ট করলে লেখকের নাম, পরিচয় ও বইয়ের নামসহ করবেন।

অ্যাডভোকেট মমিনুল আলম রাসেল
এলএলএম, এমবিএ, এমএ, ডিসিএপি
আইনজীবী, লেখক, ফ্যামিলি কনসালটেন্ট
সাবেক আইন ও কমপ্লায়েন্স বিশেষজ্ঞ [রবি আজিয়াটা পিএলসি]
সাবেক ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনসালটেন্ট [বেক্সিমকো গ্রুপ]
01715747777, 01641000008

#ফ্যামিলিকনসালটেন্ট #আইনসহায়িকা

07/06/2026

মনোমালিন্য হলেই “তালাক” শব্দটি মুখে আনবেন না। আল্লাহর কাছে এটি সবচেয়ে অপছন্দের শব্দ আর আপনার নিজের জীবনেও এর প্রভাব ভয়ংকর।

একটা গুরুত্বপূর্ণ সত্য জানুন-
আপনার মস্তিষ্ক আপনার মুখের কথাকেই সত্য ধরে নেয়। আপনি যা উচ্চারণ করবেন, ব্রেন ঠিক সেটার দিকেই আপনাকে ঠেলে দেবে। কেননা, চিকিৎসা শাস্ত্র বলে, মানুষ তার নিজের ব্রেনকেও প্রভাবিত করতে পারে।

তাই কথায় কথায় “তালাক” বলতে বলতে, আপনার অজান্তেই আপনি আপনাকেই বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।

#ফ্যামিলিকনসালটেন্ট #ন্যায্যতাশেয়ারকরুন #আইনসহায়িকা

06/06/2026

’মৌখিক তালাক’ ও ’আইনি তালাক’ কোনটি বৈধ আর কোনটি অবৈধ? ⚖️

“স্যার, আমি জানি ও ভুল করেছে, কিন্তু আমি সংসার ভাঙতে চাই না। আমি শুধু চাই সে আবার সংসারে ফিরে আসুক। এই অবস্থায় কি কোনো প...
06/06/2026

“স্যার, আমি জানি ও ভুল করেছে, কিন্তু আমি সংসার ভাঙতে চাই না। আমি শুধু চাই সে আবার সংসারে ফিরে আসুক। এই অবস্থায় কি কোনো পথ আছে?” কথাগুলো বলছিলেন মিসেস শেফালি আক্তার। তার চোখে জল। স্বামীর পরকীয়া নিয়ে তিনি সত্যি সত্যি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। একটা সময় স্বামীও স্বীকার করেছে সব। কিন্তু কেউই ফিরে আসার পথ খুঁজে পাচ্ছেন না।

শেফালি আক্তারের মতো এমন প্রশ্ন আমি অসংখ্য নারীর মুখে শুনেছি, শুনছি। পরকীয়া, একটি ভয়াবহ আঘাত। কিন্তু কখনই তালাক বা সেপারেশন এর শেষ দরজা নয়। অনেক দম্পতি চাইলে আবারও নতুনভাবে সম্পর্ক নির্মাণ করতে পারেন -যদিও সেটার জন্য প্রয়োজন হয় সঠিক পথ, সঠিক পরামর্শ এবং সঠিক সিদ্ধান্ত।

আজ সেটাই বলছি।

১) ইসলামিক দৃষ্টিতে সমাধান খোঁজা: ইসলাম পরকীয়াকে কঠিন ও গুরুতর পাপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তবে একইসঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্ক ভাঙার আগে সমাধান ও সংশোধন দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে।

পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, “তোমরা যদি তাদের মাঝে বিরোধ আশঙ্কা কর, স্বামীর পক্ষ থেকে একজন সালিশ এবং স্ত্রীর পক্ষ থেকে একজন সালিশ নিযুক্ত কর।” (সূরা নিসা, ৩৫) অর্থাৎ, ইসলাম প্রথমেই চায়, সমস্যা সমাধান, দু’পক্ষের ভুল সংশোধন এবং পরিবার রক্ষা। মনে রাখবেন, ডিভোর্স ইসলামে শেষ ধাপ, প্রথম ধাপ নয়।

২) দু’পক্ষের স্পষ্ট ও সততার সাথে কথা বলা: সম্পর্ক বাঁচাতে হলে প্রথমেই দরকার, একটি ‘হৃদয় থেকে হৃদয়ে’ কথা। এই আলোচনায় আসতে হবে, কী ভুল হয়েছে? কেন হয়েছে? সম্পর্ক কোন জায়গায় ভেঙেছে? ভবিষ্যতে কী প্রতিজ্ঞা বা পরিবর্তন দরকার? কোনগুলো না হলে সংসার টিকে না, ইত্যাদি এবং এটি করতে হয় শান্তভাবে, চিৎকার ছাড়া, পরস্পর দোষারোপ ছাড়া। অতীত মেনে নেয়ার ও ভুল সংশোধন করে ফিরে আসার মানসিকতা দুপক্ষেরই থাকতে হবে।

৩) পরিবার বা কাছের মানুষ দিয়ে সালিস বৈঠক বা আলোচনা: বাঙালি সমাজে সালিস বা পারিবারিক বৈঠক কখনো কখনো দাম্পত্য বাঁচাতে অসাধারণ ভূমিকা রাখে। দুই পক্ষের বিশ্বস্ত ও দায়িত্বশীল এবং উদার মনের কিছু মানুষ, ধর্মীয় বা সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য দুএকজন মধ্যস্থতাকারী এবং সম্পর্কের ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান থাকা ব্যক্তিদের এক্ষেত্রে খুব দরকার।

সালিসের মাধ্যমে, পরকীয়ার কারণ, ভবিষ্যতের সীমারেখা, দায়িত্ব ভাগাভাগি এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত এসব নির্ধারিত যায়। অনেক সম্পর্ক এখান থেকেই নতুনভাবে শুরু হয়। ভরসা রাখুন, এই পথ বা উপায়গুলোর উপর।

৪) ফ্যামিলি থেরাপি বা কাউন্সেলিং (যা অনেকেই জানেন না): বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দাম্পত্য কাউন্সেলিং খুব কার্যকর হয়েছে। মানসিক আঘাত, অবিশ্বাস, রাগ-প্রতিহিংসা, যোগাযোগের সমস্যা অথবা যৌনজীবনের অসামঞ্জস্য, ইত্যাদি সব বিষয় কাউন্সেলর খুব বৈজ্ঞানিকভাবে সমাধান দেন। অনেক দম্পতি পরকীয়ার পর পুনরায় বিশ্বাস তৈরি করতে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে সফল হয়েছেন। এমন ঘটনা অহরহ।

৫) সম্পর্ক বাঁচাতে কিছু নিয়ম ঠিক করা: দুজন মিলে সিদ্ধান্ত নিন, কারো সাথে অতিরিক্ত ব্যক্তিগত চ্যাট থাকবে না, পাসওয়ার্ড গোপন রাখা হবে না, প্রয়োজন ছাড়া রাতের বাইরে থাকা কমাবেন, পরিবারে সময় দেওয়া বাড়াবেন ইত্যাদি। এইসব ‘সীমারেখা’ সম্পর্ককে নিরাপদ করে, পুনরায় সন্দেহ করা কমায় এবং অবিশ্বস্যভাবে আস্থা ফিরিয়ে আনে, সেই সাথে পরিবারের প্রতি আপনার প্রতিশ্রুতি ও দায়বদ্ধতা বাড়িয়ে তোলে।

৬) দাম্পত্যকে নতুনভাবে সাজানো: বিশ্বাস ভাঙলে তা রাতারাতি ফিরে আসে না। ধীরে ধীরে, ছোট ছোট পদক্ষেপে সম্পর্ক আবার দাঁড়ায়। নির্দিষ্ট সময়ে বাড়ি ফেরা, আচরণে ধারাবাহিক পরিবর্তন, সদা সত্য বলা, ক্ষতি পূরণের চেষ্টা এবং ক্ষমা চাওয়া বা নিদেনপক্ষে ‘সরি’ বলা ইত্যাদি আচরণ, এগুলো সম্পর্ককে ধীরে ধীরে সুস্থ স্বাভাকিত করে তোলে।

৭) আইনগত নিরাপত্তা জোরদার করা (যদি ভবিষ্যতে সমস্যা বাড়ে): অনেক নারী সম্পর্ক বাঁচাতে গিয়ে নিজের অধিকার হারিয়ে ফেলেন। তাই সম্পর্ক রক্ষা করতে চাইলে ভরণপোষণ, দেনমোহর, সন্তানদের তত্ত্বাবধান ও অভিভাকত্ব, পারিবারিক আইনকানুন ইত্যাদি বিষয়ে আগে থেকেই সচেতন থাকতে হবে। আইন জানা মানে বিবাহ ভাঙা নয়, বরং সম্পর্ক রক্ষায় নিজের অবস্থানকে শক্তিশালী করা।

শেষ কথা, এটা মানতেই হবে যে, পরকীয়া একটি দুঃস্বপ্ন। কিন্তু ডিভোর্স এর একমাত্র পরিণতি নয়। যদি দুইজনই চান, শান্তভাবে বসে, সঠিক পদ্ধতিতে এগোলে অনেক সম্পর্কই নতুনভাবে সাজানো সম্ভব। আপনার সঠিক সিদ্ধান্ত আপনারই জীবন বদলে দিবে। আর সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জেনে নিন, বুঝে নিন, ভেবে নিন। মনে রাখবেন, পরকীয়া থেকে ফিরে আসার এই সহজ পথগুলো আপনার হাতেই।

পোস্টটি শেয়ার করুন, তাতে আপনার কাছের মানুষজন সচেতন হবেন, উপকৃত হবেন।

পারিবারিক আইনসহ দাম্পত্য, পরকীয়া, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাকত্ব ও হেফাজত, নারীর অধিকার এবং অন্যান্য আইনসংক্রান্ত নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে আমাদের পেজটি Follow করুন।

আপনার কোন প্রশ্ন থাকে হোয়াটসঅ্যাপে +8801715747777 এই নম্বরে অথবা ইনবক্সে মেসেজ লিখুন। আপনার নাম পরিচয়ের গোপনীয়তা রক্ষা করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কপিরাইট সংক্রান্ত তথ্য: লেখাগুলো আমার প্রকাশিতব্য বই, “ #যখনবিশ্বাসভাঙে: আইনি পথ ও প্রতিকার” থেকে নেয়া। সেই ধারাবাহিকতায় কিছু কিছু অংশ প্রকাশিত হচ্ছে। কপি-পেস্ট করলে লেখকের নাম, পরিচয় ও বইয়ের নামসহ করবেন।

অ্যাডভোকেট মমিনুল আলম রাসেল
এলএলএম, এমবিএ, এমএ, ডিসিএপি
আইনজীবী, লেখক, ফ্যামিলি কনসালটেন্ট
সাবেক আইন ও কমপ্লায়েন্স বিশেষজ্ঞ [রবি আজিয়াটা পিএলসি]
সাবেক ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনসালটেন্ট [বেক্সিমকো গ্রুপ]
01715747777, 01641000008

#ফ্যামিলিকনসালটেন্ট #আইনসহায়িকা

📌 পরকীয়া করে গোপনে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে! স্ত্রী কি বিয়েটি বাতিল চাইতে পারেন?🎯 প্রিয় পাঠক, গতকালের প্রশ্নের উত্তর আজ বিস্...
06/06/2026

📌 পরকীয়া করে গোপনে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে! স্ত্রী কি বিয়েটি বাতিল চাইতে পারেন?

🎯 প্রিয় পাঠক, গতকালের প্রশ্নের উত্তর আজ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করছি। স্বামী গোপনে পরকীয়া করে ২য় বিয়ে করলে প্রথম স্ত্রী তীব্র ক্ষোভ ও বিশ্বাসভঙ্গের শিকার হন। এমন পরিস্থিতিতে প্রথম স্ত্রীর মনে প্রথম যে প্রশ্নটি আসে, "আমি কি এই ২য় বিয়েটি আইনিভাবে বাতিল করতে পারি?" চলুন বাংলাদেশের আইন কী বলে তা জেনে নিই।

১. ২য় বিয়েটি কি বাতিল করা সম্ভব?
আইনের সরাসরি উত্তর হলো- না, প্রথম স্ত্রী চাইলেই স্বামীর ২য় বিয়েটি সরাসরি 'বাতিল' বা 'অবৈধ' ঘোষণা করতে পারেন না।

মুসলিম পারিবারিক আইন এবং শরিয়াহ বিধান অনুযায়ী, প্রথম স্ত্রী বহাল থাকা অবস্থায় সালিসি পরিষদের অনুমতি ছাড়া ২য় বিয়ে করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হলেও, ২য় বিয়েটি কিন্তু ধর্মীয় ও আইনিভাবে বাতিল বা অবৈধ (Void) হয়ে যায় না। ২য় স্ত্রী যদি প্রাপ্তবয়স্ক হন এবং ধর্মীয় রীতি (ইজাব-কবুল ও সাক্ষী) মেনে বিয়ে সম্পন্ন হয়, তবে ২য় বিয়েটি বৈধ চুক্তি হিসেবে টিকে থাকে।

২. তাহলে প্রথম স্ত্রী কী আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন?
প্রথম স্ত্রী ২য় বিয়েটি বাতিল করতে না পারলেও, আইন তাকে এমন কিছু শক্তিশালী অস্ত্র দিয়েছে যার মাধ্যমে তিনি স্বামীকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করতে পারেন এবং নিজের অধিকার আদায় করতে পারেন।

ক) স্বামীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা (জেল ও জরিমানা):
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৬ ধারা অনুযায়ী, প্রথম স্ত্রীর উপস্থিতিতে ২য় বিয়ে করতে হলে স্থানীয় ‘সালিসি পরিষদের’ লিখিত পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। স্বামী যদি পরকীয়া করে গোপনে ২য় বিয়ে করেন, তবে তিনি আইন লঙ্ঘন করেছেন।

প্রথম স্ত্রী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন। এই অপরাধের জন্য স্বামীর ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

খ) সম্পূর্ণ দেনমোহর একসাথে এককালীন দাবি:
আইন অনুযায়ী, স্বামী গোপনে ২য় বিয়ে করার সাথে সাথেই প্রথম স্ত্রীর সম্পূর্ণ বকেয়া দেনমোহর (তা তাৎক্ষণিক বা বিলম্বিত যাই হোক না কেন) পরিশোধ করা স্বামীর জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে যায়। স্ত্রী পারিবারিক আদালতে মামলা করে তার সম্পূর্ণ দেনমোহর এককালীন আদায় করতে পারবেন এবং স্বামী তা দিতে বাধ্য।

গ) বিবাহ বিচ্ছেদের (তালাক) অধিকার:
যদি স্বামী গোপনে ২য় বিয়ে করেন, তবে সেটি প্রথম স্ত্রীর জন্য একটি আইনি কারণ হিসেবে গণ্য হয়। ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী, স্বামী প্রচলিত আইন অমান্য করে ২য় বিয়ে করলে প্রথম স্ত্রী পারিবারিক আদালতে মামলা করে বিবাহ বিচ্ছেদ বা ডিক্রি চাইতে পারেন। আর কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামে যদি স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা দেওয়া থাকে, তবে তিনি নিজেই স্বামীকে তালাক দিতে পারেন।

ঘ) পৃথক ভরণপোষণ বা খোরপোশ:
স্বামী ২য় বিয়ে করার পর প্রথম স্ত্রী যদি তার সাথে একই ছাদের নিচে থাকতে না চান, তবে তিনি আলাদা থেকেও স্বামীর কাছ থেকে নিয়মিত মাসিক ভরণপোষণ বা খোরপোশ আদায়ের জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারেন। ২য় বিয়ে করার কারণে আলাদা থাকলেও স্বামী প্রথম স্ত্রীকে খোরপোশ দিতে বাধ্য।

৩. ২য় স্ত্রীর অধিকার ও বাস্তবতা
এখানে একটি বিষয় জেনে রাখা ভালো, যেহেতু ২য় বিয়েটি বাতিল হয় না, তাই ২য় স্ত্রীও প্রথম স্ত্রীর মতোই স্বামীর সম্পত্তির সমান উত্তরাধিকারী হন এবং নিজের দেনমোহর ও ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকার রাখেন। তবে স্বামী যদি প্রথম বিয়ের কথা গোপন করে ২য় স্ত্রীকে বিয়ে করে থাকেন, তবে ২য় স্ত্রীও স্বামীর বিরুদ্ধে ‘প্রতারণার’ (দণ্ডবিধি ৪২০ ধারাসহ অন্যান্য ধারায়) মামলা করতে পারেন।

সহজ কথায়, স্বামী গোপনে ২য় বিয়ে করলে প্রথম স্ত্রী সেই বিয়েটি ভেঙে দিতে বা বাতিল করতে পারেন না। তবে তিনি আইনগতভাবে স্বামীকে জেলের ভাত খাওয়াতে পারেন, নিজের সম্পূর্ণ দেনমোহর এককালীন আদায় করতে পারেন এবং আলাদা থেকে খোরপোশ দাবি করতে পারেন কিংবা চাইলে বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে পারেন। আইন তাকে বিয়ে বাতিলের ক্ষমতা না দিলেও, নিজেকে সুরক্ষিত করার এবং স্বামীকে শাস্তি দেওয়ার সব পথ খোলা রেখেছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন, তাতে আপনার কাছের মানুষজন সচেতন হবেন, উপকৃত হবেন। এ ছাড়া, এ ধরণের পোস্ট শেয়ারের মাধ্যেমে আপনি আপনার অবস্থানকেও শক্তিশালী করতে পারবেন।

পারিবারিক আইনসহ দাম্পত্য, পরকীয়া, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাকত্ব ও হেফাজত, নারীর অধিকার এবং অন্যান্য আইনসংক্রান্ত নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে আমাদের পেজটি Follow করুন।

আপনার কোন প্রশ্ন থাকে হোয়াটসঅ্যাপে +8801715747777 এই নম্বরে অথবা ইনবক্সে মেসেজ লিখুন। আপনার নাম পরিচয়ের গোপনীয়তা রক্ষা করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কপিরাইট সংক্রান্ত তথ্য: লেখাগুলো আমার প্রকাশিতব্য বই, “ #যখনবিশ্বাসভাঙে: আইনি পথ ও প্রতিকার” এর অংশ। সেই ধারাবাহিকতায় কিছু কিছু অংশ প্রকাশিত হচ্ছে। কপি-পেস্ট করলে লেখকের নাম, পরিচয় ও বইয়ের নামসহ করবেন।

অ্যাডভোকেট মমিনুল আলম রাসেল
এলএলএম, এমবিএ, এমএ, ডিসিএপি
আইনজীবী, লেখক, ফ্যামিলি কনসালটেন্ট
সাবেক আইন ও কমপ্লায়েন্স বিশেষজ্ঞ [রবি আজিয়াটা পিএলসি]
সাবেক ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনসালটেন্ট [বেক্সিমকো গ্রুপ]
01715747777, 01641000008

#ফ্যামিলিকনসালটেন্ট #আইনসহায়িকা

06/06/2026

প্রয়োজনই মানুষকে বদলে দেয় - সুযোগ নয়।

একদিন আমার প্রয়োজনও আমাকে বদলে দেবে। এই জাগতিক জীবনে এটাই স্বাভাবিক, এটাই অনিবার্য। পরিবর্তনকে ভয় নয়, গ্রহণ করতে শিখুন। সময় এলে মানিয়ে নিতে প্রস্তুত থাকুন।

কারণ, পরিবর্তনই জীবনের স্থির সত্য।

#ফ্যামিলিকনসালটেন্ট #ন্যায্যতাশেয়ারকরুন #আইনসহায়িকা

05/06/2026

পরকীয়া করে গোপনে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে! স্ত্রী কি বিয়েটি বাতিল চাইতে পারেন? ⚖️

Address

Advocate AKM Maminul Alam Russel, Henu Villa, 38-40, Court House Street, Room No 405, 3rd Floor, Katwali
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Maminul Alam Russel মমিনুল আলম রাসেল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Maminul Alam Russel মমিনুল আলম রাসেল:

Share