Bhuiya Legal Solution

Bhuiya Legal Solution আইন সহায়তা সকলের জন্য।
অসহায় ও অসচ্ছলদের জন্য বিশেষভাবে আইনগত সহয়তা এবং পরামর্শ প্রদান।

RJ Nirob ভাই এর পক্ষে,,,, ভুয়া পেজ এ বিজ্ঞাপন প্রচরনা করায় legal Notice....
06/06/2026

RJ Nirob ভাই এর পক্ষে,,,,

ভুয়া পেজ এ বিজ্ঞাপন প্রচরনা করায় legal Notice....

 #বাংলাদেশের_শ্রম_আদালত ( ) মালিক ও শ্রমিকের মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তি এবং শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রমিকদের কর্মসংস্থান, ম...
01/05/2026

#বাংলাদেশের_শ্রম_আদালত ( ) মালিক ও শ্রমিকের মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তি এবং শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রমিকদের কর্মসংস্থান, মজুরি, নিরাপত্তা, ক্ষতিপূরণ ও কর্মপরিবেশ সম্পর্কিত অধিকার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে।

এটি শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, ট্রেড ইউনিয়ন সংক্রান্ত বিষয়, এবং ছাঁটাই বা বরখাস্তের মতো বিষয়ে আইনি প্রতিকার প্রদান করে থাকে।
শ্রম আদালতের প্রধান কাজগুলো হলো:

বিরোধ নিষ্পত্তি:
মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে মজুরি, চাকুরীর শর্ত, বা অন্যান্য বিষয়ে বিরোধের বিচার ও নিষ্পত্তি করা।

পাওনা আদায়:
বকেয়া মজুরি, ক্ষতিপূরণ বা প্রাপ্য সুবিধাদি আদায়ে সহায়তা করা।

বেআইনি ছাঁটাইয়ের বিচার:
অন্যায়ভাবে চাকুরিচ্যুত বা বরখাস্ত করলে সেটির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা (ফর্ম-১৪) নিষ্পত্তি করা।

নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ:
কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ এবং অন্যান্য কল্যাণমূলক ব্যবস্থার নিশ্চিতকরণ।

ট্রেড ইউনিয়ন ও শিল্প সম্পর্ক:
ট্রেড ইউনিয়ন গঠন ও এর সাথে সম্পর্কিত বিরোধের নিষ্পত্তি।

অপরাধের বিচার:
শ্রম আইনের কোনো ধারা লঙ্ঘিত হলে তার জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
শ্রম আদালত একটি বিশেষায়িত আদালত যা শ্রমিকের অধিকার রক্ষার মাধ্যমে শিল্প প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা বজায় রাখে।

সাধারণত মামলা দায়েরের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে রায় দেওয়ার বিধান রয়েছে, যা প্রয়োজনবোধে আরও ৯০ দিন বাড়ানো যেতে পারে ।শ্রম আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ ৬০ দিনের মধ্যে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করতে পারেন।

🇧🇩নারীর আইনি সুরক্ষা: দণ্ডবিধির ৩টি গুরুত্বপূর্ণ ধারা :🤜আমাদের সমাজের প্রতিটি নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাং...
30/04/2026

🇧🇩নারীর আইনি সুরক্ষা: দণ্ডবিধির ৩টি গুরুত্বপূর্ণ ধারা :

🤜আমাদের সমাজের প্রতিটি নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দণ্ডবিধিতে স্পষ্ট আইন রয়েছে।

🗣️ ১. ধারা ৫০৯: নারীর মর্যাদাহানি (কথা বা ইশারায়)
যদি কেউ কোনো নারীর লজ্জা বা সম্মান ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে কোনো শব্দ উচ্চারণ করে, অঙ্গভঙ্গি করে বা কোনো বস্তু প্রদর্শন করে যা সেই নারী শুনতে বা দেখতে পান।
🤜সহজ উদাহরণ: শিস দেওয়া, অশালীন মন্তব্য, ইঙ্গিতপূর্ণ অঙ্গভঙ্গি বা মেসেজে আপত্তিকর কিছু পাঠানো।
😇শাস্তি: সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড।

🔪 ২. ধারা ৩৫৪: নারীর শ্লীলতাহানি (বলপ্রয়োগ)
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো নারীর ওপর আক্রমণ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে, যার উদ্দেশ্য থাকে তাঁর শ্লীলতাহানি করা।

সহজ উদাহরণ: অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ, টানা-হেঁচড়া বা গায়ের জোরে কোনো অমর্যাদাকর আচরণ।

শাস্তি: সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড।

👊৩. ধারা ২৯৪: জনসম্মুখে অশ্লীলতা
যদি কেউ কোনো পাবলিক প্লেসে বা সর্বসাধারণের উপস্থিতিতে কোনো অশ্লীল কাজ করে অথবা অশ্লীল গান বা কথা বলে অন্যদের বিরক্ত করে। (এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য)।

সহজ উদাহরণ: রাস্তায় দাঁড়িয়ে নোংরা গালিগালাজ বা অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করা।

শাস্তি: সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড।

Our lawyer team
18/04/2026

Our lawyer team

16/04/2026
02/04/2026
খতিয়ানে ভুল হলে করণীয় ও আইন কী বলে।প্রথমে জানতে হবে, খতিয়ান হলো জমির মালিকানা ও দাগ-খতিয়ান নম্বরসহ সরকারি রেকর্ড।বাং...
17/02/2026

খতিয়ানে ভুল হলে করণীয় ও আইন কী বলে।

প্রথমে জানতে হবে, খতিয়ান হলো জমির মালিকানা ও দাগ-খতিয়ান নম্বরসহ সরকারি রেকর্ড।

বাংলাদেশে জমির রেকর্ড প্রস্তুত হয় মূলত —
State Acquisition and Tenancy Act, 1950
Land Registration Act, 1908
এর বিধান অনুযায়ী।

🔎 খতিয়ানে কী ধরনের ভুল হতে পারে?
নামের বানান ভুল
পিতার নাম ভুল
জমির পরিমাণ কম-বেশি
ভুল দাগ নম্বর
অন্যের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া

⚖️ করণীয় কী?
১️⃣ রাজস্ব অফিসে আবেদন
যদি ভুলটি রেকর্ড প্রস্তুতের সময় হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে লিখিত আবেদন করতে হবে।
২️⃣ রেকর্ড সংশোধন মামলা
যদি প্রশাসনিকভাবে সমাধান না হয়, তাহলে দেওয়ানি আদালতে রেকর্ড সংশোধন মামলা করা যায়।
আইন অনুযায়ী, ভুল রেকর্ড সংশোধনের জন্য দেওয়ানি আদালতে মামলা করা যায় —
Specific Relief Act, 1877
এবং দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী।

⏳ সময়সীমা
সাধারণত ভুল জানার ৩ বছরের মধ্যে মামলা করা উত্তম (তামাদি আইনের বিধান অনুসারে)।

📌 গুরুত্বপূর্ণ কথা
খতিয়ান চূড়ান্ত মালিকানার প্রমাণ নয়; এটি প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে গণ্য।
সঠিক মালিকানা নির্ধারণে দলিল, দখল ও অন্যান্য প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ।

খতিয়ানে ভুল দেখলে অবহেলা না করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
প্রয়োজনে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

  মোহরানা (দেনমোহর) স্ত্রীর অধিকার এবং এটি পরিশোধ করা স্বামীর জন্য একটি আইনগত ও ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা। যদি স্বামী মোহরানা প...
27/07/2025


মোহরানা (দেনমোহর) স্ত্রীর অধিকার এবং এটি পরিশোধ করা স্বামীর জন্য একটি আইনগত ও ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা। যদি স্বামী মোহরানা পরিশোধ না করেন, তাহলে স্ত্রী কিছু আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন।

#মোহরানা_অনাদায়ে_স্ত্রীর_করণীয়:
১. #দেনমোহরের দাবি:

স্ত্রী প্রথমে স্বামীর কাছে তার দেনমোহরের জন্য দাবি জানাতে পারেন।
স্বামী যদি স্বেচ্ছায় মোহরানা পরিশোধ না করেন, তবে স্ত্রী আইনগত সহায়তা নিতে পারেন।

২. সালিশি বা মধ্যস্থতা:

পরিবার বা সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে সালিশি করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা যেতে পারে।
উভয় পক্ষের সম্মতিতে একটি সমাধানে আসার চেষ্টা করা যেতে পারে।

৩. আইনগত নোটিশ:

স্ত্রী একজন আইনজীবীর মাধ্যমে স্বামীকে একটি আইনি নোটিশ পাঠাতে পারেন।
নোটিশে দেনমোহরের পরিমাণ, পরিশোধের সময়সীমা এবং অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে উল্লেখ করা যেতে পারে।

৪. আদালতে মামলা:

স্বামী যদি নোটিশের পরেও দেনমোহর পরিশোধ না করেন, তবে স্ত্রী আদালতের মাধ্যমে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন।
এই ক্ষেত্রে, স্ত্রীর উকিল আদালতের মাধ্যমে স্বামীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্য আবেদন করতে পারেন।
মুসলিম পারিবারিক আইন অনুসারে, দেনমোহর আদায়ের জন্য মামলা করার নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই।

৫. #মুসলিম #পারিবারিক #আদালত:

দেনমোহর আদায়ের জন্য মুসলিম পারিবারিক আদালতে মামলা করতে হবে।
এই আদালত দেনমোহর পরিশোধের জন্য স্বামীর উপর আদেশ দিতে পারেন।
আদালত প্রয়োজনে স্বামীর বেতন থেকেও কিছু অংশ কেটে স্ত্রীর দেনমোহর পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারে।

৬. অন্যান্য আইনি সহায়তা:

প্রয়োজনে, স্ত্রী জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতিসহ অন্যান্য মহিলা সহায়তা সংস্থা থেকেও আইনি সহায়তা নিতে পারেন।

#মোহরানা_পরিশোধ_না_করার_শাস্তি:
দেনমোহ পরিশোধ না করা একটি অপরাধ এবং এর জন্য স্বামী শাস্তির সম্মুখীন হতে পারেন।
মুসলিম পারিবারিক আইন অনুসারে, দেনমোহর পরিশোধ না করলে স্বামীর এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
এছাড়াও, দেনমোহর পরিশোধ না করা পর্যন্ত স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে স্বামী বাধ্য থাকবেন।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

মোহরানা স্ত্রীর অধিকার এবং এটি পরিশোধ করা স্বামীর জন্য একটি আবশ্যিক কর্তব্য।

মোহরানা আদায়ের জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে, একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক আলোচনা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা উত্তম।

Address

Secretariat Road
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Saturday 11:00 - 19:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801907644602

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bhuiya Legal Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Bhuiya Legal Solution:

Share

Category