saha legal service

saha legal service Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from saha legal service, Dhaka.

জমি, ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন সহ জমি সংক্রান্ত সকল কাজ,আয়কর, সিভিল,ক্রিমিনাল, পারিবারিক মামলা সহ যাবতীয় আইনি সহায়তায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। চেম্বার :
৬১ গ্রীনরোড,রুম নং ১১৫,(নিচ তলা) (মাল্টিপ্লান গ্রীন ভিলা) কমফোর্ট ও জিনজিরা হোটেলের বিপরীতে।মো: ০১৬৭০২৩২২৭০

চতুর্থবার এর মতো আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার সময় বাড়ানো হলো।
26/02/2026

চতুর্থবার এর মতো আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার সময় বাড়ানো হলো।

09/02/2026

আলোচ্য বিষয়:
অবিকল নকল / certified copy.

27/01/2026

#নামজারি

সম্পত্তি ক্রয়, হস্তান্তর বা ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্তির পর নামজারি সম্পন্ন করা মালিকানা প্রতিষ্ঠার একটি অপরিহার্য প্রশাসনিক ধাপ। নামজারি না করলে পরবর্তীতে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতার সম্মুখীন হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। নিচে প্রধান ঝুঁকিগুলো তুলে ধরা হলো—

নামজারি না করার ফলে যে সমস্যাগুলো হতে পারেঃ

১. মালিকানা প্রমাণে দুর্বলতা
সরকারি রেকর্ডে আপনার নাম অন্তর্ভুক্ত না থাকলে মালিকানা দাবি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের কাছে আপনার স্বার্থ যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না।

২. সঠিকভাবে খাজনা/কর পরিশোধে বাধা
নামজারি ছাড়া ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান সম্ভব নয়, ফলে কর বকেয়া হয়ে ভবিষ্যতে প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি করে।

৩. বিক্রয়, বন্ধক বা ব্যাংক লোনে প্রতিবন্ধকতা
অধিকাংশ আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ হালনাগাদ নামজারি ছাড়া লেনদেন স্বীকৃতি দেয় না, ফলে সম্পত্তি লেনদেনে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

৪. ওয়ারিশদের মধ্যে বিরোধের ঝুঁকি বৃদ্ধি

রেকর্ড আপডেট না থাকলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, যা প্রাক-দাবি, বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমায় পরিণত হতে পারে।

৫. তৃতীয় পক্ষের দাবির আশঙ্কা বৃদ্ধি
রেকর্ডে পূর্ববর্তী মালিকের নাম থাকায় তৃতীয় পক্ষ রেকর্ড সংশোধনের অপচেষ্টা করতে পারে, যা মালিকানায় প্রতিকূল প্রভাব ফেলে।

৬. সরকারি/ইউটিলিটি কাজে অনুমোদন পেতে বিঘ্ন
রাস্তাঘাট, হোল্ডিং, বিদ্যুৎ, গ্যাস বা সিটি কর্পোরেশনের কাজে মালিকানা যাচাইয়ের সময় সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বি: দ্র:
নামজারি কেবল একটি প্রশাসনিক ফরমালিটি নয়—এটি মালিকানা সুরক্ষা, ভবিষ্যৎ লেনদেন, কর-সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা এবং বিরোধ প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। যথাসময়ে নামজারি সম্পন্ন করা আপনার সম্পত্তির ওপর আইনি নিয়ন্ত্রণ সুদৃঢ় করে।

16/01/2026

১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের তথ্যানুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ এর মাধ্যমে জমি নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই সংশোধনীগুলোর মূল লক্ষ্য হলো ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং জালিয়াতি রোধ করা।

২০২৬ সালের সংশোধিত আইনের প্রধান পরিবর্তনগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
#বায়না দলিলের মেয়াদ নির্ধারণ: এখন থেকে বায়না দলিলের (Agreement for Sale) সর্বোচ্চ মেয়াদ নির্দিষ্ট করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিক্রয় দলিল সম্পাদন না করলে বা চুক্তি নবায়ন না করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে।
#ডিজিটাল নিবন্ধন ও ই-রেজিস্ট্রেশন: সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে সম্পূর্ণ বা আংশিক ডিজিটাল নিবন্ধন (E-registration) প্রক্রিয়াকে আইনি বৈধতা দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নাগরিকরা অনলাইনে নিবন্ধনের আবেদন এবং ফি জমা দিতে পারবেন।
#বায়োমেট্রিক যাচাই বাধ্যতামূলক: জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতার জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) সাথে বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ ও আইরিশ) যাচাই করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে যাতে ভুয়া ব্যক্তি সেজে জমি কেনাবেচা বন্ধ হয়।
#উত্তরাধিকার সূত্রে মালিকানা: পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নামজারি (Mutation) খতিয়ান থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। খতিয়ান ব্যতীত কোনো ওয়ারিশ সরাসরি জমি বিক্রয় বা হস্তান্তর করতে পারবেন না।
#পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (Power of Attorney): আমমোক্তারনামা বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলের অপব্যবহার রুখতে এর মেয়াদ ও কার্যকারিতার ওপর কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে।

  কোম্পানি ব্যাতিত করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সময় ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
28/12/2025

কোম্পানি ব্যাতিত করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সময় ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

23/12/2025

#বায়া দলিল ছাড়া জমি কিনছেন?
#একটি জমির ভিত্তি বায়া দলিলের মাধ্যমেই বোঝা যাবে।

​আপনারা যারা জমি কিনতে আগ্রহী, তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো 'বায়া দলিল'। কিন্তু অনেকেই জানেন না এই বায়া দলিল কী বা এর গুরুত্ব কতটুকু। একজন আইনজীবী হিসেবে আমি দেখেছি, বায়া দলিল না থাকার কারণে অনেকে কীভাবে নিজেদের কষ্টের টাকা খোয়ান।

​১. বায়া দলিল কী?
সহজ ভাষায়, বায়া দলিল হলো আপনার কেনা জমির সর্বশেষ মালিকানা পরিবর্তনের পূর্বের দলিল বা দলিলসমূহ। অর্থাৎ, যিনি বর্তমানে আপনাকে জমি বিক্রি করছেন, তিনি কোন্ দলিল মূলে এই জমির মালিক হয়েছিলেন, সেই দলিলটিই হলো বায়া দলিল। এটি একটি জমির মালিকানার ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে।

​২. বায়া দলিল কেন এত জরুরি?
বায়া দলিল ছাড়া জমি কেনা মানে চোখ বন্ধ করে অজানা পথে হাঁটার মতো। এর মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন যে:
​জমির বিক্রেতা সত্যিই এই জমির বৈধ মালিক কি না।
​বিক্রেতার মালিকানা নিরঙ্কুশ এবং বিতর্কিত নয়।
​জমিটি পূর্বে একাধিকবার বেচাকেনা হয়েছে কি না এবং প্রতিটি ধাপ বৈধ ছিল কি না।
​জমির প্রকৃত আয়তন এবং সীমানা ঠিক আছে কি না।

​৩. বায়া দলিল না থাকলে জমি কেনা কি ঠিক?
এক কথায় উত্তর: একদমই ঠিক নয়! বায়া দলিল ছাড়া জমি কেনার ঝুঁকি অনেক বেশি। এটি না থাকলে আপনি নিম্নলিখিত মারাত্মক সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে পারেন:
​ভুয়া বা জাল দলিলের ফাঁদে পড়া: অসাধু বিক্রেতারা প্রায়শই বায়া দলিল দেখাতে চান না, কারণ তাদের মূল দলিলটি ভুয়া বা জাল হতে পারে।
​জমির মালিকানা নিয়ে বিতর্ক: যদি বিক্রেতার মালিকানা বৈধ না হয়, তাহলে পরবর্তীতে আসল মালিক এসে আপনার কেনা জমির দাবি করতে পারে। এতে আপনি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়বেন এবং জমি হারাবেন।
​জমির আয়তন বা সীমানায় গরমিল: বায়া দলিল যাচাই না করলে দেখা যেতে পারে যে, আপনাকে যে পরিমাণ জমি দেখানো হচ্ছে বা যে সীমানা বলা হচ্ছে, তা মূল মালিকানার সাথে মেলে না।
​ব্যাংক ঋণে সমস্যা: ভবিষ্যতে এই জমি বন্ধক রেখে ব্যাংক ঋণ নিতে চাইলে বায়া দলিল না থাকলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপনার ঋণ আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
​নামজারিতে জটিলতা: বায়া দলিল ছাড়া নামজারির আবেদন করলে ভূমি অফিস তা আটকে দিতে পারে বা দীর্ঘসূত্রিতার সৃষ্টি করতে পারে।

​৪. আমার পরামর্শ:
জমি কেনার আগে অবশ্যই বায়া দলিল দেখতে চান এবং একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে তা যাচাই করে নিন। এটি আপনার ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

সুবল সাহা শুভ
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
#আইনজীবী #জমি #বায়াদলিল #সম্পত্তি #আইনিপরামর্শ।

   #নামজারিকোন সম্পত্তি ক্রয়, হস্তান্তর বা ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্তির পর নামজারি সম্পন্ন করা মালিকানা প্রতিষ্ঠার একটি অপরিহা...
06/12/2025

#নামজারি

কোন সম্পত্তি ক্রয়, হস্তান্তর বা ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্তির পর নামজারি সম্পন্ন করা মালিকানা প্রতিষ্ঠার একটি অপরিহার্য প্রশাসনিক ধাপ। নামজারি না করলে পরবর্তীতে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতার সম্মুখীন হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। নিচে প্রধান ঝুঁকিগুলো তুলে ধরা হলো—

নামজারি না করার ফলে যে সমস্যাগুলো হতে পারেঃ

১. মালিকানা প্রমাণে দুর্বলতা
সরকারি রেকর্ডে আপনার নাম অন্তর্ভুক্ত না থাকলে মালিকানা দাবি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের কাছে আপনার স্বার্থ যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না।

২. সঠিকভাবে খাজনা/কর পরিশোধে বাধা
নামজারি ছাড়া ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান সম্ভব নয়, ফলে কর বকেয়া হয়ে ভবিষ্যতে প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি করে।

৩. বিক্রয়, বন্ধক বা ব্যাংক লোনে প্রতিবন্ধকতা
অধিকাংশ আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ হালনাগাদ নামজারি ছাড়া লেনদেন স্বীকৃতি দেয় না, ফলে সম্পত্তি লেনদেনে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

৪. ওয়ারিশদের মধ্যে বিরোধের ঝুঁকি বৃদ্ধি

রেকর্ড আপডেট না থাকলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, যা প্রাক-দাবি, বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমায় পরিণত হতে পারে।

৫. তৃতীয় পক্ষের দাবির আশঙ্কা বৃদ্ধি
রেকর্ডে পূর্ববর্তী মালিকের নাম থাকায় তৃতীয় পক্ষ রেকর্ড সংশোধনের অপচেষ্টা করতে পারে, যা মালিকানায় প্রতিকূল প্রভাব ফেলে।

৬. সরকারি/ইউটিলিটি কাজে অনুমোদন পেতে বিঘ্ন
রাস্তাঘাট, হোল্ডিং, বিদ্যুৎ, গ্যাস বা সিটি কর্পোরেশনের কাজে মালিকানা যাচাইয়ের সময় সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বি: দ্র:
নামজারি কেবল একটি প্রশাসনিক ফরমালিটি নয়—এটি মালিকানা সুরক্ষা, ভবিষ্যৎ লেনদেন, কর-সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা এবং বিরোধ প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। যথাসময়ে নামজারি সম্পন্ন করা আপনার সম্পত্তির ওপর আইনি নিয়ন্ত্রণ সুদৃঢ় করে।

  related information অনেকেই মনে করেন রেকর্ড না থাকলে মালিকানা দুর্বল হয়ে যায়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দলিল  ও দখল —এই দু’টিই...
24/11/2025

related information
অনেকেই মনে করেন রেকর্ড না থাকলে মালিকানা দুর্বল হয়ে যায়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দলিল ও দখল —এই দু’টিই আইনি দৃষ্টিতে আপনার অধিকার।

করণীয়:

১. বিদ্যমান দলিল, দাখিলা, নামজারি, খাজনা রশিদ, দখলের প্রমাণসহ সকল কাগজপত্র সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন।

২. রেকর্ড ঠিক করতে mutation (নামজারি) আবেদন করুন।

৩. নামজারি না হলে বা আপত্তি আসলে প্রয়োজন হলে R.S./B.S. রেকর্ড সংশোধনের জন্য সিভিল কোর্টে Suit for Declaration করা যায়।

৪. দীর্ঘদিন দখলে থাকলে “Possessory Title” আদালতে প্রতিষ্ঠিত করা যায়।

যারা “দলিল আছে কিন্তু রেকর্ড নাই” সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য সঠিক আইনি পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

24/11/2025

✅ ভূমিকম্পের আগে করণীয়

1. বাড়ি ও অফিসে নিরাপদ স্থানের চিহ্ন নির্ধারণ করুন

টেবিলের নিচে, বিম বা কলামের পাশে শক্ত জায়গা

জানালা ও ভারী জিনিসপত্র থেকে দূরে

2. একটি জরুরি ব্যাগ প্রস্তুত রাখুন

পানীয় জল, শুকনো খাবার

ফার্স্ট এইড, টর্চলাইট, পাওয়ার ব্যাংক

গুরুত্বপূর্ণ নথির কপি

3. গ্যাস লাইন, ইলেকট্রিক লাইন ঠিক আছে কিনা নিশ্চিত করুন

4. পরিবার-সদস্যদের জরুরি প্ল্যান শিখিয়ে দিন

সবাই কোন স্থানে জড়ো হবে

কার দায়িত্ব কোনটি

---

✅ ভূমিকম্পের সময় করণীয়

🏠 আপনি যদি ঘরের ভিতরে থাকেন

1. D – Drop, C – Cover, H – Hold

মাটিতে বসে যান

শক্ত টেবিল বা আসবাবের নিচে আশ্রয় নিন

টেবিলের পা শক্ত করে ধরে রাখুন

2. জানালা, কাচ, ভারী আলমারি বা ফ্রিজ থেকে দূরে থাকুন

3. লিফট ব্যবহার করবেন না

4. বাইরে দৌড়াবেন না, ভবনের ধ্বংসাবশেষ পড়লে বিপদ আরও বাড়ে

🏃 আপনি যদি বাইরে থাকেন

1. ভবন, বৈদ্যুতিক খুঁটি, সেতু ও বড় গাছ থেকে দূরে যান

2. খোলা মাঠ বা খালি জায়গায় দাঁড়ান

3. গাড়ি চালানোর সময় হলে—গাড়ি স্থির করুন, কিন্তু ব্রিজের নিচে বা ভবনের পাশে নয়

🚌 আপনি যদি গাড়ি/বাসে থাকেন

1. চালককে নির্দেশ দিন নিরাপদ স্থানে থামাতে

2. যানবাহনের ভিতরে থাকাই নিরাপদ—বাইরে নামবেন না

---

✅ ভূমিকম্পের পরে করণীয়

1. আঘাত আছে কি না যাচাই করুন, আহতকে ফার্স্ট এইড দিন

2. গ্যাস লিকেজ বা শর্ট সার্কিট আছে কিনা পরীক্ষা করুন

3. বাড়ির ক্ষতি হলে ভিতরে প্রবেশ করবেন না

4. ভূমিকম্পের পরের কম্পন (Aftershock) আসতে পারে, তাই সতর্ক থাকুন

5. মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যস্ত রাখতে কল কম করে বার্তা ব্যবহার করুন

6. সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করুন

7. গুজব ছড়াবেন না, যাচাই করা তথ্যই শেয়ার করুন
# সংগ্রহীত

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর নবনিযুক্ত  মহামান্য বিচারপতি  গণকে অনেক অনেক অভিনন্দন।
12/11/2025

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর নবনিযুক্ত মহামান্য বিচারপতি গণকে অনেক অনেক অভিনন্দন।

Address

Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when saha legal service posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share