ARC Ofc

ARC Ofc Guiding Your Legal Journey with Expertise and Integrity, Where Solutions Meet Excellence. Visit our website www.myarc.pw.

WELCOME TO THE ARC

We prioritize simplicity in addressing legal matters. Our dedicated team provides expert guidance without engaging in litigation. Register, schedule an appointment, and experience the most straightforward solutions to your legal challenges.

All human beings are born free and equal in dignity and rights. They are endowed with reason and conscience and should a...
12/02/2025

All human beings are born free and equal in dignity and rights. They are endowed with reason and conscience and should act towards one another in a spirit of brotherhood.

Article 1, Universal Declaration of Human Rights

31/12/2023

"Wishing you a prosperous New Year filled with legal victories, unwavering trust, and continued success!

May Al Rahim Consultancy be your steadfast guide in the journey ahead. Happy New Year!"

প্রতিটি মানুষের নিজস্ব দৃষ্টি কোন রয়েছে এবং আমি তার সম্মান করি। অনেকেই লিগ্যাল অথবা আইনি পরামর্শ প্রদান করে বিনিময় গ্র...
23/12/2023

প্রতিটি মানুষের নিজস্ব দৃষ্টি কোন রয়েছে এবং আমি তার সম্মান করি।
অনেকেই লিগ্যাল অথবা আইনি পরামর্শ প্রদান করে বিনিময় গ্রহণ করাকে কটু দৃষ্টিতে দেখেন। অবশ্য যারা এমন দৃষ্টিভঙ্গি রাখেন তাদের ও হয়তো কোনো অভেদ যুক্তি রয়েছে, যদিও তা কখনো আমার বোধগম্য হয়নি।

একজন চিকিৎসক তিনি নিজে কী রোগের নির্মূল করে ন? নাকি তিনি এসকল রোগ , এর নির্ণয় এবং এর প্রতিকার সম্পর্কে পান্ডিত্য অর্জন করে মানুষের শারীরিক সমস্যা শুনে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগের নিশ্চয়তা পেয়ে একটি কাগজে কিছু পরামর্শ লিখে দেন। যেমন : এই এই ঔষধ খাবেন, খাবার আগে এটা খাবেন খাবার পর এটি, এই এই কাজ গুলো করতে হবে আবার এই এই কাজ করা যাবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। মাঝে মধ্যে আবার তিনি নিজের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন অস্ত্রোপচার ও করেন।

আবার একজন প্রকৌশলী কখনো নিজ হাতে ইট পাথর বা অন্য কোন পদার্থ দিয়ে কোনো স্থাপনা তৈরি করে না। ধরা যাক কেউ একজন একটি বাড়ি বানাবেন। তিনি একজন দক্ষ প্রকৌশলী এর কাছে গেলেন । তখন সেই বিজ্ঞ প্রকৌশলী তার অর্জিত জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে স্থাপনার জায়গার মাটি পরীক্ষা করবেন, জমির পরিমাণ নির্ণয় করবেন, এবং কী কী উপাদান এই স্থাপনার জন্য ভালো হবে এসব বিষয় যাচাই করে একটি সুন্দর বাজেট এর পরিকল্পনা দেন এবং সেই বিজ্ঞ প্রকৌশলী এর পরামর্শের ভিত্তিতেই একটি সুন্দর স্থাপনার সৃষ্টি হয়।
একজন চিকিৎসক এবং প্রকৌশলী এর কাজের ধরন ও বিষয়বস্তু আলাদা হলেও দুইজনই তাদের অভিজ্ঞতা এবং অর্জিত জ্ঞান স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করছেন এবং এর বিনিময় গ্রহণ করছেন এবং এটিই ন্যায় সঙ্গত কাজ।

আইন পেশায় নিয়োজিতরাও এর বাইরে নয়। একটি সমাজ গঠনের জন্য মানুষের মধ্যে নীতি নৈতিকতা থাকা আবশ্যক। আর যখনই সেই নীতি নৈতিকতার অবক্ষয় শুরু হয় তখন সেগুলো টিকে থাকার জন্য আইনের রূপ ধারণ করে। সমাজের শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য এসকল আইনকে বাধ্য করা হয় প্রতিটি নাগরিকের উপর। এর অবমাননা সমাজে বয়ে আনে বিশৃঙ্খলা যায় ফলে এসকল আইন ভঙ্গের কারণে দেয়া হয় শাস্তি। এভাবে আইন মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে ।
আইনজীবীরা মানুষের সামাজিক জীবনকে সুন্দর ও সহজ করার জন্য তাদের আইন বিষয়ে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরামর্শ অথবা আইনী ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়তা করেন । নিজের জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অন্যের ন্যায় নিশ্চিত করে এবং বিনিময় গ্রহণ করেন। যেমনটা করেন একজন চিকিৎসক ও একজন প্রকৌশলী এবং এটিই ন্যায় সঙ্গত কাজ।

সুতরাং একজন চিকিৎসক অথবা একজন প্রকৌশলী অথবা একজন আইনজীবী প্রতিটি মানুষ তার নিজ নিজ জায়গা থেকে সঠিক এবং সম্মানিত।

পরামর্শ প্রদানের যোগ্যতা যদি প্রাপ্ত হয় পরিশ্রম এবং অধ্যবসায় এর মধ্যমে তাহলে এর মূল্যায়ন করাও আমাদের দায়িত্ব।

আমি এখানো একজন আইনের ছাত্র , ভুলত্রুটি থাকবে এটিই স্বাভাবিক। যিনি কলম ধরবেন তারই ভুল হবে। মানুষ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়।সুতরাং আমার ভুল হওয়াটাই স্বাভাবিক। এবং আপনাদের দায়িত্ব ভুলগুলো ধরিয়ে দেয়া।

By Md Rahim Al Rohan

Criminal Case  অথবা ফৌজদারি মামলায় জামিন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনগত হেফাজত থেকে মুক্তি হলো জামিন। ...
22/12/2023

Criminal Case অথবা ফৌজদারি মামলায় জামিন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনগত হেফাজত থেকে মুক্তি হলো জামিন। পুলিশ হেফাজত বা আদালতের হেফাজত থেকে নির্দিষ্ট সময়ে আদালতে হাজির থাকার শর্তে জামিনদারের জিম্মায় নির্দিষ্ট পরিমাণ জামানত প্রদানের প্রতিশ্রুতি সাপেক্ষে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হয়।

জামিন বিষয়ে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ও ৪৯৭ ধারায় আলোচনা করা হয়ছে।
আইনগতভাবে জামিনের নির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা বা প্রকারভেদ নেই। তবে প্রয়োগের উপর ভিত্তি করে আমরা জামিনকে কয়েক ধরনে ভাগ করতে পারি

১) জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন
2) জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন
৩) তদন্তে বিলম্বের কারণে জামিন
৪) বিচারে বিলম্বের কারণে জামিন
৫) হাইকোর্ট ও দায়রা আদালত কর্তৃক জামিন অযোগ্য মামলায় জামিন
৬) আগাম জামিন

১) জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন :

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬(৪) (খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে- এমন একটি অপরাধ যা (ফৌজদারি কার্যবিধির) দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে দেখানো হয়েছে অথবা যা বর্তমানে বলবৎ কোনো আইন দ্বারা জামিনযোগ্য করা হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী জামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির জামিন পাওয়া আইনগত অধিকার। এ ধরনের অপরাধে গ্রেফতার ব্যক্তি জামিন চাইলে এবং জামিনদার দিতে প্রস্তুত থাকলে তাকে জামিন দেওয়াটা আদালতের জন্য বাধ্যকর।

২) জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন:

জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। ৪৯৭ ধারা অনযায়ী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অপরাধে অপরাধী হওয়ার মতো বিশ্বাসযোগ্য কারণ ব্যতীত আদালত এই বিবেচনা প্রয়োগ করতে পারেন। তবে সবধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে তিনটি কারণে জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়ার বিষয় বিবেচনার ক্ষমতা আদালতকে দেওয়া হয়েছে। কারণগুলো হলো- ১৬ বছরের কম বয়স্ক, স্ত্রীলোক ও পীড়িত বা অক্ষম ব্যক্তি।

৩) তদন্তে বিলম্বের কারণে জামিন:

জামিন অযোগ্য মামলায় তদন্তে ১২০ দিনের বেশি বিলম্ব হলে আদালত জামিন দিতে পারেন। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ (৫) ধারার বিধান মতে, অপরাধ সংঘটনের ব্যাপারে সংবাদ পাওয়ার তারিখ হতে অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে অথবা তদন্তের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ পাওয়ার ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হলে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা দশ বছরের বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হলে দায়রা আদালত এবং অনান্য ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট স্বীয় সন্তুষ্টি মোতাবেক শর্তে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।

৪) বিচারে বিলম্বের কারণে জামিন:

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯ গ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষেত্রে বিচারকার্য সমাপ্ত করার সময় ১৮০ দিন এবং দায়রা আদালত কর্তৃক বিচারকাজ নিষ্পত্তির সময় ৩৬০ দিন। এই সময়ের মধ্যে বিচারকাজ নিষ্পত্তি না করা গেলে এই ধারা অনুযায়ী বিচারিক আদালত জামিন অযোগ্য মামলায় জামিন দিতে পারেন।

৫) হাইকোর্ট ও দায়রা আদালত কর্তৃক জামিন অযোগ্য মামলায় জামিন:

জামিন অযোগ্য যেকোনো অভিযোগে হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা আদালত জামিন দিতে পারেন। এ বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় বলা হয়েছে, ‘দণ্ডের পর আপিল থাকুক আর না থাকুক হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোনো ক্ষেত্রে যেকোনো ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করিবার আদেশ দিতে পারেন। ’ নিম্ন আদালতের জামিন নামঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে এই ধারায় ফৌজদারি বিবিধ (সিআর মিস) মামলা দায়ের করে জামিন চাওয়া হয়।

৬আগাম জামিন :

আগাম জামিনের জন্য আইনে আলাদা কোনো বিধান নেই। হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিনের দরখাস্ত ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারাতেই করা হয়। মূলত, পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার বা বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের পূর্বেই হাইকোর্ট বিভাগ সীমিত একটি সময়ের জন্য আগাম জামিন মঞ্জুর করে থাকেন।

আগাম জামিনের ক্ষেত্রে, আপাত দৃষ্টিতে জামিন পাওয়ার মতো যুক্তি সঙ্গত ভিত্তি থাকতে হবে বা জামিন দেওয়া না হলে তিনি অন্যায়ের শিকার হতে পারেন মর্মে আশঙ্কা থাকতে হবে। আগাম জামিন আদালতের বিবেচনায় বিশেষ ও ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে মঞ্জুর করা হয়। তদন্ত চলাকালে এমনকি চার্জশিট দাখিলের পরও আগাম জামিন নেওয়া যায়। তবে আগাম জামিনের পর উচ্চ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক নিম্ন আদালতে জামিননামা দাখিল করে নিয়মিত জামিন নিতে হয়।

Key words : Law, Advice, bail, offence, Crime, জামিন,

যেকোনো আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন
ARC
Website: www.myarc.pw
Email: [email protected]
Facebook: https://www.facebook.com/myarc.fb?mibextid=ZbWKwL

পুলিশ কখন গ্রেফতার করতে পারে বা বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করার আইনি ব্যাখ্যা। ফৌজদারী কার্যবিধির কয়েকটি ধারায় গ্রেফতার ও আট...
21/12/2023

পুলিশ কখন গ্রেফতার করতে পারে বা বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করার আইনি ব্যাখ্যা।

ফৌজদারী কার্যবিধির কয়েকটি ধারায় গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে স্পষ্ট উল্লেখ আছে। এই ধারাগুলো আপনার জানা থাকলে কখনো অনাকাঙ্কিত ঝামেলায় পড়ে গেলে তা এড়াতে পারবেন।

সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী আদালতের পরোয়ানা পেলে একজন ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে। আইন অনুযায়ী পুলিশ বিনা-পরোয়ানায় সচরাচর কাউকে গ্রেফতার করতে পারে না। কিন্তু কিছু কিছু ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করার ক্ষমতা রাখে এবং তা আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ফৌজদারি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন। এই আইনের বেশ কয়েকটি ধারায় বলা আছে পুলিশ কখন একজন ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে। বিশেষ করে ৫৪, ৫৫, ৫৭, ১২৮, ১৫১, ৪০১(৩) এই ছয়টি ধারানুযায়ী পুলিশ বিনা-পরোয়ানায় কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে।

ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪ ধারা মোতাবেক কেউ নিম্নবর্ণিত অপরাধগুলো করলে পুলিশ অফিসার তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন-

১। কোন আমলযোগ্য অপরাধীকে
২। কারো কাছে ঘর ভাঙ্গার যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে
৩। সরকার কর্তৃক ঘোষিত অপরাধীকে
৪। কারো কাছে চোরাইমাল পাওয়া গেলে
৫। কেউ পুলিশের কাজে বাধা দিলে
৬। সামরিক বাহিনী হতে কেউ পলায়ন করলে
৭। কেউ বিদেশে অপরাধ করে দেশে ফিরে আসলে কিন্তু প্রচলিত আইনে অপরাধ হলে
৮। কোন মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদি এই আইনের ৫৬৫(৩) ধারা লংঘন করলে
৯। পুলিশ অফিসারের নিকট হতে কাউকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ পত্র পাওয়া গেলে

29 DLR(SC) 256-258 Abdur Rahman Vs. The State- মামলার সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, কোন লোক আমলযোগ্য অপরাধে জড়িত থাকলে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় ৫৪ ধারায় তাকে গ্রেফতার করতে পারবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫ ধারা

ভবঘুরে ও অভ্যাসগত দস্যু প্রভৃতির ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা রয়েছে পুলিশের। থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসারের যদি এরূপ যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, থানার এলাকার মধ্যে কোন ব্যক্তি নিজের উপস্থিতি গোপন করার জন্য সাবধানতা গ্রহণ করছে অথবা কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনের উদেশ্যে ঘুরাফেরা করছে তাহলে ভারপ্রাপ্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে বা করাতে পারেন।

দ্বিতীয়ত যদি কোন ব্যক্তি থানার এলাকার মধ্যে প্রকাশ্য আয়ের উৎস নেই বা নিজ সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ দিতে না পারে সেরূপ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা যায়।

তৃতীয়ত, যে ব্যক্তি অভ্যাসগতভাবে ডাকাত, গৃহভঙ্গকারী অথবা চোর হিসেবে পরিচিত বা যে ব্যক্তির অভ্যাসগতভাবে চোরাইমাল গ্রহণের দুর্নাম আছে বা যে ব্যক্তি অভ্যাসগতভাবে বলপূর্বক অন্যের সম্পত্তি গ্রহণ বা এরূপ উদ্দেশ্যে অন্যকে আঘাতের ভীতি প্রদর্শন করে মর্মে দুর্নাম আছে।

উক্তরূপ ব্যক্তিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫ ধারা মোতাবেক পুলিশ বিনা-পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারা

যখন কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমল অযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজ নাম, ঠিকানা দিতে অস্বীকার করে। অথবা এমন নাম, ঠিকানা প্রদান করে থাকে যা সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারের নিকট মিথ্যা বলে মনে হয় তখন পুলিশ অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং এই ধারার নিয়ম অনুসারে নাম, ঠিকানা জানার পর তাকে মুক্তি দিতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৮ ধারা

এই ধারায় আলোচনা করা হয়েছে, বে-আইনী সমাবেশে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গকে আইন অনুসারে শাস্তি দেওয়ার জন্য আদালতে প্রেরণ করার জন্য পুলিশ গ্রেফতার বা আটক করতে পারেন। বে-আইনী সমাবেশ বলতে এমন সমাবেশকে বুঝাবে যে সমাবেশের কারণে গণ-শান্তি বিনষ্ট হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারা

যদি কোন পুলিশ অফিসার কোন আমলযোগ্য অপরাধ হবে এমন ষড়যন্ত্রের খবর পান অথবা তাঁর নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এই অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ও ওয়ারেন্ট ছাড়াই ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিকে তৎক্ষণাৎ গ্রেফতার করতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১(৩) ধারা

এই ধারায় মূলত একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামীর দন্ড স্থগিত বা মওকুফ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সরকার চাইলে যেকোন সময় যে কোন দন্ডপ্রাপ্ত আসামীকে এই ধারার অধীন মুক্তি দিতে পারে। একই ধারার ৩ উপধারায় বলা হয়েছে সরকার একজন আসামীর যে সকল শর্তে দন্ড স্থগিত বা মওকুফ করেছে তার কোনটি পালন করা হয়নি বলে অনুমিত হলে সরকার মওকুফের আদেশ বাতিল করতে পারে।

এরূপ আদেশ প্রদান করা হলে যেকোন পুলিশ অফিসার তাকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করতে পারবেন এবং তাঁর দন্ডের অনতিবাহিত অংশ ভোগ করার জন্য তাকে জেলে প্রেরণ করা যাবে।

সুতরাং উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা দেখতে পাই যে ফৌজদারি কার্যবিধির মোট ছয়টি ধারায় পুলিশ বিনা-পরোয়ানায় বিভিন্ন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। উক্ত ধারা ব্যতিত অন্যকোন বিশেষ আইনে উল্লেখ থাকলেও অনেক সময় পুলিশ বিনা-পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে।

থানা এলাকায় কোন ব্যক্তি পুলিশ আইনের ৩৪ ধারা এবং ৩৪-ক ধারার অপরাধ করলে থানার পুলিশ অফিসার উক্ত অপরাধীকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন।

থানা এলাকায় কোন ব্যক্তিকে অস্ত্র নিয়ে সন্দেহভাজনভাবে ভাবে ঘোরা ফেরা করতে দেখলে উক্ত ব্যক্তির অস্ত্রের লাইসেন্স থাকুক বা না থাকুক সেক্ষেত্রে পুলিশ অফিসার উক্ত অপরাধীকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন।

কোন ব্যক্তি মটরযান আইনের ৩২, ৫১, ১৪৩, ১৪৪, ১৪৫, ১৪৬, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৫৪, ১৫৬ ধারার অপরাধ করলে উক্ত অপরাধীকে পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন।

এছাড়াও মাদক আইনের ৩৮ ধারা; মানব পাচার আইনের ২০ ধারা; তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৮০ ধারা; বিস্ফোরক আইনের ১৩ ধারা এবং রেলওয়ে আইনের ১৩১, ১৩২ ধারা অনুযায়ী বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যায়।

এক কথায় বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করার ক্ষমতা পুলিশের অনেকটা সহজাত ক্ষমতা। ‍উপরোক্ত আলোচনা বিশ্লেষণ করলে বুঝা যায়, থানায় দায়ের করা প্রত্যেক মামলায় পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিনা-পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে।

Key words : Warrant, law, legal advice, Service

যেকোনো আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন

ARC
Website: www.myarc.pw
Email: [email protected]
Facebook: https://www.facebook.com/myarc.fb?mibextid=ZbWKwL

 #হাত_কড়া বেঙ্গল পুলিশ প্রবিধানে বা পিআরবি এর ৩৩০ ধারা। এ ধারায় বলা হয়েছে:ধারা ৩৩০ (ক) ম্যাজিস্ট্রেট বা কারাগারে স্থানা...
20/12/2023

#হাত_কড়া

বেঙ্গল পুলিশ প্রবিধানে বা পিআরবি এর ৩৩০ ধারা। এ ধারায় বলা হয়েছে:

ধারা ৩৩০ (ক) ম্যাজিস্ট্রেট বা কারাগারে স্থানান্তরিত করার জন্য পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃতরা তদন্ত, এবং বিচারের অধীনে থাকা বন্দীদেরও প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন না তাদের পলায়ন রোধ করতে। হাতকড়া বা দড়ি ব্যবহার প্রায়শই একটি অপ্রয়োজনীয় এবং ক্রোধ মূলক কাজ। কোনও অবস্থাতেই, মহিলাদেরকে হাতকড়া দেওয়া হবে না; বা যারা বয়সের দ্বারা বা অক্ষমতা, অসুস্থতা জনিত কারণে সহজে এবং নিরাপদে হেফাজতে রাখা হয়। এছাড়া

ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৭১ ধারায় গ্রেপ্তারকৃত সাক্ষীকে কোনও অবস্থাতেই হাতকড়া দেওয়া হবে না।

আপত্তিজনক মামলার ক্ষেত্রে, বন্দীদের হাতকড়া পরানো উচিত নয় যদি না সে আক্রমণাত্মক নাহয়। এবং থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার এর আদেশ অথবা এই পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কারণ বি। পি। ফর্ম নং 57 এ সাধারণ ডায়েরি করার কারণ থাকে।

অ-জামিনযোগ্য ক্ষেত্রে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার পরিমাণ বিবেচনায় রেখে হাত কড়া পরাতে হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে হাতকড়া ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে না বলে মনে করলেও হাত কড়া পড়াতে হবে না।

পালানোর সম্ভাবনা আছে উদাহরণস্বরূপ, বন্দী কোনও অপরাধের জন্য হেফাজতে থাকাকালে একজন শক্তিশালী মানুষ, সহিংসতা বা কুখ্যাত পূর্বসূরি বা যদি যাত্রা দীর্ঘ হয়, বা বন্দীদের সংখ্যা বড়, হাতকড়া পরাতে হয় যা যথাযথভাবে ব্যবহার করা উচিত শুধু পালানো রোধ করতে।

(খ) দু'জন বন্দীর ক্ষেত্রে যাদের হাতকড়া দরকার, তাদের হাতকড়া দেওয়া হবে যেন অন্যের বাম হাতের কব্জির সাথে ডান হাতের কব্জি। কোনও পরিস্থিতিতে এর চেয়ে বেশি হওয়া উচিত নয় দুজন বন্দী যেন একসাথে সুরক্ষিত থাকে।

(গ) যে সকল ক্ষেত্রে হাতকড়া ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় বিবেচিত হয়েছে এবং কখন কোন হাতকড়া পাওয়া যায়না সেক্ষেত্রে, বন্দীদের দড়ি বা পোশাকের টুকরো দ্বারা সুরক্ষিত করা যেতে পারে।

এগুলি যথাযথ রক্ত সঞ্চালন যেন করতে পারে এবং অযৌক্তিকভাবে হস্তক্ষেপ না করার জন্য এগুলি যথাযথ ভাবে এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাতকড়া দিয়ে প্রতিস্থাপিত হবে।

(ঘ) হাতকড়া ও অন্যান্য অপসারণে সর্বদা সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত যেমন জমি বা জলের পথে যাত্রী পথে বন্দীদের আনা নেয়ার ক্ষেত্রে।

(ঙ) হাতকড়া ভালভাবে রাখা উচিত। যদি ভাঙা হয় তবে সেগুলি সংযোজন বা প্রতিস্থাপন করা হবে অবিলম্বে।

আবার শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪৪।(৩) এ শিশুদের হাতকড়া পরানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে
৪৪।(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্ত্ত, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি

অপরাধ ভেদে বিভিন্ন রকম শাস্তির মধ্যে হাতকড়া পরানো একটি শাস্তি। জেল কোডের বিধি ৭০৮ এবং কারা আইনের ৪৬ ধারায় লঘু ও গুরু শাস্তি হিসাবে কয়েদিকে হাতকড়া পরানোর বিধান রয়েছে।

 #আইনের_চোখে_অশ্লীলতানিজ প্রয়োজনে জানতে হবে... বাংলাদেশ সহ ভারত উপমহাদেশের  আইন ব্যবস্থা এবং লিখিত আইন প্রক্রিয়া এসেছে...
20/12/2023

#আইনের_চোখে_অশ্লীলতা
নিজ প্রয়োজনে জানতে হবে...
বাংলাদেশ সহ ভারত উপমহাদেশের আইন ব্যবস্থা এবং লিখিত আইন প্রক্রিয়া এসেছে ব্রিটিশদের হাত ধরে । এর পূর্বের আইন ব্যবস্থা নির্ভর ছিল ধর্মীয় অনুশাসনের উপর সুতরাং অশ্লীলতা এর শাস্তি ব্যবস্থা ধর্মীয় আইন-কানুনের উপর ভিত্তি করে এক এক সমাজ ব্যবস্থা এক এক রকম শাস্তি প্রদান করতেন। ভারত উপমহাদেশে সর্বপ্রথম অশ্লীলতাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অবৈধ বা অপরাধ মূলক কার্য বলে গণ্য করা হয় পেনাল কোড ১৮৬০ ধারা ২৯১-২৯৪ এর মাধ্যমে এবং কালের ক্রমে এবং সময়ের চাহিদায় বাংলাদেশে এই বিষয়ে আরও আইন তৈরি করা হয় যেমন: বাংলােদশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন , ২০০১, পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন , ২০১২।

অশ্লীলতার বিপক্ষে বাংলাদেশ সহ ভারত উপমহাদেশে প্রথম যে আইনে উল্লেখ করা হয় তা হলো পেনাল কোড ১৮৬০ ধারা ২৯১-২৯৪। অন্যতম হলো ধারা ২৯৪ এখানে অশ্লীল কাজ ও গান সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে।
এখানে বলা হয়েছে:
ধারা ২৯৪। ।

যে ব্যক্তি, অন্যদের বিরক্ত সৃষ্টি করে :
ক) কোন প্রকাশ্য স্থানে কোন অশ্লীল কার্য করে অথবা
খ) কোন প্রকাশ্য স্থানে বা প্রকাশস্থানে সন্নিকটে কোন অশ্লীল গানের গাঁথা, সংগীত বা পদাবলী গায়, আবৃত্তি করে বা উচ্চারণ করে
সে ব্যক্তি যে কোন বর্ণনার সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে যার মেয়াদ তিন মাস পর্যন্ত হতে পারে অথবা জরিমানা দন্ডে বা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হবে।

কালের পরিবর্তে প্রচারণা প্রক্রিয়ার পরিবর্তন হয়েছে । মানুষ সামাজিক মাধ্যম বা ইন্টারনেটকে প্রচারণা বড় মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেছে। সুতরাং সময়ের দাবিতে প্রচারণা মাধ্যমের উপর ভিত্তি বাংলােদশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন , ২০০১ এ টেলিযোগাযোগ ব্যবহার করে অশ্লীল প্রচার এবং এ শাস্তি বিষয়ে বলা হয়েছে।

এখানে বলা হয়েছে:
ধারা ৬৯৷।
যদি-
(ক) কোন ব্যক্তি টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি বা বেতার যন্ত্রপাতির সাহায্যে কোন অশ্লীল, ভীতি প্রদর্শনমূলক বা গুরুতরভাবে অপমানকর কোন বার্তা প্রেরণের উদ্দেশ্যে উক্ত যন্ত্রপাতির পরিচালন কাজে নিয়োজিত ব্যক্তির নিকট প্রস্তাব করেন, বা
(খ)উক্ত প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তি সজ্ঞানে বা ইচ্ছাকৃতভাবে উক্তবার্তা প্রেরণ করেন, বা
(গ) কোন ব্যক্তি চাঁদা আদায়ের উদ্দেশ্যে টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি বা বেতার যন্ত্রপাতির সাহায্যে অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের নিকট অশ্লীল, গুরুতরভাবে অপমানকর, হুমকিমূলক কোন বার্তা বা অন্যকোন ভীতিকর বার্তা বা কোন কথোপকথন বা ছবি বা ছায়াছবি প্রেরণ করেন, তাহা হইলে দফা (ক) এর ক্ষেত্রে প্রস্তাবকারী এবং দফা (খ) এর ক্ষেত্রে প্রস্তাবকারী ও প্রেরণকারীর এই কাজ হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য উক্ত প্রস্তাবকারী বা, প্রেরণকারী বা, ক্ষেত্রমত, উভয়ে অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদন্ডে বা অনধিক ৫ (পাঁচ) কোটি টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং দফা (গ) এর ক্ষেত্রে প্রেরণকারী অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদন্ডে বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে এবং অনাদায়ে ০৩ (তিন) মাসের কারাদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।]

অতঃপর সময়ের দাবিতে অশ্লীলতাকে রোধের জন্য এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন , ২০১২ প্রণয়ন করা হয়। যেখানে পর্নোগ্রাফিকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হয়। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ এর ধারা ২(গ) এ অশ্লীলতাকে পর্নোগ্রাফি এর সাথে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
যেখানে বলা হয়েছে:

ধারা ২(গ)||
‘‘পর্নোগ্রাফি’’ অর্থ—

(১) যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কোন অশ্লীল সংলাপ, অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি, নগ্ন বা অর্ধনগ্ন নৃত্য যাহা চলচ্চিত্র, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোন উপায়ে ধারণকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এবং যাহার কোন শৈল্পিক বা শিক্ষাগত মূল্য নেই;
(২) যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী অশ্লীল বই, সাময়িকী, ভাস্কর্য, কল্পমূর্তি, মূর্তি, কাটুর্ন বা লিফলেট;
(৩) উপ-দফা (১) বা (২) এ বর্ণিত বিষয়াদির নেগেটিভ ও সফট বার্সন;

এরি সাথে এ আইনে পর্নোগ্রাফি সম্পর্কিত বিভিন্ন অপরাধের কারণে বিভিন্ন কঠোর শাস্তির উল্লেখ করা হয়েছে ।

#প্রশ্ন_হতে_পারে_অশ্লীলতা_কি_বা_এর_মানদণ্ডই_বা_কি?

সময়ের সাথে অশ্লীলতার ব্যাখ্যা পরিবর্তন হয়। একেক সমাজ একেক ভাবে এই অশ্লীলতাকে ব্যাখ্যা করে। দুঃখজনক হলেও সত্যি আমাদের দেশে অশ্লীলতা কে ব্যাখ্যা করে এমন সু নির্দিষ্ট কোন আইনি সংজ্ঞা নেই। কিন্তু বোঝার সুবিধার্থে আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের উদাহরণ হিসেবে আনতে পারি । যেখানে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট অশ্লীলতাকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন।

(রণজিত ডি উদেশী বনাম মহারাষ্ট্র সরকার) মামলায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯২ ধারার সাংবিধানিক বৈধতাকেই চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিলো। সুপ্রিম কোর্ট অবশ্য সেটাকে নাকচ করে। এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের মত যে, অশ্লীলতা শব্দটি মোটেই অস্পষ্ট নয়।
(১) এটি অনুভূতিপ্রবণ মনকে কলুষিত করে ও নৈতিক অধঃপতন ঘটায়;
(২) এটি নোংরা ও লাম্পট্য চিন্তা মাথায় আনে;
(৩) এটা অকৃত্রিম পর্নোগ্রাফি;
(৪) এটি কাম উদ্রেককারী;
(৫) এটি যৌন-বিষয়ক কুচিন্তা মনের মধ্যে আনে;
(৬) সমাজিক ভাবে গ্রাহ্য যে সীমারেখা – তা ছাড়িয়ে যায়।
যদিও এই রায় আমাদের বাংলাদেশীদের উপর বাধ্যবাধকতার সৃষ্টি করে না কিন্তু এর মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি আইন কিভাবে অশ্লীলতাকে ব্যাখ্যা করে।

#আমাদের_সতর্কতা_কেন_প্রয়োজন?

বেশ কিছু সময় ধরে সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুক, ইউটিউব, টিক টক, এসবের মাধ্যমে কনটেন্ট এর নামে অশ্লীলতাকে প্রচার করা হচ্ছে। যেখানে স্বাধীনতার নামে নগ্নতা, গালাগাল বা পর্নোগ্রাফির প্রচারনা হচ্ছে।
এই বিষয়টিকে আমরা দুই ভাবে বিবেচনা করতে পারি। প্রথমত নিজের সংস্কৃতি এবং সামাজিক মূল্যবোধকে অক্ষুন্ন রাখতে, দ্বিতীয়ত নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে আইনের লঙ্ঘন থেকে রক্ষার জন্য।

আমরা যারা ইন্দো-আর্য সভ্যতা তাদের সামাজিক কাঠামো পশ্চিমা সভ্যতার থেকে অনেকটাই ভিন্ন। আমাদের কাছে শালীনতা একটি সংবেদনশীল বিষয়। সুতরাং এর ভঙ্গন যেমন আমাদের নীতি নৈতিকতা এবং সংস্কৃতি এর বিরুদ্ধে তেমনি রাষ্ট্রীয় আইনের লঙ্ঘন।

আইনের একটি নীতি আছে ( ignorantia juris non excusat- “ignorance of law excuses no one” যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় “আইন সম্পর্কে অজ্ঞতা কোনো অজুহাত হতে পারে না” ।
রাষ্ট্র যখন একটি আইন তৈরি করে রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব সে আইন সম্পর্কে অবগত থাকা এবং মেনে চলা। মানুষ অনুকরণ প্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা অন্যদের অনুকরণ করতে গিয়ে নিজের অজান্তেই নিজের দেশের আইনকে লঙ্ঘন করছি এবং যখনই এর পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করে তখন আমরা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে বা রাষ্ট্রকে প্রশ্নের সম্মুখীন করে তোলি। অবশ্য এটাও সত্য , অনেক ক্ষেত্রেই আইনের অপব্যবহার দেখা যায় সুতরাং এসব বিষয়ে সতর্ক থাকার বিকল্প নেই।

#আইনের_ব্যবহার:
স্যোশাল মিডিয়ায় বা সরাসরি কারো এমন কোনো কার্যক্রম যা উপরোক্ত আলোচনায় অশ্লীলতার আওতাভুক্ত হয় এবং তা আমাদের কারো বিরক্তি এর কারণ হয়ে উঠে তাহলে সে প্রমাণ সহকারে ( স্ক্রিনশট, ছবি, ভিডিও) উপরোক্ত আইনের উল্লেখ করে নিকটবর্তী থানায় একটি জিডি অথবা এজাহার করতে পারে।

Key words : Obscene acts, অশ্লীলতা, দন্ড বিধি, আইন, পরামর্শ

যেকোনো আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন
ARC
Website: www.myarc.pw
Email: [email protected]
Facebook: https://www.facebook.com/myarc.fb?mibextid=ZbWKwL

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ARC Ofc posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category