All-embracing Law

All-embracing Law Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from All-embracing Law, Lawyer & Law Firm, Dhaka.

কঠিন প্রশ্নের সহজ উত্তর -
05/11/2022

কঠিন প্রশ্নের সহজ উত্তর -

19/10/2022

সহজে জাল দলিল চেনার উপায় ;

১.বালাম বই তল্লাসি দিয়ে না পেলে।
২.টিপ ছাপ পরিক্ষা করে।
৩.দলিলের ক্রমিক নম্বর আর দলিল নম্বর এক হলে।

17/05/2022

বার কাউন্সিল পরীক্ষার্থীদের কাজে আসতে পারে.........

তামাদি আইন -১৯০৮

-এক নজরে তামাদি আইন-

১) সর্বপ্রথম তামাদি আইনের কার্যক্রম শুরু হয় কত সালে?
-১৭৯৩ সালে।
২) সর্বপ্রথম আইনে পরিণত হয় কত সালে?
- ১৮৫৯ সালে।
৩) পরবর্তীতে তামাদি আইন সংশোধন হয় কত সালে?
- ১৮৭১ ও ১৮৭৭ সালে।
৪)বর্তমান তামাদি আইন প্রকাশিত হয় কখন?
- ১৯০৮ সালের ৭-ই আগস্ট।
৫) তামাদি আইন বলবৎ বা কার্যকর হয় কখন?
- ১৯০৯ সালের পহেলা জানুয়ারি।
৬) তামাদি আইন ১৯০৮ সালের কত নাম্বার আইন?
- ৯ নাম্বার আইন।
৭) তামাদি আইন সর্বশেষ সংশোধন হয় কত সালে?
- ২০০৪ সালে।
৮) এই আইনে মোট ধারা আছে কয়টি?
- ২৯টি।
৯) তামাদি আইনের তফসিল কয়টি?
৩টি।
১০) এই আইনের অনুচ্ছেদ আছে কতটি?
-১৮৩টি।
১১) তামাদি আইন কী ধরণের আইন?
- এটা একটা পদ্ধতিগত আইন।

🗺 Definitions Clause 🗺
সংজ্ঞার ব্যাখাসমূহ।

১২) তামাদি আইনে মামলা বলতে কী বুঝায় না?
- আপিল বা দরখাস্ত।
১৩) তামাদি আইনের উদ্দেশ্য কী?
- নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে মামলা বা দরখাস্ত দায়ের করা।
১৪) তামাদি আইন প্রযোজ্য নয় কোন ক্ষেত্রে?
- ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে
- ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারার ক্ষেত্রে এবং
- ১৮৬৯ সালের বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ক্ষেত্রে।
১৫) তামাদি আইন প্রযোজ্য হয় কোন ক্ষেত্রে?
- দেওয়ানি মূল মামলায়
- দেওয়ানি আপিল, রিভিউ এবং রিভিশনের ক্ষেত্রে এবং
- ফৌজদারি আপিল ও রিভিশনের ক্ষেত্রে।
১৬) তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় কখন থেকে?
-নালিশের কারণ উদ্ভবের দিন হতে এবং গণনা হয় ইংরেজি সাল অনুযায়ী।

🕛 তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে মামলা দায়েরের ফলাফল🕕

১৭) "তামাদির নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার পর কোনো মামলা বা দরখাস্ত দায়ের করা হলে বিবাদী পক্ষ আপত্তি না করলেও তা খারিজ হবে"- কত ধারার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
- তামাদি আইনের ৩ ধারার সঙ্গে।
১৮) কোনো মামলা তামাদিতে বারিত নয় তা প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর?
- বাদীর উপর।
১৯) তামাদিতে বারিত মামলা সরকার করলে তার ফলাফল কী হবে?
- খারিজ হবে।

🕕তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকা🕡
২০) "তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকলে মামলা, আপিল বা দরখাস্ত আদালত খোলার প্রথম দিন দায়ের করতে হবে" কত ধারায় বলা হয়েছে?
- ৪ ধারায়।

🕛বিলম্ব মওকুফের জন্য আবেদন 🕧
Condonation Of Delay
২১) বিলম্ব মওকুফের জন্য আবেদন বিষয় কত ধারায় বলা হয়েছে?
- ৫ ধারায়।
২২) কোন কোন ক্ষেত্রে বিলম্ব মওকুফের জন্য আবেদন করা যায়?
- অসুস্থতা
- কারাবাস
- সরল বিশ্বাস
- দারিদ্রতা
- কৌঁসুলির ভুল এবং ভুল পরামর্শ
- আদালতের সিদ্ধান্ত।
২৩) ৫ ধারার বিলম্ব মওকুফ কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
- দেওয়ানি মূল মামলার ক্ষেত্রে।
২৪) ৫ ধারার আবেদন মঞ্জুর করা আদালতের কী ধরণের ক্ষমতা?
- Discretionary Power অর্থাৎ স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা।
২৫) সুনির্দিষ্টভাবে কোনো কিছু বলা না থাকলে বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে সময় বৃদ্ধির জন্য তামাদি আইন ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে কী?
- হবে না।

😇বৈধ অপারগতা😇
Legal Disability

২৬) কোন ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদ বন্ধ থাকে?
- Legal Disability অর্থাৎ বৈধ অপারগতার ক্ষেত্রে।
২৭) Legal Disability অর্থাৎ বৈধ অপারগতার আওতাভুক্ত কারা?
- নাবালক
- উম্মাদ এবং
- জড়বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তি।
২৮) তামাদি আইনের ৬ ধারা কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়?
- মামলা ও ডিক্রির কার্যকর করার ক্ষেত্রে।
২৯) তামাদি আইনের ৬ ধারা প্রযোজ্য হয় না কোন ক্ষেত্রে?
- আপিল, রিভিউ, রিভিশন ও দরখাস্ত আবেদনের ক্ষেত্রে
-অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে (৮ ধারা)
৩০) কতিপয় ব্যক্তির মধ্যে একজনের অপারগতা থাকলে ফলাফল কী হবে?
- ঐ একজন ছাড়া সবাই সামর্থ্যবান হলে সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ চলবে। এমনকি একজন সামর্থ্যবান হলেও তামাদির মেয়াদ চলবে।(৭ ধারা)
৩১) মামলা দায়েরের নির্ধারিত মেয়াদ যাহাই থাকুক না কেন বৈধ অপারগতা শেষ হওয়ার সর্বোচ্চ কতটুকু সময় পর্যন্ত বর্ধিত করা যেতে পারে?
- ৩ বছর।
৩২) "তামাদি মেয়াদ একবার আরম্ভ হলে অবিরাম চলতে থাকবে" কত ধারায় বলা হয়েছে?
- ৯ ধারায়।
৩৩) তামাদি আইনের ৬-৮ ধারা কার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
- শুধুমাত্র বাদীর ক্ষেত্রে, বিবাদীর ক্ষেত্রে নয়।

🕛 মেয়াদ গণনা হতে যে সময় বাদ যাবে🕛

৩৪) তামাদি মেয়াদ গণনা হতে বাদ যাবে কোন কোন দিনগুলো?
- মামলা, আপিল বা দরখাস্ত কারণ উদ্ভবের দিন
- আদেশ বা রায় ঘোষণার দিন
- আদেশের নকল সংগ্রহের আবশ্যকীয় দিন
- রায়ের নকল সংগ্রহের আবশ্যকীয় দিন এবং
- রোয়েদাদ সংগ্রহের আবশ্যকীয় দিন। (১২ ধারা)
৩৫) ভুল আদালতে মামলা ব আপিল দায়েরের ফলাফল কী?
- এর ফলে বাদীর যে সময় নষ্ট হয়েছে তা তামাদি মেয়াদ হতে বাদ যাবে।
৩৬) বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে মামলা হলে কোন আইন অনুযায়ী এই মামলা হবে?
- তামাদি আইন অনুযায়ী। বিদেশি তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে না।

প্রতারণার ফলাফল
Effect Of Fraud
৩৭) তামাদি আইনের ১৮ ধারা কোন বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
- তামাদি মেয়াদের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল।
৩৮) প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদ কখন শুরু হবে?
যেদিন উক্ত ব্যক্তি প্রতারণা সম্পর্কে জানতে পারবে।

✍লিখিত দায় স্বীকারের ফলাফল ✍
Effect Of Acknowledgement in Writing
৩৯) লিখিতভাবে দায় স্বীকার প্রযোজ্য হয় কোন ক্ষেত্রে?
- সম্পত্তি ও অধিকারের ক্ষেত্রে।
৪০) তামাদি আইনের ১৯ ধারায় বর্ণিত বিষয় কী?
- লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল।
৪১) লিখিত দায় স্বীকারের ফলাফল কী?
- নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

✍দেনা পরিশোধের ফলাফল ✍
Effect Of Payment
৪২) কোনো দেনা বা দেনার সুদ আংশিক পরিশোধ হলে কখন থেকে তামাদি মেয়াদ শুরু হবে?
- পরিশোধের তারিখ হতে।
৪৩) এই ধারার অধীনে দেনা বলতে কী বুঝাবে?
- আদালতের ডিক্রি বা আদেশের অধীনে প্রদেয় অর্থ।
৪৪) মামলায় নতুন বাদী বা বিবাদী পক্ষভুক্ত হলে তার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কিভাবে গণনা করা হবে?
- পক্ষভুক্তির দিন হতে।(২২ ধারা)

অবিরাম বা একাধারে চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায়
Continuing Breach and Wrongs
৪৫) অবিরামভাবে চুক্তিভঙ্গের ফলাফল কী?
- প্রতি মুহুর্তে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।
৪৬) "ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন প্রকৃত ক্ষতি হয়, তখন থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে"- কত ধারায় বলা হয়েছে?
- ২৪ ধারায়।

🍀সুখাধিকার অর্জন🍀
Acquisition Of Easements Rights

৪৭) সুখাধিকার কিভাবে অর্জিত হয়?
কোনোকিছু-
-বিনা বাঁধায়
- শান্তিপূর্ণভাবে
-অব্যাহতভাবে
-২০ বছর যাবৎ ভোগদখল করার মাধ্যমে। (সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে ৬০ বছর)
৪৭) সুখাধিকারের অর্জনের কথা বলা হয়েছে তামাদি আইনের কত ধারায়?
- ২৬ ধারায়।

😡বিরুদ্ধ দখল বা সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি😡
Adverse Possession

৪৮) Adverse Possession বা বিরুদ্ধ দখলের কথা বলা হয়েছে কত ধারায়?
- ২৮ ধারায়।
৪৯) অবৈধ দখলকারী স্থাবর সম্পত্তির মালিক বলে পরিগণিত হবে কিভাবে?
- প্রকৃত মালিকের জ্ঞাতসারে
- প্রকাশ্যভাবে
- নিরবচ্ছিন্নভাবে
-১২ বছর যাবৎ উক্ত জমির বাস্তব
ভোগদখল করে।
৫০) বিক্রয় চুক্তির কত বছরের মধ্যে যদি নিলাম ক্রেতা তার ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখলে নেবার জন্য মামলা না করেন আদালত তাকে ঐ সম্পত্তি দখল প্রদানে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন?
- ৩ বছরের মধ্যে মামলা না করলে।

✍তফসিল ✍
Schedule
৫১) দেওয়ানি আদালতে ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের কত সময়ের মধ্যে ডিক্রি জারির মামলা দায়ের করতে হয়?
- তিন বছরের মধ্যে।
৫২) ডিক্রির বিরুদ্ধে কত সময়ের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হয়?
- ৩০ দিনের মধ্যে।
৫৩) বেদখল হওয়ার ক্ষেত্রে কত দিনের মধ্যে স্বত্ব দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে হয়?
-১২ বছরের মধ্যে।
৫৪) বিবাহ বিচ্ছেদের পর বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য একজন মুসলিম স্ত্রী কর্তৃক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদকাল কত?
- ৩ বছর।
৫৫)SRA এর অধীনে ৯ ধারা অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ হবে বেদখলের তারিখ হত কত সময়ের মধ্যে?
- ৬ মাসের মধ্যে।
৫৬)জমির স্বত্ব ঘোষণা ছাড়াই শুধু দখল পুনরুদ্ধারের মামলা তামাদি মেয়াদ কত?
- ৬ মাস।
৫৭) অগ্রক্রয়ের তামাদির মেয়াদ কত?
- ১ বছর।
৫৮) তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের নালিশ দায়েরের মেয়াদ উল্লিখিত আছে?
-১৪২ অনুচ্ছেদে।
৫৯)চুক্তিভঙ্গের কারণে ক্ষতিপূরণের মামলায় তামাদি মেয়াদ কত?
- ১ বছর।
৬০)কোনো মামলা দায়েরের সময় সীমার বিষয়ে তামাদি আইনে সুনির্দিষ্ট বিধান না থাকলে তামাদির মেয়াদ কত বছর ধরা হবে?
-৬ বছর।
৬১) মৃতের ওয়ারিশ কায়েম সংক্রান্ত তামাদির বিধান তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
- ১৭৭ অনুচ্ছেদে।
৬২) দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত তামাদির বিধান "তামাদি আইনের" কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
- ১৫০ অনুচ্ছেদে।
৬৩) বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তির খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বন্ধকগ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলার নির্ধারিত মেয়াদ কত?
- ৬০ বছর।
৬৪) এক তরফা শুনানিকৃত আপিল পুনঃশুনানির তামাদি সম্পর্কিত বিধান "তামাদি আইনের" কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
-১৬৯ অনুচ্ছেদে। ( তামাদি মেয়াদ ৩০ দিন)
৬৫) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের কোন মামলায় যেক্ষেত্রে কোন সময়কাল নির্ধারিত নেই সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে কিভাবে?
- অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ থেকে।
৬৬)নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি জারির দরখাস্ত দাখিলের মেয়াদকাল গণনা করা হবে কখন থেকে?
- ডিক্রির সই মহুরি নকল প্রাপ্তির তারিখ হতে।
৬৭) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ বিরুদ্ধে আপিল করতে হয় কত সময়ের মধ্যে?
- ৬০ দিনের মধ্যে। (তামাদি আইনের ১৫৫ অনুচ্ছেদ।)
৬৮) মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হয় কত সময়ের মধ্যে?
-৭ দিনের মধ্যে। (তামাদি আইনের ১৫০ অনুচ্ছেদে বলা আছে।)

৬৯) বিক্রয় রদের মামলা দায়ের তামাদি মেয়াদ কত?
- ১ বছর।
৭০) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-১৮৭৭ এর ৪২ ধারা অনুযায়ী ঘোষণামূলক মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
- ৬ বছর।

07/04/2022

আলী রীয়াজ এর #কলাম

◾জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ শিক্ষার্থীর বহিষ্কার কতটা যৌক্তিক।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কারাগারে আটক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে। এই ১১ শিক্ষার্থী কারাগারে আছেন কেন? তাঁদের বিরুদ্ধে ‘সরকারবিরোধী অপতৎপরতা ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো’র অভিযোগ এনেছে পুলিশ।

কোনো আদালত তাঁদের ইতিমধ্যে আইনি প্রক্রিয়ায় দোষী সাব্যস্ত করেননি, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে একধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলেছে, একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ঘটনা বিভিন্ন কারণেই আমাদের মনোযোগ দাবি করে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব শিক্ষার্থী ‘নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে’ এক মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন, যে মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছেন ছাত্রশিবিরের এক নেতা। সেই সূত্রে তাঁদের শিবির নেতা মিকদাত হোসেনের সঙ্গে একটি বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে সরকারিভাবে ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু কার্যত ২০১১ সাল থেকেই ‘শিবির’ করার অভিযোগে আটকের ঘটনা নিয়মিতভাবেই ঘটে।

সাংগঠনিকভাবে ২০১৩ সালে এবং অন্যান্য সময় বিভিন্ন ধরনের সহিংস ঘটনায় শিবিরকর্মীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ও প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু এ কারণে সংগঠনের সব সদস্যকে সব সময় এ অভিযোগে অভিযুক্ত করা যাবে না। এটি যে কেবল এ সংগঠনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, তা নয়। সাংগঠনিক অবস্থানের জন্য যদি সব কর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়, তাহলে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের কর্মীদের জন্য এক ভয়াবহ বিপদের সূচনা হবে। কিন্তু তার চেয়েও বড় বিষয় হচ্ছে, দেশের প্রচলিত আইন তা বলে না। প্রত্যেক নাগরিকের আইনের আশ্রয় পাওয়ার অধিকার রয়েছে। ব্যক্তির অপরাধের দায় এবং তার শাস্তি তাঁকেই ভোগ করতে হবে।

কিন্তু প্রায় এক দশক ধরেই আমরা দেখতে পাই যে সন্দেহ হওয়াই নির্যাতিত এবং আটক হওয়ার জন্য যথেষ্ট বলে বিবেচিত হচ্ছে। এ কথা ভোলার অবকাশ নেই যে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকেও ‘সন্দেহের’ অজুহাতে ছাত্রাবাসের ভেতর পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর আবরারের মৃতদেহ আবিষ্কারের পর জানা যায়, কীভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল। এটা নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে, কিন্তু অবস্থার কোনো ধরনের পরিবর্তন হয়নি। সে বছরের ১২ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখালেখির কারণে ছাত্রশিবিরের নেতা বলে ছাত্রলীগের কাছে ‘সন্দেহভাজন’ মনে হয়।

ফলে তাঁকে মারধরের শিকার হতে হয় (আমাদের সময়, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯)। পরের মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থীকে একই ধরনের অভিযোগে ছাত্রলীগের কর্মীরা মারধর করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। ১২ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল (বিবিসি ২২ জানুয়ারি ২০২০)। এ ধরনের ঘটনার তালিকা দীর্ঘ। শুধু এসব ঘটনায়ই নয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে ছাত্রলীগ কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেই শিক্ষার্থীকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য আরও বেশি উদ্বেগজনক। প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে প্রক্টরের বক্তব্য। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা কামাল বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নানা অপতৎপরতার অভিযোগ পাওয়া গেছে, যা সরকারবিরোধী।

এমন অপতৎপরতায় যদি তাঁরা যুক্ত থাকেন, তবে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। (প্রথম আলো, ৪ এপ্রিল ২০২২)। সরকারবিরোধিতা কি তাহলে বাংলাদেশে অপরাধ বলে বিবেচিত হচ্ছে? বাংলাদেশের আইনে কোথাও সরকারবিরোধী তৎপরতাকে অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করা হয়নি। যে দেশ নিজেকে গণতান্ত্রিক বলে দাবি করবে, সে দেশে সরকারবিরোধিতাকে অপরাধ বলে বিবেচনার সুযোগ নেই। বাংলাদেশের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে সেই অধিকার দিয়েছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে আমাদের স্মরণ করতেই হবে, শিক্ষার্থীদের সরকারবিরোধিতাই গণতন্ত্রের আন্দোলনকে বেগবান করেছে। নাগরিকের এ অধিকারচর্চা কোনো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। শিক্ষার্থীদের রাজনীতি কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করবে, সেটা বোধগম্য নয়। একদিকে শিক্ষামন্ত্রী বলছেন শিক্ষার্থীদের রাজনীতিসচেতন হতে হবে। রাজনীতিসচেতন না হয়ে সফল মানুষ হওয়া যায় না, সুনাগরিক হওয়া যায় না; অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, সরকারবিরোধী রাজনীতি অপরাধতুল্য, এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। এ কথার অর্থ দাঁড়ায়, একমাত্র সরকারের সমর্থক রাজনীতিই গ্রহণযোগ্য।

ইতিমধ্যে সরকার এবং সরকার-সমর্থক ছাত্রসংগঠনের আচরণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্ররাজনীতি বিষয়ে ভীতি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে নিয়মিতভাবেই সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগের হাতে লাঞ্ছিত হচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে কথিত গণরুমের নামে যে অবস্থা বছরের পর বছর অব্যাহত আছে, তা সবার জানা। কিন্তু এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের মাথাব্যথা নেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বশীল সংসদ অনুপস্থিত। ২৮ বছর পর ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আশা করা হয়েছিল, এরপর অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সংসদ নির্বাচন হবে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্তৃপক্ষ সে পথে পা বাড়ায়নি। এ নিয়ে কোনো ব্যাখ্যাও পাওয়া যায় না।

দেশে সব ধরনের নির্বাচনের ব্যাপারে সরকারের উৎসাহের ঘাটতি নেই, সেসব নির্বাচন সুষ্ঠু হোক অথবা না হোক। সব ধরনের পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান তাদের নির্বাচন করে, কিন্তু শিক্ষার্থীরা কেন তাঁদের সংসদের নির্বাচন করতে পারবেন না, সেটা কেউ বলতে পারেন না।

বিরাজনীতিকরণের এক ভয়াবহ প্রক্রিয়ার মধ্যে তরুণদের ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এ প্রক্রিয়ার আশু সুবিধা ভোগ করছেন ক্ষমতাসীনেরা, কিন্তু এ অবস্থা দীর্ঘ মেয়াদে দেশের জন্য তো নয়ই, এমনকি তাঁদের জন্যও ইতিবাচক নয়।

✒️লেখকঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর, আটলান্টিক কাউন্সিলের অনাবাসিক সিনিয়র ফেলো এবং আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট।

প্রথম আলো।
০৭.০৪.২২

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত অধ্যাপক তাহের হত্যাকান্ডে দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি লড়াই শেষে আইনজীবী সেগুফতা তাবাসসুম তিনি ছিল...
06/04/2022

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত অধ্যাপক তাহের হত্যাকান্ডে দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি লড়াই শেষে আইনজীবী সেগুফতা তাবাসসুম

তিনি ছিলেন তার পিতার খুনের মামলার একজন আইনজীবী। দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি লড়াই শেষে গতকাল তিনি তার পিতা হত্যার বিচারের চূড়ান্ত রায় পেয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে। তার দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই স্বার্থক তাই রায় পরবর্তী তার মাকে নিয়ে গণমাধ্যমের সামনে এসে তার কান্না লুকিয়ে রাখতে পারেননি। তার এই কান্নার মধ্যে যেমন আছে চাপা কষ্ট, তেমন আছে স্বপ্ন পূরণের স্বার্থকতার আনন্দ।

তাবাসসুমের বাবা তাহের আহমেদ ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক। তার বাবাকে যখন হত্যা করা হয় তখন তিনি উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী।

বাবা হত্যার ঘটনায় প্রত্যাশিত বিচার নিশ্চিতের জন্য তিনি তার জীবনের লক্ষ্য পাল্টিয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। পরবর্তীতে বিচারিক আদালতের রায় সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে গেলে সেখানে যাতে বাবা হত্যার ন্যায় বিচার নিশ্চিত হয় তার জন্য তিনি হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে অনুশীলন শুরু করেন।

গতকাল দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ তাবাসসুমের বাবা হত্যার বিচারের রায় প্রদান করেছে। অধ্যাপক তাহের আহমেদকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং আরো দুই আসামিক যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয় আপিল বিভাগ।

অবাক করা ব্যাপার হলো অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলার মূল আসামী তারই ডিপার্টমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক মহিউদ্দিন যিনি কিনা একসময় অধ্যাপক তাহেরের ছাত্র ছিলেন।

শুধুমাত্র কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির পথে বাধা হওয়ায় মহিউদ্দিন, তাহেরের বাসার কেয়ারটেকারকে সাথে নিয়ে তাহেরকে খুন করে তার লাশ শিক্ষক কোয়ার্টারের বাসার বাইরের ম্যানহোলে ফেলে দেয়।

বাবা হত্যার বিচারের সঠিক রায় পেতে কণ্যা তাবাসসুমের দীর্ঘ ১৬ বছরের ক্লান্তিহীন অবিশ্বাস্য লড়াই বাংলাদেশের ইতিহাস অনন্য নজির হয়ে থাকবে।

বাবার প্রতি কতটুকু দায়বদ্ধতা থাকলে কিংবা বাবা হত্যার বিচার পেতে কতটুকু দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হলে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা ডিঙিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো যায় তা করে দেখালেন সাহসী ও দৃঢ়চেতা তাবাসসুম।
#কপি

06/04/2022

জানেন কি?

দণ্ডবিধি ধারা ৩৭৭ অনুযায়ী বাংলাদেশে সমকামীতা অপরাধ।

06/04/2022

ইফতারের পর হার্ট এটাক বাড়ছে :
সতর্ক হতে হবে:
ইফতারের পর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাক নিয়ে ভর্তি হওয়ার হার অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।অনেকে হার্ট এটাকের ব্যাথা কে ভুল করে এসিডিটির পেইন মনে করে এন্টাসিড বা ইনো খেয়ে আরো বেশী অসুস্থ হয়ে বা তীব্র বুকের ব্যাথা নিয়ে রমজান মাসে সন্ধ্যা বেলা ইফতারির পর চিকিৎসক এর চেম্বারে বা হসপিটালের ইমারজেন্সী বিভাগে চলে আসেন। ইসিজি করার পর প্রতীয়মান হয় যে উনার হার্ট এটাক হয়েছে এবং ততক্ষণে জটিলতা বেড়ে যায়।

যেকোনো ভারী খাবার দাবারের পর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রচুর খাবার একসাথে গেলে সেগুলোকে সামাল দেয়ার জন্য পাকস্থলীকে তার কাজ অনেক বেশি বাড়িয়ে দিতে হয়। বেশি কাজ মানেই বেশি শক্তি। এই অতিরিক্ত শক্তির জন্য তার রক্তও দরকার হয় বেশি। কিন্তু এই রক্ত সে পাবে কই?
পাকস্থলীর মোটামোটি কাছের প্রতিবেশী যেহেতু হার্ট, তখন হার্টকে স্যাক্রিফায়েস করতে হয় বেশ খানিকটা রক্ত। আর ঠিক তখনই ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।

রোজায় সারাদিন না খেয়ে আমরা স্বাভাবিকভাবেই বেশ ক্ষুধার্ত থাকি। ব্রেইন বারবার সিগনাল পাঠাতে থাকে - খাবার দাও, খাবার দাও।
টেবিলে সাজানো সুস্বাদু সব খাবার আর ব্রেইনের সিগনালের ফাঁদে আমরা খুব সহজেই ধরা পড়ে যাই। গোগ্রাসে প্রচুর খাবার গিলতে থাকি।
তারপর আমাদের অজান্তেই শরীরের মধ্যে চলতে থাকে আন্তঃপ্রতিবেশী রক্ত আদান-প্রদান। কখনো কখনো হজম প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করতে শরীরের বিভিন্ন অর্গান বা অংগ থেকে পাকস্থলী বা স্টম্যাক এর দিকে রক্তের ডাইভারসন হয়, এর মাঝে হৃদপিন্ড বা হার্ট অন্যতম যেখানে রক্ত চলাচলে স্বল্পতা ঘটে।ফলশ্রুতিতে ভারী খাবার দাবারের ২ ঘন্টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায় প্রায় চারগুণ।

তাই, ইফতারে খাবার কম খান। দরকার হলে অল্প অল্প করে ২/৩ বারে খান।
নিজের স্বজনদের খাবারের দিকেও খেয়াল রাখুন।

>Collected

২৪ বছর আগে গুলিতে নিহত চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি আশিষ রায় ওরফে বোতল চৌধুরী গুলশান থেকে গ্রেপ্ত...
06/04/2022

২৪ বছর আগে গুলিতে নিহত চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি আশিষ রায় ওরফে বোতল চৌধুরী গুলশান থেকে গ্রেপ্তার
ডেস্ক রিপোর্ট

২৩ বছর আগে চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যার ঘটনায় আশীষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতলকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে গুলশানের বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মইন গণমাধ্যমকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আশীষ রায় চৌধুরী নায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত ১ নম্বর আসামি। তিনি একাধিক বেসরকারি এয়ারলাইনসের ঊর্ধ্বতন পদে ছিলেন। সর্বশেষ তিনি জিএমজি এয়ারলাইনসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) ছিলেন।

১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এই হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথা-কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়।

ঘটনার রাতে সোহেল তাঁর বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। এ সময় ভেতরে ঢুকতে তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারও তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালান। আসামিদের মধ্যে আদনান খুনের পরপরই ধরা পড়েছিলেন।

আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ নয়জনের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এ অভিযোগ গঠন করেন। অভিযোগ গঠনের পর আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট হাইকোর্ট রুল ডিসচার্জ (খারিজ) করেন এবং এর আগে দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে রায় দেন।

গত ২৪ মার্চ এ মামলায় আদালতে হাজিরা দেন জামিনে থাকা আসামি ফারুক আব্বাসী। জামিনে থাকা অপর আসামি আদনান সিদ্দিকীর পক্ষ থেকে হাজিরার জন্য সময় চেয়ে আবেদন করা হলে তা মঞ্জুর করেন আদালত।

এ ছাড়া কারাগারে থাকা আসামি তারিক সাঈদ মামুনকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে পলাতক রয়েছেন আসামি আজিজ মোহাম্মদ ভাই, সানজিদুল হাসান, সেলিম খান ও হারুন অর রশিদ। তাঁদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

১৯৮৪ সালে এফডিসির নতুন মুখের সন্ধানে নামের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন সোহেল চৌধুরী। ওই একই প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী দিতিও।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when All-embracing Law posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share