Lex Curiae-আইন আদালত

Lex Curiae-আইন আদালত দক্ষ, বিচক্ষণ ও অভিজ্ঞ আইনজীবী দেওয়ানি ও ফৌজদারী মোকদ্দমা পরিচালনা করেন।

বন্যার্তদের জন্য প্রাপ্ত অনুদানের টাকায় ট্যুর না দিয়ে কোন বিশ্বস্ত ফাউন্ডেশনে প্রেরণ করুন।
26/08/2024

বন্যার্তদের জন্য প্রাপ্ত অনুদানের টাকায় ট্যুর না দিয়ে কোন বিশ্বস্ত ফাউন্ডেশনে প্রেরণ করুন।

24/08/2024
ভূমি আইনের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন
18/04/2023

ভূমি আইনের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন

GD করুন ঘরে বসে আপনার মোবাইল থেকে।
11/01/2023

GD করুন ঘরে বসে আপনার মোবাইল থেকে।

07/01/2023
15/09/2022

আপনি জানেন কি পুলিশ ভেরিফিকেশন কি এবং কেন এই ভেরিফিকেশন ?

পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।

১। পুলিশ ভেরিফিকেশন কি?
উত্তরঃ সাধারণত চাকুরী, পাসপোর্ট, লাইসেন্স বা অন্য কোনো প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আবেদনকারী কর্তৃক প্রদত্ত তথ্যাদি সঠিক আছে কিনা তা পুলিশ কর্তৃক যাচাই করাকে ভেরিফিকেশন বা সত্যতা প্রতিপাদন বলে। ভেরিফিকেশনকালে প্রার্থীর প্রদত্ত তথ্যাদির সত্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি প্রার্থীর চারিত্রিক ও সামাজিক অবস্থান সম্পর্কেও তথ্য নেয়া হয়।

২। কোন কোন ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশন হতে পারে?
উত্তরঃ (ক) সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি (ঐচ্ছিক) প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ,
(খ) পাসপোর্ট প্রাপ্তি,
(গ) বিভিন্ন ধরণের লাইসেন্স প্রাপ্তি,
(ঘ) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) ব্যবহার ইত্যাদি ক্ষেত্রে।

৩। পুলিশ ভেরিফিকেশন এর আবেদন পত্রে প্রার্থীর কোন ঠিকানা (স্থায়ী/অস্থায়ী) দিতে হয়?
উত্তরঃ স্থায়ী ও অস্থায়ী উভয় ঠিকানাই দিতে হয়। স্থায়ী ঠিকানা বলতে বুঝায় প্রার্থীর নিজ নামীয়, পিতার নামীয় বা দাদার নামীয় বাড়িসহ যেকোনো ভূ-সম্পত্তি, যেখানে প্রার্থীর অধিকারসত্ত্ব এবং বসতবাড়ি রয়েছে। যে ভূ-সম্পত্তিতে প্রার্থীর অধিকারসত্ত্ব ও বসতবাড়ি নাই, এমন কোনো ঠিকানায় প্রার্থী বসবাস করলে তা অস্থায়ী ঠিকানা হিসেবে বিবেচিত হবে।

৪। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানা ব্যতীত অন্য কোনো ঠিকানা দিতে হয় কি?
উত্তরঃ স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানা ছাড়াও সাধারণত প্রার্থী বিগত ৫ বছর যেসব ঠিকানায় ৬ মাসের অধিক সময় অবস্থান করেছেন এবং প্রার্থী ১৫ বছর বয়স হতে যেসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করেছেন বা যেসকল প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন ও অধ্যয়নকালীন বা কর্মরত থাকাকালীন সময়ে যেসব ঠিকানায় অবস্থান করেছেন, সেগুলোও উল্লেখ করতে হয়।

৫। পুলিশ ভেরিফিকেশনের তদন্তের সময় প্রার্থীকে কি থানায় যেতে হয়, নাকি তদন্তকারী পুলিশ অফিসার প্রার্থীর ঠিকানায় তদন্ত করতে যাবেন?
উত্তরঃ পুলিশ ভেরিফিকেশনের তদন্তের সময় প্রার্থীকে সাধারণত থানায় যেতে হয় না। কারণ, তদন্তকারী কর্মকর্তা গোপনে ও প্রকাশ্যে প্রার্থীর উল্লিখিত ঠিকানা সমূহে সরজমিনে তদন্ত করে থাকেন। তবে, তদন্তকালে প্রার্থী যদি তদন্তকারী কর্মকর্তার চাহিদামতে তাৎক্ষনিকভাবে কোনো প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন, তাহলে পরবর্তিতে ঐ ডকুমেন্ট পৌঁছে দিতে আলোচনা সাপেক্ষে থানায় যেতে হতে পারে।

৬। পুলিশ ভেরিফিকেশন এর তদন্তের সময় প্রার্থীকে কি তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট কোন ডকুমেন্ট (কি কি) দিতে হয়?
উত্তরঃ পুলিশ ভেরিফিকেশনের তদন্তের সময় কোনো কোনো ক্ষেত্রে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রার্থীর নিকট হতে কতিপয় ডকুমেন্ট সংগ্রহ করতে পারেন। যেমন- প্রার্থীর স্থায়ী ঠিকানার স্বপক্ষে সে বাড়ির দলিলের কপি বা বিদ্যুৎ বিল/গ্যাস বিল/ওয়াসার বিল/টেলিফোন বিল, ইত্যাদির কপি। এছাড়াও, প্রার্থীর ভি-রোলে (প্রার্থীর তথ্য সম্বলিত ফর্ম) যে সব তথ্য প্রদান করা হয়েছে, সেগুলোর যাচাই বা প্রমাণের জন্য সেগুলোর সমর্থনে প্রামানিক দলিলাদি।

৭। পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষ হতে সর্বোচ্চ কতদিন সময় লাগে?
উত্তরঃ এটি নির্ভর করে সাধারণত কত জায়গায় ভেরিফিকেশন করতে হয় তার উপর। যদি একটি মাত্র পুলিশ ইউনিটের অধিক্ষেত্রের মধ্যে ভেরিফিকেশন করতে হয়, তাহলে সাধারণত ৩ (তিন) দিনের মধ্যেই তদন্ত সম্পন্ন করতে হয়। তবে, যদি প্রার্থীর স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানা ভিন্ন ভিন্ন জেলায় হয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা চাকুরির প্রতিষ্ঠানও ভিন্ন ভিন্ন জেলায় হয়, সেক্ষেত্রে ১৫ (পনের) দিন বা তার বেশি সময়ও লাগতে পারে।

৮। পুলিশ ভেরিফিকেশন চলাকালে প্রার্থী যদি কোন প্রকার হয়রানীর শিকার হন সে ক্ষেত্রে প্রার্থী কোথায় অভিযোগ করতে পারবেন?
উত্তরঃ পুলিশ ভেরিফিকেশন চলাকালে প্রার্থী যদি তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক কোনো প্রকার হয়রানীর শিকার হন, সেক্ষেত্রে ঐ তদন্তকারী কর্মকর্তার সরাসরি নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তার নিকট অথবা বিশেষ পুলিশ সুপার (ভিআর) বা অতিরিক্ত আইজিপি, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, বাংলাদেশ পুলিশ, রাজারবাগ, ঢাকা বরাবর লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ জানাতে পারেন।

পুলিশ ভেরিফিকেশন
যে সকল বিষয়ে তদন্ত করা হয়।

পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় সাধারণত প্রার্থীর যে সকল বিষয়ে তদন্ত করা হয়, সেগুলো হলোঃ

১। প্রার্থীর পুরো নাম
২। প্রার্থীর জাতীয়তা
৩। প্রার্থীর পিতার পুরো নাম ও জাতীয়তা
৪। প্রার্থীর স্থায়ী ঠিকানা (বাড়ির দলিলের কপি বা বিদ্যুৎ বিল/গ্যাস বিল/ওয়াসার বিল/টেলিফোন বিল, ইত্যাদির কপি)
৫। প্রার্থীর বর্তমান বাসস্থলের ঠিকানা
৬। প্রার্থীর বৈবাহিক অবস্থা
৭। প্রার্থী বিগত ৫ (পাঁচ) বছর যেসব ঠিকানায় অবস্থান করেছেন সেগুলোর ঠিকানা
৮। প্রার্থীর জন্ম তারিখ (মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষার সার্টিফিকেট বা জন্ম সনদ)
৯। প্রার্থীর জন্মস্থান (গ্রাম, ইউনিয়ন, থানা/উপজেলা, জেলা ইত্যাদি)
১০। প্রার্থীর ১৫ (পনের) বছর বয়স হতে যেসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়, ইত্যাদি) অধ্যয়ন করেছেন সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য।
১১। প্রার্থী যদি কোনো সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত, আধা-স্বায়ত্বশাসিত, স্থানীয় সরকারের কোনো সংস্থা বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পূর্বে চাকুরি করে থাকেন বা বর্তমানে কর্মরত থেকে থাকেন সেগুলোর তথ্য।
১২। প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধার পুত্র/কন্যা/নাতি/নাতনি কিনা?
১৩। প্রার্থী অন্য কোনো কোটাধারী কিনা?
১৪। প্রার্থীর কোনো ধরণের প্রতিবন্ধীতা আছে কিনা?
১৫। প্রার্থী ফৌজদারি, রাজনৈতিক, বা অন্য কোনো মামলায় অভিযুক্ত, গ্রেফতার, বা দন্ডিত এবং নজরবন্দি বা কোনো বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা হতে বহিষ্কার হয়ে থাকলে তার তথ্য।
১৬। প্রার্থীর নিকট আত্বিয়-স্বজন (পিতা-মাতা, ভাই-বোন, আপন মামা, চাচা, খালু, ইত্যাতি বা শ্বশুরের দিকের অনুরূপ কোনো নিকট আত্নীয়) বাংলাদেশ সরকারের কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানে চাকুরিরত থাকলে সেগুলোর তথ্য।
১৭। প্রার্থী কোনো মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বা নৈতিক স্খলনের রেকর্ড রয়েছে কিনা?
১৮। প্রার্থী ইতোপূর্বে কোনো সরকারি চাকুরি থেকে বরখাস্ত হয়েছেন কিনা?
১৯। প্রার্থী কোনো রাষ্ট্রদ্রোহী বা নাশকতামূলক কর্যকলাপে জড়িত আছেন/ছিলেন কিনা?
২০। প্রার্থীর চারিত্রিক ও সামাজিক অবস্থান।
২১। এছাড়াও আবেদনের ধরণ অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক ও প্রয়োজনীয় অন্য যেকোনো বিষয়ে তদন্ত হতে পারে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পুলিশ

30/08/2022

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করবেন কিভাবে?

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল হলো প্রজাতন্ত্রের কোন বিষয় অথবা কোন সংবিধিবদ্ধ সংস্থায় উদ্ভূত বিষয় নিষ্পত্তি বা বিচারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সালিস-সভা। সরকারি প্রতিষ্ঠান বা আধাসরকারি প্রতিঠানের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, চাকরীর মেয়াদ, বাসাসহ অনান্য কোন বিষয় বিরোধ দেখা দিলে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করে তা নিষ্পত্তি করা যায়।

সরকারি বা আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের চাকরির মেয়াদ, শর্তাবলি, সরকারি বাসা, বেতন-ভাতা, ও পেনশন সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিষ্পত্তির জন্য সরকার প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করে।
তাই এ সকল বিষয়গুলো নিষ্পত্তির জন্য অবশ্যই প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে যেতে হবে।

বাংলাদেশ ছাড়াও বিভিন্ন দেশে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল রয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন:- যুক্তরাষ্ট্রে বিরোধ নিস্পত্তির জন্য রয়েছে ইন্টার-স্টেট কমার্স কমিশন এবং ফেডারেল ট্রেড কমিশন। ফ্রান্সের জন্য রয়েছে কাউন্সিল অব স্টেট সিস্টেম।

ভারত উপমহাদেশেও বিটিশদের শাসন আমলে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গড়ে উঠেছিল। ১৯৪৭ সালের ক্রাউন প্রসিডিংস অ্যাক্ট-এর মাধ্যমে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
এসব ট্রাইব্যুনালের আওতায় ছিল সাধারণত কতিপয় সুনির্দিষ্ট বিষয়, যেমন: সামাজিক নিরাপত্তা, শিশুসদনের নিবন্ধন, স্থানীয় কর ব্যবস্থা ইত্যাদি।

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধাপ:

Contents

1 কে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে পারবে
1.1 কে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে পারবে না
1.1.1 প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী

2 প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের এখ্তিয়ার
2.1 প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়েরের সময়সীমা
2.1.1 ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য

3 প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার পর পরবর্তী প্রক্রিয়া
3.1 ১ম ধাপঃ–বিবাদী পক্ষকে নোটিশ প্রদান।
3.2 ২য় ধাপঃ–আবেদন নিষ্পত্তি করার পদ্ধতি
3.3 ৩য় ধাপঃ সিদ্ধান্ত
3.4 প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল
3.5 প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের এখ্তিয়ার
3.5.1 প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়েরের সময়সীমা
3.5.2 প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা ও কার্যাদি
3.6 সিএলপি কর্তৃক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত আইনী সেবা 2022 ।

কে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে পারবেঃ

সরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মে নিযুক্ত সকল কর্মচারী ও সংবিধিবদ্ধ সরকারি সংস্থায় যারা কর্মে নিযুক্ত আছেন তাদের চাকরির মেয়াদ, শর্তাবলি, সরকারি বাসা, বেতন-ভাতা,ও পেনশন সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিষ্পত্তির জন্য প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে পারবে।

কে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে পারবে না:

বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থায় নিযুক্ত কোন ব্যক্তি এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে পারবে না।

প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী:
প্রজাতন্ত্রের কর্মে বা কোন সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কর্মে নিযুক্ত সরকারি কর্মচারী এবং এর মধ্যে এমন কোনও ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যিনি অবসরপ্রাপ্ত , বরখাস্ত, অপসারণ বা অব্যাহতিপ্রাপ্ত, বা এইরকম চাকরি থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত, তবে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে নিযুক্ত কোনও ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করেন না।

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের এখ্তিয়ার:

ক) প্রজাতন্ত্রের বা বিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কর্মে নিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির পেনশনের অধিকার সহ তার কর্মের শর্তাবলি বা প্রজাতন্ত্রের বা বিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তি হিসাবে তৎসম্পর্কে গৃহীত কোন ব্যবস্থার উপর পেশকৃত আবেদনের শুনানি গ্ৰহন ও নিস্পত্তির জন্য এই ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার থাকবে।

খ) প্রজাতন্ত্রের বা বিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কর্মে নিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির পেনশনের অধিকার সহ তার কর্মের শর্তাবলি বা প্রজাতন্ত্রের বা বিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তি হিসাবে সে সর্ম্পকে গৃহীত কোন ব্যবস্থার দ্বারা কোন ব্যক্তি সংক্ষুদ্ধ হলে এই ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করতে পারবেন।

গ) প্রজাতন্ত্রের বা বিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কর্মের শর্তাবলী কিংবা উক্ত কর্মের শৃঙ্খলা সম্পর্কে আপাতত বলবৎ কোন আইনের অধীনে উচ্চতর প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের যে আদেশ, সিদ্ধান্ত বা কোন ব্যাবস্থা বাতিল, রদবদল কিংবা সংশোধন করতে পারেন তাহার উপরে উচ্চতর কর্তৃপক্ষের কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন না করা পর্যন্ত প্রসাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা যাবে না।

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়েরের সময়সীমা:

কর্তৃপক্ষের আদেশ, সিদ্ধান্ত বা কোন ব্যাবস্থা গ্রহন বা প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোন সিদ্ধান্ত গ্রহনের তারিখ হয়তে ৬ মাস এর ভিতরে পেশ করা না হলে প্রসাসনিক ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মামলা গৃহিত হবে না ।

ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য:

একটি ট্রাইব্যুনালে প্রতিটি আবেদন লিখিত হতে হবে। একটি আবেদনে নিম্নলিখিত বিবরণগুলি থাকতে হবে : যথা-
১। ট্রাইব্যুনালের নাম (যেখানে আবেদন করেছেন)।
২। আবেদনকারীর নাম, বিবরণ এবং ঠিকানা।
৩। বিবাদী পক্ষের নাম, বিবরণ এবং ঠিকানা।
৪। কোন ঘটনাটির কার্যের কারনে মামলা দায়ের করা হবে তার বর্ননা ।
৫।যে কারণে আবেদনটি ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার রয়েছে তার বর্ননা ।
৬।আবেদনকারী দাবি ।
৭।আবেদনকারী নির্ভর করতে ইচ্ছুক যে কোনও বিষয়।
৮। আবেদনটি আবেদনকারীর স্বাক্ষর সহ আবেদনের সাথে সংযুক্ত ২০ (বিশ) টাকার কোর্ট ফি দিতে হবে।

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার পর পরবর্তী প্রক্রিয়া:

১ম ধাপঃ–বিবাদী পক্ষকে নোটিশ প্রদান।
ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার পরে ট্রাইব্যুনাল বিবাদী পক্ষকে একটি লিখিত জবাব দাখিলের জন্য একটি নোটিশ প্রদান করবেন। লিখিত বিবৃতিটির একটি অনুলিপি নিবন্ধিত পোস্টের মাধ্যমে আবেদনকারীর কাছে প্রেরণ করা হবে।

২য় ধাপঃ–আবেদন নিষ্পত্তি করার পদ্ধতি
বিবাদী পক্ষের লিখিত বিবৃতি জমা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ শেষের পনের দিন পরে ট্রাইব্যুনাল আবেদন শুনানির জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন। ট্রাইব্যুনাল শুনানির তারিখে ট্রাইব্যুনালে উভয় পক্ষকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ উপস্থিত থাকতে হবে।

যেখানে শুনানির জন্য নির্ধারণ দিনটিতে উভয় পক্ষই উপস্থিত হবে না এবং নোটিশটি সঠিকভাবে জারি করা হয়েছে তখন ট্রাইব্যুনাল আবেদনটি খারিজ করতে পারেন। যদি আবেদনকারী উপস্থিত হয় তবে অন্য পক্ষ উপস্থিত না হয়, ট্রাইব্যুনাল আবেদনটি একতরফা নিতে পারবেন । অন্যদিকে, যদি বিবাদী পক্ষ উপস্থিত হয় তবে আবেদনকারী উপস্থিত না হন, ট্রাইব্যুনাল আবেদনটি খারিজ করে দিতে পারবেন।

৩য় ধাপঃ সিদ্ধান্ত
আবেদনটি শুনানি হওয়ার পরে ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী তারিখে লিখিতভাবে তার সিদ্ধান্ত দেবেন।

প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল:

এডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল আক্ট, ১৯৮০ তে একটি প্রশাসনিক আপীল ট্রাইব্যুনালেরও বিধান রাখা হয়েছে। সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত একজন চেয়ারম্যান ও অপর দুজন সদস্য নিয়ে আপীল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে। নিয়োগের জন্য চেয়ারম্যান ও সদস্যদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কেও এ আইনে বলা হয়েছে। চেয়ারম্যান হবেন এমন এক ব্যক্তি যিনি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক বা বিচারক হওয়ার যোগ্য অথবা প্রজাতন্ত্রে কর্মরত এমন একজন কর্মকর্তা যার পদমর্যাদা সরকারের অতিরিক্ত সচিবের নিচে নয়। অপর দুজন সদস্যের মধ্যে একজন হবেন এমন ব্যক্তি যিনি প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিয়োজিত এবং যার পদমর্যাদা যুগ্মসচিবের নিচে নয়। অপর সদস্য হবেন একজন জেলা জজ। নিয়োগের শর্তাবলি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হবে। প্রশাসনিক আপীল ট্রাইব্যুনাল সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের এখ্তিয়ার:

এডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল আক্ট, ১৯৮০ এর ৬ ধারায় বলা হয়েছে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ বা সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আপীল শুনানী এবং সিদ্ধান্ত প্রদানের বিষয় আপীল ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারভুক্ত। কোন ব্যক্তি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত যেকোন আদেশ বা সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে এ ধরনের আদেশ বা সিদ্ধান্ত বিরুদ্ধে আপীল দাখিল করার সুযোগ পাবেন। আপীল ট্রাইব্যুনাল প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের যেকোন আদেশ বা সিদ্ধান্ত বহাল রাখা, বাতিল, দ্বিমত পোষণ অথবা পরিবর্তন করতে পারেন। আপীল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়েরের সময়সীমা:

এডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল আক্ট, ১৯৮০ এর ৬ ধারায় বলা হয়েছে কোন ব্যক্তি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত যেকোন আদেশ বা সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে এ ধরনের আদেশ বা সিদ্ধান্ত দেওয়ার দিন থেকে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপীল দাখিল করার সুযোগ পাবেন।

আপিলকারী যদি প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালে এই মর্মে পরিতুষ্ট করতে পারেন যে, তিন মাসের মধ্যে আপীল দাখিল করতে না পারার যথেষ্ট কারন রহিয়াছে তাহলে তিন মাস সময়সীমা পার হয়ার পরেও আপিল করতে পারবে কিন্তু ছয় মাসের বেশি হবে না।

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা ও কার্যাদি:
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা এবং কার্যাদি নিম্নরূপ:

১। যে কোনও ব্যক্তির উপস্থিতি তলব করা ।

২।শপথের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করা।

৩। কোন নথি উদ্ঘাটন করা।

৪। প্রয়োজনীয় নথি হলফনামা সহ গ্রহন করা।

৫। সাক্ষী বা দলিলপত্র পরীক্ষা করার জন্য কমিশন প্রদান ।

৬। ট্রাইব্যুনালের সামনে যে কোনও কার্যক্রম বিচার বিভাগীয় কার্য বলে গণ্য হবে।

৭।প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের সদস্যদের মধ্যে কোনও মতপার্থক্য থাকলে, সংখ্যাগরিষ্ঠ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে

৮। একটি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সরকার যে স্থানে স্থাপন করার প্রয়োজন মনে করবে ঠিক তেমন স্থানে স্থাপন করতে পারবে।

৯। চেয়ারম্যান বা প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের অন্য কোনও সদস্য যদি কোনও শুনানির সময় অংশ নিতে না পারেন তবে অন্যান্য সদস্যদের সামনে শুনানি চলতে পারে।

১০। প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল অন্য কোন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে যে কোন পর্যায়ে যে কোন মামলা বদলী করার জন্য লিখিতভাবে আদেশ দিতে পারে।

১১। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বা প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের সদস্যরা ট্রাইব্যুনালের কার্য সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় বিবেচনায় এ সকল ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেন।

25/08/2022

ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

উল্লেখ্য যে এটি উত্তরাধিকারি আইনের সংক্ষিপ্ত এ নিয়ম গুলো প্রাথমিক ,এদের দ্বারাই মোটামুটি সব বন্টন হিসাব করা যায়, আরও কয়েকটা শর্ত রয়েছে যা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে প্রয়োগ হয়।

এখানে,
অধস্তন = মৃত ব্যক্তির পুত্র,কন্যা, পৌত্র,পৌত্রি…ইত্যাদি।
উর্ধ্বতন = মৃত ব্যক্তির পিতা,দাদা…ইত্যাদি ।
আসাবা = অবশিষ্টাংশ ভোগী ।

১ম উত্তরাধিকারি. যাবিল ফুরুজ বা নির্দিষ্ট অংশীদার ১২জনঃ

১.পিতা
(ক) ১/৬, যদি পুং অধস্তন(পুত্র,পৌত্র ইত্যাদি) থাকে
(খ)১/৬ + আসাবা, যদি স্ত্রী অধস্তন (কন্যা, পৌত্রী ইত্যাদি) থাকে
(গ)আসাবা, কোন অধস্তন না থাকলে

২.দাদা
(ক) ১/৬, যদি পুং অধস্তন থাকে
(খ) ১/৬ + আসাবা, যদি স্ত্রী অধস্তন থাকে
(গ)আসাবা, কোন অধস্তন না থাকলে
(ঘ) কিছু পাবেনা , যদি পিতা থাকে

৩. স্বামী
(ক) ১/২, মৃত স্ত্রীর কোন অধস্তন না থাকলে
(খ)১/৪, মৃত স্ত্রীর কোন অধস্তন থাকলে
৪. সৎ ভাই (মায়ের পক্ষের)
(ক) ১/৬ , (একজন হলে)
(খ) ১/৩, (একাধিক হলে)
(গ) কিছু পাবেনা, অধস্তন বা উর্ধ্বতন থাকলে

৫. স্ত্রী
(ক) ১/৪, অধস্তন না থাকলে
(খ)১/৮, কোন অধস্তন থাকলে

৬.কন্যা
(ক) ১/২, (একজন হলে) পুত্র নেই
(খ)২/৩, (একাধিক হলে) পুত্র নেই
(গ) পুত্র থাকলে ১:২=কন্যা:পুত্র

৭.পৌত্রী
(ক) ১/২, ( একজন) কন্যা নেই
(খ) ২/৩, ( একাধিক) কন্যা নেই
(গ)১/৬ ,কন্যা একজন
(ঘ)কিছু পাবেনা , কন্যা একাধিক
(ঙ)আসাবা, কন্যা একাধিক এবং পৌত্রির ভাই বা অধস্তন থাকে
(চ) কিছু পাবেনা পুত্র থাকলে

৮. সহোদর বোন:
(ক) ১/২ (একজন)
(খ)২/৩ (একাধিক)
(গ)আসাবা, ভাই থাকলে (সেেেত্র বোন:ভাই=১:২)
(ঘ)আসাবা, স্ত্রী অধস্তন (কন্যা,পৌত্রী ) থাকলে
(ঙ) কিছু পাবেনা ,পুং অধস্তন বা উর্ধতন থাকলে

৯. পিতার পক্ষের সৎ বোন
(ক) ১/২ (একজন)
(খ) ২/৩ (একাধিক)
(গ)১/৬, একজন সহোদর বোন থাকলে
(ঘ)কিছু পাবেনা,একাধিক সহোদর বোন
(ঙ) আসাবা, একাধিক সহোদর বোন ও সৎ বোনের ভাই থাকলে
(চ) আসাবা, কন্যা বা পৌত্রী থাকলে
(ছ) কিছু পাবেনা ,পুং অধস্তন বা উর্ধতন থাকলে ও স্ত্রী অধস্তন (কন্যা,পৌত্রী ) থাকলে

১০.মায়ের পক্ষের সৎ বোন
(ক) ১/৬ (একজন)
(খ) ১/৩ (একাধিক বা সাথে সৎ ভাই থাকলে) শুধুমাত্র এখানে ভাই:বোন=১:১
(গ)কিছু পাবেনা, যদি অধস্তন বা উর্ধ্বতন থাকে

১১.মাতা
(ক) ১/৬ যদি অধস্তন বা যে কোন প্রকারের ভাই বা বোন একাধিক থাকে
(খ) ১/৩ যদি অধস্তন না থাকে বা যে কোন প্রকারের ভাই বা বোন একাধিক না থাকে
(গ) অবশিষ্টর ১/৩, যদি অধস্তন না থাকে বা যে কোন প্রকারের ভাই বা বোন একাধিক না থাকে কিন্তু পিতা মাতা থাকে তাহলে মাতা অবশিষ্টর ১/৩ অংশ পাবে।

১২.দাদী
(ক)১/৬,পিতা-মাতা না থাকলে
(খ)কিছু পাবেনা, পিতা-মাতা থাকলে

২য় উত্তরাধিকারিঃ
আসাবাগণ (যাবিল ফুরুজদের মধ্যে বন্টিত হবার পর যারা অবশিষ্টাংশ পায়)

১. পুত্র,পৌত্র,প্রপৌত্র, পিতা,দাদা,পরদাদা, ভাই,ভাতিজা,ভাতিজা পুত্র, চাচা,চাচাত ভাই চাচাত ভাইয়ের পুত্র ক্রম অনুসারে আসাবা হবে

২.কন্যা,পৌত্রী,সহোদর ও পিতার পরে সৎ বোন: তাদের ভাই থাকলে আসাবা হবে এবং ১:২ অনুপাতে অংশীদার হবে

৩.যথাক্রমে সহোদর বোন ও পিতার পরে সৎ বোন: মৃত ব্যক্তির এক বা একাধিক কন্যা থাকলে ক্রম অনুসারে আসাবা হবে

*ক্রম অনুসারে হলে বোঝায় ১ম জন আসাবা হলে পরের আর কেউ হবে না, ১ম জন না থাকলে ২য় জন হবে ইত্যাদি

৩য় উত্তরাধিকারি:
যাবিল আরহাম:
দুর সম্পর্কের আত্মীয়স্বজন,উপরের দুই শ্রেনীর অনুপস্থিতে যারা অংশীদার হয়,যেমন -দৌহিত্র,দৌহিত্রী,ভাগিনা,ভাগিনী,খালা,ফুফু ইত্যাদি।

17/08/2022

ভোটার স্থানান্তরের বা জাতীয় পরিচয়পত্রের বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য করনীয়ঃ

নির্বাচন কমিশন এর ফরম-১৩ পূরন করে সংশ্লিষ্ট (যে উপজেলায় স্থানান্তরিত হতে ইচ্ছুক) উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে আবেদনকারীকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে।

আবেদনপত্রের সাথে নিম্নলিখিত কাগজপত্র জমা দিতে হবে:

১) আবেদনকারীর NID ফটোকপি,

২) যে এলাকায় স্থানান্তরিত হবেন সে এলাকার নাগরিকত্ব সনদ,

৩) বিদ্যুৎ/পানি বিল/ট্যাক্স রশিদ/জমির খতিয়ান/বাড়ি ভাড়ার প্রমানপত্র/ভাড়াটিয়া তথ্য ফরম,

৪) ফরম-১৩ এর ২য় পৃষ্ঠায় আবেদনকারীকে সনাক্তকারী হিসেবে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধির (মেম্বার/কাউন্সিলর) NID নাম্বার সহ নাম ও স্বাক্ষর, সিল থাকতে হবে।

বি.দ্র.: ভোটার স্থানান্তর হলে নতুন কার্ড দেয়া হয় না। কেউ স্থানান্তরিত ঠিকানায় নতুন কার্ড নিতে চাইলে তাকে পুরাতন কার্ড জমা দিয়ে এবং ২৩০/- সরকারি ফি জমা দিয়ে নতুন কার্ড এর জন্য আবেদন করে কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।

03/08/2022

চেকের মধ্যে সংখ্যা ও কথায় টাকার পরিমান ভিন্ন থাকলে কোনটি সঠিক বলে ধরে নেয়া হবে?

 সাধারনত সংখ্যা এবং কথায় টাকার পরিমান ভিন্ন হলে ব্যাংক সেই চেক ফেরত দেয়,নগদায়ন করতে চাই না।বাংলাদেশে প্রচলিত ni act 1881 ধারা ১৮ মোতাবেক সংখ্যা এবং কথায় এমাউন্ট ভিন্ন হলে যা কথায় লিখা থাকবে তাই সঠিক বলে ধরে নেয়া হবে।
আর যদি কথায় লিখা বুঝা না যায় তবে সংখ্যায় লিখা যা তাই সঠিক

03/08/2022

কাগজপত্রের ঘাটতিতে নামজারি আবেদন বাতিল করা যাবেনা,
নামজারির আবেদন সম্পূর্ণ তামাদি করাও যাবেনা

(ঢাকা, সোমবার, ১৮ জুলাই, ২০২২) নামজারির জন্য চাহিত দলিলপত্র তথা কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলেই নামজারি আবেদন বাতিল করা যাবেনা, এমনকি নামজারির আবেদন সম্পূর্ণ তামাদি করাও যাবেনা। ভূমি মন্ত্রণালয় এ সম্পর্কিত এক পরিপত্র জারি করেছে। ভূমিসেবা গ্রাহকদের নির্বিঘ্নে সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করাই পরিপত্রটির উদ্দেশ্য।
ভূমি সচিব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান পিএএ-কর্তৃক স্বাক্ষরিত “ই-নামজারি সিস্টেমে নামজারি নিষ্পত্তি করার বিষয়ে নির্দেশনা” শীর্ষক পরিপত্রে এই ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে । এছাড়া পরিপত্রে সহকারী কমিশনার (ভূমি)দের জন্য আছে কিছু সুস্পষ্ট নির্দেশনা।
পরিপত্রটিতে বলা হয়েছে, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সেবা সহজীকরণের লক্ষ্যে ই-নামজারি সিস্টেমে ক্রয়সূত্রে নামজারি ফরম সম্প্রতি চালু করা হয়েছে। ই-নামজারির নতুন ফরম চালু করার ফলে ডিজিটাল ভূমিসেবা সিস্টেমে (ই-নামজারি/ ই-খতিয়ান/ ডিজিটাল এলডি ট্যাক্স) কিংবা ভূমি অফিসে সংরক্ষিত নেই- এমন কোনও তথ্যের ঘাটতি থাকলেই নামজারি আবেদন না-মঞ্জুর করা যাবে না। নামজারি মামলার ১ম আদেশে কোন দলিলপত্রের ঘাটতি থাকলে তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে দাখিলের জন্য অনুরোধ আনাতে হবে। সাধারণভাবে ৭ (সাত) কার্য দিবস কিংবা আবেদন বিবেচনা করে যুক্তিসংগত সময় দেয়া যাবে।

আবেদনপত্র সম্পুর্ণ তামাদি না করার ব্যাপারে পরিপত্রে আরও জানানো হয়, উক্ত সময়ের (১ম আদেশে প্রদত্ত সময়) মধ্যে নামজারি আবেদনকারী তথ্য বা কাগজপত্র দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদেশে না-মঞ্জুর করা যাবে। পরবর্তী কালে না-মঞ্জুরকৃত আবেদনে চাহিত তথ্য/দলিলপত্রের প্রাপ্তি সাপেক্ষে পুনরায় নামজারি কার্যক্রম চালু করতে হবে (নতুন করে পুনরায় আবেদনের প্রয়োজন নাই)। এক্ষেত্রে আবেদন পুনরায় কার্যকর হওয়ার তারিখ হতে নামজারি সেবা প্রাপ্তির সময় গণনা শুরু হবে।
এছাড়া পরিপত্রে নামজারি আবেদনের হার্ড কপি জমা না দেওয়া, দলিলের নামের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের নামের পার্থক্য থাকা, মোবাইল ফোন নম্বর সঠিক প্রদান না করা, জমির বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা, জমির শ্রেণির বিষয়ে সর্বশেষ রেকৰ্ড ও দলিলে ভিন্ন-ভিন্নভাবে উল্লেখ থাকা সহ আরও বিভিন্ন কারণে নামজারি বাতিল করতে নিষেধ করা হয়েছে। পরিপত্রে উপর্যুক্ত কারণ উল্লেখপূর্বক সহকারী কমিশনার (ভূমি)দের করনীয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; যেন ভূমিসেবা গ্রাহক সময় ও সুযোগ পান, এমনকি প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিকল্প করনীয় সম্পর্কে জানতে পারেন।

ই-নামজারি আবেদনের সাথে সংশ্লিষ্ট দলিলপত্রাদি যাচাই শেষে সঠিক প্রতীয়মান হলে পক্ষগণের প্রাথমিক শুনানি না নেওয়ার জন্যেও বলা হয়েছে পরিপত্রে। ই-নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জটিল কোন বিষয় না থাকলে অনলাইনে শুনানি গ্রহণের জন্য উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। এতে ভূমিসেবা গ্রাহকগণের ভূমি অফিসে যাওয়া লাগবেনা – ক্ষেত্রবিশেষে অনেক ভূমিসেবা গ্রাহকের মূল্যবান সময় ও অর্থ বেঁচে যাবে।

Neither mutation application could be rejected,
Nor could mutation application be cancelled altogether

Neither mutation application could be rejected, nor could it be cancelled altogether in case of shortage of documents required for mutation application. The Ministry of Land has issued a circular in this regard. The objective of the circular is to provide seamless service to land service receivers.

An instruction has been given in this regard in a circular titled "Instructions regarding disposal of mutation in e-mutation system" signed by Land Secretary Md Mustafizur Rahman PAA. Besides, the circular has some clear instructions for Assistant Commissioners (Lands).

Circular says the e-Mutation system has recently launched purchasing based mutation form to ease the services of the Ministry of Lands. If information is not stored in the digital land service system (e-Mutation/ e-Khatian / Digital LD Tax) or land office, the mutation application could not be rejected because of introducing the new form of e-Mutation. A request should be issued to submit if there is any deficiency in any document in the 1st order of the mutation case.

If the applicant fails to submit the information or documents within the said period (time given in the 1st order), the application may be rejected. However, the mutation process has to be initiated again if subject to receiving of required information/documents (no need to re-apply). In this case, the time of mutation receiving service will be counted from the date of reactivation re-activation of the application.

Cancellation of mutation is prohibited for various reasons including, non-submission of a hard copy of the mutation application, the discrepancy between the name of the document and the name of the national identity card, not forbidden the correct mobile phone number, ongoing court case regarding the land, the discrepancy between records and khatiyan regarding classes of land, etc. A clear instruction has been given to the Assistant Commissioners (Land) regarding the action to be done in the circular.

The circular has also asked not to take the preliminary hearing of the parties if the documents related to the e-mutation application are found to be correct after verification. Online hearing is encouraged if there are no complicated issues in disposal of e-Mutation applications. This will eliminate the need for land service receivers to visit land offices – it will also save many land service receiver's valuable time and money.

Address

Court House Street, Dhaka Bar Association, Kotowali
Dhaka
1100

Telephone

+8801798004660

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lex Curiae-আইন আদালত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share