AIN BARTA - আইন বার্তা

AIN BARTA - আইন বার্তা Ain Barta | আইন বার্তা

28/08/2026

সম্পত্তি দান করেও নিজের ভোগাধিকার রাখা যাবে- নতুন আইন আসছে?
সংসদে সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপিত হয়েছে, যা পরিবারের মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তরের পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে সহজ করে বোঝার চেষ্টা করলাম:

প্রশ্ন ১: বিলটি আসলে কী প্রস্তাব করছে? উত্তর: ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধন করে "জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণপূর্বক দান" নামে একটি নতুন পদ্ধতি চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে মালিকানা অন্যের কাছে গেলেও দাতা যত দিন বেঁচে থাকবেন, সম্পত্তি ব্যবহারের অধিকার তার কাছেই থাকবে।

প্রশ্ন ২: কারা এই সুবিধা পাবেন?
উত্তর: বাবা-মা ও সন্তান/নাতি-নাতনি, দাদা-দাদি/নানা-নানি ও নাতি-নাতনি, এবং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এই ধরনের দান করা যাবে। স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধন করতে হবে।

প্রশ্ন ৩: একবার নিবন্ধন হলে কি বাতিল করা যাবে?
উত্তর: সাধারণভাবে একতরফাভাবে বাতিল করা যাবে না। দাতা ও গ্রহীতা উভয়ে সম্মত হলে তবেই নতুন নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে তা পরিবর্তন বা বাতিল সম্ভব। কোনো পক্ষ অপারগ হলে জেলা জজের অনুমতিক্রমে তা করা যাবে।

প্রশ্ন ৪: গ্রহীতা যদি দাতার আগে মারা যান?
উত্তর: তাহলেও দান বাতিল হবে না। সম্পত্তি আইনানুযায়ী গ্রহীতার উত্তরাধিকারীদের কাছে যাবে, তবে দাতার জীবনকালীন ভোগাধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে।

প্রশ্ন ৫: এতে প্রচলিত হেবা বা সাধারণ দানে কি প্রভাব পড়বে?
উত্তর: না। এটি সম্পত্তি হস্তান্তরের একটি স্বতন্ত্র বিকল্প পদ্ধতি — প্রচলিত সাধারণ দান বা মুসলিম আইনের হেবার বৈধতাকে প্রভাবিত করবে না, এবং সব ধর্মের মানুষের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।

আইনে মূল যেসব পরিবর্তন আসছে:
১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে নতুন দুটি ধারা যুক্ত হচ্ছে — ১২২এ (জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণপূর্বক দানের সংজ্ঞা ও সম্পর্কের পরিধি) এবং ১২২বি (এমন দান পরিবর্তন বা বাতিলের নিয়ম)।
মালিকানা ও ভোগাধিকারকে প্রথমবারের মতো আইনগতভাবে আলাদা করা হচ্ছে — মালিকানা দাতার কাছ থেকে চলে গেলেও ভোগাধিকার দাতার কাছে থেকে যাওয়ার সুস্পষ্ট বিধান তৈরি হচ্ছে।
একতরফা বাতিলের সুযোগ বন্ধ করে, উভয় পক্ষের সম্মতি বা আদালতের অনুমতি ছাড়া দান পরিবর্তন/বাতিলের পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে।
কোনো পক্ষ অক্ষম, নিখোঁজ বা অপ্রাপ্তবয়স্ক হলে জেলা জজের কাছে আবেদনের একটি নতুন বিচারিক প্রক্রিয়া যুক্ত হচ্ছে।
এই ব্যবস্থা প্রচলিত সাধারণ দান বা হেবার বিকল্প নয়, বরং সম্পত্তি হস্তান্তরের একটি সম্পূর্ণ নতুন ও স্বতন্ত্র পদ্ধতি হিসেবে যুক্ত হচ্ছে।

⚖️ সমন ঠিকভাবে জারি হলে একতরফা ডিক্রি বাতিল নয়: হাইকোর্ট----------------------------------------------------------------...
17/08/2026

⚖️ সমন ঠিকভাবে জারি হলে একতরফা ডিক্রি বাতিল নয়: হাইকোর্ট
-------------------------------------------------------------------

একতরফা ডিক্রি হয়েছে, কিন্তু পরে শুধু এই দাবি করলেই তা বাতিল হবে না যে বিবাদী সমন পাননি।

সম্প্রতি বিচারপতি মো. রেজাউল করিম-এর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ **মো. মনজুর রহমান মণ্ডল ও অন্যান্য বনাম মোছা. লতিফা বেওয়া ও অন্যান্য** মামলায় গুরুত্বপূর্ণ এ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

🔹 মামলার সমন বিবাদীর সঠিক ঠিকানায় যথাযথভাবে জারি হয়েছে এবং তার গ্রহণের প্রমাণ থাকলে, শুধু সমন না পাওয়ার দাবি করে **CPC-এর Order IX Rule 13** অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন টেকসই হবে না।

🔹 এ মামলায় ট্রায়াল কোর্ট ও আপিল আদালত উভয়েই সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে দেখেন, মূল মামলার সমন আবেদনকারীদের পৈতৃক ঠিকানায় জারি হয়েছিল এবং তাদের একজন ঘনিষ্ঠ আত্মীয় তা গ্রহণ করেছিলেন।

🔹 এমনকি আবেদনকারী নিজেই জেরায় স্বীকার করেন যে, মামলার আরজিতে উল্লেখিত ঠিকানাটি তার পৈতৃক ঠিকানা এবং সংশ্লিষ্ট সময়ে তিনি সেখানে বসবাস করতেন।

🔹 হাইকোর্ট আরও স্পষ্ট করেন, **রিভিশন আদালত আপিল আদালতের মতো নয়**। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(১) ধারার অধীনে শুধু সাক্ষ্য-প্রমাণ নতুন করে মূল্যায়ন করে ভিন্ন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো রিভিশনাল এখতিয়ারের উদ্দেশ্য নয়। নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তে আইনগত ত্রুটি বা এখতিয়ারগত গুরুতর ভুল থাকলেই সাধারণত হস্তক্ষেপের প্রশ্ন আসে।

📌 মূল শিক্ষা:
দেওয়ানি মামলায় সমন জারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়। সঠিক ঠিকানায় সমন জারি এবং তার যথাযথ সার্ভিসের প্রমাণ থাকলে পরবর্তীতে সমন পাওয়া হয়নি—এমন দাবি করে একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন করা সহজে গ্রহণযোগ্য হবে না।

⚖️ আইনজীবী ও মামলাকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা:
সমন জারি, সার্ভিস রিপোর্ট, গ্রহণকারীর পরিচয় এবং ঠিকানার সঠিকতা—এসব নথি পরবর্তী সময়ে মামলার ফলাফলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

#হাইকোর্ট #একতরফাডিক্রি #সমন #দেওয়ানিমামলা #বাংলাদেশআইন #আইনজীবী

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন-খাদ্য ভর্তুকি: রাষ্ট্রের বিনিয়োগের প্রতিদান কোথায়?জনগণের ট্যাক্সের টাকায় থেকে-খেয়ে ছাত্র...
05/08/2026

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন-খাদ্য ভর্তুকি: রাষ্ট্রের বিনিয়োগের প্রতিদান কোথায়?
জনগণের ট্যাক্সের টাকায় থেকে-খেয়ে ছাত্রত্বের নামে দলীয় সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে দেশটাকে অস্থিতিশীল করে তুলছে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো শিক্ষার্থীরা।
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়ার জন্য রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে যে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। এই ভর্তুকি ব্যবস্থার যৌক্তিকতা নিয়ে জবাবদিহিতা ব্যবস্থা করা সময়ের দাবি।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা এবং সেই মানবসম্পদকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো। এ কারণে জনগণের করের টাকায় শিক্ষা, আবাসন, ভর্তুকিযুক্ত খাবারসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়।

কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকে যায়ঃ এই রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের বিপরীতে সমাজ ও রাষ্ট্র কী প্রত্যাশা করতে পারে?
ভর্তুকির সঙ্গে কি জবাবদিহিও থাকা উচিত নয়?
যদি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশের পরিবর্তে নিয়মিত দলীয় সহিংসতা, সেশনজট, হল দখল, চাঁদাবাজি বা শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটে, তাহলে সেই ব্যবস্থাকে নতুন করে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। রাষ্ট্রের অর্থে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কেবল একজন শিক্ষার্থী নয়, পুরো দেশ।

ছাত্ররাজনীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক অস্থিতিশীলতাঃ আবাসিক হলগুলো অনেক ক্ষেত্রে দলীয় ক্যাডার তৈরির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় ব্যয়ে থাকা-খাওয়ার নিশ্চয়তা থাকায় একাংশ শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রমের চেয়ে সাংগঠনিক ক্ষমতা বিস্তারে বেশি মনোযোগী হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ ওঠে, যা ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক শিক্ষা-পরিবেশ ব্যাহত করে।

রাষ্ট্রের বিনিয়োগের প্রতিদান কোথায়?
আরেকটি বাস্তবতা হলো, সরকারি ভর্তুকিতে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পর অনেকেই উন্নত সুযোগের খোঁজে বিদেশে স্থায়ী হন। ব্যক্তিগতভাবে উন্নত জীবন বেছে নেওয়া প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার।

তবে নীতিগতভাবে প্রশ্ন উঠতেই পারে, যে রাষ্ট্র একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে, সেই রাষ্ট্র কি কোনোভাবে তার দক্ষতা, গবেষণা বা কর্মের মাধ্যমে প্রতিদান প্রত্যাশা করতে পারে?

এটি ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিরোধিতা নয়; বরং রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের কার্যকারিতা নিয়ে একটি নীতিগত আলোচনা।

06/03/2026

অধ্যাপক শুইচিন জিয়াংয়ের একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
দুই বছর আগের ওই ভিডিওতে জিয়াং ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে হেরে যাবে যুক্তরাষ্ট্র।
চীনের বংশোদ্ভূত কানাডীয় অধ্যাপক জিয়াংয়ের ‘প্রেডিকটিভ হিস্ট্রি’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল আছে। তাঁর চ্যানেলটি এখন দারুণ জনপ্রিয়। কিছু ভিডিওর লিংক দিলাম কমেন্টে। দেখতে পারেন। ওয়ার্ল্ড জিওপলিটিক্স আর হিস্টরি জানতে দারুন এক চ্যানেল। প্যাক্স জুডাইয়া ভিডিওটা সবার একবার হলেও দেখা উচিত। এছাড়াও তিনি আমেরিকার ভেনেজুয়েলা এট্যাক ও আগেই প্রেডিক্ট করেছিলেন।
২০২৪ সালে জিয়াংয়ের এমনই একটি বক্তব্যের ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্যুৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে।
ওই বক্তব্যে এই অধ্যাপক তিনটি ভবিষ্যদ্বাণী করেন। প্রথমটি হলো ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় ফিরে আসবেন; দ্বিতীয়টি হলো তিনি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করবেন এবং তৃতীয়টি হলো যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে ইরানের কাছে হেরে যাবে।
জিয়াংয়ের প্রথম দুটি ভবিষ্যদ্বাণী মিলে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা এখন তাঁকে ‘চীনের নস্ট্রাডামাস’ নামে ডাকা শুরু করেছে। নস্ট্রাডামাস ছিলেন ১৬ শতকের একজন ফরাসি জ্যোতিষী।
জিয়াং বেইজিংয়ে দর্শন ও ইতিহাস পড়ান। ইয়েল কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করা এই অধ্যাপক পেশাজীবনের বড় অংশজুড়ে চীনের শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার এবং পাঠ্যক্রম নকশায় কাজ করেছেন।
এর বাইরে জিয়াং তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে বৈশ্বিক ঘটনার বিশ্লেষণ এবং পূর্বাভাস দেওয়ার চেষ্টা করেন।
ইতিহাস থেকে মিল খুঁজে জিয়াং যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ইরান আক্রমণকে সিসিলি অভিযানের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। এথেন্স থেকে বিশাল এক সামরিক বাহিনী সিসিলিতে বড় ধরনের এক সামরিক অভিযান চালিয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছিল।
বক্তব্যে জিয়াং আরও বলেছিলেন, ইরানের ভৌগোলিক অবস্থান এবং দেশটির জনসংখ্যা সেখানে যেকোনো দীর্ঘমেয়াদি দখলদারত্বকে বেশ কঠিন করে তুলবে। কারণ, ইরানের পাহাড়ি অঞ্চল, দীর্ঘ সরবরাহ পথ এবং শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধ প্রাথমিকভাবে পাওয়া সামরিক সাফল্যকে দ্রুত কৌশলগত ব্যর্থতায় পরিণত করতে পারে।
📍 Write-up: Mohapurush Shoeb | Source: Predictive History

18/02/2026

👉গণভোটে নোট অব ডিসেন্ট(Note of Dessent) দিয়েছে বি এন পি, জনগণ দেয়নি।
জনগণের রায় দিয়েছে সংস্কার ও পরিবরতনের পক্ষে।

❓তাহলে বি এন পি কে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনল কেন?
✅কারণ জনগণ মনে করে বিএনপি নিজের রায়ের উপর জনগনের রায়কে প্রাধান্য দিবে।

17/02/2026

নতুন মন্ত্রীপরিষদে স্থান পেলেন যারা

17/02/2026

✅বিএনপি - জামায়াতে ইসলামী কে কত ভোট পেল?

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন জয়লাভ করেছে।

👉 সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা প্রতীকে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

👉 অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এসব দলের মধ্যে আছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দেয় সরকার গঠন করতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তবে তাদের কোনো প্রার্থীকেই জামানত হারাতে হয়নি। অন্যদিকে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৯টি আসনে প্রার্থী দেয়। তাদের মধ্যে তিন প্রার্থী নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবার ১৯৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলটির প্রার্থীদের মধ্যে কেবলমাত্র পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় বাকি সবাই জামানত হারিয়েছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তাদের মধ্যে তিনজন জামানত হারিয়েছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ, নাগরিক ঐক্যসহ বাকি দলগুলোর বেশিরভাগ প্রার্থীই তাদের জামানত রক্ষা করতে পারেননি।

08/02/2026
ভোটার নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানবেন যেভাবে.বিস্তারিত কমেন্ট
08/02/2026

ভোটার নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানবেন যেভাবে.
বিস্তারিত কমেন্ট

08/02/2026

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এখন পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি খুব ভালোভাবেই সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি জানান—
✅ সারা দেশে নির্বাচনী প্রচার শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ
✅ কটু কথা বা বিশৃঙ্খলা নেই
✅ রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে

⚠️ তবে সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো— সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করা।
আগামী এক সপ্তাহকে তিনি খুবই “ক্রুশিয়াল” বলে উল্লেখ করেছেন।

📅 নির্বাচন: ১২ ফেব্রুয়ারি

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AIN BARTA - আইন বার্তা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share